

মো: মাসুদ রানা,কচুয়া:
মুখে আধা পাকা দাড়ি ও চুলের ধরনও প্রায় একই। মৃদু হাসিতে অপলক দৃষ্টিতে তাকানো ৬৫ উর্ধ্ব ব্যক্তিটির নাম খোকন চন্দ্র ঘোষ। খালি পায়ে বসে কাঁদের ভার মাটিতে রেখে বাঁশের তৈরি চরকী হাতে বিশেষ এক ধরনের নাড়ানি পরনে ঢিলেঢালা একটি শার্ট ও মাজায় গামছা পেচাঁনো লুঙ্গি পরিধান করে ডেসকিতে করে (মাঠা বহনের জন্য বিশেষ পাত্র) বিভিন্ন স্থানে গাওয়াল করে গ্রামে গ্রামে ঘুরে বিক্রি করছেন টক-মিষ্টি মাঠা। বলছিলাম, চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার সাচার গ্রামের ঘোষ বাড়ির মৃত. স্ত্রী শীতল ঘোষের ছেলে খোকন চন্দ্র ঘোষের কথা। ছয় ভাই বোনের মধ্যে অভাবের তাড়নায় বেশি লেখাপড়া করতে পারেননি খোকন চন্দ্র।
খোকন ১৬ কিংবা ১৭ বছর বয়স থেকে বাবার কাছ থেকে শেখা মাঠা; আবার কখনো জিলাপি বিক্রি করেন সে। প্রতিদিন মাঠা বিক্রির জন্য সকাল ৮টা থেকে ১০টার মধ্যে বের হয়ে কখনো ফিরেন দুপুর ১টায় আগে আবার কখনো ফিরতে ফিরতে দুপুর গড়িয়ে বিকেল হয়। গরুর দুধ দিয়ে তৈরি হয় দই আর বিশেষ প্রক্রিয়ায় দই থেকে তৈরি হয় মাঠা।
শিশু থেকে আরম্ভ করে সব বয়সী মানুষের প্রিয় পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ খাদ্য হজমে সহায়তা করা এই মাঠা বিক্রিও হয় বেশ। প্রতিদিন ৬০০ টাকা বিক্রি করতে পারলে ৪০০ টাকা আয় হয় খোকনের। কখনো কখনো তার বেশিও আয় হয় তবে তার বিক্রির উপর নির্ভর করে পরিবারের জীবিকা নির্বাহ হয় বলে জানান তিনি।
তবে বৃষ্টি বাদল হলেই আর বিক্রি হয় না মাঠা। গ্লাসের উচ্চতা বেঁধে পরিপূর্ণ এক গ্লাস মাঠা বিক্রি হয় ১০ থেকে ২০ টাকা করে। বেশি বিক্রি হয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বাজার এবং জনসভায়। কেউ কেউ আবার পরিবারের জন্য বোতলে করে কিনে নিয়ে যান এই সুস্বাদু পানীয় খাবার।
পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি খোকন দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলেন, আগের মত শরীরটা আর দেয় না, যেদিন অসুস্থ থাকি সেদিন আর গাওয়াল করতে বের হতে পারি না। তিন সন্তানের জনক এই খোকন বলেন, এই পেশায় নতুন প্রজন্মের কেউ আসতে চায় না। এই ক্ষুদ্র পেশার সাথে জড়িত আমরা কোনরকম খেয়ে পড়ে বেঁচে আছি। এই ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর দাবি, সরকারি কোন আর্থিক সহযোগিতা পান না তিনি। সরকারের সহযোগিতা কামনা করে তিনি বলেন, আমাদের মত খেটে খাওয়া মানুষ গুলোর দিকে সরকার দৃষ্টি দিলে আর্থিকভাবে ভালো থাকতে পারবেন বলে অভিমত তার।
মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন


সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার সুন্দরবনসংলগ্ন ছোট ভেটখালী এলাকায় সেনাবাহিনীর বিশেষ অভিযানে অস্ত্র ও গুলাবারুদসহ “সাইফুল ওয়াদুদ” (৫১) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে।
গত রোববার (১৬ নভেম্বর) রাত ১টার দিকে কালিগঞ্জ আর্মি ক্যাম্পের সেনা সদস্যরা এ ‘মিডনাইট অপারেশন’ পরিচালনা করেন। অভিযানসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে সেনাবাহিনীর একটি বিশেষ দল ছোট টেংরাখালী এলাকায় হানা দেয়। এ সময় একটি সিঙ্গেল ব্যারেল বন্দুক, ২৭ রাউন্ড শটগানের গুলি এবং বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকেই আটক করা হয় “এসএম সাইফুল । তিনি শ্যামনগর উপজেলার যতীন্দ্রনগর গ্রামের মৃত আবু বক্কর সরদারের ছেলে। সেনা সদস্যরা জানান, সেনাবাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে “সাইফুল ওয়াদুদ” পালানোর চেষ্টা করলে ধাওয়া করে তাকে আটক করা হয়। পরে তার কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া অস্ত্র ও গুলাবারুদ জব্দ করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সাইফুল ওয়াদুদ এর আগেও ২০১৭ সালে হরিনগর বাজার এলাকা থেকে র্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন।
আজ সোমবার (১৭ নভেম্বর) দুপর দেড়টার দিকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আটক ব্যক্তিকে শ্যামনগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। জব্দ করা অস্ত্র ও গুলাবারুদ থানায় জমা দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলছে।
মন্তব্য করুন


খুলনার কয়রায় ৪৮ কেজি হরিণের মাংসসহ ০১ শিকারিকে গ্রেপ্তার করেছে বনরক্ষীরা।
আজ মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে সুন্দরবন থেকে অবৈধভাবে হরিণ শিকার করে মাংস পাচারের সময় ৪নং কয়রা সংলগ্ন শাকবাড়িয়া নদীতে এ বিশেষ অভিযান চালানো হয়। কাশিয়াবাদ স্টেশন কর্মকর্তা “ মো. নাসির উদ্দী “ এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে ২টি নৌকা, ১১৫ কেজি বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ও হরিণ ধরার সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। আটক দিদারুল ইসলাম (৩৫) কয়রা উপজেলার মহারাজপুর গ্রামের হামিদ গাজীর ছেলে।
খুলনা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) “ মো. শামীম রেজা মিঠু “ বলেন, এ ব্যাপারে ০২ জনের নাম উল্লেখ করে বন্যপ্রাণী আইনে মামলা করা হয়েছে। জব্দ হরিণের মাংস ও মাছ পচনশীল হওয়ায় আদালতের অনুমতিক্রমে মাটিতে পুঁতে বিনষ্ট করা হয়েছে। গ্রেপ্তার হরিণ শিকারিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কয়রা উপজেলা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
“থাকবে পুলিশ জনপদে, ভোট দিবেন নিরাপদে” — এই স্লোগানকে সামনে রেখে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে পুলিশের দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কুমিল্লায় শুরু হয়েছে ৪র্থ পর্যায়ের ৩ দিনব্যাপী বিশেষ প্রশিক্ষণ কোর্স।
“নির্বাচনি দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে পুলিশের দক্ষতা সক্ষমতা বৃদ্ধি” শীর্ষক এই প্রশিক্ষণ কোর্সের শুভ উদ্বোধন করা হয় এক আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কুমিল্লা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) রাশেদুল হক চৌধুরী।
বক্তব্যে তিনি বলেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায়। এই নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নির্বাচনি দায়িত্ব পালনকালে প্রতিটি পুলিশ সদস্যকে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে সর্বোচ্চ সতর্কতা ও পেশাদারিত্ব প্রদর্শন করতে হবে। এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে মাঠ পর্যায়ের পুলিশ সদস্যরা তাদের দায়িত্ব সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা লাভ করবে এবং নির্বাচনকালীন যে কোনো পরিস্থিতি দক্ষতার সঙ্গে মোকাবিলা করতে সক্ষম হবে। প্রশিক্ষণে বিভিন্ন পর্যায়ের পুলিশ সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন এবং নির্বাচন পরিচালনায় করণীয়, আচরণবিধি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ১০ কেজি গাঁজাসহ দুইজন মাদক
ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব -১১, সিপিসি-২।
১৮ এপ্রিল রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক
দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন কোটেশ্বর এলাকায় মাদক
বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসামী ১। মোঃ রাশেদুল রিমন (২৪) ও ২। মোঃ ওয়াসিম আকরাম
(২১) নামক দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীদ্বয়ের কাছ থেকে ১০ কেজি
গাঁজা ও মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী ১। মোঃ রাশেদুল রিমন (২৪) কুমিল্লা জেলার
চান্দিনা থানার সুহিলপুর গ্রামের মৃত আব্দুল ওহাব এর ছেলে এবং ২। মোঃ ওয়াসিম আকরাম
(২১) বি.বাড়িয়া জেলার সদর থানার সুলতানপুর গ্রামের শেখ ভানু মিয়া এর ছেলে।
র্যাব জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে জব্দকৃত মোটরসাইকেল ব্যবহার
করে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক দ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লা জেলায়
মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১
এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের
মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের
বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা,কচুয়া ॥
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার ৫নং পশ্চিম সহদেবপুর ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মহিন উদ্দিন বাপ্পি সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী সদস্য ড. আনম এহছানুল হক মিলনের প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার কারণে তাঁর ছবি সম্বলিত ছবি দিয়ে নিজ বাড়ির প্রধান গেইট সুসজ্জিত করেছেন। এর পাশাপাশি তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ছবি সম্বলিত ছবি একেছেন। তাঁর এমন ব্যতিক্রমী উদ্যোগকে স্বাগত জানান উপজেলা ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ। সোমবার সকালে উপজেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি তাজুল ইসলাম ও সাধারন সম্পাদক সাইফুল ইসলাম পাটোয়ারী সহ অন্যান্যরা যুবদল নেতা মহিন বাপ্পির বাড়ির গেইট পরিদর্শন করেন। এসময় তারা নেতার প্রতি এমন ভালোবাসায় মুগ্ধতা ও প্রশংসা করেন।
উপজেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি তাজুল ইসলাম ও সাধারন সম্পাদক সাইফুল ইসলাম পাটোয়ারী বলেন, মহিন বাপ্পি হামলা-মামলা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নির্যাতনের শিকার হয়েও দলকে ও তার নেতাকে ভুলে যায়নি। হামলা-মামলা ও নির্যাতনের শিকার হলেও তিনি কখনোই দলকে ভুলে যাননি এবং প্রিয় নেতা মিলন ও তার আদর্শ বুকে ধারণ করে আজও দলের সাথে মিশে আছেন তিনি। তার এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানাই।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ৫২ কেজি গাঁজাসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
১৬ মার্চ রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানাধীন ময়নামতি সাহেবের বাজার এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে মোঃ শাহজাহান (৫২) নামক একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করতে করে। এ সময় আসামী কাছ থেকে ৫২ কেজি গাঁজা ও ০১ টি পিকআপ উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী মোঃ শাহজাহান (৫২) গাজীপুর জেলার টঙ্গী পূর্ব থানার মাছিমপুর গ্রামের মৃত এনতাছ আলী এর ছেলে।
র্যাব জানান, সে দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক দ্রব্য সংগ্রহ করে কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন,কুমিল্লা প্রতিনিধি:
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কুমিল্লা জেলা কার্যালয়ের উদ্যোগে আদর্শ সদর উপজেলার সদর হাসপাতাল রোড এলাকায় রবিবার (১ জুন) সকাল ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত একটি অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে “পদ্মা মেডিকেল সার্ভিসেস” নামক একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে মূল্য তালিকার চেয়ে অধিকমূল্যে রোগীদের কাছ থেকে বিভিন্ন টেস্টের ফি আদায়ের প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রতিষ্ঠানটিকে ১৫,০০০ টাকা জরিমানা করা হয়।
অপরদিকে “তাইফ মেডিকেল সার্ভিসেস”-এ সুনির্দিষ্ট তাপমাত্রায় রিএজেন্ট সংরক্ষণ না করা এবং প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী মানসম্মত সেবা প্রদান না করার অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটিকে ১০,০০০ টাকা জরিমানা করা হয়।
সবমিলিয়ে দুই প্রতিষ্ঠানকে মোট ২৫,০০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। অভিযানে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে ভবিষ্যতে সেবার মান বজায় রাখতে ও ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণা থেকে বিরত থাকতে নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর কুমিল্লার সহকারী পরিচালক মো. কাউছার মিয়া।
অভিযানে আরও উপস্থিত ছিলেন অধিদপ্তরের অফিস সহকারী ফরিদা ইয়াসমিন এবং কুমিল্লা জেলা পুলিশের একটি সহযোগী দল।
মন্তব্য করুন


নভেম্বরের মধ্যেই গণভোট ও পাঁচ দফা দাবির
বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ময়মনসিংহ মহানগর জামায়াতের উদ্যোগে শনিবার (২৫ অক্টোবর)
বিকেলে ময়মনসিংহ রেলওয়ে কৃষ্ণচূড়া চত্বরে এক বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন কেন্দ্রীয়
মজলিসে শূরা সদস্য ও মহানগর আমীর, ময়মনসিংহ-৪ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী
মাওলানা কামরুল আহসান এমরুল।
সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন - নভেম্বরের মধ্যেই
গণভোটের আয়োজন করতে হবে এবং জুলাই সনদকে আইনি ভিত্তি দিতে হবে, অন্যথায় দেশবাসী তা
মেনে নেবে না। জাতীয় নির্বাচনের আগে অবশ্যই লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে হবে।
বর্তমানে বিভিন্ন স্থানে একটি বিশেষ দলের কর্মীরা আমাদের প্রার্থীদের গণসংযোগে
হামলা করছে, পোস্টার ছিঁড়ে ফেলছে — এসব বন্ধ করতে হবে। অন্যথায় এর পরিণতি শুভ হবে
না।”
সমাবেশটি সঞ্চালনা করেন মহানগর জামায়াতের
সেক্রেটারি অধ্যাপক শহীদুল্লাহ কায়সার।
সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন —
কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও জেলা জামায়াতের আমীর জনাব আব্দুল করিম, জেলা
জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা মোজাম্মেল হক আকন্দ,
মহানগর নায়েবে আমীর ও ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল)
আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী আসাদুজ্জামান সোহেল, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ও
ফুলবাড়িয়া আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী অধ্যক্ষ কামরুল হাসান মিলন।
বিক্ষোভ সমাবেশ শেষে মিছিলটি রেলওয়ে কৃষ্ণচূড়া
চত্বর থেকে শুরু হয়ে বড় মসজিদের সামনে দিয়ে জিরো পয়েন্ট অতিক্রম করে ডিসি অফিসের
সামনে গিয়ে শেষ হয়।
মিছিলে নেতা-কর্মীরা পিআর পদ্ধতিতে জাতীয়
নির্বাচন, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিতকরণ, জাতীয় পার্টিসহ ১৪ দল নিষিদ্ধকরণ-এর
দাবিতে স্লোগান দেন।
অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন — মহানগর
জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারিদ্বয় মাহবুবুল হাসান শামীম ও আনোয়ার হাসান সুজন, জেলা
জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মাহবুবুর রশীদ ফরাজী, মহানগর অর্থ সম্পাদক গোলাম
মহসিন খান, অফিস সেক্রেটারি খন্দকার আবু হানিফ, কর্মপরিষদ সদস্য ডা. আব্দুল আজিজ,
ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল বারী, মাস্টার হায়দার করিম সহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
মন্তব্য করুন