

মো: মাসুদ রানা,কচুয়া:
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী পালাখাল উচ্চ বিদ্যালয়ের বিভিন্ন শিক্ষা কার্যক্রম ও মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতের লক্ষে শ্রেনি পাঠদান কক্ষ ও সার্বিক কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ও শিক্ষানুরাগী মো. মাহবুব আলম। সোমবার তিনি ওই বিদ্যালয়ের বিভিন্ন শ্রেনি কক্ষ পরিদর্শন করেন এবং বৃক্ষ রোপন করেন। পাশাপাশি বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. মিজানুর রহমান ও অন্যান্য শিক্ষকদের সাথে শিক্ষার মান নিয়ে আরো কীভাবে সমৃদ্ধি করা যায় এ নিয়ে সার্বিক আলোচনা করেন।
শিক্ষাথীদের উদ্দেশ্যে মো. মাহবুব আলম বলেন, ভালো শিক্ষার মাধ্যমে আমাদের মানসিক, সামাজিক, নৈতিক, মানবিক, সৃজনশীলতা পরিবর্তন করতে হবে। তাহলে উন্নত জীবনের স্বপ্নদর্শনে উদ্বুদ্ধ করার সম্ভব। আমাগী দিনগুলোর পরীক্ষাতে অসুদাপায়ের সম্ভবনা নেই। নকল মুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা অংশগ্রহন করলে মানসম্মত শিক্ষা অর্জন করা সম্ভব। শিক্ষার মাধ্যমে একটি দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থার পরিবর্তন করা যায়। এসময় তিনি শিক্ষার্থীদের সঠিক পাঠদানের পরামর্শ দেন শিক্ষকদের।
মন্তব্য করুন


বোয়ালমারী (ফরিদপুর) প্রতিনিধি:
ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে একটি দেশীয় বন্দুক, এক রাউন্ড গুলি ও ৮০০ পিস ইয়াবাসহ ১৪ মামলার এক আসামিকে আটক করেছে যৌথবাহিনী। বোয়ালমারী আর্মি ক্যাম্প ও থানা পুলিশ বুধবার (৪ জুন) ভোর রাতে উপজেলার গুনবহা গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে। এ ব্যাপারে বোয়ালমারী থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন। জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যৌথবাহিনী বুধবার ভোর ৪টার দিকে অভিযান চালিয়ে গুনবহা গ্রামের মান্নান মোল্যার ছেলে জাহিদ মোল্যাকে (৩৭) তার শ্বশুর লুৎফর মোল্যার বাড়ি থেকে আটক করে। তার তথ্য মতে একটি দেশীয় বন্দুক, এক রাউন্ড গুলি ও তিনটি পলিথিনের ব্যাগে থাকা ৮০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ ব্যাপারে বোয়ালমারী থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক আব্দুর রশিদ বাদি হয়ে থানায় অস্ত্র ও মাদক আইনে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া উপ-পুলিশ পরিদর্শক আব্দুর রশিদ বলেন, জাহিদ মোল্যা এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ী। তার বিরুদ্ধে এ পর্যন্ত ১৪ টি মামলার সন্ধান পাওয়া গেছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তার শ্বশুর বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়। এ ব্যাপারে পৃথক দুটি মামলার প্রস্তুতি চলছে। অস্ত্র নিয়ন্ত্রন আইন ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা হবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা সদর উপজেলার শাসনগাছা বাসস্ট্যান্ডে
চাঞ্চল্যকর কলেজ ছাত্র জামিল হাসান অর্নব হত্যা মামলার চার জন আসামী গ্রেফতার করেছে
র্যাব। এসময় একটি বিদেশি পিস্তলসহ চার রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। বুধবার দুপুরে এ
তথ্য জানান র্যাব-১১, সিপিসি-২, কুমিল্লার কোম্পানী অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কমান্ডার
মাহমুদুল হাসান।
র্যাব জানায়, কুমিল্লা সদর উপজেলার
শাসনগাছা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় লেগুনা ও সিএনজি অটোরিকশা স্ট্যান্ডের দখল নিয়ে সংঘর্ষে
কলেজ ছাত্র জামিল হাসান অর্নব (২৭) নিহত হয়। এসময় গুলিবিদ্ধ ছয় জন। এ ঘটনায় কুমিল্লা
কোতয়ালী মডেল থানায় মামলা করে নিহতের পরিবার। এ মামলায় গত মঙ্গলবার (১৯ মার্চ) রাতে
সদর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করে র্যাব।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, আদর্শ সদর উপজেলার
শাসনগাছা এলাকার মকবুল মিয়ার ছেলে মোঃ মোজাম্মল হোসেন জনি (২৫), আইয়ুব আলীর ছেলে ফয়সাল
আহমেদ রিমন (২০), আতিকুর রহমান খোকনের ছেলে সাইফ আলী রিয়াদ (২২) ও মোঃ আনু মিয়ার ছেলে মোঃ শুভ (২২)।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার
বিজ্ঞ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সহকারী গভর্নমেন্ট প্লিডার (এজিপি) এডভোকেট মোঃ আবু
মুছা ভূঁঞা ১৯৭৯ সালের ২৫ নভেম্বর কুমিল্লা দেবীদ্বার উপজেলার বাগমারা গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত
মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
তিনি
বাগমারা দাখিল মাদ্রাসায় প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পঞ্চম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হয়ে মুরাদনগর
বাঁশ কাইট পীতাম্বর জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯৯৪ সালে ১ম বিভাগে মাধ্যমিক পাশ করেন।
তৎপর চান্দিনা রেদোয়ান আহমেদ ডিগ্রি কলেজ থেকে ১৯৯৬ সালে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ
হয়ে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে রাষ্ট্র বিজ্ঞান বিভাগে অর্নাস করেন।
পরে উক্ত বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী লাভ করেন। তিনি ভিক্টোরিয়া কলেজে পড়াকালীন সময়ে
বিএনসিসি ও স্কাউট এর সাথে জড়িত ছিলেন।
অ্যাড.
আবু মুছা ভূঁঞার দাদা মনিরুল ইসলাম মাষ্টার বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। তবে
দাদা মনিরুল ইসলাম মাষ্টার এর অনুপ্রেরণায় বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত হন তিনি। সেই
সুবাদে এডভোকেট মোঃ আবু মুছা ভূঁঞা ১৯৯৬-৯৭ সালে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ ছাত্র দলের
রাজনীতির সাথে জড়িত থেকে "ওয়াসিম-ছানাউল্লাহ পরিষদ" এর পাশের ক্ষেত্রে ভূমিকা
রাখেন এবং ১৯৯৯ সালে কুমিল্লা আইন কলেজে অধ্যয়নরতকালে ছাত্র সংসদ "নাজমূল-মহান
পরিষদ" এর নির্বাচনে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। পরবর্তীতে ২০০৫ সালের ২৯ অক্টোবর বাংলাদেশ
বার কাউন্সিল থেকে সনদ প্রাপ্ত হয়ে একই সালে ৩১ অক্টোবর কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতিতে
যোগদান করে পেশাগত জীবনে আত্ম প্রকাশ করেন। পরবর্তীতে তরুণ আইনজীবী হিসেবে জাতীয়তাবাদী
আইনজীবী ফোরামের রাজনীতিতে সক্রিয় হন এবং জেলা আইনজীবী সমিতির কার্যকরী কমিটির সদস্য
হিসেবে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হন। এছাড়াও তিনি কুমিল্লাস্থ দেবীদ্বার সমিতির নির্বাচন
কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে দেবীদ্বার সমিতির "ক্রীড়া সম্পাদক"
হিসেবে মনোনীত হয়ে দায়িত্ব পালন করেন। এড. আবু মুছা ভূঁঞা ২০১০ সালে সর্ব সম্মতিক্রমে
দেবীদ্বার উপজেলার বরকামতা ইউনিয়ন বিএনপির "সভাপতি" নির্বাচিত হয়ে বর্তমানেও
পুনরায় দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি দেবীদ্বার উপজেলা বিএনপি'র "মানবাধিকার বিষয়ক
সম্পাদক" হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন। পরে ২০২২ সালের ২৯ মে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল
(বিএনপি)'র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম এর স্বাক্ষরিত কুমিল্লা উত্তর জেলার আহবায়ক
কমিটির "সদস্য" মনোনীত হন। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম, কুমিল্লা
ইউনিটের "যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক" হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও জেলা
আইনজীবী সমিতির "লাইব্রেরী সেক্রেটারি" হিসেবে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হন।
তারই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এর চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার
আইনজীবী ও কুমিল্লা জেলা পিপি এডভোকেট কাইমুল হক রিংকু'র নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের
মামলা পরিচালনায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। অ্যাড. মুছা ভূঁঞা বিগত ফ্যাসিষ্ট সরকারের
সকল প্রকার দমন নিপীড়নের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন। সরকারের পতনের পর যখন দেশের ক্রান্তিলগ্নে
অতিক্রম করে তখন ১৫নং বরকামতা ইউনিয়ন পরিষদের সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাছাড়াও
তিনি জনতা ব্যাংক, সোনালী ব্যাংক ও আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের প্যানেল আইনজীবী
হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সর্বশেষ গেলো ৩রা জুন দেবীদ্বার উপজেলাধীন বাগমারা ইসলামিয়া
আলীম মাদ্রাসা'র গভর্ণিং বডির "সভাপতি" মনোনীত হয়েছেন। তিনি দীর্ঘ দেড় যুগেরও
বেশি সময় ধরে অত্যন্ত সততা ও নিষ্ঠার সাথে আইন পেশা পরিচালনা করে আসছেন।
মন্তব্য করুন


এক পায়ে ক্র্যাচে ভর দিয়ে প্রতিদিন ৩ কিলোমিটার পথ হেঁটে নিয়মিত কলেজে যায় ইয়াছমিন আক্তার (২০)। অদম্য এই শিক্ষার্থী ইয়াছমিনের এক পা নেই, অন্য পা থাকলেও তা প্রায় শীর্ণকায়।এ গল্প নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরএলাহী ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের গাংচিল গ্রামের দিনমজুর নুরনবীর মেয়ে ইয়াছমিন আক্তারের।
দেড় বছর বয়সে আগুনে পুড়ে এক পা হারিয়ে এমন বাস্তবতা নিয়ে পাড়ি দিয়েছেন জীবনের ১৯টি বছর। তবুু কঠিন জীবন সংগ্রামে দমে যাননি। দরিদ্রতা আর শারীরিক অক্ষমতাকে জয় করে সে এখন জেলার সদর উপজেলার ড. বশির আহমদ কলেজে দ্বাদশ শ্রেণির দ্বিতীয় বর্ষের মানবিক বিভাগে পড়ছেন।
জান যায়, ২০০৫ সালে শিশু ইয়াছমিনকে বিছানায় রেখে পাশের বাড়ি থেকে পানিতে আনতে যান তার মা। হঠাৎ করে চৌকির পাশে থাকা চেরাগ থেকে মশারিতে আগুন ধরে যায়। ওই আগুনে ইয়াছমিনের দুই পা দগ্ধ হয়। পরে ডাক্তারের পরামর্শে তার বাম পা কেটে ফেলতে হয়। পায়ের রগ পুড়ে অপর পাও অনেকটা শীর্ণকায় হয়ে যায়।
এরপরও অদম্য ইচ্ছা শক্তিতে প্রথমে ভর্তি হন স্থানীয় পশ্চিম গাংচিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। প্রাথমিকের গণ্ডি পেরিয়ে গাংচিল কবি উচ্চবিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাস করেন। বর্তমানে দেড় কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে প্রথমে স্থানীয় গাংচিল বাজারে যান। পরে সেখান থেকে গাড়ি করে বাড়ি থেকে সাড়ে ১৩ কিলোমিটার দূরে কলেজে ক্লাস করছেন নিয়মিত। আবার বাড়ি ফিরতেও তাকে হাঁটতে হয় দেড় কিলোমিটার পথ। এভাবে বয়ে চলেছেন জীবনের ভার। বছরে পাঁচ হাজার টাকা প্রতিবন্ধী সরকারি ভাতা পান। কিন্তু সরকারের এ সহযোগিতা একেবারেই অপ্রতুল।
ইয়াছমিন আক্তার বলেন, অনেক কষ্ট করে আমি লেখাপড়া করছি। পড়ালেখা শেষ করে আমি শিক্ষক হতে চাই। সবার সহযোগিতায় একটি কৃত্রিম পা সংযোজন হলে আমার স্বপ্ন পূরণে সহজ হবে। ইয়াছমিনের বাবা নুরনবী বলেন, আমি একজন দিনমজুর। তবে শত কষ্ট-যাতনা সহ্য করে হলেও মেয়েকে লেখাপড়া করাব। তার একটি কৃত্রিম পা সংযোজনে সমাজের বিত্তবান মানুষ এগিয়ে আসবেন বলে প্রত্যাশা।
ড. বশির আহমদ কলেজের প্রভাষক এএইচ তানিম জানান, আমরা তার কষ্টকে মূল্যায়ন করি। একই সঙ্গে তার চেষ্টাকে সাধুবাদ জানাই। কেননা ইয়াছমিন যেটা সম্ভব করে চলেছেন তা সবার কাছেই অনুপ্রেরণা ও দৃষ্টান্ত।
ড. বশির আহমদ কলেজের অধ্যক্ষ আঞ্জুমান আরা মুক্তা জানান, ইয়াছমিন প্রতিদিন তিন কিলোমিটার পথ এক পায়ে হেঁটে কলেজে আসা যাওয়া করছে। সে একজন জীবন সংগ্রামী তরুণী। অদম্য প্রচেষ্ঠায় তার গল্পটি হয়ে উঠেছে প্রেরণার।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১১ এর বিশেষ অভিযানে কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার কোশাইয়াম পূর্বপাড়া এলাকা থেকে ৩৩৫ বোতল স্কাফসহ মো. আসিফ (৩৫) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
বুধবার (১ অক্টোবর) দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি আভিযানিক দল এ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে মাদক পরিবহণে ব্যবহৃত একটি সিএনজি-অটোরিকশাও জব্দ করা হয়।
র্যাব জানায়, গ্রেফতারকৃত মো. আসিফ কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানার মাহাজনবাড়ি এলাকার মৃত কামাল হোসেনের ছেলে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসিফ স্বীকার করেছে, সে দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে স্কাফ সংগ্রহ করে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রি করতো।
র্যাব আরও জানায়, মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে তাদের চলমান অভিযানের অংশ হিসেবেই এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়েরের পর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
মন্তব্য করুন


পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলায় নিজ বসতঘর থেকে এক দম্পতির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) সকালে উপজেলার মহিপুর থানার ডালবুগঞ্জ ইউনিয়নের পেয়ারপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহতরা হলেন- স্বামী সিরাজউদ্দিন খান (৭৫) এবং স্ত্রী আকলিমা বেগম (৬৫)। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সিরাজউদ্দিনের বাড়ি পার্শ্ববর্তী মোয়াজ্জেমপুর গ্রামে হলেও তিনি দীর্ঘদিন ধরে পেয়ারপুর গ্রাম সংলগ্ন আন্ধারমানিক নদীর খেয়া (নৌকা) চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। সেখানেই নদীর তীরে একটি ঝুপড়ি ঘরে আকলিমাকে নিয়ে বসবাস করতেন তিনি। প্রতিদিনের ন্যায় তিনি ফজরের নামাজে না যাওয়ায় স্থানীয়রা ভোর ৬ টার দিকে তার বাড়িতে খোজ নিতে যান। ঘরের সামনে গিয়ে অনেক ডাকাডাকি করার পরও কোন সারশব্দ না পেয়ে ভিতরে ঢুকে চৌকিতে আকলিমাকে ও নিচে সিরাজ উদ্দিনের মরদেহ দেখতে পান। সিরাজ উদ্দিনের গলার নিচে ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে কালো দাগ এবং আকলিমার শরীরেও রক্তাক্ত চিহ্ন রয়েছে বলে জানায় স্থানীয়রা।
এদিকে স্থানীয়দের দাবি, সিরাজউদ্দিনের গলার নিচে ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে কালো দাগ এবং আকলিমার শরীরে রক্তাক্ত চিহ্ন দেখা গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এটি একটি হত্যাকাণ্ড হতে পারে।
মহিপুর থানার ওসি মাহমুদ হাসান বলেন, ঘটনাস্থল থেকে স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে সিআইডি টিম ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন মাঝিগাছা এলাকা থেকে অস্ত্রসহ অস্ত্রধারীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১ এর সিপিসি-২।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি আভিযানিক দল গত ০৬ ডিসেম্বর বুধবার রাতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন মাঝিগাছা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।
উক্ত অভিযানে ১টি পাইপগানসহ অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী হলো: কুমিল্লার জেলার কোতয়ালী মডেল থানার, বিষ্ণপুর (পশ্চিমপাড়া) এলাকার মৃত তবদল হোসেন এর ছেলে মোঃ জাহের (৩৮)।
র্যাব জানায়, প্রাথমিক অনুসন্ধান ও গ্রেফতারকৃত আসামীকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, সে দীর্ঘদিন যাবৎ কুমিল্লার বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে অস্ত্র প্রদর্শন করে সন্ত্রাসী কার্যক্রম সহ বিভিন্ন ধর্তব্য অপরাধ সংগঠিত করে আসছিল। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও ফার্স্ট
লেডি জিল বাইডেন।
রোববার (১৪ এপ্রিল) রাত ১২টার পর সামাজিক মাধ্যম এক্সে এক বার্তায় এই শুভেচ্ছা
জানান তারা।
টুইটে বাইডেন লেখেন, বৈশাখী, নবরাত্রি, সংক্রান এবং এই সপ্তাহে আসন্ন নববর্ষ
উদযাপনে সারা বিশ্বে জড়ো হওয়া সবাইকে জিল ও আমি শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। আমরা আপনাদের
আনন্দ কামনা করছি।
সবশেষে তিনি লেখেন, শুভ বাংলা, খেমার, লাও, মায়ানমারিজ, নেপালি, সিংহলি, তামিল,
থাই ও বিষু নববর্ষ।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
২০ কেজি গাঁজাসহ ১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশ।
গতকাল
(২৬ জানুয়ারী) রাতে কোতয়ালী মডেল থানায় কর্মরত এসআই(নিঃ) মোহাম্মদ আশিকুর রহমান ও সঙ্গীয়
ফোর্স সহ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন ৬ নং জগন্নাথপুর
ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড রাজম্ঙ্গলপুর সাকিনস্থ কাশফুল ফ্যাক্টরির সামনে রাস্তার উপর থেকে
২০ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী মোঃ সুজন মিয়া কে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত
আসামী হলো: মোঃ সুজন মিয়া(৩১), পিতা-মন্তু মিয়া ,স্থায়ী-১: গ্রাম- রাজমঙ্গলপুর ( হাবিল
কবিরাজের বাড়ির পাশে ০৮ নং ওয়ার্ড) , উপজেলা/থানা- কুমিল্লা কোতয়ালী, জেলা –কুমিল্লা।
উক্ত
ঘটনায় কোতয়ালী মডেল থানায় মামলা রুজু করা হয়।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লায় ৪৭ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ করেছে বিজিবি।
আজ সোমবার কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার চাঁনপুর এলাকা থেকে এসব পণ্য জব্দ করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ১০ বিজিবি অধিনায়ক লে. কর্নেল মীর আলী এজাজ ।
জানা গেছে, সোমবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে কুমিল্লা জেলার আদর্শ সদর উপজেলার চাঁনপুর এলাকায় মাদক ও চোরাচালান বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে বিজিবি। এসময় সীমান্তবর্তী চাঁনপুর এলাকায় বিজিবির অভিযান টের পেয়ে সড়কের পাশে সিএনজি ভর্তি শাড়ি রেখে পালিয়ে যায় চোরাকারবারীরা। পরে একটি সিএনজিকেসহ ৪৫৫ পিস বিভিন্ন প্রকার ভারতীয় শাড়ি আটক করে। তবে এ ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি বলে জানিয়েছে বিজিবি।
১০ বিজিবি অধিনায়ক লে. কর্নেল মীর আলী এজাজ জানান, বিজিবির উদ্ধার করা ৪৫৫টি ভারতীয় শাড়ির আনুমানিক মূল্য সাতচল্লিশ লাখ নব্বই হাজার টাকা। আটককৃত পণ্য কাস্টমস এ জমা করার প্রক্রিয়া চলমান।
মন্তব্য করুন