

ঢাকা
প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (ডুয়েট) ভিসি নিয়োগকে কেন্দ্র করে ত্রিমুখী সংঘর্ষে
শিক্ষার্থী, পাঁচ পুলিশসহ ১৭ জন আহত হয়েছেন।
রোববার
(১৭ মে) শহীদ মিনারে নবনিযুক্ত ভিসি সমর্থিত শিক্ষার্থী, আন্দোলনকারী ও পুলিশের মধ্যে
এ সংঘর্ষ হয়।
জানা
গেছে, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইকবালকে ডুয়েটের
ভিসি হিসেবে নিয়োগ দেয় সরকার। আর এই নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারির পরপরই তা প্রত্যাখ্যান
করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের একাংশের শিক্ষার্থীরা।
এ
নিয়ে গত বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুরু হয় বিক্ষোভ। রোববার সকালে নবনিযুক্ত ভিসিকে লাল
কার্ড কর্মসূচি ব্যানারে বিক্ষোভের ডাক দেয় আন্দোলনরত ছাত্ররা। তারা শহীদ মিনারে জড়ো
নবাগত ভিসির সমর্থিত ছাত্রদের সাথে আন্দোলনকারীদের ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।
শিক্ষার্থীদের
দাবি, ভাইস চ্যান্সেলর ডুয়েটের অভ্যন্তরীণ শিক্ষকদের মধ্য থেকেই নিয়োগ দিতে হবে। ডুয়েটের
শিক্ষাব্যবস্থা, শিক্ষার্থীদের বাস্তবতা, একাডেমিক কাঠামো ও প্রশাসনিক চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে
বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব শিক্ষকদের অভিজ্ঞতা ও ধারণা তুলনামূলক বেশি। ফলে ডুয়েটের উন্নয়ন
ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়নে অভ্যন্তরীণ শিক্ষক থেকে উপাচার্য নিয়োগ অধিক কার্যকর
হবে।
সদর
মেট্রো থানার ওসি আমিনুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থলে রয়েছি, আমিসহ ৫ জন পুলিশ সদস্য আহত
হয়েছি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ চলছে।
মন্তব্য করুন


নারায়ণগঞ্জের
সোনারগাঁয়ে মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের অভিযোগে এক আসামিকে ধরতে গিয়ে ধারালো অস্ত্রের
হামলার শিকার হয়েছেন তিন পুলিশ সদস্যসহ চারজন। শনিবার দুপুরে উপজেলার বৈদ্যেরবাজার
ইউনিয়নের সাতভাইয়াপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত দুই ভাইকে গ্রেপ্তার
করেছে পুলিশ।
আহত
পুলিশ সদস্যরা হলেন-সোনারগাঁ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সুরুজ্জামান এবং দুই কনস্টেবল
শাহীন ও মাইনুল। এছাড়া মাসুম মিয়া নামের এক পুলিশ সোর্সও এই হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন।
আহত এসআই সুরুজ্জামান জানান, মহাসড়কে বিভিন্ন সময়ে মোটরসাইকেল ও পিকআপ ভ্যান ছিনতাইয়ের
ঘটনা ঘটে আসছিল। এসব ছিনতাই হওয়া যানবাহন উদ্ধার এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত আসামিদের ধরতে
শনিবার দুপুরে কনস্টেবল শাহীন ও মাইনুলকে সঙ্গে নিয়ে সাতভাইয়াপাড়া এলাকায় অভিযানে
যায় পুলিশের একটি দল।
অভিযান
চলাকালে আসামি সাগর ও তার ভাই সজল ধারালো দা দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে তিন পুলিশ সদস্য
এবং তাদের সঙ্গে থাকা সোর্স মাসুমকে জখম করে। পরে খবর পেয়ে থানা থেকে অন্য পুলিশ সদস্যরা
গিয়ে আহতদের উদ্ধার করেন।
আহতদের
মধ্যে তিন পুলিশ সদস্যকে (এসআই সুরুজ্জামান, কনস্টেবল শাহীন ও মাইনুল) সোনারগাঁ উপজেলা
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তবে পুলিশ সোর্স মাসুম মিয়ার
জখম গুরুতর হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে
পাঠানো হয়েছে।
এ
বিষয়ে সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম সারোয়ার জানান, মোটরসাইকেল
ছিনতাইয়ের অভিযোগে আসামি ধরতে গেলে পুলিশের ওপর এই হামলার ঘটনা ঘটে। তবে পুলিশের ওপর
হামলাকারী মূল অভিযুক্ত সাগর ও তার ভাই সজলকে ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের
বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে।
মন্তব্য করুন


স্থানীয়
সরকার বিভাগের চলমান উন্নয়ন প্রকল্পসমূহ দ্রুত, সাশ্রয়ী ও জনবান্ধবভাবে বাস্তবায়নের
নির্দেশ দিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি বলেছেন, জনগণের কল্যাণই সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের মূল লক্ষ্য এবং জনগণের অর্থের
এক টাকাও যেন অপচয় না হয়, সেদিকে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।
বৃহস্পতিবার
(১৪ মে) সচিবালয়ে qস্থানীয় সরকার বিভাগের সভাকক্ষে স্থানীয় সরকার বিভাগ ও সিটি কর্পোরেশন
কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় প্রধান অতিথির
বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী
বলেন, প্রতিটি উন্নয়ন প্রকল্প জনগণের স্বার্থে গ্রহণ করা হয় এবং জনগণের অর্থেই বাস্তবায়িত
হয়। তাই প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সময়ানুবর্তিতা নিশ্চিত করতে হবে।
একই সঙ্গে প্রকল্প ব্যয় যৌক্তিক পর্যায়ে রাখতে হবে।
তিনি
আরো বলেন, উন্নয়ন কার্যক্রমের মাধ্যমে সরকারের ভাবমূর্তি যেমন উজ্জ্বল হয়, তেমনি কোনো
ধরনের অনিয়ম বা গাফিলতি পুরো মন্ত্রণালয়ের সুনাম ক্ষুণ্ন করতে পারে। তাই সংশ্লিষ্ট
কর্মকর্তা ও প্রকল্প পরিচালকদের আরো দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
স্থানীয়
সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন
কর্মকর্তা, বিভিন্ন সিটি কর্পোরেশনের প্রতিনিধি এবং উন্নয়ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালকরা
উপস্থিত ছিলেন। সভায় চলমান প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন অগ্রগতি, ব্যয় ব্যবস্থাপনা এবং ভবিষ্যৎ
কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
সভায়
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর উন্নয়ন প্রকল্পসমূহ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করার
পাশাপাশি জনসেবার মান বাড়াতে আধুনিক ও টেকসই পরিকল্পনা গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
মন্তব্য করুন


কেন্দ্রীয় ব্যাংক একীভূতকরণ সংক্রান্ত নীতিমালা জারি করেছিলো ।
আর সে নীতিমালাটি জারি করার পর এবারই সর্বপ্রথম পাঁচটি ব্যাংককে একসাথে করা হচ্ছে।
সোমবার (১৫ এপ্রিল) এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র মেজবাউল হক জানান, কেন্দ্রীয়
ব্যাংক প্রথমত রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, বিডিবিএল, বেসিক, পদ্মা ও ন্যাশনাল ব্যাংকের
বাহিরে নতুন কোনো ব্যাংককে আপাতত একীভূত করবে না আর পরবর্তী সময়ে অন্য কোনো ব্যাংক
একীভূত করা হবে কি না, সে সিদ্ধান্ত এখনও নেয়া হয়নি।
এ সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে বেসরকারি খাতের শরিয়াহভিত্তিক এক্সিম ব্যাংকের সঙ্গে নাজুক
পদ্মা ব্যাংক একীভূত হওয়ার বিষয়ে সমঝোতা স্মারক সই হয়।
এদিকে ব্যাংক একীভূতকরণ সংক্রান্ত নীতিমালা জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে,
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিমালার আলোকে দুর্বল (খারাপ অবস্থা) থাকা ব্যাংকগুলো নিজ থেকে
একীভূত না হলে বাধ্যতামূলকভাবে একীভূত করা হবে। তবে তার আগে দুই ব্যাংকের মধ্যে সমঝোতা স্মারকে সই করতে হবে।
আর এর পরবর্তী ধাপে আমানতকারী, পাওনাদার ও বিনিয়োগকারীর অর্থ ফেরতের পরিকল্পনা
জমা দিতে হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক তারপর বহিঃনিরীক্ষক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ব্যাংকের
সার্বিক আর্থিক চিত্র বের করবে।
এ সবগুলো ধাপ শেষে আদালতের কাছে একীভূতকরণের আবেদন করতে হবে।
একীভূতকরণে কোনো ব্যাংক মূলধন ও তারল্য ঘাটতি, খেলাপি ঋণ, সুশাসনের ঘাটতি এবং
আমানতকারীদের জন্য ক্ষতিকর কার্যকলাপের কারণে পিসিএ ফ্রেমওয়ার্কের আওতাভুক্ত হলে সংশ্লিষ্ট
ব্যাংক পুনরুদ্ধারে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিধিনিষেধ মানতে হবে। পুনরুদ্ধার পরিকল্পনা
বাস্তবায়নে ব্যর্থ হলে আমানতকারীর স্বার্থে ব্যাংক বাধ্যতামূলক একীভূতকরণ হবে। একীভূতকরণ
প্রক্রিয়া সুশৃঙ্খল এবং সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হওয়ার লক্ষ্যে ব্যাংকের অনুসরণের এ নীতিমালা
জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক।
মন্তব্য করুন


তাপস চন্দ্র সরকার, কুমিল্লা।
"জয় জগন্নাথ... জয় জগন্নাথ..."—হাজারো কণ্ঠের একযোগে উচ্চারিত এই ধ্বনি, শঙ্খধ্বনি, উলুধ্বনি, ঘণ্টা-করতাল ও মহাহরিনাম সংকীর্তনের সুরে বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) মুখর হয়ে ওঠে কুমিল্লা নগরী। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, ভক্তি, আনন্দ আর সর্বজনীন সম্প্রীতির অপূর্ব মিলনে লাখো ভক্তের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত হয় শ্রী শ্রী জগন্নাথ, বলদেব ও সুভদ্রাদেবীর পবিত্র উল্টো রথযাত্রা মহোৎসব। এর মধ্য দিয়েই সমাপ্তি ঘটে নয় দিনব্যাপী রথযাত্রা মহোৎসবের।
দুপুরের পর থেকেই নগরীর বিভিন্ন সড়ক ও মন্দির প্রাঙ্গণে ভক্তদের ঢল নামে। ফুল, আলোকসজ্জা ও বর্ণিল সাজে সজ্জিত মন্দির এবং সুদৃশ্য রথ যেন এক অনন্য আধ্যাত্মিক পরিবেশের সৃষ্টি করে। ছোট-বড়, নারী-পুরুষ, তরুণ-বৃদ্ধ—সব বয়সের মানুষ ভক্তিভরে অংশ নেন এই মহোৎসবে। ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতার পাশাপাশি উৎসবটি পরিণত হয় সৌহার্দ্য, মানবতা ও সামাজিক সম্প্রীতির এক অনন্য মিলনমেলায়।
কুমিল্লার জগন্নাথপুর শ্রী শ্রী জগন্নাথদেবের মন্দির এবং ঠাকুরপাড়াস্থ শ্রী শ্রী রাধাকৃষ্ণ গৌর-নিতাই মন্দিরভিত্তিক আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ইসকন), কুমিল্লার যৌথ উদ্যোগে দিনব্যাপী নানা ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান, পূজার্চনা, অগ্নিহোত্র যজ্ঞ, মহাহরিনাম সংকীর্তন, ধর্মসভা, বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও মহাপ্রসাদ বিতরণের মধ্য দিয়ে এ মহোৎসব পালিত হয়।
আয়োজক সূত্রে জানা যায়, উল্টো রথযাত্রা উপলক্ষে নগরীর শ্রী শ্রী গুন্ডিচা মন্দিরে সকাল সাড়ে ৭টা থেকেই শুরু হয় পূজার্চনা, দর্শন-আরতি, বিশ্বশান্তি কামনায় অগ্নিহোত্র যজ্ঞ, ভজন-কীর্তন এবং মহাপ্রসাদ বিতরণ। কুমিল্লাসহ আশপাশের বিভিন্ন জেলা থেকে অসংখ্য ভক্ত ও দর্শনার্থী এতে অংশ নেন। অনেকেই দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করে জগন্নাথদেবের দর্শন গ্রহণ করেন এবং মহাপ্রসাদ গ্রহণের মাধ্যমে নিজেদের ধন্য মনে করেন।
দুপুরে অনুষ্ঠিত ধর্মসভায় ধর্মীয় গুরু, বিশিষ্টজন, জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিভিন্ন সামাজিক-ধর্মীয় সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে আশীর্বাদক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ইসকন)-এর সিনিয়র সহ-সভাপতি শ্রী শ্রীমৎ ভক্তি অদ্বৈত নবদ্বীপ স্বামী মহারাজ। উদ্বোধন করেন ইসকনের সাধারণ সম্পাদক শ্রী শ্রীমৎ ভক্তিময় নিতাই স্বামী মহারাজ।
প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কুমিল্লা সদর আসনের সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ইউসূফ মোল্লা টিপু, কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান উৎবাতুল বারী আবু, জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. মোস্তাক মিয়া, কুমিল্লা (দক্ষিণ) জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম প্রমুখ।
ধর্মসভায় শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন জগন্নাথপুর শ্রী শ্রী জগন্নাথদেবের মন্দির ইসকন কুমিল্লার সহ-সভাপতি শ্রীমান ভদ্র নিমাই দাস ব্রহ্মচারী।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন- বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্ট কুমিল্লা মহানগর শাখার আহ্বায়ক শ্রী শ্যামলকৃষ্ণ সাহা। স্বাগত বক্তব্য দেন- মন্দিরের সাধারণ সম্পাদক শ্রীমান রূপচন্দ্র শ্যাম দাস ব্রহ্মচারী। উদ্বোধনী শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা পাঠ করেন শ্রীমান সদা শিব সিংহ দাস ব্রহ্মচারী এবং সভাপতিত্ব করেন শ্রীমান সুদর্শন জগন্নাথ দাস ব্রহ্মচারী।
ধর্মসভা শেষে শুরু হয় বহু প্রতীক্ষিত উল্টো রথযাত্রা। কীর্তনের তালে তালে হাজারো ভক্ত রথের রশি ধরেন। "হরে কৃষ্ণ, হরে রাম" এবং "জয় জগন্নাথ" ধ্বনিতে মুখর হয়ে ওঠে কুমিল্লার প্রধান সড়ক। করতাল, মৃদঙ্গ ও শঙ্খধ্বনির মধ্য দিয়ে এগিয়ে চলে সুসজ্জিত রথ। দুই পাশে দাঁড়িয়ে হাজারো মানুষ এ দৃশ্য উপভোগ করেন। অনেকে মোবাইল ফোনে স্মরণীয় মুহূর্ত ধারণ করেন, আবার কেউ কেউ ভক্তিভরে রথকে প্রণাম জানান।
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, রথের রশি স্পর্শ করা কিংবা রথ টানার সুযোগ পাওয়া পরম সৌভাগ্যের বিষয়। তাই নারী-পুরুষ, শিশু, যুবক ও প্রবীণ—সবাই গভীর শ্রদ্ধা ও ভক্তিভরে রথ টেনে নিজেদের সৌভাগ্যবান মনে করেন। অনেকের চোখেমুখে ফুটে ওঠে আবেগ, আনন্দ ও আধ্যাত্মিক প্রশান্তির অনন্য প্রকাশ।
শোভাযাত্রায় বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ কুমিল্লা জেলা, মহানগর ও আদর্শ সদর উপজেলা শাখার নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় সংগঠনের প্রতিনিধি, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, চাকরিজীবী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ উৎসবটিকে এক সর্বজনীন সম্প্রীতির বন্ধনে রূপ দেয়।
উল্টো রথযাত্রার ধর্মীয় তাৎপর্য সম্পর্কে বক্তারা বলেন, রথযাত্রার সময় শ্রী শ্রী জগন্নাথ, বলদেব ও সুভদ্রাদেবী মূল মন্দির থেকে গুন্ডিচা মন্দিরে গমন করেন। নির্ধারিত সময় শেষে উল্টো রথযাত্রার মাধ্যমে পুনরায় নিজ মন্দিরে প্রত্যাবর্তন করেন। এই প্রত্যাবর্তনই উল্টো রথযাত্রা হিসেবে উদযাপিত হয়। ভক্তদের বিশ্বাস, এই মহোৎসবে অংশগ্রহণ করলে ঈশ্বরের বিশেষ কৃপা লাভ হয় এবং ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজজীবনে শান্তি, কল্যাণ ও সৌভাগ্য বয়ে আসে।
আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ইসকন), কুমিল্লার সভাপতি শ্রী সুকান্ত চক্রবর্তী (সুদর্শন জগন্নাথ দাস ব্রহ্মচারী) বলেন, "শ্রী শ্রী জগন্নাথদেবের রথযাত্রা কেবল একটি ধর্মীয় উৎসব নয়; এটি ভক্তি, সম্প্রীতি, মানবকল্যাণ ও বিশ্বশান্তির এক অনন্য বার্তা বহন করে। সকলের অংশগ্রহণেই এই মহোৎসব আরও অর্থবহ হয়ে ওঠে।"
তিনি আরও বলেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের পারস্পরিক অংশগ্রহণই সম্প্রীতির বাংলাদেশ গঠনের অন্যতম শক্তি। রথযাত্রার মতো ধর্মীয় উৎসব সমাজে সহনশীলতা, সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ববোধ ও মানবিক মূল্যবোধকে আরও সুদৃঢ় করে। তিনি শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উৎসব সফল করতে রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গ, প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, গণমাধ্যমকর্মী, স্বেচ্ছাসেবক এবং সর্বস্তরের মানুষের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানান।
আয়োজকরা জানান, ভক্তদের নিরাপদ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবকরা সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করেন। ফলে পুরো মহোৎসব শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়।
নয় দিনব্যাপী এই রথযাত্রা মহোৎসবজুড়ে পূজার্চনা, ধর্মসভা, মহাহরিনাম সংকীর্তন, ভজন-কীর্তন, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং মহাপ্রসাদ বিতরণের মাধ্যমে ভক্তদের মাঝে ধর্মীয় চেতনা, মানবসেবা, ভ্রাতৃত্ববোধ ও বিশ্বশান্তির বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া হয়।
দিনশেষে যখন জগন্নাথ, বলদেব ও সুভদ্রাদেবীর রথ পুনরায় নিজ মন্দিরে ফিরে আসে, তখন ভক্তদের কণ্ঠে আবারও ধ্বনিত হয়—"জয় জগন্নাথ"। প্রার্থনায় মুখরিত হয় চারদিক। হাজারো ভক্তের বিশ্বাস, এই পবিত্র প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়েই নতুন আশীর্বাদ, নতুন আশা এবং মানবকল্যাণের এক চিরন্তন বার্তা ছড়িয়ে পড়ে সমাজের সর্বস্তরে। কুমিল্লার এবারের উল্টো রথযাত্রা মহোৎসব তাই শুধু একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানেই সীমাবদ্ধ থাকেনি; এটি পরিণত হয়েছে ভক্তি, ঐতিহ্য, সম্প্রীতি ও মানবিক মূল্যবোধের এক অবিস্মরণীয় মহামিলনমেলায়।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশে ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক স্থান
ছাড়াও সুফি মাজারে যেকোনো বিদ্বেষপূর্ণ বক্তব্য এবং হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে অন্তর্বর্তী
সরকার। সেই সঙ্গে হামলায় জড়িতদের অতি দ্রুত আইনের আওতায় আনার পাশাপাশি তাদের বিরুদ্ধে
কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার কথাও জানিয়েছে সরকার।
শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) প্রধান উপদেষ্টা
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কার্যালয় থেকে পাঠানো
বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, গত কয়েকদিনে কিছু দুর্বৃত্তের
দেশের সুফি মাজারগুলোতে হামলা চালানোর বিষয়টি অন্তর্বর্তী সরকারের নজরে এসেছে। অন্তর্বর্তী
সরকার ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক স্থাপনা এবং সুফি মাজার সম্পর্কিত যেকোনো বিদ্বেষমূলক বক্তব্য
এবং হামলার তীব্র নিন্দা জানায়। এসব হামলার সঙ্গে জড়িতদের অতি দ্রুত আইনের আওতায়
আনা হবে। সেই সঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে। ধর্মীয় উপাসনালয়
ও সাংস্কৃতিক স্থাপনা রক্ষায় পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নিতে ইতোমধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে
নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের
দেশ। ধর্মীয় বা সাংস্কৃতিক সহিষ্ণুতা ও সম্প্রীতিকে বিঘ্নিত করার যেকোনো প্রচেষ্টা
সরকার দৃঢ়ভাবে মোকাবিলা করবে।
মন্তব্য করুন


ঢাকা–টাঙ্গাইল–যমুনা
সেতু মহাসড়কে উত্তরবঙ্গগামী হানিফ পরিবহনের একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে খাদে পড়ে
অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এর মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা
আশঙ্কাজনক।
শনিবার
সকাল ১০টার দিকে মহাসড়কের ধলাটেঙ্গর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন
এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. শরিফ।
প্রত্যক্ষদর্শীরা
জানান, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা হানিফ পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস উত্তরাঞ্চলের দিকে
যাচ্ছিল।
বাসটি
এলেঙ্গা অতিক্রম করে যমুনা সেতু মহাসড়কের কালিহাতী উপজেলার ধলাটেঙ্গর এলাকায় পৌঁছালে
নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে। এ সময় বাসের ছাদ, দরজা ও জানালার অংশ আলাদা হয়ে যায়। এ
সময় অন্তত ১৫ জন আহত হন। পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্য ও স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে
টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।
আহতদের
মধ্যে ১২ জনের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন—গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের বগলাবাড়ী
গ্রামের মোতালেব হোসেনের ছেলে জাহিদুল ইসলাম (৪৩) ও তার ছেলে রেজা (১০), কিশোরগঞ্জ
সদর উপজেলার মাগরা গ্রামের ধকমলের ছেলে সিরাজুল ইসলাম (৩৮), রংপুরের ছাড়াইগাছ গ্রামের
নুর জামাল ইসলামের ছেলে আরিফ (২২), লালমনিরহাটের নবী হোসেনের ছেলে মামুন (২৫), গাজীপুর
কোনাবাড়ীর আ. বারেকের ছেলে তারাজুল (৩৮), একই জেলার আমপুর এলাকার তানজে আলীর ছেলে নয়ন
(৪০), শুদ্ধিগঞ্জ গ্রামের চানতারার ছেলে মেহেদী হাসান (২৬), বাখিয়া এলাকার নওশের আলীর
ছেলে শাহাদাত (৩৮), কাশিমপুর এলাকার আহমদ দেওয়ানের ছেলে কামরুল (৩২), টাঙ্গাইলের কালিহাতী
উপজেলার রতনগঞ্জের রুবেল মিয়ার ছেলে রিয়াদ (২) এবং বাসাইল উপজেলার তিরঞ্জনের জালাল
উদ্দিনের ছেলে মো. মোসলেম (৫৫)।
এলেঙ্গা
ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার আতাউর রহমান জানান, দুর্ঘটনার পর এলেঙ্গা ফায়ার সার্ভিসের
সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠিয়েছে। আহতদের
মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
মন্তব্য করুন


আওয়ামীলীগকে
নিষিদ্ধ ঘোষণার দাবিতে রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলের সামনে শুরু হয়েছে বিক্ষোভ
সমাবেশ। মানুষের ঢল নেমেছে বিক্ষোভ সমাবেশে।
আজ
শুক্রবার (৯ মে) জুমার নামাজের পর এই কর্মসূচি শুরু হয়। সমাবেশের আয়োজন করে জাতীয় নাগরিক
পার্টি (এনসিপি)।
দলটির
দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ নিজ বাসভবনের সামনে সংবাদ সম্মেলনে এ
কর্মসূচির ঘোষণা দেন। এরপর বিক্ষোভকারীরা ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে অবস্থান নেয়।
রাজনৈতিক
দলের নেতাকর্মীরা স্লোগান দিয়ে সমাবেশে এসে অবস্থান নিচ্ছেন। আর এখনও অর্ধশতাধিক মানুষ
প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনের সামনে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ চেয়ে বিক্ষোভ করে যাচ্ছেন।
আওয়ামী
লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে রাজধানী ঢাকার রাজপথ উত্তাল হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন,
রাজনৈতিক দল এবং সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণে বিশাল মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা
আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন। জুমার নামাজের পর থেকেই বিভিন্ন
এলাকা থেকে ছাত্র-জনতা ও রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে এসে
জড়ো হতে শুরু করেন। সময় বাড়ার সাথে সাথে মিছিলে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যাও বাড়তে থাকে।
এর
আগে, বৃহস্পতিবার রাত থেকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার
সামনে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে বিক্ষোভ কর্মসূচি শুরু হয়।
মন্তব্য করুন


নাটোর
সদর উপজেলায় বোনের বাড়ির উঠান থেকে শফিকুল ইসলাম (৪৫) নামে এক ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার
করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২ জুন) সকালে ডাঙ্গাপাড়া এলাকার নিজ বাড়ির পাশে বোনের বাড়ির
উঠান থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত শফিকুল ইসলাম ওই এলাকার মৃত কাশেম আলীর ছেলে।
তিনি স্থানীয়ভাবে ফার্নিচার ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
পুলিশ
ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত রোববার রাতে শফিকুল ইসলাম সবার অজান্তে বাড়ি থেকে
বের হয়ে যান। এরপর তিনি আর বাড়িতে ফিরে আসেননি। আজ মঙ্গলবার সকালে তার বোন মছিরন
বেগম ঘুম থেকে উঠে ঘর থেকে বের হয়ে বাড়ির উঠানে ভাই শফিকুল ইসলামকে পড়ে থাকতে দেখেন।
কাছে গিয়ে তিনি তাকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলে সদর
থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
স্থানীয়রা
জানায়, শফিকুল ইসলাম ও তার বোন মছিরনের বাড়ি পাশাপাশি অবস্থিত। দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা
সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে শফিকুল ইসলামের সঙ্গে তার বোনদের বিরোধ চলছিল। শফিকুল ইসলামের
মা পাঁচ শতাংশ জমি তার এক বোনের নামে লিখে দেয়ার পর থেকে দুই পরিবারের মধ্যে কথাবার্তা
বন্ধ ছিল।
নাটোর
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনসুর রহমান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে
গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছে। প্রাথমিকভাবে মরদেহে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের
রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
তিনি
আরও জানান, ঘটনার বিষয়ে প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে তদন্ত চলছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মন্তব্য করুন


চলতি মাসে জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত রেখেছে সরকার।
শনিবার (১ মার্চ) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে
পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়ে বলা হয়, গত ফেব্রুয়ারি মাসের নির্ধারিত
দামেই এই মাসে জ্বালানি তেল বিক্রি হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মার্চ মাসে তুলনামূলক সাশ্রয়ী মূল্যে
জ্বালানি তেল সরবরাহ করতে বিদ্যমান দাম অনুযায়ী প্রতিলিটার ডিজেল ও কেরোসিন ১০৫
টাকা, পেট্রোলের দাম ১২২ টাকা ও অকটেনের দাম ১২৬ টাকা রাখা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত বছরের মার্চ থেকে বিশ্ববাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে
জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ শুরু করেছে সরকার। সেই থেকে প্রতি
মাসে নতুন দাম ঘোষণা করে আসছিল সরকার। তবে চলতি মাসে এর ব্যতিক্রম ঘটলো।
গত ফেব্রুয়ারি মাসে পেট্রোল, অকটেন, ডিজেল ও কেরোসিনের দাম
লিটারপ্রতি এক টাকা বাড়িয়ে এই দাম নির্ধারণ করেছিল সরকার।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম সীমান্তে অভিযান চালিয়ে ৮০ কেজি ভারতীয় গাঁজা উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
সোমবার (২৪ আগস্ট) ভোরে কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি)–এর আমানগণ্ডা বিওপির টহল দল আদর্শ গ্রাম এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব গাঁজা উদ্ধার করে।
১০ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মীর আলী এজাজ জানান, সীমান্তে চোরাচালান ও আন্তসীমান্ত অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযান চলছে। এরই ধারাবাহিকতায় এ অভিযান চালানো হয়। উদ্ধার করা গাঁজা আইনগত প্রক্রিয়ার জন্য চৌদ্দগ্রাম থানায় জমা দেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন