

দীর্ঘদিন
ধরে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত ঢালিউডের আলোচিত অভিনেতা জায়েদ খান এবার হাজির হচ্ছেন
একেবারেই নতুন রূপে। সেখানে বিভিন্ন মঞ্চ অনুষ্ঠানে অভিনয়, নাচ কিংবা ডিগবাজির মাধ্যমে
নানা সময়ে আলোচনায় থাকলেও এবার তিনি নজর কেড়েছেন বড় পরিসরের একটি মিউজিক ভিডিওর মডেল
হয়ে। ‘শিকারি’ শিরোনামের এই গানটি বৃহস্পতিবার লুডু মিউজিক ইউটিউব চ্যানেলে
উন্মুক্ত হয়েছে।
বেশ
কয়েক দিন ধরেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গানটির জোর প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন চলচ্চিত্র
শিল্পী সমিতির সাবেক এই সাধারণ সম্পাদক। গানটির শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা জানাতে গিয়ে তিনি
জানান, বিলাসবহুল স্পোর্টসকার, দৃষ্টিনন্দন মোটরসাইকেল, রুশ মডেল এবং হলিউড সিনেমার
মতো লোকেশনে এর দৃশ্যধারণ করা হয়েছে। এটি তার ক্যারিয়ারে সম্পূর্ণ নতুন ও ভিন্নমাত্রার
একটি অভিজ্ঞতা বলে তিনি উল্লেখ করেন।
মিউজিক
ভিডিওটির নির্মাণশৈলী নিয়ে অত্যন্ত আশাবাদী জায়েদ খান জানান, দর্শক সাধারণত যে ধরনের
বিনোদন খোঁজেন, তার চেয়ে অনেক উন্নত মানের আয়োজন রয়েছে এতে। যুক্তরাষ্ট্রে দীর্ঘ প্রবাসজীবনে
হলিউড ঘরানার কাজের যে একটি অপ্রাপ্তি ছিল, এই মিউজিক ভিডিওর মাধ্যমে তা পূরণ হয়েছে।
চলচ্চিত্রের একটি গানের পেছনে যে পরিমাণ সময় ও নান্দনিক লোকেশন প্রয়োজন হয়, তার থেকেও
বেশি যত্ন নিয়ে এর চিত্রায়ন করা হয়েছে নিউইয়র্ক ও ফিলাডেলফিয়াসহ যুক্তরাষ্ট্রের আকর্ষণীয়
বিভিন্ন স্পটে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, দেশে ও প্রবাসে থাকা দর্শক গানটি দেখে দারুণ
উপভোগ করবেন।
‘শিকারি’
গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন সজীব দাস ও সানজিদা রিমি। গত মাসে দৃশ্যধারণ সম্পন্ন হওয়া এই
গানে জায়েদ খানের সঙ্গে দেশি-বিদেশি মোট সাতজন মডেল পারফর্ম করেছেন। এতে বাংলাদেশের
মডেল ইয়াসমিনের পাশাপাশি অংশ নিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের নিনা ও মারিয়ানা এবং রাশিয়ার জুলিয়া,
কারলা, কামিলা ও মিলানা। মিউজিক ভিডিওটি পরিচালনা করেছেন বদরুদ্দোজা সাগর এবং কোরিওগ্রাফির
দায়িত্ব সামলেছেন রোহান বিল্লাল।
মন্তব্য করুন


হঠাৎ ময়মনসিংহের নান্দাইল থানার ওসিকে প্রত্যাহার করা হলে শুক্রবার (১৪ মার্চ) ভোরে কর্মস্থল ত্যাগ করেন তিনি।
আইনশৃঙ্খলার অবনতি ছাড়াও তার নানা ধরনের কর্মকাণ্ডের কারণে নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে ব্যাপক আলোচনা হচ্ছিল।
এদিকে ওসির কর্মস্থল ত্যাগের খবর দেরিতে পেয়ে কমপক্ষে ৩০ জন পাওনাদার বিচ্ছিন্নভাবে থানায় এসে না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
স্থানীয়রা জানান, নান্দাইল থানায় ওসি হিসেবে গত ২০২৪ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর যোগ দিয়েছিলেন ফরিদ আহম্মেদ। এর পর থেকে নানা আলোচনা-সমালোচনার মধ্য দিয়ে তিনি কার্যক্রম চালিয়ে আসছিলেন।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এক রাতেই তুচ্ছ ঘটনায় পাঁচটি অভিযোগ মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে রেকর্ডভুক্ত করার অভিযোগ ওঠে এ ওসির বিরুদ্ধে।
সম্প্রতি চুরি ছিনতাইসহ আইনশৃঙ্খলার
মারাত্মক অবনতি হয়েছে। বিশেষ করে পুরো উপজেলার আনাচে-কানাচে ইয়াবার কারবার, গ্রেপ্তার
বাণিজ্য চলছিল নির্বিঘ্নে।
বিভেদপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডকে কোনোভাবেই নিয়ন্ত্রণে আনতে পারছিলেন না নান্দাইল থানার ওসি ফরিদ আহম্মেদ। অন্যদিকে মামলা নেওয়ার নামে বিচার প্রার্থীদের হয়রানি করা হচ্ছিল নিয়মিত।
এমন অবস্থায় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) সকালে তাকে প্রশাসনের নির্দেশে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করার একটি চিঠি পাঠানো হয়। চিঠি পেয়ে ওসি ফরিদ সবকিছু গুছিয়ে আজ শুক্রবার ভোরে চলে যান জেলা শহর ময়মনসিংহে।
এসব বিষয়ে জানতে প্রত্যাহার হওয়া ওসি ফরিদ আহম্মেদের মোবাইল নম্বরে একাধিকবার কল করলেও ফোন রিসিভ করেননি তিনি।
জানতে চাইলে ময়মনসিংহ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গৌরীপুর সার্কেল) দেবাশীষ কর্মকার বলেন, ‘ওসির কাছে সাধারণ লোকজন টাকা পায়, এটি খুবই দুঃখজনক।’ এ বিষয়ে ওসির সঙ্গে কথা বলবেন বলেও জানান তিনি।
আর এক রাতে ৫টি মামলা রেকর্ডভুক্ত
হওয়া প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমাকে তো দুটির কথা বলা হয়েছিল। বাকিগুলো তো
জানাননি।’
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা
অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।
আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর)
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আজ রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় সাক্ষাৎকালে, সেনাপ্রধান
দেশের সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং সেনাবাহিনীর চলমান কার্যক্রম সম্পর্কে প্রধান
উপদেষ্টাকে অবহিত করেন। পাশাপাশি, দেশের উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার জন্য সেনাবাহিনী গৃহীত
বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েও আলোচনা করেন।
আলোচনাকালে, সেনাপ্রধান তাঁর সাম্প্রতিক
সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক সফরের বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টাকে অবহিত করেন। এই সফরটি দুই
দেশের মধ্যকার সম্পর্কোন্নয়ন ও সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে সেনাপ্রধান
আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এছাড়াও, সদ্য সমাপ্ত বিবিধ বঞ্চিত সেনা
কর্মকর্তাদের সুবিচার নিশ্চিতকরণ সংক্রান্ত উচ্চপদস্থ পর্ষদের মূল্যায়ন ও সুপারিশ এবং
বিবিধ কারণে চাকরিচ্যুত জেসিও ও অন্যান্য পদবীর সেনা সদস্যদের চলমান উচ্চপদস্থ পর্ষদ-এর
অগ্রগতির বিষয়ে সেনাপ্রধান প্রধান উপদেষ্টাকে অবহিত করেন।
এ ছাড়া জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে আহত
ছাত্র-জনতার চিকিৎসায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ সম্পর্কেও তাঁকে অবহিত
করা হয়।
প্রধান উপদেষ্টা সেনাবাহিনীর ভূমিকা
ও অবদানের প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যৎ কার্যক্রমে সেনাবাহিনীকে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা
প্রদান করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে
সেনাবাহিনী তাদের পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখবে।
মন্তব্য করুন


বরিশালের
বাকেরগঞ্জে বোমাসদৃশ্য বস্তুর বিস্ফোরণে একই পরিবারের নারী ও শিশুসহ তিনজন দগ্ধ হয়েছেন।
উপজেলার ভরপাশা ইউনিয়নে দুধল মৌ গ্রামে আজ সোমবার সকালে এ ঘটনা ঘটে।
আহতদের
উদ্ধার করে বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতরা হলেন–
হনুফা বেগম, তার মেয়ে ইতি ও বোনের ছেলে ফাহিম।
আহতের
স্বজনেরা জানিয়েছেন, সকালে বাসার পাশে বের হন ওই তিনজন। এসময় নতুন একটি বাজারের ব্যাগ
ও কিছু চিপসের প্যাকেট দেখতে পেয়ে তারা সেটি আনতে গেলে হঠাৎ বিস্ফোরণ ঘটে। এতে তিনজনই
দগ্ধ হয়ে পাশের নদীতে ঝাপ দেন। পরে সেখান থেকে তাদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে বরিশাল শের
ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
পুলিশ
জানিয়েছে, ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এরই মধ্যে ঘটনাস্থল
পরিদর্শন করেছে পুলিশ।
মন্তব্য করুন


ঢাকা
মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) শাহবাগ থানায় কর্মরত নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) মো.
আরশাদ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
ডিএমপির
পুলিশ কমিশনার মো: মাইনুল হাসান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা
হয়।
ডিএমপি
জানায়, গত ৩১ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ‘মার্চ ফর জাস্টিস’ কর্মসূচিতে ঢাকার
নিউ মডেল ডিগ্রী কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী নাহিদুল ইসলামের মুখ চেপে
ধরেন পরিদর্শক আরশাদ হোসেন। তার এমন অপেশাদার কর্মকাণ্ডের ফলে পুলিশের কার্যক্রম নিয়ে
জনগণের বিরূপ ধারণা সৃষ্টিসহ পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়েছে। যার প্রেক্ষিতে তাকে
সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।
মন্তব্য করুন


ভোলার
চরফ্যাশনে নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে নিহত হয়েছেন সজিব (২৫) নামের এক জেলে। মঙ্গলবার
(২৬ মে) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার হাজারীগঞ্জ ইউনিয়নের আলম মৎস্যঘাট সংলগ্ন মেঘনা নদীতে
এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
নিহত
সজিব উপজেলার হাজারীগঞ্জ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা সামছল হকের ছেলে। তিনি
আলম ঘাট এলাকার একজন পেশাদার জেলে হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
নিহতের
চাচাতো ভাই আলাউদ্দিন জানান, প্রতিদিনের মতো সকালে মাছ ধরতে নদীতে যান সজিব। এসময় হঠাৎ
আকাশ কালো হয়ে বৃষ্টি শুরু হয়। একপর্যায়ে বিকট শব্দে বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই গুরুতর
আহত হন তিনি। সঙ্গে থাকা অন্য জেলেরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য
কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এদিকে সজিবের মৃত্যুর
খবর ছড়িয়ে পড়লে আলম ঘাট ও হাজারীগঞ্জ এলাকায় নেমে আসে শোকের ছায়া।
জানা
গেছে, কয়েক বছর আগে বিয়ে করা সজিবের স্ত্রী বর্তমানে অন্তঃসত্ত্বা। অনাগত সন্তানের
মুখ দেখার আগেই পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছে
পরিবারটি।
চরফ্যাশন
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. শফিকুল ইসলাম শাওন
বলেন, 'হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।'
এ
বিষয়ে শশীভূষণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ আহমেদ বলেন, 'এ ধরনের একটি ঘটনার
সংবাদ পেয়েছি। মরদেহ বর্তমানে হাসপাতালে রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের
কাছে হস্তান্তর করা হবে।'
মন্তব্য করুন




খাবার,
পানি ও বাতাসের মাধ্যমে অতি ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণা বা মাইক্রোপ্লাস্টিক এখন মানুষের
শরীরে প্রবেশ করছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি পুরোপুরি এড়ানো সম্ভব নয় কিন্তু দৈনন্দিন
জীবনে কিছু অভ্যাস পরিবর্তন করলে এ ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব। জেনে নিন মাইক্রোপ্লাস্টিকের
ক্ষতি এবং তা থেকে বাঁচার ৭টি কার্যকর উপায় সম্পর্কে।
স্বাস্থ্যবিদরা
বলছেন, মাইক্রোপ্লাস্টিক স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। নিয়মিত শরীরে প্রবেশ
করলে এটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ক্ষতি করতে পারে, ডিএনএ-র ক্ষতি করতে পারে, প্রজনন ক্ষমতা
কমাতে পারে, এমনকি কোষও নষ্ট করে দিতে পারে। কিন্তু মাইক্রাপ্লাস্টিককে শরীরে প্রবেশ
থেকে আটকানো প্রায় অসম্ভব।
পরিবেশবিদরা
বলছেন, এ যুগে মাইক্রোপ্লাস্টিকের শরীরে প্রবেশ অবধারিত। একে পুরোপুরি আটকানো যাবে
না। কারণ, প্লাস্টিক কণা শুধু খাবারের সঙ্গে মিশে নয়, ত্বকের রন্ধ্র এমনকি, শ্বাস প্রশ্বাসের
মাধ্যমেও শরীরে ঢুকতে পারে। তবে কিছু কিছু বিষয়ে সতর্ক থাকলে, শরীরে মাইক্রোপ্লাস্টিকের
প্রবেশ অনেকটাই এড়ানো যেতে পারে।
সব
সময় পানি ফিল্টার করুন
টিউবওয়েলের
পানিতে মাইক্রোপ্লাস্টিক থাকতে পারে। তাই পানি সব সময় ফিল্টার করে পার করুন। ফিল্টার
মাইক্রোপ্লাস্টিকের কণাগুলোকে অনেকটাই ছেঁকে ফেলে।
বাইরের
প্যাকেটজাত খাবার এড়িয়ে চলুন
বাইরে
থেকে কেনা প্রক্রিয়াজাত বা প্যাকেটজাত খাবার যথাসম্ভব এড়িয়ে চলুন। প্লাস্টিকের পাত্র
থেকে খাবারে প্লাস্টিক কণা মেশার সুযোগ থাকে। বিশেষ করে গরম খাবার প্লাস্টিকের পাত্রে
থাকলে তা থেকে প্লাস্টিক কণা খাবারে মিশে যায়। বাড়িতে রান্না করা খাবার খেলে সেই বিপদ
এড়ানো সম্ভব।
ধাতব
বা কাচের পাত্র ব্যবহার করুন
বাড়িতেও
যেকোনো খাবার রাখার ক্ষেত্রে কাচ বা ধাতব পাত্র ব্যবহার করুন। এগুলো অনেক বেশি নিরাপদ।
কারণ, কাচ বা ধাতব পাত্র খাবারকে দূষিত করে না। কিন্তু প্লাস্টিক কোনোভাবে গরম হলে
বা ভেঙে গেলে খাবারে তা থেকে মাইক্রোপ্লাস্টিক খাবারে মিশতে পারে।
ব্যবহার
করা প্লাস্টিক বর্জন করুন
ব্যবহার্য
প্লাস্টিক যেমন-গ্লাস, প্যাকেট, স্ট্র এগুলো থেকে মাইক্রোপ্লাস্টিক বেশি ছড়ায়। প্যাকেটজাত
খাবারের ক্ষেত্রে এ ধরনের প্লাস্টিক বেশি ব্যবহার হয়। প্লাস্টিকের কাঁটা-চামচ, বাটি,
ট্রে ইত্যাদি একবার ব্যবহার করার পর ফেলে দেওয়া উচিত।
পরিবেশবান্ধব
ব্যাগের ব্যবহার
প্লাস্টিক
ব্যাগের ব্যবহার কমাতে পরিবেশবিদরা পরিবেশবান্ধব ব্যাগ ব্যবহার করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন।
পরিবেশবান্ধব ব্যাগ, যেমন চট বা সুতির ব্যাগ ব্যবহার করুন। পোশাকের ক্ষেত্রেও সুতি,
উল, লিনেনের পোশাক ব্যবহার করুন। পলিয়েস্টার জাতীয় পোশাক এড়িয়ে চলুন। একই জিনিস
মাথায় রাখতে হবে নিত্য ব্যবহারের তোয়ালে, বিছানার চাদর বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রেও।
সামুদ্রিক
খাবারে প্লাস্টিকের উপস্থিতি
সামুদ্রিক
মাছেও মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি দেখতে পেয়েছেন গবেষকেরা। সমুদ্রের পানিতে প্লাস্টিক
বর্জ্য জমে থাকে। সে পানিতে বেড়ে উঠে মাছ ও অন্যান্য সামুদ্রিক প্রাণী। সমুদ্রের পানিতে
থাকা মাইক্রোপ্লাস্টিক প্রথমে মাছের দেহে প্রবেশ করে পরে সেই মাছ খাওয়ার ফলে মাইক্রোপ্লাস্টিক
মানুষের শরীরে প্রবেশ করে।
প্লাস্টিকের
প্রসাধন সামগ্রী ব্যবহার না করা
নিত্যদিনের
শারীরিক পরিচর্যার সামগ্রীর মাধ্যমেও মাইক্রোপ্লাস্টিক শরীরে প্রবেশ করতে পারে। মাজন,
স্ক্রাব, প্রসাধনী কেনার আগে লেবেল দেখে নিন উপকরণের তালিকায় পলিথিন বা পলিপ্রপিলিন
জাতীয় কোনো নাম রয়েছে কিনা। যদি থাকে তাহলে ওই ধরনের পণ্য ব্যবহার করা বন্ধ করুন।
মন্তব্য করুন


গাজীপুরের
শ্রীপুর উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের মুলাইদে (দায়পাড়া) খেলনা পিস্তল দিয়ে আতঙ্ক ছড়ানো ও ভয়ভীতি প্রদর্শন
করে স্ত্রীর কাছ থেকে যৌতুক আদায়ের অভিযোগ উঠেছে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।
সোমবার
(৩ আগস্ট) নারী ও শিশু নির্যাতন
দমন আইনে শ্রীপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন তার স্ত্রী।
পরে
পুলিশ অভিযান চালিয়ে আসামি ইমনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠিয়েছে। অভিযুক্ত ওই ব্যক্তির নাম
ইমন (২৩)।
জানা
গেছে, সম্প্রতি অভিযুক্ত ব্যক্তি তার টিকটক প্লাটফর্মে একটি ভিডিও প্রকাশ করেন। ভিডিওটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা হয়।
শ্রীপুর
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহীনুর আলম এ প্রসঙ্গে বলেন,
“ইমন একটি পিস্তল প্রদর্শন করে ভিডিও তৈরি করে টিকটকের মাধ্যমে অনলাইনে প্রচার করে। বিষয়টি গাজীপুর জেলা পুলিশের নজরে আসে। পরে পুলিশ তার (ইমন) বসত বাড়িতে অভিযান চালিয়ে টিকটক অনলাইনে প্রদর্শনকৃত পিস্তল উদ্ধার করে। উদ্ধার ওই পিস্তলটি পরীক্ষা
করে দেখা যায় এটি আসল আগ্নেয়াস্ত্র নয়। এটি ‘পিস্তলসদৃশ লাইটার’।”
“যা
দিয়ে ওই ব্যক্তি তার
স্ত্রীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রায় সময়ই যৌতুক দাবি করে আসছিলো বলেও জানান ওই পুলিশ কর্মকর্তা।
ইমন পিস্তল সাদৃশ্য লাইটারটি অনলাইনে প্রদর্শন করে টিকটকে ভিডিও প্রচার করতো। এতে এলাকায় ও জনগনের মধ্যে
ভীতির সঞ্চার করে আসছিলো।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর
যাত্রাবাড়ি এলাকায় শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ,
কবি নজরুল কলেজ এবং ড. মাহবুবুর রহমান মোল্লা কলেজের শিক্ষার্থীর মধ্যে হামলা, মারধর ও
সংঘর্ষের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন যুব ও
ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূইয়া।
উপদেষ্টা
আসিফ মাহমুদ সজীব ভূইয়া বলেন,
‘ভাঙচুরসহ হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনায় কারা জড়িত, অবশ্যই তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং
আগামীতে এ ধরনের ঘটনাকে কোনোভাবেই টলারেট করা হবে না। সংঘর্ষ এড়াতে
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে। কোনোভাবেই যেন আইনশৃঙ্খলা
বাহিনীর সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ না হয়,
সেজন্য কলেজ কর্তৃপক্ষ চেষ্টা করে যাচ্ছিল। কিন্তু কোনোভাবেই সংঘর্ষ এড়ানো
যায়নি।
আজ সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একডেমিতে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি
এসব কথা বলেন।
এ
সময় তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম ও প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল
আলম উপস্থিত ছিলেন।
শিক্ষার্থীদের
মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি উল্লেখ করে আসিফ মাহমুদ বলেন, সামাজিকমাধ্যমে
বিভিন্ন জায়গা থেকে আমরা দেখেছি,
তিনজন নিহত হওয়ার একটি খবর রটেছিল। তবে এখন পর্যন্ত কারও নিহত হওয়ার কোনো
সংবাদ আমরা পাইনি। নানা মাধ্যমে চেষ্টা করেও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। প্রতিষ্ঠিত কোনো
গণমাধ্যমেও এ ধরনের খবর আমরা পাইনি।
তিনি
বলেন, তবে
অনেকেই আহত হয়েছেন, হাসপাতালে
ভর্তি হয়েছেন। এটি আমরা জানতে পেরেছি। তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে তিনি
উল্লেখ করেন।
উপদেষ্টা
বলেন, আমরা
বারবার আহ্বান জানাচ্ছি ছাত্ররা যেন কোনো প্রকার উসকানিতে পা না দিয়ে ধৈর্য সহকারে
তাদের যেকোন সমস্যা কলেজ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সমাধান করতে পারে। কিংবা প্রয়োজন হলে
সরকারও এর মধ্যে অংশীভূত হতে পারে।
মাহবুবুর রহমান কলেজের হামলার ঘটনা নিয়ে কাজ করার সময় জানতে পারলাম যে ৬ দিন
আগ থেকে এই ঘটনার সূত্রপাত হয়। একজন শিক্ষার্থী ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে সঠিক
চিকিৎসা না পাওয়ার অভিযোগে এই ঘটনা শুরু হয়,
অভিযোগ ছিল ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজের বিরুদ্ধে। কিন্তু এখানে সোরহাওয়ার্দী কলেজ
কীভাবে এলো সেই প্রশ্ন তোলেন তিনি।
এক
প্রশ্নের উত্তরে আসিফ মাহমুদ বলেন,
বিগত দিনগুলোতে পুলিশ যেকোন সংঘর্ষ এড়ানোর জন্য রাবার বুলেট বা গুলি ছুড়তো।
এটা কোনো আন্তর্জাতিক প্রাকটিস না। আমরা সেই জায়গা থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করছি।
অপর
এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন,
কলেজ শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনার পেছনে কারা জড়িত এ বিষয়ে অনেক ধরনের
তথ্য আসছে। জড়িতদের খুঁজে বের করতে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে জানাতে পারবো কারা এর
পেছনে জড়িত আছে।
দেশে অস্থিরতা তৈরির জন্য পরিকল্পিতভাবে যড়যন্ত্র করা হচ্ছে উল্লেখ করে উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘পরিকল্পিতভাবে অস্থিরতা সৃষ্টি করা হচ্ছে। সরকার সফলভাবে প্রশাসনিক কার্যক্রম চালাক, এটা তো অনেকে চাচ্ছে না, বিশেষ করে বিগত দিনের ফ্যাসিস্ট সরকার নানা ধরনের অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে।
তিনি
বলেন, সরকারের
কার্যক্রম নস্যাত করতে এবং সারাদেশের মানুষের দৃষ্টি অন্যদিকে নিয়ে যাওয়ার জন্য
এসব করা হচ্ছে।’ তবে
যারা দেশ এবং দেশের বাইরে থেকে এসব করছে তাদেরকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করা হচ্ছে
বলে তিনি জানান।
পরিকল্পিত
যড়যন্ত্র ও অপপ্রচার রুখে দিতে বিল্পবী চেতনার রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠনকে
দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহবান জানিয়ে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘জনগণের কাছে
আহবান থাকবে যেহেতু আমরা একটা অভ্যুত্থান পরবর্তী পরিস্থিতিতে আছি। সকলের ভেতরে
বিপ্লবী চেতনা আছে, উত্তেজনা
আছে সেটা যেন আমরা ইতিবাচকভাবে ব্যবহার করি।'
তিনি
আরো বলেন, 'আমরা
সচেতনতা সবদিক থেকে তৈরি করি এবং রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠনগুলোকে এখানে অনেক
ভূমিকা নেওয়ার আছে। গণঅভ্যুত্থানে যেমন আমাদের মধ্যে ঐক্য ছিল- আমরা মনে করি
বর্তমান পরিস্থিতিতেও সকলের ঐক্যের ভিত্তিতে এসব রুখে দিতে হবে। মিথ্যা
প্রলোভন দেখিয়ে দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে সাধারণ মানুষকে রাজধানীতে জড়ো করা
হয়েছিল। যে সংগঠনের ব্যানারে সাধারণ মানুষ ঢাকায় আনা হয়েছিল, সেই সংগঠনের
প্রধানকে পুলিশ ইতোমধ্যে গ্রেফতার করেছে।
মন্তব্য করুন


চাঁদপুর
জেলা কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুব মহিলা লীগের সভাপতি ও পৌরসভার সাবেক প্যানেল মেয়র ফরিদা
ইলিয়াসকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তিনি দীর্ঘদিন গোপনে থাকলেও সম্প্রতি নিজ বাসায় অবস্থান
করছিলেন।
বুধবার
(৮ জুলাই) দুপুরে গ্রেফতারের তথ্য নিশ্চিত করেছেন চাঁদপুর সদর মডেল থানার ওসি ফয়েজ
আহমেদ।
ফরিদা
ইলিয়াস চাঁদপুর শহরের রেলওয়ে বড় স্টেশন রেল শ্রমিক কলোনির মৃত আব্দুল গফুর শেখের মেয়ে।
তার স্বামীর নাম ইলিয়াস হোসেন। তিনি ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের বিরুদ্ধে সক্রিয়
ভূমিকা পালন করেন। তিনি সাবেক মন্ত্রী ডা. দীপু মনির অনুসারী।
জানা
যায়, ফরিদা ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে আত্মগোপনে ছিলেন। গত কয়েক মাস চাঁদপুরে প্রকাশ্যে
আসেন তিনি। সেই সঙ্গে দলীয় বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের নতুন-পুরনো ছবি সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট
করেন।
পুলিশ
জানায়, ফরিদা ইলিয়াসকে সন্ত্রাসবিরোধী মামলার আসামি হিসেবে বুধবার সকাল ৮টায় বড় স্টেশন
উত্তর শ্রীরামদী নিজ বাসা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাদিরা নূরের নেতৃত্বে থানা পুলিশ
গ্রেফতার করে। এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. খায়রুল কবির উপস্থিত ছিলেন।
সন্ত্রাসবিরোধী
আইনে থানায় বাদী হয়ে মামলাটি করেন উপ-পরিদর্শক (এসআই) আল আমিন।
চাঁদপুর
সদর মডেল থানার ওসি ফয়েজ আহমেদ বলেন, আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। পরে বিচারক
তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মন্তব্য করুন