

১৫
দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ শেষে কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে
আলোচিত ফুটপাতের খাবারের দোকানের মালিক ‘ভাইরাল মিজান’।
রোববার
(২৩ আগস্ট) ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের (কেরানীগঞ্জ) জেলার সাখাওয়াত হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত
করেছেন। তিনি জানান, দুপুরের আগেই কারা কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার
পর মিজানকে কাশিমপুর কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়।
কারাগার
থেকে মুক্তির পর নিজের দোকান ও ফুটপাতের ব্যবসা নিয়ে হুঁশিয়ারি দেন মিজানুর রহমান।
তিনি বলেন, ‘ঢাকা শহরের যদি একটা দোকান ফুটপাতে থাকে, মিজানেরটাও থাকতে হইবো। এইটাই
আমার চাওয়া। না হলে এই দেশে মানবতার কোনো দাম নাই।’
তিনি
আরও বলেন, তার ‘ভাইরাল’ পরিচিতিকে ব্যবহার করে কোনো চাওয়া-পাওয়া
নেই। নিজের দোকানটি যেভাবে ভেঙে দেওয়া হয়েছে, সেটি আবার করার জন্য অন্তত জায়গা দেওয়ার
দাবি জানান তিনি।
কারাগার
সূত্র জানায়, নির্ধারিত মেয়াদের সাজা শেষ হওয়ার পর রোববার সকালে মিজানকে কারাগার থেকে
মুক্তি দেওয়া হয়। এ সময় জেলগেটে তার স্বজন ও কয়েকজন শুভাকাঙ্ক্ষী উপস্থিত ছিলেন।
এর
আগে গত ৯ আগস্ট রাজধানীর আগারগাঁও এলাকা থেকে মিজানুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। আগারগাঁওয়ে
নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে ফুটপাতসহ বিভিন্ন স্থাপনায় অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন
করছিল বিদ্যুৎ বিভাগ। এরই ধারাবাহিকতায় মিজানের দোকানের অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন
করতে বিদ্যুৎ বিভাগের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সেখানে যান।
এ
সময় কর্মকর্তাদের সঙ্গে মিজানের বাগ্বিতণ্ডা হয়। পরে ঘটনাস্থলে থাকা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
তাকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
আগারগাঁওয়ের
ফুটপাতে ছোট একটি ভাতের দোকান চালিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচিতি পান মিজানুর রহমান
মিজান। তার দোকানে মাত্র ১০০ টাকায় এক পিস গরুর মাংসের সঙ্গে ভাত, আলু ও ডাল খাওয়ার
সুযোগ থাকায় অল্প সময়ের মধ্যেই সেটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনায় আসে।
দোকানটির
নাম ছিল ‘নিজের হাতে লইয়া খাবেন, ১৪ বার নিয়ে খাবেন’। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এটি
‘গরিবের বুফে’ নামেও পরিচিতি পায়। দোকানে খাবার পরিবেশন ও খাওয়ার ব্যতিক্রমী
পদ্ধতির বিভিন্ন ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর মিজানুর রহমান মিজান
‘ভাইরাল মিজান’ নামে পরিচিত হয়ে ওঠেন।
মন্তব্য করুন


ই-পাসপোর্ট পরিষেবায় পুলিশ ভেরিফিকেশন পদ্ধতি বাতিল করা
হয়েছে। গত ১৮ ফেব্রুয়ারি এক পরিপত্র জারির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের
সুরক্ষা সেবা বিভাগ। এর মাধ্যমে এখন থেকে কোনো প্রার্থীকে তার জাতীয় পরিচয়পত্র বা ন্যাশনাল
আইডি (এনআইডি) কার্ডে থাকা তথ্য অনুযায়ী সরাবরাহ করা হবে ই-পাসপোর্ট।
এদিকে
অপ্রাপ্তবয়স্ক ও প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকদের অধিকাংশ সময়ই জাতীয় পরিচয়পত্র করার সুযোগ
থাকে না। এ জন্য এই দুই শ্রেণির নাগরিকদের পাসপোর্টের ক্ষেত্রে তাদের আবেদন নিরীক্ষার
মাপকাঠি হবে অনলাইনে নিবন্ধনকৃত জন্ম নিবন্ধন সনদ। এবার তাহলে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স ছাড়া
ই-পাসপোর্ট পাওয়ার জন্য আবেদন প্রক্রিয়া জেনে নেয়া যাক।
কাদের জন্য কোন নথি
প্রয়োজন
ই-পাসপোর্ট পেতে আবেদনকারীদের বয়স
অনুযায়ী প্রয়োজনীয় নথি দিতে হবে:
১৮ বছরের নিচে: অনলাইনে নিবন্ধিত জন্ম নিবন্ধন সনদ (BRC,
ইংরেজি ভার্সন)।
১৮-২০ বছর: এনআইডি কার্ড বা
অনলাইনে নিবন্ধিত জন্ম নিবন্ধন সনদ (BRC, ইংরেজি ভার্সন)
২০ বছরের বেশি: শুধুমাত্র এনআইডি কার্ড। তবে বিদেশি
মিশনের মাধ্যমে আবেদনকারীরা অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদ জমা দিতে পারবেন।
শিশুদের ক্ষেত্রে: পিতা-মাতার এনআইডি কার্ড।
ঠিকানার প্রমাণ: সাম্প্রতিক ইউটিলিটি বিল (গ্যাস, বিদ্যুৎ
বা পানি)।
বিশেষ পরিস্থিতি: দত্তক বা অভিভাবকত্ব গ্রহণের ক্ষেত্রে
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের অনুমোদন।
পেশাভিত্তিক প্রয়োজনীয় নথি
ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, ড্রাইভার: সংশ্লিষ্ট কারিগরি
সনদপত্র।
শিক্ষার্থী: সর্বশেষ শিক্ষাগত
যোগ্যতার সনদ বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রত্যয়নপত্র/স্টুডেন্ট আইডি
বেসরকারি চাকরিজীবী: প্রতিষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক প্রত্যয়নপত্র।
সরকারি চাকরিজীবী: সরকারি আদেশ (জিও), অনাপত্তি পত্র (এনওসি),
প্রত্যয়নপত্র, পিআরএল অর্ডার বা পেনশন বই।
কৃষক: জমির পর্চা।
ব্যবসায়ী: ট্রেড লাইসেন্স।
আবেদনের সময় জমা দিতে হবে
বায়োমেট্রিকের জন্য
নির্ধারিত সময়সহ আবেদনপত্রের সারাংশ (প্রিন্ট কপি)।
অনলাইনে নিবন্ধিত পূর্ণ
আবেদনপত্র (প্রিন্ট কপি)।
পাসপোর্ট ফি জমার রশিদ।
৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য
ল্যাব-প্রিন্টেড সদ্য তোলা ছবি (গ্রে ব্যাকগ্রাউন্ডে)।
ধারাবাহিকভাবে
ই-পাসপোর্টের আবেদনের নিয়ম :
অনলাইনে আবেদন ফর্ম পূরণ : প্রথমেই ইন্টারনেট ব্রাউজার
ওপেন করে সরাসরি www.epassport.gov.bd এই ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। তারপর
‘অ্যাপ্লাই অনলাইন’ ট্যাবে ক্লিক করতে হবে। এবা আঞ্চলিক ই-পাসপোর্ট কার্যালয় নির্ধারণ
করতে হবে। স্ক্রিনে ড্রপ ডাউন লিস্ট থেকে প্রার্থীর অবস্থানরত জেলা ও থানার নাম নির্বাচন
করতে হবে। ফলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অধিভুক্ত ই-পাসপোর্ট কার্যালয়ের নাম নির্ধারিত হবে।
এছাড়া
আলাদাভাবে নিকটস্থ ই-পাসপোর্ট কার্যালয় চেনার জন্য প্রবেশ করতে পারেন এই লিঙ্কে- https://dip.gov.bd/site/page/4d4ea063-50df-46ee-a326-492d8ef2dbb0/-।
পাসপোর্ট
অফিস নির্ধারণের পর ই-পাসপোর্ট অনলাইন নিবন্ধন পোর্টালে অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। এ জন্য
প্রয়োজন একটি ই-মেইল ঠিকানা, জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্ম নিবন্ধন ও মোবাইল নম্বর দিয়ে
একটি ব্যতিক্রম পাসওয়ার্ড সেট করতে হবে। তারপর অ্যাকাউন্ট খোলা হলে পরবর্তীতে ই-মেইল
বা মোবাইল নম্বর এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করতে পারবেন।
আবেদন
ফর্মের প্রতিটি তথ্য অবশ্যই জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী উল্লেখ করতে হবে। ন্যূনতম তারকা
চিহ্নিত তথ্যগুলো অবশ্যই সফলভাবে প্রদানের পর পাসপোর্ট ফি প্রদানের অপশন আসবে। ফি তাৎক্ষণিকভাবে
অনলাইনে পরিশোধ করা হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে রশিদ নম্বর সংযুক্ত হবে। পরবর্তীতে বায়োমেট্রিক
নিবন্ধনের জন্য দিনক্ষণ নির্ধারণ করতে হবে। স্ক্রিনে প্রদর্শিত ক্যালেন্ডার থেকে উপলব্ধ
তারিখগুলো থেকে পছন্দসই একটি তারিখ নির্ধারণ করতে পারবেন প্রার্থী। এরপরই চূড়ান্ত পর্যায়,
যেখানে সাবমিট সম্পন্ন করার পর অ্যাপয়েনমেন্টসহ পুরো আবেদনের একটি সামারি প্রদর্শিত
হবে। এই সামারি এবং সাবমিটকৃত পুরো অনলাইন নিবন্ধনের প্রিন্ট কপি অন্যসব কাগজপত্রের
সঙ্গে সংযুক্তি হিসেবে জমা দিতে হবে।
ই-পাসপোর্ট ফি পরিশোধ: ই-পাসপোর্টের জন্য আবেদন করে
ফি পরিশোধের জন্য পাসপোর্ট ও ইমিগ্রেশন অধিদপ্তরের অনুমোদিত কিছু পেমেন্ট সিস্টেম রয়েছে।
এসব হচ্ছে- ভিসা, মাস্টার ও অ্যামেরিকান এক্সপ্রেস কার্ড, বিকাশ, নগদ, রকেট, ইউপে,
ডিমানি, ওকে ওয়ালেট এবং এমবিএল রেইন্বো। আর অনুমোদিত ব্যাংকগুলো হচ্ছে- ব্যাংক এশিয়া,
ব্র্যাক ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক, আরব-বাংলাদেশ
ব্যাংক, ডাচ-বাংলা ব্যাংক এবং মিডল্যান্ড ব্যাংক।
৫ বছর ও ১০ বছর মেয়াদি ই-পাসপোর্ট আবেদনের খরচ: পাসপোর্ট বইয়ের পৃষ্ঠা, পাসপোর্টের
মেয়াদ ও বিতরণের সময়সীমার ভিত্তিতে ফি ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে। মূলত রেগুলার, এক্সপ্রেস
এবং সুপার এক্সপ্রেস, এই তিন ক্যাটাগরিতে সরবরাহ করা হয় ই-পাসপোর্ট।
অধিকতর
দ্রুত সময়ে পাসপোর্ট পাওয়ার মাধ্যম হচ্ছে সুপার এক্সপ্রেস মাধ্যম। এতে বায়োমেট্রিক
সংগ্রহের তারিখ থেকে মাত্র ২ কার্যদিবসের পাসপোর্ট পাওয়া যায়। এক্সপ্রেস ক্যাটাগরিতে
বায়োমেট্রিক নিবন্ধনের তারিখ থেকে ৭ থেকে সর্বোচ্চ ১০ কার্যদিবসের মধ্যে পাসপোর্ট পাওয়া
যায়। আর রেগুলার ক্যাটাগরিতে সর্বাধিক সময়সীমা লাগে, যেখানে বায়োমেট্রিক প্রদানের দিন
থেকে ন্যূনতম ১৫ কার্যদিবস বা ২১ দিনের মধ্যে পাসপোর্ট পাওয়া যায়।
আবেদনপত্রসহ নথিপত্র জমা ও বায়োমেট্রিক নিবন্ধন প্রক্রিয়া: উল্লেখিত সব কাগজপত্র
নিয়ে পূর্বনির্ধারিত দিন উপস্থিত থাকতে হবে পাসপোর্ট অফিসে। এদিন আবেদনকারীর ছবি তোলা,
হাতের আঙুলের ছাপ নেয়া হয়। বায়োমেট্রিক প্রক্রিয়ার জন্য ছবি উঠাতে প্রার্থীকে অবশ্যই
রঙিন পোশাক পরে আসতে হবে পাসপোর্ট অফিসে। সব কাজ শেষে প্রার্থীকে বিতরণের সম্ভাব্য
তারিখ সম্বলিত একটি স্লিপ দেয়া হবে। স্লিপটি আবেদনকারীর বায়ো নিবন্ধনের প্রমাণপত্র,
এ জন্য এটি পাসপোর্ট সংগ্রহের দিন অবশ্যই সঙ্গে করে নিয়ে আসতে হবে।
অনলাইনে ই-পাসপোর্ট আবেদনের সর্বশেষ অবস্থা যাচাইয়ের উপায়: বায়ো নিবন্ধনের দিন
থেকে পাসপোর্ট সংগ্রহের সম্ভাব্য দিনটির আগে পাসপোর্ট আবেদনের অবস্থা অনলাইনের মাধ্যমে
যাচাই করা যায়। এ ক্ষেত্রে পাসপোর্ট কোন প্রক্রিয়ায় রয়েছে, তা দেখা থেকে শুরু করে পাসপোর্ট
প্রিন্ট এবং তা সরবরাহ করার জন্য প্রস্তুত কিনা, সেটিও দেখা যায়। এ জন্য প্রবেশ করতে
হবে এই লিঙ্কে- https://www.epassport.gov.bd/authorization/application-status- লিঙ্কে।
পাসপোর্ট
অফিস থেকে দেয়া বিতরণ স্লিপে ১৩ সংখ্যার একটি অ্যাপ্লিকেশন আইডি রয়েছে। আবেদনের বর্তমান
অবস্থা যাচাইয়ের জন্য এই আইডি বা আবেদন ফর্মে থাকা ওআইডি (অনলাইন রেজিস্ট্রেশন আইডি)
ব্যবহার করতে হবে।
আগে
বায়োমেট্রিক দেয়ার কিছুদিন পর পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য আবেদনকারীকে ফোন করা হতো। কিন্তু
এখন থেকে এই কার্যক্রম থাকছে না। ই-পাসপোর্ট সংগ্রহের জন্য একদম প্রস্তুত হলে যথারীতি
আবেদনপত্রে উল্লেখিত ফোন নম্বর ও ই-মেইলে নির্দিষ্ট তারিখ সম্বলিত বার্তা পাঠানো হবে।
আর সেই তারিখে বিতরণ স্লিপ ও জাতীয় পরিচয়পত্র সঙ্গে নিয়ে সংশ্লিষ্ট পাসপোর্ট অফিসে
হাজির হতে হবে।
মন্তব্য করুন


আজ
সকালে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে কিশোরগঞ্জের
নিকলিতে। একদিন আগে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল নওগাঁর
বদলগাছীতে।
বৃহস্পতিবার
(১১ জানুয়ারি) পৌষ মাসের ২৭ তারিখ। আগামী কয়েক দিন তাপমাত্রা খুব বেশি কমার সম্ভাবনা
নেই বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। তবে আগামী সপ্তাহে হালকা বৃষ্টি হতে পারে বলেও জানিয়েছেন
তারা।
বৃহস্পতিবার
সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাস তুলে ধরে আবহাওয়াবিদ মো. মনোয়ার
হোসেন বলেন, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্যরাত
থেকে সকাল পর্যন্ত সারাদেশে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং এটি কোথাও কোথাও দুপুর
পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন এবং সড়ক
যোগাযোগে সাময়িক বিঘ্ন ঘটতে পারে। এসময়ে সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।
দেশের দক্ষিণাঞ্চলে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং অন্যত্র এটি অপরিবর্তিত
থাকতে পারে।
মন্তব্য করুন


গ্রেপ্তারের
এক দিন পর চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে নুরুল আলম নামে কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগের
এক নেতার মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২৪ জুন) সকালে তার মৃত্যু হয়।
মৃত
নুরুল আলম চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার ঢেমশা ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক বলে
জানা গেছে।
কারাগার
সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকালে অসুস্থ বোধ করার পর তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক)
হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুর সনদে কারণ হিসেবে শ্বাসকষ্টজনিত
জটিলতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম
কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. ইকবাল হোসেন জানান, মঙ্গলবার বিকেলে ২০২৪
সালে চট্টগ্রামের সাতকানিয়া থানায় হওয়া বিস্ফোরক আইনের একটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার
করে পুলিশ। মঙ্গলবার বিকেলে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। কারাগারে নেওয়ার পর তিনি অসুস্থ
হয়ে পড়েন। বুধবার সকালে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত চমেক হাসপাতালে পাঠানো
হয়। সেখানে সকাল সাড়ে ৭টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি
আরও বলেন, মঙ্গলবার বিকেলে নুরুল আলমকে যখন কারাগারে আনা হয়, তখন তিনি সুস্থ ছিলেন।
তার শরীরে কোথাও আঘাতের কোনো চিহ্ন ছিল না। রাতেও কোনো অসুবিধার কথা তিনি জানাননি।
ময়নাতদন্ত শেষে তার লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
সাতকানিয়া
থানার ওসি মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল নুরুল আলমকে গ্রেপ্তার
করে থানায় নিয়ে আসে। পরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়। থানায় যতক্ষণ ছিলেন, তিনি সুস্থ–সবল
ছিলেন। তাকে কেউ মারধর করেনি। মঙ্গলবার বিকেলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠিয়ে দেন।
মন্তব্য করুন


সুনামগঞ্জের
১১ বছরের শিশুকে গলায় কাঁচি ধরে ধর্ষণ এবং সেই ঘটনার ভিডিও ধারণের অভিযোগে সোফায়েল
মিয়া (২০) নামের এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে ঘটনার পর থেকে ভিডিও ধারণকারী
সহযোগী সায়েক মিয়া পলাতক রয়েছে।
১১
জুলাই শনিবার শিশুর বাবা বাদী হয়ে সোফায়েল ও সায়েককে আসামি করে শাল্লা থানায় একটি মামলা
দায়ের করেন। এর আগে, ১০ জুলাই শুক্রবার দুপুরে উপজেলার হবিবপুর ইউনিয়নের মার্কুলি গ্রামে
বাড়ির পেছনে হাঁস খুঁজতে গেলে এ ঘটনা ঘটে। গ্রেফতার সোফায়েল একই গ্রামের বাসিন্দা।
পুলিশ
ও ভুক্তভোগী শিশুর পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার দুপুরে শিশুটি বাড়ির পেছনে
হাঁস খুঁজতে যায়। এ সময় ওত পেতে থাকা সোফায়েল মিয়া পেছন থেকে শিশুটির মুখ চেপে ধরে
এবং গলায় কাঁচি ঠেকিয়ে ভয় দেখিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। তখন সোফায়েলের সহযোগী একই গ্রামের
নুরুল হকের ছেলে সায়েক মিয়া নিজের মোবাইল ফোনে ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করে। পরে ঘটনাটি
কাউকে না জানাতে শিশুটিকে প্রাণে মারার হুমকি দিয়ে তারা চলে যায়।
পরবর্তীতে
শিশুটির শারীরিক ও আচরণগত পরিবর্তন দেখে অভিভাবকদের মনে সন্দেহ জাগে। এক পর্যায়ে পরিবারের
সদস্যদের কাছে শিশুটি নির্যাতনের বিষয়টি প্রকাশ করে। মামলার পর রাতেই অভিযান চালিয়ে
প্রধান অভিযুক্ত সোফায়েল মিয়াকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
শাল্লা
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রকিবুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান,
‘অভিযোগ পাওয়ার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামি সোফায়েলকে গ্রেফতার করেছে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছে।
তিনি
আরও জানান, ভুক্তভোগী শিশুকে সুনামগঞ্জ আদালতে এবং ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য সুনামগঞ্জ
সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ভিডিও ধারণকারী সায়েক মিয়াকে গ্রেফতার চেষ্টা চলছে।
মন্তব্য করুন


এইচএসসি
পরীক্ষা স্থগিত না করে শিক্ষার্থীদের ‘ফার্মের মুরগি’
বলে কটাক্ষ করার প্রতিবাদে ‘ব্রয়লার চিকেন পার্টি’ (Broiler Chicken Party) নামে একটি
প্ল্যাটফর্ম গড়ে তুলেছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম
ফেসবুকে এই নামে একটি পেজ খোলার পর তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।
‘We are the broiler generation:
Insulted by words, United by purpose’ স্লোগানে খোলা ফেসবুক পেজটিতে সন্ধ্য সাড়ে ৬টা
পর্যন্ত ২ হাজার ৩০০ জন ফলোয়ার যুক্ত হয়েছে। এ ছাড়া পেজটিতে ‘They called us
Broiler Chicken, We became a Movement’ স্লোগানও দেখা গেছে।
মঙ্গলবার
সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টা পর্যন্ত পেজটিতে প্রায় ২ হাজার ৩০০ জন অনুসারী যুক্ত হয়েছেন। মূলত
শিক্ষার্থীদের কটাক্ষ করে ছড়িয়ে পড়া একটি অডিও বার্তার প্রতিবাদ হিসেবে এই ব্যঙ্গাত্মক
প্ল্যাটফর্মটি আত্মপ্রকাশ করেছে।
অনলাইন
অ্যাক্টিভিস্টরা বলছেন, এই উদ্যোগটি ভারতের ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র
(সিজেপি) আদলে তৈরি। গত মে মাসে ভারতের এক উচ্চপদস্থ ব্যক্তি তরুণদের ‘ককরোচ’
বা ‘পরজীবী’ বলে উল্লেখ করার পর সে দেশে ব্যঙ্গাত্মক প্রতিবাদ হিসেবে
ওই প্ল্যাটফর্মটি গড়ে উঠেছিল।
এদিকে
ভারী বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার মধ্যে এইচএসসি পরীক্ষা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ
শিক্ষার্থীরা আজ দিনভর রাজধানীর সায়েন্সল্যাব এলাকায় বিক্ষোভ করেছেন।
বিকেল
পৌনে পাঁচটার দিকে সিটি কলেজের পরীক্ষার্থী মো. মিরাজ হোসেন আন্দোলনকারীদের পক্ষে শিক্ষামন্ত্রী
ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পদত্যাগের দাবিতে আলটিমেটাম দেন।
তিনি
বলেন, আজ সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে শিক্ষামন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে এবং তার অসংগতিপূর্ণ
বক্তব্যের জন্য জাতির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে।
শিক্ষার্থীদের
অন্য দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে-গত ১৩ জুলাই বৈরী পরিবেশে অনুষ্ঠিত পরীক্ষা পুনরায় নেওয়া
এবং আগামীকালের পরীক্ষা স্থগিত করে নতুন রুটিন প্রকাশ করা। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আজ প্রধানমন্ত্রী
শেখ হাসিনার সঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী জরুরি বৈঠক করেছেন বলেও জানা গেছে।
মন্তব্য করুন


সুনামগঞ্জের
সুরমা নদীর কয়েকটি পয়েন্টে পানি কিছুটা বেড়েছে। কুশিয়ারার মারকুলি স্টেশনে পানি এখনো
বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে নিম্নাঞ্চলে বন্যার শঙ্কা পুরোপুরি কাটেনি।
পাউবো
সূত্রে জানা গেছে, রোববার (১২ জুলাই) সকাল ৯টায় জেলার প্রধান নদ-নদীর পানি এখনো বিপৎসীমার
নিচে থাকলেও কয়েকটি পয়েন্টে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে।
জেলা
সদরের প্রধান নদী সুরমার শহরের ষোলঘর পয়েন্টে ৭ দশমিক ৪০ মিটার উচ্চতায় প্রবাহিত হচ্ছে,
যা মৌসুমি বিপৎসীমার ৪০ সেন্টিমিটার নিচে রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় এখানে পানির উচ্চতা ১৫
সেন্টিমিটার বেড়েছে। একই সময়ে সুনামগঞ্জে ৩৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
ছাতক
পয়েন্টে সুরমা নদীর পানি ৮ দশমিক ৬৮ মিটার উচ্চতায় রয়েছে, যা বিপৎসীমার ২ সেন্টিমিটার
নিচে। এ সময়ে ছাতকে ৪৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। বৃষ্টিপাত কম হলেও উজানের
ঢলে ছাতকের নদ-নদীতে পানি বেড়েছে। উজানের ঢল অব্যাহত থাকার আশঙ্কা রয়েছে।
গত
২৪ ঘণ্টায় জেলার মধ্যে সর্বোচ্চ ৭৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে তাহিরপুর
উপজেলার লাউড়েরগড়ে। অব্যাহত বর্ষণ ও ভারতের মেঘালয় অঞ্চলে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায়
আগামী কয়েক দিনে নদ-নদীর পানি আবারও বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
পাউবো
জানিয়েছে, শনিবার বিকালে সুনামগঞ্জ শহরের ষোলঘর পয়েন্টে সুরমা নদীর পানির উচ্চতা ছিল
৭ দশমিক ৪০ মিটার, যা মৌসুমি বিপৎসীমার ৪০ সেন্টিমিটার নিচে। গত ২৪ ঘণ্টায় এখানে পানির
উচ্চতা ১৫ সেন্টিমিটার বেড়েছে। একই সময়ে জেলায় ৩৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে,
যা আগের ২৪ ঘণ্টার ৭৭ মিলিমিটারের তুলনায় কম। তবে পাহাড়ি ঢলের পানি নামা অব্যাহত আছে।
পাউবোর
সুনামগঞ্জ কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. এমদাদুল হক বলেন, আপাতত বৃষ্টি কিছুটা
কমে নদ-নদীর পানি হ্রাস পেলেও আগামী দিনগুলোতে ভারি বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। বৃষ্টি
বাড়লে নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেতে পারে এবং স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি
হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এদিকে
সম্ভাব্য বন্যা মোকাবিলায় জেলার ১২টি উপজেলায় ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
জেলা
প্রশাসক মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমান জানান, জেলার ১ হাজার ৩১১টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত
রাখা হয়েছে। উদ্ধারকাজের জন্য পর্যাপ্ত নৌযান, স্বেচ্ছাসেবক এবং ১ হাজার ৫৬টি মেডিকেল
টিম প্রস্তুত রয়েছে। এছাড়া ১২টি উপজেলায় ১ হাজার ২০০ প্যাকেট শুকনা খাবার ও জিআর চাল
বিতরণ করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী মজুত রাখা হয়েছে।
প্রশাসনের
পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভারি বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে পরিস্থিতি
দ্রুত পরিবর্তন হতে পারে। তাই জরুরি সেবা সচল রাখতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সম্ভাব্য
বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সুনামগঞ্জে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে প্রশাসন। জেলা
ও উপজেলা পর্যায়ে নিয়ন্ত্রণকক্ষ খোলা হয়েছে। একই সঙ্গে সুনামগঞ্জ ৪ পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের
সব ধরনের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


পুলিশ
মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ঈদে যাত্রীদের
কাছ থেকে গণপরিবহন বা ট্রেনে বাড়তি ভাড়া আদায় করলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে ।
ঈদের ছুটিতে ফাঁকা ঢাকায় অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শুক্রবার
(২৯ মার্চ) রাজারবাগে পুলিশ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে আজান, কিরাত ও রচনা প্রতিযোগিতার
বিজয়ীর মধ্যে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে আইজিপি এ কথা বলেন।
এসময়
কেউ যাত্রীদের কাছ থেকে বাড়তি ভাড়া আদায়ের চেষ্টা করলে, প্রয়োজনে জাতীয় জরুরি সেবা-৯৯৯
নম্বরে অথবা সংশ্লিষ্ট থানায় ফোন করে সহায়তা নেওয়ার আহ্বান জানান আইজিপি।
আইজিপি
বলেন, যাত্রী সাধারণকে অনুরোধ করবো আপনারা কোনো ঝুঁকিপূর্ণ যাত্রা করবেন না। আমরা কিছুদিন
আগেও সমন্বয় সভা করেছি। ১ এপ্রিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পুলিশের সব ইউনিটকে নিয়ে একটি
সমন্বয় সভা হবে। এরই মধ্যে রেল মন্ত্রণালয়ে সভা হয়েছে। নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ে সভা হয়েছে।
এসব সভার মাধ্যমে আমরা সমন্বয়ের কাজটি সেরে নিচ্ছি। ঢাকাসহ বিভিন্ন রেঞ্জ ডিআইজিদের
আমরা ব্রিফ করবো। ডিএমপি কমিশনার ঢাকা মহানগরীর সমন্বয় করবেন। ঈদ যাত্রাকে নিরাপদ ও
ঝুঁকিমুক্ত করতে নৌ-পুলিশ, রেলওয়ে পুলিশ, টুরিস্ট পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ তাদের প্রস্তুতি
নিচ্ছে। পাশাপাশি জেলা পুলিশও প্রস্তুতি নিচ্ছে। এবার ঈদের ছুটি একটু লম্বা হবে। এজন্য
পর্যটন স্থানগুলোতে দর্শনার্থীদের ভিড় হতে পারে। তাই সার্বিকভাবে নিরাপত্তা নিশ্চিতের
জন্য আমরা আমাদের পরিকল্পনা গ্রহণ করছি। সরকার বহুমুখী উন্নয়ন করছে, রাস্তা অনেক প্রস্থ
হয়েছে।
মন্তব্য করুন


জামালপুরের
ইসলামপুর উপজেলায় জীবিত অবস্থায় নিজের চল্লিশার আয়োজন করে এলাকায় আলোচনার জন্ম দিয়েছেন
পলবান্ধা ইউনিয়নের পূর্ব বাহাদুরপুর গ্রামের বাসিন্দা আব্দুস সামাদ (৭০)।
বুধবার
(৫ আগস্ট) নিজ বাড়িতে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। এতে প্রায় দুই হাজারের বেশি মানুষ
অংশ নিয়ে খাবার গ্রহণ করেন। আব্দুস সামাদ ওই গ্রামের মৃত শুকর আলীর ছেলে।
স্থানীয়
বাসিন্দা দানেছ আলী জানান, আব্দুস সামাদের সংসারে তিন মেয়ে ও চার ছেলে রয়েছে। মেয়েদের
বিয়ে দিয়েছেন, ছেলেদের কেউ আলাদা সংসার করছেন, আবার কেউ পড়াশোনা করছেন। বয়স ও শারীরিক
দুর্বলতার কথা বিবেচনা করে তিনি নিজের সম্পত্তি সন্তানদের মধ্যে ভাগ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত
নেন। একই সঙ্গে তার মনে প্রশ্ন জাগে, মৃত্যুর পর যদি সন্তানেরা চল্লিশার আয়োজন যদি
না করে। সেই ভাবনা থেকেই পরিবারের সঙ্গে আলোচনা করে জীবিত অবস্থায় নিজেই চল্লিশার আয়োজনের
সিদ্ধান্ত নেন।
অনুষ্ঠানে
অংশ নেওয়া লালচাঁন মিয়া বলেন, জীবিত একজন মানুষ নিজের চল্লিশার আয়োজন করেছেন । এটি
সত্যিই ব্যতিক্রমী ঘটনা। আয়োজনে উপস্থিত হয়ে তারা আনন্দের সঙ্গে খাবার গ্রহণ করেছেন।
আব্দুস সামাদের ছেলে সামিউল বলেন, বাবার ইচ্ছার প্রতি সম্মান জানিয়ে পরিবারের সবাই
এ আয়োজনের সঙ্গে একমত হয়েছেন। মেয়ে সাজেদাও জানান, বাবার মনের সংশয় দূর করতেই পরিবারের
সদস্যরা এ সিদ্ধান্তে সম্মতি দিয়েছেন।
আব্দুস
সামাদ বলেন, বয়সের ভারে আমি এখন শারীরিকভাবে দুর্বল। নামাজ-ইবাদত ছাড়া তেমন কোনো কাজ
করতে পারি না। তাই পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে পরামর্শ করেই এই আয়োজন করেছি। অনুষ্ঠানের
জন্য তিনি প্রায় এক লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের দুটি গরু এবং ২০ হাজার টাকা মূল্যের
একটি খাসি ক্রয় করা হয়েছিল বলে জানান।
মন্তব্য করুন


৭০০
বছরের রেকর্ড ভেঙে প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে সিলেটের হযরত শাহজালালের (রহ.) মাজারের
দানবাক্সের টাকা গণনা করা হচ্ছে।
সোমবার
(২২ জুন) দুপুর আড়াইটার দিকে জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে সিলগালা করা দানের বড় তিনটি
ডেগের মুখ খোলা হয়।
শাহজালাল
মাদরাসার শিক্ষার্থীরা টাকা গণনায় অংশ নিয়েছেন। এর আগে মাজারের ইতিহাসে এভাবে প্রকাশ্যে
দানের টাকা গণনা করা হয়নি।
হযরত
শাহজালাল (রহ.) ও হযরত শাহপরাণের (রহ.) মাজারের আয়-ব্যয়ের স্বচ্ছতা আনতে উদ্যোগ নিয়েছিলেন
সিলেটের জেলা প্রশাসক (সদ্য প্রত্যাহার) মো. সারওয়ার আলম। এতে দেশজুড়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা
দেখা দেয়। এরই মধ্যে রোববার (২১ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক আদেশে সারওয়ার আলমকে
জেলা প্রশাসকের পদ থেকে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব হিসেবে সংযুক্ত
করা হয়।
এ
ঘটনায় সিলেটজুড়ে তোলপাড় চলছে। প্রত্যাহার করা জেলা প্রশাসক সারওয়ার আলমকে সিলেটে বহাল
রাখার দাবিতে বিভিন্ন সংগঠনর ব্যানারে আন্দোলন চলছে।
স্থানীয়
সূত্রে জানা গেছে, জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এই গণনা কার্যক্রমে মাদরাসার
শিক্ষার্থীরা অংশ নিয়েছেন। পুরো কার্যক্রমে জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসনসহ বিভিন্ন
শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত রয়েছেন। পাশাপাশি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর
সদস্যদেরও সতর্ক অবস্থানে দেখা গেছে।
জেলা
প্রশাসনের একটি সূত্র জানিয়েছে, গণনা শেষে মোট দানের পরিমাণ নির্ধারণ করা হবে। পরে
এ অর্থ কীভাবে সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা করা হবে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত
নেবে।
মন্তব্য করুন


ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. মুনিবুর রহমান জানিয়েছেন আসন্ন এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীদের যে কোনো অসুবিধা মোকাবিলা করতে ট্রাফিক বিভাগের পক্ষ থেকে কুইক রেসপন্স টিম (কিউআরটি) প্রস্তুত থাকবে ।
মঙ্গলবার(১৩ ফেব্রুয়ারী) রাজধানীর ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে ট্রাফিক বিভাগের আয়োজিত ‘এস এস সি পরীক্ষা ২০২৪ উপলক্ষে সুষ্ঠু ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা’ সংক্রান্ত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান তিনি।
মুনিবুর রহমান বলেছেন, পরীক্ষার্থীদের যে কোনো অসুবিধা মোকাবিলা করতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ এর ট্রাফিক বিভাগের প্রতিটি জোন কর্তৃক আলাদা আলাদা কুইক রেসপন্স টিম ( কিউআরটি ) গঠন করা হবে। এছাড়াও যে কোনো জরুরি প্রয়োজনে ৯৯৯ এ ফোন করে সহায়তার আহ্বান জানানো যাবে। এক্ষেত্রে ট্রাফিক বিভাগের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করার চেষ্টা থাকবে।
অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মুনিবুর রহমান আরও বলেছেন, পরীক্ষা শুরুর আগে এমনভাবে বের হতে হবে যেন নূন্যতম ৩০ মিনিট পূর্বে পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছানো যায়। যে সব সড়ক পারাপারে রেল ক্রসিং আছে তা বিবেচনা করে বাসা হতে সময় বিবেচনা করে রওয়ানা দেওয়া জরুরি। আপনার বাসার বা পরীক্ষা কেন্দ্রের আশেপাশের সড়কে যদি কোনো খোড়াখুড়ি/মেরামত কাজ চলে তবে তা বিবেচনায় নিয়ে সময় মত রওয়ানা দিতে হবে। পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সাবধাণতা অবলম্বন করে যানবাহনে চলাচলের অনুরোধও জানিয়েছেন তিনি।
মন্তব্য করুন