

দেশের
আকাশে ১৪৪৭ হিজরি সনের পবিত্র জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা গেছে। ফলে আগামী ২৮ মে দেশজুড়ে
পালিত হবে মুসলিমদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা।
সোমবার
(১৮ মে) সন্ধ্যায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির
বৈঠক শেষে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ।
আজ
সোমবার সন্ধ্যায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির
বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়।
বৈঠক
শেষে সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ।
তিনি জানান, কক্সবাজারের আকাশে পবিত্র জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা গেছে। ফলে মঙ্গলবার থেকে
দেশে জিলহজ মাস শুরু হবে এবং আগামী ২৮ মে (বৃহস্পতিবার) দেশজুড়ে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত
হবে।
এবার
ঈদুল আজহায় সাত দিনের ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। আগামী ২৫ মে থেকে এ ছুটি শুরু হবে। এ
ছাড়া পোশাক কারখানাগুলো ধাপে ধাপে ছুটি ঘোষণার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
মন্তব্য করুন


নড়াইলে
বসতঘরের ওপর পাথরবোঝাই একটি ট্রাক উল্টে পড়ে শামীমা আক্তার সেতু (১৪) নামে এক স্কুলছাত্রী
নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় তার ছোট বোন মিতু গুরুতর আহত হয়েছে।
রোববার
(৫ জুলাই) দিবাগত রাত ১২টার দিকে লোহাগড়া উপজেলার নলদী ইউনিয়নের নলদী গ্রামে এ দুর্ঘটনা
ঘটে।
নিহত
সেতু নলদী গ্রামের কাঁচামাল ব্যবসায়ী হাফিজুর মোল্লার বড় মেয়ে এবং স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের
৮ম শ্রেণীর শিক্ষার্থী। আহত মিতু (১০) তার ছোট বোন।
পারিবারিক
ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতের খাবার শেষে প্রতিদিনের মতোই ঘুমিয়ে ছিল সেতু ও মিতু।
রাত ১২টার দিকে পাথরবোঝাই একটি ট্রাক পথ ভুল করে নলদী গ্রামে হাফিজুর মোল্লার বাড়ির
সামনের সরু রাস্তায় ঢুকে পড়ে। একপর্যায়ে চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে ট্রাকটি উল্টে সরাসরি
হাফিজুর মোল্লর বসতঘরের ওপর পড়ে। এতে মুহূর্তের মধ্যে ঘরটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘুমন্ত
দুই বোন ভারী পাথরের নিচে চাপা পড়ে।
পরে
স্থানীয়রা ছুটে এসে দ্রুত তাদের উদ্ধার করে আশঙ্কাজনক অবস্থায় নড়াইল জেলা হাসপাতালে
নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে শামীমা আক্তার সেতুকে মৃত
ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত মিতুকে হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
নড়াইল
জেলা হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, হাসপাতালে আনার আগেই অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ
ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে ভারী আঘাতের কারণে ওই শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। আহত অপর শিশুর
চিকিৎসা চলছে।
এদিকে
ঘুমন্ত অবস্থায় এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে পরিবার ও পুরো নলদী গ্রামজুড়ে নেমে এসেছে শোকের
ছায়া। পুলিশ দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাকটি জব্দ করেছে।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূস জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৭৯তম অধিবেশন এবং অন্যান্য উচ্চ পর্যায়ের
বৈঠকে যোগদানের জন্য তাঁর চার দিনের যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষ করে আজ ভোরে দেশে ফিরেছেন।
প্রধান উপদেষ্টা এবং তাঁর সফরসঙ্গীদের
বহনকারী কাতার এয়ারওয়েজের একটি বাণিজ্যিক ফ্লাইট ভোর ৩টা ৩২ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে
এসে পৌঁছে।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল
আলম এ তথ্য জানান।
এর আগে শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টায় (নিউইয়র্ক
সময়) ফ্লাইটটি নিউইয়র্কের জেকেএফ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রওনা দেয়।
ড. মুহাম্মদ ইউনূস মার্কিন প্রেসিডেন্ট
জো বাইডেনসহ ১২টি দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধান এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধানের
সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং সাইডলাইনে ৪০টি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে অংশ নেন।
প্রধান উপদেষ্টা নিউইয়র্ক সময় শুক্রবার
(২৭ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দেয়া ছাড়াও ২৪ সেপ্টেম্বর মার্কিন
প্রেসিডেন্ট জোসেফ আর বাইডেনের সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন।
এছাড়া তিনি অন্যান্যের মধ্যে জাতিসংঘ
মহাসচিব এন্তোনিও গুতেরেস, ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী
শেহবাজ শরীফ, নেপালের প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলি এবং নেদারল্যান্ডস’র প্রধানমন্ত্রী ডিক শুফের সাথে দ্বিপাক্ষিক
বৈঠক করেন।
নিউইয়র্ক অবস্থানকালে প্রধান উপদেষ্টার
সঙ্গে অন্যান্যের মধ্যে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই, ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট
উরসুলা ভন ডের লেয়েন, জাতিসংঘের মানবাধিকার হাইকমিশনার ভলকার তুর্ক, মার্কিন পররাষ্ট্র
মন্ত্রী অ্যান্টনি জে ব্লিঙ্কেন, জাতিসংঘের হাইকমিশনারের শরণার্থী বিষয়ক কমিশনার ফিলিপ্পো
গ্র্যান্ডি, বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রেসিডেন্ট অজয় বঙ্গ ও ইউএসএইডের প্রশাসক সামান্থা
পাওয়ার সাক্ষাত করেন।
প্রধান উপদেষ্টা নিউইয়র্কে জাতিসংঘ
সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দেয়ার পাশাপাশি বেশ কয়েকটি উচ্চ-পর্যায়ের বৈঠকে যোগ দেন।
তিনি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৯তম
অধিবেশনে যোগ দিতে ২৩শে সেপ্টেম্বর নিউইয়র্ক পৌঁছান।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফারুক-ই-আজম বীরপ্রতীক বলেছেন, আপাতত বন্যার্ত মানুষকে বাঁচানোই আমাদের প্রধান কাজ। তাদের চিকিৎসা সেবা দেওয়া, ক্ষুধার অন্ন জোগানো, শিশু ও নারীসহ সবার স্বাস্থ্যের দায়িত্ব নেওয়া; এটায় এখন আমাদের প্রধান কাজ।
শুক্রবার (৩০ আগস্ট) রাতে নোয়াখালী সার্কিট হাউসে বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলা ও ত্রাণ কার্যক্রম সমন্বয় শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ফারুক-ই-আজম এসব কথা বলেন।
সরকারি কর্মকর্তাদের আরও বেশি উদ্যোগী হয়ে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, এখানে জনসম্পৃক্ততা যেটা হয়েছে, তাদের সাথে সমন্বয় করবেন। এ সমন্বয় যেন কোনোভাবেই বিচ্ছিন্ন না হয়। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের স্বেচ্ছাসেবীসহ সকল স্বেচ্ছাসেবীদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। আপনাদের মধ্যে যদি মতদ্বৈততা হয়, আপনারা আলোচনার টেবিলে বসবেন। তরুণরা এই বন্যায় এগিয়ে এসেছে। আমাদের রিসোর্সেরও অভাব নেই। অনেক প্রতিষ্ঠান আছে তারাও কাজ করতে আগ্রহী। অনেক প্রতিষ্ঠান আসছে দেশের ও দেশের বাইরের।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, নোয়াখালীর জেলা প্রশাসক দেওয়ান মাহবুবুর রহমান, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মেজর রিফাত আনোয়ার, জেলা সিভিল সার্জন ডা. মাসুম ইফতেখার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শারমিন আরা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) বিজয়া সেন ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধিরা।
মন্তব্য করুন


পটুয়াখালীর
কলাপাড়ায় বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে ডেকে নিয়ে এক এসএসসি পরীক্ষার্থীকে কিশোর গ্যাং সদস্যরা
ছুরিকাঘাত করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তিন কিশোরকে আটক করে পুলিশে
সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা।
শনিবার
(৩০ মে) রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার চম্পাপুর ইউনিয়নের মাসুয়াখালী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত
তাজুল ইসলাম তাজ (১৬) ওই ইউনিয়নের ফারুক হাওলাদারের ছেলে। তিনি পাটুয়া আল-আমিন মাধ্যমিক
বিদ্যালয় থেকে চলতি বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন।
স্থানীয়
সূত্র ও স্বজনরা জানান, মাসুয়াখালী গ্রামের কামাল মৃধার বাড়িতে আয়োজিত একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে
উপস্থিত ছিলেন তাজুল। অনুষ্ঠান চলাকালে কয়েকজন কিশোর তাকে বাড়ির পাশের একটি বিলে ডেকে
নিয়ে যায়। সেখানে তাকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করা হয়। তাজুলের চিৎকার শুনে স্থানীয়রা
ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
পরে রাত ১টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের
চাচা ও সাবেক ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর হাওলাদার বলেন, তাজুলের তলপেটসহ শরীরের বিভিন্ন
স্থানে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে। হামলার পর পালিয়ে
যাওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয়রা তিনজনকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।
তিনি
দাবি করেন, আটক কিশোররা স্থানীয়ভাবে বখাটে ও মাদকাসক্ত হিসেবে পরিচিত। এসএসসি পরীক্ষার
হলে খাতা দেখাদেখি নিয়ে পূর্বের একটি বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে বলেও
ধারণা করছেন তিনি।
ঘটনার
পর স্থানীয়রা রিয়াদ (১৭), সজীব খান (১৭) ও হৃদয় মোল্লা (১৮) নামে তিন কিশোরকে আটক করে
পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন।
কলাপাড়া
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম বলেন, স্থানীয়দের হাতে আটক তিন কিশোরকে
পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তবে তারা এখনো হত্যার দায় স্বীকার করেনি। নিহতের পরিবারের
পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন ও জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত
অব্যাহত রয়েছে।
তিনি
আরও জানান, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে এবং এ ঘটনায় আইনানুগ
ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মন্তব্য করুন


ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
বলেছেন, দেশের দুর্যোগ দুর্দিনে এ অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দেশবাসীর কল্যাণে পাশে আছে
এবং থাকবে। বন্যায় যাদের ঘর ভেসে গেছে, তাদের নতুনভাবে ঘর করে দেওয়া হবে।
আজ (৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টার দিকে লক্ষ্মীপুর
জেলার তেওয়ারীগঞ্জ ইউনিয়নের চরমটুয়া আল আরাবিয়া দারুল উলুম মাদরাসা মাঠে বানভাসিদের
মাঝে ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
এসময় তিনি আরও বলেন, বন্যায় যারা অত্যন্ত
ক্ষতিগ্রস্ত, যাদের ঘর পানিতে মিশে গেছে, যারা রাস্তার ওপর থাকছেন তাদের ছোটখাটো বাড়ি
করে দেওয়া হবে।
ধর্ম উপদেষ্টা আরও বলেন, লক্ষ্মীপুর,
ফেনী ও নোয়াখালীতে বন্যাদুর্গতদের সাহায্যে আলেম সমাজ ঝাঁপিয়ে পড়েছে। তারা মাঠে ময়দানে
গিয়ে সাহায্য করছেন। ফেনী মুহুরি নদীর দিকে বেসরকারি উদ্যোগে এক কোটি টাকা খরচ করে
বাঁধ তৈরি করা হচ্ছে। সরকারি উদ্যোগেও কাজ চলছে। ইনশাআল্লাহ, আমরা এ বিপদ থেকে উদ্ধার
হতে পারবো। আমরা আল্লাহর সাহায্য কামনা করি।
আল-মানাহিল ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এ আয়োজন
করা হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রামের জামিয়া ইসলামিয়া জিরির মুতামিম মাওলানা
খোবাইন বিন তৈয়ব, লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসক সুরাইয়া জাহান, জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ
তারেক বিন রশিদ ও কমলনগর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ
প্রমুখ।
আয়োজকরা জানায়, আল-মানাহিল ফাউন্ডেশনের
উদ্যোগে বন্যায় দুর্গত ৫০০ পরিবারে মাঝে ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে। সেইসঙ্গে দুই শতাধিক
মানুষের মাঝে শাড়ি-লুঙ্গি বিতরণ করা হয়।
মন্তব্য করুন


পবিত্র
হজ পালনের উদ্দেশে সৌদি আরবে পৌঁছেছেন ৬২ হাজারের বেশি বাংলাদেশি। মোট ১৬১টি ফ্লাইটে
মধ্যপ্রাচ্যের দেশটিতে পৌঁছান তারা। আজ (সোমবার, ১৮ মে) ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হজ সম্পর্কিত
সর্বশেষ বুলেটিন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
এয়ারলাইনস,
সিভিল এভিয়েশন অথরিটি অব বাংলাদেশ, বাংলাদেশ হজ অফিস ঢাকা ও সৌদি আরবের সূত্রে হজ বুলেটিনের
আইটি হেল্প ডেস্ক জানিয়েছে, গতকাল (রোববার, ১৭ মে) দিবাগত রাত ৩টা নাগাদ সৌদি পৌঁছেছেন
৬২ হাজার ৫২৮ জন হজযাত্রী। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ৮২টি ফ্লাইটে ৩২ হাজার
৫০৮ জন বাংলাদেশি সৌদিতে পৌঁছেছেন।
এছাড়াও
সৌদি এয়ারলাইনস পরিচালিত ৫৭টি ফ্লাইটে জেদ্দায় পৌঁছেছেন ২১ হাজার ১৬১ জন হজযাত্রী।
সেই সঙ্গে ফ্লাইনাস এয়ারলাইনস পরিচালিত ২২টি ফ্লাইটে আরও ৮ হাজার ৮৫৯ জন বাংলাদেশি
পবিত্র হজ পালনের উদ্দেশে সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। সবমিলিয়ে সরকারি মাধ্যমে ৪ হাজার ৪৪৪
জন এবং বেসরকারি মাধ্যমে ৫৮ হাজার ৮৪ জন হজযাত্রী মধ্যপ্রাচ্যের দেশটিতে পৌঁছেছেন।
এদিকে,
চলতি বছর হজ করতে সৌদি আরবে গিয়ে এ পর্যন্ত মোট ১৭ বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। তাদের
মধ্যে ১২ জন পুরুষ ও ৫ জন মহিলা। যাদের মধ্যে মক্কায় ১২ জন এবং মদিনায় ৫ জনের মৃত্যু
হয়েছে বলে জানিয়েছে হজ বুলেটিনের আইটি হেল্প ডেস্ক।
চাঁদ
দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৬ মে চলতি বছরের পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এ লক্ষ্যে গত
১৮ এপ্রিল বাংলাদেশ থেকে জেদ্দার উদ্দেশে ছেড়ে যায় হজযাত্রীদের প্রথম ফ্লাইট। হজের
আনুষ্ঠানিকতা শেষে আগামী ৩০ মে থেকে হজযাত্রীদের ফিরতি ফ্লাইট শুরু হবে।
মন্তব্য করুন


দেশের
দক্ষিণাঞ্চলের ৫ জেলায় কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে ১০ জন নিহত ও কমপক্ষে ৩৩ জন আহত হয়েছেন
এবং ২ জন নিখোঁজ রয়েছেন। ঝড়ে বিধ্বস্ত হয়েছে কয়েক শতাধিক ঘরবাড়ি।
রোববার
(৭ এপ্রিল) দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত হওয়া ঘূর্ণিঝড়ে এ
তাণ্ডবলীলা ঘটে। ভোলার মনপুরা ও লালমোহন, পিরোজপুর, বাউফল, বাগেরহাট ও ঝালকাঠিতে এ
ঘূর্ণিঝড় বয়ে যায়।
পিরোজপুর:
পিরোজপুরে
সকাল পৌনে ১০টার দিকে ঝড় শুরু হয়। এ ঝড়ে গাছচাপায় এক নারী ও ঝড়ে উড়ে গিয়ে এক বৃদ্ধের
মৃত্যু হয়েছে। এতে কমপক্ষে ১৩ জন আহত হয়েছেন।
জেলার
ওপর দিয়ে ১৫ মিনিট ঝড়ো গতিতে বাতাস বয়ে যায়। পুরো জেলার বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে
গেছে। শত শত গাছ উপরে পড়ে কয়েকশত ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং পৌরসভার প্রায় সব সড়কের
যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
পিরোজপুর
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহেদুর রহমান জানান, হঠাৎ ঘূর্ণিঝড়ে গাছপালা উপড়ে পড়ে পিরোজপুরের
সদর উপজেলা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
জেলা
হাসপাতালের চিকিৎসক ডাক্তার রমজান আলী জানান, এ ঝড়ে ২ জন নিহত হয়েছেন। আহত ১২ থেকে
১৩ জনকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ভোলা:
ভোলার
মনপুরা ও লালমোহনে দুপুরের দিকে আকস্মিক ঝড় শুরু হয়। এতে দুই শতাধিক ঘরবাড়ি ও গাছপালা
ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ সময় নিজ ঘরে চাপা পড়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া বজ্রপাতেও একজন
মারা গেছেন।
মনপুরার
দুপুর ১২টা দিকে হওয় ঝড়ের তাণ্ডবে দাসের এলাকায় ছয় জেলেসহ একটি মাছ ধরার ট্রলার ডুবে
গেছে। যাত্রীদের সবাইকে জীবিত উদ্ধার করা গেলেও ট্রলারটির খোঁজ পাওয়া যায়নি।
ভোলার
জেলা প্রশাসক আরিফুজ্জামান জানিয়েছেন, নিহতের পরিবারকে নগদ ২৫ হাজার টাকা করে ৫০ হাজার
টাকা দেওয়া হবে। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত তিন উপজেলায় ১৬ টন চাল তাৎক্ষণিক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
বাউফল:
বাউফলে
সকাল সাড়ে ১০টা থেকে শুরু হওয়া ৩৫ মিনিট স্থায়ী ঝড়ে ২জন নিহত ও ১০ জন আহত হয়েছেন। এদিকে
বাউফলে ব্যাপক শিলাবৃষ্টি ও বজ্রপাতসহ ঝড় হয়েছে। এতে তেতুলিয়া নদীতে ঝড়ের কবলে পড়ে
দুই জেলে নিখোঁজ রয়েছেন।
বাউফল
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শোণিত কুমার গাইন হতাহতের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে
বলেন, নিখোঁজদের উদ্ধার ও অনুসন্ধানে কাজ চলছে।
বাগেরহাট:
বাগেরহাটে
ঝড়ের তাণ্ডবে গাছ ও বিলবোর্ড পড়ে ১ জন নিহত ও ১০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। সকাল
৯টা ৪০ থেকে ১০ টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত চলা ঝড়ে অন্তত দেড় শতাধিক ঘর-বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত
হয়েছে।
এদিকে
বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মো. খালিদ হোসেন জানিয়েছেন, কচুয়া উপজেলায় বজ্রপাতে এক ব্যক্তি
নিহত হয়েছেন। আকস্মিক ঝড়ে বেশকিছু ঘরবাড়ির ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গাছপালা উপড়ে পড়েছে।
ক্ষতিপূরণ নিরূপণের জন্য সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ঝালকাঠি:
ঝালকাঠির
২ উপজেলায় ঝড়ের সময় মাঠে গরু আনতে গিয়ে বজ্রপাতে ২ নারী ও এক কিশোরীর মৃত্যু হয়েছে। আজ বেলা ১১টার দিকে সদর উপজেলার শেখেরহাট, পোনাবালিয়া
ইউনিয়ন এবং কাঁঠালিয়া উপজেলার আওরাবুনিয়া ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে।
মন্তব্য করুন


মাতৃভাষার জন্য জীবন
দেওয়ার ঘটনা পৃথিবীর ইতিহাসে নজিরবিহীন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা
অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
শুক্রবার (২১
ফেব্রুয়ারি) মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আন্তর্জাতিক
মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, বাংলাকে রাষ্ট্রভাষার
স্বীকৃতি এনে দিতে আমাদের আত্মত্যাগ করতে হয়েছে অনেক। জাতির মুক্তি সংগ্রামের
ইতিহাসে ভাষা আন্দোলনের গুরুত্ব অপরিসীম। এ আন্দোলনের মধ্য দিয়েই একটি
অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক, ভাষাভিত্তিক জাতিসত্তা ও রাষ্ট্রব্যবস্থা গঠনের ভিত
রচিত হয়।
তিনি আরো বলেন, পৃথিবীর
প্রায় সব দেশে নানান দেশের নানান ভাষার কিংবা হাতে গোনা কয়েকটি দেশের কিছু মানুষ
নাগরিকত্ব গ্রহণ করে কয়েক প্রজন্ম ধরে বসবাস করে। নতুন দেশের ভাষা তাদের দৈনন্দিন
জীবনে চব্বিশ ঘণ্টার ভাষায় পরিণত হয়ে যায়, কিন্তু তবু সে ভাষা তার মাতৃভাষায় পরিণত
হয় না। জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সব জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে মাতৃভাষার চেতনা ও মর্যাদা
রক্ষার প্রেরণা ও এ চেতনার সঙ্গে প্রাতিষ্ঠানিকতার সূত্রে ২০০১ সালের ১৫ মার্চ
ঢাকায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়। বিশ্বের সব
মাতৃভাষার সংরক্ষণ, উন্নয়ন ও গবেষণার ইতিবৃত্তকে লক্ষ্য করে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা
ইনস্টিটিউট তার যাত্রা শুরু করে।
অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস
বলেন, একটি নতুন ভাষা শিখলেই পুরনো ভাষায় দুর্বল হয়ে পড়বে এই ধারণার কোনো ভিত্তি
নেই। পৃথিবীর বহু দেশে একই নাগরিক সাবলীলভাবে কয়েকটি ভাষায় কথা বলবে এটা খুবই
স্বাভাবিক বলে ধরে নেওয়া হয়। তারা শৈশব থেকে নানান ভাষায় অভ্যস্ত হয়ে যায়।
স্কুলে পড়ার সময় প্রত্যেক ছাত্রকে অন্তত একটি ভিন্ন ভাষা শেখা বাধ্যতামূলক করা
হয়। ছাত্ররাও আনন্দ সহকারে সেটা করে থাকে। ইংরেজি শিখলেই বাংলা ভুলে যেতে হবে এমন
কোনো চিন্তা তাদের কারও মাথায় আসে না।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন,
আমরা দ্রুত গতিতে নতুন পৃথিবী সৃষ্টি করে যাচ্ছি। এর জন্য মূলত নিত্যনতুন
প্রযুক্তি প্রধানত দায়ী। প্রযুক্তির প্রাধান্যের সঙ্গে আসে ভাষার প্রাধান্য। যে
দেশের প্রযুক্তি পৃথিবীতে প্রাধান্য অর্জন করতে থাকবে তার সঙ্গে প্রাধান্য অর্জন
করতে থাকবে প্রযুক্তিদাতা দেশের ভাষা। সারা পৃথিবী এই ভাষা শেখার জন্য ঝাঁপিয়ে
পড়বে।
অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস আরও বলেন, ভাষার প্রতি আগ্রহ সৃষ্টির সঙ্গে সাহিত্য, প্রযুক্তি, বিজ্ঞান- সরাসরি জড়িত। আমরা যখন মাতৃভাষায় কথা বলি তখন যেন মনে রাখি মাতৃভাষা মানুষের প্রাথমিক ভাষা। সেই ভাষা প্রথম শ্রবণে যতই রূঢ় মনে হোক না কেন তা একদিন তার প্রাথমিক স্তর পার হয়ে বহু দেশের বহু মানুষের অত্যন্ত নমস্য ভাষায় পরিণত হতে পারে। যদি সে ভাষা পৃথিবীর অগ্রযাত্রায় কৌশলগত ভূমিকা দখল করে নিতে পারে।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর
পল্লবীতে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলাকেটে হত্যা ঘটনায় করা মামলায় প্রধান আসামি সোহেল
রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে চার্জ
(অভিযোগ) গঠন করে আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে স্বাক্ষ্যগ্রহণের
জন্য আগামীকাল মঙ্গলবার দিন ধার্য করেন আদালত।
আসামিদের
বিরুদ্ধে চার্জ পড়ে শোনানোর সময় আসামি সোহেল রানা আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন,
‘আমার স্ত্রীর কোনো দোষ নেই। এ সময় স্বপ্না সোহেল রানাকে বলেন, বলো, বলো আমার কোনো
দোষ ছিল?’ কিন্তু আদালত তাদের কথা আমলে না নিয়ে চার্জ পড়ে শোনান। এ সময় আসামিদের বিরুদ্ধে
অভিযোগ গঠনের পর তারা ঘটনার বিষয়ে দোষী না নির্দোষ জানতে চাইলে তারা আদালতে নির্দোষ
দাবি করেন।
আজ
সোমবার (১ জুন) সকালে শুনানি শেষে ঢাকার মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক
মাসরুর সালেকীনের আদালত এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ২ জুন দিন
নির্ধারণ করেন আদালত। সকাল সাড়ে ৭টার দিকে কারাগার থেকে তাদের আদালতে আনা হয়। এরপর
তাদের ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়। এরপর সকাল ১১টা ১০ মিনিটে তাদের
এজলাসে নেওয়া হয়।
আসামিপক্ষে
কোনো আইনজীবী না থাকায় রাষ্ট্রীয় খরচে আসামিপক্ষের আইনজীবী হিসেবে ঢাকা বারের সদস্য
অ্যাডভোকেট মুসা কালিমুল্যাহকে নিয়োগ দেয় আইন মন্ত্রণালয়। তিনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
রাষ্ট্রপক্ষে পাবলিক প্রসিকিউটর শুনানি করছেন। গত ২৪ মে আসামি সোহেল রানা এবং তার স্ত্রী
স্বপ্না আক্তারকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা
পল্লবী থানার এসআই অহিদুজ্জামান।
এরপর
ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হকের আদালতে অভিযোগপত্রটি উপস্থাপন করা হয়।
চার্জশিটটি আমলে গ্রহণ করে বিচারের জন্য ঢাকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে বদলির
আদেশ দেওয়া হয়। একই দিন ঢাকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন
অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য ১ জুন দিন ধার্য করেন।
মামলার
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী শিশু রামিসা আক্তার (৮) পপুলার মডেল হাই স্কুলের
দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘর থেকে বের হলে আসামি স্বপ্না
আক্তার তাকে কৌশলে তার ফ্ল্যাটের রুমের ভেতরে নিয়ে যায়। ওইদিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে
রামিসাকে স্কুলে যাওয়ার জন্য খোঁজাখুঁজি করতে থাকলে একপর্যায়ে আসামির রুমের সামনে তার
জুতা দেখতে পান।
ডাকাডাকির
পর কোনো সাড়া-শব্দ না পেয়ে রামিসার বাবা-মা ও অন্যান্য ফ্ল্যাটের লোকজন দরজা ভেঙে ভেতরে
প্রবেশ করে আসামির শয়নকক্ষের মেঝেতে রামিসা আক্তারের (৮) মস্তকবিহীন মরদেহ এবং মাথা
বাথরুমের ভেতরে একটি বড় বালতির মধ্যে দেখতে পান।
আসামি
স্বপ্না আক্তারকে সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় দেখতে পেয়ে তাকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি
জানান, তার স্বামী আসামি মো. সোহেল রানা (৩০) হীনকামনা চরিতার্থ করার জন্য রামিসাকে
বাথরুমের ভেতরে আটকে রেখে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে গলা কেটে হত্যা করেছে। এ ঘটনায় ১৯ মে
শিশুটির বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা দুজনকে আসামি করে পল্লবী থানায় মামলা করেন। মামলার
পর প্রথমে স্বপ্না আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে সোহেল রানাকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা
থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরদিন ২০ মে
প্রধান
অভিযুক্ত সোহেল রানা আদালতে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। একই দিন আসামি সোহেলের
স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কারাগারে পাঠানো হয়।
মন্তব্য করুন


গোপালগঞ্জের
টুঙ্গিপাড়া উপজেলার এক ব্যক্তি তার ছেলেকে পারিবারিকভাবে ত্যাগ করার ঘোষণা দিয়েছেন।
অভিযোগ করা হয়েছে, তার ছেলে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন।
সোমবার
(২২ জুন) রাতে উপজেলার গওহরডাঙ্গা চৌড়ঙ্গি এলাকার একটি ফার্নিচার দোকানের অফিস কক্ষে
আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন আব্দুল ওহাব শেখ। তিনি পাটগাতী ইউনিয়নের গওহরডাঙ্গা
গ্রামের বাসিন্দা।
লিখিত
বক্তব্যে আব্দুল ওহাব শেখ জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত।
তার বড় ছেলে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের একটি ওয়ার্ড কমিটির সভাপতি হলেও ছোট ছেলে সজীব
শেখ উপজেলা পর্যায়ের ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে তিনি দাবি করেন।
তার
ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর বিষয়টি জানার পর তিনি ছেলেকে ওই রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড
থেকে সরে আসতে একাধিকবার পরামর্শ দেন। কিন্তু সজীব শেখ তার অবস্থান পরিবর্তন না করায়
পরিবার থেকে তাকে ত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সংবাদ
সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে সজীব শেখের ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক কোনো কর্মকাণ্ডের
দায় পরিবার বহন করবে না; এসবের সম্পূর্ণ দায়ভার তার নিজের ওপরই বর্তাবে।
তবে
এ বিষয়ে সজীব শেখ বা সংশ্লিষ্ট অন্য কোনো পক্ষের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
মন্তব্য করুন