

ভোলার
চরফ্যাশনে নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে নিহত হয়েছেন সজিব (২৫) নামের এক জেলে। মঙ্গলবার
(২৬ মে) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার হাজারীগঞ্জ ইউনিয়নের আলম মৎস্যঘাট সংলগ্ন মেঘনা নদীতে
এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
নিহত
সজিব উপজেলার হাজারীগঞ্জ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা সামছল হকের ছেলে। তিনি
আলম ঘাট এলাকার একজন পেশাদার জেলে হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
নিহতের
চাচাতো ভাই আলাউদ্দিন জানান, প্রতিদিনের মতো সকালে মাছ ধরতে নদীতে যান সজিব। এসময় হঠাৎ
আকাশ কালো হয়ে বৃষ্টি শুরু হয়। একপর্যায়ে বিকট শব্দে বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই গুরুতর
আহত হন তিনি। সঙ্গে থাকা অন্য জেলেরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য
কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এদিকে সজিবের মৃত্যুর
খবর ছড়িয়ে পড়লে আলম ঘাট ও হাজারীগঞ্জ এলাকায় নেমে আসে শোকের ছায়া।
জানা
গেছে, কয়েক বছর আগে বিয়ে করা সজিবের স্ত্রী বর্তমানে অন্তঃসত্ত্বা। অনাগত সন্তানের
মুখ দেখার আগেই পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছে
পরিবারটি।
চরফ্যাশন
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. শফিকুল ইসলাম শাওন
বলেন, 'হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।'
এ
বিষয়ে শশীভূষণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ আহমেদ বলেন, 'এ ধরনের একটি ঘটনার
সংবাদ পেয়েছি। মরদেহ বর্তমানে হাসপাতালে রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের
কাছে হস্তান্তর করা হবে।'
মন্তব্য করুন


জাতীয়
নাগরিক পার্টি (এনসিপি) দেশে নতুন বন্দোবস্তের রাজনীতির কথা বলে ‘ভণ্ডবস্ত’র
রাজনীতি করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি নেতা ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ
খান।
তিনি
বলেন, তারা (এনসিপি) জামায়াতের মস্তিষ্ক দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার
সকালে জেলা প্রশাসকের মিলনায়তন কক্ষে জেলার সকল সরকারি কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময়
সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে রাশেদ খান এ কথা বলেন।
তিনি
আরও বলেন, সিলেটের ঘটনাটি ঘটেছে জনপ্রিয় সংসদ সদস্যকে নিয়ে এনসিপির নেতৃবৃন্দের বাজে
কথা বলায়। তাদের গণঅভ্যুত্থানে ভূমিকা আছে বলেই অপরাধ ক্ষমা হয়ে যায় না।
এনসিপির
নেতৃবৃন্দকে সুস্থ ধারার রাজনীতি করার আহ্বান জানান তিনি। আর তা না হলে উত্তম জবাব
দেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন রাশেদ খান।
আলোচনা
সভায় সরকারি সকল দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


নোয়াখালীর
সুবর্ণচরে মাদকের টাকা না পেয়ে নিজের
বৃদ্ধ মাকে নির্যাতন, বসতঘরে ভাঙচুর ও প্রাণনাশের হুমকি
দেওয়ার অভিযোগে উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক আহ্বায়ক আবদুল্লা আল মামুন জাবেদকে
আটক করেছে পুলিশ।
আজ
শনিবার (২৫ জুলাই) ভোরে
উপজেলার হারিছ চৌধুরীর বাজারসংলগ্ন পাঞ্চায়েত বাড়ি এলাকা থেকে তাঁকে আটক করা হয়।
আটক
জাবেদ চরজুবিলী ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের
বাসিন্দা আবুল হোসেনের ছেলে। তিনি নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের উপজেলা সাবেক আহ্বায়ক এবং সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান।
পুলিশ
সুপারের কার্যালয়ে দেওয়া লিখিত অভিযোগে জাবেদের মা ছালেয়া খাতুন
(৬৮) দাবি করেন, তাঁর ছেলে দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত এবং মাদকের টাকা না পেলে তিনি
প্রায়ই তাঁকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন
করেন ও বাড়িতে ভাঙচুর
চালান।
অভিযোগে
বলা হয়, গত ২২ জুলাই
রাত ৮টার দিকে জাবেদ মাদকের টাকা দাবি করে মায়ের সঙ্গে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করেন
এবং একপর্যায়ে তাঁকে মারধর করে ঘরের বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাঙচুর করেন। এ সময় পরিবারের
সদস্যরা বাধা দিলে তাঁদেরও ভয়ভীতি দেখানো হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
লিখিত
অভিযোগে ছালেয়া খাতুন আরও বলেন, জাবেদ নিয়মিত মাদক সেবন করেন এবং মাদকের অর্থ জোগাড়ের জন্য পরিবারের সদস্যদের ওপর চাপ সৃষ্টি করেন। এতে তাঁর পরিবারের সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তিনি আরও অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে পিচ্ছি মাসুদ, সুমন ও দেলোয়ার নামে
কয়েকজন সহযোগীকে নিয়ে জাবেদ তাঁদের বাড়িকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন অবৈধ কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছেন এবং বাধা দিলে তাঁকে ও তাঁর স্বামীকে
মারধর এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।
অভিযোগ
অনুযায়ী, গত ২৭ মে
রাতে সংঘবদ্ধভাবে তাঁদের বসতবাড়িতে হামলা চালিয়ে দরজা-জানালাসহ বিভিন্ন মালামাল ভাঙচুর করা হয়, যাতে প্রায় আড়াই লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয় বলে দাবি করা হয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট
থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলেও কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় অভিযুক্তরা
আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী
বৃদ্ধা তাঁর লিখিত অভিযোগে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিতে পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
থানা
হাজতে আটক থাকায় অভিযোগের বিষয়ে আবদুল্লা আল মামুন জাবেদের
বক্তব্য জানা যায়নি।
এ
বিষয়ে চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল হাসান বলেন, লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত আবদুল্লা আল মামুন জাবেদকে
আটক করা হয়েছে এবং শনিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাঁকে জেল হাজতে পাঠানো হবে।
মন্তব্য করুন


পানি
সম্পদ মন্ত্রী শহিদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, সারা দেশে আগামী ৫ বছরে ২০ হাজার
কিলোমিটার খাল খননের পরিকল্পনা রয়েছে। ইতিমধ্যে দেশের কয়েকটি জেলায় এ কার্যক্রম শুরু
হয়েছে।
বৃহস্পতিবার
(৭ মে) সকাল পৌনে ৮টায় উপজেলার হোসেন্দী ইউনিয়নের জামালদিতে খাল খনন কার্যক্রমের উদ্বোধন
কালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
পানি
সম্পদ মন্ত্রী বলেন, খাল খনন ছিল শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের একটি কর্মসূচি।
সেই
ধারাবাহিকতায় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি
অনুযায়ী নতুনভাবে খাল খনন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। খাল খননের মাধ্যমে নতুন জাগরণ সৃষ্টি
হয়েছে।’
তিনি
আরো বলেন, ‘খাল খননের মাধ্যমে জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ততা বাড়ছে। কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে,
গ্রামীণ অর্থনীতি চাঙ্গা হচ্ছে, কৃষির উন্নয়ন ও পরিবেশগত উন্নয়ন হচ্ছে। দীর্ঘদিন পর
আমরা নতুনভাবে এ উদ্যোগ হাতে নিয়েছি। ভবিষ্যতেও আরো খাল খনন কার্যক্রম শুরু হবে।
খাল
খননে প্রতিবন্ধকতার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘যেসব স্থানে বড় অবকাঠামোগত সমস্যা রয়েছে, সেগুলো
আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সমাধান করা হবে। পরে মন্ত্রী কাজলী নদী পরিদর্শন করেন এবং
নদীতে কলকারখানার বর্জ্য দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করেন।
এসময়
উপস্থিত ছিলেন মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. কামরুজ্জামান রতন, পুলিশ সুপার মো.
মেনহাজুল আলম পিপিএম, ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মৌসুমী মাহবুব, গজারিয়া উপজেলা নির্বাহী
কর্মকর্তা মো. মাহমুদুল হাসান, এবং উপজেলা প্রকৌশলী সামিউল আরেফিন।
মন্তব্য করুন


প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমানের আগামী ১৬ আগস্ট কিশোরগঞ্জ সফরকে ঘিরে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। এ সফরে কটিয়াদীতে
জাতীয় মৎস্য পক্ষের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান আয়োজনের বিষয় জানিয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, দেশের মোট মৎস্য উৎপাদনের প্রায় ৪০ শতাংশ উৎপাদন হয়
বৃহত্তর ময়মনসিংহে। এ অঞ্চলের মৎস্য উৎপাদন, উদ্যোক্তা ও খামারিদের সম্ভাবনা তুলে ধরতেই
কটিয়াদীকে জাতীয় আয়োজনের জন্য বেছে নেয়া হয়েছে।
গতকাল
রোববার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষে সার্বিক প্রস্তুতি ও করণীয় নির্ধারণে জেলা
প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সালাউদ্দিন
টুকু বলেন, জাতীয় মৎস্য পক্ষ উপলক্ষে প্রতিবছর দেশের সেরা মৎস্য উদ্যোক্তা ও খামারিদের
স্বর্ণপদক দেয়া হয়। এতদিন ঢাকার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত
হলেও এবার প্রধানমন্ত্রী এমন একটি এলাকায় অনুষ্ঠান আয়োজনের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন, যেখানে
মৎস্য উৎপাদন ও মৎস্য উদ্যোক্তাদের ব্যাপক উপস্থিতি রয়েছে।
দেশের
বিভিন্ন জেলা পরিদর্শন ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা শেষে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীকে জাতীয়
মৎস্য পক্ষের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের জন্য চূড়ান্ত করা হয়েছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন,
নির্বাচনের পর এটি হবে প্রধানমন্ত্রীর প্রথম কিশোরগঞ্জ সফর। একই সঙ্গে ঢাকার বাইরে
জাতীয় মৎস্য পক্ষের মতো এমন জাতীয় আয়োজনও প্রথম।
তিনি
বলেন, ‘বাংলাদেশের মোট মৎস্য উৎপাদনের প্রায় ৪০ শতাংশ বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলে হয়।
তাই জাতীয় পর্যায়ে নির্বাচিত মৎস্য উদ্যোক্তা ও খামারিদের এ অঞ্চলের সম্ভাবনা ও সফলতা
তুলে ধরতেই কিশোরগঞ্জকে এ আয়োজনের জন্য বেছে নেয়া হয়েছে।’
প্রতিমন্ত্রী
বলেন, ‘এটি শুধু একটি অনুষ্ঠান নয়, কিশোরগঞ্জের জন্য একটি ঐতিহাসিক ও তাৎপর্যপূর্ণ
আয়োজন। জাতীয় পর্যায়ের এই কর্মসূচি কিশোরগঞ্জে অনুষ্ঠিত হওয়ায় জেলার ভাবমূর্তি আরও
উজ্জ্বল হবে।’
অনুষ্ঠানস্থল
নির্ধারণে একাধিক স্থান পরিদর্শন করা হয়েছে জানিয়ে টুকু বলেন, সেখান থেকে একটি ভেন্যু
প্রাথমিকভাবে নির্বাচন করা হয়েছে। জাতীয় স্বার্থ বিবেচনায় স্থানটি নির্বাচন করা হয়েছে।
কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে নয়।
জাতীয়
মৎস্য পক্ষের মূল লক্ষ্য মৎস্য শিল্পের উন্নয়ন, উৎপাদন বৃদ্ধি এবং খামারিদের উৎসাহিত
করার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ আয়োজন সফল করতে প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও জেলার সর্বস্তরের
মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন।
প্রতিমন্ত্রী
জানান, প্রধানমন্ত্রী কটিয়াদীতে জাতীয় মৎস্য পক্ষের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেয়ার পাশাপাশি
কিশোরগঞ্জ সদরেও পৃথক কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। এ উপলক্ষে স্থানীয় সংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসন
ও সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সমন্বিতভাবে প্রস্তুতি নেয়ার আহ্বান জানান তিনি।
মতবিনিময়
সভায় পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম, কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মো.
মাজহারুল ইসলাম, কিশোরগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. জালাল উদ্দিন, জেলা
প্রশাসক
সোহানা নাসরিন, জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন
কর্মকর্তা, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


পরিবেশ,
বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলামের
নাম, সিল ও স্বাক্ষর জাল করে বিভিন্ন দপ্তরে বেআইনি তদবির বাণিজ্যের অভিযোগে এক ব্যক্তিকে
গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তিনি একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের মূলহোতা বলে জানিয়েছে পুলিশ।
রোববার
(২ আগস্ট) বিশেষ অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করে মোংলা থানা পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তির
নাম টুকু শেখ (৩৫)। তিনি মোংলা উপজেলার চিলা ইউনিয়নের হলদিবুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা।
পুলিশ
জানায়, আটকের সময় টুকু শেখের কাছ থেকে প্রতিমন্ত্রীর নাম ও পদবি সম্বলিত জাল সিল এবং
স্ট্যাম্প জব্দ করা হয়েছে। তদন্তে দেখা গেছে, তিনি সময়ে সময়ে রাজনৈতিক খোলস পাল্টে
প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করতেন। অতীতে আওয়ামী লীগ, জামায়াত ও এনসিপির পরিচয় বহন করলেও
সর্বশেষ তিনি নিজেকে শ্রমিক দলের কর্মী হিসেবে পরিচয় দিয়ে আসছিলেন।
মোংলা
থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আতিকুর রহমান জানান, বাগেরহাট-৩ (মোংলা-রামপাল) আসনের সংসদ
সদস্য ও পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলামের নাম ব্যবহার করে একটি
সংঘবদ্ধ চক্র অবৈধ তদবির বাণিজ্য চালিয়ে আসছিলো। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে
চক্রের মূলহোতাকে আটক করা হয়েছে।
এই
ঘটনায় রোববার দিবাগত রাতে জাল-জালিয়াতি ও প্রতারণার অভিযোগে মোংলা থানায় একটি মামলা
দায়ের করা হয়েছে। চক্রের অন্য সদস্যদের গ্রেপ্তার করতে পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত
রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মন্তব্য করুন


নেপালে
আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে ব্যাপক প্রাণহানি ও ধ্বংসযজ্ঞের ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। একই সঙ্গে নিহতদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি
আন্তরিক সমবেদনা জানিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার
(২৭ আগস্ট) এক শোকবার্তায় তিনি নিহতদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক
সমবেদনা জানান।
এর
আগে নেপালের ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে প্রাণহানির ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ
সরকার। একই সঙ্গে নেপালের বর্তমান পরিস্থিতিতে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমে প্রয়োজনীয়
যেকোনো ধরনের সহায়তা দিতে বাংলাদেশ সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
বুধবার
নেপালে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৬২ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ঘটনায় প্রায়
৪০০ জনেরও বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজদের মধ্যে বিদেশি পর্যটক, নিরাপত্তাকর্মীসহ
বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ রয়েছেন।
আকস্মিক
বন্যায় ভোতেকোশি নদীসংলগ্ন দেশটির তিনটি জেলা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রাথমিকভাবে
জানা গেছে, নেপাল-চীন সীমান্তের কাছে লহেন্দে নদীর প্রবাহ তুষারধসে সৃষ্ট ধ্বংসস্তূপে
আটকে যায়। পরে পানি ও ধ্বংসাবশেষের বিশাল স্রোত ভোতেকোশি নদীতে নেমে ভয়াবহ বন্যার সৃষ্টি
করে। ওই এলাকায় বৃষ্টিপাত না থাকায় স্থানীয় বাসিন্দারা বন্যার বিষয়ে কোনো ধরনের আগাম
সতর্কতা পাননি বলে জানা গেছে।
বন্যায়
অন্তত নয়টি জলবিদ্যুৎ প্রকল্প এবং বাণিজ্যিক ব্যাংকের নয়টি শাখা ধ্বংস হয়েছে। এ ছাড়া
১৯টি যান চলাচলযোগ্য সেতু এবং প্রায় ৪০ কিলোমিটার মহাসড়ক বন্যার পানিতে ভেসে গেছে।
তবে বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ হিসাব এখনো পাওয়া যায়নি। উদ্ধারকারী দলগুলো
নিখোঁজদের সন্ধানে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি :
ঈদুল আজহার পর প্রথম কর্মদিবসে জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। এ সময় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের একাধিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে অনুপস্থিত পেয়ে তিনি বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেন।প্রথমে সোমবার (১ জুন) সকালে কুমিল্লা জেলা সাব-রেজিস্টার কার্যালয় পরিদর্শন করেন সংসদ সদস্য মনিরুল হক। সেখানে নির্ধারিত সময়ে কর্মকর্তাদের উপস্থিতি দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি।
পরে বেলা ১১টার দিকে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের কুমিল্লা কার্যালয়ে গিয়ে ভিন্ন চিত্র দেখতে পান এমপি।
তার ব্যক্তিগত সহকারী আনোয়ার হোসেন জানান, পরিদর্শনের সময় চট্টগ্রাম বিভাগীয় সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী, কুমিল্লা বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী, প্রাক্কলনিক কর্মকর্তাসহ কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে অনুপস্থিত দেখতে পান এমপি।
এ সময় এমপি হাজিরা খাতা দেখতে চাইলে কয়েকজন কর্মচারী তড়িঘড়ি করে স্বাক্ষর করেন। এমনকি একজনকে পাওয়া যায়, যিনি ঈদের আগে চার কর্মদিবসের স্বাক্ষর একসঙ্গে করেছেন। বিষয়টি এমপি তাৎক্ষণিক উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেন।
সরেজমিনে আরও দেখা যায়, বেলা ১১টা পর্যন্ত দপ্তরে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়নি। অফিসের সাধারণ শাখা ছিল অপরিচ্ছন্ন। সরকারি অফিসের একটি কক্ষে গবাদিপশু রাখা হয়েছিল। এছাড়া ওয়াশরুমের কল খোলা থাকায় পানি পড়ে অফিস কক্ষের একটি অংশ ভেজা ছিল।
সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী কালবেলাকে বলেন, ‘নির্বাহী প্রকৌশলী, সহকারী প্রকৌশলী, প্রাক্কলনিক কর্মকর্তা কেউই ছুটি ছাড়াই অফিসে আসেননি। এমনকি বেলা ১১টায় দপ্তরে জাতীয় পতাকাও উত্তোলন করতে দেখা যায়নি।’
সার্বিক অবস্থা তাৎক্ষণিক জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল দপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীকে অবহিত করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
অভিযোগের বিষয়ে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর কুমিল্লার বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. শফিউল হক বলেন, ‘প্রাক্কলনিক কর্মকর্তা তারেক মোল্লা ছুটিতে রয়েছেন। আমার বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়, এখানেও অতিরিক্ত দায়িত্বে আছি। আমি গাড়িতে কুমিল্লা অফিসে আসতেছি৷’
এছাড়া জাতীয় পতাকা উত্তোলন না হওয়ার ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেন বিভাগীয় প্রকৌশলী
মন্তব্য করুন


নিজস্ব প্রতিবেদক:
ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের (ইউসিবি) কুমিল্লা শাখায় এক ব্যতিক্রমী ‘চা চক্র’ আয়োজন করা হয়েছে। প্রচলিত ব্যাংকিং কার্যক্রমের বাইরে গিয়ে গ্রাহকদের সাথে সরাসরি সম্পর্ক দৃঢ় করা এবং তাদের প্রকৃত প্রয়োজন ও সম্ভাবনা অনুধাবন করাই ছিল এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। গত ১০ জুন বিকেলে নগরীর ছাতিপট্টী এলাকায় অবস্থিত ব্যাংকটিতে এই প্রাণবন্ত চা চক্রের আয়োজন করা হয়। ‘চা চক্র’ ও এসএমই খাতে ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে অনুষ্ঠিত ওই আলোচনায় প্রায় ৩০ জন উদ্যমী ও সাহসী এসএমই উদ্যোক্তা অংশগ্রহণ করেন। আলোচনায় তাঁদের ব্যবসার বর্তমান অবস্থা, সাফল্যের গল্প, সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার নানা বিষয় ফুটে ওঠে।
অনুষ্ঠানে গ্রাহকদের বিভিন্ন চাহিদা ও দাবিগুলো গুরুত্বের সাথে লিপিবদ্ধ করা হয় এবং সেগুলোর সমাধানের বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
ইউসিবি ব্যাংকের কুমিল্লা শাখা প্রধান সালেহ আহমেদ মজুমদার জানান, এই আয়োজনের মাধ্যমে আমরা মাঠপর্যায় থেকে সরাসরি গ্রাহক ফিডব্যাক সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়েছি, যা ঝুঁকি মূল্যায়ন, পণ্য উন্নয়ন এবং সেবার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে, গ্রাহকদের সমস্যা ও সীমাবদ্ধতা চিহ্নিত করে তাৎক্ষণিক ও কার্যকর সমাধান খোঁজার চেষ্টা করা হয়। সীমিত পরিসরে আয়োজিত এই চা চক্রটি কেবল একটি সাধারণ আলোচনা ছিল না, বরং এটি ছিল একটি প্রাণবন্ত আড্ডা। এ ধরনের আয়োজন ভবিষ্যতে আরো সময় নিয়ে ও বড় পরিসরে করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে তিনি ব্যক্ত করেন।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানিয়েছেন, আগামী জানুয়ারি মাসে বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হবে।
মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির তৃতীয় সভায় তিনি এ কথা জানান।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আগামী জানুয়ারি মাসে বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হবে। তবে তারিখ এখনো নিশ্চিত করা হয়নি। বিশ্ব ইজতেমা কীভাবে ভালোভাবে হতে পারে, সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। আপনারা জানেন, বিশ্ব ইজতেমায় এখন দুটি গ্রুপ হয়ে গেছে। তাদের মধ্যে মতেরও পার্থক্য আছে। আমরা তাদের সঙ্গে বসব, যাতে তারা সবাই ঐকমত্যে এসে ভালোভাবে (ইজতেমা) করতে পারে। এটি খুবই ভালো একটা আয়োজন, আমাদের ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের জন্য বিরাট অনুষ্ঠান। এখানে বহু হুজুর যান এবং বহু দিকনির্দেশনা আসে। আমরা তাদের অনুরোধ করব। আমরা তাদের বলব, আপনাদের নিজেদের মধ্যে যে সমস্যাটা রয়েছে, তা নিজেরা সমাধান করতে পারলে আমাদের জন্য ভালো। আর যদি নিজেরা সমাধান করতে না পারেন, তাহলে আমরা বসতে পারি, কীভাবে সমাধান করে আয়োজনটি ভালোভাবে করা যায়, সে বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
সভায় সারাদেশে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে করণীয়; বিশ্ব ইজতেমা উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, সার্বিক নিরাপত্তা ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয়; সন্ত্রাসী কার্যক্রম ও জঙ্গিবাদ প্রতিরোধ, নির্মূল ও নিয়ন্ত্রণে উদ্যোগ; অস্ত্র জমা ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার অভিযান পরিচালনাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।
সভায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরও সচেষ্ট হওয়া এবং আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গকারী ও অপরাধীদের গ্রেপ্তার কার্যক্রম জোরদার করা, বিভিন্ন অপরাধী ও আন্দোলন-সমাবেশে উসকানিদাতাদের রাজনৈতিক পরিচয় প্রকাশ করার সিদ্ধান্ত হয়।
এ ছাড়াও রাস্তায় সমাবেশ না করে দাবি-দাওয়া সংশ্লিষ্ট সরকারি কমিটি বা কমিশনে পেশ করা, জনভোগান্তি দূর করতে শাহবাগের পরিবর্তে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জনসভা ও সমাবেশ আয়োজন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রধানদের এ বিষয়ে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে জনসাধারণকে জানানো, জামিনে মুক্তি পাওয়া শীর্ষ সন্ত্রাসীরা অপরাধে লিপ্ত হলে দ্রুত গ্রেপ্তারের ব্যবস্থা নেওয়া ইত্যাদি সিদ্ধান্ত হয়।
স্বরাষ্ট্র ও কৃষি উপদেষ্টা এবং কমিটির আহ্বায়ক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী সভায় সভাপতিত্ব করেন । আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সদস্যরা এতে অংশ নেন।
মন্তব্য করুন


সন্ধ্যার
মধ্যে দেশের আট অঞ্চলে বজ্র বৃষ্টিসহ ঝড়ের আভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।
এসব অঞ্চলের নদীবন্দরগুলোকে সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছে সংস্থাটি।
আজ
বুধবার (২০ মে) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়া মো. তরিফুল নেওয়াজ কবির-এর নদীবন্দরগুলোর
জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।
আবহাওয়া
অফিস জানায়, আজ সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে রংপুর, দিনাজপুর, বগুড়া, ময়মনসিংহ, নোয়াখালী, কুমিল্লা,
চট্টগ্রাম এবং সিলেট অঞ্চলের উপর দিয়ে পশ্চিম, উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে
৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা, ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
এসব এলাকার নদীবন্দরকে এক নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
এদিকে
সকালে আবহাওয়ার পূর্বাভাসে জানানো হয়, আগামী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের
অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু’এক
জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা, ঝড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি
ও বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
রংপুর,
ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।
এছাড়া সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
মন্তব্য করুন