

সেপ্টেম্বরে
চট্টগ্রাম অভিমুখে জামায়াত এনসিপির লংমার্চের ঘোষণা ডিসেম্বরে আওয়ামী লীগের ফেরার
পথ তৈরি করছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।
তিনি
বলেন, জামায়াতের এমপি আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেছেন, বিএনপি সরকার নাকি আওয়ামী
লীগের চেয়ে খারাপ আচরণ করছে বিরোধী দলের সঙ্গে। আমি জামায়াত নেতার বক্তব্যের ধিক্কার
জানাই।
শুক্রবার
(২৮ আগস্ট) বিকেলে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার মুরারীদহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে আয়োজিত
সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
রাশেদ
খাঁন বলেন, জামায়াত-এনসিপির এমপিরা সংসদে সরাকরি দলের এমপিদের মতো সুবিধা চাইছে। তারা
কি সুবিধা পাচ্ছে না? জামায়াত ১৭ বছর তাদের কার্যালয়ের তালা খুলতে পারেনি। তারা এখন
আওয়ামী লীগকে সাথে নিয়ে সরকার পতন করে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে। জনগণ জামায়াত-এনসিপির
সেই স্বপ্ন পূরণ করতে দেবে না।
তিনি
বলেন, সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য চলাকালে ১১ দলীয় জোটের এমপিরা বিরোধিতা করেছে,
হট্টগোল করেছে। বিরোধী দলের এমপিরা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর গুম হওয়া নিয়ে প্রশ্ন করছে।
তারা একদিকে গুম কমিশনে গুমের ঘটনায় বিচার চাইছে, আরেক দিকে সালাহউদ্দিন আহমদের গুমের
ঘটনা নিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে। এটাই জামায়াতের চরিত্র।
রাশেদ
খাঁন বলেন, এনসিপি যেদিন জামায়াতের সঙ্গে যোগ দিয়েছে, সেদিনই তারা ধ্বংস হয়ে গেছে।
সবাই এখন বলে, ‘যাহাই জামায়াত, তাহাই এনসিপি’। জামায়াত- এনসিপি মিলে দেশ অস্থিতিশীল
করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। তারা আওয়ামী লীগকে নিয়ে মাঠে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছে। আমরা
বলতে চাই, তারা দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চালালে বাংলাদেশপন্থি জনগণ তাদের বরদাস্ত
করবে না ইনশাআল্লাহ।
এর
আগে বিকেলে রাশেদ খাঁনের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে জেলা বিএনপির সভাপতি এমএ মজিদ, সাধারণ
সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা, সহ সভাপতি আক্তারুজ্জামান, মুন্সি কামাল আজাদ পান্নুসহ
বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


চট্টগ্রামের
বাঁশখালী উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নে অজু করতে গিয়ে পুকুরে পড়ে ফাহিমা তাসলিম সাদিয়া
নামে এক কলেজছাত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।
আজ
বুধবার (১০ জুন) ভোরে উপজেলার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইলশা গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত
সাদিয়া ওই এলাকার সিরাজ কাজীর বাড়ির বাসিন্দা এবং মৌলানা হাফেজ ফরিদুল আলমের মেয়ে।
তিনি হাজ্বী মুহাম্মদ মহসিন কলেজের অনার্স তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।
পারিবারিক
সূত্রে জানা গেছে, ভোর আনুমানিক ৫টার দিকে বাড়ির পাশের পুকুরঘাটে অজু করতে যান সাদিয়া।
এ সময় অসাবধানতাবশত পা পিছলে বা হোঁচট খেয়ে তিনি পুকুরে পড়ে যান। কিছুক্ষণ পর তার ছোট
বোন পুকুরে তাকে ভাসতে দেখে পরিবারের সদস্যদের খবর দেয়।
পরে
স্বজনরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে এলেও ততক্ষণে তার মৃত্যু হয়।
নিহতের
নানা মাওলানা রশিদ আহমদ জানান, সাদিয়া সাঁতার জানতেন না। ফলে পানিতে পড়ে আর উঠতে না
পেরে তার মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা
ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যকার সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে
যাওয়া হবে।
আজ শুক্রবার মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে বৈঠকের পর যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
এ সময় আনোয়ার ইব্রাহিম বলেন, টিকিট
জটিলতায় মালয়েশিয়ায় যেতে না পারা ১৮ হাজার শ্রমিককে সব সহায়তা দেওয়া হবে।
সংবাদ সম্মেলনে ড. মুহাম্মদ ইউনূস জানান,
বৈঠকে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি, কর্মসংস্থান তৈরি, ভিসা সহজীকরণ এবং উচ্চশিক্ষা, রোহিঙ্গা
সমস্যা নিয়ে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম
বলেন, বাংলাদেশের কর্মীদের দুই দেশের অর্থনীতিতে অবদান গুরুত্বপূর্ণ। টিকিট জটিলতায়
মালয়েশিয়ায় যেতে না পারা ১৮ হাজার শ্রমিককে সব সহায়তা দেওয়া হবে। এই অঞ্চলকে শান্তিপূর্ণ
দেখতে আসিয়ানকে আরও কার্যকর করতে চায় মালয়েশিয়া।
এর আগে
দুপুর দুইটার দিকে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত
জানান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এসময় মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে
গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। পরে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ
করবেন আনোয়ার ইব্রাহিম।
মন্তব্য করুন


বর্তমান
সরকার অতীতের সব সময়ের চেয়ে শিক্ষা খাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ দিয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী
আ ন ম এহছানুল হক মিলন। রোববার (১৪ জুন) সকালে ইউনিসেফ আয়োজিত বাংলাদেশের শিক্ষা খাত
বিশ্লেষণ নিয়ে এক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।
শিক্ষামন্ত্রী
বলেন, প্রাথমিক স্তরে শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধে বিনামূল্যে স্কুলইউনিফর্ম প্রদান,
মিড ডে মিল চালুসহ নানামুখি প্রকল্প গ্রহণ করেছে সরকার।
শিক্ষা
খাতের অগ্রগতি সন্তোষজনক নয় মন্তব্য করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে
তা সমাধানে কাজ করবে সরকার। একইসঙ্গে দেশের কোথাও বাল্যবিবাহের ঘটনা ঘটলে তা বরদাস্ত
করবে না সরকার।
একই
অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে শিক্ষাপ্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে
মানসম্মত শিক্ষা দেয়া হচ্ছে না— এমন দাবি তুলে অভিভাবকরা কিন্ডারগার্টেন
স্কুলের দিকে ধাবিত হচ্ছেন। প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে সব ধরনের চেষ্টা করছে সরকার।
এ ছাড়া, প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়নে গৃহীত পদক্ষেপসমূহ সরকার নির্ধারিত ১৮০ দিনের মধ্যে
বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া শুরু হবে।
মন্তব্য করুন


বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় বুধবার (২৮ আগস্ট ২০২৪) বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সম্ভাব্য সকল পন্থা অবলম্বনের মাধ্যমে উদ্ধার অভিযান ও ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করে।
দ্রুততার সাথে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা ও ত্রাণ বিতরণের লক্ষ্যে সেনাবাহিনীর আর্মি এভিয়েশন গ্রুপ ১৬ টি হেলিকপ্টার সর্টির মাধ্যমে ফেনী সদর, ফুলগাজী, ছাগলনাইয়া, পরশুরাম, মধুগ্রাম ও সেনবাগ এলাকায় উদ্ধার ও ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করে।
উল্লেখ্য, হেলিকপ্টারের মাধ্যমে ছয় জন মুমূর্ষ রোগীকে উদ্ধারপূর্বক হাসপাতালে স্থানান্তর ও ১৬ জন ব্যক্তিকে দুর্যোগপূর্ণ এলাকা হতে নিরাপদ স্থানে স্থানান্তর করা হয়। প্রতিকূল আবহাওয়া সত্ত্বেও ৯২২৮ কেজি ত্রান, ৬৫০ লিটার বিশুদ্ধ পানি ও পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট বন্যা কবলিত এলাকায় সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টার এর মাধ্যমে বিতরণ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, বর্তমানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ০৩ টি ফিল্ড হাসপাতাল ও ১৮ টি মেডিকেল টিম বন্যা দুর্গতদের চিকিৎসা সেবা প্রদানে নিরলস ভাবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সেনাবাহিনীর এ কার্যক্রম চলমান থাকবে।
মন্তব্য করুন


বিশ্বব্যাপী আলোচিত এবং সমাদৃত প্রধান
উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ‘থ্রি-জিরো তত্ত্ব’ এবং ‘সামাজিক ব্যবসায়’ ধারণাটি
বাস্তবায়নে সমবায় অধিদপ্তর অগ্রণী ভূমিকা রাখবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী
উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব
ভুঁইয়া।
আজ রোববার (৫ জানুয়ারি) ঢাকায় সমবায়
অধিদপ্তর পরিদর্শন এবং পায়রা সম্মেলন কক্ষে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে মতবিনিময় সভায়
প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্যকালে তিনি এ কথা জানান। উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘বিশ্বব্যাপী
গৃহীত ‘থ্রি জিরো তত্ত্ব’ একটি সামাজিক ও অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি, যার ভিত্তি হচ্ছে
শূন্য দারিদ্র্য, শূন্য বেকারত্ব এবং শূন্য কার্বন নিঃসরণ। এ সময় ‘থ্রি-জিরো তত্ত্ব’
এবং ‘সামাজিক ব্যবসায়’ ধারণাটি বাস্তবায়নে কাজ করতে সমবায় অধিদপ্তরের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের
নির্দেশ দেন উপদেষ্টা।
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেন, সমবায় অধিদপ্তরের
প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম এবং পারফরম্যান্স নিম্নমুখী বলে মনে হচ্ছে, কিন্তু তা ঊর্ধ্বমুখী
করার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সমবায় আইন সংশোধন এবং যুগোপযোগী করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের
নির্দেশনা দেন তিনি। দ্রুত সময়ের মধ্যে শূন্যপদ পূরণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার
বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন উপদেষ্টা। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে সমবায় অধিদপ্তরের সদস্যদের
নেটওয়ার্ক কাজে লাগিয়ে পাইলটিং প্রকল্প গ্রহণ এবং দ্রুত বাস্তবায়ন করার নির্দেশনা দেন
স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা। এছাড়াও দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়ন এবং সুষম সম্পদের বণ্টনের
জন্য সমবায় অধিদপ্তর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
মতবিনিময় সভার শুরুতে সমবায় অধিদপ্তরের
নিবন্ধক ও মহাপরিচালকের সভাপতিত্বে সমবায় কার্যক্রম সম্পর্কে মাল্টিমিডিয়া প্রেজেন্টেশন
দেন যুগ্ম নিবন্ধক মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়
বিভাগের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) মো. মোখলেছুর রহমান। সভায় পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের
ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ও সমবায় অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


রক্তাক্ত
দুটি মানুষ ছটফট করছেন রাস্তার ধারে। ব্যথায় কুঁকড়ে যাওয়া এক নারী আর তার নিথরপ্রায়
স্বামী পড়ে আছেন তপ্ত পিচের ওপর। অথচ তাঁদের বাঁচানোর কোনো আকুতি ছুঁয়ে গেল না পাশে
জমা হওয়া শত শত মানুষকে। চোখের সামনে যখন মৃত্যুর মুখোমুখি এই দম্পতি, তখন উপস্থিত
জনতার পুরো মনোযোগ কেড়ে নিল কেবলই ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা কিছু কাঁচা-পাকা আম। নিস্পৃহ একদল
মানুষ মগ্ন হলেন আম লুটের উৎসবে। ভারতের বিহার রাজ্যের মুজাফফরপুরে ঘটে যাওয়া এই মর্মান্তিক
সড়ক দুর্ঘটনাটি কেবল একটি তাজা প্রাণই কেড়ে নেয়নি, বরং আরও একবার উলঙ্গ করে দিয়ে গেছে
আধুনিক সমাজের বুক চিরে জেগে ওঠা এক চরম ও কুৎসিত মানবিক অবক্ষয়কে।
রোববার
(১৫ জুন) ভারতীয় গণমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে তাদের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
ভয়াবহ
এই দুর্ঘটনার একটি ভিডিওচিত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে দেশজুড়ে ব্যাপক
সমালোচনা ও ক্ষোভের ঝড় শুরু হয়। ভিডিওটিতে দেখা যায়, বিহারের জাতীয় সড়ক-২৭-এর ওপর দুর্ঘটনাকবলিত
গাড়িটি উল্টে পড়ে আছে। রক্তাক্ত মানুষ পাশে কাতরালেও উপস্থিত লোকজন যে যেভাবে পারছেন
রাস্তার ওপর ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা আমের স্তূপ থেকে আম কুড়িয়ে নিয়ে পালাচ্ছেন।
স্থানীয়
পুলিশের ভাষ্যমতে, ৪০ বছর বয়সী অজয় পাসোয়ান তার স্ত্রী সান্তারা দেবীকে নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ
থেকে আমবোঝাই করে মুজাফফরপুরের দিকে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তাদের গাড়িটি
উল্টে গেলে দুজনেই গুরুতর আহত হন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা
জানান, রক্তাক্ত অবস্থায় ওই দম্পতি দীর্ঘক্ষণ রাস্তায় পড়ে থাকলেও সেখানে ভিড় জমানো
সাধারণ মানুষের মধ্যে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার কোনো তাগিদ বা ন্যূনতম মানবিকতা
দেখা যায়নি। উল্টো সবাই ব্যস্ত ছিলেন বিনামূল্যে আম ঘরে তুলতে। পরে খবর পেয়ে পুলিশ
দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওই দম্পতিকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে পাঠায়। তবে হাসপাতালে
চিকিৎসাধীন অবস্থায় অজয় পাসোয়ানের মৃত্যু হয়। তার স্ত্রী সান্তারা দেবী বর্তমানে আশঙ্কাজনক
অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
মুজাফফরপুরের
জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা রাকেশ কুমার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, পুলিশ খবর
পাওয়া মাত্রই দম্পতিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছিল। আম লুটের এই অনাকাঙ্ক্ষিত ও
লজ্জাজনক ঘটনার বিষয়টি খতিয়ে দেখে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে
বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
মন্তব্য করুন


ফরিদপুরের
নগরকান্দা উপজেলায় পারিবারিকভাবে বিয়ে সম্পন্ন হওয়ার পর কনের পক্ষের করা ধর্ষণ মামলায়
বরকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
ঘটনাটি
ঘটেছে উপজেলার ডাঙ্গি ইউনিয়নের শংকরপাশা গ্রামে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা
সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছেন।
সম্প্রতি
ঘটা করে বর-কনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর কনে বরের বাড়িতেও যান। তবে কনের বয়স কম হওয়ায় বিয়ের
নিবন্ধন হয়নি মর্মে কথা ওঠে। এ ঘটনায় উপজেলাজুড়ে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
স্থানীয়রা
জানায়, পারিবারিক সম্মতিতে ধর্মীয় রীতি-নীতিসহ সামাজিকভাবে ধুমধাম করে বিয়ে হয় তাদের।
গায়েহলুদ, নাচ-গান, বরযাত্রীসহ পালন করা হয় বিয়ের সব রীতি। তবে হঠাৎ কোনো বিয়েই হয়নি
বলে দাবি করে বসেন কনে ও তার পরিবার। এতে অপহরণের পর ধর্ষণের অভিযোগ এনে দায়েরকৃত মামলায়
কারাগারে যেতে হয়েছে রুমন খন্দকার (২০) নামে এক তরুণকে।
ভুক্তভোগীর
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের ২২ মে ধর্মীয় ও সামাজিক রীতি অনুযায়ী
একই উপজেলার ডাঙ্গী ইউনিয়নের শংকরপাশা গ্রামের মিরাজ মাতুব্বরের মেয়ে মিলা আক্তারকে
(১৫) বিয়ে করেন রুমন খন্দকার। সামাজিক অনুষ্ঠান করে দুই পরিবারের সম্মতিতে বিয়ের আগে
কনের বাড়িতেও আয়োজন করা হয়েছিল গায়েহলুদের মতো অনুষ্ঠান। এরপর ৪০ জন বরযাত্রী নিয়ে
যাওয়া হয় কনের বাড়িতে। সেখানে খাওয়া-দাওয়া শেষে দুই পরিবারের স্বজন, গণ্যমান্য ব্যক্তিদের
উপস্থিতিতে বিয়ে সম্পন্ন হয়।
তবে
কনের বয়স কম হওয়ায় নিবন্ধন করা হয়নি এবং দুই পরিবারের সম্মতি ছিল প্রাপ্তবয়স্ক হলে
নিবন্ধন করে নেওয়া হবে। পরে কনেকে বিয়ের রঙে সাজিয়ে আয়োজনের মধ্যেই নিয়ে যাওয়া হয় বরের
বাড়িতে। সেই বিয়ের সামাজিক ও ধর্মীয় রীতির প্রমাণাদি ও অনুষ্ঠানের ভিডিও সাংবাদিকদের
সরবরাহ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।
পরিবারটির
ভাষ্য, বিয়ের দুদিন পর সামাজিক রীতি অনুযায়ী কনের বাড়িতে গেলে নাটকীয় পরিবর্তন ঘটে।
বর
রুমনের মামা হাফিজুর রহমান বলেন, আমার ভাগনের সঙ্গে বাসররাতে ওই মেয়ের মনোমালিন্য হয়।
ফিরানিতে গিয়ে ওই মেয়ে আর বরের বাড়িতে আসতে চায় না। পরে জানতে পারি অন্য একজনের সঙ্গে
ওই মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। এরপরও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মধ্যস্থতায় ফিরিয়ে
আনা হয়। কিন্তু কয়েক দিন পর আবারও বাড়িতে ফিরে গেলে সে আর আসেনি, মেয়েটির পরিবারও আমাদের
সঙ্গে কথা বলতে চায়নি।
তিনি
বলেন, এর প্রায় এক মাস পর গত ২ জুলাই গভীর রাতে হঠাৎ রুমনকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়
নগরকান্দা থানা পুলিশ। পরের দিন থানায় গিয়ে জানতে পারি একটি ধর্ষণ মামলায় তাকে গ্রেফতার
করা হয়েছে। ওই মামলায় আদালতে শুনানি শেষে কারাগারে পাঠানো হয়।
মামলার
এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ২ জুলাই থানায় জহুরন খাতুন (৫২) নামে এক নারী মামলাটি
দায়ের করেন। জহুরন বিয়ে হওয়া কিশোরীর সম্পর্কে দাদি।
মামলায়
তিনি উল্লেখ করেন, গত ১৯ জুন বিকাল ৫টায় বাড়ির পাশ থেকে তার নাতনি মিলাকে একটি মাইক্রোবাসে
করে অপহরণ করে নিয়ে যান রুমন। এরপর রুমন খন্দকারদের বাড়িতে রেখে রাতভর ধর্ষণ করা হয়
এবং শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে আঘাত করা হয়। পরদিন সকালে কৌশলে ওই বাড়ি থেকে পালিয়ে
এসে পরিবারকে ঘটনাটি খুলে বলে মিলা। পরে তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান
স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
ওই
কিশোরী ও মামলার বাদী জহুরন খাতুনের দাবি, কোনো বিয়েই হয়নি। এছাড়া মামলার এজাহারে দেওয়া
বর্ণনা দিয়ে ধর্ষণের বিচার দাবি করেন। তবে ছবি ও ভিডিওর বিষয়ে জানতে চাইলে তারা এড়িয়ে
যান।
নগরকান্দা
থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রাসুল সামদানি আজাদ বলেন, গত ২ জুলাই জহুরন খাতুন তার নাতনিকে
নিয়ে থানায় আসেন। তাদের কাছে ছিল ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসি সেন্টারের
চিকিৎসার ছাড়পত্র। যেখানে ধর্ষণের বিষয় উল্লেখ রয়েছে। তার লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা রুজু করা হয়।
তবে
ওই এজাহারে বিয়ের বিষয় উল্লেখ করা হয়নি এবং পুলিশকে কিছু জানানোও হয়নি বলে দাবি করে
তিনি বলেন, মেয়েটির বয়স ১৮ বছরের কম হওয়ায় সরকারিভাবে বিয়ের কোনো সুযোগই নেই। সামাজিক
বিয়ে আইনগত বৈধতা নেই। এছাড়া কেউ যদি মেডিকেল রিপোর্ট নিয়ে এসে অভিযোগ করে, সেক্ষেত্রে
গুরুত্ব দিয়েই মামলা নিতে হয়। এক্ষেত্রে সেটি হয়েছে।
রাসুল
সামদানি আজাদ আরও বলেন, এ ঘটনা তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে উপ-পরিদর্শক শহিদুল ইসলামকে।
তদন্ত শেষে আদালতে পুলিশি প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।
ফরিদপুর
জজকোর্টের আইনজীবী মো. ফারুক হোসেন বলেন, আমাদের দেশে দুই পরিবার ও ছেলে-মেয়ের সম্মতিতে
অহরহ বাল্যবিয়ে হচ্ছে। এখানেও তেমনটা হয়েছে, পারিবারিকভাবে বিয়ের পর সংসার হয়েছে তাদের।
তবে, আইনের দৃষ্টিতে এই বিবাহ স্বীকৃত নয়। যার কারণে পারিবারিক কলহের জেরে ধর্ষণের
মতো অভিযোগে ছেলেটিকে কঠিন মামলার মধ্যে ফেলে দেওয়া হয়েছে, যা অমানবিক।
নগরকান্দা
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেজওয়ানা আফরিন বলেন, বিয়েতে সামাজিক ও আইনি সুরক্ষা
হিসেবে নিবন্ধন বাধ্যতামূলক। প্রথমে তারা অবৈধ কাজ করেছে, বাল্যবিয়ে আড়াল করতে নিবন্ধন
করেননি। পারিবারিক ও দাম্পত্য কলহের জেরে কনেপক্ষ এই সুযোগটাকে ব্যবহার করেছেন।
মন্তব্য করুন


আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশ থেকে অন্তত এক লাখ শ্রমিক নিয়োগের
কথা জানিয়েছে জাপানি কর্তৃপক্ষ ও ব্যবসায়ীরা।
আজ বৃহস্পতিবার (২৯
মে) টোকিওতে বাংলাদেশ সেমিনার অন হিউম্যান রিসোর্সেস’
শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন,
জাপানে বাংলাদেশিদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রয়োজনীয় সব কিছু করবে।
এটা আমার জন্য সবচেয়ে রোমাঞ্চকর ও প্রেরণার দিন। এটি শুধু
কাজ করার জন্য নয়, বরং জাপানকে জানারও দ্বার উন্মোচন করবে বাংলাদেশের মানুষের জন্য।
সেমিনারে প্রধান উপদেষ্টা দুটি সমঝোতা স্মারকের সাক্ষী হন।
প্রথমটি বাংলাদেশের ব্যুরো অব ম্যানপাওয়ার এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড ট্রেনিং (বিএমইটি)
ও কাইকম ড্রিম স্ট্রিট (কেডিএস)-এর মধ্যে, যার একটি জাপান-বাংলাদেশ যৌথ উদ্যোগ;
দ্বিতীয়টি বিএমইটি ও জাপানের ন্যাশনাল বিজনেস সাপোর্ট
কম্বাইন্ড কোঅপারেটিভস (জাপানে ৬৫টির বেশি কোম্পানির একটি ফেডারেশন) এবং জেবিবিআরএ
(জাপান বাংলা ব্রিজ রিক্রুটিং এজেন্সি)-র মধ্যে।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, এই অনুষ্ঠানটি একটি দ্বার উন্মোচনের প্রতীক।
তিনি উল্লেখ করেন যে বাংলাদেশ ১৮ কোটি মানুষের দেশ,
যার অর্ধেকই ২৭ বছরের নিচে।
তিনি বলেন, ‘সরকারের কাজ হলো তাদের জন্য দরজা খুলে দেওয়া।
শিজুওকার কর্মপরিবেশ উন্নয়ন সমবায়ের তত্ত্বাবধায়ক সংস্থার
প্রতিনিধি পরিচালক মিতসুরু মাতসুশিতা বলেন, ‘অনেক জাপানি কোম্পানি বাংলাদেশিদের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করছে
এবং তিনি বিশ্বাস করেন যে এই ধারা অব্যাহত থাকবে।’
তিনি বলেন, বাংলাদেশি মেধাবীদের বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে। তাদের প্রতিভা
লালন করা আমাদের দায়িত্ব।
এনবিসিসি চেয়ারম্যান মিকিও কেসাগায়ামা স্মরণ করেন যে প্রায়
১৪ বছর আগে অধ্যাপক ইউনূস জাপানে এসেছিলেন এবং ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে নারীদের
সহায়তার গল্প বলেছিলেন।
তিনি বলেন, আমাদের ফেডারেশন তরুণ ও দক্ষ শ্রমিকের জন্য বাংলাদেশকে একটি
সম্ভাবনাময় উৎস হিসেবে দেখছে। তারা উভয় দেশের উন্নয়নে অবদান রাখতে পারবে।
তিনি আরও বলেন, আগামী পাঁচ বছরে আমরা এক লাখ বাংলাদেশি শ্রমিককে স্বাগত
জানাতে প্রস্তুত।
ওয়াতামি গ্রুপের প্রেসিডেন্ট মিকি ওয়াতানাবে জানান,
বাংলাদেশে তাদের প্রতিষ্ঠিত একটি স্কুল প্রতিবছর ১৫০০
শিক্ষার্থীকে প্রশিক্ষণ দেয়, এবং তারা এই সংখ্যা ৩০০০-এ উন্নীত করার পরিকল্পনা করছে।
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের কারিগরি শিক্ষা গ্রহণকারীরা জাপানের চাকরির
বাজারে প্রবেশ করতে পারবে।
জাপান ইন্টারন্যাশনাল ট্রেইনি অ্যান্ড স্কিল্ড ওয়ার্কার
কোঅপারেশন অর্গানাইজেশনের (জেইটিসিও) চেয়ারম্যান হিরোআকি ইয়াগি জাপানের শ্রমবাজারে
বাংলাদেশিদের সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা করেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে এখনও ভাষা শিক্ষকের ঘাটতি রয়েছে।
জাপানের স্বাস্থ্য, শ্রম ও কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের (এমএইচএলডব্লিউ) প্রতিমন্ত্রী
নিকি হিরোবুমি বলেন, জাপানে জনসংখ্যা হ্রাস পাচ্ছে এবং সে কারণে বাংলাদেশি শ্রমিকদের সহায়তা
প্রয়োজন হবে।
তিনি বলেন, এটি শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, জাপানের জন্যও একটি আশাব্যঞ্জক দিক হতে পারে।’
স্বাগত বক্তব্যে জাপানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দাউদ আলী
বলেন,
২০৪০ সালের মধ্যে জাপানে শ্রমিক সংকট এক কোটি ১০ লাখ
পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। বাংলাদেশ এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে আরও দক্ষ শ্রমিক পাঠাতে পারে।
মন্তব্য করুন


তীব্র তাপপ্রবাহে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিতে রাত ৮টার পর শপিংমল ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার আহ্বান জানিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ। এ ছাড়াও এসির তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে রাখাসহ গ্রাহকদের বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
গতকাল সোমবার (২৯ এপ্রিল) রাতে বিদ্যুৎ বিভাগের ওয়েবসাইটে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিগত ১৫ বছরে বিদ্যুৎ খাতে অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন সত্ত্বেও চলমান দাবদাহে বিদ্যুতের চাহিদা অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। তা সত্ত্বেও গ্রাহকদের নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সুবিধা প্রদানে বিদ্যুৎ বিভাগ আন্তরিকভাবে কাজ করছে এবং একইসঙ্গে গ্রাহকদের আরো পরিমিত ও সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ ব্যবহারে আহ্বান জানাচ্ছে।
তাপমাত্রা বৃদ্ধির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বিদ্যুতের চাহিদা। বাড়তি উৎপাদনের পরও লোডশেডিং এড়াতে পারছে না বিদ্যুৎ বিভাগ। শহরে স্বস্তি থাকলেও, গ্রামে ভোগান্তিতে গ্রাহকরা।
বিদ্যুৎ বিভাগের বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, নিম্নহারে বিদ্যুৎ বিল পেতে দোকান, শপিংমল, পেট্রল পাম্প ও সিএনজি স্টেশনে অতিরিক্ত বাতি ব্যবহারে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।
এসির তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি বা এর ওপরে রাখতে আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি দুর্ঘটনা এড়াতে হুকিং বা অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ থেকে বিরত থাকতেও আহ্বান জানিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ। বেআইনিভাবে ইজিবাইক ও মোটরচালিত রিকশার ব্যাটারি চার্জিং থেকেও বিরত থাকতে গ্রাহকদের আহ্বান জানানো হয়।
মন্তব্য করুন


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি)
শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আনসার সদস্যদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
রোববার (২৫ আগস্ট) রাত ৯টা
২০ মিনিটে এই সংঘর্ষ শুরু হয়।
সংঘর্ষের কয়েক মিনিটেই শিক্ষার্থীদের
জনস্রোতে পালিয়ে গেছেন হাজারো আনসার সদস্য।
জানা গেছে, বৈষম্যবিরোধী
ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম, সমন্বয়ক
সারজিস আলম ও হাসনাত আবদুল্লাহসহ অনেককে সচিবালয়ে আটকে রাখে আনসার সদস্যদের একটি দল।
এই খবরে সচিবালয়ের দিকে অগ্রসর হলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর চড়াও হন তারা। পেটুয়াদের
ভূমিকায় অবতীর্ণ হন আনসার সদস্যদের অনেকে। পরে স্রোতের মতো আসতে থাকেন শিক্ষার্থীরা।
তাদের ধাওয়ায় পালিয়ে যান আনসার সদস্যরা।
জানা যায়, মেনে নেওয়া হয়েছে তাদের যৌক্তিক দাবি। তারপরও আনসারদের একাংশ ঘেরাও করেন সচিবালয়। সেখানে আটকে রাখেন সমন্বয়কদের। সচিবালয় থেকে সমাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজের আইডিতে করা লাইভে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ জানান সেখানের পরিস্থিতি। এরপর পরই এক পোস্টে তিনি লেখেন, সচিবালয়ের সামনে আনসার সদস্যরা শিক্ষার্থীদের নির্মমভাবে পেটাচ্ছে।
এর আগে বিকেলে কয়েক দফা
দাবিতে আন্দোলন করে আসা আনসার সদস্যরা তাদের কর্মসূচি প্রত্যাহার করেছেন বলে জানান।
রাত সাড়ে ৮টার দিকে সমন্বয়ক
হাসনাত আবদুল্লাহ্ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে লিখেছেন, সবাই রাজুতে আসেন। স্বৈরাচারীশক্তি
আনসার হয়ে ফিরে আসতে চাচ্ছে। দাবি মানার পরও আমাদের সবাইকে সচিবালয়ে আটকে রাখা হয়েছে।
মন্তব্য করুন