পপকন চাষে রঙিন স্বপ্ন দেখছেন চাষিরা

পপকন চাষে রঙিন স্বপ্ন দেখছেন চাষিরা
ছবিটি দিনাজপুরের খানসামার গোয়ালডিহি ইউনিয়ন থেকে তোলা

দিনাজপুরের খানসামায় অনুকূল পরিবেশে আশানুরূপ লাভজনক হওয়ায় চলতি বছর বেড়েছে পপকনের চাষ। পপকনকে ঘিরে কৃষক দেখতে শুরু করেছেন রঙিন স্বপ্ন। ধান, সরিষা, আলু ও ভুট্টার পাশাপাশি এ ফসল অধিক লাভজনক।


অন্য ফসলের চেয়ে তুলনামূলক কম খরচ, উৎপাদন ভালো, লাভজনক হওয়ায় স্থানীয়ভাবে সহজলভ্য ও সরাসরি পাইকারি বাজার সৃষ্টি হওয়ায় পপকন চকষে ঝুঁকেছেন সাধারণ কৃষকরা। এছাড়া নিয়মিত কৃষি বিভাগ থেকে উদ্বুদ্ধকরণ, পরার্মশ প্রদান, সরকারি সহায়তার ফলে চাষিদের মধ্যে আগ্রহ বেড়েই চলছে। সব মিলিয়ে অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি হওয়ায় প্রতি মৌসুমে বাড়ছে পপকন চাষ।


উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর উপজেলায় ১৫২০ হেক্টর জমিতে পপকন চাষের লক্ষমাত্রা থাকলেও ১৬৬০ হেক্টর অর্জন হয়েছে।


গোয়ালডিহি ইউনিয়নের পপকন চাষি মোস্তফা কামাল ডাবলু শাহ্ বলেন, আমি এ এলাকায় সর্বপ্রথম পপকন চাষ করি। আমাকে দেখে অনেকেই অনুপ্রাণিত হয়ে এখন চাষ করছেন পপকনের। প্রথমের দিকে ৬০ থেকে ৬৫ বিঘা চাষ করেছি। গতবার ও এইবার ২০ বিঘা জমিতে চাষ করেছি। গতবার ২০ বিঘা জমিতে শুকনা দেড় টন পপকন পেয়েছি। আশা করছি এবার আরো বেশি পাবো।


একই এলাকার পপকন চাষি লতিফ হাজ্বী বলেন, পপকন চাষে বেশ লাভবান হয়েছি। গতবারের ন্যায় এবারো ৫ বিঘা চাষ করেছি। সব কিছু ঠিক থাকলে ভাল ফলন হবে বলে মনে করছি।


উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা গোপাল রায় বলেন, পুরো উপজেলার মধ্যে গোয়ালডিহি ইউনিয়নে ৭০ ভাগ ও বাকী ৫ ইউনিয়নে ৩০ ভাগ পপকন চাষ হয়। পপকন চাষে চাষিদের পাশে থেকে ভালো ফলন পেতে সার্বিক পরামর্শ ও সহযোগিতা করা হচ্ছে।


এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা হাবিবা আক্তার বলেন, দিনাজপুরের শস্যভান্ডারখ্যাত এ উপজেলা। ভুট্টার পাশাপাশি এ অঞ্চলের কৃষক পপকন চাষে বেশ আগ্রহী। পপকন চাষে উদ্ভুদ্ধকরণসহ সার্বক্ষণিক কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে কৃষকদের বিভিন্ন পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ওসির প্রত্যাহারের খবর পাওয়া মাত্রই পাওনাদাররা ভিড় জমালো থানায়

বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারে পাশে থাকবে জাতিসংঘ : আন্তোনিও গুতেরেস

কুমিল্লায় বাজার মনিটরিং টাস্কফোর্সের অভিযান

কুমিল্লায় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কঠোর মনিটরিং

রমজানে সিএনজি স্টেশন বন্ধ রাখার নতুন সময়সূচি

এলপি গ্যাসের নতুন দাম নির্ধারণ

কুমিল্লায় যৌথ অভিযান

মার্চে জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত থাকবে

এক সপ্তাহের মধ্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সহনীয় হবে: ধর্ম উপদেষ্টা

আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা উদ্বোধন করলেন প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস

১০

জাপানের সঙ্গে প্রথম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ

১১

কোনো ব্যাংক বন্ধ করব না: অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ

১২

পৃথিবীর সুরক্ষায় ‘জিরো কার্বন’ ভিত্তিক জীবনধারার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

১৩

ঋণ সুবিধা মানুষের অধিকার: প্রধান উপদেষ্টা

১৪

পেঁয়াজের কেজি মাত্র ৩ টাকা !

১৫

নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ মাছ ধরায় ৭ দিনে ১২৯ জেলের কারাদণ্ড

১৬

মার্কিন ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আমন্ত্রণ ড. ইউনূসের

১৭

দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে ‘হার্ডলাইনে’ যেতে হবে: উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ

১৮

চিনির দাম কমাতে শুল্ক কমালো এনবিআর

১৯

বাজার দর স্থিতিশীল রাখতে সাড়ে ৪ কোটি ডিম আমদানির অনুমোদন

২০

বন্যা পরবর্তী পুনর্বাসনে সুইজারল্যান্ডের সহযোগিতা চাইলেন কৃষি উপদেষ্টা

বন্যা পরবর্তী পুনর্বাসনে সুইজারল্যান্ডের সহযোগিতা চাইলেন কৃষি উপদেষ্টা
সংগৃহীত

সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেতো রেংগলির সঙ্গে বৈঠক করেছেন স্বরাষ্ট্র কৃষি উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোঃ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.)। এ সময় বন্যা পরবর্তী কৃষি পুনর্বাসনে সুইজারল্যান্ডের সহযোগিতা কামনা করেছেন স্বরাষ্ট্র ও কৃষি উপদেষ্টা।

সোমবার ( সেপ্টেম্বর) সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার দপ্তরে এই বৈঠক হয়। সাক্ষাৎকালে দু'দেশের মধ্যে মানবপাচার প্রতিরোধ, কৃষি পুনর্বাসন বীমা, পুলিশ বাহিনীর পুনর্গঠন সংস্কার, মানিলন্ডারিং দুর্নীতি প্রতিরোধ ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকের শুরুতে উপদেষ্টা রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানান। রাষ্ট্রদূত মুহূর্তে উপদেষ্টার অগ্রাধিকারের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বন্যা পরবর্তী কৃষি পুনর্বাসনই এখন সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার চ্যালেঞ্জ। উপদেষ্টা এসময় কৃষি পুনর্বাসনে সুইজারল্যান্ডের সহযোগিতা কামনা করেন।

রাষ্ট্রদূত বলেন, আমরা মানবপাচার প্রতিরোধে বিদ্যমান সহযোগিতা বৃদ্ধি করতে চাই। তিনি বন্যা বা প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় কৃষকদের সক্ষমতা সামর্থ্য বৃদ্ধিতে কৃষি ক্ষেত্রে বীমা চালুর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

উপদেষ্টা জানান, বাংলাদেশের কৃষকগণ এখনো বিষয়ে খুব বেশি আগ্রহী নয়। ভবিষ্যতে আলোচনা করে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

রাষ্ট্রদূত আরো বলেন, বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তন বেশ বড় ধরনের প্রভাব ফেলেছ। যে কারণ বন্যাসহ অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগ বৃদ্ধি পাচ্ছে। তিনি এসব সমস্যা সমাধানে কৃষকদের নিকট গ্রহণযোগ্য উদ্ভাবনী প্রকল্প প্রণয়ন বাস্তবায়নের পরামর্শ দেন।

রাষ্ট্রদূত জানান, পুলিশ সংস্কার পুনর্গঠনে সুইজারল্যান্ডের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে। বাংলাদেশ সুযোগকে কাজে লাগাতে পারে। 

এসময় উপদেষ্টা বলেন, বর্তমান সরকার দুর্নীতি মানি লন্ডারিং প্রতিরোধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে। তিনি বাংলাদেশে মানবাধিকার সুউচ্চ সমুন্নত রাখতে সুইজারল্যান্ডের সহায়তা চান।

রাষ্ট্রদূত বলেন, আন্তর্জাতিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে বাংলাদেশে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ পাচার হওয়া টাকা দেশে ফেরত আনতে সহযোগিতা করবে সুইজারল্যান্ড।

স্বরাষ্ট্র কৃষি উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোঃ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.) বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের অধিকার, সুশাসন ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে বদ্ধপরিকর। শুধু স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা হিসেবে নয়, একজন সাধারণ নাগরিক সেনাবাহিনীর প্রাক্তন সদস্য হিসেবে আমি বিডিআর হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচার চাই। সঠিকভাবে হত্যাকাণ্ডের পুনঃতদন্ত ন্যায়বিচার প্রক্রিয়া শিগগিরই শুরু করা হবে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ওসির প্রত্যাহারের খবর পাওয়া মাত্রই পাওনাদাররা ভিড় জমালো থানায়

বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারে পাশে থাকবে জাতিসংঘ : আন্তোনিও গুতেরেস

কুমিল্লায় বাজার মনিটরিং টাস্কফোর্সের অভিযান

কুমিল্লায় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কঠোর মনিটরিং

রমজানে সিএনজি স্টেশন বন্ধ রাখার নতুন সময়সূচি

এলপি গ্যাসের নতুন দাম নির্ধারণ

কুমিল্লায় যৌথ অভিযান

মার্চে জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত থাকবে

এক সপ্তাহের মধ্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সহনীয় হবে: ধর্ম উপদেষ্টা

আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা উদ্বোধন করলেন প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস

১০

জাপানের সঙ্গে প্রথম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ

১১

কোনো ব্যাংক বন্ধ করব না: অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ

১২

পৃথিবীর সুরক্ষায় ‘জিরো কার্বন’ ভিত্তিক জীবনধারার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

১৩

ঋণ সুবিধা মানুষের অধিকার: প্রধান উপদেষ্টা

১৪

পেঁয়াজের কেজি মাত্র ৩ টাকা !

১৫

নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ মাছ ধরায় ৭ দিনে ১২৯ জেলের কারাদণ্ড

১৬

মার্কিন ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আমন্ত্রণ ড. ইউনূসের

১৭

দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে ‘হার্ডলাইনে’ যেতে হবে: উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ

১৮

চিনির দাম কমাতে শুল্ক কমালো এনবিআর

১৯

বাজার দর স্থিতিশীল রাখতে সাড়ে ৪ কোটি ডিম আমদানির অনুমোদন

২০

কুমিল্লায় যৌথ অভিযান

কুমিল্লায় যৌথ অভিযান
সংগৃহীত

রোজায় নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে অভিযান পরিচালনা করেছে জেলা প্রশাসন, সেনাবাহিনী, ভোক্তা অধিকার ও বিএসটিআইসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তর।

সোমবার বেলা ১১টা থেকে ২টা পযন্ত কুমিল্লা জেলা প্রশাসক আমিরুল কায়ছারের নেতৃত্বে কুমিল্লা নগরীর রাজগঞ্জসহ খুচরা বাজারে তদারকি এ অভিযান পরিচালিত হয়।

এসময় রমজানের নিত্যপ্রয়োজনীয় নানা পণ্যের মধ্যে মাছ,মাংস, মুরগি, সয়াবিন তেল ও লেবুসহ বিভিন্ন পণ্যের  ক্রয় ও বিক্রয়ের ভাউচার মনিটরিং করা হয় ।


এসময় ব্যবসায়ীদের সাবধান করে জেলা প্রশাসক বলেন যাতে অধিক মুনাফার লোভে ভোক্তার সঙ্গে প্রতারণা না করা হয় ।

জেলা প্রশাসক আমিরুল কায়ছার বলেন, জেলা প্রশাসন থেকে প্রতিদিন দুটি টিম নগরীতে বাজার দ্রব্য মূল্য নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। এছাড়া প্রতিটি উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বাজার নিয়ন্ত্রণে কাজ করা হচ্ছে। 


একই সময় খুচরা বাজারের দেশি ও বিদেশী ফল এবং সবজিতে মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর ফরমালিন আছে কিনা তা ভ্রাম্যমাণ ল্যাবের মাধ্যমে পরীক্ষা করেছে বিএসটিআই। যাতে করে রমজান মাসে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা সম্ভব হয় সেই বিষয়ে এ পরীক্ষা কার্যক্রম বিএসটিআইয়ের।





অভিযানে বিএসটিআই কুমিল্লার উপ-পরিচালক কে এম হানিফ, ভোক্তা অধিকার কুমিল্লার সহকারী পরিচালক মোঃ কাউছার মিয়াসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাও ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ওসির প্রত্যাহারের খবর পাওয়া মাত্রই পাওনাদাররা ভিড় জমালো থানায়

বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারে পাশে থাকবে জাতিসংঘ : আন্তোনিও গুতেরেস

কুমিল্লায় বাজার মনিটরিং টাস্কফোর্সের অভিযান

কুমিল্লায় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কঠোর মনিটরিং

রমজানে সিএনজি স্টেশন বন্ধ রাখার নতুন সময়সূচি

এলপি গ্যাসের নতুন দাম নির্ধারণ

কুমিল্লায় যৌথ অভিযান

মার্চে জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত থাকবে

এক সপ্তাহের মধ্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সহনীয় হবে: ধর্ম উপদেষ্টা

আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা উদ্বোধন করলেন প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস

১০

জাপানের সঙ্গে প্রথম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ

১১

কোনো ব্যাংক বন্ধ করব না: অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ

১২

পৃথিবীর সুরক্ষায় ‘জিরো কার্বন’ ভিত্তিক জীবনধারার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

১৩

ঋণ সুবিধা মানুষের অধিকার: প্রধান উপদেষ্টা

১৪

পেঁয়াজের কেজি মাত্র ৩ টাকা !

১৫

নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ মাছ ধরায় ৭ দিনে ১২৯ জেলের কারাদণ্ড

১৬

মার্কিন ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আমন্ত্রণ ড. ইউনূসের

১৭

দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে ‘হার্ডলাইনে’ যেতে হবে: উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ

১৮

চিনির দাম কমাতে শুল্ক কমালো এনবিআর

১৯

বাজার দর স্থিতিশীল রাখতে সাড়ে ৪ কোটি ডিম আমদানির অনুমোদন

২০

নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ মাছ ধরায় ৭ দিনে ১২৯ জেলের কারাদণ্ড

নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ মাছ ধরায় ৭ দিনে ১২৯ জেলের কারাদণ্ড
নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ মাছ ধরায় ৭ দিনে ১২৯ জেলের কারাদণ্ড

নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ মাছ ধরার অপরাধে বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন নদ-নদীতে অভিযান চালিয়ে ৭ দিনে ১২৯ জেলেকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। 

পাশাপাশি জরিমানা আদায় করা হয় ১১ লাখ ৯৯ হাজার ১০০ টাকা।

বিভাগীয় মৎস্য অফিস থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ১৩ অক্টোবর থেকে ১৯ অক্টোবর মধ্যরাত পর্যন্ত বরিশাল বিভাগে ৮৩৪ টি অভিযান চালানো হয়েছে। ২৭০টি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার পাশাপাশি ৩১১টি মামলা করা হয়েছে।

যে সময়ে বরিশাল বিভাগে ১৬৮ বার বিভিন্ন মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র, ১ হাজার ২৬৫ বার বিভিন্ন মাছঘাট, ২ হাজার ৩৪১ বার বিভিন্ন আড়ত ও ১ হাজার ৩৭০ বার বিভিন্ন বাজার পরিদর্শন করেছেন মৎস্য অধিদপ্তরে জেলা ও উপজেলা কার্যালয়ের কর্মকর্তারা।

আর গত ২ দিনের অভিযানে ৭ হাজার ৩০০ কেজি ইলিশ জব্দ করা হয়েছে। পাশাপাশি ৭ কোটি ১৪ লাখ ৭৪ হাজার ৬০০ টাকা মূল্যের ৩৮ লাখ ৭৫ হাজার ১০০ মিটার অবৈধ জাল জব্দ করা হয়েছে।

এছাড়া নৌকাসহ জব্দ হওয়া সরঞ্জাম নিলাম করে এক লাখ ৫ হাজার ২০০ টাকা আয় হয়েছে।

মৎস্য বিভাগের উপ-পরিচালক নৃপেন্দ্র নাথ বিশ্বাস জানান, গত ১৩ অক্টোবর মধ্যরাত থেকে ২২ দিনের জন্য উপকূলের সাত হাজার বর্গকিলোমিটারের মূল প্রজননস্থলসহ সারাদেশে ইলিশ আহরণ, পরিবহন ও বিপণন নিষিদ্ধ থাকছে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ওসির প্রত্যাহারের খবর পাওয়া মাত্রই পাওনাদাররা ভিড় জমালো থানায়

বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারে পাশে থাকবে জাতিসংঘ : আন্তোনিও গুতেরেস

কুমিল্লায় বাজার মনিটরিং টাস্কফোর্সের অভিযান

কুমিল্লায় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কঠোর মনিটরিং

রমজানে সিএনজি স্টেশন বন্ধ রাখার নতুন সময়সূচি

এলপি গ্যাসের নতুন দাম নির্ধারণ

কুমিল্লায় যৌথ অভিযান

মার্চে জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত থাকবে

এক সপ্তাহের মধ্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সহনীয় হবে: ধর্ম উপদেষ্টা

আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা উদ্বোধন করলেন প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস

১০

জাপানের সঙ্গে প্রথম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ

১১

কোনো ব্যাংক বন্ধ করব না: অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ

১২

পৃথিবীর সুরক্ষায় ‘জিরো কার্বন’ ভিত্তিক জীবনধারার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

১৩

ঋণ সুবিধা মানুষের অধিকার: প্রধান উপদেষ্টা

১৪

পেঁয়াজের কেজি মাত্র ৩ টাকা !

১৫

নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ মাছ ধরায় ৭ দিনে ১২৯ জেলের কারাদণ্ড

১৬

মার্কিন ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আমন্ত্রণ ড. ইউনূসের

১৭

দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে ‘হার্ডলাইনে’ যেতে হবে: উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ

১৮

চিনির দাম কমাতে শুল্ক কমালো এনবিআর

১৯

বাজার দর স্থিতিশীল রাখতে সাড়ে ৪ কোটি ডিম আমদানির অনুমোদন

২০

প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ তহবিলে ২০ হাজার ডলার দিলো চীন

প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ তহবিলে ২০ হাজার ডলার দিলো চীন
সংগৃহীত

বাংলাদেশের বন্যার্তদের পাশে দাঁড়িয়েছে চীন।

রোববার (২৫ আগস্ট) সকালে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা . মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে বন্যাদুর্গতদের সহায়তার লক্ষ্যে প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ তহবিলে ২০ হাজার মার্কিন ডলার অনুদানের চেক তুলেন দেন চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।

পাশাপাশি চীনা রেড ক্রসও বাংলাদেশের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য এক লাখ মার্কিন ডলারের মানবিক সহায়তা প্রদান করবে বলে জানান রাষ্ট্রদূত।

বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব গ্রহণ করায় চীনা নেতা এবং জনগণের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে অভিনন্দন জানান।

সাক্ষাৎকালে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক . মুহাম্মদ ইউনূস সবুজ অর্থনীতি গড়ে তোলার লক্ষ্যে চীনের কিছু সোলার প্যানেল কারখানা বাংলাদেশে স্থানান্তরের আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রদূত বলেন, বেইজিং ঢাকার সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত এবং আমি আশাবাদী যে . ইউনূসের নেতৃত্বে দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্নপূরণ সফল হবে।

তিনি প্রধান উপদেষ্টার উদ্দেশে বলেন, আপনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ আরও উজ্জ্বল এবং সমৃদ্ধ হবে।

রাষ্ট্রদূত বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে চীন বাংলাদেশের কৌশলগত এবং সহযোগিতামূলক অংশীদারত্বের সম্পর্ক উচ্চ শিখরে রয়েছে এবং উভয় দেশ আগামী বছর তাদের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০তম বছর উদযাপন করবে।

এ সময় প্রধান উপদেষ্টা বেইজিং ঢাকার মধ্যে ঘনিষ্ঠ অর্থনৈতিক সহযোগিতার সম্পর্ক গড়ে তোলার ওপর জোর দেন এবং চীনা বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে কারখানা স্থানান্তরের আহ্বান জানিয়ে বলেন, চীন সোলার প্যানেলের অন্যতম বৃহৎ উৎপাদনকারী দেশ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে, তবে রপ্তানি বাজারে ক্রমবর্ধমান বাধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে।

তিনি উভয় দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানোর অংশ হিসেবে চীনে বাংলাদেশি পণ্যের আমদানি সম্প্রসারণের আহ্বান জানান। তিনি উভয় দেশের মধ্যে প্রযুক্তি স্থানান্তর, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, শিক্ষা কৃষিখাতে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বানও জানান।

ইয়াও ওয়েন বলেন, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সহিংসতা কবলিত অঞ্চলে অস্ত্রবিরতির মাধ্যমে রোহিঙ্গা সংকটের একটি টেকসই সমাধান খুঁজে পেতে চীনা সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকবে।

বৈঠকে . ইউনূস আশাবাদ ব্যক্ত করেন, বাংলাদেশে বসবাসরত ১০ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে রাজনৈতিক, আর্থিক মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখবে চীন।

প্রধান উপদেষ্টা চীনে তার স্মৃতি স্মরণ বলেন, চীনের বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইউনূস সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে এবং অনেক তরুণ ত্রি-জিরো ক্লাব গঠন করেছে। এসব ক্লাবের সদস্যরা দারিদ্র্য, বেকারত্ব কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামিয়ে আনতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তিনি দুই দেশের তরুণ সম্প্রদায় এবং জনগণের মধ্যে সরাসরি সম্পর্ক স্থাপনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বৈঠকে চীনা রাষ্ট্রদূত . ইউনূসকে তার সুবিধাজনক সময়মতো চীন সফরের আমন্ত্রণ জানান। তিনি বলেন, বাংলাদেশ এখন একটা সন্ধিক্ষণ পার করছে, তবে বাংলাদেশের জনগণ এই চ্যলেঞ্জ অতিক্রম করতে সক্ষম হবে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ওসির প্রত্যাহারের খবর পাওয়া মাত্রই পাওনাদাররা ভিড় জমালো থানায়

বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারে পাশে থাকবে জাতিসংঘ : আন্তোনিও গুতেরেস

কুমিল্লায় বাজার মনিটরিং টাস্কফোর্সের অভিযান

কুমিল্লায় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কঠোর মনিটরিং

রমজানে সিএনজি স্টেশন বন্ধ রাখার নতুন সময়সূচি

এলপি গ্যাসের নতুন দাম নির্ধারণ

কুমিল্লায় যৌথ অভিযান

মার্চে জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত থাকবে

এক সপ্তাহের মধ্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সহনীয় হবে: ধর্ম উপদেষ্টা

আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা উদ্বোধন করলেন প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস

১০

জাপানের সঙ্গে প্রথম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ

১১

কোনো ব্যাংক বন্ধ করব না: অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ

১২

পৃথিবীর সুরক্ষায় ‘জিরো কার্বন’ ভিত্তিক জীবনধারার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

১৩

ঋণ সুবিধা মানুষের অধিকার: প্রধান উপদেষ্টা

১৪

পেঁয়াজের কেজি মাত্র ৩ টাকা !

১৫

নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ মাছ ধরায় ৭ দিনে ১২৯ জেলের কারাদণ্ড

১৬

মার্কিন ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আমন্ত্রণ ড. ইউনূসের

১৭

দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে ‘হার্ডলাইনে’ যেতে হবে: উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ

১৮

চিনির দাম কমাতে শুল্ক কমালো এনবিআর

১৯

বাজার দর স্থিতিশীল রাখতে সাড়ে ৪ কোটি ডিম আমদানির অনুমোদন

২০

৫০ থেকে ২০০ টাকা কমেছে ধানের মণ

৫০ থেকে ২০০ টাকা কমেছে ধানের মণ
সংগৃহীত

উত্তরাঞ্চলের বড় বড় হাট-বাজারগুলোয় ধান-চালের দাম কমতে শুরু করেছে । তার মধ্যে জাত ও মানভেদে ধানের দাম মণে কমেছে ৫০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত। এছাড়া চালের দাম মণে কমেছে ৮০ থেকে ১২০ টাকা পর্যন্ত।

উত্তরাঞ্চলের অন্যতম বড় বাজার বগুড়ার নন্দীগ্রামের রণবাঘা হাট। গতকাল শুক্রবার হাটের ব্যবসায়ীরা জানান, হঠাৎ করে চাল কেজিতে ২ থেকে ৩ টাকা অর্থাৎ মণে ৮০-১২০ টাকা কমে যায়। এর প্রভাব পড়ে ধানের দামে। জাত ও মানভেদে ধানের দাম মণে কমেছে ৫০ থেকে ২০০ টাকা। ধানের দাম কমে যাওয়ায় গতকাল ওই হাটে যেমন কম ছিল পাইকারি ক্রেতা, তেমনি কম ছিলেন ক্ষুদ্র চাষিরা। 

কৃষক ও ব্যবসায়ীরা জানান, প্রশাসনিক উদ্যোগের পাশাপাশি অটোরাইচ মিলগুলো হঠাৎ ধান কেনা বন্ধ করে দেওয়ায় বাজারে এর প্রভাব পড়েছে। 

পাইকারি ক্রেতারা জানান গত সপ্তাহে এই হাট থেকে ৯০ জাতের চিকন ধান কিনেছিলেন ২ হাজার ১০০ টাকা পর্যন্ত। এখন একই মানের ধানের দাম কমে হয়েছে ১ হাজার ৭৫০ টাকা। অর্থাৎ মণে কমেছে ৩৫০ টাকা। 

উত্তরাঞ্চলের অন্যতম বড় ধান উৎপাদনকারী এলাকা নাটোরের সিংড়া উপজেলা।  ধান নিয়ে রণবাঘা হাটে এসে ক্ষুদ্র চাষিরা নজরুল ইসলাম প্রতিমণ ধান ১ হাজার ৩১০ টাকা দরে বিক্রি করেন। গত সপ্তাহে তিনি এ হাটেই একই জাতের ধান বিক্রি করেছেন ১ হাজার ৩৬০ টাকা দরে। বাজারে চালের দাম কমে যাওয়ায় পড়ে গেছে ধানের দর। তাদের আশঙ্কা ধানের দাম আরও কমবে। 

এদিকে গতকাল দিনাজপুরের বির উপজেলার ওরিয়েন্টাল এগ্রো নামে এক প্রতিষ্ঠানের গুদামে অভিযান চালায় জেলা প্রশাসন। তাদের গুদামে জব্দ করা হয় ৬৫ কেজি ওজনের ৫ হাজার বস্তা ধান। 

জেলা খাদ্যনিয়ন্ত্রক কামাল হোসেন জানান, অবৈধ ভাবে মজুত করায় ওই প্রতিষ্ঠানের মালিকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। দিনাজপুরে ধানের দাম কমেছে মণে মান ও জাতভেদে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা। 

বগুড়ায় নন্দীগ্রামে মায়ামানির অটো রাইস মিল মালিক মিজানুর রহমান জানান, প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ায় বাজারে ধানের দাম কমেছে। তিনি বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে আরও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ওসির প্রত্যাহারের খবর পাওয়া মাত্রই পাওনাদাররা ভিড় জমালো থানায়

বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারে পাশে থাকবে জাতিসংঘ : আন্তোনিও গুতেরেস

কুমিল্লায় বাজার মনিটরিং টাস্কফোর্সের অভিযান

কুমিল্লায় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কঠোর মনিটরিং

রমজানে সিএনজি স্টেশন বন্ধ রাখার নতুন সময়সূচি

এলপি গ্যাসের নতুন দাম নির্ধারণ

কুমিল্লায় যৌথ অভিযান

মার্চে জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত থাকবে

এক সপ্তাহের মধ্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সহনীয় হবে: ধর্ম উপদেষ্টা

আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা উদ্বোধন করলেন প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস

১০

জাপানের সঙ্গে প্রথম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ

১১

কোনো ব্যাংক বন্ধ করব না: অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ

১২

পৃথিবীর সুরক্ষায় ‘জিরো কার্বন’ ভিত্তিক জীবনধারার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

১৩

ঋণ সুবিধা মানুষের অধিকার: প্রধান উপদেষ্টা

১৪

পেঁয়াজের কেজি মাত্র ৩ টাকা !

১৫

নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ মাছ ধরায় ৭ দিনে ১২৯ জেলের কারাদণ্ড

১৬

মার্কিন ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আমন্ত্রণ ড. ইউনূসের

১৭

দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে ‘হার্ডলাইনে’ যেতে হবে: উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ

১৮

চিনির দাম কমাতে শুল্ক কমালো এনবিআর

১৯

বাজার দর স্থিতিশীল রাখতে সাড়ে ৪ কোটি ডিম আমদানির অনুমোদন

২০

নতুন বাংলাদেশ গড়তে ব্যবসায়ীদের প্রতি একসঙ্গে কাজ করার আহবান জানালেন ড. ইউনূস

নতুন বাংলাদেশ গড়তে ব্যবসায়ীদের প্রতি একসঙ্গে কাজ করার আহবান জানালেন ড. ইউনূস
সংগৃহীত

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক . মুহাম্মদ ইউনূস ছাত্রদের আকাঙ্ক্ষার নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সরকারের সাথে একজোট হয়ে কাজ করার জন্য ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছেন,  “ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান নতুন বাংলাদেশ গড়ার যে সুযোগ এনে দিয়েছে, তা ব্যবহার করে আমরা অতীতের পচা বাংলাদেশ থেকে একটা নতুন তরতাজা বাংলাদেশের সৃষ্টি করতে চাই। আসুন, লক্ষ্যে আমরা একসঙ্গে কাজ করি।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে আয়োজিত ন্যাশনাল বিজনেস সংলাপে তিনি আরো বলেন, “এটা কোনও কল্পকাহিনী না। আমার দৃঢ় বিশ্বাস- আপনার মনস্থির করে এগিয়ে এলে খুব দ্রুত গতিতে আমরা নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারবো।

ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স, বাংলাদেশ (আইসিসিবি) এবং জাতীয় পর্যায়ের ১৫টি বাণিজ্যিক সংগঠন সংলাপের আয়োজন করে।

সবাই মিলে একজোট হয়ে কাজ করলে তরুণদের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে তোলা অবশ্যম্ভাবী- এমন আশাবাদ ব্যক্ত করে ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে নোবেলবিজয়ী . ইউনূস বলেন, “আমরা যে বড় কিছু করতে পারি তার প্রমাণ হলো ব্যবসায়ীরা। বিরাট দুঃসাহস নিয়ে আপনারা উদ্যোক্তা হয়েছেন। বাংলাদেশিদের কাছে শিল্পপতি হওয়া দুঃস্বপ্ন ছিল, কিন্তু আপনারা সেটা করতে পেরেছেন। আপনারা বিশ্বমানের উদ্যোক্তা। যুবকরা যে সুযোগ এনে দিয়েছে তা কাজে লাগিয়ে আপনারা স্বপ্নের নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারবেন।

তিনি বলেন, “বাংলাদেশের ১৭ কোটি মানুষ পারস্পারিকভাবে পরিচিত এবং একজনের সঙ্গে আরেকজনের যোগসূত্র রয়েছে। দুনিয়ায় এমন কোনও দেশ পাওয়া যাবে না যেখানে পরস্পর পরস্পরের সঙ্গে এমন ঘনিষ্ঠ। এখানে হয়তো কেউ সরকারে আছেন, কেউবা সরকারের বাইরে আছেন বা ব্যবসা করছেন। অথবা কেউ আছেন বিদেশে। কিন্তু আমাদের সবার সঙ্গে একটা যোগসূত্র আাছে। পারস্পারিক এই যোগসূত্রই আমাদের বড় শক্তি যা আমাদের স্বপ্ন পূরণে ভূমিকা রাখতে পারে।

তরুণদের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে নোবেলবিজয়ী . ইউনূস বলেন, “যে কয়টা দিন সরকারে থাকি- আমরা একসঙ্গে কাজ করতে চাই। আমাদের অঙ্গীকার হলো- নতুন বাংলাদেশের জন্য যা আছে তা করবো। যেন বলে যেতে পারি- এই দেশ আমাদেরকে একটা সুযোগ দিয়েছিল, আমরা সেই সুযোগের সদ্ব্যবহার করেছি।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে তরুণরা প্রাণ দিয়েছে। যে বাংলাদেশে তাদের জন্ম বেড়ে ওঠা তা অসহ্য হয়ে উঠেছিল। কারণে যখন ছাত্রদের প্রাণ ঝরছিল- তখন সারাদেশের মানুষ তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশে এমন কোনও মানুষ ছিল না তাদের সমর্থন করেনি। তাদের প্রাণের ফলে আমরা একটা নতুন সুযোগ পেয়েছি।

ছাত্র-জনতার আকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ বিনির্মাণে সংস্কার বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে . ইউনসূ বলেন, “সংস্কার কেবল সরকারের ওপর ছেড়ে দেবেন না। আসুন সবাই মিলে সংস্কার করি। যেখানে ভুল দেখবেন, আত্ম-জিজ্ঞাসা করবেন-সেখান থেকে বেরিয়ে আসার। ছেলেদের আত্মাহুতির দিকে তাকিয়ে ভুলপথ পরিহার করুন।

শ্রমিক-মালিকের মধ্যে সরকার সুসম্পর্ক গড়ে তুলতে চায় উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “আমাদের মেয়াদকালে আমরা শ্রমিক-মালিকের সম্পর্ক সুন্দরভাবে গড়ে তুলতে চাই। আমরা এখনও জেনেভা কনভেনশনে যোগ দিতে পারিনি। আমাদেরকে সাহস দিন, এগিয়ে আসুন, আমরা সবাই মিলে আইএলও কনভেনশনে স্বাক্ষর করি।

তিনি শ্রমিকদের যা প্রাপ্য, মালিকদের তাতে শরিক হওয়ার আহ্বান জানান।

বাংলাদেশে ব্যবসা পরিচালনায় অনেক বাধা রয়ে গেছে উল্লেখ করে অধ্যাপক . ইউনূস বলেন, “ব্যবসায় বাধার কোনও সীমা নেই। ব্যবসা করা এক মহা সংগ্রাম। তবে আমরা এসব বাধা পেরিয়ে যেতে আজ একযোগে সরকার, সরকারের বাইরে সবাই এক পরিবারের সদস্য হিসেবে কাজ করে যাবো।

তিনি ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে বলেন, “বাংলাদেশ নিম্ন মধ্য-আয়ের দেশ থেকে উচ্চ মধ্য-আয়ের দেশে উন্নীত হলে রফতানির ক্ষেত্রে কিছু সুবিধা হারাবে। কিন্তু আমাদের প্রতিযোগিতায় শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হওয়ার সক্ষমতা অর্জন করতে হবে।

দেশের প্রান্তিক মানুষের পাশে দাঁড়াতে ব্যবসায়ীদের সামাজিক ব্যবসা চালুর আহ্বান জানিয়ে . ইউনূস বলেন, “আপনার গ্রাম, উপজেলা কিংবা আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের এলাকায় সামাজিক ব্যবসা গড়ে তুলুন। বিশুদ্ধ পানি, স্বাস্থ্য সেবা, শিক্ষা পরিবেশ উন্নয়নমূলক সামাজিক ব্যবসা করা যেতে পারে। এক্ষেত্রে আপনি বিনিয়োগ করবেন মুনাফার জন্য নয়, অন্যের সহায়তা বা সুবিধার জন্য।

সংলাপে অর্থ উপদেষ্টা , সালেহউদ্দিন আহমেদ, পরিকল্পনা উপদেষ্টা . ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ এবং ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ শিল্প বণিক সমিতি ফেডারেশন (এফবিসিসিআই)’ সাবেক সভাপতি মীর নাসির হোসেন বক্তব্য রাখেন। সূত্র: বাসস

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ওসির প্রত্যাহারের খবর পাওয়া মাত্রই পাওনাদাররা ভিড় জমালো থানায়

বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারে পাশে থাকবে জাতিসংঘ : আন্তোনিও গুতেরেস

কুমিল্লায় বাজার মনিটরিং টাস্কফোর্সের অভিযান

কুমিল্লায় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কঠোর মনিটরিং

রমজানে সিএনজি স্টেশন বন্ধ রাখার নতুন সময়সূচি

এলপি গ্যাসের নতুন দাম নির্ধারণ

কুমিল্লায় যৌথ অভিযান

মার্চে জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত থাকবে

এক সপ্তাহের মধ্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সহনীয় হবে: ধর্ম উপদেষ্টা

আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা উদ্বোধন করলেন প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস

১০

জাপানের সঙ্গে প্রথম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ

১১

কোনো ব্যাংক বন্ধ করব না: অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ

১২

পৃথিবীর সুরক্ষায় ‘জিরো কার্বন’ ভিত্তিক জীবনধারার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

১৩

ঋণ সুবিধা মানুষের অধিকার: প্রধান উপদেষ্টা

১৪

পেঁয়াজের কেজি মাত্র ৩ টাকা !

১৫

নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ মাছ ধরায় ৭ দিনে ১২৯ জেলের কারাদণ্ড

১৬

মার্কিন ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আমন্ত্রণ ড. ইউনূসের

১৭

দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে ‘হার্ডলাইনে’ যেতে হবে: উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ

১৮

চিনির দাম কমাতে শুল্ক কমালো এনবিআর

১৯

বাজার দর স্থিতিশীল রাখতে সাড়ে ৪ কোটি ডিম আমদানির অনুমোদন

২০

মিলেছে জ্বালানি গ্যাস, দৈনিক জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে এক কোটি ঘনফুট গ্যাস

মিলেছে জ্বালানি গ্যাস, দৈনিক জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে এক কোটি ঘনফুট গ্যাস
সংগৃহীত

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার অম্বরনগর ইউনিয়নে খনন করা বেগমগঞ্জ-৪ (পশ্চিম) কূপের তিনটি স্তরে মিলেছে জ্বালানি গ্যাস। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন এন্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স) আশা করছে এ থেকে দৈনিক এক কোটি (১০ মিলিয়ন) ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে বলে ।

 

সোমবার (১২ আগস্ট) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করে বাপেক্সের ভূ-পদার্থিক বিভাগের জেনারেল ম্যানেজার হাওলাদার ওহিদুল ইসলাম বলেন, ওয়াছেকপুর গ্রামে খনন করা বেগমগঞ্জ-৪ (পশ্চিম) কূপে মিলেছে গ্যাসের অস্তিত্ব। ২০২৪ সালের ২৯ এপ্রিল শুরু হওয়া খননকাজের পর ডিএসটি টেস্ট শেষে এখন চলছে সর্বনিম্ন স্তরের উৎপাদন টেস্ট। প্রাথমিকভাবে কূপটির তিনটি স্তরে পর্যাপ্ত গ্যাস আছে। এ টেস্ট শেষে জানা যাবে এখানে মজুত থাকা মোট গ্যাসের পরিমাণ।


বাপেক্স সূত্রে আরো জানা যায়, কূপটিতে তিন হাজার ১১৩ মিটার গভীর পর্যন্ত খনন করা হয়, যার মধ্যে এক হাজার ৯২১ থেকে এক হাজার ৯৭৩ মিটার পর্যন্ত প্রথম স্তর, দুই হাজার ৫৪৮ মিটার থেকে দুই হাজার ৫৮৫ মিটার পর্যন্ত দ্বিতীয় স্তর এবং তিন হাজার ৮১ মিটার থেকে তিন হাজার ১০১ মিটার পর্যন্ত তৃতীয় স্তরে গ্যাসের অস্তিত্ব মিলেছে।

 

বেগমগঞ্জ-৪ (পশ্চিম) কূপের তিনটি স্তর থেকে প্রতিদিন ১০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে।


হাওলাদার ওহিদুল ইসলাম বলেন, আমাদের লক্ষ্যমাত্রার থেকে বেশি গ্যাস মিলতে পারে বলে ধারণা করছি। এখন পর্যন্ত টার্গেট চারটি জোনের মধ্যে তিনটি জোন থেকে বাণিজ্যিকভাবে গ্যাস উত্তোলন করা যাবে বলে আশা করছি।’

 


বাপেক্সের ভূতাত্ত্বিক বিভাগের মহাব্যবস্থাপক শামসিয়া মুক্তাদির বলেন, ‘প্রাকৃতিক গ্যাসের সন্ধানে বাপেক্স দীর্ঘদিন থেকে কাজ করে আসছে। বেগমগঞ্জ-৪ (পশ্চিম) কূপটিতে খনন কাজ শুরু এ বছরের ২৯ এপ্রিল। দেশের সার্বিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল না থাকায় আমাদের খনন কাজেও কিছুটা বিলম্ব হয়েছে। দিনশেষে আমরা সফল হতে পেরেছি।’ 

 


বেগমগঞ্জ-৪ (পশ্চিম) মূল্যায়ন কাম উন্নয়ন কূপের প্রজেক্ট ডিরেক্টর মো. প্রিন্স আল হেলাল বলেন, এখান থেকে প্রতিদিন ১০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যোগ করার লক্ষ্যমাত্রা ছিলো। তবে লোয়ার জোনে গ্যাসের কন্ডিশন দেখে মনে হচ্ছে, আরও ভালো কিছু আশা করা যাবে। উৎপাদন টেস্ট শেষে মোট গ্যাসের মজুত সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।


ড্রিলিং ইনচার্জ মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, ‘এটি খনন করতে আমাদের নানা প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়তে হয়েছে। সব প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে আমরা আজ আলোর মুখ দেখছি। একসময় গ্যাসকূপ খননের কাজে বিদেশি শ্রমিক ও কর্মকর্তারা যুক্ত থাকতেন। কিন্তু এখন তার পরিবর্তন হয়েছে। এ কূপ খননের সঙ্গে জড়িত প্রায় দুই শতাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী সবাই বাংলাদেশের। এটাও আমাদের জন্য অনেক আনন্দের।’


এর আগে, ১৯৭৬ সালে বেগমগঞ্জ-১ ও ১৯৭৮ সালে বেগমগঞ্জ-২ গ্যাসকূপ খনন করা হলেও সেগুলো থেকে গ্যাস উত্তোলন করা সম্ভব হয়নি। ২০১৪ সালে বেগমগঞ্জ-৩ কূপ খনন করা হয় এবং সেখান থেকে এখনো প্রতিদিন ৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস ফেনী-নোয়াখালী-লক্ষ্মীপুর আঞ্চলিক সঞ্চালন লাইনে সরবরাহ করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে এখানে বেগমগঞ্জ-৫ ও বেগমগঞ্জ -৬ কূপ খননের পরিকল্পনা রয়েছে বাপেক্সের।

 

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ওসির প্রত্যাহারের খবর পাওয়া মাত্রই পাওনাদাররা ভিড় জমালো থানায়

বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারে পাশে থাকবে জাতিসংঘ : আন্তোনিও গুতেরেস

কুমিল্লায় বাজার মনিটরিং টাস্কফোর্সের অভিযান

কুমিল্লায় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কঠোর মনিটরিং

রমজানে সিএনজি স্টেশন বন্ধ রাখার নতুন সময়সূচি

এলপি গ্যাসের নতুন দাম নির্ধারণ

কুমিল্লায় যৌথ অভিযান

মার্চে জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত থাকবে

এক সপ্তাহের মধ্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সহনীয় হবে: ধর্ম উপদেষ্টা

আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা উদ্বোধন করলেন প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস

১০

জাপানের সঙ্গে প্রথম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ

১১

কোনো ব্যাংক বন্ধ করব না: অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ

১২

পৃথিবীর সুরক্ষায় ‘জিরো কার্বন’ ভিত্তিক জীবনধারার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

১৩

ঋণ সুবিধা মানুষের অধিকার: প্রধান উপদেষ্টা

১৪

পেঁয়াজের কেজি মাত্র ৩ টাকা !

১৫

নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ মাছ ধরায় ৭ দিনে ১২৯ জেলের কারাদণ্ড

১৬

মার্কিন ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আমন্ত্রণ ড. ইউনূসের

১৭

দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে ‘হার্ডলাইনে’ যেতে হবে: উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ

১৮

চিনির দাম কমাতে শুল্ক কমালো এনবিআর

১৯

বাজার দর স্থিতিশীল রাখতে সাড়ে ৪ কোটি ডিম আমদানির অনুমোদন

২০

নিষেধাজ্ঞা শেষে অর্ধলক্ষাধিক জেলে মাছ শিকারে নেমেছেন

নিষেধাজ্ঞা শেষে অর্ধলক্ষাধিক জেলে মাছ শিকারে নেমেছেন
ফাইল ছবি

চাঁদপুরের চরভৈরবী থেকে ষাটনল পর্যন্ত ৭০ কিলোমিটার নদী এলাকায় বসবাস করেন প্রায় অর্ধলক্ষাধিক জেলে। দেশের ৬টি অভয়াশ্রমে ইলিশ সহ সব ধরনের মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা শেষ হয়েছে গত মধ্যরাতে।মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকে ভোলা, চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর সহ নদী অঞ্চলে জেলেদের ইলিশ ধরতে দেখা গেছে।


যৌথ অভিযানে জাটকা সংরক্ষণ অভিযান সফল হওয়ায় এবার ইলিশ উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছয় লাখ মেট্রিক টন ছাড়িয়ে যাবে বলে জানিয়েছে জেলা মৎস্য অফিস।

এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকেই জেলেরা জাল, নৌকা ও ট্রলার নিয়ে ইলিশসহ অন্য মাছ শিকারে প্রস্তুতি নেন।

জেলা মৎস্য অফিস জানিয়েছে, এবার ৫৭৫টি অভিযান, ১২৮টি মোবাইল কোর্ট, ৩৩৪ জন জেলেকে আটক করে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, প্রায় ৫৩ দশমিক ৯১০ লাখ মিটার কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়েছে। এদিকে, ৩ দশমিক ৪১৬ মেট্রিক টন জাটকা আটক করে দুস্থ ও এতিমদের মাঝে বিতরণ করে দেওয়া হয়েছে। আর জরিমানা আদায় করা হয়েছে ছয় লাখ ৫০৫ টাকা।

নিষেধাজ্ঞা শেষে মাছ শিকার নিয়ে নৌ পুলিশ জানিয়েছে, নিষেধাজ্ঞার সময় ১ মার্চ থেকে ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত ইলিশ অভয়াশ্রমে অভিযান চালিয়ে ১৯ কোটি ১৩ লাখ মিটার অবৈধ জাল, ১৭ হাজার ৮১৯ কেজি মাছ, ২৪৪টি নৌকাসহ এক হাজার ১১৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে চাঁদপুর জেলার নৌ থানা পুলিশ। তাদের বিরুদ্ধে ১৭০টি নিয়মিত মামলা করা হয়েছে। এছাড়া ২২৬ আসামিকে ৪৮টি মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে। ২১৩ জনকে ছয় লাখ ২৭ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ১৫২ জন অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় অভিভাবকের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা গোলাম মেহেদী হাসান বলেন, জেলেদের খাদ্য সহায়তা হিসেবে জনপ্রতি ৪০ কেজি করে চার কিস্তিতে মোট ১৬০ কেজি চাল সহায়তা দেওয়া হয়েছে। ফলে জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, কোস্টগার্ড ও জেলা টাস্কফোর্সের যৌথ অভিযানে জাটকা সংরক্ষণ অভিযান সফল হওয়ায় ইলিশ উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছয় লাখ মেট্রিক টন ছাড়িয়ে যাবে। তাছাড়া অসাধু জেলেদের আটক করে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ও জরিমানা আদায় করা হয়েছে।

দেশের ইলিশ সম্পদ রক্ষায় সরকার প্রতি বছর ১ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল দুই মাসের কর্মসূচি ঘোষণা করে। এই নির্দিষ্ট সময়ে মাছ ধরা, পরিবহন, বিক্রি ও মজুত সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকে ।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ওসির প্রত্যাহারের খবর পাওয়া মাত্রই পাওনাদাররা ভিড় জমালো থানায়

বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারে পাশে থাকবে জাতিসংঘ : আন্তোনিও গুতেরেস

কুমিল্লায় বাজার মনিটরিং টাস্কফোর্সের অভিযান

কুমিল্লায় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কঠোর মনিটরিং

রমজানে সিএনজি স্টেশন বন্ধ রাখার নতুন সময়সূচি

এলপি গ্যাসের নতুন দাম নির্ধারণ

কুমিল্লায় যৌথ অভিযান

মার্চে জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত থাকবে

এক সপ্তাহের মধ্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সহনীয় হবে: ধর্ম উপদেষ্টা

আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা উদ্বোধন করলেন প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস

১০

জাপানের সঙ্গে প্রথম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ

১১

কোনো ব্যাংক বন্ধ করব না: অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ

১২

পৃথিবীর সুরক্ষায় ‘জিরো কার্বন’ ভিত্তিক জীবনধারার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

১৩

ঋণ সুবিধা মানুষের অধিকার: প্রধান উপদেষ্টা

১৪

পেঁয়াজের কেজি মাত্র ৩ টাকা !

১৫

নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ মাছ ধরায় ৭ দিনে ১২৯ জেলের কারাদণ্ড

১৬

মার্কিন ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আমন্ত্রণ ড. ইউনূসের

১৭

দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে ‘হার্ডলাইনে’ যেতে হবে: উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ

১৮

চিনির দাম কমাতে শুল্ক কমালো এনবিআর

১৯

বাজার দর স্থিতিশীল রাখতে সাড়ে ৪ কোটি ডিম আমদানির অনুমোদন

২০

সর্বজনীন পেনশন স্কিমে যুক্ত হলো ‘প্রত্যয় স্কিম’

সর্বজনীন পেনশন স্কিমে যুক্ত হলো ‘প্রত্যয় স্কিম’
সংগৃহীত

বুধবার (২০ মার্চ) অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সর্বজনীন পেনশন স্কিমে ‘প্রত্যয় স্কিম’ নামে নতুন স্কিম চালু করা হয়েছে। সব স্ব-শাসিত, স্বায়ত্তশাসিত, রাষ্ট্রায়ত্ত, সংবিধিবদ্ধ বা সমজাতীয় সংস্থা এবং তাদের অধীনস্থ অঙ্গ প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য প্রযোজ্য প্রত্যয় স্কিমের রূপ রেখা ঘোষণা করা হয়েছে। চলতি বছরের ১ জুলাই ও তারপরে নতুন যোগদান করবেন তাদের সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থাপনা আইনের অন্তর্ভূক্ত করেছে সরকার।


বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, চলতি বছরের ১৩ মার্চ জারি করা এসআরও (নং-৪৭-আইন/২০২৪) এর মাধ্যমে সব স্ব-শাসিত, স্বায়ত্তশাসিত, রাষ্ট্রায়ত্ত, সংবিধিবদ্ধ বা সমজাতীয় সংস্থা এবং তাদের অধীনস্থ অঙ্গ প্রতিষ্ঠানগুলোর চাকরিতে যেসব কর্মকর্তা বা কর্মচারী চলতি বছরের ১ জুলাই ও তার পরে নতুন যোগদান করবেন, তাদের সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থাপনা আইনের অন্তর্ভূক্ত করেছে সরকার।


এছাড়া ১৩ মার্চ জারি করা এসআরও (নং-৪৮-আইন/২০২৪) এর মাধ্যমে এসব প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের জন্য প্রযোজ্য প্রত্যয় স্কিমের রূপ রেখা ঘোষণা করা হয়েছে। প্রত্যয় স্কিম চালুর ফলে এসব প্রতিষ্ঠানের বিদ্যমান কর্মকর্তা/কর্মচারীদের স্বার্থ ক্ষুণ্ন হবে না এবং তাদের বিদ্যমান পেনশন/আনুতোষিক সুবিধা অক্ষুণ্ন থাকবে।


তবে, যাদের ন্যূনতম ১০ বছর চাকরি অবশিষ্ট আছে তারা আগ্রহ প্রকাশ করলে প্রত্যয় স্কিমে অংশগ্রহণ করতে পারবেন। প্রত্যয় স্কিমে অংশগ্রহণের মাধ্যমে অবসর জীবনে মাসিক পেনশন প্রাপ্য হবেন বিধায় চলতি বছরের ১ জুলাই ও তার পরবর্তী সময়ে নতুন যোগদান দেওয়া কর্মকর্তা/কর্মচারীদের ভবিষ্যৎ আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।  


বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, বিদ্যমান ব্যবস্থায় খুব কম সংখ্যক স্ব-শাসিত, স্বায়ত্তশাসিত, রাষ্ট্রায়ত্ত, সংবিধিবদ্ধ বা সমজাতীয় সংস্থা এবং তাদের অধীনস্থ অঙ্গ প্রতিষ্ঠানে পেনশন স্কিম চালু রয়েছে। এ ধরনের অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কর্মচারীরা আনুতোষিক স্কিমের আওতাভুক্ত এবং তাদের জন্য সিপিএফ ব্যবস্থা প্রযোজ্য। উক্ত ব্যবস্থায় কর্মচারীরা চাকরি শেষে অবসর সুবিধা হিসাবে এককালীন আনুতোষিক প্রাপ্য হন, কিন্তু মাসিক কোনো পেনশন প্রাপ্য হন না।


ফলে অবসরোত্তর জীবনে প্রায় ক্ষেত্রেই আর্থিক অনিশ্চয়তার সম্মুখীন হন। কর্মচারীদের অবসরোত্তর জীবনের আর্থিক ও সামাজিক সুরক্ষা প্রদানে বিদ্যমান ব্যবস্থার বিকল্প হিসেবে সরকার ‘প্রত্যয় স্কিম’ প্রবর্তন করেছে। প্রত্যয় স্কিমে অংশগ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বা কর্মচারীর প্রাপ্ত মূল বেতনের ১০ শতাংশ বা সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার টাকা, যাহা কম হয় তা কর্মকর্তা বা কর্মচারীর বেতন থেকে কর্তন করা হবে এবং সমপরিমাণ অর্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা প্রদান করবে।


এরপর উভয় অর্থ ওই প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত ওই কর্মকর্তা/কর্মচারীর কর্পাস হিসাবে জমা করবে। এ প্রক্রিয়ায় ওই কর্মকর্তা-কর্মচারীর পেনশন ফান্ড গঠিত হবে এবং ওই ফান্ড জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক লাভজনক খাতে বিনিয়োগের মাধ্যমে প্রাপ্য মুনাফা এবং চাঁদা হিসাবে জমা করা অর্থের ভিত্তিতে পেনশন প্রদান করা হবে।


অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বিদ্যমান সিপিএফ ব্যবস্থায় কর্মচারী মূল বেতনের ১০ শতাংশ এবং প্রতিষ্ঠান মূল বেতনের ৮.৩৩ শতাংশ প্রদান করে থাকে। প্রত্যয় স্কিমে প্রতিষ্ঠান প্রদান করবে মূল বেতনের ১০ শতাংশ যা সিপিএফ ব্যবস্থা থেকে ১.৬৭ শতাংশ বেশি। প্রত্যয় স্কিমে একজন ব্যক্তি একটি প্রতিষ্ঠানে যোগদানের পর মাসিক দুই হাজার ৫০০ টাকা নিজ বেতন থেকে এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান থেকে একই পরিমাণ টাকা ৩০ বছর চাঁদা প্রদান করলে তিনি অবসর গমনের পর অর্থ্যাৎ ৬০ বছর বয়স থেকে মাসিক ৬২ হাজার ৩৩০ টাকা হারে পেনশন প্রাপ্য হবেন।


তবে এ ক্ষেত্রে ৩০ বছর ধরে মাসিক দুই হাজার ৫০০ টাকা হারে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর নিজ বেতন থেকে প্রদত্ত মোট চাঁদার পরিমাণ নয় লাখ টাকা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থা কর্তৃক প্রদত্ত মোট চাঁদার পরিমাণ নয় লাখ টাকা। অর্থ্যাৎ প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট কর্মচারী মিলিয়ে সর্বমোট চাঁদার পরিমাণ হবে ১৮ লাখ টাকা। তিনি যদি ৭৫ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন তবে ১৫ বছরে পেনশন প্রাপ্য হবেন এক কোটি ১২ লাখ ১৯ হাজার ৪০০  টাকা। যা সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর নিজ জমার ১২.৪৭ গুণ।  

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ওসির প্রত্যাহারের খবর পাওয়া মাত্রই পাওনাদাররা ভিড় জমালো থানায়

বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারে পাশে থাকবে জাতিসংঘ : আন্তোনিও গুতেরেস

কুমিল্লায় বাজার মনিটরিং টাস্কফোর্সের অভিযান

কুমিল্লায় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কঠোর মনিটরিং

রমজানে সিএনজি স্টেশন বন্ধ রাখার নতুন সময়সূচি

এলপি গ্যাসের নতুন দাম নির্ধারণ

কুমিল্লায় যৌথ অভিযান

মার্চে জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত থাকবে

এক সপ্তাহের মধ্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সহনীয় হবে: ধর্ম উপদেষ্টা

আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা উদ্বোধন করলেন প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস

১০

জাপানের সঙ্গে প্রথম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ

১১

কোনো ব্যাংক বন্ধ করব না: অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ

১২

পৃথিবীর সুরক্ষায় ‘জিরো কার্বন’ ভিত্তিক জীবনধারার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

১৩

ঋণ সুবিধা মানুষের অধিকার: প্রধান উপদেষ্টা

১৪

পেঁয়াজের কেজি মাত্র ৩ টাকা !

১৫

নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ মাছ ধরায় ৭ দিনে ১২৯ জেলের কারাদণ্ড

১৬

মার্কিন ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আমন্ত্রণ ড. ইউনূসের

১৭

দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে ‘হার্ডলাইনে’ যেতে হবে: উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ

১৮

চিনির দাম কমাতে শুল্ক কমালো এনবিআর

১৯

বাজার দর স্থিতিশীল রাখতে সাড়ে ৪ কোটি ডিম আমদানির অনুমোদন

২০

পহেলা বৈশাখে এবার ইলিশের সরবরাহ কম,দামও বেশি

পহেলা বৈশাখে এবার ইলিশের সরবরাহ কম,দামও বেশি
সংগৃহীত

পহেলা বৈশাখকে কেন্দ্র করে মঙ্গল শোভাযাত্রা থেকে শুরু করে পান্তা-ইলিশ শোভা পায় বাঙালির পাতে।

ঐতিহ্যবাহী এই উৎসবকে কেন্দ্র করে মাছের বাজারে রুপালি ইলিশের কদর থাকে বরাবরই তুঙ্গে।

এবারও পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে যথারীতি বাজারে ইলিশের চাহিদা রয়েছে। তবে সে তুলনায় সরবরাহ কম হওয়ায় বেশি দামেই ইলিশ মাছ কিনতে হচ্ছে ক্রেতাদের।

মাছ ব্যবসায়ীরা দাবি করছেন, অন্যান্য সময়ের চাইতে এখন ইলিশ ধরা পড়ছে কম। এজন্য বাজারে সরবরাহ কম, ফলে দাম বেশি। সাধারণত সরবরাহ বেশি হলেই দাম কম হয়। কিন্তু এবার পাইকারি বাজারেও ভিন্ন চিত্র।

বড় আকারের ইলিশের দেখা খুব একটা মিলছে না। বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, এক কেজির নিচে, ৭০০ থেকে ৮০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে, সঙ্গে পাওয়া যাচ্ছে জাটকা। ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তারা প্রতিকেজি জাটকা বিক্রি করছেন সাড়ে ৬ শ' থেকে ৭ শ' টাকায়। ৭০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ দাম ১২০০ টাকা, ৮০০ গ্রাম ইলিশের দাম ১৩৫০ থেকে দেড় হাজার টাকার মতো। ১ হাজার টাকায় পাওয়া যাচ্ছে ৫৫০ গ্রাম ওজনের ইলিশ।

এবার ঈদের ছুটির সঙ্গে এবার পহেলা বৈশাখের ছুটি একসঙ্গে হওয়ায় অনেক মানুষ শহরে নেই ফলে অন্যান্যবারের পহেলা বৈশাখের মতো ইলিশ বেচাবিক্রির ধুম সেভাবে চোখে পড়ছে না।

বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, কাঁচাবাজারগুলোতে ক্রেতা কম থাকায় বেশিরভাগ দোকানি অলস সময় পার করছেন। ঈদে শাকসবজির দাম বাড়েনি। অন্যদিকে ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিপ্রতি ১০ টাকা বেড়েছে। সোনালি বা লেয়ার মুরগির দামও বেড়েছে ২০-৩০ টাকা। এছাড়া বেশিরভাগ দোকানে গরুর মাংসের দাম ৮০০ টাকা, আর খাসির মাংসের দাম ১২০০ থেকে ১৩০০ টাকা। সার্বিকভাবে বাজার স্বাভাবিকই আছে। তবে ঈদের ছুটির কারণে চাহিদা কম, ফলে সরবরাহও কম। একই প্রভাব পড়েছে ইলিশের বাজারে, যার ফলে বড় আকারের ইলিশেরও দেখা মিলছে না।


global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ওসির প্রত্যাহারের খবর পাওয়া মাত্রই পাওনাদাররা ভিড় জমালো থানায়

বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারে পাশে থাকবে জাতিসংঘ : আন্তোনিও গুতেরেস

কুমিল্লায় বাজার মনিটরিং টাস্কফোর্সের অভিযান

কুমিল্লায় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কঠোর মনিটরিং

রমজানে সিএনজি স্টেশন বন্ধ রাখার নতুন সময়সূচি

এলপি গ্যাসের নতুন দাম নির্ধারণ

কুমিল্লায় যৌথ অভিযান

মার্চে জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত থাকবে

এক সপ্তাহের মধ্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সহনীয় হবে: ধর্ম উপদেষ্টা

আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা উদ্বোধন করলেন প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস

১০

জাপানের সঙ্গে প্রথম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ

১১

কোনো ব্যাংক বন্ধ করব না: অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ

১২

পৃথিবীর সুরক্ষায় ‘জিরো কার্বন’ ভিত্তিক জীবনধারার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

১৩

ঋণ সুবিধা মানুষের অধিকার: প্রধান উপদেষ্টা

১৪

পেঁয়াজের কেজি মাত্র ৩ টাকা !

১৫

নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ মাছ ধরায় ৭ দিনে ১২৯ জেলের কারাদণ্ড

১৬

মার্কিন ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আমন্ত্রণ ড. ইউনূসের

১৭

দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে ‘হার্ডলাইনে’ যেতে হবে: উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ

১৮

চিনির দাম কমাতে শুল্ক কমালো এনবিআর

১৯

বাজার দর স্থিতিশীল রাখতে সাড়ে ৪ কোটি ডিম আমদানির অনুমোদন

২০