

যশোরের
ঝিকরগাছায় স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া প্রেমের জেরে বন্ধুকে খুন করার অভিযোগ উঠেছে কিসমত
বাবু ওরফে ক্যাসেট বাবুর বিরুদ্ধে। ঘটনার পর থেকে কিসমত বাবু ও তার স্ত্রী রিয়া
খাতুন (২০) পলাতক রয়েছেন।
শনিবার (২০ জানুয়ারি) সকালে যশোরের ঝিকরগাছা পৌর
এলাকার আফিল রোডের ক্যাসেট বাবুর বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত তৌফিক হাসান (২২)
ঝিকরগাছা উপজেলার কৃষ্ণনগর গ্রামের কারিগরপাড়ার শাহাদৎ হোসেনের ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে ক্যাসেট বাবুর
স্ত্রী রিয়া খাতুনের সঙ্গে তৌফিকের পরকীয়া সম্পর্ক চলছি। শুক্রবার রাতে রান্না ঘরে
স্ত্রীর সঙ্গে তৌফিককে দেখে ফেলেন বাবু। এ ঘটনার জের ধরে শনিবার সকালে মুঠোফোনে
তৌফিককে বাড়িতে ডেকে নিয়ে ছুড়িকাঘাত করে ক্যাসেট বাবু। পরে তৌফিককে উদ্ধার করে
ঝিকরগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎকরা তাকে যশোর ২৫০ শয্যা
বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে রেফার করেন। সেখানে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা
করেন।
নিহতের খালা রত্না খাতুন বলেন, প্রতিদিনের ন্যায় আফিল ফার্মে কাজে যাচ্ছিল তৌফিক।
বাবুর ফোন পেয়ে আফিল রোডে তাদের বাড়িতে যায় তৌফিক।
চাচাতো ভাই মো. শাহিন বলেন, ক্যাসেট বাবু ও তৌফিকের মধ্যে বন্ধুত্ব সম্পর্ক ছিল,
দুজনের দুজনার বাড়িতে যাতায়াত ছিল।
ঝিকরগাছা থানার ওসি কামাল হোসেন ভূঁইয়া বলেন, পরকীয়ার জের ধরে এক বন্ধুর
ছুড়িকাঘাতে আরেক বন্ধু নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারে পুলিশি অভিযান
চলছে। দ্রুত তাদেরকে গ্রেফতার করা হবে।
মন্তব্য করুন


দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রীর (১১) বিয়ে পড়ানো হয়েছে। কাজি ডাকারও তোড়জোড় চলছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন ইউএনও। বিয়ে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যান বর ও কনের পরিবার। তবে শেষ রক্ষা হয়নি তাদের। সড়কে আটকে রেখে বসানো হয় ভ্রাম্যমাণ আদালত। কারাদণ্ড দেওয়া হর বর, বরের খালা ও কনের মাকে।
সোমবার (২৬ আগস্ট) দুপুরে জয়পুরহাট শহরের সাহেবপাড়া মহল্লায় এ ঘটনা ঘটেছে।
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রাশেদুল ইসলাম ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। এ সময় জয়পুরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ূন কবির উপস্থিত ছিলেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন: শহরের সাহেবপাড়া এলাকায় ফয়জুল হকের ছেলে নাহিদ হাসান (২০), তার খালা রুমা ও কনের মা মাজেদা। এদের মধ্যে নাহিদকে এক মাস, তার খালা ও কনের মাকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় ও ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, মেয়ে ও ছেলের পরিবার একই মহল্লার বাসিন্দা। ১১ বছর বয়সী ওই মেয়ে দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়াশোনা করে। তার বিয়ে দেওয়ার জন্য ছেলেকে তাদের বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। স্থানীয় মৌলভি ডেকে বিয়ে পড়ানো হয়। কাজী ডাকার তোড়জোড় চলছিল। কিন্তু গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে হাজির হন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রাশেদুল ইসলাম।
আর এই খবরে পালিয়ে যান বর ও কনের পরিবার। তাদের পিছু নিয়ে সড়কেই আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। বাল্যবিবাহের বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে কনের মাকে ১৫ দিন। বরকে এক মাস ও অভিভাবক হিসেবে ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকা বরের খালাকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও ইউএনও মো. রাশেদুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থলে গিয়ে শোনা যায়, স্থানীয় মৌলভি ডেকে বিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে রেজিস্ট্রি করা হয়নি বা কোনো ডকুমেন্ট নাই। মেয়ের বয়স কম, সে দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ে। এ কারণে বাল্যবিবাহ আইনে মেয়ের মা, বর ও বরের খালাকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
কারাদণ্ডের পর তিনজনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন জয়পুরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ূন কবির।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার বরুড়ায় দিঘীতে গোসল করতে নেমে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) দুপুর ২টার দিকে পৌর এলাকার সাহারপদুয়া গ্রামে এক হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটেছে।
নিহতরা হলেন, সাহারপদুয়া গ্রামের পোদ্দার বাড়ির বিপ্লব পোদ্দারের ৯ বছর বয়সী মেয়ে নিধি পোদ্দার এবং একই বাড়ির রিপন পোদ্দারের ৮ বছর বয়সী মেয়ে বন্নি পোদ্দার।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুই কন্যা শিশু দিঘীতে গোসল করতে নেমে গভীরে চলে গেলে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত বন্নি পোদ্দার বরুড়া পৌর সাহারপদুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রী ছিল। এই ঘটনায় এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বরুড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কাজী নাজমুল হক জানান, তিনি এই ঘটনার বিষয়ে অবগত আছেন। একই বাড়ির দুই শিশু গোসল করতে গিয়ে পানিতে তলিয়ে যায় এবং স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে। থানা পুলিশের একটি দল বর্তমানে নিহতদের বাড়িতে অবস্থান করছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার চান্দিনার অংশে মাধাইয়া মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি কলেজের সামনে ১৭ আগস্ট শনিবার দুপুর ২টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক এলাকায় একটি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে।
এ দুর্ঘটনায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে খাদে পড়ে মাইক্রোবাসের চালকসহ ৩ জন নিহত হয়েছে। আরও ১ জন মহিলা গুরুতর আহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে দুজন বীমা কোম্পানীর কর্মকর্তা।
নিহতরা
হলেন, চালক তারেক, ট্রাস্ট লাইফ ইন্সুরেন্স কোম্পানীর কর্মকর্তা সাখাওয়াত হোসেন ও মোজাম্মেল
হক।
দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন মাইক্রোবাসে থাকা আরও তিন যাত্রী।
বিষয়টি নিশ্চিত করে চান্দিনা ফায়ার স্টেশন মাস্টার অনয় কুমার ঘোষ জানান, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা একটি মাইক্রোবাস মাধাইয়ার নাওতলা এলাকায় পৌঁছলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মহাসড়কের পাশে থাকা একটি গাছের সাথে ধাক্কা খেলে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই ৩ জন মারা যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা
জানান, মাইক্রোবাসটি চালকসহ ৪ জন যাত্রী নিয়ে চট্টগ্রামের উদ্দেশে যাচ্ছিল। মাধাইয়া
মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি কলেজের সামনের সড়কে ঢাকা-চট্টগ্রাম লেন দ্রুত গতিতে আসা মাইক্রোবাসটি
নিয়ন্ত্রণ হারায়। এতে সড়কের পাশের একটি গাছের সাথে ধাক্কা লাগলে মাইক্রোবাসের সামনের
অংশসহ একপাশ দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই মাইক্রোবাসের চালকসহ ৩ জন নিহত হয়।
মাইক্রোবাসের
ভিতরে থাকা গুরুতর আহত এক নারীকে চান্দিনা ফায়ার সার্ভিসের লোকজন উদ্ধার করে চান্দিনা
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলে অনুষ্ঠিত ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব ইউনিভার্সিটি প্রেসিডেন্টস (IAUP)-এর ৬০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও সেমি-অ্যানুয়াল কনফারেন্স ২০২৫-এ অংশগ্রহণ করেছে কুমিল্লার সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (CCN University of Science & Technology)।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের দুই শতাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট ও গ্লোবাল এডুকেশন লিডারদের অংশগ্রহণে আয়োজিত এ আন্তর্জাতিক সম্মেলনে সিসিএন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ড. মো. তারিকুল ইসলাম চৌধুরী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন ট্রাস্টি বোর্ডের অনারারি ডিরেক্টর (অ্যাডমিনিস্ট্রেশন) ইফতেখারুল ইসলাম চৌধুরী সিয়াম।
এ সম্মেলনে বিশ্বমানের উচ্চশিক্ষা, গবেষণা সহযোগিতা, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা এবং টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় ও অভিজ্ঞতা বিনিময় করা হয়। সিসিএন বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশগ্রহণ বাংলাদেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় অঙ্গনে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে নতুন মাত্রা যোগ করেছে বলে মত দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
মন্তব্য করুন


ঈদযাত্রা স্বস্তি ও আরামদায়ক করতে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে প্রথমবারের মতো ঈদ স্পেশাল ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। ২টি বিশেষ ট্রেনই আসা-যাওয়ার পথে দক্ষিণ চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের ৭টি স্টেশনে থামবে।
ঈদুল ফিতরের আগে ও পরে ৫ দিন এই রুটে অন্তত ২টি স্পেশাল ট্রেন চলবে। এই প্রথম এই অঞ্চলের মানুষ ট্রেনে চড়ে ঈদে বাড়ি যাওয়ার সুযোগ পাবেন। সড়ক পথের উপর বাড়ি ফেরা মানুষের চাপ কিছুটা কমবে। স্বস্তিতে বাড়ি ফেরার আশা এ অঞ্চলের মানুষের।
তারা জানিয়েূছেন, দক্ষিণ চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের মানুষজনের পরিবার-পরিজন নিয়ে ঈদে বাড়ি যেতে কি পরিমাণ দুর্ভোগ পোহাতে হয় সেটা বুঝানো মুশকিল। এবার সে ঝামেলা ও দুর্ভোগ অনেকটাই কমবে। ট্রেনে করে স্বাচ্ছন্দ্যে বাড়ি যাওয়া যাবে।
যে সকল স্টেশনে ট্রেন থামবে:
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটের ট্রেনটি চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশন থেকে সকাল ৭টায় কক্সবাজারের উদ্দোশ্যে রওনা হয়ে পৌঁছাবে সকাল ১০টা ২০ মিনিটে। আবার কক্সবাজার থেকে সন্ধ্যা সাতটায় ছেড়ে চট্টগ্রাম পৌঁছাবে রাত ১০টা ৫ মিনিটে।
পথে ট্রেনটি ষোলোশহর, জানালীহাট, পটিয়া, দোহাজারী, সাতকানিয়া, চকরিয়া, ডুলাহাজারা ও রামু স্টেশনে থামবে।
কক্সবাজার রুটে বাণিজ্যিক ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে গত ১ ডিসেম্বর থেকে। বিপুল যাত্রী চাহিদা থাকলেও গত ৩ মাস ধরে এই রুটে চলাচল করছে মাত্র দুটি ট্রেন। তাও চলছে কেবল ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে।
ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে চলাচল করা কক্সবাজার এক্সপ্রেস ও পর্যটক এক্সপ্রেস বিরতিহীন হওয়ায় দক্ষিণ চট্টগ্রামের লোকজন দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইনের সুফল পাচ্ছেন না। এনিয়ে ক্ষোভ রয়েছে স্থানীয়দের মধ্যে। চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে নতুন ট্রেন চালুর বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়ে আসছেন তারা।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইন এটি আমাদের কাছে স্বপ্নের মতো ছিল। সে স্বপ্ন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাস্তবতায় রূপ দিয়েছেন। কিন্তু এখনো ট্রেনে চড়ে কক্সবাজার যাওয়ার স্বপ্ন অধরাই থেকে গেছে। চট্টগ্রাম অল্পকিছু যাত্রী পরিবহনের সুযোগ রয়েছে। সেখানের টিকিট পাওয়াও দুর্লভ।
বিপুল চাহিদা থাকা সত্ত্বেও কক্সবাজার এক্সপ্রেস ও পর্যটক এক্সপ্রেসে চড়ে প্রতিদিন চট্টগ্রাম থেকে সরাসরি কক্সবাজার যাওয়ার সুযোগ পান মাত্র ১১৫ জন করে যাত্রী। ঈদ যাত্রায় সেটি আরও কয়েকগুণ বেড়ে যাবে।
ঈদে বিপুল এ যাত্রী চাহিদার কথা মাথায় রেখেই এবারের ঈদযাত্রায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে বিশেষ ট্রেন চালাবে রেলওয়ে। এতে ঈদযাত্রায় দক্ষিণ চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের মানুষের দুর্ভোগ লাঘব হবে।
রেলওয়ের বিভাগীয় বাণিজ্যিক কর্মকর্তা তারেক মুহাম্মদ ইমরান বাংলানিউজকে বলেন, এবার প্রথমবারের মতো চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে ঈদযাত্রায় বিশেষ ট্রেন পরিচালনা করা হবে। ট্রেনটি চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশন থেকে সকাল সাতটায় কক্সবাজারের উদ্দোশ্যে রওনা হয়ে পৌঁছাবে সকাল ১০টা ২০ মিনিটে। আবার কক্সবাজার থেকে সন্ধ্যা সাতটায় ছেড়ে চট্টগ্রাম পৌঁছাবে রাত ১০টা ৫ মিনিটে। ট্রেনটি থামবে ৭ টি স্টেশনে ।
ট্রেনে ঈদযাত্রা শুরু হবে আগামী ৩ এপ্রিল। অগ্রিম টিকিট মিলবে ২৪ মার্চ থেকে। গতবারের মতো এবারও ঈদযাত্রার কোনো টিকেট কাউন্টারে বিক্রি করা হবে না। অনলাইনেই টিকিট মিলবে শতভাগ ।
মন্তব্য করুন


শেরপুর
জেলায় নিখোঁজের সাত দিন পর নিখোঁজ সেই তরুণের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। স্থানীয় একাধিক সূত্রের দাবি, গ্রেফতার তরুণীর সঙ্গে নিহত তরুণের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। কিন্তু একটি সম্পর্ক চলাকালে আরেক সম্পর্কে জড়িয়ে
যান ওই তরুণী। তাই ১ম প্রেমিককে সরিয়ে দিতে ২য় প্রেমিকের সহায়তায় তাকে হত্যা করা হয়। তবে পুলিশ বলছে, এ নিয়ে এখনও তদন্ত চলছে।
গতকাল
সোমবার (১১ নভেম্বর) শহরের কাজীবাড়ি পুকুরপাড় এলাকা থেকে দুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় নতুন করে আরেক তরুণকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন
শেরপুরের পুলিশ সুপার আমিনুল ইসলাম ।
নিহত সুমন মিয়া (১৭) পৌরসভার কসবা বারাকপাড়া এলাকার কৃষক মো: নজরুল ইসলামের ছেলে। সে শেরপুর সরকারি কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন, অভিযুক্ত তরুণী আন্নী বেগম (১৭), বাবা আজিম উদ্দিন (৪২) ও দ্বিতীয় প্রেমিক রবিন (১৭)।
জানা যায়, এসএসসি পরীক্ষা চলাকালে প্রথমে পরিচয় এবং পরে প্রেমে জড়ায় শেরপুর পৌরসভার কসবা বারাকপাড়া এলাকার কৃষক নজরুল ইসলামের ছেলে সুমন ও শ্রীবরদীর ভেলুয়া ইউনিয়নের কাউনেরচর এলাকার আজিম উদ্দিনের মেয়ে আন্নী বেগমের। সুমনের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে থেকেও সুমনের অপর বন্ধু শেরপুর শহরের সজবরখিলা মহল্লার ফোরকান পুলিশের ছেলে রবিনের সঙ্গে গড়ে ওঠে গভীর প্রেমের সম্পর্ক। রবিন ময়মনসিংহের একটি কলেজের এইচএসসির প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। পথের কাটা সুমনকে সরাতে ৪ নভেম্বর বিকেলে সুমনকে বিয়ের কথা বলে রবিনের বাড়িতে ডেকে আনে আন্নী ও রবিন। এরপর তাকে হত্যা করে নিজ উঠানে লাউয়ের মাচার নিচে মাটিতে পুঁতে রাখে সুমনের মরদেহ।
এদিকে রাতে সুমন বাড়ি ফিরে না এলে পরদিন সদর থানায় প্রথমে নিখোঁজ ডায়েরি এবং পরে আন্নী ও তার বাবা-মাসহ কয়েকজনের নামে অপহরণ মামলা দায়ের করে সুমনের বাবা নজরুল ইসলাম। এ ঘটনায় পুলিশ সোমবার রাতে আন্নী বেগম ও তার বাবাকে গ্রেফতার করে। পরে আন্নীর স্বীকারোক্তিতে তার অপর প্রেমিক রবিনকে ময়মনসিংহ থেকে গ্রেফতার করা হয়। পরে রবিনের স্বীকারোক্তিতে তার বাড়ির আঙিনায় মাটিচাপা দেওয়া সুমনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
শেরপুরের পুলিশ সুপার আমিনুল ইসলাম বলেন, প্রথমে মামলা নিয়ে কলেজ শিক্ষার্থী আন্নী ও তার বাবাকে গ্রেফতার করেছি। পরে আন্নীর দেওয়া তথ্যমতে রবিনকে গ্রেফতার করা হয়। রবিনের স্বীকারোক্তিতে তার বাড়ি থেকে মাটিচাপা দেওয়া লাশ উদ্ধার করা হয়। এর সঙ্গে আর কারা জড়িত তদন্ত করে বের করা হবে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
আজ
বুধবার (৪ জুন) কুমিল্লা জেলার আদর্শ সদর উপজেলার
সদর ঝাউতলা এলাকায় ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযান পরিচালিত হয়েছে।
এই
সময় জননী ডায়াগনস্টিক সেন্টারে মেয়াদ উত্তীর্ণ রিএজেন্ট পাওয়া যাওয়ায় উক্ত অনুষ্ঠানকে
২৫,০০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং SPICY
BURG ফাস্টফুডে তেলাপোকা ও ছাড়পোকা পাওয়া যায় ফলে এই প্রতিষ্ঠানকে ৫,০০০ টাকাসহ মোট ৩০,০০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
প্রতিশ্রুতি
অনুযায়ী রোগীদের সেবা নিশ্চিত করতে এবং ভবিষ্যতে আরো সতর্ক থাকতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। ভোক্তাদের স্বার্থে
এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর কুমিল্লা।
অভিযান
পরিচালনা করেন, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লার সহকারী পরিচালক মো:
কাউছার মিয়া। উক্ত অভিযানে সহযোগিতা করেন অফিস সহকারী ফরিদা ইয়াসমিন এবং কুমিল্লা জেলা
পুলিশের একটি টিম।
মন্তব্য করুন


মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের উপর সক্রিয় থাকায় দেশের সব বিভাগে বৃষ্টির আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এছাড়া চট্টগ্রাম বিভাগ বাদে দেশের অন্যত্র তাপমাত্রা কমারও আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
বৃহস্পতিবার (২০ জুন) সকালে এ তথ্য জানানো হয়েছে আবহাওয়ার পূর্বাভাসে।
পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও হতে পারে মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ।
চট্টগ্রাম বিভাগের দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে এবং দেশের অন্যত্র তা সামান্য হ্রাস পেতে পারে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের
সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় শহরের দেশপ্রিয় রেস্টুরেন্টে কুমিল্লা বাঁচাও মঞ্চের উদ্যোগে এ সভার আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শ্রী যুবরাজ ভৌমিক এবং
সঞ্চালনা করেন কুমিল্লা মহানগর কুমিল্লা বাঁচাও মঞ্চের সদস্য সচিব নাসির উদ্দিন। সভার
শুরুতে পবিত্র গীতা পাঠ করেন শ্রী মধুসূদন রায়। স্বাগত বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা বাঁচাও
মঞ্চের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ও নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর অতিরিক্ত
পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আব্দুল মোতালেব মজুমদার।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জননেতা,
বীর মুক্তিযোদ্ধা, সাবেক সংসদ সদস্য ও হুইপ মনিরুল হক চৌধুরী। এছাড়া বক্তব্য রাখেন
শ্রী শ্যামা প্রসাদ ভট্টাচার্য, জহিরুল হক দুলাল, হাজী সিদ্দিকুর রহমান, অমল চন্দ্র
দত্ত (সভাপতি, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, কুমিল্লা মহানগর), শ্রী যুগেশ সরকার (সভাপতি,
বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, আদর্শ সদর), নিহাদ দত্ত সিং (২২ নং ওয়ার্ড), শ্রী চন্দন
চক্রবর্তী (সভাপতি, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, সদর দক্ষিণ), শ্রী সম্পদ পাল (সাধারণ
সম্পাদক, সদর দক্ষিণ), শ্রী মধুসূদন রায় (সাধারণ সম্পাদক, আদর্শ সদর), সজল পাল (সভাপতি,
বারোপাড়া), সুশীল মজুমদার (সভাপতি, শিব মন্দির, সদর দক্ষিণ) প্রমুখ।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ড. এম এম শরিফুল করিম (চেয়ারম্যান,
ইংরেজি বিভাগ, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়), অ্যাডভোকেট আক্তার হোসেন (সভাপতি, বিএনপি
সদর দক্ষিণ উপজেলা), আমানুল্লাহ আমান (সাবেক চেয়ারম্যান), ওমর ফারুক চৌধুরী (সাধারণ
সম্পাদক, বিএনপি সদর দক্ষিণ উপজেলা), মোহাম্মদ আলী ফারুক (সহ-সভাপতি, কুমিল্লা বাঁচাও
মঞ্চ কেন্দ্রীয় কমিটি), খলিলুর রহমান মজুমদার (সাবেক কাউন্সিলর), সোহেল মজুমদার (যুগ্ম
সাধারণ সম্পাদক), সাজেদা আক্তার লাভলী এবং ফর মাইনুল হোসেন রিপন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণভাবে
উদযাপনের জন্য সব ধর্মের মানুষের পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ
করেন।
মন্তব্য করুন


পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যাসোসিয়েশন, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় -এর উদ্যোগে এবং লোকপ্রশাসন বিভাগের সহযোগিতায় ‘বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ ও বাংলাদেশের বাস্তবতা’ বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের কনফারেন্স কক্ষে সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
উক্ত সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ হায়দার আলী, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থত ছিলেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান।
বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মাসদার হোসাইন, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আবদুর রহমান জীবল এবং ড. মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন। সেমিনারটির সভাপতিত্ব করেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল।
এছাড়া লোকপ্রশাসন এবং আইন বিভাগের শিক্ষকগণও উক্ত সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশে বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথকীকরণ এবং পৃথকীকরণ পরবর্তীতে বাংলাদেশের ওপর কী প্রভাব পড়বে- এ বিষয় নিয়ে সেমিনারটি আয়োজন করা হয়।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান বলেন, 'বাংলাদেশের চালিকাশক্তির তিনটা স্তম্ভ হলো-আইন বিভাগ, বিচার বিভাগ এবং নির্বাহী বিভাগ। এ তিনটা বিভাগের মধ্যে একধরনের প্রতিযোগিতা হওয়া দরকার ছিল, কোন বিভাগ কত ভালো করবে। স্বাধীনভাবে দেশ পরিচালনা করতে হলে বিচার বিভাগকে স্বাধীন হতে হবে। যারা নির্বাহী বিভাগে কাজ করেন তাদেরও স্বাধীন হতে হবে। অন্যথায় আবার সেই ফ্যাসিজম আরও ভয়ানকভাবে ফিরে আসবে।'
অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মাসদার হোসেন বলেন, 'কীভাবে রাষ্ট্র কাঠামো হবে এর ওপর অনেকে তাদের বিজ্ঞ মতামত দিয়েছেন। আপনি একটা রাষ্ট্রের সংবিধান করবেন, আইন করবেন কিন্তু সেটা জনবান্ধব অথবা সেটা জনগণের জন্য কল্যাণকর কি-না, সংবিধান সেটা দেখার দায়িত্ব দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট কে। কোনো আইন যদি জনকল্যাণকর না হয় তাহলে সুপ্রিমকোর্ট সেই আইন ডিক্লাইন করে দেয়।
তিনি আরও বলেন, '১৭৩১ সাল থেকে আজ পর্যন্ত প্রায় ১৮৬ বছরে ১৮২ বার বিচার বিভাগকে আলাদা করার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু প্রতিবারই ব্যর্থ হয়েছে। কারণ রাজা যে শাসন চালাবে, কেউ যদি তাকে হস্তক্ষেপ করে তাহলে সে তো এটা স্বাভাবিকভাবে নিবে না। ২০০৭ সালে আমার মামলায় (মাসদার হোসেন মামলায়) বিচার বিভাগকে কাগজ-কলমে আংশিক স্বাধীন করা হলেও আসলে এটি স্বাধীন হয়নি। তবে এখন সংস্কার কমিটির কাজ চলমান আছে।'
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ হায়দার আলী বলেন, 'আমরা আশা করি বাংলাদেশ একটি উন্নত বিচার ব্যবস্থার দিকে এগিয়ে যাবে। যেখানে মানুষ মনে করবে এটা তার শেষ আশ্রয়স্থল। সেখানে গিয়ে সে ন্যায় বিচার পাবে, সে যেই রাজনৈতিক দলের হোক, যে ধর্মের হোক, দুর্বল কিংবা শক্তিশালি হোক।'
সেমিনারটির সভাপতি মাননীয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল বলেন, 'রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ণের কারণে প্রশাসক ও বিচারকদের স্বাধীনতা আমাদের দেশে বাস্তবায়িত হচ্ছে না। মাসদার হোসেন মামলা ২০০৭ সালে ফয়সালা হয়েছে। উনি একজন জীবন্ত কিংবদন্তি, নিজেই একজন প্রতিষ্ঠান। দেশে-বিদেশে মাসদার হোসেন মামলা এখন পঠিত বিষয়। তিনি একজন বিচারক এবং আইন সংস্কার কমিশনেরও একজন সদস্য।'
মন্তব্য করুন