

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর
থেকে ওমান প্রবাসী ছোট ভাইয়ের মরদেহ আনতে যাওয়ার পথে বাসে স্ট্রোক করে মারা যান বড়
ভাই। বুধবার (১০ জুলাই) রাত সাড়ে ১০টায় বড় ভাইয়ের মৃত্যু হয়।
মাত্র পাঁচ দিনের ব্যবধানে দুই ভাইয়ের
মৃত্যুতে আত্মীয়স্বজন ও স্থানীয় লোকজনের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে।
শুক্রবার (১২ জুলাই) বিকেলে ছোট ভাইয়ের
মরদেহ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) দুপুরে বড় ভাইয়ের জানাজা
শেষে উপজেলার জয়াগ ইউনিয়নের আনন্দীপুর গ্রামের সরওয়ার্দী পাটোয়ারী বাড়ির পারিবারিক
কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
মো. দ্বীন ইসলাম (৫৮) ও তাজুল ইসলাম
(৫৫) নোয়াখালী সোনাইমুড়ীর জয়াগ ইউনিয়নের আনন্দীপুর গ্রামের সরওয়ার্দী পাটোয়ারী বাড়ির
সিদ্দীক উল্যাহ মিয়ার ছেলে।
জয়াগ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি
সদস্য মো. মাকছুদুর রহমান জানান, গত ২০ বছর ধরে তাজুল ইসলাম জীবন জীবিকার তাগিদে ওমানে
বসবাস করছিলেন। পাঁচ দিন আগে তিনি ওমানে স্ট্রোক করে মারা যান। শুক্রবার (১২ জুলাই)
সকালে তার মরদেহ শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আসার কথা ছিল। এজন্য বড় ভাই দ্বীন
ইসলাম দুই দিন আগে ঢাকা চলে যান। যাত্রা পথে তিনি বাসে স্ট্রোক করে গুরুতর অসুস্থ হয়ে
পড়েন। পরে ঢাকার একটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
দ্বীন ইসলামও দীর্ঘ দিন ওমানে ছিলেন। সেখানে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়ার কারণে দেড় বছর আগে
দেশে ফিরে আসেন। পরে তার সন্তানরা তাকে আর ওমান যেতে দেয়নি।
জয়াগ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শওকত
আকবর জানান, শুক্রবার সকালে তাজুলের মরদেহ শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়।
এরপর তার স্বজনেরা মরদেহ নিয়ে গ্রামের বাড়ির উদ্দেশে রওয়ানা দেন।
মন্তব্য করুন


‘আজকের দিনেও তোমার যন্ত্রণা নিতে পারছি
না। আমার পরিবার থেকে যে যৌতুকের টাকা তোমাদের দিয়েছে, সেগুলো শোধ করে দিও। তুমি আমাকে
বাঁচতে দিলে না। পোস্টমর্টেম করিয়ে
আমার সব যন্ত্রণা ধুয়ে-মুছে আমাকে কবরে পাঠিও।’
গতকাল বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) রাতে ছিল রীমা আক্তার এর মেহেদী অনুষ্ঠান। প্রেমের পরিণতি হিসেবে বিয়ের মাত্র এক দিন আগে ‘আত্মহত্যা’র পথ বেছে নেওয়া রীমা আক্তার (২০) এ কথা লিখে গেছেন।
চট্টগ্রামের পটিয়া থানা এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। রীমা উপজেলার হাইদগাঁও এলাকার হীরা তালুকদারবাড়ির বাচা মিয়ার মেয়ে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চার বছর ধরে নারায়ণগঞ্জে আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকে কর্মরত মিজানুর রহমানের সঙ্গে রীমা আক্তারের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। মিজানুর একই এলাকার মফিজুর রহমানের ছেলে। উভয় পরিবার ছেলেমেয়ের সম্পর্ক জেনে পারিবারিকভাবেই আজ শুক্রবার বিয়ের তারিখ ঠিক করে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে ছিল তাদের মেহেদী অনুষ্ঠান। বিকেল ৫টায় রীমার বিউটি পারলারে যাওয়ার কথা ছিল। অনুষ্ঠান উপলক্ষে দুপুরে রীমা ও মোরশেদ মোবাইল ফোনে ভিডিও কলে কথা বলেন কয়েক দফা। এর পরপরই দরজা বন্ধ ঘরে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে রীমাকে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়।
পুলিশ জানায়, রীমার লাশ উদ্ধারের পর পাশেই কাগজে
একটি সুইসাইড নোট পাওয়া যায়।
সেখানে হবু স্বামীকে উদ্দেশ্য করে রীমা লিখেছেন, ‘প্রিয় শখের পুরুষ, তুমি করো তোমার বিয়ে, অনেক ভালোও বেসেছ এবং অতিরিক্ত যন্ত্রণাও দিয়েছ। আমি পারছি না এত যন্ত্রণা নিতে। বাকি জীবনটা সুন্দরভাবে উপভোগ করতে পারলাম না। তুমি আমাকে বাঁচতে দিলে না। আমার পরিবার থেকে যৌতুকের যে টাকা তোমাদের দিয়েছে, সেগুলো শোধ করে দিও।’পোস্টমর্টেম করিয়ে আমার সব যন্ত্রণা ধুয়ে-মুছে আমাকে কবরে পাঠিও।’
রীমার চাচা নাসির উদ্দিন বলেন, ‘তিন দিন আগে যৌতুক হিসেবে আমরা ২ লাখ টাকা পরিশোধ করেছি ছেলের পরিবারকে। এর পরও ছেলে রীমাকে যৌতুকের জন্য চাপ দিতে থাকে মেহেদী অনুষ্ঠানের দিন।’
রীমার ভাই আজগর হোসেন জানিয়েছেন, তার বোনের কাছে যৌতুক হিসেবে ফুল সেট ফার্নিচার, টিভি, ফ্রিজ ও বিয়ের খরচ হিসেবে টাকা দাবি করেন মিজানুর রহমান মোরশেদ। উভয়ের প্রেমের সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও যৌতুক দাবি করায় তাঁর বোন অপমানিত হয়ে রাগে-ক্ষোভে আত্মহত্যা করেন। রীমা পটিয়া সরকারি কলেজে অনার্সের মেধাবী ছাত্রী ছিল। ছেলে যে এতটা যৌতুকলোভী হবে আমরা জানতাম না। প্রাণ দিয়ে আমার বোন তার মুখোশ উন্মোচন করে দিয়েছে। অথচ আমরা এত দিন তা বুঝতে পারিনি। মৃত্যুর আগে আমার বোন সুইসাইড নোটে এসব লিখে রেখে গেছে।
পটিয়া থানার ওসি জসিম উদ্দিন বলেন, বিয়ের মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে তরুণীর আত্মহত্যার বিষয়টি দুঃখজনক। পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ দেওয়া হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


পৃথক দুইটি অভিযানে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন শাসনগাছা ও সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন পদুয়ার বাজার এলাকা থেকে ০৬ জন চাঁদাবাজকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গত (২১ জুন) বিকালে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন শাসনগাছা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে আসামী ১। মোঃ জামাল হোসেন (৫০), ২। মোঃ শাহিন (৪৮), ৩। রাসেল আহমেদ (২৭) এবং ৪। মোঃ খোকন (৫০) নামক ০৪ জন চাঁদাবাজকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এ সময় আসামীদের হেফাজত হতে চাঁদাবাজির ২,৫৪০/- টাকা উদ্ধার করা হয়।
পৃথক অন্য একটি অভিযানে গত (২১ জুন) রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন পদুয়ার বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে আসামী ১। মিজানুর রহমান (২২) এবং ২। মোঃ আব্দুর রশিদ (৫০) নামক ০২ জন চাঁদাবাজকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এ সময় আসামীদ্বয়ের হেফাজত হতে চাঁদাবাজির ৯,৭৯০/- টাকা উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো: ১। মোঃ জামাল হোসেন (৫০) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার শাসনগাছা গ্রামের মৃত শফিক ইসলাম এর ছেলে, ২। মোঃ শাহিন (৪৮) একই গ্রামের মৃত খয়েজ আলী এর ছেলে, ৩। রাসেল আহমেদ (২৭) একই গ্রামের মৃত আবুল হাশেম এর ছেলে, ৪। মোঃ খোকন (৫০) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার সাতোরা চম্পকনগর গ্রামের মৃত তাজুল এর ছেলে, ৫। মিজানুর রহমান (২২) কুমিল্লা জেলার নাঙ্গলকোট থানার পরকরা গ্রামের আবুল হাশেম এর ছেলে এবং ৬। মোঃ আব্দুর রশিদ (৫০) কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানার উত্তর বিজয়পুর গ্রামের মানিক মিয়া এর ছেলে।
আসামীদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানায় যে, তারা সকলেই চাঁদাবাজ চক্রের সদস্য। তারা দীর্ঘদিন যাবৎ কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী ও সদর দক্ষিণ থানা এবং এর আশ-পাশের বিভিন্ন রাস্তায় অটো, সিএনজি ইত্যাদি পরিবহনের ড্রাইভার ও হেলপারদের নিকট হতে ক্ষয়ক্ষতি ও গুরুতর আঘাতের ভয়ভীতি দেখিয়ে বলপূর্বক টাকা গ্রহণ করে আসছে। গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিএনসি কুমিল্লার উপপরিচালক চৌধুরী ইমরুল হাসান এরঁ সার্বিক তত্ত্বাবধানে ও উপপরিদর্শক তমাল মজুমদার এর নেতৃত্বে ৭ ফেব্রুয়ারি বুড়িচং থানাধীন নিমসার এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে হোমনাগামী একতা বাস তল্লাশি করে ১৬ কেজি গাঁজাসহ দুইজনকে আটক করা হয়।
আটককৃত আসামি মো: হোসেন মিয়া (২৯) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী থানার শুভপুর গ্রামের নাছির মিয়ার ছেলে। অপর আসামী শারমিন আক্তার(২০) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী থানার আড়াইওড়া গ্রামের জনি মিয়ার স্ত্রী।
আটককৃত আসামীরা প্রথমে ভুল তথ্য দিয়ে ডিএনসি টীমকে বিভ্রান্তি করার চেষ্টা করে। এরপর ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা কথিত স্বামী স্ত্রী পরিচয় দিয়ে মাদক পাচার করছিলো। একপর্যায়ে প্রকৃত স্বামীকে মুখোমুখি করলে ঘটনার মূল রহস্য বেরিয়ে আসে। আটকৃত আসামি শারমিন তার স্বামীর অগোচরে মোবাইলের মাধ্যমে আসামি হোসেন মিয়ার সাথে বন্ধুত্ব সম্পর্ক গড়ে তোলে। কথিত স্বামী স্ত্রী পরিচয় দিয়ে আইন শৃংখলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিতে তার কৌশল হিসেবে লোকাল বাসে কুমিল্লা হতে গাঁজা নিয়ে প্রথমে দাউদকান্দি যাচ্ছিল। তারপর অন্যবাসে করে ঢাকা নিয়ে যেতো।
আসামীদের বিরুদ্ধে উপপরিদর্শক তমাল মজুমদার বাদী হয়ে বুড়িচং থানায় মামলা দায়ের করেন।
মন্তব্য করুন


উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে কুমিল্লার বরুড়ায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) সকালে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। শেষে উপজেলা পরিষদ মাঠে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন, কুচকাওয়াজ ও মুক্তিযোদ্ধাদের ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ করে নেয়া হয়। পাশাপাশি বরুড়ার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীদের সমাবেশ, জাতীয় সংগীত পরিবেশন ও ডিসপ্লে পরিদর্শন। অনুষ্ঠানের শেষে পুরস্কার ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।
বরুড়া উপজেলার ইউএনও নু-এমং মারমা মং এর সভাপতিত্বে দিবসটিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরুড়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এ এন এম মইনুল ইসলাম।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) আহমেদ হাসান, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ কামরুল হাসান সোহেল, বরুড়া থানা অফিসার ইনচার্জ রিয়াজ উদ্দিন,উপজেলা প্রানিসম্পদ কর্মকর্তা নুসরাত সুলতানা তনু, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম, উপজেলা পৌকশলী জাহাঙ্গীর আলম, কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর ডিজিএম মোঃ জালাল উদ্দীন।
এই সময় আরো উপস্হিত ছিলেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ তরিকুল ইসলাম, কুমিল্লা জেলা পরিষদের সদস্য জসীম উদ্দীন, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান কামরুন্নাহার শিখা, উপজেলা আনসার কর্মকর্তা নাসিমা আক্তার, বাংলাদেশ জুয়েলারী এসোসিয়েশন এর বরুড়া উপজেলা শাখার সভাপতি আবুল কালাম আজাদ সহ বরুড়া উপজেলা পরিষদের সকল দাপ্তরিক প্রধান শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান,সহকারী শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চলনা করেন শাকিলা বরুড়া উপজেলা নারী অধিকার ফোরামের সভাপতি শাকিলা জামান।
মন্তব্য করুন


আগামীকাল
ব্যাংককে বিমসটেক সম্মেলনের সাইডলাইনে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূস ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হবে বলে নিশ্চিত
করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
অন্তর্বর্তীকালীন
সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর এই প্রথমবারের মত অধ্যাপক ইউনূসের সঙ্গে নরেন্দ্র মোদির
বৈঠক হতে চলেছে।
প্রধান
উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বাসসকে বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত দুই দেশের সরকার প্রধানের
মধ্যে আগামীকাল বৈঠক হবে। ব্যাংককে আজ বিমসটেক সম্মেলনের নৈশভোজে দুই নেতার সাক্ষাৎ
হয় এবং তারা কুশলাদি বিনিময় করেন। নৈশভোজে উভয় নেতাকে বেশ কিছু সময় ধরে ঘনিষ্ঠভাবে
কথা বলতে দেখা গেছে। বঙ্গোপসাগরীয় দেশগুলোর আঞ্চলিক সহযোগিতা জোটের (বিমসটেক) শীর্ষ
সম্মেলন উপলক্ষে অধ্যাপক ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদি বর্তমানে ব্যাংককে অবস্থান করছেন। ২
থেকে ৪ এপ্রিল ব্যাংককে বিমসটেক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


সারাদেশের মতো কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের
অধীনে ৬ জেলার কলেজগুলোতে আজ রোববার (৩০ জুন) অনুষ্ঠিত হচ্ছে উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট
(এইচএসসি) পরীক্ষা।
কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড সূত্রে জানা গেছে,
কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২০২৪ সালে এইচএসসি পরীক্ষায়
৬ টি জেলায় মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১ লাখ ১৩ হাজার ২৯০ জন। এর মধ্যে ছেলে পরীক্ষার্থী
৪৮ হাজার ৪৭১ জন এবং মেয়ে পরীক্ষার্থী ৬৪ হাজার ৮১৯ জন। এ ক্ষেত্রে দেখা যায়, ছেলেদের
তুলনায় মেয়ে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৬ হাজার ৩৪৮ জন বেশি।
কুমিল্লা, নোয়াখালী, ফেনী, লক্ষ্মীপুর,
চাঁদপুর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ৪৩২টি কলেজের শিক্ষার্থীরা ১৯৫টি কেন্দ্রে পরীক্ষায়
অংশগ্রহন করেছেন।
কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক
শিক্ষা বোর্ডের প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণে পাওয়া গেছে, বোর্ডে সবচেয়ে বেশি পরীক্ষার্থীর
সংখ্যা কুমিল্লা জেলায়। এখানে ১৬৩টি কলেজের ৩৯ হাজার ৪৯২ জন। নোয়াখালী জেলায় ৫৫টি কলেজের
পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৯হাজার ৭৮৯ জন, ফেনী জেলায় ৪২ কলেজের ১১ হাজার ৮০ জন, লক্ষ্মীপুর
জেলায় ৪০টি কলেজের ১১ হাজার ৩৪৮ জন, চাঁদপুর জেলায় ৬৭টি কলেজের ১৬ হাজার ২৩২ জন ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া
জেলায় ৬৫টি কলেজের ১৫ হাজার ৩৫৯ জন শিক্ষার্থী এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন।
মানবিক, বিজ্ঞান ও ব্যবসায় শিক্ষায় এই তিন বিভাগের মধ্যে মানবিকে সবচেয়ে বেশিসংখ্যক
পরীক্ষার্থী এবার অংশ নিচ্ছেন। মানবিক বিভাগে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৫২ হাজার ৪১৪ জন,
বিজ্ঞান বিভাগে ২৮ হাজার ৯২ জন এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ৩২ হাজার ৭৪৮ জন।
কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের উপ-পরীক্ষা
নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম বলেন, পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য ৬ জেলায়
ভিজিলেন্স টিম গঠন করা হয়েছে। পরীক্ষার্থী কিংবা পরীক্ষক যারাই কোনো অনিয়মের সঙ্গে
জড়িত হবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক
শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মো. নিজামুল করিম বলেন, নানা সামাজিকও আর্থিক
কারণে মেয়ে পরীক্ষার্থী বেড়েছে এবং ছেলে পরীক্ষার্থী সংখ্যা কমেছে। বিশেষ করে এখন ছেলেরা
কম বয়সেই এসএসসি পরীক্ষায় পাস করেই কর্মসংস্থানে যুক্ত হচ্ছে আবার অনেকে বিদেশ চলে
যাচ্ছে। আর এসব কারণেই মেয়েদের অংশগ্রহণ বেশি।
মন্তব্য করুন


ইকবাল আনোয়ার মোস্তফা, প্রতিবেদক:
রাজনীতি ক্ষমতার প্রতিযোগিতা হলেও, কিছু মানুষ আছেন যাদের কাছে রাজনীতি মানে দায়িত্ব, সেবা ও মানবিকতা। কুমিল্লা বিএনপির পরিচিত মুখ হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন এমনই একজন নেতা—যিনি দায়িত্বকে ক্ষমতা নয়, বরং ‘আমানত’ হিসেবে দেখেন। তাঁর কর্মীদের চোখে তিনি শুধু রাজনীতিক নন, একজন নীতিবান, মানবিক ও নিষ্ঠাবান পথপ্রদর্শক।
একজন দীর্ঘদিনের কর্মীর ভাষায়—
“আমি প্রায় ২২ বছর ধরে হাজী সাহেবকে কাছ থেকে দেখেছি। অনেক নেতা রাজনীতি করেন ব্যক্তিস্বার্থে, কিন্তু তিনি করেন মানুষের জন্য, দলের জন্য। তাঁর ভদ্রতা, সততা ও মানবিকতা আজও অনন্য।”
মানুষের পাশে, আন্দোলনের প্রথম সারিতে
১/১১-এর দুঃসময় থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত—প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে হাজী ইয়াছিন ছিলেন সামনে। কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপি ও কুমিল্লা শহর বিএনপি (সিটি করপোরেশন হওয়ার আগে)–র প্রতিটি কর্মসূচিতে তাঁর সরাসরি নেতৃত্ব ছিল।
দলের কঠিন সময়ে মামলা, হামলা ও গ্রেফতারের ঝড়ে যখন অনেকেই পিছু হটেছিলেন, তখন হাজী ইয়াছিন দায়িত্ব নেন শতাধিক মামলার আইনি সহায়তার। কারাগারে থাকা নেতাকর্মীদের খরচ, চিকিৎসা ও পরিবারের দেখভাল—সবই করেছেন নিজের ব্যক্তিগত অর্থে, নীরবে ও অকৃত্রিমভাবে।
একজন কর্মীর ভাষায়,
“আমি দেখেছি, গভীর রাত পর্যন্ত তিনি মামলার কাগজে কাজ করছেন। কখনো কৃতিত্ব চাননি, বরং কৃতজ্ঞতা ভাগ করেছেন সবার সঙ্গে।”
ত্যাগী নেতৃত্বের প্রতীক
২০১২ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত বিএনপি'র হরতাল ও অবরোধ কর্মসূচির প্রতিটি মাঠের দায়িত্ব পালন করেছেন হাজী ইয়াছিন। ৯২ দিনব্যাপী টানা অবরোধে তিনি ছিলেন রাজপথের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য নাম।
নেতাকর্মীদের মনোবল ধরে রাখা, আইনি ও আর্থিক সহায়তা দেওয়া—এসব কাজ তিনি করলেও কখনো নেতৃত্বের কৃতিত্ব দাবি করেননি। তাঁর ত্যাগ ও সততা দলের ভেতরে অনুপ্রেরণার বাতিঘর হয়ে উঠেছে।
সততা ও ক্লিন ইমেজের ধারক
রাজনীতির অঙ্গনে নানা বিতর্ক, সুযোগসন্ধান ও বিভাজনের সময়েও হাজী ইয়াছিন নিজের অবস্থান অটুট রেখেছেন। দলের ভেতরে তাঁর বিরুদ্ধে কোনো অনিয়ম বা অনাচারের অভিযোগ কখনো শোনা যায়নি। তাঁর ক্লিন ইমেজই আজ তাঁকে কর্মীদের আস্থার প্রতীক করেছে।
কুমিল্লার উন্নয়নে দূরদৃষ্টি সম্পন্ন পরিকল্পনা
রাজনীতি ছাড়াও হাজী ইয়াছিনের রয়েছে উন্নয়ন ও মানবিক সমাজ গড়ার স্বপ্ন।
তাঁর দৃষ্টিভঙ্গিতে রয়েছে—
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের সম্প্রসারণ,
বিমানবন্দর চালু করা,
জলাবদ্ধতা নিরসন,
সরাসরি রেল সংযোগ ও
তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি।
এগুলো তাঁর কাছে শুধু উন্নয়ন পরিকল্পনা নয়—মানুষের জীবনমান উন্নত করার অঙ্গীকার।
একজন সত্যিকারের অভিভাবক
দলের ভেতরে অনেক তরুণ কর্মী তাঁকে শুধু নেতা নয়, অভিভাবক হিসেবে দেখেন।
ঈদ-পূজা বা বিপদের সময় কর্মীদের গোপনে সহায়তা করা, অসুস্থ নেতাদের পাশে দাঁড়ানো, বা হতাশ কর্মীদের সাহস দেওয়া—এসবই তাঁকে মানুষের হৃদয়ে জায়গা দিয়েছে।
একজন কর্মীর কণ্ঠে স্পষ্ট অনুভূতি—
“তিনি শুধু নেতা নন, একজন পথপ্রদর্শক। তাঁর চশমার আড়ালে থাকা সেই শান্ত চোখ আমাদের প্রেরণা।”
শেষ কথা
কুমিল্লা-০৬ আসনে হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিনকে কর্মীরা দেখেন যোগ্য, সৎ ও মানবিক প্রার্থী হিসেবে। তাদের বিশ্বাস—যিনি দুঃসময়ে দলের পাশে ছিলেন, সেই নেতাই সক্ষম হবেন কুমিল্লাকে সুশাসন, মানবিকতা ও উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিতে।
“সবার আগে বাংলাদেশ—এই মন্ত্রে বিশ্বাসী হাজী ইয়াছিন আমাদের হৃদয়ের নেতা,” — এমনই দাবি কুমিল্লা-০৬ আসনের কর্মীদের।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর উত্তর বাড্ডায় একটি বাসা থেকে স্বামী-স্ত্রীর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে কীভাবে বা কখন তাদের মৃত্যু হয়েছে—সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত হতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
রোববার (২ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বাড্ডা থানার ওসি হাবিবুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
ওসি জানান, উত্তর বাড্ডার পূর্বাঞ্চল এলাকার ৩ নম্বর রোডের ২ নম্বর গলির একটি বাসা থেকে দম্পতির লাশ উদ্ধার করা হয়। মৃতরা হলেন সাইফুল ইসলাম (৩০) ও তার স্ত্রী শাকিলা। সাইফুল ওই ভবনের দারোয়ান হিসেবে কাজ করতেন এবং শাকিলা একই বাসায় রান্নার কাজ করতেন।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ২৫ অক্টোবরের পর কোনো এক সময় তাদের মৃত্যু হতে পারে।
স্থানীয়দের বরাতে জানা গেছে, সকালে বাসা থেকে দুর্গন্ধ বের হতে থাকলে আশপাশের লোকজন বিষয়টি পুলিশকে জানান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুটি অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করে।
পুলিশ জানায়, লাশ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় বাড্ডা থানায় একটি মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন
আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৬ (কুমিল্লা সদর, সদর দক্ষিণ, এবং কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন) সংসদীয় আসন থেকে সংসদ সদস্য পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়তে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মনিরুল হক সাক্কুর পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে।
রোববার (২১ ডিসেম্বর) সকালে জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মু. রেজা হাসানের নিকট হতে মনিরুল হক সাক্কুর পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন এডভোকেট গোলাম মোস্তফা,সাবেক সাধারণ সম্পাদক, কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতি,।
এসময় উপস্থিত ছিলেন , মোস্তফা মাষ্টার, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপির,ওমর ফারুক মিঠু, সাবেক জিএস, কুমিল্লা অজিত গুহ কলেজ, আজাহার উদ্দিন বাপ্পি, সাবেক সহসভাপতি, জেলা ছাত্র দল,মোঃ কবির হোসেন মজুমদার, সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ ছাত্র দল, ইকরাম হোসেন ইকু, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক, মহানগর যুবদল, আব্দুল হালিম, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক, মহানগর যুবদল, জুয়েল রানাসহ
মনিরুল হক সাক্কু সমর্থিত নেতাকর্মীরা।
মন্তব্য করুন


মোঃ মাসুদ রানা, কচুয়া প্রতিনিধি:
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ভূঁইয়ারা উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০২৪ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার বিদ্যালয়ের আয়োজনে বিদ্যালয়ের মিলনায়তনে এ দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
বিদ্যালয়ের সভাপতি ডা. মো. মাসুদুর রহমান বাবুলের সভাপতিত্বে ও সহকারী শিক্ষক মো. ফজলুর রহমানের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান মেহমান হিসেবে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে দোয়া কামনা করে বক্তব্য রাখেন, শাজুলিয়া দরবার শরীফের পীর আলহাজ্ব হযরত মাও. শাহ্ মুহাম্মদ রুহুল্লাহ শাজুলী।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, কচুয়া বঙ্গবন্ধু সরকারি ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শাহ্ মুহাম্মদ জাকির উল্লাহ শাজুলী, পালাখাল রোস্তম আলী ডিগ্রি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত সহকারি অধ্যাপক মুহাম্মদ ফানাউল্লাহ শাজুলী, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি মো: খলিলুর রহমান, জাতীয় পার্টির নেতা রুহুল আমিন চৌধুরীসহ আরো অনেকে।
পরে শিক্ষার্থীদের সফলতা ও মঙ্গল কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মুনাজাত পরিচালনা করা হয়।
মন্তব্য করুন