

এবার প্রেমের টানে পাকিস্তানি যুবক
বাংলাদেশে। প্রথমে ফেসবুকে পরিচয়, এরপর প্রেম। অবশেষে খাগড়াছড়িতে এসে তরুণীর সঙ্গে
বিয়ের পিঁড়িতে বসলেন পাকিস্তানি এক যুবক। তরুণীর নাম তাহমিনা আক্তার বৃষ্টি (২১)।
তিনি খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা উপজেলার বেলছড়ি ইউনিয়নের উত্তর পাড়ার আলী হোসেনের মেয়ে।
খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজের সম্মান শ্রেণির তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী বৃষ্টি। আর মো. আলিম
উদ্দিন (২৮) পাকিস্তানের লাহোর সিটির বাসিন্দা। তিনি একটি বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরি
করেন।
গত বৃহস্পতিবার খাগড়াছড়ি আদালতে তাদের
বিয়ে হয়। রবিবার বেলছড়িতে নিজ গ্রামে বিয়ের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় বলে জানান
বৃষ্টির বাবা আবুল হোসেন। ওই তরুণী তার স্বামীর সঙ্গে পাকিস্তানে চলে যাবেন বলে জানিয়েছেন
স্বজনরা।
জানা গেছে, আট মাস আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম
ফেসবুকে আলিম উদ্দিনের সঙ্গে তাহমিনার পরিচয় হয়। পরে কথা বলার এক পর্যায়ে দুজনের
মধ্যে প্রেম হয়। প্রেমের টানে ১১ ডিসেম্বর আলিম উদ্দিন পাকিস্তান থেকে চট্টগ্রাম হয়ে
মাটিরাঙ্গার বেলছড়িতে আসেন। এরপর উভয়ের সম্মতিতে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তারা। এখন
তাহমিনার বাড়িতে অবস্থান করছেন পাকিস্তানি যুবক আলিম উদ্দিন।
বাবা আবুল হোসেন বলেন, তাহমিনা তার
স্বামীর সঙ্গে পাকিস্তানে চলে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। তার পাসপোর্ট ও ভিসার কাজ
চলছে। ততদিন পর্যন্ত তারা বাংলাদেশে থাকবেন। দোয়া করি তারা যেন সুখী হয়।
মন্তব্য করুন


বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী নিয়ে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম ও সদস্য আমিরুজ্জামান আমির কে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান দক্ষিণ জেলা যুবদল নেতা আকিবুর রহমান আকিব। এসময় মহানগর বিএনপির আহবায়ক উৎবাতুল বারী আবু উপস্থিত ছিলেন। যুবদল নেতা আকিবুর রহমান আকিব জানান মহানগর বিএনপির আহবায়ক উৎবাতুল বারী আবুর সার্বিক দিক নির্দেশনা ও নেতৃত্বে তিনি রাজনৈতিক কর্মকান্ড পরিচালনা করে যাবেন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার চান্দিনায় নতুন মোটরসাইকেল কেনার একদিন পরেই সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হলেন ২ বন্ধু। বুধবার দিন গত রাত সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার চান্দিনার খাদঘর এলাকায় ওই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- চান্দিনা উপজেলার মাধাইয়া ইউনিয়নের মুরাদপুর গ্রামের কাদের প্রধানের ছেলে ও ইউনিয়ন গণতান্ত্রিক ছাত্রদল সহ-সভাপতি নাজমুল হোসেন (১৯) ও একই গ্রামের সোলেমান আহমেদের ছেলে রিজওয়ান আহমেদ শামিম (১৮)। তারা দুইজনেই ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সন্ধ্যায় বন্ধুদের সঙ্গে নতুন মোটরসাইকেল নিয়ে ঘুরতে বের হয় নাজমুল ও শামীম। ঢাকা- চট্টগ্রাম মহাসড়কের খাদঘর এলাকায় অজ্ঞাত একটি গাড়ি তাদের মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দেয়। এসময় তারা সড়কের পাশে ছিটকে পড়ে যায়। স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতদের এলাকার বাসিন্দা মো. এরশাদুল হক বলেন- নতুন মোটরসাইকেল কেনার আনন্দেই বের হয়েছিল তারা। দাউদাকান্দি উপজেলার নতুন বাজারের এক নামকরা চায়ের দোকানে চা খেতে গিয়েছিলেন। চা খেয়ে বাড়ি ফেরার পথে এই দুর্ঘটনা ঘটে। ১ দিন আগে সোলেমান আহমেদের ছেলে শামিম মোটরসাইকেলটা কিনেছিল। কে জানত সেই বাইকেই ওদের শেষ যাত্রা হবে!!
ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রুহুল আমিন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, রাত আনুমানিক সাড়ে ১২টার দিকে অজ্ঞাত একটি গাড়ির ধাক্কায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। এতে দুজন নিহত হয়। ধাক্কা দেওয়া গাড়িটি শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা পুলিশ লাইনে ছাত্র জনতার উপর হামলার ঘটনায় মনির হোসেন নামে আওয়ামী লীগের সক্রিয় এক কর্মীকে গ্রেফতার করেছে কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশ।
সোমবার রাতে কৃষ্ণপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামি মনির হোসেন (৪৫) কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার কৃষ্ণপুর গ্রামের নুরু মিয়ার ছেলে। মঙ্গলবার বিকালে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়।
কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মহিনুল ইসলাম জানান, ২৪ এর গণঅভ্যুত্থান কুমিল্লা নগরীর পুলিশ লাইনে ছাত্র জনতার উপর আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা হামলা চালায়। ওই ঘটনায় ২৬১জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরো ১০০/১৫০ জন লোকের বিরুদ্ধে কোতয়ালি মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। আদর্শ সদর উপজেলার চাঁনপুর এলাকার বাসিন্দা ইনজামুল হক রানা বাদী হয়ে গত ১২ ফেব্রুয়ারি মামলাটি দায়ের করেন। ওই মামলার এজহার নামীয় আসামি মনির হোসেনের বিরুদ্ধে বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে দলীয় পরিচয়ে চাঁদাবাজিসহ বেশ কিছু অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। ২০২৪ সালের ৩ আগস্ট দুপুরে কুমিল্লা পুলিশ লাইনে ছাত্র জনতার উপর হামলাকারীদের একজন মনির হোসেন। মামলা দায়েরের পর গ্রেফতার এড়াতে সে দীর্ঘদিন আত্মগোপনে ছিল। সোমবার রাতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। মঙ্গলবার বিকালে তাকে আদালতে নেয়া হলে বিজ্ঞ বিচারক কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।
মন্তব্য করুন


সুন্দরবনে বিশেষ অভিযানে কুখ্যাত ডাকাত চক্র ‘দুলাভাই বাহিনী’র এক সদস্যকে অস্ত্র ও গুলিসহ আটক করেছে কোস্ট গার্ড।
বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) সকালে পরিচালিত এ অভিযানে একনালা বন্দুক ও গুলিও উদ্ধার করা হয়।
কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা (ঢাকা) লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক বিকেলে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়—‘দুলাভাই বাহিনী’ সুন্দরবনের কুমড়োকাঠি খাল এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে। পরে সকাল ৬টার দিকে কোস্ট গার্ডের একটি দল সেখানে অভিযান চালায়। অভিযানকারীদের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাতরা বনের গভীরে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এক পর্যায়ে ধাওয়া করে দুলাভাই বাহিনীর সদস্য কামরুল সরদার (৫৫)-কে আটক করা হয়।
এ সময় তার কাছ থেকে একনালা বন্দুক, তিন রাউন্ড তাজা গুলি এবং সাত রাউন্ড ফাঁকা গুলি উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে কামরুল সরদার জানায়, তিনি দীর্ঘদিন ধরে সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকায় ‘দুলাভাই বাহিনী’র সঙ্গে যুক্ত থেকে ডাকাতি করে আসছিলেন। তিনি সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি এলাকার বাসিন্দা।
লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক জানান, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও গুলি পরবর্তী তদন্তের জন্য হস্তান্তর করা হবে।
মন্তব্য করুন


জাহাঙ্গীর আলম, কুড়িগ্রাম উত্তর প্রতিনিধি:
কুড়িগ্রামে সেনাবাহিনীর টহল জোরদার হওয়ায় এখন অপরাধ জগত কাঁপছে। বিশেষ করে দায়িত্বরত সেনাবাহিনী মব ভায়োলেন্স এবং চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নেয়ায় চিহ্নিত অপরাধীরা লেজ গুটিয়ে পালিয়েছে। ফলে জেলার সাধারণ মানুষ সেনাবাহিনীর প্রতি সন্তোষ প্রকাশ করে স্বস্তির নিঃশ্বাস নিচ্ছে।
কুড়িগ্রামের সেনাক্যাম্প সূত্র জানিয়েছে- আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অনুকূলে রাখতে এবং সামাজিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য সেনাবাহিনী সর্বদাই প্রস্তুত রয়েছে। কুরবানীর পশুর হাটগুলিকে শতভাগ নিরাপদ রাখার জন্য নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। কুরবানী ঈদকে সামনে রেখে বাড়ি ফেরা মানুষগুলো যাতে এতটুকু ভোগান্তির শিকার না হয় সেদিকেও বিশেষ দৃষ্টি রাখা হয়েছে। এছাড়াও অবৈধ মাদক পাচার, পেশি শক্তির ভয় দেখিয়ে অবৈধ দখল দারিত্ব ও টেন্ডারবাজি সহ স্পর্শকাতর সকল ধরনের অপরাধ দমনের জন্য জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে কুড়িগ্রামের দায়িত্বপ্রাপ্ত সেনাবাহিনী।
কুড়িগ্রাম জেলা সম্মিলিত শ্রমিক-কর্মচারী ঐক্যজোটের আব্বায়ক মো: আয়নাল হক সন্তোষ প্রকাশ করে জানান, আমাদের এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে সাধারণ শ্রমিকরা সুখে- শান্তিতে কাজ করতে পারবে। সেনাবাহিনীর মহতি উদ্যোগকে আমি স্বাগত জানাই।
কুড়িগ্রাম জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি সহকারি অধ্যাপক অনিরুদ্ধ রেজা জানান, সেনাবাহিনী অপরাধীদের বিরুদ্ধে শক্তপোক্ত অবস্থান নেয়ায় একদিকে যেমন অপরাধের মাত্রা কমিয়ে এসেছে, অন্যদিকে আমরা সাংবাদিকগণ নির্বিঘ্নে এবং নির্ভয়ে সব ধরনের সংবাদ পরিবেশন করতে পারবো।
কুড়িগ্রাম সেনা ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার জানান- অপরাধী যেই হোক কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। আপনাদের (সাংবাদিক) মাধ্যমে অথেনটিক ইনফরমেশন পেলে আমরা তড়িৎ ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। আমাদের প্রধানতম দায়িত্ব হচ্ছে কুড়িগ্রামকে অপরাধমুক্ত করে শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা।
মন্তব্য করুন


নেত্রকোনার ধনু নদে স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজদের সবার লাশ উদ্ধার হয়েছে। রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
খালিয়াজুরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মকবুল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
নেত্রকোণার হাওরাঞ্চলের খালিয়াজুরি উপজেলার ধনু নদে বিয়েবাড়ির স্পিডবোট ডুবির ঘটনায় নিখোঁজ থাকা তিনজনের মরদেহ পাওয়া গেছে। এতে দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে চারজন হলো।
এর মধ্যে রোববার সকাল পৌনে ১০টার দিকে ধনু নদের চরপাড়া এলাকায় দুজনের মরদেহ এবং বেলা আড়াইটার দিকে আরেক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয় বলে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এম এ কাদের জানান।
তিনি বলেন, রোববার সকাল থেকেই ময়মনসিংহ ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল পুলিশ ও স্থানীয় জনগণের সহায়তায় দুর্ঘটনাস্থলের আশপাশে উদ্ধার তৎপরতা চালাচ্ছিল। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত পাঁচহাটের দক্ষিণের বালুচর এলাকা থেকে একে একে নিখোঁজ তিন জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
তারা হলেন- স্বপন মিয়ার মেয়ে লায়লা আক্তার (৭), নবাব মিয়ার মেয়ে শিরিন আক্তার (১৮) ও সামসু মিয়ার মেয়ে সামিয়া (১১)। এর আগে শনিবার দুপুরে উষা মনি (৪) নামের এক শিশুর ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তারা সবাই একই উপজেলার আন্ধাইর গ্রামের বাসিন্দা।
আন্ধাইর গ্রামের নবাব মিয়ার ছেলে রানা মিয়ার বিয়ের বরযাত্রী যেতে স্পিডবোটটি আনা হয়েছিল। বোটে বিয়েবাড়ির ১৫ জন স্বজন মিলে ঘুরতে বের হওয়ার পর এ ঘটনা ঘটে। পণ্যবাহী বাল্কহেডের ধাক্কা থেকে বাঁচতে গিয়ে ডিঙি নৌকার সঙ্গে ধাক্কা লেগে উল্টে যায় স্পিডবোটটি। এ সময় তিন শিশুসহ ৪ জন নিখোঁজ হন। অন্যদের আহত অবস্থায় উদ্ধার করে কিশোরগঞ্জ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এম এ কাদের জানান, দুর্ঘটনার প্রায় ৪৮ ঘণ্টা পর রোববার বেলা আড়াইটার দিকে ঘটনাস্থল থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে সামিয়ার মরদেহ ভেসে উঠতে দেখে স্থানীয়রা উদ্ধার করেন।
এর আগে সকাল পৌনে ১০টার দিকে দুর্ঘটনাস্থল থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে ভাসমান অবস্থায় লায়লা আক্তার ও শিরিন আক্তারের লাশ উদ্ধার করা হয়।
এ ছাড়া শনিবার দুপুরে ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ৫০০ মিটার দূর থেকে ঊষামণির লাশ উদ্ধার করেছিলেন স্থানীয়রা।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এম এ কাদের জানান, ঘটনার পরপর পুলিশ, ফায়ার সার্ভিসের কর্মী ও স্থানীয়রা উদ্ধার তৎপরতায় নামেন। সর্বশেষ নিখোঁজ শিশু সামিয়ার লাশ উদ্ধারের মধ্য দিয়ে উদ্ধার তৎপরতা শেষ হয়েছে।
পরে লাশ মৃতদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছেও বলে জানান এই কর্মকর্তা।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক, কুমিল্লা শহর ও এর আশে পাশের এলাকায় র্যা বের টহল কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। মহাসড়কে যাত্রী সেবা নিশ্চিতকরণ ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন র্যাব-১১, সিপিসি-২, কুমিল্লা। এরই প্রেক্ষিতে জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে গভীর রাত পর্যন্ত টহল কার্যক্রম পরিচালনা, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কসহ শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টসমূহে চেকপোস্ট স্থাপনের মাধ্যমে সন্দেহভাজন প্রাইভেটকার, সিএনজি, মোটরসা ইকেল সহ বিভিন্ন যানবাহন তল্লাশির কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
এছাড়াও জনসাধাণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি, নাশকতামূলক কর্মকান্ড প্রতিরোধ ও যেকোন প্রকার অপ্রীতিকর পরিস্থিতি প্রতিরোধে র্যা বের টহল টিমের পাশাপাশি সাদা পোষাকের গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধি করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার দক্ষিণে বন্যাকবলিত এলাকার বাজারগুলোতে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য ফুরিয়ে আসছে ।
আর উঁচু জায়গার বাজারগুলোতে গত কয়েকদিন ধরে শুকনো খাবারের চাহিদা বেড়ে গেছে। আর এতে টান পড়েছে নিত্যপ্রয়োজনীয় চাল, ডাল, আলু, তেল, পেঁয়াজ, রসুনসহ প্রায় সব পণ্যের। বন্যার কারণে সরবরাহ ঠিকমতো নেই। সে কারণে বাজারগুলোতে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য নেই বললেই চলে।
এছাড়াও জরুরি ওষুধের সংকটও দেখা দিয়েছে। যার কারণে দূর-দূরান্তের বাজারগুলো থেকে চড়া দামে খাদ্যদ্রব্য সংগ্রহ করতে হচ্ছে স্বেচ্ছাসেবক এবং সাধারণ মানুষদের।
চৌদ্দগ্রামের বসুয়ারা গ্রামের আবুল বাশার জানান, এ উপজেলা ফেনী লাগোয়া। কুমিল্লায় সবচেয়ে বেশি বন্যাকবলিত এলাকা চৌদ্দগ্রাম। এখনো ৮০ শতাংশ গ্রাম পানির নিচে। ফেনীর উত্তরাংশ লাগোয়া অনেক গ্রামে যোগাযোগ করা সম্ভব হচ্ছে না। তাদের জীবন কীভাবে চলছে বোঝা যাচ্ছে না। ওইসব এলাকার বাজারগুলোও পানির নিচে। টাকা থাকলেও তারা আজ অসহায়।
নাঙ্গলকোটের করপাতি গ্রামের আরিফ হোসেন বলেন, কোনো বাজারেই খাবার নেই। অনেক দূরে লাকসাম বাজারে গিয়ে শুকনো খাবার সংগ্রহ করছি। সেখানেও চড়া দাম। নাঙ্গলকোটের অনেক দুর্গম এলাকায় ত্রাণ পৌঁছাচ্ছে না। প্রবাসী ও স্থানীয় পেশাজীবীরা সহযোগিতা করছেন। এক সপ্তাহ ধরে মানুষ পানিবন্দি। বাজারেও পণ্য না থাকলে এভাবে আর চালিয়ে নেওয়া যাবে না।
এ উপজেলার আইটপাড়া গ্রামের জাবেদ হোসেন বলেন, শহরের কাছাকাছি এলাকায় মানুষ যথেষ্ট ত্রাণ পাচ্ছেন। আমাদের এলাকা দূরবর্তী হওয়ায় বাইরে থেকে সহযোগিতা পাচ্ছি না। আমাদের অনেক অনেক ত্রাণ দরকার।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত কুমিল্লার লাকসাম, নাঙ্গলকোট, চৌদ্দগ্রাম ও মনোহরগঞ্জের বন্যা পরিস্থিতির সামান্য উন্নতি হয়েছে। প্রায় পাঁচ সেন্টিমিটারের মতো পানি কমেছে ওইসব এলাকায়। অপরদিকে গোমতীর বাঁধ ভেঙে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। বুড়িচংয়ের পর ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার অধিকাংশ এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। গোমতীর পানি ঢুকছে দেবিদ্বার উপজেলাতেও।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক :
কুমিল্লা -৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী, বিএনপির কেন্দ্রীয় শিল্প বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম বলেছেন, পতিত স্বৈরাচার সরকার উন্নয়নের নামে আপনার-আমার টাকা লুটপাট করেছে। লুটপাট করা সেসব অর্থ বিদেশে পাচার করে দিয়েছে। তারা উন্নয়নের নামে চিকন চিকন রাস্তা করেছে। এসব রাস্তা রাস্তা নয়, যেন মরণফাঁদ। সেসব রাস্তায় লড়ি চালানো যায় না, ট্রাক চালানো যায় না। শুধু অটোরিকশা আর মোটরসাইকেল চলে। এসব চিকন রাস্তার ফলে সড়ক দুর্ঘটনায় অনেককে মৃত্যুবরণ করতে হয়েছে।
আজ শনিবার (২৯ নভেম্বর) বিকেলে কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার আলী নজিপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজ অডিটোরিয়ামে হাসনাবাদ ইউনিয়ন বিএনপির উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আবুল কালাম বলেন, আমরা ক্ষমতায় এলে এই মনোহরগঞ্জকে একটি আদর্শ উপজেলা হিসেবে ঘোষণা করব। এখানকার যোগাযোগ ব্যবস্থা খুবই উন্নত করব। মনোহরগঞ্জ টু ঢাকা সরাসরি এসি বাস সার্ভিস চালু করব। ডাকাতিয়া নদীর দখলকৃত অংশ পুনরুদ্ধার করে আগের যে রূপ এবং প্রবাহ ছিল, পরিবেশবান্ধব সেই রূপ ফিরিয়ে দেওয়া হবে। কার্জনখালসহ আরও যেসব খাল রয়েছে, সেগুলো খনন করে প্রবাহ বৃদ্ধি করা হবে।
বিএনপির কেন্দ্রীয় এই নেতা বলেন, মনোহরগঞ্জে যত কৃষিজ জমি আছে, আমরা ক্ষমতায় এলে কৃষিকে প্রাধান্য দিব। মনোহরগঞ্জের অনেক সম্ভাবনা, সেই সম্ভবনাকে কাজে লাগাবো। আমরা ক্ষমতায় এলে মনোহরগঞ্জকে স্বর্গীয় নগরী হিসেবে গড়ে তুলব। আমরা নিরাপদ লাকসাম-মনোহরগঞ্জ গঠন করবে। মা বোনেরা যাতে পদে আত্মীয়-স্বজনের বাড়ি, হাটবাজারে যেতে পারেন।
তিনি আরও বলেন, আমি নির্বাচিত হলে এই দুই উপজেলাকে মাদকমুক্ত করা হবে। এই সমাজে যারা মাদক সেবন করেন, তাদের দেখলেই চেনা যায়। মাদকসেবীদের বাবা-মা যারা আছেন আপনারা আপনার সন্তানকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে আমাদের সহযোগিতা নেবেন, আমরা তাদেরকে মানুষের মতো মানুষ করবো ইনশাল্লাহ।
এসময় মনোহরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব ইলিয়াস পাটোয়ারী, মনোহরগঞ্জ সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মো. সরোয়ার জাহান দোলনসহ উপজেলা ও ইউনিয়ন বিএনপির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন কোনো সাধারণ নির্বাচন নয়; এটি দেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণ এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধারের নির্বাচন বলে মন্তব্য করেছেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
মঙ্গলবার বিকেলে কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ সাধারণ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে আয়োজিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল এবং ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিমের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ঢাকা ও চট্টগ্রামের পর সবচেয়ে বেশি সংসদীয় আসন কুমিল্লা জেলায়। ফলে এই জেলায় নির্বাচনী কার্যক্রমের পরিধি ও চাপ তুলনামূলকভাবে বেশি। সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন, নির্বাচন অফিস এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে কার্যকর সমন্বয়ের কোনো বিকল্প নেই।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, নির্বাচনকে ঘিরে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় আনা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রধান অগ্রাধিকার হবে। একই সঙ্গে সব ভোটকেন্দ্র শতভাগ সিসিটিভি ফুটেজের আওতায় রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মো. রেজা হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিজিবি, র্যাব, নির্বাচন কমিশন, এনএসআই ও ডিজিএফআইসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন
মন্তব্য করুন