

সক্রিয়
মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আগামী পাঁচ দিন ঝোড়ো হাওয়াসহ
বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী
বর্ষণ এবং বজ্রপাতের আশঙ্কার কথাও জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। আবহাওয়াবিদদের
মতে, এই সময়ে তাপমাত্রায় বড় ধরনের পরিবর্তন না হলেও কিছু এলাকায় দিনের তাপমাত্রা সামান্য
কমতে পারে।
রোববার
(১৯ জুলাই) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবির স্বাক্ষরিত
পাঁচ দিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
পূর্বাভাসে
বলা হয়েছে, সোমবার (২০ জুলাই) সকাল ৯টা পর্যন্ত রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ
এলাকায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে
ঝোড়ো হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। একই সঙ্গে
দেশের বিভিন্ন স্থানে ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময় দিন ও রাতের
তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
সোমবার
সকাল ৯টার পর থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টাতেও বৃষ্টির এই প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে বলে
জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। এ সময়ও রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ এলাকায় এবং
রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক স্থানে ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি
বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। দেশের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে
এবং তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
মঙ্গলবার
(২১ জুলাই) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট
বিভাগের অধিকাংশ এলাকায় এবং রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের অনেক স্থানে বৃষ্টি ও
বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ
হতে পারে। এ সময় দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমলেও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে।
বুধবার
(২২ জুলাই) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায়ও একই ধরনের আবহাওয়া বিরাজ করতে পারে। ঢাকা,
খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ এলাকায় এবং রংপুর, রাজশাহী ও ময়মনসিংহ
বিভাগের অনেক স্থানে ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে
খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। এ
সময় সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।
বৃহস্পতিবার
(২৩ জুলাই) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টাতেও দেশের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টিপাত অব্যাহত
থাকতে পারে। ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ এলাকায় এবং রংপুর,
রাজশাহী ও ময়মনসিংহ বিভাগের অনেক জায়গায় ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে
পারে। একই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময়
দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
আবহাওয়া
অধিদপ্তর জানিয়েছে, টানা কয়েক দিনের এই বৈরী আবহাওয়ার সময় বজ্রপাতের ঝুঁকিও থাকবে।
তাই প্রয়োজন ছাড়া খোলা মাঠ, নদী কিংবা জলাশয়ের আশপাশে অবস্থান না করে নিরাপদ স্থানে
থাকার পরামর্শ দিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।
মন্তব্য করুন


সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেতো রেংগলির সঙ্গে বৈঠক করেছেন স্বরাষ্ট্র ও কৃষি উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোঃ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.)। এ সময় বন্যা পরবর্তী কৃষি পুনর্বাসনে সুইজারল্যান্ডের সহযোগিতা কামনা করেছেন স্বরাষ্ট্র ও কৃষি উপদেষ্টা।
সোমবার (২ সেপ্টেম্বর) সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার দপ্তরে এই বৈঠক হয়। সাক্ষাৎকালে দু'দেশের মধ্যে মানবপাচার প্রতিরোধ, কৃষি পুনর্বাসন ও বীমা, পুলিশ বাহিনীর পুনর্গঠন ও সংস্কার, মানিলন্ডারিং ও দুর্নীতি প্রতিরোধ ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকের শুরুতে উপদেষ্টা রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানান। রাষ্ট্রদূত এ মুহূর্তে উপদেষ্টার অগ্রাধিকারের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বন্যা পরবর্তী কৃষি পুনর্বাসনই এখন সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার ও চ্যালেঞ্জ। উপদেষ্টা এসময় কৃষি পুনর্বাসনে সুইজারল্যান্ডের সহযোগিতা কামনা করেন।
রাষ্ট্রদূত বলেন, আমরা মানবপাচার প্রতিরোধে বিদ্যমান সহযোগিতা বৃদ্ধি করতে চাই। তিনি বন্যা বা প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় কৃষকদের সক্ষমতা ও সামর্থ্য বৃদ্ধিতে কৃষি ক্ষেত্রে বীমা চালুর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
উপদেষ্টা জানান, বাংলাদেশের কৃষকগণ এখনো এ বিষয়ে খুব বেশি আগ্রহী নয়। ভবিষ্যতে আলোচনা করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
রাষ্ট্রদূত আরো বলেন, বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তন বেশ বড় ধরনের প্রভাব ফেলেছ। যে কারণ বন্যাসহ অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগ বৃদ্ধি পাচ্ছে। তিনি এসব সমস্যা সমাধানে কৃষকদের নিকট গ্রহণযোগ্য ও উদ্ভাবনী প্রকল্প প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের পরামর্শ দেন।
রাষ্ট্রদূত জানান, পুলিশ সংস্কার ও পুনর্গঠনে সুইজারল্যান্ডের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে। বাংলাদেশ এ সুযোগকে কাজে লাগাতে পারে।
এসময় উপদেষ্টা বলেন, বর্তমান সরকার দুর্নীতি ও মানি লন্ডারিং প্রতিরোধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে। তিনি বাংলাদেশে মানবাধিকার সুউচ্চ ও সমুন্নত রাখতে সুইজারল্যান্ডের সহায়তা চান।
রাষ্ট্রদূত বলেন, আন্তর্জাতিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে বাংলাদেশে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ ও পাচার হওয়া টাকা দেশে ফেরত আনতে সহযোগিতা করবে সুইজারল্যান্ড।
স্বরাষ্ট্র ও কৃষি উপদেষ্টা
লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোঃ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.) বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের অধিকার, সুশাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা
করতে বদ্ধপরিকর। শুধু স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা হিসেবে নয়, একজন সাধারণ নাগরিক ও সেনাবাহিনীর প্রাক্তন
সদস্য হিসেবে আমি বিডিআর হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচার চাই। সঠিকভাবে এ হত্যাকাণ্ডের পুনঃতদন্ত
ও ন্যায়বিচার প্রক্রিয়া শিগগিরই শুরু করা হবে।
মন্তব্য করুন


চলতি বছরের শেষ দিকে অনুষ্ঠেয় ডি-৮ শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে মিশর।
বাংলাদেশে মিশরের রাষ্টদূত ওমর মোহি আলদিন আহমেদ ফাহমি বুধবার পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেনের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে এ আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।
আজ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে একথা জানানো হয়।
মিশর আয়োজিত অর্গানাইজেশন ফর ইকোনমিক কো-অপারেশনের এই শীর্ষ সম্মেলনে বাংলাদেশ, মিশর, ইন্দোনেশিয়া, নাইজেরিয়া, ইরান, পাকিস্তান ও তুরস্কসহ ৮টি উন্নয়নশীল দেশের শীর্ষ নেতাদের একত্রিত করবে।
১৯৯৭ সালের ১৫ জুন ইস্তাম্বুল ঘোষণার মাধ্যমে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে উন্নয়ন সহযোগিতা বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে ডি-৮ গ্রুপটি যাত্রা শুরু করে।
ডি-৮ এর প্রাথমিক লক্ষ্য ছিল বিশ্ব অর্থনীতিতে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর অবস্থানকে শক্তিশালী করা, বাণিজ্যের নতুন সুযোগ সৃষ্টি করা, আন্তর্জাতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ বাড়ানো এবং সদস্য দেশগুলোর জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন ইত্যাদি।
রাষ্ট্রদূত ফাহমি বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় মিশরের চলমান সমর্থন পূর্ণব্যক্ত করে একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যতের দিকে জাতির অব্যাহত অগ্রগতির প্রতি আস্থা প্রকাশ করেন।
ডি-৮ শীর্ষ সম্মেলনে অর্থনৈতিক সহযোগিতা, বাণিজ্য বৈচিত্র্য ও উদ্ভাবনের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে আলোকপাত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এছাড়া, সদস্য দেশগুলো বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা এবং পারস্পরিক প্রবৃদ্ধি উৎসাহিত করতে একসঙ্গে কাজ করবে।
মন্তব্য করুন


ব্রাহ্মণবাড়িয়ার
শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের জেলা ও দায়রা জজ সৈয়দ আমিনা ফারহিনের বাসায় চুরির
ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (৩০ মে) ভোরে পৌর এলাকার মৌলভীপাড়ায় তিতাস টুইন টাওয়ারের ২য় তলায়
তাঁর বাসভবনে এ ঘটনা ঘটে।
বিচারক
সৈয়দ আমিনা ফারহিন ওই ফ্ল্যাটে ভাড়া থাকেন। তবে ঘটনার সময় তিনি বাসায় ছিলেন না। খবর
পেয়ে সকালে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
তিতাস
টুইন টাওয়ারের কেয়ার টেকার রতন মিয়া জানান, ঈদের ছুটিতে ওই বিচারক ফ্ল্যাট তালা দিয়ে
বাড়িতে যান।
সিসি
ক্যামেরাতে দেখা গেছে ভোরে তিনজন পেছনের গ্রিল ভেঙে দ্বিতীয় তলায় উঠে। পরে ফ্ল্যাটের
তালা ভেঙে প্রবেশ করে। সেখানে দুটি আলমিরা ভেঙে সব মালামাল নিয়ে গেছে। এ ছাড়াও অন্যান্য
মালামাল নিয়ে গেছে চোরের দল। সকালে বিষয়টি নজরে এলে পুলিশকে অবহিত করা হয়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এম এম রকিব উর রাজা জানান, চুরির খবর পেয়ে ওই ফ্ল্যাটে
যায় পুলিশ। বিচারক ছুটিতে থাকার সুযোগে চুরির এ ঘটনাটি ঘটে। কি পরিমাণ মালামাল চুরি
হয়েছে সেটা জানার চেষ্টা চলছে। জড়িতদের চিহ্নিত করতেও কাজ করছে পুলিশ।
মন্তব্য করুন


সৌদি
আরবের মক্কার হেরা সাংস্কৃতিক এলাকায় পবিত্র কোরআন জাদুঘরে তৃতীয় হিজরি শতাব্দীর একটি বিরল কোরআনের পাণ্ডুলিপি প্রদর্শন করা হচ্ছে। ঐতিহাসিক এই নিদর্শন কোরআনের
পাণ্ডুলিপি তৈরির প্রাথমিক পর্যায়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে বিবেচিত। রোববার (৩০ আগস্ট) আরব
নিউজের এক প্রতিবেদন থেকে
এ তথ্য জানা যায়।
প্রতিবেদনে
বলা হয়, প্রদর্শিত পাণ্ডুলিপিটিতে সূরা মারইয়ামের একটি অংশ রয়েছে, যা প্রাণীর চামড়ার
ওপর লাল কালিতে লেখা। লেখাগুলোতে কোনো হরকত বা নুকতা নেই।
প্রাচীন যুগে কোরআন লেখার অন্যতম বৈশিষ্ট্য ছিল এ ধরনের হরকত
ও নুকতাবিহীন লিপি।
এই
পাণ্ডুলিপির মাধ্যমে কোরআনের লিখনপদ্ধতির ক্রমবিকাশ এবং ইসলামের প্রাথমিক শতাব্দীগুলোতে কোরআন সংরক্ষণ ও লিপিবদ্ধ করার
পদ্ধতি সম্পর্কে জানতে পারেন জাদুঘরে আসা দর্শনার্থীরা।
উল্লেখ্য,
কোরআন জাদুঘর মক্কার হেরা সাংস্কৃতিক এলাকার অন্যতম প্রধান প্রতিষ্ঠান। এখানে দর্শনার্থীরা কুরআনের ইতিহাস ও পাণ্ডুলিপি সংরক্ষণের
ধারা সম্পর্কে জানার সুযোগ পান। জাদুঘরে রয়েছে নানা ধরনের বিরল পাণ্ডুলিপি, ঐতিহাসিক কুরআন, দৃশ্য-প্রদর্শনী ও আধুনিক প্রযুক্তির
ব্যবহার।
একইসঙ্গে
জাদুঘরটি হেরা পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত হেরা সাংস্কৃতিক এলাকার অংশ, যা দর্শনার্থীদের জন্য
ওহি অবতীর্ণ স্থানের সঙ্গে জ্ঞানগত সংযোগ তৈরি করে। এতে মক্কা ও হজযাত্রীদের জন্য
ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতা
সমৃদ্ধ হয় এবং আধুনিক উপস্থাপনার মাধ্যমে কুরআনের ঐতিহ্য ও ইতিহাস তুলে
ধরা হয়।
মন্তব্য করুন


নারায়ণগঞ্জের
ফতুল্লার হাজিগঞ্জ এলাকায় ফিফা বিশ্বকাপ ফাইনালকে কেন্দ্র করে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার
সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষ চলাকালে কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায়
পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় উভয় পক্ষের অন্তত আটজন আহত হয়েছেন বলে জানা
গেছে।
সোমবার (২০ জুলাই) রাতে ফতুল্লার হাজিগঞ্জ
এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়,ফিফা
বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনা পরাজিত হওয়ার
পর হাজিগঞ্জ এলাকার ব্রাজিল সমর্থক অপূর্ব ও তার অনুসারীরা বিজয় উল্লাস করে। এ সময়
উল্লাসকে কেন্দ্র করে আর্জেন্টিনা সমর্থক হাবিব ও তার সহযোগীদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা শুরু
হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রথমে আর্জেন্টিনা
সমর্থকরা ব্রাজিল সমর্থকদের ধাওয়া দিলে পরে ব্রাজিল সমর্থকরা আরও লোকজন নিয়ে ফিরে
আসে। এরপর উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া শুর হয়। এ সময় বাড়িঘরে ভাঙচুর ও
লুটপাটের অভিযোগ ওঠে। সংঘর্ষ চলাকালে কয়েকটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটানো হলে পুরো এলাকায়
আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
খবর পেয়ে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ
ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক
রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এ বিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত
কর্মকর্তা (ওসি) মাহাবুব আলম বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি
শান্ত করেছি। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো মামলা
দায়ের হয়নি। তবে বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগে বাংলাদেশে উদ্ভুত বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় সহায়তার লক্ষ্যে ‘দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সহায়তা সমন্বয় সেল’ গঠন করা হয়েছে।
শুক্রবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়ে আরো বলা হয়, জননিরাপত্তা বিভাগের যুগ্মসচিব মো. হারুন-অর-রশিদ সেলের দৈনন্দিন কার্যক্রম তত্ত্বাবধান করবেন।
‘দুযোর্গ ব্যবস্থাপনা
সহায়তা সমন্বয় সেল’-এ জরুরি যোগাযোগের জন্য ০২-৪৭১১৮৭০০, ০২- ৪৭১১৮৭০১, ০২-৪৭১১৮৭০২, ০২-৪৭১১৮৭০৩, ০২-৪৭১১৮৭০৪ ও ০২-৪৭১১৮৭০৫ এবং ০১৩১৭৭৪৯৯৮০ ও ০১৮২০১১৭৭৪৪ নম্বরে ফোন করা যাবে।
সমন্বয় সেল দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সংশ্লিষ্ট সকলের সাথে সার্বক্ষণিক
যোগাযোগ রক্ষাসহ প্রাপ্ত তথ্যাদি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করবেন এবং সার্বক্ষণিক ফলোআপ করবেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে
উল্লেখ করা হয় ।
মন্তব্য করুন


নেপালে
বাংলাদেশের একটি সিনেমার শুটিং করতে গিয়ে প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের
কবলে পড়েছেন টালিউডের দুই প্রখ্যাত অভিনেতা খরাজ মুখোপাধ্যায় এবং রজতাভ দত্ত।
হিন্দুস্তান
টাইমসের প্রতিবেদন অনযায়ী, বাংলাদেশের একটি
ছবির শ্যুটিংয়ের কাজে নেপালে গিয়েছেন টালিউডডের এই দুই শিল্পী। অভিনেতা খরাজের সঙ্গে
তার স্ত্রী এবং শুটিং দলের অন্যান্য সদস্যরাও সেখানে রয়েছেন।
নেপালের
চীন সীমান্ত লাগোয়া রাসুয়া জেলায় হড়পা বানের দাপটে ধূলিসাৎ বিস্তীর্ণ এলাকা। স্বাভাবিকভাবেই
যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন। অভিনেতার ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও পাওয়া যায়নি।
খরাজের চিন্তায় উদ্বিগ্ন পরিবার থেকে শুরু করে অনুরাগীর।
অভিনেতাদের
বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে খরাজ মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, যে তারা বর্তমানে হোটেলেই
অবস্থান করছেন এবং নিরাপদে আছেন।
তিনি
জানান গত ২০ তারিখ তারা নেপালে পৌঁছেছিলেন। কিন্তু পৌঁছানোর পর থেকেই প্রবল বৃষ্টি
ও প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে বারবার শুটিং ব্যাহত হয়। অত্যন্ত কষ্ট করে বৃষ্টির মধ্যেই
শুটিং শেষ করতে হয়েছে তাদের।
খরাজ
আরও জানান, দুর্যোগের কারণে কাঠমান্ডু যাওয়ার পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় নির্ধারিত সকালের
বিমানটি তারা ধরতে পারেননি। ফলে সড়কপথে ভারত সীমানার কাছে গোরক্ষপুর পৌঁছে সেখান থেকে
২৮ তারিখে সরাসরি কলকাতার বিমান ধরে দেশে ফেরার পরিকল্পনা করছেন তারা।
তিব্বত
থেকে নেমে আসা ভোতে কোশি নদীতে আচমকা জলস্তর মারাত্মক বৃদ্ধি পাওয়ায় তিমুরে ও স্যাফ্রুবেশি-সহ
বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বাজার, রাস্তা ও জলবিদ্যুৎ প্রকল্প ক্ষতিগ্রস্ত
হওয়ার পাশাপাশি নেপাল ট্যুরিজম বোর্ডের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী বহু পর্যটক নিখোঁজ রয়েছেন,
যার মধ্যে শতাধিক ভারতীয় নাগরিকও রয়েছেন। আপাতত নেপাল সেনা ও নিরাপত্তা বাহিনী উদ্ধারে
নেমেছে এবং দুর্যোগের কবলে থাকা ভারতীয়রা নিরাপদে ফিরে আসার পথ খুঁজছেন।
স্থানীয়
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, রসুয়া জেলায় হড়পা বানের ঘটনায় ইতিমধ্যেই অন্তত আটজনের
মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে।
মন্তব্য করুন


নাটোরের
সিংড়া উপজেলায় পর্নোগ্রাফি ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে মাওলানা মিরাজ আহমেদকে গ্রেফতার করেছে
পুলিশ।
তিনি
উপজেলার গাড়াবাড়ি গ্রামের সুলতানের ছেলে। সোমবার সকালে অভিযান চালিয়ে নিজ বাড়ি থেকে
তাকে গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে সিংড়া থানায় পর্নোগ্রাফি আইনে
মামলা দায়ের করেছেন।
সিংড়া
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম জানান, মাওলানা মিরাজ আহমেদের বিরুদ্ধে
এক প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়ার সম্পর্ক গড়ে তুলে গোপনে ভিডিও ধারণের অভিযোগ রয়েছে।
পরে সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ ওঠে।
মন্তব্য করুন


মুন্সীগঞ্জের
গজারিয়ায় কুমিল্লা থেকে ঢাকাগামী মিয়ামি এয়ারকন পরিবহনের একটি বাসের যাত্রীদের ড্রাইভারসহ
কয়েকজন মিলে মারধর করেছেন। এ সংক্রান্ত কয়েকটি ভিডিও ক্লিপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে
ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে দেশজুড়ে সমালোচনা শুরু হয়েছে। অনুসন্ধানে জানা গেছে, হামলায়
বাসের অন্তত চারজন যাত্রীর মাথা ফেটে গেছে।
এই
ঘটনায় আহতরা হলেন, সোহেল (২৬), সিয়াস (২১), হাসিনা আক্তার (৪৫), নাসিমা বেগম (৪৮)।
সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিও ক্লিপে দেখা যায়, এক ব্যক্তি বাসে উঠে লোহার রড
বা দণ্ডজাতীয় কিছু দিয়ে পিটিয়ে যাত্রীদের রক্তাক্ত করছেন। অন্য একটি ভিডিওতে দেখা যায়,
হামলায় দুই নারীসহ চারজনের মাথা ফেটে গেছে। সে সময় ভুক্তভোগী যাত্রীরা বাঁচার জন্য
আকুতি জানাচ্ছিলেন।
ঘটনার
নেপথ্য কারণ নিয়ে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মিয়ামি এয়ারকন পরিবহনের একটি বাস কুমিল্লা থেকে
ঢাকায় আসার পথে কুমিল্লার মাধাইয়া এলাকায় এক মোটরসাইকেল আরোহীকে ধাক্কা দেয়। এতে ওই
আরোহী গুরুতর আহত হন। দুর্ঘটনা ঘটার পর বাসের যাত্রীরা চালককে বাস থামাতে বাধ্য করেন।
সে সময় বাস চালকের সঙ্গে যাত্রীদের বেশ বাকবিতণ্ডা হয়। চালক গাড়ি থামালে স্থানীয় উৎসুক
জনতা তাকে মারধর করে এবং পুলিশ এসে গাড়িটি থানায় নিয়ে যায়। সে সময় সুযোগ বুঝে চালক
কৌশলে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গজারিয়ায় তার নিজ বাড়িতে চলে যান। এর কিছুক্ষণ পর পরিবহন
কর্তৃপক্ষ অন্য একটি বাস পাঠিয়ে আটকে পড়া যাত্রীদের ঢাকা পাঠানোর ব্যবস্থা করে।
এদিকে
পূর্ববর্তী বাসের চালক স্থানীয় কিছু লোকজনকে সঙ্গে নিয়ে মহাসড়কের গজারিয়া অংশের বাউশিয়া
পাখির মোড় এলাকায় আগে থেকেই ওত পেতে থাকেন। আটকে পড়া যাত্রীরা নতুন বাসে করে বিকেল
পৌনে পাঁচটার দিকে ওই এলাকায় পৌঁছালে আগের বাসের চালক বাসটি থামানোর সিগন্যাল দেন।
বাসটি থামামাত্রই তিনি সঙ্গীদের নিয়ে ভেতরে ঢুকে পড়েন এবং দুর্ঘটনায় বাধা দেওয়া যাত্রীদের
ওপর হামলা চালান। পরবর্তীতে যাত্রীরা ৯৯৯ নম্বরে কল দিলে গজারিয়া হাইওয়ে থানা পুলিশ
ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
ভুক্তভোগী
বাসযাত্রী সাফায়েত হোসেন বলেন, এক নজিরবিহীন ঘটনার সাক্ষী হলাম আমরা। মিয়ামি এয়ারকন
পরিবহনের একজন চালক গজারিয়ায় গাড়ি থামিয়ে আমাদের সহযাত্রীদের ওপর সশস্ত্র হামলা চালিয়েছেন।
হামলায় চার-পাঁচজন গুরুতর আহত হয়েছেন। আমি এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই এবং দোষীদের
দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।
গজারিয়া
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, এ ঘটনায় আহত চারজনকে হাসপাতালে নিয়ে
আসা হয়। তাদের মধ্যে তিনজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। সোহেল নামে একজনের
অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
এ
বিষয়ে গজারিয়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ কামাল আকন্দ বলেন, ঘটনাটি
অত্যন্ত দুঃখজনক। বিষয়টি আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানিয়েছি। খবর পাওয়া মাত্রই
আমরা ঘটনাস্থলে ছুটে যাই এবং আহতদের উদ্ধার করে গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে
পাঠাই। এ ঘটনায় জড়িতরা যাতে উপযুক্ত শাস্তি পায় সেজন্য ভুক্তভোগীদের থানায় লিখিত অভিযোগ
দিতে বলা হয়েছে। বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখছি।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা
বিসিক শিল্প নগরীতে ‘মর্ডান ড্রাগ’ নামক একটি কারখানায় মাঝরাতে ঝটিকা
অভিযান চালিয়েছে জেলা প্রশাসন। অভিযানে সরকারি লাইসেন্স ও অনুমোদন ছাড়া সম্পূর্ণ অবৈধ
ও মানবদেহের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর ২১ পদের ভেজাল ওষুধ জব্দ করা হয়েছে। এ সময় কোনো
বৈধ টেকনিশিয়ান ছাড়া নিজেই এসব ক্ষতিকর ওষুধ তৈরির অপরাধে কারখানার মালিক জুবায়ের ইসলামকে
হাতেনাতে আটক করেছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
শনিবার
(২০ জুন) গভীর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা প্রশাসনের একটি চৌকস দল বিসিক এলাকার
ওই কারখানায় এই বিশেষ টাস্কফোর্স অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফাইয়াজ খান।
জেলা
প্রশাসন ও ঔষধ প্রশাসন সূত্র জানায়, মর্ডান ড্রাগ নামের ওই প্রতিষ্ঠানটির সরকারিভাবে
মাত্র দুটি সাধারণ ওষুধ তৈরির বৈধ অনুমোদন ছিল। কিন্তু কারখানার ভেতরে তল্লাশি চালিয়ে
দেখা যায়, সেখানে সম্পূর্ণ অবৈধভাবে শিশুখাদ্য ও শিশুদের সিরাপসহ ২১ ধরনের জটিল রোগের
ভেজাল ওষুধ তৈরি ও বোতলজাত করা হচ্ছিল। আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য হলো, কারখানায় ওষুধ তৈরির
জন্য স্বীকৃত কোনো ফার্মাসিস্ট বা ল্যাব টেকনিশিয়ান ছিল না। মালিক জুবায়ের ইসলাম নিজেই
ইচ্ছেমতো উপাদান মিশিয়ে এসব ক্ষতিকর ওষুধ তৈরি করতেন। অভিযানে সেখানে কেবল একজন নামমাত্র
শিক্ষানবিশ কেমিস্টের উপস্থিতি পাওয়া যায়। তৈরি করা এসব ভেজাল ওষুধ ডিলারের মাধ্যমে
দেশের বিভিন্ন প্রত্যন্ত অঞ্চলের ফার্মেসিতে সরবরাহ করা হতো।
অভিযানে
অংশ নেওয়া কুমিল্লা ঔষধ প্রশাসনের অফিস সহকারী শাহ আলম সরকার বলেন, "জব্দ করা
ওষুধের তালিকায় বেশ কয়েকটি নামী বিদেশি ব্র্যান্ডের নকল ওষুধও রয়েছে। ল্যাবে পরীক্ষা
ছাড়া অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি এই ওষুধগুলো অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এবং মানবদেহের জন্য
রীতিমতো বিষসদৃশ। এ ঘটনায় ওষুধ আইন অনুযায়ী কঠোর নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।"
আটকের
পর অপরাধের কথা স্বীকার করে কারখানার মালিক জুবায়ের ইসলাম বলেন, "২১টির মধ্যে
১৫টিরও বেশি ওষুধ তৈরির কোনো বৈধ কাগজপত্র বা অনুমতি আমাদের ছিল না। আমরা মূলত বিভিন্ন
সাধারণ হারবাল কাঁচামাল এবং কেমিক্যাল ব্যবহার করে নিজেদের মতো করে এসব ওষুধ তৈরি করে
আসছিলাম।"
ভেজাল
ও নকল ওষুধের এই বড় আস্তানায় অভিযান পরিচালনার সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক
কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুলতানা হাসান মাহমুদ এবং কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ারসহ পুলিশের একটি দল। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায়
বিসিকসহ কুমিল্লার সর্বত্র এই ধরনের ভেজালবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করা হবে বলে জানিয়েছে
জেলা প্রশাসন।
মন্তব্য করুন