

বিদিপ্তা
চক্রবর্তী ওপার বাংলার শোবিজ অঙ্গনের পরিচিত মুখ। তিনি নাটক থেকে সিনেমা সকল জায়গাতেই
অভিনয়ের ছাপ ফেলেছেন। ব্যক্তিজীবনে পরিচালক বিরসা দাশগুপ্তকে বিয়ে করেছেন বিদিপ্তা।
বিদিপ্তার
শাশুড়ি ওপার বাংলার জনপ্রিয় সঞ্চালিকা চৈতালী দাশগুপ্ত। বিরসার সঙ্গে বিয়ের অনেক আগে
থেকেই শাশুড়ির সঙ্গে বন্ধুত্ব ছিল তার। এক সাক্ষাৎকারে সেটাই জানালেন এই অভিনেত্রী।
অভিনেত্রী
বিদিপ্তা বলেন, তাদের বাড়িতে আমার যাতায়াত ছিল। তখন তো বিরসাকে (বর্তমান স্বামী) ছোট
দেখেছি। হয়তো কখনও গালও টিপে দিয়েছি আদর করে, ঠিক মনে নেই। স্বামীর চেয়ে বয়সে প্রায়
৭ বছরের বড় তিনি। কিন্তু বয়সের এই ফারাক কোনোদিন তাদের সম্পর্কে বাধা হয়নি।
তবে
বিরসাকে বিয়ের আগেই বিবাহিত ছিলেন বিদিপ্তা। প্রথম সংসারে একটি কন্যা সন্তানও ছিল বিদিপ্তার।
কিন্তু সেই সংসার টেকেনি। ডিভোর্সের পর মেয়েকে নিয়ে আলাদা থাকতেন অভিনেত্রী বিদিপ্তা।
তখনই বিরসা দাশগুপ্তের সঙ্গে পরিচয়। ২৫ বছর বয়সী বিরসার তখন প্রেমের সম্পর্ক ভেঙেছিল।
আমিও বিচ্ছেদ নিয়ে ভেঙে পড়েছিলাম। একটা সময়ে দুজনের সম্পর্ক প্রেমে রূপ নেয়। আমাদের
পরিবারও বিয়েতে বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি।
অভিনেত্রীর
শাশুড়ি চৈতালী দাশগুপ্ত বলেন, বন্ধু কখন বউমা হয়ে গেল, সেটা একদম চমকপ্রদ গল্প।
মন্তব্য করুন


‘অ্যানিম্যাল’
সিনেমায় উগ্র পৌরুষ ও নারীবিদ্বেষ রয়েছে বলে সমালোচনা রয়েছে। এ নিয়ে বিতর্ক থাকলেও
কাজের জন্য দর্শক ও সমালোচকদের প্রশংসা অর্জন করেছেন অভিনেতা রণবীর। এ সিনেমায় তার
সোথে জুটি বেঁধেছিলেন অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানা। দক্ষিণী বিনোদন জগতের পাশাপাশি এখন
বলিউডেরও জনপ্রিয় নায়িকা রাশমিকা মান্দানা।
‘অ্যানিম্যাল’-এর
সাফল্যের পর অভিনেত্রী রাশমিকা জানান, সিনেমাতে তার চরিত্র গীতাঞ্জলির কিছু কাজকর্ম
ও কথাবার্তা নিয়ে প্রশ্ন জেগেছিল তার মনে। তবে পরিচালক তাকে বোঝান, চরিত্রের প্রয়োজনে
গীতাঞ্জলির মতো করে ভাবতে।
সিনেমার
প্রযোজক জানালেন, ‘অ্যানিম্যাল’-এর সেটে নাকি রণবীরের গায়েও হাত তুলেছিলেন নায়িকা!
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে প্রযোজক প্রণয় রেড্ডি বঙ্গা জানান, একটি দৃশ্যের মহড়ার সময় নাকি একাধিকবার অভিনেতা রণবীরের গায়ে হাত তুলেছিলেন অভিনেত্রী রাশমিকা। ওই দৃশ্যকে নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলতে কোনো কমতি রাখেননি অভিনেত্রী রাশমিকা। রণবীরকে কমপক্ষে ২০-২৫ বার মেরেছিলেন তিনি। তারপর ওই দৃশ্য চূড়ান্ত করা হয়েছিল।
মন্তব্য করুন


দ্বিতীয় স্বামীর পদবি মুছে সিঙ্গেল চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি । কারণ তিনি তার দ্বিতীয় স্বামীর পদবি মুছে দিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তিনি নিজেই এই ঘোষণা দেন।
দ্বিতীয় বিয়ের পর স্বামী রকিব সরকার ও একমাত্র ছেলে ফারিশকে নিয়ে বেশ ভালোভাবেই দিন কাটছিল চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহির। কিন্তু অভিনেত্রীর সেই সংসারেও বেজে ওঠে ভাঙনের সুর। গত ১৬ ফেব্রুয়ারি হঠাৎ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিচ্ছেদের ঘোষণা দিয়ে বসেন মাহি। এবার স্বামীর পদবি মুছে দিলেন এই চিত্রনায়িকা।
২০১২ সালে চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় মাহির। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে শারমীন নিপা থেকে হয়ে ওঠেন মাহিয়া মাহি। এরপর থেকে এই নামেই পরিচিতি লাভ করেন তিনি। রকিব সরকারকে বিয়ের পর নিজের নাম রেখেছিলেন মাহিয়া মাহি সরকার। তবে স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের ঘোষণা দেওয়ার পরই তার নামের সঙ্গে সংযুক্ত ‘সরকার’ পদবি বদলে ফেললেন মাহি।
এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও বার্তায় মাহি জানান, আমরা দুজন মিলেই বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমাদের মধ্যে কিছু বিষয় নিয়ে সমস্যা রয়েছে। তবে রকিব খুব ভালো মানুষ। তাকে ভীষণ সম্মান করি আমি। অনেক কেয়ারিং সে। খুব দ্রুতই আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে বিচ্ছেদে যাচ্ছি। কবে আর কীভাবে হবে সেটাও দুজন মিলেই ঠিক করব।
বর্তমানে চলচ্চিত্রে আগের মতো নিয়মিত নন মাহি। রাজনীতিতেও নিজের শক্ত অবস্থান গড়তে পারেননি। একদিকে দ্বিতীয় সংসারও ভাঙল, অন্যদিকে অভিনেত্রীর ছেলের গায়ের রং নিয়েও রয়েছে নানান সমালোচনা। সব মিলিয়ে মানসিক অবসাদেই যেন ভুগছেন মাহি।
প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ২৪ মে সিলেটের ব্যবসায়ী পারভেজ মাহমুদ অপুকে বিয়ে করেছিলেন মাহি। এর কয়েক বছর পরেই ২০২০ সালে মে মাসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে পারভেজ মাহমুদ অপুর সঙ্গে বিচ্ছেদের কথা জানান তিনি। পরে ২০২১ সালে রাজনীতিবিদ ও ব্যবসায়ী কামরুজ্জামান সরকার রকিবকে বিয়ে করেন মাহিয়া মাহি।
মন্তব্য করুন


আলোচিত
ইউটিউবার আশরাফুল হোসেব আলম ওরফে হিরো আলম একদিনের ব্যবধানে দল পাল্টিয়ে বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম)
আসনে গণ অধিকার পার্টি থেকে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার
(৩০ নভেম্বর) বিকেলে বগুড়ার জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা সাইফুল ইসলামের কাছে
হিরো আলমের পক্ষে তার ব্যক্তিগত সহকারী সুজন রহমান শুভ মনোনয়নপত্র জমা দেন।
এরআগে
হিরো আলম বুধবার (২৯ নভেম্বর) বগুড়া-৪ আসন থেকে সুপ্রিম পার্টির প্রার্থী হিসেবে একতারা
প্রতীকে মনোনয়নপত্র তুলেছিলেন। কিন্তু গণ অধিকার পার্টির জাতীয় জোট বাংলাদেশ কংগ্রেসের
ডাব প্রতীক নিয়ে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে যাচ্ছেন আলোচিত এ ইউটিউবার।
হিরো
আলমের ব্যক্তিগত সহকারী সুজন রহমান শুভ বলেন, ৪দিন আগেই সুপ্রিম পার্টি থেকে বগুড়া-৪
আসনে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। দলের চেয়ারম্যান না জেনেই হিরো আলমকে প্রার্থী হতে বলেছিলেন।
ভুল বোঝাবুঝি হওয়ায় আজ বাংলাদেশ কংগ্রেসের জাতীয় জোটবদ্ধ দল গণ অধিকার পার্টি থেকে
মনোনয়ন জমা দেওয়া হয়েছে। এখানে দল বিষয় নয়, হিরো আলমের ব্যক্তি জনপ্রিয়তাই আসল।
মন্তব্য করুন


ছোট পর্দার এই সময়ের অভিনেত্রী সামিরা খান মাহি । ইতোমধ্যে শোবিজে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন এ অভিনেত্রী। বিভিন্ন সময় ব্যক্তিজীবন ও কাজ নিয়ে আলোচোনায় এসেছেন তিনি। নতুন বছরে আবারও আলোচনায় উঠে এসেছেন মাহি।
তবে এবার আলোচনা কাজ দিয়ে নয়, মেকাপ ছাড়া তার একটি ভিডিও সোশ্যাল মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। আর এ নিয়েই চলছে বিভিন্ন প্রকার মন্তব্য।
ফেসবুকে মাহির নো-মেকআপ লুক ভিডিও ভাইরাল হয়েছে । তারপর থেকে তার গায়ের রং নিয়ে ট্রল করছেন নেটজনতা। চলছে বর্ণবৈষম্য। ভিডিওটি দেখে বোঝা যাচ্ছে কোন একটি নাটকের শুটিংয়ের ফাঁকে মেকাপ ছাড়াই ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন এই অভিনেত্রী। আর সে সময় তার এক সহকর্মী মজার ছলেই ভিডিও করে। পরে যা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। যেখানে অনেকেই মাহির গায়ের রঙ নিয়ে বিভিন্ন প্রকার কটূক্তি করছেন।
সোশ্যাল সাইটে নাতিদীর্ঘ এক স্ট্যাটাসের মাধ্যমে সেই অনুভূতির কথা জানিয়েছেন মাহি।গায়ের রঙ নিয়ে ট্রল করায় কষ্ট পেয়েছেন তিনি। মাহি লিখেছেন, প্রায়ই অভিনেত্রীদের স্কিন কালার নিয়ে নানা ধরনের নেতিবাচক মন্তব্য শোনা যায়। নিজের বাইরেও অনেকের পোস্টেই এসব মন্তব্য চোখে পড়ে। কিন্তু একজন অভিনেতার ক্ষেত্রে তেমনটা ঘটে না। এর কারণ আসলেই অজানা। হয়ত আমরা অনেকেই মধ্যযুগীয় চিন্তা-চিতনা নিয়েই চলছি।
ক্যারিয়ারের শুরু থেকে কাজকে গুরুত্ব দিয়েছেন জানিয়ে অভিনেত্রী লিখেছেন, আমি ব্যক্তিগতভাবে বরাবরই কাজকে গুরুত্ব দিয়ে এসেছি। বর্তমান যে জায়গায় দাঁড়িয়ে সেখানেও অনেক চেষ্টা, কষ্ট, পরিশ্রম আছে। মানুষের ভালোবাসা রয়েছে। কিন্তু তারপরও মাঝে মধ্যে রঙ নিয়ে মানুষের এমন ট্রল করা আমাকে ভীষণ ভাবায়। যদিও কিছু মানুষই কেবল এমনটা করে থাকে। অথচ একজন মানুষকে, একজন অভিনেত্রীকে তার কাজের মাধ্যমে বিচার করা উচিত। অন্য কোনো কিছু দিয়ে বিচার করা নয়।আমার কাজের সমালোচনা করুন, আমি মাথা পেতে নেব। নিজেকে আরও শুধরানোর জন্য চেষ্টা করব। কিন্তু এভাবে গায়ের রঙ নিয়ে মন্তব্য করে নিজের পরিচয় দেবেন না। আমি আপনাদের জন্যই কাজ করছি, আর করে যাব। আপনাদের সবার ভালোবাসায় থাকতে চাই এবং বাঁচতে চাই।
এর আগে গত বছর মাহি তার সোশ্যাল মাধ্যমে এক যুবকের সাথে ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করেন। প্রেমিক হিসেবে ঘোষণা না দিলেও তাদের অন্তরঙ্গতা প্রেমের আভাসই দিচ্ছিল যেন। মাহি অবশেষে প্রেমের কথাও স্বীকার করেন।
প্রেমের বিষয়টি স্বীকার করে মাহি জানান ,কোভিডের আগে, ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে আমাদের পরিচয় হয়। কোভিডের সময় যোগাযোগ বাড়ে, সেখানে থেকেই আমাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়। ওর নাম সাদাত শাফি নাবিল। আর পারিবারিকভাবেই ওদের গাড়ির ব্যবসা আছে।
মন্তব্য করুন


ঢাকাই
সিনেমার চিত্রনায়ক জায়েদ খান দুবাইয়ে এক অনুষ্ঠান মঞ্চে ডিগবাজি দিয়ে আবারও খবরের শিরোনাম
হয়েছেন।
রবিবার
(২৪ ডিসেম্বর) দুবাইয়ের ক্রাউন প্লাজা হোটেল হলরুমে এক অনুষ্ঠানে ডিগবাজি দেন জায়েদ।
অনুষ্ঠানে
অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, দুবাই কনসাল জেনারেল বিএম জামাল হোসেন, এশিয়ান টেলিভিশন
ও এশিয়ান গ্রুপের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ হারুন উর রশিদ (সিআইপি)। ইভেন্টের উপস্থাপনায়
ছিলেন দেবাশীষ বিশ্বাস ও মডেল প্রিয়াঙ্কা জামান। এ আয়োজনে ঢাকা থেকে গেছেন জায়েদ খান,
বিদ্যা সিনহা মিম, নুসরাত ফারিয়া, তানজিন তিশা, মুশফিক ফারহান, জিয়াউল হক পলাশ।
অনুষ্ঠানের
মাঝে দর্শকদের মধ্যে হট্টগোল সৃষ্টি হয়। কী কারণে এই হট্টগোল হলো তা জানা যায়নি। তবে
হট্টগোলের সময় জায়েদ খান ডিগবাজি দেন। নায়কের ডিগবাজি দেখে আনন্দে মেতে ওঠেন আগতরা।
দর্শকদের অনুপ্রাণিত করতে একটি মিউজিকের তালে তালে দুহাতে ভর দিয়ে ডিগবাজি দেন জায়েদ
খান।
মন্তব্য করুন


ঢাকাই
সিনেমার সুপারস্টার শাকিব খানের জন্মদিন আজ। আজ ২৮ মার্চ শাকিব খানের ৪৫ বছর পূর্ণ
হয়েছে। ১৯৯৯ সালে সোহানুর রহমান সোহানের ‘অনন্ত ভালোবাসা’ দিয়ে ঢালিউডে তাঁর অভিষেক।
ধীরে ধীরে দর্শকের মনে জায়গা করে নিয়েছেন।
দুই
দশকেরও বেশি সময় ধরে ঢাকাই সিনেমার দর্শকদের মন জয় করে চলেছেন অভিনেতা শাকিব খান। একের
পর এক সুপার হিট সিনেমা উপহার দিয়ে চলেছেন।
১৯৭৯
সালের ২৮ মার্চ গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার রাঘদীতে মাসুদ রানা হিসেবে জন্মগ্রহণ
করেন শাকিব খান। তার বাবা আব্দুর রব ছিলেন একজন সরকারি কর্মচারী এবং মাতা নূরজাহান
একজন গৃহিণী।
মন্তব্য করুন


জোয়া আখতারের পরিচালনায় ‘আর্চিজ’-এর হাত ধরে ওটিটিতে আত্মপ্রকাশ করেছেন শাহরুখ-কন্যা সুহানা খান। এবার পা রাখতে চলেছেন বড় পর্দায়। জানা গেছে, বাবা-মেয়েকে নাকি এক ছবিতেই দেখা যাবে। ছবির নাম ‘কিং’। ছবির পরিচালনার দায়িত্বে থাকছেন পরিচালক সুজয় ঘোষ এবং সিদ্ধার্থ আনন্দ। মে মাসেই শুটিং ফ্লোরে যেতে পারে ‘কিং’।
২০২৩ সালের মাঝামাঝি সময় থেকেই এই ছবি তৈরির পরিকল্পনা চলছে। দুই পরিচালক স্ক্রিপ্ট নিয়ে সোজা চলে গিয়েছিলেন শাহরুখের কাছে। স্ক্রিপ্ট পড়ে শাহরুখ নিজের মতামত দেন। সেই অনুযায়ী স্ক্রিপ্টে নানা পরিবর্তনও আসে। এই সিনেমার একটা বড় অংশজুড়ে রয়েছে অ্যাকশন দৃশ্য। শাহরুখের সঙ্গে আলোচনা করেই নাকি সবকিছু ঠিক করা হয়েছে।
অ্যাকশন দৃশ্যের অনুশীলন হয়েছে শাহরুখের বাংলো ‘মান্নাত’-এ। সুহানাও বাবার সঙ্গেই প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। বলিউডে দক্ষ প্রশিক্ষকদের তত্ত্বাবধানেই এই প্রশিক্ষণ পর্ব চলে বলে জানা গেছে। ২০২৩ সালে ‘পাঠান’ এবং ‘জাওয়ান’-এ শাহরুখকে অ্যাকশন অবতারে দেখেছেন দর্শক।
তবে ঘনিষ্ঠ সূত্রের দাবি, ‘কিং’-এ একেবারেই অন্য ভূমিকায় দেখা যাবে শাহরুখকে। আগের দু’টি সিনেমার সঙ্গে নাকি কোনও মিল থাকছে না এই ছবির। ‘রেড চিলিজ এন্টারটেনমেন্ট’-এর সঙ্গে এই ছবির যৌথ প্রযোজনার দায়িত্বে রয়েছে সিদ্ধার্থ আনন্দের ‘মারফ্লিক্স
মন্তব্য করুন


জনপ্রিয়
অভিনেত্রী তানজিন তিশা ক্যারিয়ারে অসংখ্য হিট নাটক উপহার দিয়েছেন। পাশাপাশি সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যমেও বেশ সক্রিয়।
আর
এবার শোনা যাচ্ছে, শিগগিরই দেশের গণ্ডি পেরিয়ে কলকাতায় পাড়ি জমাচ্ছেন অভিনেত্রী তানজিন
তিশা। গণমাধ্যমে বিষয়টি অভিনেত্রী তিশা নিজেই নিশ্চিত করেছেন।
অভিনেত্রী
তিশা বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই টালিউডের বিভিন্ন প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ও নির্মাতার কাছ থেকে
প্রস্তাব পাচ্ছিলাম। কিন্তু ব্যাটে-বলে না মেলায় কাজ করা হয়নি। কখনও শিডিউল নিয়ে জটিলতা
হয়েছে আবার কখনও গল্প কিংবা নির্মাতা পছন্দ হয়নি। এবার সবকিছু চূড়ান্ত হয়েছে। আমিও
সম্মতি দিয়েছি কাজ করার জন্য। নির্মাতা কে, আমার সঙ্গে কে অভিনয় করবেন, সেটা এখনই বলছি
না। তবে এতটুকু বলতে পারি, চলতি বছরই পশ্চিমবঙ্গের সিনেমায় আমাকে দেখতে পাবেন দর্শক।
জানা
যায়, কয়েক বছর ধরেই শোনা যাচ্ছিল কলকাতার সিনেমায় যুক্ত হচ্ছেন অভিনেত্রী তিশা। মূলত
বেশ কয়েকবার কলকাতায় যাওয়া-আসায় গুঞ্জনটি ছড়িয়েছিল। তবে এতে ব্যাপক খুশিই হয়েছিলেন
অভিনেত্রীর ভক্তরা।
মন্তব্য করুন


জীবনে অভাব ছিল না সঙ্গিনীর ।
শাহীন জাফরি থেকে শুরু করে সঙ্গীতা বিজলানি, ঐশ্বরিয়া রাই থেকে শুরু করে ক্যাটরিনা কাইফ — বহু তারকার সঙ্গে বার বার সম্পর্কে জড়িয়েছেন বলিউডের ভাইজান। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কোনটিই সফল হয়নি।
২০১৬ সালে ক্যাটরিনা কাইফের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর থেকে রোমানিয়ান সঙ্গীতশিল্পী, অভিনেত্রী ইউলিয়া ভন্তুরের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান অভিনেতা।
খান-বাড়িতে এক সময় থাকতেন এই বিদেশিনি। প্রায় আট বছরের ধরে নাকি সম্পর্কে ছিলেন তাঁরা। অনেকেই ভেবেছিলেন, ইউলিয়ার সঙ্গে হয়তো থিতু হবেন তিনি। কিন্তু না, এ বার সেই সম্পর্কও নাকি ভাঙল সলমনের! সম্প্রতি সপরিবারে সেলিব্রিটি ক্রিকেট লিগ উপলক্ষে দুবাই গিয়েছেন সলমন। সঙ্গে রয়েছেন ইউলিয়াও। তবে ভাইজান এর হাবভাব দেখে অনেকের ধারণা, ইউলিয়ার সঙ্গেও সম্পর্কে ইতি টেনেছেন তিনি।
সম্প্রতি দুবাইয়ে ক্রিকেট খেলা দেখতে গিয়ে অভিনেতা ও তাঁর মায়ের সঙ্গে আদরে ভরা একটি ভিডিয়ো ভাইরাল হয়।
তবে এটি ছাড়াও আরও একটি ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, গ্যালারিতে রেলিংয়ের সামনে দাঁড়িয়ে ইউলিয়া। পিছনে নিরাপত্তারক্ষীদের ঘেরাটোপে সলমন। বার বার পিছনে ফিরে সলমনের দিকে তাকাচ্ছেন ইউলিয়া। কিন্তু খানিক চোখ পাকিয়ে মুখ ফিরিয়ে নেন অভিনেতা। তাতেই নেটপাড়ার একাংশের ধারণা, এই প্রেমটাও টিকল না তাঁর। গত বছর একটি টক শোতে গিয়ে সলমন খান নিজেই স্বীকার করেছেন, প্রেমে গেরো আছে আমার!
যদিও নিজের বার বার প্রেম ভাঙার দায় নিজেই নিয়ে তিনি সেই সময় জানান, প্রেমিকাদের দোষ নয়, বরং দোষ রয়েছে তাঁর নিজের মধ্যেই। প্রায় ৫৮-র কাছাকাছি বয়স। আদৌ কি তাঁর কুমারত্ব ঘুচবে — অনুরাগীদের এ প্রশ্নের জবাব সময়ই ভালো বলতে পারবে ।
মন্তব্য করুন


যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কের গুরুত্বপূর্ণ স্থান টাইমস স্কয়ারের বিলবোর্ডে একসঙ্গে দেখা মিলল ৯ জন বাংলাদেশি শিল্পীর মুখ। এর মধ্যে রয়েছেন ইমরান মাহমুদুল, ফাতেমা তুয যাহরা ঐশী, দিলশাদ নাহার কণা, মাশা ইসলাম, জাহিদ নিরব, মুজিব পরদেশি, ইনিমা রশ্নি ও কাজল দেওয়ান।
এছাড়া সবার ওপরে বড় করে যার ছবিটি স্থান পেয়েছে, তিনি সংগীত পরিচালক পাভেল আরিন।
জানা যায়, পাভেলের হাত ধরেই এই টাইমস স্কয়ার যাত্রা। মূলত তিনি একটি নতুন সংগীত সেশন চালু করেছেন। যেটার নাম দিয়েছেন ‘লিভিং রুম সেশন’। এই প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়ার জন্যই টাইমস স্কয়ারের একটি বিলবোর্ডে প্রদর্শন হয় প্রজেক্টটির নামসহ শিল্পীদের ছবি।
‘লিভিং রুম সেশন’ নিয়ে পাভেল আরিন বলেছেন, ইতোপূর্বে সিনেমা ও টেলিভিশনে অনেক কাজ করেছি। এবার ভাবলাম নতুন কিছু করি। তাই এই প্রজেক্ট। এটা কিছুটা জ্যামিংয়ের মতো হবে, তবে গানগুলো মিউজিক্যালি যাতে মানসম্পন্ন হয়, সেদিকটা নজরে রাখছি।
এই প্রজেক্টের পরিবেশনায় থাকছে মাশরুম এন্টারটেইনমেন্ট। অডিও প্রডাকশনে বাটার কমিউনিকেশন আর ভিডিওর দিকটি সামলাচ্ছেন মারুফ রায়হান। আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি ভ্যালেন্টাইনস ডে উপলক্ষে সেশনের প্রথম পরিবেশনাটি উন্মুক্ত করা হবে।
মন্তব্য করুন