

আওয়ামী
লীগ সরকারের পতনের পর থেকে আত্মগোপনে থাকা কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা) আসনের সাবেক সংসদ
সদস্য, চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্তের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে
ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে, ভারতের ত্রিপুরার শান্তিনিকেতন মেডিকেল কলেজে
ক্লাস নিচ্ছেন প্রাণ গোপাল।
সম্প্রতি
কলেজটির ইউটিউবে প্রকাশিত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি
জানা যায় ।
ওই
ভিডিওতে দেখা যায়, ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত একটি আধুনিক শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের সামনে
বক্তব্য রাখছেন। তার পেছনে থাকা ডিজিটাল বোর্ডে চিকিৎসা সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য প্রদর্শিত
হচ্ছিল। শ্রেণিকক্ষে উপস্থিত শিক্ষার্থীরা তার লেকচার মনোযোগ দিয়ে শুনছিলেন।
প্রাথমিক
অনুসন্ধানে আরও জানা গেছে, তিনি টনসিল বা চিকিৎসাবিজ্ঞানের কোনো একটি বিষয় নিয়ে শিক্ষার্থীদের
ক্লাস নিচ্ছিলেন।
শনিবার
(২৭ জুন) ত্রিপুরার শান্তিনিকেতন মেডিকেল কলেজের এক স্টাফ নার্স জানান, বাংলাদেশি চিকিৎসক
ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত তাদের শান্তিনিকেতন মেডিকেল কলেজে ক্লাস নিচ্ছেন। তবে তিনি এখানে
কতদিন ধরে কাজ করছেন তা সেই নার্স জানেন না।
গত
৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের মুখে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর আওয়ামী লীগের
বহু মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যের মতো ডা. প্রাণ গোপাল দত্তও আত্মগোপনে চলে যান। দেশে তার
বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হওয়ার খবরও পাওয়া যায়। দীর্ঘদিন তার অবস্থান সম্পর্কে কোনো সঠিক
তথ্য না থাকলেও, ত্রিপুরার এই মেডিকেল কলেজের ভিডিওটি সামনে আসার পর নিশ্চিত হওয়া গেল
যে তিনি বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছেন।
উল্লেখ্য,বঙ্গবন্ধু
শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় বর্তমান নাম- বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের
(বিএসএমএমইউ) সাবেক উপাচার্য ও প্রখ্যাত নাক-কান-গলা বিশেষজ্ঞ ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত
২০১২ সালে চিকিৎসা শাস্ত্রে বিশেষ অবদানের জন্য স্বাধীনতা পদক লাভ করেছিলেন। পরবর্তীতে
তিনি রাজনীতিতে সক্রিয় হন এবং কুমিল্লা-৭ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।
বর্তমানে
আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম দেশে কার্যত নিষিদ্ধ ও দলটির অধিকাংশ নেতাকর্মী যখন
পলাতক বা কারাবন্দী, তখন ভারতে ডা. প্রাণ গোপাল দত্তের এই শিক্ষকতা পেশায় ফেরার ভিডিওটি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
মন্তব্য করুন


চিকিৎসা
নিতে গিয়ে ভারতে মৃত্যুবরণ করা অভিনেত্রী ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর কারিনা কায়সারের মরদেহ
ভারত থেকে দেশে আনার দায়িত্ব নিয়েছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স। বেসরকারি বিমান সংস্থাটি
বিনা খরচে মরদেহ ঢাকায় পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে।
কারিনা
কায়সারের পারিবারিক সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তার পরিবার জানায়, গতকাল অন্য একটি
এয়ারলাইন্সের মাধ্যমে মরদেহ আনার চেষ্টা করা হলেও তা সম্ভব হয়নি। পরে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স
বিনা খরচে মরদেহ বহনের দায়িত্ব নেয়। ফ্লাইটটি রোববার বিকেলে চেন্নাই থেকে কারিনার মরদেহ
ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
দেশে
আনার পর প্রথমে মরদেহ নেওয়া হবে রাজধানীর বনানী ডিওএইচএসের বাসায়। পরে বনানী ডিওএইচএস
মসজিদে জানাজা হবে।
কারিনার
বাবা কায়সার হামিদ জানান, সোমবার মরদেহ নেওয়া হবে মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় তার নানার
বাড়িতে। সেখানেই দাফন করা হবে এই কনটেন্ট ক্রিয়েটরকে।
লিভারজনিত
জটিলতায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে গত ১১ মে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে কারিনাকে ভারতের
চেন্নাই নেওয়া হয়। ভেলোরের খ্রিষ্টান মেডিকেল কলেজ (সিএমসি) হাসপাতালে তার চিকিৎসা
চলছিল। শুক্রবার গভীর রাতে সেখানেই মৃত্যু হয় তার।
কারিনার
বাবা কায়সার হামিদ জানান, হঠাৎ করেই তার রক্তচাপ কমে যায় এবং চিকিৎসকদের সব চেষ্টা
সত্ত্বেও তা আর নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি।
এর
আগে রাজধানীর একটি হাসপাতালে এক সপ্তাহের বেশি সময় চিকিৎসাধীন ছিলেন কারিনা। অবস্থার
অবনতি হলে তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারতে নেওয়া হয়।
চেন্নাই
থেকে কারিনার মা লোপা কায়সার জানিয়েছিলেন, লিভার প্রতিস্থাপন বা বড় ধরনের অস্ত্রোপচারের
ধকল নেওয়ার মতো শারীরিক অবস্থায় ছিলেন না কারিনা।
চিকিৎসকদের
বরাতে তিনি বলেন, কারিনার ফুসফুসে তরল ও কফ জমে সংক্রমণ তৈরি হয়েছিল। চিকিৎসকেরা তাকে
স্থিতিশীল করার চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত অস্ত্রোপচারের পর্যায়ে নেওয়া সম্ভব হয়নি।
‘এ’ লেভেল শেষ করে অস্ট্রেলিয়ায় পড়তে যাওয়ার
আগে-এর ইংরেজি বিভাগে শিক্ষানবিশ হিসেবে কাজ করেছিলেন কারিনা। দেশে ফিরে তিনি কনটেন্ট
ক্রিয়েটর হিসেবে পরিচিতি পান। পরে অভিনয় ও চিত্রনাট্য রচনাতেও যুক্ত হন। তার উল্লেখযোগ্য
কাজের মধ্যে রয়েছে ‘ইন্টার্নশিপ’ ও ‘৩৬-২৪-৩৬’।
মন্তব্য করুন


আলোচিত ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরকে খালাস দিয়েছেন হাইকোর্ট।
আজ বুধবার (১৮ ডিসেম্বর) বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি নাসরীন আক্তারের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সুলতানা আক্তার রুবী ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসিফ ইমরান জিসান।
পাঁচজন আসামির পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এস এম শাহজাহান। লুত্ফুজ্জামান বাবরের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির।
মন্তব্য করুন


ফ্যাসিস্ট
লীগের বিচার হবেই বলে অঙ্গীকার করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম।
আজ
বৃহস্পতিবার (৮ মে) সন্ধ্যা পৌনে ৭ টার দিকে এক ফেসবুক পোস্টে তিনি এ অঙ্গীকার করেন।
তথ্য
উপদেষ্টা মাহফুজ আলম বলেন, দল হিসাবে লীগের বিচারের প্রভিশন যুক্ত করা হবে। ফ্যাসিস্ট
লীগের বিচার হবেই।
এর
আগে দুপুরে পতিত সরকারের সাবেক রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদের দেশত্যাগ প্রসঙ্গে একটি পোস্ট
করেন।
‘কৈফিয়ত কিংবা বাস্তবতা’ শিরোনামে নিজের ফেসবুকে
তিনি লেখেন- ‘ক্ষমতার ভরকেন্দ্র অনেকগুলো। ফলে কাজের দায় সরকারের, কিন্তু কাজ করে ক্ষমতার
অন্যান্য ভরকেন্দ্র। জোড়াতালি দিয়ে গণতান্ত্রিক রূপান্তর সম্ভব না, সম্ভব নয় নূতন রাজনৈতিক
বন্দোবস্ত।
রাজনৈতিক
দলগুলো ডিসেম্বরের পর সহযোগী ভূমিকায় নেই৷ কিন্তু, ঠিকই প্রশাসন, বিচারবিভাগ, পুলিশে
তারা স্টেইক নিয়ে বসে আছেন। এস্টাবলিশমেন্ট দ্বিদলীয় বৃত্তে ফিরতে এবং ছাত্রদের মাইনাস
করতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।
প্রায়
তিন ডজন নিয়োগপ্রাপ্তদের মধ্যে ছাত্র মাত্র দু'জন। ছাত্র প্রতিনিধিদেরকেও এস্টাবলিশমেন্ট
রাষ্ট্রপতি অপসারণের ঘটনার পর থেকে কোণঠাসা করে রেখেছে। আমরা দু'জন সর্বোচ্চ ব্যালেন্সিং
অ্যাক্ট করতে পারছি, কিন্তু প্রভাবক হিসাবে কাজ করতে হলে সরকারে সুষম ছাত্র প্রতিনিধিত্ব
লাগবে।
মন্তব্য করুন


হবিগঞ্জে
‘জুলাই পদযাত্রা’ কর্মসূচিতে হামলা এবং মৌলভীবাজারে
পুলিশের বাধার মুখোমুখি হওয়ার পর পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে সিলেটে পৌঁছেছেন
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় নেতারা। এদিকে পৌঁছানোর পথে দলটির কেন্দ্রীয়
নেতাদের গাড়িবহরে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে।
বৃহস্পতিবার
(৩০ জুলাই) দুপুরে বিএনপির নেতাকর্মীরা এই হামলা করেছেন বলে দাবি এনসিপির মুখ্য সংগঠক
(উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলমের। ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘সিলেটের গোলাপগঞ্জে
আবার আমাদের গাড়িতে রক্তাক্ত হামলা করেছে বিএনপির সন্ত্রাসীরা। গাড়ি ভাঙচুর করেছে।
এনসিপির
অভিযোগ, কেন্দ্রীয় নেতাদের বহর গোলাপগঞ্জে পৌঁছালে আগে থেকে অবস্থান নেওয়া যুবদল ও
ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা গাড়িবহর লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু করেন। এতে বহরের কয়েকটি
গাড়ির কাঁচ ভেঙে গাড়িগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়। হামলার সময় হামলাকারীরা ‘ভুয়া, ভুয়া’
স্লোগান দেন। ঘটনার সময় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর
সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন।
এর
আগে হবিগঞ্জে ‘জুলাই পদযাত্রা’ কর্মসূচিতে হামলা এবং মৌলভীবাজারে
পুলিশের বাধার পর বৃহস্পতিবার এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা সিলেটে পৌঁছান। দুপুরে দক্ষিণ
সুরমার পারাইচক বাইপাস এলাকায় দলীয় নেতাকর্মীরা তাদের ফুল দিয়ে স্বাগত জানান। পরে তারা
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) যান। সেখান থেকে গোলাপগঞ্জে
কর্মসূচিতে যোগ দিতে গেলে এ হামলার ঘটনা ঘটে বলে জানান এনসিপি নেতারা।
এনসিপির
সিলেট জেলা শাখার নেতারা অভিযোগ করেন, পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাদের কর্মসূচিতে বাধা দিতে
এই হামলা হয়। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি
জানিয়েছেন। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে তাৎক্ষণিক
যুবদল ও ছাত্রদলের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
গোলাপগঞ্জ
থানার ওসি মো. ছবেদ আলী ইত্তেফাক ডিজিটালকে জানান, ইটপাটকেল নিক্ষেপে নেতাদের গাড়ির
গ্লাস ভেঙে গেছে। এনসিপি নেতারা তাদের গন্তব্যে চলে গেছেন। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত
রয়েছে।
মন্তব্য করুন


অমর একুশে বইমেলা ২০২৫ উপলক্ষে প্রকাশিত হয়েছে শেকড় সন্ধানী লেখক, সাংবাদিক ও সংগঠক শরীফ প্রধান-এর বই ‘শিক্ষানবিশ সাংবাদিকতা’। বইটি প্রকাশ করেছে প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান 'প্রতিভা প্রকাশ। গণমাধ্যম ও সাংবাদিকতা বিষয়ক বইটির প্রচ্ছদ করেছেন শাহাদাত শিবলী। মুদ্রিত মূল্য রাখা হয়েছে ৪৫০ টাকা। বই মেলার- ৩২৭,৩২৮ ও ৩২৯ নং স্টলে পাওয়া যাচ্ছে বইটি।
গণমাধ্যম পেশায় আগত নবীন ও শিক্ষানবিশদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সহায়ক হবে। বইটির মাধ্যমে সাংবাদিকতার প্রাথমিক বিষয় সম্পর্কে নবীনরা চমৎকার ধারণা নিতে পারবেন বলে জানিয়েছেন লেখক।
বই মেলার প্রথম দিন থেকেই প্রতিভা প্রকাশনার - ৩২৭, ৩২৮, ৩২৯ নং স্টলে বইটি পাওয়া যাবে। এছাড়াও অর্ডার করতে পারবেন রকমারি, বইফেরী, বাতিঘর, প্রথমা, বই বাজার, বিডি বুকস, ই-বইঘর, পাঠক পয়েন্ট, বইয়ের দুনিয়া, বইসদাই, বই প্রহরসহ যে কোনো অনলাইন বুকশপে।
শরীফ প্রধান বর্তমানে দৈনিক ইত্তেফাক-পত্রিকায় কাজ করছেন। এই বইটি লেখকের ৩য় প্রকাশিত গ্রন্থ। এর আগে, আঞ্চলিক ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংবাদপত্রে প্রকাশিত উন্নয়নমূলক প্রতিবেদন নিয়ে ২০১৫ সালে প্রকাশিত হয় "পজিটিভ দাউদকান্দি" নামে বই এবং তথ্য গবেষণা ও আঞ্চলিক বংশ ভিত্তিক ইতিহাসের বই "কাদিয়ারভাঙ্গা প্রধান বংশের ইতিকথা" নামের বইটি লেখকের প্রথম প্রতাশিত গ্রন্থ।
মন্তব্য করুন


চীনের
দক্ষিণাঞ্চলের গুয়াংজি ঝুয়াং স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলে ভয়াবহ বন্যার মধ্যে বাবা-মায়ের
খোঁজ নিতে নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে টানা তিন ঘণ্টা বন্যার পানিতে সাঁতরে নিজ গ্রামে
পৌঁছেছেন ৩০ বছর বয়সী ‘শি’ নামের এক যুবক। তার এই সাহসিকতার ঘটনা
ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
জানা
গেছে, টানা ভারী বৃষ্টি ও কয়েকটি বাঁধ ভেঙে যাওয়ার ফলে সৃষ্ট বন্যায় অন্তত ৩৯ জনের
মৃত্যু হয়েছে এবং প্রায় চার লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
গত
৬ জুলাই ‘শি’ পদবিধারী ওই যুবক একটি ট্রাকের টায়ার আঁকড়ে ধরে প্রায়
তিন ঘণ্টা সাঁতরে কিনঝৌতে শহরের কাছের তার বাবা-মায়ের গ্রামে পৌঁছান। এ সময় তার সঙ্গে
ছিলেন এক বন্ধু। শিয়ে ও তার দুই ভাইবোন শহরে বসবাস করলেও তাদের বাবা-মা প্রায় ১০
কিলোমিটার দূরের একটি গ্রামে থাকেন।
এর
আগের রাতে শিয়ের মা ফোন করে জানান, তার বাবা ঘরে তোলা ধান নিরাপদে সরিয়ে রাখতে বের
হয়েছিলেন, কিন্তু আর ফিরে আসেননি। এদিকে বন্যার পানিতে গ্রাম প্লাবিত হয়ে অধিকাংশ
বাড়ির নিচতলা ডুবে যায়। বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় মোবাইল নেটওয়ার্কও বন্ধ হয়ে
যায়, ফলে বাবা-মায়ের সঙ্গে যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।
বাবা-মায়ের
কোনো খোঁজ না পেয়ে সারারাত উদ্বেগে কাটান শিয়ে। তার আশঙ্কা ছিল, ৬৩ বছর বয়সী বাবা
হয়তো বন্যার স্রোতে ভেসে গেছেন। শিয়েদের গ্রামে দুটি বাড়ি রয়েছে। পাহাড়ের ওপরের
বাড়িটি নিরাপদ থাকলেও অন্য বাড়িটিতে রাখা ধান পানিতে তলিয়ে যায়। সেই ধান রক্ষার
জন্যই তার বাবা নিচতলার ধান উপরে তোলার চেষ্টা করছিলেন। পরদিন সকালে শিয়ে ও তার বন্ধু
শহর থেকে দুটি নতুন ট্রাকের টায়ার কিনে বন্যার পানিতে যাত্রা শুরু করেন। শেষ এক কিলোমিটার
পথ তারা প্রায় এক ঘণ্টা সাঁতরে অতিক্রম করে বাড়িতে পৌঁছান।
মন্তব্য করুন


আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি আগামী জুন মাসের শেষের দিকে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু করার বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে একটি প্রস্তাব পাঠাবে। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা পেলে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার সূচি চূড়ান্ত করা হবে।
শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের নির্বাচনী পরীক্ষার ফলাফল আগামী মার্চে প্রকাশ করা হবে। এরপর ফরম পূরণ শুরু হবে।
এ বিষয়ে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার সরকার জানান, জুনের শেষ সপ্তাহ থেকে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি।
তিনি আরও জানান, পরীক্ষার খসড়া রুটিন তৈরির বিষয়ে কাজ চলছে। খসড়া রুটিন তৈরির পর তা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। তারপর মন্ত্রণালয় অনুমোদন দিলে শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।
মন্তব্য করুন


ঢাকা
দক্ষিণ ও উত্তরসহ দেশের ১২ সিটি কর্পোরেশনের মেয়রকে অপসারণ করা হয়েছে।
স্থানীয়
সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ শামছুল ইসলাম স্বাক্ষরিত
এক প্রজ্ঞাপনে আজ (১৯ আগস্ট) এ কথা জানানো হয়েছে।
‘স্থানীয়
সরকার (সিটি কর্পোরেশন) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪’ এর ধারা ১৩ক প্রয়োগ করে এসব সিটি
কর্পোরেশনের মেয়রদের স্ব স্ব পদ থেকে অপসারণ করা হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা
হয়েছে।
যে
১২ সিটি কর্পোরেশনের মেয়রদের অপসারণ করা হয়েছে এগুলো হলো- ঢাকা দক্ষিণ, ঢাকা উত্তর,
চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী, সিলেট, বরিশাল, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, রংপুর, গাজীপুর ও
ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন।
এ
ছাড়া অন্য এক প্রজ্ঞাপনে ১২টি সিটি কর্পোরেশনে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ঢাকা উত্তর
ও ঢাকা দক্ষিণ এবং নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনে অতিরিক্ত সচিব ও সমমর্যাদার চার কর্মকর্তাকে
প্রশাসক নিয়োগ করা হয়েছে। এ ছাড়া চট্টগ্রাম,
খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রংপুর, ময়মনসিংহ ও গাজীপুর সিটি করপোরেশনে বিভাগীয় কমিশনারদের
প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
‘স্থানীয়
সরকার (সিটি কর্পোরেশন) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪’-এর ধারা ২৫ক-এর উপধারা (১) প্রয়োগ
করে পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই প্রশাসকদের নিয়োগ দেয়া হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে
উল্লেখ করা হয়েছে।
এদের
মধ্যে স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব
ড. মো. শের আলীকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন, স্থানীয় সরকার বিভাগের মহাপরিচালক
(অতিরিক্ত সচিব) মো. মাহমুদুল হাসানকে ঢাকা
উত্তর সিটি কর্পোরেশন, চট্টগ্রামের বিভাগীয়
কমিশনারকে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন, খুলনার বিভাগীয় কমিশনারকে খুলনা সিটি কর্পোরেশন,
রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনারকে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনে, সিলেটের বিভাগীয় কমিশনারকে সিলেট
সিটি কর্পোরেশনে, বরিশাল বিভাগের বিভাগীয় কমিশনারকে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে, স্থানীয়
সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব এ. এইচ. এম কামরুজ্জামানকে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন,
কুমিল্লার বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমী (বার্ড)-এর মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব)কে
কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন, রংপুরের বিভাগীয়
কমিশনারকে রংপুর সিটি কর্পোরেশন, ঢাকার বিভাগীয় কমিশনারকে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন
এবং ময়মনসিংহের বিভাগীয় কমিশনারকে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ
দেয়া হয়েছে।
মন্তব্য করুন


নোয়াখালীর
সুবর্ণচরে মাদকের টাকা না পেয়ে নিজের
বৃদ্ধ মাকে নির্যাতন, বসতঘরে ভাঙচুর ও প্রাণনাশের হুমকি
দেওয়ার অভিযোগে উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক আহ্বায়ক আবদুল্লা আল মামুন জাবেদকে
আটক করেছে পুলিশ।
আজ
শনিবার (২৫ জুলাই) ভোরে
উপজেলার হারিছ চৌধুরীর বাজারসংলগ্ন পাঞ্চায়েত বাড়ি এলাকা থেকে তাঁকে আটক করা হয়।
আটক
জাবেদ চরজুবিলী ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের
বাসিন্দা আবুল হোসেনের ছেলে। তিনি নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের উপজেলা সাবেক আহ্বায়ক এবং সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান।
পুলিশ
সুপারের কার্যালয়ে দেওয়া লিখিত অভিযোগে জাবেদের মা ছালেয়া খাতুন
(৬৮) দাবি করেন, তাঁর ছেলে দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত এবং মাদকের টাকা না পেলে তিনি
প্রায়ই তাঁকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন
করেন ও বাড়িতে ভাঙচুর
চালান।
অভিযোগে
বলা হয়, গত ২২ জুলাই
রাত ৮টার দিকে জাবেদ মাদকের টাকা দাবি করে মায়ের সঙ্গে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করেন
এবং একপর্যায়ে তাঁকে মারধর করে ঘরের বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাঙচুর করেন। এ সময় পরিবারের
সদস্যরা বাধা দিলে তাঁদেরও ভয়ভীতি দেখানো হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
লিখিত
অভিযোগে ছালেয়া খাতুন আরও বলেন, জাবেদ নিয়মিত মাদক সেবন করেন এবং মাদকের অর্থ জোগাড়ের জন্য পরিবারের সদস্যদের ওপর চাপ সৃষ্টি করেন। এতে তাঁর পরিবারের সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তিনি আরও অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে পিচ্ছি মাসুদ, সুমন ও দেলোয়ার নামে
কয়েকজন সহযোগীকে নিয়ে জাবেদ তাঁদের বাড়িকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন অবৈধ কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছেন এবং বাধা দিলে তাঁকে ও তাঁর স্বামীকে
মারধর এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।
অভিযোগ
অনুযায়ী, গত ২৭ মে
রাতে সংঘবদ্ধভাবে তাঁদের বসতবাড়িতে হামলা চালিয়ে দরজা-জানালাসহ বিভিন্ন মালামাল ভাঙচুর করা হয়, যাতে প্রায় আড়াই লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয় বলে দাবি করা হয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট
থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলেও কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় অভিযুক্তরা
আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী
বৃদ্ধা তাঁর লিখিত অভিযোগে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিতে পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
থানা
হাজতে আটক থাকায় অভিযোগের বিষয়ে আবদুল্লা আল মামুন জাবেদের
বক্তব্য জানা যায়নি।
এ
বিষয়ে চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল হাসান বলেন, লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত আবদুল্লা আল মামুন জাবেদকে
আটক করা হয়েছে এবং শনিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাঁকে জেল হাজতে পাঠানো হবে।
মন্তব্য করুন


দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের
ব্যালটপেপারে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নাম থাকবে বাংলা বর্ণমালার ক্রমানুসারে। আর
সেই অনুযায়ী নামে পাশে থাকবে দল এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীর প্রতীক।
৫ডিসেম্বর প্রার্থীতা প্রত্যাহারের
পরের দিন এভাবেই প্রার্থীদের নামের তালিকা করে প্রতীক বরাদ্দের জন্য রিটার্নিং কর্মকর্তাদের
নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
সংস্থাটির নির্বাচন ব্যবস্থাপনা শাখার উপসচিব মো. আতিয়ার রহমান ইতিমধ্যে নির্দেশনাটি পাঠিয়েছেন বলে জানা যায়।
নির্দেশনায় বলা হয়, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ১৬ এর দফা (৫) ও নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা, ২০০৮ এর বিধি ৭ অনুসারে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের পরের দিন বিধিমালায় বর্ণিত ‘ফরম-৫’ এ নির্ধারিত তালিকার ২ নম্বর কলামে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নাম বাংলা বর্ণমালার ক্রমানুসারে সাজিয়ে লিপিবদ্ধ করবেন এবং প্রত্যেকের নামের বিপরীতে ৩ নম্বর কলামে মনোনয়ন প্রদানকারী রাজনৈতিক দলের নাম বা স্বতন্ত্র উল্লেখপূর্বক ৪ নম্বর কলামে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর পিতা/স্বামীর নাম, ৫ নম্বর কলামে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর ঠিকানা এবং ৬ নম্বর কলামে বরাদ্দকৃত প্রতীক উল্লেখ করতে হবে। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের তালিকার নির্দিষ্ট স্থানে ভোটগ্রহণের দিন এবং সময় উল্লেখ করতে হবে। কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভোটগ্রহণের জন্য নির্ধারিত দিনে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণের কাজ চলবে।
নির্দেশনায় আরো বলা হয়েছে, নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা, ২০০৮ এর বিধি ৭অনুযায়ী প্রস্তুতকৃত প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের তালিকার ভিত্তিতে বিধি ১০ অনুসারে নির্বাচন কমিশন কর্তৃক ব্যালট পেপার মুদ্রণ করতে হবে এবং ব্যালট পেপারে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর নাম, প্রতীক ও ক্রম প্রদর্শনের উপযোগীকরণ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করবে। তাছাড়া প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের তালিকা প্রণয়নের পর তার এক কপি রিটার্নিং অফিসারের অফিসের দৃষ্টি আকর্ষণীয় স্থানে টানিয়ে দিতে এবং প্রত্যেক প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বা তার নির্বাচনী এজেন্টকে এক কপি প্রদান করার জন্যও রিটার্নিং কর্মকর্তাদের বলা হয়েছে।
নির্দেশনায় আরো বলা হয়, প্রতীক
বরাদ্দের কাজ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী তালিকার দুই কপি প্রস্তুত
করে বিশেষ বার্তাবাহক মারফত নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে পৌঁছানোর ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে
হবে। এক্ষেত্রে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের তালিকা পাঠাতে যাতে কোনো বিলম্ব না হয়
বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।
প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের তালিকা
নির্ভুল হতে হবে। কারণ তালিকায় ভুল তথ্য পরিবেশিত হলে মুদ্রিত ব্যালট পেপারে তার প্রতিফলন
ঘটবে, যার পরিণতি মারাত্মক হবে। সুতরাং প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের তালিকা প্রণয়নের
সময় সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। ব্যালট পেপার মুদ্রণের সুবিধার্থে প্রতিদ্বন্দ্বী
প্রার্থীদের তালিকার উপরিভাগে সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকার প্রকৃত ভোটার সংখ্যা লিপিবদ্ধ
করতে হবে।
দলীয় প্রার্থীরা দলের প্রতীক পাবেন।
স্বতন্ত্র প্রার্থীরা বিধিমালায় সংরক্ষিত প্রতীকের তালিকা থেকে পছন্দমতো প্রতীক পাবেন।
স্বতন্ত্র প্রার্থীদের একাধিক প্রার্থী একই প্রতীক পছন্দ করলে আলোচনার মাধ্যমে না হলে
লটারি করে বিষয়টি নিষ্পত্তি করবেন।
ইসির অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার
দেবনাথ জানান, ৩০০ আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল হয়েছিল দুই হাজার ৭১৬টি। এর মধ্যে বাছাইয়ের
সময় রিটার্নিং কর্মকর্তারা বাতিল করেছেন ৭৩১টি, যা মোট দাখিলকৃত মনোনয়নপত্রের ২৬ দশমিক
৯২ শতাংশ বা ২৭ শতাংশ। আর বৈধ হয়েছে এক হাজার ৯৮৫টি মনোনয়নপত্র, যা দাখিলকৃত মনোনয়নপত্রের
৭৩ দশমিক ০৮ শতাংশ বা ৭৩ শতাংশ।
আগামী ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রার্থীরা
রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবেন। আর ১০ থেকে ১৫ ডিসেম্বর
আপিল নিষ্পত্তি করবে নির্বাচন কমিশন। প্রার্থিতা
প্রত্যাহারের শেষ সময় ১৭ ডিসেম্বর। রিটার্নিং কর্মকর্তারা প্রতীক বরাদ্দ করবেন ১৮ ডিসেম্বর।
নির্বাচনী প্রচার চলবে ৫ জানুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত।
ভোটগ্রহণ হবে ৭ জানুয়ারি (রোববার)।
মন্তব্য করুন