

দেশের
বাজারে বিক্রি হওয়া টুথপেস্টের চারটির মধ্যে তিনটিতেই মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি
শনাক্ত হয়েছে। বাজার থেকে সংগ্রহ করা ১৯টি ব্র্যান্ডের ৩৪টি টুথপেস্টের নমুনার মধ্যে
২৬টিতে, অর্থাৎ ৭৬.৫% নমুনায় মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে। পরিবেশ ও সামাজিক উন্নয়ন
সংস্থার (ইএসডিও) গবেষণায় এ ফলাফল পাওয়া যায়।
রবিবার
(২৬ জুলাই) রাজধানীতে ইএসডিও কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে 'মাইক্রোপ্লাস্টিক
ইন টুথপেস্ট' শীর্ষক গবেষণার ফল প্রকাশ করে সংস্থাটি।
ইএসডিও
জানায়, বাংলাদেশে উৎপাদিত ২৫টি নমুনার ২২টিতে, ভিয়েতনামের দুই নমুনার দুটিতেই, থাইল্যান্ডের
দুটির একটিতে ও ভারতের পাঁচটির একটিতে এই ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণা শনাক্ত হয়েছে।
২০২৫
সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত পরিচালিত এ গবেষণার অংশ হিসেবে দেশের বিভিন্ন
সুপারশপ, খুচরা দোকান ও পাইকারি বাজার থেকে স্থানীয় ও আমদানি করা ১৯ ব্র্যান্ডের ৩৪টি
টুথপেস্টের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) পরিবেশবিজ্ঞান
বিভাগের এনভায়রনমেন্টাল হেলথ অ্যান্ড ইকোটক্সিকোলজি (ইএইচই) ল্যাবরেটরিতে নমুনাগুলোর
পরীক্ষাগার বিশ্লেষণ করা হয়। একইসঙ্গে দেশব্যাপী ২,৭৬০ জনের ওপর একটি ভোক্তা জরিপ
পরিচালনা করা হয়।
মন্তব্য করুন


নদীদূষণ
দুর্বিষহ পর্যায়ে পৌঁছেছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, এখনই কার্যকর পদক্ষেপ
না নিলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে আমাদের জবাবদিহি করতে হবে।
তিনি
আরও বলেন, নদী দূষণ রোধে কঠোর ও সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণে কোনো ধরনের অবহেলার সুযোগ নেই।
কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের পাশাপাশি এর কার্যকর বাস্তবায়নও নিশ্চিত করতে হবে।
আজ
বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত ‘বুড়িগঙ্গা নদীর পানি
ও পরিবেশ উন্নয়ন’ শীর্ষক বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রীর
উপপ্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন জানান, বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বুড়িগঙ্গাসহ রাজধানী ঢাকার
চারপাশের নদীগুলোর দূষণ রোধে দ্রুত একটি সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও তা বাস্তবায়নে
কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
এ
সময় বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, বালু, শীতলক্ষ্যা ও রাজধানীর পাশের অন্যান্য নদীর বর্তমান পরিবেশগত
অবস্থা, দূষণের উৎস, বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ এবং দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের উপায় নিয়ে বিস্তারিত
আলোচনা হয়।
বৈঠকে
নদীদূষণ রোধে শিল্প কারখানায় বর্জ্য শোধনাগার (ইটিপি) কার্যকরভাবে পরিচালনা নিশ্চিতকরণ,
খাল ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন, দূষণকারীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনার ওপর
গুরুত্বারোপ করা হয়।
মন্তব্য করুন


টাঙ্গাইলের
ঘাটাইলে বিয়ের একমাসের মাথায় প্রেমিকের সঙ্গে পালানার তিনদিন পর সূচনা নামে এক নববধূর
মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
রোববার
(১৭ মে) বিকেলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত সূচনা
আইনপুর গ্রামের সোহরাব আলীর মেয়ে।
নিহতের
পরিবার জানায়, পালানোর পরে শহরের কলেজপাড়া এলাকায় প্রেমিক সাওয়ালের চাচা ইউপি চেয়ারম্যান
গিয়াসউদ্দিন বাবুর বাসায় অবস্থান করছিলেন ওই তরুণী। তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার করার
পর মরদেহ হাসপাতালে নিয়ে যায় প্রেমিকের পরিবার। পরে সেখান থেকে পালিয়ে যায় সবাই।
তারা
আরও জানায়, একমাস আগে মধুপুর উপজেলার মাইজবাড়ি গ্রামের আলমের সঙ্গে বিয়ে হয় সূচনার।
গত ১৪ মে রাতে ঘাটাইল উপজেলার সত্তুর বাড়ি গ্রামের সরোয়ারের ছেলে প্রেমিক সাওয়ালের
হাত ধরে শ্বশুর বাড়ি থেকে নিরুদ্দেশ হয় সূচনা। পরে উভয় পরিবারের সমঝোতায় বিয়ের আশ্বাস
দেয়া হয় সাওয়াল ও সূচনাকে। শনিবার রাতে তাদের নিয়ে আসা হয় সাওয়ালের চাচা ইউপি চেয়ারম্যান
গিয়াসউদ্দিন বাবুর বাসায়। রোববার বিকেলে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় সূচনার মরদেহ।
তড়িঘড়ি করে নেওয়া হয় হাসপাতালে। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে
পরিবারকে জানানো হয় তার মৃত্যুর বিষয়টি। জানানো হয় পুলিশকেও। পুলিশ হাসপাতাল থেকে তার
মরদেহ উদ্ধার করে।
সূচনার
বাবা সোহরাব আলীর অভিযোগ, তার মেয়েকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। তিনি এই ঘটনার
দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।
সংগ্রামপুর
ইউপি চেয়ারম্যান গিয়াসউদ্দিন বাবু জানান, সাওয়াল তার চাচাতো ভাইয়ের ছেলে। সমঝোতার জন্য
নিহত তরুণীকে তার বাসায় নিয়ে আসা হয়েছিল। ঘটনার দিন তিনি বাসায় ছিলেন না।
এ
বিষয়ে ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) প্রভাষ কুমার বসু জানান, ঘাটাইল
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল
মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
মন্তব্য করুন


গ্রুপ
পর্বের শেষ ম্যাচে আমেরিকার ডালাস স্টেডিয়ামে রোববার সকাল ৮টায় জর্ডানের মুখোমুখি হচ্ছে
বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। তবে ম্যাচ শুরুর আগেই আলবিসেলেস্তে শিবিরে বড়
এক ধামাকা দিয়েছেন কোচ লিওনেল স্কালোনি। আলজেরিয়া ও অস্ট্রিয়াকে হারিয়ে ইতিমধ্যেই
নকআউট পর্ব নিশ্চিত করে ফেলা আর্জেন্টিনা মাঠে নামছে তাদের সেরা তারকা ও ফুটবল জাদুকর
লিওনেল মেসিকে ছাড়াই! জর্ডানের বিপক্ষে আজ শুরুর একাদশে নয়, বরং বেঞ্চে বসে ম্যাচ শুরু
করবেন এলএমটেন।
চলতি
বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার হয়ে এ পর্যন্ত হওয়া ৫টি গোলের সব কটিই এসেছে ইন্টার মায়ামির
এই মহাতারকার পা থেকে। এমন ফর্মে থাকা মেসিকে কেন বসিয়ে রাখা হচ্ছে, সংবাদ সম্মেলনে
আর্জেন্টাইন রেডিওর ৯১ বছর বয়সী কিংবদন্তি সাংবাদিক এনরিকে মাকায়া মার্কেজের (যিনি
নিজের ১৮তম বিশ্বকাপ কভার করছেন) এমন প্রশ্নে বেশ আন্তরিকতার সাথেই জবাব দেন স্কালোনি।
তিনি
বলেন, লিও আজ বেঞ্চ থেকেই ম্যাচ শুরু করবে। আপনি এই প্রশ্নটি করেছেন বলেই আমি একদম
সততার সাথে উত্তর দিচ্ছি। লিও আজ ম্যাচের একটু পরের দিকে বদলি হিসেবে মাঠে আসবে।”
মেসিকে
বেঞ্চে রাখা এবং নকআউটের কথা মাথায় রেখে আর্জেন্টিনা ‘দুর্বল’
দল নামাচ্ছে কি না, এমন গুঞ্জন ও সমালোচনাকে এক ফুঁৎকারে উড়িয়ে দিয়েছেন স্কালোনি। কড়া
ভাষায় তিনি বলেন, যারা মাঠে নামছে, তারা প্রত্যেকেই খেলার যোগ্য এবং তারা এই দলেরই
অংশ। অনুশীলনে আমরা যত পরিশ্রম করি, তা এই ছেলেদের জন্যই। যখনই আমি সুযোগ পাই, সবাইকে
খেলার সময় দিতে ভালোবাসি এবং তা শুধু তারা যোগ্য বলেই। ওরাও অসাধারণ ফুটবলার।
স্কালোনি
আরও যোগ করেন, একজন কোচ হিসেবে আমার স্বপ্ন হলো, দলে যে খেলোয়াড়ই থাকুক না কেন, দলের
পারফরম্যান্স যেন সবসময় একই রকম থাকে। আপনি যখন আর্জেন্টিনার ঐতিহাসিক এই জার্সি পরে
মাঠে নামবেন, তখন ম্যাচের পয়েন্টের গুরুত্ব কম নাকি বেশি, তা কোনো বিষয় নয়। আপনাকে
জেতার জন্যই নিজের সেরাটা দিতে হবে। আমাদের মানসিকতা বিশ্বকাপের প্রথম দিনের মতোই আছে,
কোনো পরিবর্তন হয়নি।
বিশ্বকাপের
ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সুযোগ পেয়েই টানা দুই ম্যাচ হেরে ইতিমধ্যেই টুর্নামেন্ট থেকে
বিদায় নিয়েছে জর্ডান। বিদায়ী ম্যাচে তারা অল-আউট রক্ষণাত্মক ফুটবল খেলবে বলেই ধারণা
করছেন আর্জেন্টাইন মাস্টারমাইন্ড। জর্ডানের রক্ষণভাগ নিয়ে স্কালোনি বলেন, জর্ডান পাঁচজন
ডিফেন্ডার নিয়ে রক্ষণাত্মক লাইনে খেলে। যদি মাঠে আমরা কোনো জটিল সমস্যায় পড়ি, তবে আমাদের
রণকৌশল কিছুটা বদলে ফেলার পথ খোলা রাখছি। প্রতিপক্ষ কেমন খেলছে, তার ওপর ভিত্তি করে
আমরা ভিন্ন কিছু করতে প্রস্তুত।
মেসি
প্রথমার্ধে না থাকলেও ডালাসের গ্যালারিতে আর্জেন্টাইন ঝড় থামার কোনো লক্ষণ নেই। এখন
দেখার বিষয়, মেসির অনুপস্থিতিতে আর্জেন্টিনার ‘বেঞ্চের শক্তি’
জর্ডানের ডিফেন্সিভ দেয়াল ভেঙে কতটা রাজকীয়ভাবে গ্রুপ পর্ব শেষ করতে পারে!
মন্তব্য করুন


যুব ও ক্রীড়া এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব
ভূঁইয়া জানিয়েছেন, যুব প্রশিক্ষণ ও যুব ঋণের মাধ্যমে উদ্যোক্তা তৈরি করে কর্মসংস্থানের
ব্যবস্থা করছে সরকার। বিশ্বব্যাংকের সহযোগিতায় ৯ লাখ যুবককে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে, যারা
কোনো শিক্ষা বা কাজে নেই। আগামী দুই বছরে ৫ লাখ কর্মসংস্থান তৈরি করা হবে।
আজ শুক্রবার (১ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে
জাতীয় যুব দিবসের আলোচনায় এসব কথা বলেন তিনি।
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেন, গণ-অভ্যুত্থানের ম্যান্ডেট নিয়ে এই সরকার
গড়ে উঠেছে। সংস্কার কার্যক্রমে যুবসমাজের সহযোগিতা ও মতামত প্রত্যাশা করে সরকার। ৫
আগস্টের পর যারা ট্রাফিক কাজে যুক্ত হয়েছিল, তাদের আরও প্রশিক্ষণ শেষে সহ-পুলিশ হিসেবে
নিয়োগ কার্যক্রম চলমান আছে। সাংবিধানিক ও কাঠামোগত সংস্কারের মাধ্যমে সমতা প্রতিষ্ঠার
যে লক্ষ্য সেখানে সহায়ক ভূমিকায় থাকবে যুব সমাজ। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পরে জাতীয় যে
নৈতিক বুস্টিং হয়েছে তারই ফল হিসেবে ক্রীড়া ক্ষেত্রে আমাদের বেশকিছু অর্জন এসেছে।
মন্তব্য করুন


জাতীয়
নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠনক (দক্ষিণ) হাসনাত আব্দুল্লাহ এমপি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, পালিয়ে যাব না বলে যে
পালিয়ে যায়, সে আসি আসি
বলে কখনও আসবে না। ওখান থেকে আসার কথা বলে নেতাকর্মীদেরকে বের করবে আর তারা গণপিটুনি
খাবে।
সোমবার
(২৭ জুলাই) রাতে মেহেরপুরের গাংনী বাস স্ট্যান্ডে এনসিপির জুলাই পদযাত্রা সমাবেশে বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রীকে
‘সাইকো’ উপাধি দিয়ে তিনি বলেন, সংসদে ক্ষমা চাইবেন আবার শিক্ষকদের বদলি করে প্রতিশোধও নেবেন। মন্ত্রনালয় ও প্রশাসনের ব্যর্থতা
কলেজের নিরীহ শিক্ষকদের উপর চাপিয়ে দিয়েছেন। বদলি করেছেন অন্যত্র।
তিনি
আরও বলেন, মিলন সাহেব আমরা আপনার অতীত জানি, আপনার পরিবারের দুর্নীতি সম্পর্কে জানি। আবার নিজেদের ছেলেকে বিদেশে পাড়লেখা করান, আর আমাদের উপদেশ
দেন নেতাদের পেছনে রাজনীতি করার।
সালাহউদ্দীন
আহমদকে উদ্দেশ্য করে বলেন, তার সম্পদ কমেনি। আগের চেয়ে ২৫ গুণ বৃদ্ধি
পেয়েছে। আসলে বিএনপি কোনো নিরপেক্ষতা চায় না। বরং তারা আওয়ামী লীগের মতো দখলদার রাজনীতি করতে চায়।
প্রধান
অতিথির বক্তব্যে আখতার হোসেন এমপি বলেন, আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে অতিষ্ঠ হয়ে দেশের মানুষ সংস্কার চেয়েছিল। অথচ ভোট হওয়ার পর বিএনপি ও
তার শরিক দল আর সংস্কার
চায় না। ঐক্যমত্য কমিশনের আলোচনায় বিএনপি কিছু কিছু বিষয়ে নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছিল।
আর গণঅধিকার পরিষদ, গণসংহতি আন্দোলন নোট অব ডিসেন্ট দেয়নি।
এখন বিএনপির সঙ্গে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব নিয়ে বিএনপির সুরেই কথা বলে।
তিনি
আরও বলেন, বাংলাদেশর ৭০ শতাংশ মানুষ
গণভোটের পক্ষে অবস্থান নিলেও এখন তারা তা মানে না।
জনগণের সিদ্ধান্ত অমান্য করে কেউ ক্ষমতায় থাকতে পারেনি। তাই ক্ষমতায় থাকতে হলে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করতে হবে। কোনো ধরনের দখলের রাজনীতি কেউ মেনে নেবে না।
সমাবেশে
আরও বক্তব্য রাখেন মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণ) ডা. মাহমুদা মিতু এমপি, যুগ্ম আহবায়ক নুসরাত তাবাসুম এমপি, আলী আহসান জুনায়েদ, সরওয়ার তুষার এবং কেন্দ্রীয় যুগ্ম মুখ্য সংগঠক অ্যাড. শাকিল আহমাদ।
সন্ধ্যা
সাড়ে ৭টায় চুয়াডাঙ্গার পদযাত্রা শেষে মেহেরপুরের গাংনীতে পৌঁছায় এনসিপির গাড়িবহর। পুলিশের কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শেষ করে কুষ্টিয়ার উদ্দেশে রওনা দেন তারা।
এর
আগে সকালে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতাদের পোস্টার সম্বলিত কুশপুত্তলিকা এবং দুপুরে মঞ্চের ১০ মিটারের মধ্য
থেকে বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধারের পর নানা শঙ্কা
সৃষ্টি হয়। তবে শেষ পর্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।
মন্তব্য করুন


সাতক্ষীরায়
পিকআপ ভ্যানের সঙ্গে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে চাচাতো দুই ভাই নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার
(২৬ মে) সকাল ৬টার দিকে খুলনা-পাইকগাছা সড়কের তেতুলিয়া জামে মসজিদের সামনে এ দুর্ঘটনা
ঘটে।
নিহতরা
হলেন- তালা উপজেলার খলিলনগর ইউনিয়নের প্রসাদপুর গ্রামের নাসিম আলী ফকির (৩২) ও মেহেদী
হাসান ফকির (২৫)। তারা সম্পর্কে চাচাতো ভাই।
স্থানীয়রা
জানান, নিজেদের খামারের জন্য মাছ আনতে ভোরে মোটরসাইকেলে চুকনগরের উদ্দেশ্যে রওনা হন
নাসিম ও মেহেদী। পথে তেতুলিয়া এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি পিকআপ ভ্যানের
সঙ্গে তাদের মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এ সময় মোটরসাইকেলটি পিকআপের নিচে আটকে
গেলে ঘটনাস্থলেই নিহত হন চালক নাসিম আলী ফকির। গুরুতর আহত অবস্থায় মেহেদী হাসানকে উদ্ধার
করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছিল। তবে পথেই তার মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে
ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
তালা
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন, দুর্ঘটনায় দুইজন নিহত হয়েছেন।
মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


আবহাওয়াবিদ মো. বজলুর রশিদ স্বাক্ষরিত
এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নোয়াখালী ও চট্টগ্রাম
অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে
অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ সময় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ২ নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
রোববার দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ
নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া এক পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


বরিশালের
বাকেরগঞ্জ উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের
জন্য বরাদ্দকৃত স্কুল ফিডিং কর্মসূচির খাবার আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। বিদ্যালয় ছুটির
পর তার ব্যাগ তল্লাশি করে ডিম ও রুটি উদ্ধার করেন স্থানীয়রা। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে
এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার
(২৫ জুন) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার চরাদি ইউনিয়নের ১০ নম্বর রানিরহাট সরকারি
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত ওই প্রধান শিক্ষিকার নাম রেশমা আক্তার মিষ্টি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা
জানান, বিদ্যালয় ছুটির পর প্রধান শিক্ষিকা যখন স্কুল ত্যাগ করছিলেন, তখন সন্দেহবশত
স্থানীয় কয়েকজন তার ব্যাগ তল্লাশির দাবি জানান। পরে ব্যাগ খুলে সেখান থেকে ২৪টি ডিম
ও ২২ পিস রুটি উদ্ধার করা হয় বলে উপস্থিত ব্যক্তিরা অভিযোগ করেন। এই খবর ছড়িয়ে পড়লে
বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে স্থানীয়দের ভিড় জমে যায়।
স্থানীয়দের
অভিযোগ, ওই প্রধান শিক্ষিকা দীর্ঘদিন ধরেই শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দকৃত খাবার আত্মসাৎ
করে আসছিলেন। বিষয়টি নিয়ে আগে থেকেই অভিভাবক ও এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ ছিল। শিক্ষার্থীদের
পুষ্টি নিশ্চিত করতে সরকারের দেওয়া খাবার আত্মসাতের এই ঘটনাকে অত্যন্ত দুঃখজনক আখ্যা
দিয়ে তারা এর সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িত শিক্ষিকার বিরুদ্ধে বিভাগীয় এবং আইনগত ব্যবস্থা
নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
এ
বিষয়ে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষিকা রেশমা আক্তার মিষ্টির বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও
তার কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে বাকেরগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রুহুল আমিন
জানান, তারা অভিযোগের বিষয়টি জানতে পেরেছেন। তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার সত্যতা যাচাই করা
হবে এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা
মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নোংরা ও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ
দেখে তীব্র অসন্তোষ ও ক্ষোভ প্রকাশ
করেছেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ ইয়াছিন।
হাসপাতালটি
পরিদর্শনকালে বাথরুম ও চারপাশের ময়লা
আবর্জনা এবং অব্যবস্থাপনা দেখে ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি বলেন, সুইপার আর হারপিক নিয়ে
আসেন, আমি নিজেই বাথরুম ক্লিন করব।
বৃহস্পতিবার
(৩ সেপ্টেম্বর) মন্ত্রী নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে পরিদর্শনের ওই ভিডিও প্রকাশ
করলে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। এর আগে গত
মঙ্গলবার বিকালে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শনে যান মন্ত্রী।
ভাইরাল
হওয়া ভিডিওটিতে কৃষিমন্ত্রীকে বলতে শোনা যায়- বাথরুমগুলোর জঘন্য অবস্থা, দুর্গন্ধ বের হচ্ছে। একেক ফ্লোরে ছয়টি বাথরুম থাকলেও পাঁচটি অকেজো। টাইলসগুলো অপরিষ্কার, ফ্যানগুলো নোংরা। এটা তেমন কিছু না, শুধু ক্লিন করা দরকার। এমন অবস্থা হলে রোগীরা কিভাবে এগুলো ব্যবহার করবেন? ট্রিটমেন্ট পরে, আগে অন্তত বাথরুম এবং আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করতে হবে।
ছড়িয়ে
পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, হাসপাতালের বাথরুম ও চারপাশের নোংরা
পরিবেশ দেখে মন্ত্রী দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের ওপর তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করছেন। সেখানে উপস্থিত চিকিৎসক এবং কর্মচারীদের দায়িত্বহীনতার কথা উল্লেখ করে দ্রুত সময়ের মধ্যে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করার জন্য কড়া নির্দেশ প্রদান করেন মন্ত্রী।
ভিডিওতে
আরও দেখা যায়, সেখানকার অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ দেখে ক্ষোভ চেপে রাখতে না পেরে কৃষিমন্ত্রী
দায়িত্বরত চিকিৎসকদের উদ্দেশে বলেন, দ্রুত সুইপার ও হারপিক নিয়ে
আসেন আমি নিজেই ক্লিন করব। এত সুন্দর অফিসে
বসে মিটিং করেন, অথচ বাথরুমগুলো ব্যবহারের অনুপযোগী।
এ
সময় সেখানকার কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে
তোড়জোড় শুরু হয় এবং তারা
দ্রুত পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন।
স্থানীয়রা
জানান, দীর্ঘদিন ধরেই ওই হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা
ও সেবা নিয়ে নানা অভিযোগ ছিল। মন্ত্রীর ঝটিকা পরিদর্শনের পর কর্তৃপক্ষের এই
কঠোর অবস্থানকে সাধারণ মানুষ ও সেবাপ্রার্থীরা সাধুবাদ
জানিয়েছেন। দ্রুত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং অবহেলার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
মন্তব্য করুন


চট্টগ্রামের
সাতকানিয়া উপজেলায় বন্যার পানির মধ্যে ভেলায় একটি মরদেহ ভাসিয়ে নিয়ে যাওয়ার একটি ভিডিও
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। মৃত ব্যক্তি হলেন কেঁওচিয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের
বাসিন্দা মোহাম্মদ ফোরকান (ড্রাইভার)।
ভিডিওটিতে
দেখা যাচ্ছে, কয়েকজন ব্যক্তি কলাগাছের তৈরি একটি অস্থায়ী ভেলায় সাদা কাফনে আবদ্ধ একটি
মরদেহ বহন করে নিয়ে যাচ্ছেন। ভিডিওটি দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়, এবং সেটি বন্যাকবলিত এলাকায়
দাফনের সংকটের চিত্র হিসেবে প্রচারিত হতে শুরু করে।
তবে
স্থানীয় প্রশাসনের দাবি, ভেলায় মরদেহ বহনের ঘটনাটি সত্য হলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে
যে তথ্য ছড়িয়ে পড়েছে, সেটি সম্পূর্ণ বিভ্রান্তিকর ও বিকৃত।
স্থানীয়দের
কথায়, গত শুক্রবার ভোরে মোহাম্মদ ফোরকানের মৃত্যু ঘটে। তার স্বজনদের দাবি, মৃত্যুর
পর মরদেহ দাফন করার বিষয়টি তাদের জন্য এক বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। বাড়ির চারপাশ এবং
পুরো এলাকা বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়ে যাওয়ায় কবরস্থানে মরদেহ নেওয়ার স্বাভাবিক কোনো
ব্যবস্থা ছিল না।
এদিকে,
আশেপাশে দাফনের উপযোগী শুকনো জায়গাও পাওয়া যায়নি। পরে স্বজন ও স্থানীয়দের সহযোগিতায়
কয়েকটি কলাগাছের মাধ্যমে একটি অস্থায়ী ভেলা তৈরি করা হয়। সেই ভেলায় মরদেহ কবরস্থানে
নেওয়া হয়। দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে সেখানে জানাজা শেষে মরদেহ দাফন কার্যটি সম্পন্ন করা হয়।
এ
বিষয়ে সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খোন্দকার মাহমুদুল হাসান বলেন,
ঘটনাটি সত্য, তবে ভিডিওটি ভুল ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। ওই ব্যক্তি মাছ ধরতে গিয়ে স্ট্রোক
করে মারা যান। তখন সেখানে কোনো নৌকা ছিল না। তারা যে ভেলায় মাছ ধরছিলেন, সেই ভেলাতেই
মরদেহটি বাড়িতে নিয়ে যান। পরে জানাজার পর স্বাভাবিক নিয়মে দাফন কার্য সম্পন্ন করা হয়।
ইউএনও
আরও জানান, ভিডিওটি এমনভাবে প্রচার করা হয়েছে যেন বন্যার কারণে মাটি না পেয়ে মরদেহ
ভেলায় ভাসিয়ে দেওয়া হয়েছে, অথবা প্রশাসনের কোনো সহযোগিতা ছিল না। আসলে, এমন কিছু ঘটেনি।
মূলত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে "ভিউ ব্যবসা" বাড়ানোর উদ্দেশ্যে ঘটনাটিকে বিকৃতভাবে
উপস্থাপন করা হয়েছে।
তিনি
জানান, জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিষয়টি ফ্যাক্ট-চেক করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
একই সঙ্গে তিনি সকলকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো তথ্য প্রচারের আগে যাচাই-বাছাই করে
নেওয়ার আহ্বান জানান।
এদিকে,
সাতকানিয়ায় বন্যাকে কেন্দ্র করে উপজেলা প্রশাসন আরও তিনটি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছে।
ইউএনও জানান, বাজালিয়া ইউনিয়নে বন্যার পানির প্রবল স্রোতে একটি কবরস্থানের বেশ কয়েকটি
কবর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পরে সেখান থেকে স্থানান্তরিত হওয়া তিনটি মরদেহ স্থানীয়রা অন্য
একটি নিরাপদ কবরস্থানে পুনরায় দাফন করেন।
মন্তব্য করুন