

আজ বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সকাল ১০টার দিকে বেনাপোল চেকপোস্ট থেকে ময়মনসিংহের যুবলীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক মো. রাসেল পাঠানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের ওসি এস এম শাখাওয়াত হোসেন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তার রাসেল পাঠান ময়মনসিংহ সদর উপজেলার সংকিপাড়া গ্রামের আবদুর রাজ্জাক পাঠানের ছেলে। তার বিরুদ্ধে ময়মনসিংহ কোতোয়ালি থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনসহ দুটি মামলা রয়েছে।
ইমিগ্রেশন পুলিশ জানায়, সকাল ১০টার দিকে তিনি ভারতে যাওয়ার জন্য বেনাপোল স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন ডেস্কে পাসপোর্ট জমা দেন। সার্ভারে তার নাম ‘স্টপলিস্টে’ পাওয়ায় তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
জিজ্ঞাসাবাদে তিনি নিজেকে ময়মনসিংহ মহানগর যুবলীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক বলে পরিচয় দেন। পরে তাকে বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।ওসি শাখাওয়াত হোসেন জানান, স্টপলিস্টে থাকা এবং সন্ত্রাসবিরোধী আইন সম্পর্কিত মামলার কারণে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


রফিকুল ইসলাম বাবু, চাঁদপুর:
চাঁদপুরে হরিণা দিয়ে ফেরিতে
উঠার
সময়
সময়
প্রাইভেট কারের
ভিতরে
অভিনব
কাদায়
খুলনায় ৪৪
কেজি
গাজা
নেওয়ার সময়
চাঁদপুরে যৌথ
বাহিনীর অভিযানে একটি
প্রাইভেটকার বুঝাই
গাঁজাসহ রুবেল
হালদার
(৪২)
নামে
চালককে
আটক
করা
হয়েছে।
চাঁদপুর জেলার সদর উপজেলার হানারচর ইউনিয়নের হরিণা
ফেরিঘাট এলাকায়
গোপন
সংবাদের ভিত্তিতে চাঁদপুর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, সেনা
বাহিনী,
মাদক
নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও
পুলিশ
যৌথ
ভাবে
মাদক
বিরোধী
অভিযান
পরিচালনা করে।
এসময়
প্রাইভেটকারের পিছনের
বেকডালি তল্লাশি করে
তাতে
৪৪
কেজি
গাঁজা
উদ্ধার
করা
হয়েছে।
জানা যায়, খুলনার
বাগেরহাট মোড়লগঞ্জের বারইখালি গ্রামের হাওলাদার বাড়ির
মৃত
মোজাম্মেল হাওলাদারের ছেলে
প্রাইভেটকার চালক
রুবেল
হাওলাদার (৪২)
কে
খুলনার
মাদক
কারবারি রিংকু
গাড়ি
ভাড়া
করে
কুমিল্লার বুড়িচং
এলাকায়
নিয়ে
আসে। ১০ ডিসেম্বর মঙ্গলবার বুড়িচং
এলাকার
ভারতীয়
সিমান্ত এলাকায়
গিয়ে
৪৪
কেজি
গাঁজা
প্রাইভেটকারের (ঢাকা
মেট্রো
গ-১৪-৩৭৩৬) পেছনের
ডেকে
করে
চাঁদপুর সদর
উপজেলা
হরিনা
ফেরিঘাট হয়ে
খুলনা
নিয়ে
যাচ্ছিল। চাঁদপুর জেলা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা আহসান
হাবীব
গোপন
সংবাদের খবর
পেয়ে
যৌথ
বাহিনী
সহায়তায় সকাল
থেকে
দুপুর
পর্যন্ত হরিনা
ফেরিঘাট এলাকায় উৎ
পেতে
থাকে।
দুপুরের দিকে
জেলা
প্রশাসক কার্যালয়ের নেচজারত ডেপুটি
কালেক্টর ( এনডিসি)
আসাদুজ্জামান, সেনাবাহিনী চাঁদপুরের দায়িত্বে থাকা
ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ রিফাত
আল
সামিউল,
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক মোহাম্মদ আহসান
হাবীব,
চাঁদপুর মডেল
থানার
উপ-পরিদর্শক ফেরদৌস ও সহকারী
পরিদর্শক মিজানুর রহমান
সহ
সঙ্গীয়
সদস্যরা যৌথ
ভাবে
মাদকবিরোধী অভিযান
পরিচালনা করে।
এসময়
৪৪
কেজি
গাঁজা
প্রাইভেটকার (ঢাকা
মেট্রো
গ
১৪-৩৭৩৬) থেকে ৪০
কেজি
গাঁজাসহ প্রাইভেটকার চালক
রুবেল
হাওলাদার (৩৮)
কে
আটক
করে।
মন্তব্য করুন


তাপস চন্দ্র সরকার:
ভাই-বোনের
সম্পর্ককে মজবুত করতে রাখইর থালায় রাখি, মিষ্টি, প্রদীপ, সিঁদুর, লাল সুতো, ধান ও দূর্বা
দিয়ে সাজিয়ে বাঙালি হিন্দুদের শ্রেষ্ঠ সামাজিক অনুষ্ঠান রাখি বন্ধন উৎসব পালিত হয়।
সোমবার
(১৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় সারাদেশের ন্যায় কুমিল্লা নগরীর কালিয়াজুরীতেও জেলা ঐক্য পরিষদ
নেতা এডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকার এর একমাত্র মেয়ে অর্পিতা সরকার এভাবেই রাখি বন্ধনের
মাধ্যমে তাঁর ছোট ভাই অরন্য সরকার প্রিন্স এর দীর্ঘায়ু ও সৌভাগ্য কামনা করেন। তদ্রুপ
ভাইও বোনের রক্ষা করার প্রতিশ্রুতি প্রদান করে। ঐদিন পরিবারের সকলে একত্রে মিলিত হয়ে
বিশেষ খাবার দাবার ও উপহার এর ব্যবস্থা করা হয় এবং সকলে মিলে আনন্দ ফুর্তিতে মেতে ওঠে।
এই বিশেষ দিনে পরিবেশে “যম” তত্ত্ব বেশি থাকে, এতে ভাইয়ের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে
কিন্তু রাখি বন্ধনের ফলে তা দূর হয়ে যায়।
জানা
যায়- রাখি বন্ধন বা রাখি পূর্ণিমা উৎসবটি ভাই-বোনদের পবিত্র সম্পর্কের এক নিবিড় উদযাপন।
রাখি পূর্ণিমার ঠিক পাঁচদিন আগে ঝুলন পূর্ণিমা শুরু হয় এবং রাখি পূর্ণিমার সাতদিন পর
জন্মাষ্টমী উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। প্রতি বছর শ্রীকৃষ্ণের এই দুই লীলার মাঝে শ্রাবণ মাসের
পূর্ণিমা তিথিতে রাখি পূর্ণিমা অনুষ্ঠিত হয় বলে এর আরেক নাম শ্রাবণী পূর্ণিমা। এই দিনটির
জন্য প্রত্যেক ভাইবোন অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে থাকে। বোন ভাইয়ের হাতে রাখি পরিয়ে দেয়
আর ভাই বোনকে রক্ষার অঙ্গীকার বদ্ধ হয়। এই ভাবেই এই অনুষ্ঠিত যুগের পর যুগ ধরে পালিত
হয়ে আসছে। রাখি বন্ধন মূলত বিহারী সংস্কৃতি হলেও পরবর্তীকালে এই অনুষ্ঠান বাঙালি সংস্কৃতির
সাথে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িয়ে পরে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লাস্থ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কল্যাণ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভা শেষে আগামি দুই বছরের জন্য কার্যকরি পরিষদ ও উপদেষ্টা পরিষদ গঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে ঐতিহ্যবাহী কুমিল্লা ক্লাব মিলনায়তনে অত্যন্ত আনন্দঘন পরিবেশে ওই সাধারণ সভা শেষে নতুন কমিটি ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশনের আহবায়ক ও উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ইন্দুভূষণ ভৌমিক। প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে সমিতির সাবেক সভাপতি ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব মো: তাজুল ইসলামকে মনোনীত করা হয়।
আগামি ২০২৫-২০২৭ সালের জন্য সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন প্রফেসর মেজর ইয়াকুব আলী, সিনিয়র সহসভাপতি মো: আনোয়ার হোসেন ভূইয়া, সাধারণ সম্পাদক এটিএম মোস্তফা কামাল, সাংগঠনিক সম্পাদক সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা সাংবাদিক মো: এমদাদুল হক সোহাগ। তাছাড়া ৩৩ সদস্য বিশিষ্ট কার্যকরি পরিষদ এবং ৩৬ সদস্য বিশিষ্ট উপদেষ্টা মন্ডলীর নাম ঘোষণা করা হয়।
কার্যকরি পরিষদের অন্যান্যরা হলেন, সহ সভাপতি মো: আলমগীর শিকদার, সহ সভাপতি আলী আমজাদ খান, সহ সভাপতি মোহাম্মদ আলী সরকার, সহ সভাপতি মো: ছাইয়েদুর রহমান। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হলেন, মো: শাখাওয়াত হোসেন, মো: আজাদ সরকার লিটন, দুলাল হোসেন। কোষাধ্যক্ষ আলহাজ্ব আবদুর রাজ্জাক, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. বশির আহম্মেদ, দপ্তর সম্পাদক মো: তৌহিদুজ্জামান, প্রচার সম্পাদক একেএম নুরিই জাবেদ, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক এস.ডি.এস.এম শাহনাজ, সমাজকল্যাণ সম্পাদক মো: আশরাফুল ইসলাম জিকু, শিক্ষা ও সাহিত্য সম্পাদক মাহফুজুর রহমান সোহাগ, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক কামরুণ নাহার দিপু, মহিলা সদস্য মলি ভৌমিক, আইন বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট আনোয়ারুল হক দিপু, সহ দপ্তর সম্পাদক মো: আতাউর রহমান।
নির্বাহী সদস্যরা হলেন, এডভোকেট বিল্লাল হোসেন, মো: তরিকুল ইসলাম তরুণ, মো: শাহাদাত হোসেন, মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন, শাহাদাত হোসেন আজাদ, নুরুল ইসলাম সরকার, মোহাম্মদ মাসুদুল ইসলাম বাবু, শাহাদাত হোসেন সরকার, মাহবুব আলম, সার্জেন্ট আলিম, মোসা. নাছিমা আক্তার রত্না।
উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্যগণ হলেন, ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ড. একেএম আছাদুজ্জামান, অধ্যাপক ইন্দুভূষণ ভৌমিক, বীর মুক্তিযোদ্ধা এস আর এম ফারুক, অধ্যাপক আজহারুল ইসলাম, ডা. হারুনুর রশিদ, আহমেদ সোয়েব সোহেল, ডা. সৈয়দ জহিরুল ইসলাম, সঞ্জয় কুমার ভৌমিক, মাহমুদুল হাসান ভূঁঞা, ড. আতিকুল ইসলাম, এম.এ হান্নান আজাদ, মো: জহিরুল ইসলাম, ডা. লিটন কুমার রায়, ড. সফিকুল ইসলাম, মোশাররফ হোসেন ইকবাল, বীর মুক্তিযোদ্ধা সফিক মিয়া, সাকিনা বেগম, ডা. আরিফ মোর্শেদ খান, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মালেক, কাজী শওকত আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা জামিলুজ্জামান, আবু জাহেদ, মশিউর রহমান ভূইয়া, আবুল বাশার, এড. নজীর আহমেদ মনু, এড. দেওয়ান মোহাম্মদ সাকি, অধ্যাপক শ্যামা প্রশাদ ভট্টাচার্য, ডা. আজিজুল হোসেন, ডা. নাজমুল হাসান চৌধুরী, মো: আবদুস সামাদ, এড. শিপ্রা রাণী দাশ, এড. মাসুদ সালাউদ্দীন, আবুল কালাম আজাদ, মো: সানাউল হক, মাহমুদা আক্তার, কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের সচিব খোন্দকার মোহাম্মদ সাদেকুর রহমান।
এদিকে, শুরুতে বার্ষিক সাধারণ সভায় সভাপতিত্ব করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা এস.আর.এম ফারুক। মো: শাখাওয়াত হোসেনের সঞ্চালনায় সাধারণ সম্পাদকের প্রতিবেদন পাঠ করেন সদ্য সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলমগীর শিকদার। দ্বিতীয় পর্যায়ে কমিটি ঘোষণার পর নির্বাচিত সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদক সহ অন্যান্যদের উষ্ণ অভিনন্দন ও ফুলেল শুভেচ্ছা জানান সমিতির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও সদস্যরা।
মন্তব্য করুন


কক্সবাজারের
টেকনাফে পাহাড় ধসে মাটির দেয়াল চাপায় মা ও ৩ ছেলে-মেয়ে নিহত হয়েছে।
শুক্রবার
ভোর ৪ টার দিকে টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের মরিচ্যাঘোনা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।
নিহতরা
হলেন, টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড মৌলভীবাজার মরিচ্যাঘোনার ফকির আহমদের
স্ত্রী আনোয়ারা বেগম (৫০), ছেলে সাইদুল মোস্তফা (২০) ও ২ মেয়ে সাদিয়া বেগম (১১) ও নিলুপা
বেগম (১৮)।
বিষয়টি
নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান রাশেদ মাহমুদ আলী ।
চেয়ারম্যান
রাশেদ মাহমুদ আলী জানান, বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বৈরী আবহাওয়ার কারণে থেমে থেমে হালকা
ও মাঝারি বৃষ্টিপাত হচ্ছে। এরই মধ্যে হ্নীলা ইউনিয়নের মরিচ্যাঘোনা এলাকায় পাহাড় ধসের
ঘটনা ঘটে। মাটির দেয়াল চাপা পড়ে পাহাড়ের খাদে বসবাস করা একই পরিবারের ৪ জন নিহত হন।
পরে খবর পেয়ে স্থানীয়রা সেখানের মাটি সরিয়ে ৪জনের মরদেহ উদ্ধার করেন।
টেকনাফ
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আদনান চৌধুরী জানান, পাহাড়ের একটি অংশ ধসে বাড়ির পাশে
পড়লে দেয়াল ধসে ওই পরিবারের সবাই মাটি চাপা পড়েন। এতে ৪ জনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়।
নিহতের পরিবারকে উপজেলা প্রশাসন থেকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


সাম্প্রতিক বন্যায় কুমিল্লা জেলার বুড়িচং এলাকা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।বন্যার পানি কমে এলেও এখনো দুর্ভোগ শেষ হয়নি সাধারণ অসহায় মানুষের।
তাইতো কুমিল্লা জেলার বুড়িচং উপজেলার হরিপুর গ্রামের বন্যা দুর্গত এলাকার মানুষের মাঝে উপহার সামগ্রী বিতরণ করতে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে পাশে এসে দাঁড়িয়েছে বিবেক।
বিবেক হচ্ছে একটি সামাজিক সংগঠন। সমাজের মানুষের সহযোগিতার কল্যাণে যে প্রতিষ্ঠানটি সার্বক্ষণিক কাজ করে আসছে।
উক্ত প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠাতা এবং চেয়ারম্যান হলেন ইউসুফ মোল্লা টিপু যিনি কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব।
শনিবার ৭ সেপ্টেম্বর বিবেকের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান এর উদ্যোগে বিবেকের একটি টিম বুড়িচং এলাকায় হরিপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে বন্যার্তদের মাঝে উপহার সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে।
বন্যা
দুর্গতদের পাশে সহযোগিতার হাত নিয়ে বিবেকের এই উদ্যোগ সামনের দিনগুলোতেও চলমান থাকবে।
মন্তব্য করুন


মো. মাসুদ রানা, কচুয়া:
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার ঘাগড়া গ্রামের অধিবাসী কলা চাষী ও ব্রয়লার ব্যবসায়ী গনেশ সরকারের খামারে আকস্মিক জ¦ড়ে ব্যাপক ক্ষতি সাধন হয়েছে। গত রবিবার রাতে আকস্মিক এই ঝড় বৃষ্টির কারনে গনেশ সরকারের কলা বাগান ও ব্রয়লার খামারে সবকিছু ভেঙ্গে প্রায় ১০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি সাধন হয়েছে। বর্তমানে গনেশ সরকার তার ব্যবসা পুনরায় দাড় করানোর জন্য ক্ষতিগ্রস্থ ঘর মেরামতের কাজ করছেন।
ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ী গনেশ সরকার বলেন, আমি বিভিন্ন এনজিও সংস্থা ও বিভিন্ন খামারী ব্যবাসয়ীদের কাছ থেকে ঋণ নিয়ে ব্যবসাটি পরিচালনা করে আসছি। বিগত রবিবার ঝড়ে আমার মুরগীর খামার, কলার বাগান, মাঠে ফসলাদির ব্যাপক ক্ষতি সাধন হয়। এত ক্ষতির পরেও স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তারা একবারের জন্যও আমার খামারে পরিদর্শন কিংবা পরামর্শ দিতে আসেননি। তার এসব ক্ষতি পোশাতে উপজেলা কৃষি অফিসের সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি।
মন্তব্য করুন


শেরপুর
জেলায় নিখোঁজের সাত দিন পর নিখোঁজ সেই তরুণের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। স্থানীয় একাধিক সূত্রের দাবি, গ্রেফতার তরুণীর সঙ্গে নিহত তরুণের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। কিন্তু একটি সম্পর্ক চলাকালে আরেক সম্পর্কে জড়িয়ে
যান ওই তরুণী। তাই ১ম প্রেমিককে সরিয়ে দিতে ২য় প্রেমিকের সহায়তায় তাকে হত্যা করা হয়। তবে পুলিশ বলছে, এ নিয়ে এখনও তদন্ত চলছে।
গতকাল
সোমবার (১১ নভেম্বর) শহরের কাজীবাড়ি পুকুরপাড় এলাকা থেকে দুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় নতুন করে আরেক তরুণকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন
শেরপুরের পুলিশ সুপার আমিনুল ইসলাম ।
নিহত সুমন মিয়া (১৭) পৌরসভার কসবা বারাকপাড়া এলাকার কৃষক মো: নজরুল ইসলামের ছেলে। সে শেরপুর সরকারি কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন, অভিযুক্ত তরুণী আন্নী বেগম (১৭), বাবা আজিম উদ্দিন (৪২) ও দ্বিতীয় প্রেমিক রবিন (১৭)।
জানা যায়, এসএসসি পরীক্ষা চলাকালে প্রথমে পরিচয় এবং পরে প্রেমে জড়ায় শেরপুর পৌরসভার কসবা বারাকপাড়া এলাকার কৃষক নজরুল ইসলামের ছেলে সুমন ও শ্রীবরদীর ভেলুয়া ইউনিয়নের কাউনেরচর এলাকার আজিম উদ্দিনের মেয়ে আন্নী বেগমের। সুমনের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে থেকেও সুমনের অপর বন্ধু শেরপুর শহরের সজবরখিলা মহল্লার ফোরকান পুলিশের ছেলে রবিনের সঙ্গে গড়ে ওঠে গভীর প্রেমের সম্পর্ক। রবিন ময়মনসিংহের একটি কলেজের এইচএসসির প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। পথের কাটা সুমনকে সরাতে ৪ নভেম্বর বিকেলে সুমনকে বিয়ের কথা বলে রবিনের বাড়িতে ডেকে আনে আন্নী ও রবিন। এরপর তাকে হত্যা করে নিজ উঠানে লাউয়ের মাচার নিচে মাটিতে পুঁতে রাখে সুমনের মরদেহ।
এদিকে রাতে সুমন বাড়ি ফিরে না এলে পরদিন সদর থানায় প্রথমে নিখোঁজ ডায়েরি এবং পরে আন্নী ও তার বাবা-মাসহ কয়েকজনের নামে অপহরণ মামলা দায়ের করে সুমনের বাবা নজরুল ইসলাম। এ ঘটনায় পুলিশ সোমবার রাতে আন্নী বেগম ও তার বাবাকে গ্রেফতার করে। পরে আন্নীর স্বীকারোক্তিতে তার অপর প্রেমিক রবিনকে ময়মনসিংহ থেকে গ্রেফতার করা হয়। পরে রবিনের স্বীকারোক্তিতে তার বাড়ির আঙিনায় মাটিচাপা দেওয়া সুমনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
শেরপুরের পুলিশ সুপার আমিনুল ইসলাম বলেন, প্রথমে মামলা নিয়ে কলেজ শিক্ষার্থী আন্নী ও তার বাবাকে গ্রেফতার করেছি। পরে আন্নীর দেওয়া তথ্যমতে রবিনকে গ্রেফতার করা হয়। রবিনের স্বীকারোক্তিতে তার বাড়ি থেকে মাটিচাপা দেওয়া লাশ উদ্ধার করা হয়। এর সঙ্গে আর কারা জড়িত তদন্ত করে বের করা হবে।
মন্তব্য করুন


খুলনার পাইকগাছায় মরা গরুর মাংস বিক্রয়ের অভিযোগে ৪ কসাইকে জেলহাজতে পাঠিয়েছেন পাইকগাছা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত।
সোমবার (৩ জুন) সকালে আসামিরা আদালতে হাজির হয়ে জামিন প্রার্থনা করলে বিজ্ঞ আদালত জামিন নামঞ্জুর করে সবাইকে জেলহাজতে প্রেরণ করেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, গত ৮ মে উপজেলার কুমখালী গ্রামের রমেশ বৈদ্যের দুটি গরু অসুস্থ হয়। প্রাথমিক চিকিৎসায় একটি গরু সুস্থ হলেও অন্যটি মারা যায়। সেই মরা গরুটি রমেশ বৈদ্যের কাছ থেকে নামমাত্র মূল্যে কিনে নেয় গড়ইখালী ইউপির আল আমিন মোড়ে কসাই ইলিয়াস গাজী ও তার সঙ্গীরা।
পরে ওই মাঠে জবাই করে ভ্যানযোগে দোকানে নিয়ে গিয়ে ৫শ টাকা দরে ২০ জনের নিকট বিক্রি করে। পরে মরা গরু জানাজানি হলে খবর পেয়ে ১০ মে উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ও নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক উদয় কুমার মন্ডল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মরা গরুর মাংসের প্রমাণ পেয়ে পচা মাংস জব্দ করেন ও কেরোসিন দিয়ে পুড়িয়ে বিনষ্ট করেন।
এ ঘটনায় কসাই ইলিয়াস গাজী, খানজাহান গাজী ওরফে খানজে, জাকির সানা, মোকছেদ গাজীর নাম উল্লেখ করে পাইকগাছা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নিরাপদ খাদ্য আইন ২০১৩ এর ধারায় মামলা করেন। মামলায় বিজ্ঞ বিচারক আসামিদের ৩ জুন আদালতে হাজির হওয়ার জন্য আদেশ দিয়েছিলেন।
উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ও নিরাপদ খাদ্য
পরিদর্শক উদয় কুমার মন্ডল জানান, অনিরাপদ খাদ্যদ্রব্য যারা উৎপাদন, সংরক্ষণ ও বিপণন করলে
তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। এই অভিযান অব্যাহত
থাকবে।
মন্তব্য করুন


"খেলবে
কুমিল্লা বার, দেখবে সকল বার ও সারা বিশ্ব"- এই শ্লোগান সামনে রেখে গেলো বছরের
ন্যায় এবারও শত ব্যস্ততার মাঝেও একটু বিনোদনের উদ্দেশ্যে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির
আয়োজনে CDBA T-10 ক্রিকেট টূর্ণামেন্ট-২০২৩ এর খেলা চলছে।
এ
খেলাটি ২১ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার বিকেলে কুমিল্লা টিক্কারচরস্থ শেখ কামাল ক্রীড়া পল্লীতে
অনুষ্ঠিত হয়। খেলায় গোমতীকে হারিয়ে সিবিএ এডভোকেটস্ গ্রুপ চ্যাম্পিয়ান হয়ে কোয়ার্টার
ফাইনালে উত্তীর্ণ।
ওই
খেলায় সিবিএ এডভোকেটস্ এর খেলোয়াড় এডভোকেট রানা মজুমদারকে ম্যান অব দ্যা ম্যাচ ঘোষণা
করেন কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সহ-সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ এয়াকুব আলী চৌধুরী।
তার ব্যক্তিগত রান ৮২ এবং অপরাজিত ব্যাটস্ ম্যান।
সিবিএ
এডভোকেটস্ এ রয়েছেন- প্রধান উপদেষ্টা লাকসাম উপজেলা চেয়ারম্যান এডভোকেট মোঃ ইউনুস ভূইয়া
এবং টিম ম্যানেজার এডভোকেট মোঃ জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া, প্রধান নির্বাচক এডভোকেট মোঃ
ইলিয়াস মজুমদার, নির্বাচক এডভোকেট মোঃ মনিরুল ইসলাম ও এডভোকেট মোঃ আমজাদ হোসেন লিটন,
হেড কোচ এডভোকেট মোঃ মহসিন ভূইয়া, সহ- হেড কোচ এডভোকেট মোঃ হারুনুর রশিদ সবুজ, ব্যাটিং
কোচ এডভোকেট মোঃ নুরুদ্দীন মিয়াজি বুলবুল, বোলিং কোচ এডভোকেট মোঃ আতিকুর রহমান সুমন,
ফিল্ডিং কোচ এডভোকেট মোঃ জুয়েল হোসেন, মিডিয়া ম্যানেজার এডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকার,
মাইন্ড ট্রেইনার এডভোকেট শাহ্ আলম, সহঃ ব্যাটিং কোচ এডভোকেট আল নোমান সরকার ও সহঃ মিডিয়া
কোচ এডভোকেট আবুল কাশেম।
সিবিএ
এডভোকেটস্ এর খেলোয়াড়েরা হলেন- এডভোকেট মোঃ মঈনুল আলম মনি, এডভোকেট মোঃ জাহাঙ্গীর আলম,
এডভোকেট শওকত হাসান দিদার, এডভোকেট শাহাবুদ্দিন নাসেফ, এডভোকেট মোঃ মোবারক হোসেন, এডভোকেট
মোঃ আবু হাসনাত মুন্সি পলাশ, এডভোকেট মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন, এডভোকেট মোঃ শেখ সাদী ভূইয়া,
এডভোকেট মোঃ তাহের আলম নিপু, এডভোকেট মোঃ সোহেল আহাম্মদ, এডভোকেট মোঃ আলমগীর হোসাইন,
এডভোকেট মোঃ মজিবুর রহমান (মুজিব), এডভোকেট মোঃ আরিফ হোসেন সৈকত, এডভোকেট রানা মজুমদার
ও অধিনায়ক এডভোকেট মোঃ সালাহউদ্দিন মোমেন।
মন্তব্য করুন


বাগেরহাটের মোংলায় যাত্রীবাহী একটি
নৌকা ডুবে গেছে।জানা গেছে নৌকায় ৫০-৬০ জন যাত্রী ছিল।
রোববার (২৬ মে) সকালে মোংলা নদীর ঘাটে
অতিরিক্ত যাত্রী তোলার কারণে নৌকাটি ডুবে যায়।
মোংলা উপজেলার নির্বাহী অফিসার (ইউএনও)
নিশাত তামান্না বিষয়টি
নিশ্চিত করেছেন।
ইউএনও নিশাত তামান্না
বলেন, অতিরিক্ত যাত্রী তোলার জন্য এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।
সবসময় সতর্ক করা হয় তারা যেন নৌকায় ২৫ জনের বেশি যাত্রী না তোলেন। কিন্তু এটিতে ৫০-৬০
জন যাত্রী ছিল বলে শুনেছি। এ ঘটনায় অনেককে উদ্ধার করা হয়েছে। দুর্ঘটনার পর থেকেই খোঁজখবর
রাখছি। নৌপুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও কোস্টগার্ডের ডুবুরি দল নদীতে তল্লাশি চালাচ্ছে।
মন্তব্য করুন