

পটুয়াখালীর
মির্জাগঞ্জে সুবিদখালী ইউনিয়ন ভূমি অফিসে আর্জেন্টিনা ফুটবল দলের জার্সি পরিহিত অবস্থায়
দালালি করতে গিয়ে বাবলু হাসান (২৮) নামে এক যুবক ভ্রাম্যমাণ আদালতের হাতে আটক হয়েছেন।
পরে তাকে ৩০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
রোববার
(১২ জুলাই) সকাল ১১টার দিকে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাসেল মুন্সীর নেতৃত্বে পরিচালিত
অভিযানে এ দণ্ডাদেশ দেওয়া হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত বাবলু উপজেলার চত্রা গ্রামের মো. মোশারেফ
হাওলাদারের ছেলে।
জানা
গেছে, দীর্ঘদিন ধরে একটি দালাল চক্র সুবিদখালী ইউনিয়ন ভূমি অফিসে আসা সাধারণ মানুষের
কাছ থেকে দ্রুত সেবা পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায় ও বিভিন্নভাবে হয়রানি
করে আসছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে আর্জেন্টিনার জার্সি পরিহিত অবস্থায়
সাধারণ মানুষকে হয়রানির সময় বাবলুকে হাতেনাতে আটক করা হয়।
পরে
ভ্রাম্যমাণ আদালতে বাবলু অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করলে, মোবাইল কোর্ট আইনের সংশ্লিষ্ট
ধারায় তাকে ৩০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
উপজেলা
সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাসেল মুন্সী বলেন, ‘ভূমি অফিসকে দালালমুক্ত ও জনবান্ধব করতে
এ ধরনের অভিযান নিয়মিত চলবে। কোনো অবস্থাতেই সাধারণ মানুষকে সরকারি সেবা নিতে এসে হয়রানির
শিকার হতে দেওয়া হবে না।’
মন্তব্য করুন


জাতীয়
অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ৭ হাজার ৩ কোটি ৩৬ লাখ টাকা ব্যয় সম্বলিত
পাঁচটি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে সরকারি অর্থায়ন থেকে ব্যয় হবে ৪ হাজার
৫৩৬ কোটি ১০ লাখ টাকা এবং বৈদেশিক ঋণ হিসেবে যোগ হবে ২ হাজার ৪৬৭ কোটি ২৬ লাখ টাকা।
মঙ্গলবার
(১৬ জুন) বাংলাদেশ সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এসব প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায়
সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমান। সভায় মন্ত্রিসভার সদস্য
এবং সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
অনুমোদিত
প্রকল্পগুলোর মধ্যে নতুন তিনটি এবং সংশোধিত দুটি প্রকল্প রয়েছে। প্রকল্পগুলো বিভিন্ন
খাতে অবকাঠামো উন্নয়ন, নদী ব্যবস্থাপনা, বন্যা নিয়ন্ত্রণ এবং কারিগরি শিক্ষার সম্প্রসারণকে
কেন্দ্র করে গৃহীত হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর
কার্যালয়ের অধীনে ‘Supporting Infrastructure Project for Chinese Economic and
Industrial Zone’ শীর্ষক একটি প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে। এই প্রকল্পটি দেশের শিল্পায়ন
ত্বরান্বিত করতে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে অবকাঠামোগত সহায়তা জোরদারে ভূমিকা রাখবে বলে
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
পানি
সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে তিনটি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ফেনী
জেলার মুহুরী-কহুয়া এলাকায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ, পানি নিষ্কাশন ও সেচ ব্যবস্থার পুনর্বাসন
প্রকল্পের প্রথম পর্যায়। একই সঙ্গে করতোয়া নদী সিস্টেম উন্নয়ন প্রকল্প এবং পদ্মা নদীর
ভাঙন থেকে কুষ্টিয়া জেলার মিরপুর ও কুমারখালী উপজেলার ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা রক্ষায় একটি
সংশোধিত প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে নদীভাঙন প্রতিরোধ,
কৃষি সেচব্যবস্থা উন্নয়ন এবং বন্যা ঝুঁকি হ্রাসে কার্যকর ভূমিকা রাখার প্রত্যাশা করা
হচ্ছে।
শিক্ষা
মন্ত্রণালয়ের অধীনে ‘১০০টি উপজেলায় একটি করে টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ স্থাপন’
প্রকল্পের তৃতীয় সংশোধিত প্রস্তাবও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। কারিগরি শিক্ষার প্রসার এবং
দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে এই প্রকল্পকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
এছাড়া
৫০ কোটি টাকার কম ব্যয় সম্বলিত চারটি প্রকল্প সম্পর্কে একনেক সভায় অবহিত করা হয়, যেগুলো
পূর্বে পরিকল্পনা মন্ত্রীর অনুমোদন পেয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে কক্সবাজারে বিমান বাহিনী
ঘাঁটিতে ব্যারাক কমপ্লেক্স নির্মাণ, সাভারে নৌবাহিনী স্কুল ও কলেজ স্থাপন, শমসেরনগরে
বিমান বাহিনী শাহীন কলেজের অবকাঠামো উন্নয়ন এবং প্যাগোডাভিত্তিক প্রাক-প্রাথমিক ও নৈতিক
শিক্ষা কার্যক্রমের চতুর্থ পর্যায়।
সভায়
উপস্থিত মন্ত্রীরা সংশ্লিষ্ট প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি, ব্যয় কাঠামো এবং বাস্তবায়ন কৌশল
নিয়ে আলোচনা করেন এবং দ্রুত ও কার্যকর বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
মন্তব্য করুন


মেহেরপুরে
ধর্ষণের দায়ে কলিম উদ্দিন কালু (৫১) নামের এক ইউপি সদস্যকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারদণ্ড
দিয়েছেন আদালত।
রোববার
(২৩ আগস্ট) দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন আদালতের বিচারক আলী মাসুদ সেখ এ দণ্ডাদেশ
প্রদান করেন। রায়ে আসামিকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
দেয়া হয়।
এছাড়াও
রায়ে বলা হয়েছে, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধনী/২০০৩) এর ১৬ ধারার বিধান
অনুযায়ী আসামি কলিম উদ্দিন কালুর স্থাবর বা অস্থাবর সম্পদ নিলামে বিক্রি করবেন জেলা
প্রশাসক। বিক্রয়লব্ধ অর্থ ট্রাইব্যুনালে জমা দেবেন। পরে ওই টাকা ভিকটিমকে প্রদান করবেন
আদালত।
দণ্ডপ্রাপ্ত
কলিম উদ্দিন মেহেরপুর সদর উপজেলার পিরোজপুর গ্রামের মৃত আব্দুল মন্ডলের ছেলে এবং পিরোজপুর
ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য।
এ
দিকে রায় শোনার পরই আসামি কলিম উদ্দিন আদালত প্রাঙ্গণে অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাকে নেয়া
হয় ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে।
আদালত
সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালের ১৮ ডিসেম্বর রাত সাড়ে ৮ টার দিকে এক প্রতিবন্ধী নারী
রাতে খাবার খেয়ে ঘরে শুয়ে ছিলেন। কলিম উদ্দিন ওই নারীর ঘরে ঢুকে তাকে ধর্ষণ করেন। এ
সময় ওই নারীর চিৎকার করলে পালিয়ে যান কালু। যাওয়ার সময় বিষয়টি কাউকে না জানানোর হুমকি
দেন তিনি।
২১
ডিসেম্বর ভুক্তভোগী নারীর মা বাদি হয়ে মেহেরপুর সদর থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।
তদন্ত শেষে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই খান মারুফুল ইসলাম আদালতে চার্জশিট দাখিল
করেন।
মামলাটিতে
সরকারী পক্ষের আইনজীবী ছিলেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাড.
মুস্তাফিজুর রহমান তুহিন।
আসামি
পক্ষের আইনজীবী ছিলেন পল্লব ভট্টাচার্য, ইব্রাহমী শাহীন ও এ কে এম শফিকুল আলম।
পাবলিক
প্রসিকিউটর মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, ইউপি সদস্য কলিম উদ্দিন কালু ছিলেন তৎকালীন আওয়ামী
লীগের প্রভাবশালী নেতা। এছাড়াও চলতি ইউপি সদস্য হওয়ায় নাানাভাবে মামলাটি ভিন্নখাতে
নেয়ার চেষ্টা করেছেন। এমনকি বাদিপক্ষের সাথে আপসের চেষ্টা করেছেন। হুমকি প্রদান করে
স্বাক্ষীদের আদালতে স্বাক্ষ্য দিতে বাধা প্রদান করেন। এ রায়ে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত
হলো।
মন্তব্য করুন


বিশ্ববাসীর উদ্দেশে অন্তর্বর্তী সরকারের
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, আমরা পৃথিবীর জন্য আশার এক বাতিঘর
হিসেবে দাঁড়াতে চাই এবং আমাদের বন্ধু ও অংশীদারদের আহ্বান জানাই অন্তর্ভুক্তিমূলক সামাজিক
চুক্তি পুনর্লিখনের জন্য, পাশাপাশি সামাজিক ব্যবসা, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি এবং মাইক্রোফাইন্যান্সের
ভূমিকা অন্বেষণ করতে, যা প্রান্তিক জনগণের জন্য টেকসই উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক সুযোগ সৃষ্টিতে
সহায়ক।
আজ মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) কাতারের দোহায়
আর্থনা শীর্ষ সম্মেলন ২০২৫ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূস বলেন, বাংলাদেশ এখন এমন এক অবস্থায় দাঁড়িয়ে, যেখানে একটি নতুন সামাজিক চুক্তি
করার সুযোগ এসেছে। এটি এমন এক চুক্তি, যেখানে রাষ্ট্র ও জনগণ, বিশেষ করে যুবসমাজ, অন্তর্ভুক্তিমূলক
ব্যবস্থা, ঐতিহ্য, ন্যায়বিচার, মর্যাদা এবং সুযোগের ভিত্তিতে একটি ভবিষ্যৎ একত্রে গড়ে
তুলবে।
তিনি বলেন, এটি এমন এক সামাজিক চুক্তি,
যেখানে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি ও প্রান্তিক জনগণের ক্ষমতায়ন মৌলিক বিষয় হিসেবে বিবেচিত
হবে।
প্রধান উপদেষ্টা তাঁর বক্তব্যে একটি
সহনশীল, সমৃদ্ধ এবং টেকসই ভবিষ্যতের স্বপ্নের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, তবে এখন
এমন নানা হুমকি রয়েছে, যা আমাদের উন্নয়নকে বিপথে ঠেলে দিতে পারে।
তিনি বলেন, আমরা এমন এক সময় পার করছি,
যেখানে বহুপাক্ষিকতা হুমকির মুখে, জলবায়ু পরিবর্তন দ্রুততর হচ্ছে, ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা
বাড়ছে এবং মানবিক সংকট গভীরতর হচ্ছে। নতুন নতুন নীতিমালা, প্রযুক্তি এবং শাসন পদ্ধতি
আমাদের পৃথিবীকে দ্রুত রূপান্তরিত করছে, যা অতীতের অনেক অনুমানকে অচল করে দিচ্ছে।
এমন প্রেক্ষাপটে সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর
জোর দিয়ে অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, এখন আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক সহযোগিতার পুনরুজ্জীবনের
প্রয়োজন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক বেশি।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূস বলেন, আসুন আমরা সাহসী হই। একটি এমন পৃথিবী গড়ি, যেখানে কেউ এতটা দরিদ্র না হয়
যে, সে স্বপ্ন দেখতে না পারে এবং কোনো স্বপ্ন এত বড় না হয় যে, তা অর্জন করা যায় না।
ভবিষ্যৎ এমন কিছু নয়, যা আমরা উত্তরাধিকার হিসেবে পাই। এটি এমন কিছু যা আমরা তৈরি করি।
এবং আমাদের প্রত্যেকেরই এতে একটি করে ভূমিকা রয়েছে। সামনে যে চ্যালেঞ্জগুলো রয়েছে,
তা নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বলেন, কিন্তু আমাদের উদ্ভাবন,
সহমর্মিতা এবং সম্মিলিত কর্মকাণ্ডের সক্ষমতাও ব্যাপক।
অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, কাতার
যেভাবে আর্থনা শীর্ষ সম্মেলনের উদ্যোগ নিয়েছে, তা দেখাচ্ছে কীভাবে একটি দেশ উদ্ভাবন,
ঐতিহ্য ও অংশীদারত্বের মাধ্যমে জলবায়ু সংকট, সামাজিক বৈষম্য এবং কর্মসংস্থানের ভবিষ্যৎ
মোকাবিলা করতে পারে।
অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস তাঁর মূল
বক্তব্যে সামাজিক ব্যবসা, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি এবং মাইক্রোফাইন্যান্সের মাধ্যমে প্রান্তিক
জনগোষ্ঠীর জন্য টেকসই উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক সুযোগ তৈরির ওপর গুরুত্ব দেন।
তিনি কাতার ফাউন্ডেশনের চেয়ারপারসন
শেখ মোজা বিনতে নাসের এবং ভাইস চেয়ারপারসন ও সিইও শেখ হিন্দ বিনতে হামাদ আল থানিকে
সময়োপযোগী ও চমৎকার এই শীর্ষ সম্মেলন আয়োজনের জন্য ধন্যবাদ জানান।
মন্তব্য করুন


মুন্সীগঞ্জের
গজারিয়ায় কুমিল্লা থেকে ঢাকাগামী মিয়ামি এয়ারকন পরিবহনের একটি বাসের যাত্রীদের ড্রাইভারসহ
কয়েকজন মিলে মারধর করেছেন। এ সংক্রান্ত কয়েকটি ভিডিও ক্লিপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে
ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে দেশজুড়ে সমালোচনা শুরু হয়েছে। অনুসন্ধানে জানা গেছে, হামলায়
বাসের অন্তত চারজন যাত্রীর মাথা ফেটে গেছে।
এই
ঘটনায় আহতরা হলেন, সোহেল (২৬), সিয়াস (২১), হাসিনা আক্তার (৪৫), নাসিমা বেগম (৪৮)।
সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিও ক্লিপে দেখা যায়, এক ব্যক্তি বাসে উঠে লোহার রড
বা দণ্ডজাতীয় কিছু দিয়ে পিটিয়ে যাত্রীদের রক্তাক্ত করছেন। অন্য একটি ভিডিওতে দেখা যায়,
হামলায় দুই নারীসহ চারজনের মাথা ফেটে গেছে। সে সময় ভুক্তভোগী যাত্রীরা বাঁচার জন্য
আকুতি জানাচ্ছিলেন।
ঘটনার
নেপথ্য কারণ নিয়ে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মিয়ামি এয়ারকন পরিবহনের একটি বাস কুমিল্লা থেকে
ঢাকায় আসার পথে কুমিল্লার মাধাইয়া এলাকায় এক মোটরসাইকেল আরোহীকে ধাক্কা দেয়। এতে ওই
আরোহী গুরুতর আহত হন। দুর্ঘটনা ঘটার পর বাসের যাত্রীরা চালককে বাস থামাতে বাধ্য করেন।
সে সময় বাস চালকের সঙ্গে যাত্রীদের বেশ বাকবিতণ্ডা হয়। চালক গাড়ি থামালে স্থানীয় উৎসুক
জনতা তাকে মারধর করে এবং পুলিশ এসে গাড়িটি থানায় নিয়ে যায়। সে সময় সুযোগ বুঝে চালক
কৌশলে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গজারিয়ায় তার নিজ বাড়িতে চলে যান। এর কিছুক্ষণ পর পরিবহন
কর্তৃপক্ষ অন্য একটি বাস পাঠিয়ে আটকে পড়া যাত্রীদের ঢাকা পাঠানোর ব্যবস্থা করে।
এদিকে
পূর্ববর্তী বাসের চালক স্থানীয় কিছু লোকজনকে সঙ্গে নিয়ে মহাসড়কের গজারিয়া অংশের বাউশিয়া
পাখির মোড় এলাকায় আগে থেকেই ওত পেতে থাকেন। আটকে পড়া যাত্রীরা নতুন বাসে করে বিকেল
পৌনে পাঁচটার দিকে ওই এলাকায় পৌঁছালে আগের বাসের চালক বাসটি থামানোর সিগন্যাল দেন।
বাসটি থামামাত্রই তিনি সঙ্গীদের নিয়ে ভেতরে ঢুকে পড়েন এবং দুর্ঘটনায় বাধা দেওয়া যাত্রীদের
ওপর হামলা চালান। পরবর্তীতে যাত্রীরা ৯৯৯ নম্বরে কল দিলে গজারিয়া হাইওয়ে থানা পুলিশ
ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
ভুক্তভোগী
বাসযাত্রী সাফায়েত হোসেন বলেন, এক নজিরবিহীন ঘটনার সাক্ষী হলাম আমরা। মিয়ামি এয়ারকন
পরিবহনের একজন চালক গজারিয়ায় গাড়ি থামিয়ে আমাদের সহযাত্রীদের ওপর সশস্ত্র হামলা চালিয়েছেন।
হামলায় চার-পাঁচজন গুরুতর আহত হয়েছেন। আমি এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই এবং দোষীদের
দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।
গজারিয়া
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, এ ঘটনায় আহত চারজনকে হাসপাতালে নিয়ে
আসা হয়। তাদের মধ্যে তিনজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। সোহেল নামে একজনের
অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
এ
বিষয়ে গজারিয়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ কামাল আকন্দ বলেন, ঘটনাটি
অত্যন্ত দুঃখজনক। বিষয়টি আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানিয়েছি। খবর পাওয়া মাত্রই
আমরা ঘটনাস্থলে ছুটে যাই এবং আহতদের উদ্ধার করে গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে
পাঠাই। এ ঘটনায় জড়িতরা যাতে উপযুক্ত শাস্তি পায় সেজন্য ভুক্তভোগীদের থানায় লিখিত অভিযোগ
দিতে বলা হয়েছে। বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখছি।
মন্তব্য করুন


বিয়ের
আসরে বরকে সামনে থেকে দেখার পর তাকে বিয়ে
করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন এক কনে। তার
অভিযোগ, তাকে বিয়ের আগে যে যুবকের ছবি
দেখানো হয়েছিল, বিয়ের আসরে বর হিসেবে আসা
ব্যক্তি তিনি নন। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের পাঞ্জাবের ফিরোজপুর জেলায় গুর হর সাহাই এলাকায়।
ভারতীয়
সংবাদমাধ্যম দ্য ফ্রি প্রেস জার্নালের এক প্রতিবেদনে এ
তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদন
অনুযায়ী, রাজস্থানের ছাতারগড় থেকে বরযাত্রী ফিরোজপুরে এসেছিল। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা ও সাতফেরা শুরু
হওয়ার আগেই কনে আপত্তি জানান। পরিবারের সদস্যদের কাছে তিনি দাবি করেন, আগে যে ছেলের ছবি
দেখানো হয়েছিল, তার পরিবর্তে অন্য একজনকে বর হিসেবে আনা
হয়েছে।
কনের
অভিযোগের পর দুই পরিবারের
মধ্যে বিভ্রান্তি ও উত্তেজনা দেখা
দেয়। একপর্যায়ে বিয়ের অনুষ্ঠান স্থগিত হয়ে যায়।
তবে
কনের অভিযোগ অস্বীকার করেছে বরের পরিবার। তাদের দাবি, দুই পরিবারের সম্মতিতেই বিয়ের আয়োজন করা হয়েছিল। বিয়ের প্রস্তুতির সময় দুই পরিবারের মধ্যে নিয়মিত মোবাইল ফোনে যোগাযোগ ছিল এবং কনের পরিবারের কাছেও বরের ছবি পাঠানো হয়েছিল।
বরের
নানা মহেন্দ্র সিং বলেন, বিয়ের মধ্যস্থতাকারী এবং কনের মায়ের কাছেও বরের ছবি পাঠানো হয়েছিল।
ঘটনাটি
পরে পুলিশের কাছে গড়ায়। বরের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হলে পুলিশ বিষয়টি তদন্ত শুরু করে।
ফিরোজপুরের
গুরু হরসাহাইয়ের ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট অব পুলিশ (ডিএসপি)
তেজিন্দরপাল সিং জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর উভয় পক্ষের
পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হয়।
পুলিশের
তদন্তের মধ্যেই দুই পরিবার নিজেদের মধ্যে বিরোধ মীমাংসা করে নেয়। তবে পারিবারিকভাবে বিষয়টি মিটে গেলেও শেষ পর্যন্ত ওই বিয়ে আর
সম্পন্ন হয়নি।
মন্তব্য করুন


দিনাজপুরের
পার্বতীপুরে কালসোনা নদীতে গোসলের সময় শাপলা তুলতে গিয়ে ডুবে প্রাণ গেছে একই পরিবারের
৩ নারীর।
বৃহস্পতিবার
(২৫ জুন) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার হরিরামপুর ইউনিয়নের মধ্যপাড়া ভাদুড়ীর বাজারসংলগ্ন
এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত
তিনজন হলেন- ভাবি আকলিমা খাতুন (১৮), ননদ দুলালী খাতুন (২১) ও সুরভি খাতুন (১০)।
স্থানীয়রা
জানান, দুপুরের দিকে দুই ননদকে নিয়ে ভাদুড়িয়া গ্রামের কাছে কালসোনা নদীতে গোসল করতে
গিয়ে নিখোঁজ হন আকলিমা। এরপর সেখানে তাদেরকে খুঁজতে গিয়ে ঘাটের একটু দূরে ভাসমান তিনজনকে
দেখতে পেয়ে ৯৯৯ নাম্বারে সংবাদ দেন স্থানীয়রা। নিকটস্থ ফাঁড়ির পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে
তিনজনের লাশ উদ্ধার করে।
হরিরামপুর
ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মুজাহিদুল ইসলাম সোহাগ জানান, বিষয়টি মর্মান্তিক। মৃতদের কেউই
সাঁতার জানতেন না বলে জেনেছেন তিনি। একসঙ্গে তিনজনের মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া
নেমে এসেছে।
মধ্যপাড়া
পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উজ্জ্বল বলেন, আমরা ৯৯৯ নাম্বারের মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে
পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে তদন্ত কেন্দ্রে নিয়েছি। ইউডি মামলা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া চলছে।
মন্তব্য করুন


নোয়াখালীর
সুবর্ণচরে মাদকের টাকা না পেয়ে নিজের
বৃদ্ধ মাকে নির্যাতন, বসতঘরে ভাঙচুর ও প্রাণনাশের হুমকি
দেওয়ার অভিযোগে উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক আহ্বায়ক আবদুল্লা আল মামুন জাবেদকে
আটক করেছে পুলিশ।
আজ
শনিবার (২৫ জুলাই) ভোরে
উপজেলার হারিছ চৌধুরীর বাজারসংলগ্ন পাঞ্চায়েত বাড়ি এলাকা থেকে তাঁকে আটক করা হয়।
আটক
জাবেদ চরজুবিলী ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের
বাসিন্দা আবুল হোসেনের ছেলে। তিনি নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের উপজেলা সাবেক আহ্বায়ক এবং সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান।
পুলিশ
সুপারের কার্যালয়ে দেওয়া লিখিত অভিযোগে জাবেদের মা ছালেয়া খাতুন
(৬৮) দাবি করেন, তাঁর ছেলে দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত এবং মাদকের টাকা না পেলে তিনি
প্রায়ই তাঁকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন
করেন ও বাড়িতে ভাঙচুর
চালান।
অভিযোগে
বলা হয়, গত ২২ জুলাই
রাত ৮টার দিকে জাবেদ মাদকের টাকা দাবি করে মায়ের সঙ্গে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করেন
এবং একপর্যায়ে তাঁকে মারধর করে ঘরের বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাঙচুর করেন। এ সময় পরিবারের
সদস্যরা বাধা দিলে তাঁদেরও ভয়ভীতি দেখানো হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
লিখিত
অভিযোগে ছালেয়া খাতুন আরও বলেন, জাবেদ নিয়মিত মাদক সেবন করেন এবং মাদকের অর্থ জোগাড়ের জন্য পরিবারের সদস্যদের ওপর চাপ সৃষ্টি করেন। এতে তাঁর পরিবারের সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তিনি আরও অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে পিচ্ছি মাসুদ, সুমন ও দেলোয়ার নামে
কয়েকজন সহযোগীকে নিয়ে জাবেদ তাঁদের বাড়িকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন অবৈধ কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছেন এবং বাধা দিলে তাঁকে ও তাঁর স্বামীকে
মারধর এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।
অভিযোগ
অনুযায়ী, গত ২৭ মে
রাতে সংঘবদ্ধভাবে তাঁদের বসতবাড়িতে হামলা চালিয়ে দরজা-জানালাসহ বিভিন্ন মালামাল ভাঙচুর করা হয়, যাতে প্রায় আড়াই লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয় বলে দাবি করা হয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট
থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলেও কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় অভিযুক্তরা
আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী
বৃদ্ধা তাঁর লিখিত অভিযোগে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিতে পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
থানা
হাজতে আটক থাকায় অভিযোগের বিষয়ে আবদুল্লা আল মামুন জাবেদের
বক্তব্য জানা যায়নি।
এ
বিষয়ে চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল হাসান বলেন, লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত আবদুল্লা আল মামুন জাবেদকে
আটক করা হয়েছে এবং শনিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাঁকে জেল হাজতে পাঠানো হবে।
মন্তব্য করুন


নদীদূষণ
দুর্বিষহ পর্যায়ে পৌঁছেছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, এখনই কার্যকর পদক্ষেপ
না নিলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে আমাদের জবাবদিহি করতে হবে।
তিনি
আরও বলেন, নদী দূষণ রোধে কঠোর ও সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণে কোনো ধরনের অবহেলার সুযোগ নেই।
কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের পাশাপাশি এর কার্যকর বাস্তবায়নও নিশ্চিত করতে হবে।
আজ
বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত ‘বুড়িগঙ্গা নদীর পানি
ও পরিবেশ উন্নয়ন’ শীর্ষক বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রীর
উপপ্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন জানান, বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বুড়িগঙ্গাসহ রাজধানী ঢাকার
চারপাশের নদীগুলোর দূষণ রোধে দ্রুত একটি সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও তা বাস্তবায়নে
কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
এ
সময় বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, বালু, শীতলক্ষ্যা ও রাজধানীর পাশের অন্যান্য নদীর বর্তমান পরিবেশগত
অবস্থা, দূষণের উৎস, বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ এবং দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের উপায় নিয়ে বিস্তারিত
আলোচনা হয়।
বৈঠকে
নদীদূষণ রোধে শিল্প কারখানায় বর্জ্য শোধনাগার (ইটিপি) কার্যকরভাবে পরিচালনা নিশ্চিতকরণ,
খাল ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন, দূষণকারীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনার ওপর
গুরুত্বারোপ করা হয়।
মন্তব্য করুন


বৃহস্পতিবার (২১ মার্চ) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আন্তঃমন্ত্রণালয়ের সভা শেষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের ৩য় ধাপের পরীক্ষা আগামী ২৯ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে।
শেষ ধাপের পরীক্ষায় অংশ নিবেন ঢাকা ও চট্টগ্রাম (তিন পার্বত্য জেলা ব্যতীত) বিভাগের প্রার্থীরা । এ ধাপের মোট পরীক্ষার্থী ৩ লাখ ৪৯ হাজার ২৯৩ জন।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, তৃতীয় ধাপের নিয়োগ পরীক্ষাকে স্বচ্ছ ও সুশৃঙ্খল করার জন্য ২৫টি যন্ত্র সহ ৫টি টিম পরীক্ষার কেন্দ্র পাইলটিং করবে।
এ বছর প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা তিন ধাপে অনুষ্ঠিত হয়। রংপুর, বরিশাল, সিলেট বিভাগের প্রথম ধাপের নিয়োগ পরীক্ষা গত বছরের ৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে মোট পরীক্ষার্থী ছিলো ৩ লাখ ৬০ হাজার ৬২৭ জন। মৌখিক পরীক্ষার পর চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয় গত ২৭ ফেব্রুয়ারী।
রাজশাহী, খুলনা ও ময়মনসিংহ বিভাগের দ্বিতীয় ধাপের নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় গত ২ ফেব্রুয়ারী। পরীক্ষার্থী সংখ্যা ছিলো ৪ লাখ ৩৯ হাজার ৪৪৩ জন। এই ধাপের মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হলেও চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয়নি।
৩০ মের মধ্যে প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের ফল প্রকাশ হতে পারে।
মন্তব্য করুন


বিপিএলের
১৮ তম ম্যাচে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের বোলারদের সামনে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের ব্যাটাররা
যেন দাঁড়াতেই পারেনি। মাত্র ১৬.৩ ওভারেই গুটিয়ে গেছে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স দলটি।
অথচ টানা ৩ ম্যাচ জয়ের আত্মবিশ্বাস
নিয়ে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের বিপক্ষে খেলতে নেমেছিল চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। টস
জিতে চট্টগ্রামকে ব্যাট করতে পাঠিয়ে ছিল ইমরুল কায়েসের কুমিল্লা।
তানভীর
ইসলাম, আলিস ইসলাম ও মোস্তাফিজুর রহমানদের দাপটে ৭২ রানেই গুটিয়ে গেছেন চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স
দলটি। কুমিল্লার হয়ে দারুণ বোলিং করেন তানভির। ৪ উইকেটে নিয়েছেন তানভীর। আর আলিস নিয়েছেন ২ উইকেট।
মন্তব্য করুন