

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে মাইক্রোবাসের চাপায় তুহিন ইসলাম (৬) নামের এক মাদ্রাসাছাত্র নিহত হয়েছে। আজ বুধবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে ঘাটাইল-সাগরদিঘী আঞ্চলিক সড়কের মাকড়াই কুমারপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত তুহিন উপজেলার মাকড়াই কুমারপাড়া গ্রামের ভ্যানচালক শামীম মিয়ার ছেলে। সে স্থানীয় মাকড়াই মদিনাতুল উলুম মাদরাসার প্লে শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুরে তুহিন তার মায়ের হাত ধরে মাদরাসা থেকে বাড়ি ফিরছিল। বাড়ির কাছাকাছি পৌঁছালে হঠাৎ সে মায়ের হাত ছেড়ে দৌড় দেয়। এ সময় দ্রুতগতির একটি মাইক্রোবাস শিশুটিকে চাপা দিয়ে পালিয়ে যায়।
পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় তুহিনকে উদ্ধার করে ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘাটাইল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সজল খান বলেন, “দুর্ঘটনার খবর আমরা পেয়েছি। এখন পর্যন্ত নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার হোমনা উপজেলায় বজ্রপাতে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। রবিবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার ঘাগুটিয়া ইউনিয়নের ভবানীপুর ঘাট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে দুইজন নারী ও একজন পুরুষ রয়েছেন।
হোমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম বজ্রপাতে তিনজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ জানায়, দুপুরে এলাকায় ভারী বৃষ্টি শুরু হলে ভবানীপুর ঘাটে উজানচর-ঘাগুটিয়া খেয়া পারাপারের জন্য কয়েকজন অপেক্ষা করছিলেন। এ সময় আকস্মিক বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয়।
নিহতরা হলেন হোমনা উপজেলার নালা দক্ষিণ গ্রামের মৃত হাজি মতিউর রহমানের মেয়ে মমতাজ বেগম (৩৭) ও জাকিয়া (২৩) এবং অপরজন দুলালপুর ইউনিয়নের পাথালিয়াকান্দি গ্রামের পুরুষ।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করেছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানায় পুলিশ।
মন্তব্য করুন


পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় বিয়ের দাবিতে
৩৫ বছরের এক নারীর বাড়িতে অনশন করেছেন আবুল কাসেম মুন্সি (৭৫) নামে এক বৃদ্ধ।
গত শনিবার (১৬ আগস্ট) উপজেলার বড়মাছুয়া
ইউনিয়নের ঠুটাখালী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। তবে বিষয়টি টের পেয়ে ওই নারী আত্মগোপনে চলে যান।
জানা গেছে, আবুল কাসেম মুন্সি উপজেলার
বেতমোর রাজপাড়া ইউনিয়নের পশ্চিম মিঠাখালী গ্রামের মৃত আজাহার আলী মুন্সির ছেলে। স্ত্রী
মারা যাওয়ার পর তিনি পুনরায় বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন। প্রায় দুই মাস আগে ওই নারীর সঙ্গে
পরিচয় হলে বিয়ের প্রস্তাবে তিনি রাজি হন বলে দাবি বৃদ্ধের।
এ বিষয়ে বৃদ্ধ আবুল কাসেম মুন্সি বলেন,
বিয়ের কথা বলে ওই নারী আমার কাছ থেকে প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ হাজার টাকা নিয়েছে। কিন্তু কিছুদিন
ধরে হঠাৎ যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। এমনকি আমাকে ভুল ঠিকানাও দেয়। অনেক খোঁজাখুঁজির পর
তার আসল বাড়ি খুঁজে পেয়েছি। হয় আমার টাকা ফেরত দেবে, নয়তো আমাকে বিয়ে করবে। এই দাবিতেই
আমি অনশনে বসেছি।
এলাকাবাসী জানায়, ওই নারী আগেও একাধিক
পুরুষকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে টাকা আত্মসাৎ করেছেন। তিনি যেন আর কাউকে প্রতারিত করতে
না পারেন সেজন্য তার শাস্তি হওয়া উচিত।
এ বিষয়ে মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা
(ইউএনও) আবদুল কাইয়ূম বলেন, আমার কাছে এমন কোন অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ এলে এ বিষয়ে ব্যবস্থা
নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


সৌদি আরবে পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে। সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে নোয়াখালী, চাঁদপুর ও ফরিদপুরের বিভিন্ন গ্রামে আজ থেকে রোজা শুরু হয়েছে।রবিবার(১০ মার্চ) রাতে তারাবির নামাজ আদায়ের মধ্য দিয়ে রোজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু করেছেন এসব গ্রামের বাসিন্দারা।
চাঁদপুরের হাজীগঞ্জের সাদ্রা দরবার শরিফের পীরজাদা ড. বাকী বিল্লাহ মিশকাত চৌধুরী বলেছেন, আগাম রোজা ও দুই ঈদ পালনের প্রবর্তক মাওলানা ইসহাক (রহ.)। প্রথম চাঁদ দেখার ভিত্তিতে রোজা, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা উদযাপনের নিয়ম চালু করেন। সৌদি আরবে পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখার খবর পেয়েছি। আমরা নিজেরাও খোঁজখবর নিয়ে নিশ্চিত হয়েছি। তাই সোমবার থেকে রোজা রাখব আমরা।
হাজীগঞ্জের সাদ্রা দরবারের পীর মাওলানা আরিফ চৌধুরী বলেছেন, সর্বপ্রথম চাঁদ দেখার ভিত্তিতে রোজা রাখি এবং ঈদ উদযাপন করি। বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে চাঁদ দেখা গেলেই আমরা রোজা ও ঈদুল ফিতর পালন করছি। বর্তমানে চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর হয়ে বাংলাদেশসহ সারাবিশ্বে ঈদ উদযাপন করছে।
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ ও সদর উপজেলার ৪ গ্রামের ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রোজা রেখেছেন।
গতকাল রাতে ২ উপজেলার ৯টি মসজিদে একযোগে পবিত্র রমজান উপলক্ষ্যে তারাবির নামাজের দুটি জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গ্রামগুলো হলো- নোয়াখালী পৌরসভা লক্ষ্মীনারায়ণপুর এবং হরিণারায়নপুর গ্রাম, বেগমগঞ্জ উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের বসন্তবাগ ও ফাজিলপুর গ্রাম।
মসজিদগুলো হলো, বসন্তবাগ পোদ্দার বাড়ি জামে মসজিদ, বসন্তবাগ গ্রামের নগর বাড়ির দরজা জামে মসজিদ, বেগমগঞ্জ উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের বসন্ত বাগ গ্রামের সিনিয়র মাদ্রাসা জামে মসজিদ, বসন্তবাগ গ্রামের ভূঁইয়া বাড়ির দরজা জামে মসজিদ, পশ্চিম বসন্তবাগ গ্রামের মুন্সি বাড়ির দরজা জামে মসজিদ, ফাজিলপুর গ্রামের দায়রা বাড়ির জামে মসজিদ, বেগমগঞ্জের জিরতলী ইউনিয়নের ফাজিলপুর গ্রামের জামে মসজিদ ও নোয়াখালী পৌরসভা লক্ষীনারায়ণপুর গ্রামের দায়রা বাড়ি কাছারিঘর, হরিণারায়নপুর রশিদিয়া রহিমিয়া দরবার শরিফ।
নোয়াখালী পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ডের রশিদিয়া রহিমিয়া দরবার শরিফের মুসল্লি আবু তাহের বলেছেন, আমার দাদারা পালন করেছেন। সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে আমরা তারাবির নামাজ আদায় করলাম। এটাই আমাদের আনন্দ।
ফরিদপুরের বোয়ালমারী ও আলফাডাঙ্গা উপজেলার ১৩ গ্রামের ৩ সহস্রাধিক বাসিন্দা আজ থেকে রোজা শুরু করবেন। রবিবার তারা প্রথম তারাবির নামাজ আদায় করেন।
বোয়ালমারী উপজেলার শেখর ও রুপাপাত ইউনিয়নের কাটাগড়, রাখালতলী, বারাংকুলা, দড়ি সহস্রাইল, সহস্রাইল, মাইটকুমড়া, ভুলবাড়িয়া, এবং আলফাডাঙ্গা উপজেলার ইছাপাশা ও শুকুরহাটাসহ ১৩টি গ্রামের হাজারো মানুষ গতকালের তারাবি নামাজে অংশ নেন।
আলফাডাঙ্গা সরকারি ডিগ্রি কলেজের অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক বোয়ালমারীর কাটাগড় গ্রামের বাসিন্দা মাহিদুল হক। তিনিই মূলত এ সম্প্রদায়ের নেতৃত্ব দেন।
তিনি বলেছেন, আমাদের পূর্ব পুরুষ কলকাতার মির্জাখিল পীরের তরিকাপ্রাপ্ত চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ার হযরত ইয়াছিন আলী (রহ.) পীরের অনুসারী। যারা মির্জাখিল পীরের অনুসারী তারা সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রোজা রাখা, ঈদুল ফিতর এবং ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করেন। সেই হিসেবে সৌদি আরবে রোজা শুরু হওয়ায় আমাদের তেরো গ্রামেও রোজা শুরু হয়েছে।
মন্তব্য করুন


দৈনিক কুমিল্লার কাগজ সম্পাদক আবুল কাশেম হৃদয় বলেন, কুমিল্লার কালাকচুয়ায় মিয়ামি লেজার রিসোর্ট হোটেলের সামনে ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় মুফতি আব্দুল মমিন, তার স্ত্রী ঝর্না বেগম, ছেলে সাইফ, মেয়ে লাবিবা এবং গাড়িচালকের মৃত্যু গভীরভাবে নাড়া দিয়েছে সবাইকে। এ ধরনের দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে শুধুমাত্র চালক বা ভাগ্যের ওপর দোষ চাপিয়ে দায় এড়ানো যায় না। মিয়ামি লেজার রিসোর্ট হোটেলেরও দায় রয়েছে।হোটেলে প্রবেশ ও বের হওয়ার পথ সরাসরি মহাসড়কের সাথে যুক্ত এবং সেখানে বিপজ্জনক মোড়, দৃষ্টিসীমার সমস্যা বা নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঘাটতি রয়েছে ।
আবুল কাশেম হৃদয় বলেন, হোটেলটির সামনে মহাসড়কের অংশে একটি ঝুঁকিপূর্ণ মোড় রয়েছে। দ্রুতগতির যানবাহন এখানে প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হয়। হোটেল থেকে গাড়ি বের হওয়ার সময় দূরের যানবাহন স্পষ্ট দেখা যায় না, আবার ঢাকামুখী গাড়িগুলো লিঙ্ক রোড দিয়ে ঢোকার সময়ও তৈরি হয় বিপজ্জনক পরিস্থিতি।
তিনি আরও বলেন, ব্যবসা অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ, তবে মানুষের জীবনের নিরাপত্তার চেয়ে বড় কিছু নয়। তাদের উচিত প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। অবহেলা ও অব্যবস্থাপনা কতটা ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনতে পারে এই ঘটনা তার প্রমাণ।
মন্তব্য করুন


ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে ফসলি জমি ও সরকারী জমি থেকে মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রি করছে একটি সংঘবদ্ধ মাটি চোর চক্র।
এতে মাটিবাহী ট্রলি, ট্রাক ও ডাম্পারের দাপটে ভাঙছে রাস্তাঘাট।
এ মাটি চুরির হিড়িক চলছে দক্ষিন কেরানীগঞ্জের তেঘরিয়া ইউনিয়নের কুমলির চক মৌজায়। এতে করে বিনিস্ট হচ্ছে আশপাশের ফসলি জমি নস্ট হচ্ছে পরিবেশ।
প্রতিদিন মাটি চোর চক্রের সদস্যরা প্রায় অর্ধাশতাধিক সন্ত্রাসী পাহারায় একদল শ্রমীক দিয়ে ভেকরু সাহায্যে মাটি কেটে ট্রাকে ভরে নিয়ে যায়। এই ট্রাকের মাটি যাচ্ছে আশপাশের যত ইট ভাটায়। প্রতি ট্রাকের মাটি সাড়ে তিন থেকে চার হাজার টাকায় বিক্রি করছেন বলে জানা গেছে। প্রতিদিন মাটি চোরেরা কমপক্ষে তিন শতাধিক মাহেন্দ্রা ট্রাক দিয়ে মাটি চুরি করে বিক্রি করে। কাক ডাকা ভোর থেকে শুরু হয় এ মাটি কাটার লুট পাট চলে সন্ধ্যা পর্যন্ত। কেউ বাধা প্রদান করলে তার উপর চলে নির্যাতন, হতে হয় বাড়িঘর ছাড়া। আর এসব মাটি চোর চক্রকে সাহায্য করেন স্থানীয় দলীয় নেতারা।
দক্ষিন কেরানীগঞ্জের তেঘরিয়া ইউনিয়নের কুমলিরচক মৌজার সরকারী জমিসহ আশেপাশের ফসলি জমির মাটি অবৈধভাবে চুরিকরে কেটে নিয়ে যাওয়ার খবরে ঢাকা জেলা প্রশাসক নির্দেশে কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নেতৃত্বে ওই এলাকায় সোমবার সকাল ১১টায় অভিযান পরিচালনা করা হয় । অভিযানে কুমলিরচক মৌজার সরকারী জমিসহ আশেপাশের ফসলি জমির মাটি অবৈধভাবে চুরিকরে কেটে নিয়ে যাওয়ার সময় তিনটি মাহেন্দ্রা ট্রাক ও একটি সেলো মেশিন জব্দ করেন।
এ সময় ভ্রম্যমাণ আদালত মাটি চুরি করার সহযোগিতা করার কারনে মোঃ মোতাহার (৫৫) ,মোঃ শামীম (১৯) ও আতিক (২৭) নামের তিনজনকে হাতেনাথে আটক করা হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে বালু মহল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০ এর ০৪ ধারা অপরাধ লঙ্গন করায় প্রত্যেককে ১৫ ধারায় ৩০ দিনের বিনা শ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন ভ্রম্যমান আদালত।
ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট আবু রিয়াদ । এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন কেরানীগঞ্জ সার্কেল দক্ষিন সহকারী কমিশনার ভূমি নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মনিজা খাতুন, উপজেলা কর্মকর্তা মোঃ শেরিফ হোসেন খান, মোঃ খোরশেদ আলম ও দক্ষিন কেরানীগঞ্জ থানা পুলিশ। ভ্রম্যমান আদালত শেষে পুলিশের সহযোগিতায় জব্দ করা মাহেন্দ্রা ট্রাক ও সেলো মেশিন থানা হেফাজতে নিয়েছেন এবং সাজা প্রাপ্ত তিনজনকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার কেরানীগঞ্জে হস্তান্তর করেছেন।
ভ্রম্যমান আদালত পরিচালনাকারী নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট আবু রিয়াদ বলেন, বেশ কিছুদিন যাবৎ গোপন সংবাদের ভিত্তিত্বে জানতে পারি যে তেঘরিয়া ইউনিয়নের কুমলিরচক মৌজায় একদল মাটি চোর চক্র দিনে ও রাতে মাটি চুরি করে বিক্রি করে আসছে। এ সংবাদের ভিত্তিত্বে আমি ঢাকা জেলা প্রশাসক স্যারের সাথে এ বিষয় নিয়ে আলাপ করে আজ সকালে উক্ত কুমলিরচক মৌজায় অভিযান পরিচালনা করি। অভিযান পরিচালনা করার সময় মাটি চুরি করে কাটার সহযোগিতা করার সাথে সরাসরি জড়িত থাকার অপরাধে তিনজনকে হাতে নাতে আটক করি। পরে সেখানে ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে প্রত্যেককে ৩০ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করি। আমাদের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর অভিযানে ১৪.৫ কেজি গাঁজাসহ একজন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার।
আজ মঙ্গলবার সকালে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন গাজীপুর এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে রিমন (৩১) নামক একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে ১৪.৫ কেজি গাঁজা ও মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি সিএনজি উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী রিমন (৩১) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার দৌলতপুর গ্রামের আনোয়ার হোসেন এর ছেলে।
র্যাব জানান, সে দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার লাকসাম উপজেলায় বৃহস্পতিবার (২৩ মে) সকালে আলাদা ঘটনায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুজনের মৃত্যু হয়েছে।
উপজেলার কান্দিরপাড় ইউনিয়নের ইরুয়াইন এবং পৌরসভার রাজঘাট এলাকায় ঘটনা দুটি ঘটে।
দুজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন লাকসাম
থানার ওসি মোহাম্মদ শাহাব উদ্দিন খান।
লাকসাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহাব উদ্দিন খান জানান, সকালে ইরুয়াইনের নাগরাপাড়া ব্রিজ সংলগ্ন নিজের মুদি দোকানের পেছনে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মারা যান সামসুর রহমান (৩৫) নামের ব্যবসায়ী। তিনি প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার সকাল পৌনে ৯টার দিকে অটোরিকশার ব্যাটারি চার্জ দিয়ে সংযোগ খোলার সময় সামসুর রহমান বিদ্যুতায়িত হন। পরে স্থানীয় লোকজন লাকসাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সামছুর রহমান কান্দিরপাড় ইউনিয়নের ছনগাঁও পশ্চিমপাড়ার প্রয়াত মফিজুর রহমানের ছেলে।
ওসি শাহাব উদ্দিন আরও জানান, সকালে ঘরের পাশে থাকা
বৈদ্যুতিক মোটরে হাত দিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয় রাজঘাটের মোহাম্মদ মাহি (৩)। বেশ
কিছুক্ষণ পর তার বড় বোন সায়মা (৭) এসে স্পর্শ করলে সেও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়। পরে
সায়মার চিৎকারে ঘরের লোকজন ছুটে এসে মাহিকে স্থানীয় স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে নিয়ে
গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত বলে জানান। মাহি রাজঘাট উত্তরপাড়ার ছাত্তার ভান্ডারীর
বাড়ির সাইফুল ইসলামের ছেলে।
মন্তব্য করুন


বোয়ালমারী (ফরিদপুর) প্রতিনিধি:
ফরিদপুরের বোয়ালমারী পৌরসদরের আঁধারকোঠা মহল্লায় অবস্থিত
একটি অনুমোদনহীন শিশু খাদ্যের কারখানায় অভিযান চালিয়ে কারখানাটি বন্ধ করে দিয়েছে
ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় কারখানার মালিক জাহিদ বিশ্বাসকে (৬০) পঞ্চাশ হাজার টাকা
জরিমানা করা হয়েছে। পরে জব্দকৃত বিপুল পরিমাণ অস্বাস্থ্যকর শিশু খাদ্য সহকারী
কমিশনারের (ভূমি) কার্যালয় প্রাঙ্গণে নিয়ে বিনষ্ট করা হয়।
শুক্রবার (৯ মে) সন্ধ্যায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী
ম্যাজিস্ট্রেট গোলাম রাব্বানী সোহেল ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন। ভোক্তা
অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৪৫ ধারায় এ জরিমানা করা হয়। আদালত সুত্রে জানা যায়,
আঁধারকোঠা মহল্লার একটি বাড়িতে জাহিদুল ইসলাম (৬০) কারখানা
বসিয়ে অস্বাস্থ্যকর শিশু খাদ্য উৎপাদন করছিলেন। বিএসটিআইয়ের অনুমোদন ছাড়া ঢাকার
ঠিকানা ব্যবহার করে আব্দুল্লাহ ফুড নাম দিয়ে অস্বাস্থ্যকর এবং নিম্নমানের নকল শিশু
খাদ্য জুস, আইস
ললি,
তেঁতুলের চাটনিসহ নানারকম শিশু খাদ্য উৎপাদন করছিলো।
গোপন সূত্রে খবর পেয়ে শুক্রবার সন্ধ্যায় ভ্রাম্যমাণ আদালত
পরিচালনা করা হয়। পরে ওই সব অনুমোদনহীন অস্বাস্থ্যকর পণ্য উদ্ধার করে বিনষ্ট করা
হয়।
এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) গোলাম রাব্বানী সোহেল বলেন,
স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর এ সকল পণ্য। এরকম নকল
পণ্য উৎপাদনের জন্য কারখানা মালিককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। পরে ওই সব
অনুমোদনহীন অস্বাস্থ্যকর পণ্য ধ্বংস এবং কারখানাটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুড়িগ্রামে দুর্বার তারুণ্য বাংলাদেশের আয়োজনে সকল বয়সের নারী পুরুষদের নিয়ে কুড়িগ্রামে দিনব্যপী ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ খেলাধুলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। দিনব্যপী ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ খেলা দেখতে উৎসুক জনতার ভিড় করছে।
আজ সকালে কুড়িগ্রাম সদরের বেলগাছা ইউনিয়নে কালে ডাক্তার পাড়া গ্রামে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।পরে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শেষে খেলায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
সকাল থেকেই বেশ কৌতূহল নিয়ে ডাক্তারপাড়া গ্রামে ভিড় জমায় উৎসুক জনতা। শিশু-কিশোর থেকে বৃদ্ধ বয়সী মানুষদের আগমনে মিলন মেলায় পরিণত হয় অনুষ্ঠানটি। এসব খেলা দেখতে এলাকার সব বয়সী মানুষের অংশ গ্রহণে সৃষ্টি হয় এক আনন্দঘন পরিবেশ। কিছুক্ষণের জন্য অনেকে যেন নিজের বয়স ভুলে ফিরে যান অতীতে কিংবা শৈশবে।
গ্রামীণ খেলাধুলার মধ্যে ছিল বিস্কুট দৌড়, হাড়িভাঙ্গা, বালিশ খেলা, সুঁই সুতা, সাঁতার, চোখ বেঁধে হাঁস ধরা, তৈলাক্ত কলা গাছ বেয়ে চড়া, পানিতে বলিশ খেলা ও যেমন খুশি তেমন সাজ। সকল বয়সের শতাধিক নারী পুরুষ ৯টি খেলায় অংশগ্রহণ করেন। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে বিজয়ী ৩০জনকে পুরস্কৃত করা হয়।
অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উত্তরবঙ্গ জাদুঘরের প্রতিষ্ঠাতা ও পিপি এস এম আব্রাহাম লিংকন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রুহুল আমিন, জেলা আওয়ামী লীগ সহসভাপতি সাঈদ হাসান লোবান, কুড়িগ্রাম সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মাসুদুর রহমান মাসুদ, কুড়িগ্রাম মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক তরুণ কুমার রায়, বেলগাছা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ লিটন মিয়া, কুড়িগ্রাম প্রেসক্লাবের যুগ্ন সম্পাদক মাহফুজার রহমান খন্দকার, ক্রীড়া সম্পাদক হুমায়ুন কবীর সূর্য, দৈনিক মানবজমিন ও করতোয়ার সাংবাদিক মিজানুর রহমান মিন্টু, উলিপুর ডট কমের সিনিয়র রিপোর্টার অমিত চন্দ্র পাল প্রমুখ।
খেলা দেখতে আসা মোঃ আব্দুল হাই বলেন, এসব খেলা দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে। প্রায় ১০-১৫ বছর পর গ্রামের অতীত খেলা দেখে খুবই আনন্দ পেলাম।
শিক্ষার্থী মোঃ নুর মামুন বলেন, টিভিতে মাঝে মধ্যে এসব খেলা দেখি।আজ স্বচোখে দেখে খুব মজা করছি। আগে গ্রাম গঞ্জে বিজয় দিবস, স্বাধীনতা দিবসে বৈশাখী মেলায় গ্রামে গ্রামে এসব খেলা হতো।এখন এগুলো প্রায় হারিয়ে যাচ্ছে। আমাদের ও নতুন প্রজন্মদের জন্য এসব খেলা অবহ্যত রাখা উচিৎ।
দুর্বার তারুণ্য বাংলাদেশের সভাপতি রেজওয়ানুল হক নুরনবী বলেন, গ্রামীন ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলা সম্পর্কে নতুন প্রজন্মকে জানাতে এ খেলার আয়োজন করা হয়েছে।
সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট আহবায়ক শ্যামল ভৌমিক বলেন, কালের বিবর্তনে গ্রামীণ খেলাধুলা হারিয়ে যাচ্ছে। আধুনিক যুগে মোবাইল ইন্টারনেটের কারনে এসব খেলা থেকে মানুষজন মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। সরকার ও সচেতন মহলের উচিৎ গ্রামীণ খেলাধুলাকে বাচিয়ে রাখতে সু দৃষ্টি রাখা।
মন্তব্য করুন


ফাতেমাতুজ জোহরা তন্বী, প্রতিবেদক:
নিটোল
পায়ে রিনিক ঝিনিক,পায়েলখানি বাজে
মাদল
বাজে সেই সংকেতে
শ্যামা
মেয়ে নাচে...
এস
ডি বর্মণের কণ্ঠে সেই প্রখ্যাত গান। বলছিলাম উপমহাদেশের সংগীতের রাজপুত্র কুমার শচীন
দেববর্মণের কথা।
শচীন
দেববর্মণ (১ অক্টোবর, ১৯০৬-৩১ অক্টোবর, ১৯৭৫) বিংশ শতাব্দীতে ভারতীয় বাংলা ও হিন্দী
গানের কিংবদন্তীতুল্য ও জনপ্রিয় সঙ্গীত পরিচালক, সুরকার, গায়ক ও লোকসঙ্গীত। আগরতলার বাসিন্দা হলেও শচীন দেবের শৈশব কেটেছে কুমিল্লায়
এবং শেষ জীবন মুম্বাইতে। তাঁর সহধর্মিণী মীরা দেবী এবং একমাত্র পুত্র রাহুল দেববর্মনও
মুম্বাই চিত্রজগতের প্রতিষ্ঠিত কণ্ঠশিল্পী।প্রায়শ তাঁকে এস ডি বর্মণ হিসেবেই উল্লেখ
করা হয়। কিছুটা অনুনাসিক কণ্ঠস্বরের জন্য তিনি তার শ্রোতাদের কাছে বিশেষভাবে পরিচিত।
প্রায় একশো বছর পার করেও বাংলা গানের শ্রোতাদের কাছে তার কালোত্তীর্ণ গানের আবেদন
কিছুমাত্র লঘু হয়নি। কেবল সঙ্গীতশিল্পী হিসাবে নয়, গীতিকার হিসাবেও তিনি সার্থক।
তিনি বিভিন্ন চলচ্চিত্রে সঙ্গীত পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর পুত্র রাহুল
দেববর্মণ ভারতের বিখ্যাত সঙ্গীত পরিচালক, সুরকার ও গায়ক ছিলেন। তাঁর ছাত্রী এবং পরবর্তীতে
সহধর্মিনী মীরা দেববর্মণ গীতিকার হিসাবে খ্যাতি অর্জন করেন। তিনি রবি গুহ মজুমদার এর
অনেক গানে সুর দিয়েছেন এবং তা শিল্পে রূপান্তরিত করেছেন। তিনি ২ বার (১৯৫৫ ও ১৯৭৪)
সঙ্গীত পরিচালক হিসেবে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার এবং ১৯৭০ সালে শ্রেষ্ঠ নেপথ্য গায়ক হিসেবে
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (ভারত) লাভ করেন।
শচীন
দেব বর্মণ তার যুগের তুলনায় অনেকাংশে আধুনিক ছিলেন। তার অনেক গানই আজকাল রিমিক্স হচ্ছে
এবং জনপ্রিয়তাও পাচ্ছে। কিন্তু বর্তমান প্রজন্মের অনেকেই জানছেন না, গান গুলোর আসল
সুরকার এবং গায়ক শচীন দেববর্মণ। শচীন দেব অনেক বাংলা গানে সুর দিয়েছেন। ১৯৩৪ সালে
নিখিল ভারত সঙ্গীত সম্মিলনে গান গেয়ে তিনি স্বর্ণপদক লাভ করেন। ১৯৩৭ সাল থেকে পরপর
কয়েকটি বাংলা ছায়াছবিতে তিনি সঙ্গীত পরিচালনা করেন। এক্ষেত্রে কয়েকটি উল্লেখযোগ্য
ছায়াছবি হলো: রাজগী, ছদ্মবেশী, জীবন-সঙ্গিনী, মাটির ঘর ইত্যাদি। তার বিখ্যাত কিছু
গান যেমন-
শোনো
গো দখিন হাওয়া
হৃদয়ে
দিয়েছো দোলা
কে
যাসরে
ঝিল
মিল ঝিল মিল
তুমি
আর নেই সেই তুমি
রজ্গীলা
তুমি
এসেছিলে পরশু ইত্যাদি।
প্রতি
বছর দু-তিন দিন জুড়েই পালিত হয় 'শচীন মেলা'। স্নিগ্ধতা এবং ঐতিহাসিক স্থাপনা ব্যাখ্যা
দেয় সোনালী অতীতের। শচীন দেববর্মণের মতো মানুষরা অমর প্রজন্মের পর প্রজন্মে।
বাংলা ও হিন্দি গানের কিংবদন্তি সুরকার শচীন দেববর্মণ এর জন্মভিটা কুমিল্লার দক্ষিণ চর্থায়। একসময় রাজবাড়ি হলেও এখন সেটি ইতিহাসের কান্না বয়ে চলা এক পরিত্যক্ত ভবন।
সরকারি উদ্যোগে ‘সংস্কৃতি কমপ্লেক্স’ গড়ে তোলার কথা বলা হলেও বাস্তবে বাড়িটি পড়ে আছে অযত্নে-অবহেলায়।
আমরা কি তবে শচীন কর্তার সুরের স্মৃতি হারাতে বসেছি?
মন্তব্য করুন