শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যা: এক সপ্তাহের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে আইনমন্ত্রীর নির্দেশ

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যা: এক সপ্তাহের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে আইনমন্ত্রীর নির্দেশ
সংগৃহীত ছবি

রাজধানীর পল্লবীতে মঙ্গলবার (১৯ মে) সাত বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনারকে এক সপ্তাহের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) আইন মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এ বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, আইনমন্ত্রী বলেন, দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই হত্যাকাণ্ডের বিচারকাজ সম্পন্ন করতে যথাযথ উদ্যোগ নেওয়া হবে।

আরও পড়ুনবড় বোনের পিছে পিছে বের হওয়াই কাল হলো রামিসারধর্ষণের পর হত্যা করা হয় শিশু রামিসাকে, মরদেহ লুকাতেই মাথা বিচ্ছিন্ন

শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ডে জড়িত আসামি গ্রেফতার ও ঘটনার রহস্য উদঘাটন প্রসঙ্গে মঙ্গলবার (১৯ মে) রাতে পল্লবী থানায় সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সেখানে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) এস এন নজরুল ইসলাম।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, পাশের ফ্ল্যাটের বাথরুমে শিশু রামিসাকে ধর্ষণ করা হয়ে থাকতে পারে। যার আলামত সংগ্রহ করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে মরদেহ লুকাতে মাথা কেটে ফেলা হয়। এছাড়াও শরীরের অন্য অংশগুলোও টুকরা করার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু ঘটনা জানাজানি হয়ে যাওয়ার কারণে সেটি সম্ভব হয়নি।

নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের মাত্র ৭ ঘণ্টার মধ্যে প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানাকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে এবং তার সহযোগী স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মিরপুর ১১ নম্বর সেকশনের বি ব্লকের ৭ নম্বর লেনের বাসা থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের দায়ে ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড

কারাগারে সংঘর্ষে নিহত ২৫, আহত শতাধিক

স্টুডেন্ট অ্যাকাউন্টের তথ্য নিয়ে ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত, ব্যাংক কর্মকর্তাকে বদলি

চট্টগ্রামে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে মাইকিং

কুমিল্লায় ইংরেজি ১ম পত্রের পরীক্ষায় অনুপস্থিত ২৩৩৬, বহিষ্কার ৮

কুমিল্লায় ফুটপাতে হকার বসিয়ে ভাড়া, ৮ প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স স্থগিত

ব্রাজিল হারায় নিজেকে শেষ করলেন এক সমর্থক

ব্রাজিলের খেলা শেষে অসুস্থ দুই সমর্থক, হাসপাতালে ভর্তি

বসতঘরের ওপর উল্টে পড়ল পাথরবোঝাই ট্রাক, ঘুমন্ত স্কুলছাত্রী নিহত

দেশের ৪ বিভাগের জন্য আবহাওয়া অধিদপ্তরের সতর্কবার্তা

১০

মায়ের ধর্ষককে গলা কেটে হত্যা করল ৪ ভাই

১১

৫ বছরের শিশু আসমা ধর্ষণ-হত্যায় একজনের মৃত্যুদণ্ড

১২

নিরাপত্তা কৌশলে সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে না রাখতে পিজিআরের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

১৩

কুমিল্লায় ধর্ষণ মামলার আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

১৪

রাতের মধ্যে ১৮ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস

১৫

১৬ জুলাই ‘শহীদ দিবস’ পালনের সিদ্ধান্ত

১৬

রাকিব হত্যার দুই আসামি গ্রেপ্তার

১৭

তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে ফুফাতো ভাই গ্রেপ্তার

১৮

ব্রাজিল-নরওয়ে ম্যাচ জিতবে কে, জানাল ‘জ্যোতিষী’ বিড়াল

১৯

ব্রাজিলের জয়ে থ্রি-পিস পরে নাচলেন বিএনপি নেতা, দল থেকে বহিষ্কার

২০

উপজেলা নির্বাচন : ২০ এপ্রিলের পর ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ

উপজেলা নির্বাচন : ২০ এপ্রিলের পর ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ
সংগৃহীত

বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন সচিবালয় থেকে নিশ্চিত করে বলা হয়েছে, ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করবেন, এমন কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম আগামী ২০ এপ্রিলের পর শুরু হবে। এতে প্রথম ধাপে ১৫২টি উপজেলার মাঠ পর্যায়ে বিপুল সংখ্যক কর্মকর্তারা অংশ নেবেন।

কমিশনের জনসংযোগ শাখার পরিচালক মো. শরিফুল আলম জানান, সচিবালয়ের নিজস্ব কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত রিটার্নিং অফিসার, সহকারী রিটার্নিং অফিসার, প্রিজাইডিং অফিসার ও সহকারী প্রিজাইডিং অফিসারসহ সব নির্বাচন সংশ্লিষ্ট এবং ভোটার তালিকা হালনাগাদকরণ সংক্রান্ত বিধি-বিধানের উপর নির্বাচনি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (ইটিআই) প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে। এর আওতায় আগামী ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে ১ম ও ২য় শ্রেণির কর্মকর্তাদের জন্য ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন ব্যবহার সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ এবং ২য় পর্যায়ের তফসিলে রিটার্নিং ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের নির্বাচন ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

এছাড়া বর্তমানে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ডি নথিবিষয়ক প্রশিক্ষণ চালু রয়েছে। 

আবার ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষে নতুন করে যোগ দেওয়া এবং সদ্য পদোন্নতি পাওয়া ১ম ও ২য় শ্রেণির কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণও চলমান রয়েছে। এছাড়া প্রশিক্ষণ বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী— সাইবার সিকিউরিটি প্রশিক্ষণসহ অন্যান্য নিয়মিত প্রশিক্ষণ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানান তিনি।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের দায়ে ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড

কারাগারে সংঘর্ষে নিহত ২৫, আহত শতাধিক

স্টুডেন্ট অ্যাকাউন্টের তথ্য নিয়ে ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত, ব্যাংক কর্মকর্তাকে বদলি

চট্টগ্রামে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে মাইকিং

কুমিল্লায় ইংরেজি ১ম পত্রের পরীক্ষায় অনুপস্থিত ২৩৩৬, বহিষ্কার ৮

কুমিল্লায় ফুটপাতে হকার বসিয়ে ভাড়া, ৮ প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স স্থগিত

ব্রাজিল হারায় নিজেকে শেষ করলেন এক সমর্থক

ব্রাজিলের খেলা শেষে অসুস্থ দুই সমর্থক, হাসপাতালে ভর্তি

বসতঘরের ওপর উল্টে পড়ল পাথরবোঝাই ট্রাক, ঘুমন্ত স্কুলছাত্রী নিহত

দেশের ৪ বিভাগের জন্য আবহাওয়া অধিদপ্তরের সতর্কবার্তা

১০

মায়ের ধর্ষককে গলা কেটে হত্যা করল ৪ ভাই

১১

৫ বছরের শিশু আসমা ধর্ষণ-হত্যায় একজনের মৃত্যুদণ্ড

১২

নিরাপত্তা কৌশলে সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে না রাখতে পিজিআরের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

১৩

কুমিল্লায় ধর্ষণ মামলার আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

১৪

রাতের মধ্যে ১৮ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস

১৫

১৬ জুলাই ‘শহীদ দিবস’ পালনের সিদ্ধান্ত

১৬

রাকিব হত্যার দুই আসামি গ্রেপ্তার

১৭

তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে ফুফাতো ভাই গ্রেপ্তার

১৮

ব্রাজিল-নরওয়ে ম্যাচ জিতবে কে, জানাল ‘জ্যোতিষী’ বিড়াল

১৯

ব্রাজিলের জয়ে থ্রি-পিস পরে নাচলেন বিএনপি নেতা, দল থেকে বহিষ্কার

২০

আমি দোষ করেছি আমার একটা ছাওয়াল আছে আমাকে ক্ষমা করে দেন স্যার : আদালতে রামিসা হত্যার প্রধান আসামি সোহেল রানা

আমি দোষ করেছি আমার একটা ছাওয়াল আছে আমাকে ক্ষমা করে দেন স্যার : আদালতে রামিসা হত্যার প্রধান আসামি সোহেল রানা
সংগৃহীত ছবি

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধষর্ণের পর গলাকেটে হত্যা মামলার আত্মপক্ষ সমর্থনে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন স্বপ্না আক্তার। তবে বিচারকের প্রশ্নের জবাবে সোহেল রানা বলেছেন, আমাকে মাফ করে দেন।

বুধবার (৩ জুন) ঢাকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ পড়ে শোনান। তখন তারা ন্যায় বিচার চেয়ে প্রার্থনা করেন।

এদিন, কারাগার থেকে দুই আসামিকে আদালতে উপস্থিত করা হয়। এরপর সকাল ১১ টা ১০ মিনিটে বিচারক এজলাসে উঠেন। ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারায় বিচারক তাদের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ ও ১৬ জনের সাক্ষ্য তাদের পড়ে শুনানো হয়।

এসময় বিচারক তাদের প্রশ্ন করেন- আপনারা দোষী না নির্দোষ। উত্তরে স্বপ্না নিজেদের নির্দোষ দাবি করে বলেন, আমি কিছু করি নাই, আমি নির্দোষ।

তবে সোহেল রানা বলেন, স্যার আমি নির্দোষ। খালাস চাই। আমাকে মাফ করে দেন। আমার সাথে ডলার ছিল। সেটা কেউ দেখে নাই। তাকে ধরেন, স্যার (বিচারক)। সেও তো দোষী। এরপর আদালত যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য আগামীকাল বৃহস্পতিবার দিন নির্ধারণ করেন।

গত ১ জুন পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যা মামলায় বাদী আবদুল হান্নান মোল্লাসহ ১৭ জন সাক্ষীকে আদালতে হাজির হতে সমন জারি করেন ট্রাইব্যুনাল। পরদিন ১৬ জনের সাক্ষ্য নিয়ে করে সাক্ষ্য গ্রহণ সমাপ্ত ঘোষণা করেন ট্রাইব্যুনাল।

গত ২৪ মো আসামি সোহেল রানা এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার এসআই অহিদুজ্জামান। এরপর চার্জশিটটি আমলে গ্রহণ করে বিচারের জন্য ঢাকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। একইদিন ঢাকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন অভিযোগ পত্র আমলে নিয়ে নিয়ে অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য ১ জুন দিন ধার্য করেন।

মামলার অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী শিশু রামিসা আক্তার পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিলেন। গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘর থেকে বের হলে আসামি স্বপ্না আক্তার তাকে কৌশলে তার ফ্ল্যাটের রুমের ভেতরে নিয়ে যায়। ওইদিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে যাওয়ার জন্য খোঁজাখুঁজি করতে থাকলে একপর্যায়ে আসামির রুমের সামনে তার জুতা দেখতে পান।

ডাকাডাকির পর কোনো সাড়া-শব্দ না পেয়ে রামিসার বাবা-মা ও অন্যান্য ফ্ল্যাটের লোকজন দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে আসামির শয়নকক্ষের মেঝেতে রামিসা আক্তারের মস্তকবিহীন মরদেহ এবং মাথা রুমের ভেতরে একটি বড় বালতির মধ্যে দেখতে পান। আসামি স্বপ্না আক্তারকে সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় দেখতে পেয়ে তাকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি জানান, তার স্বামী আসামি মো. সোহেল রানা (৩০) হীন কামনা চরিতার্থ করার জন্য রামিসাকে বাথরুমের ভেতরে আটকে রেখে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে গলা কেটে হত্যা করেছে।

এ ঘটনায় ১৯ মে শিশুটির বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা দুইজনকে আসামি করে পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার দায়েরের প্রথমে স্বপ্না আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে সোহেল রানাকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরদিন ২০ মে প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা আদালতে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। একইদিন আসামি সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কারাগারে পাঠানো হয়।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের দায়ে ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড

কারাগারে সংঘর্ষে নিহত ২৫, আহত শতাধিক

স্টুডেন্ট অ্যাকাউন্টের তথ্য নিয়ে ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত, ব্যাংক কর্মকর্তাকে বদলি

চট্টগ্রামে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে মাইকিং

কুমিল্লায় ইংরেজি ১ম পত্রের পরীক্ষায় অনুপস্থিত ২৩৩৬, বহিষ্কার ৮

কুমিল্লায় ফুটপাতে হকার বসিয়ে ভাড়া, ৮ প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স স্থগিত

ব্রাজিল হারায় নিজেকে শেষ করলেন এক সমর্থক

ব্রাজিলের খেলা শেষে অসুস্থ দুই সমর্থক, হাসপাতালে ভর্তি

বসতঘরের ওপর উল্টে পড়ল পাথরবোঝাই ট্রাক, ঘুমন্ত স্কুলছাত্রী নিহত

দেশের ৪ বিভাগের জন্য আবহাওয়া অধিদপ্তরের সতর্কবার্তা

১০

মায়ের ধর্ষককে গলা কেটে হত্যা করল ৪ ভাই

১১

৫ বছরের শিশু আসমা ধর্ষণ-হত্যায় একজনের মৃত্যুদণ্ড

১২

নিরাপত্তা কৌশলে সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে না রাখতে পিজিআরের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

১৩

কুমিল্লায় ধর্ষণ মামলার আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

১৪

রাতের মধ্যে ১৮ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস

১৫

১৬ জুলাই ‘শহীদ দিবস’ পালনের সিদ্ধান্ত

১৬

রাকিব হত্যার দুই আসামি গ্রেপ্তার

১৭

তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে ফুফাতো ভাই গ্রেপ্তার

১৮

ব্রাজিল-নরওয়ে ম্যাচ জিতবে কে, জানাল ‘জ্যোতিষী’ বিড়াল

১৯

ব্রাজিলের জয়ে থ্রি-পিস পরে নাচলেন বিএনপি নেতা, দল থেকে বহিষ্কার

২০

রাষ্ট্র সংস্কারে জামায়াতের ১০ প্রস্তাব

রাষ্ট্র সংস্কারে জামায়াতের ১০ প্রস্তাব
সংগৃহীত

জামায়াতে ইসলামী রাষ্ট্র সংস্কারে দলের প্রস্তাব প্রকাশ করেছেন। দলটি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার মধ্যে ভারসাম্য রাখা, পুলিশের জন্য স্বাধীন কমিশন গড়ে তোলাসহ বিভিন্ন প্রস্তাব দিয়েছে। এ সময় রাষ্ট্র সংস্কারে সেক্টর অনুযায়ী আলাদা আলাদা ১০টি প্রস্তাবনা তুলে ধরেছে দলটি।

বুধবার (৯ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর গুলশানে হোটেল ওয়েস্টিনে আয়োজিত 'রাষ্ট্র সংস্কার প্রস্তাবনা' শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে এ প্রস্তাব তুলে ধরেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও সাবেক সংসদ সদস্য ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের।


এর আগে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন, জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। এ সময় গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অবদানের কথা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন তিনি। নিহত এবং আহতদের জন্য দোয়া কামনা করেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সম্পাদক মতিউর রহমান আকন্দ।

জামায়াতে ইসলামী জানিয়েছে, এই ১০ প্রস্তাব শুধুমাত্র অন্তর্বর্তী সরকারের জন্য। নির্বাচিত কোনো সরকারের জন্য নয়।


এই সরকারের কাছে তাদের মোট ৪১টি প্রস্তাব আছে, যার মধ্যে ১০টি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব গণমাধ্যমে তুলে ধরা হয়।

জামায়াতের সংস্কারের প্রস্তাবগুলো হলো--

১. আইন ও বিচার

● উচ্চ আদালতে বিচারপতি নিয়োগের জন্য সুষ্ঠু ও সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে।

● বিচার বিভাগ থেকে দ্বৈত শাসন দূর করতে হবে।

● বিচার বিভাগ নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথকীকরণের কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।

● আইন মন্ত্রণালয় থেকে আলাদা করে সুপ্রিম কোর্টের অধীনে পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

● ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার স্বার্থে বিদ্যমান আইনসমূহের প্রয়োজনীয় সংশোধনী ও গণমানুষের মূল্যবোধের সাথে সামঞ্জস্যশীল আইন প্রণয়ন করতে হবে।

● ‘সাইবার নিরাপত্তা আইন-২০২৩ওসকল কালো আইন বাতিল করতে হবে।

● বিচারের দীর্ঘসূত্রিতা কমাতে বিভাগীয় পর্যায়ে হাইকোর্ট বেঞ্চ প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

● নিম্ন আদালতের যথাযথ স্বাধীনতা নিশ্চিত করার জন্য পৃথক বিচার বিভাগীয় কমিশন গঠন করতে হবে।

● সকল ফৌজদারি মামলা তদন্তের জন্য স্বাধীন তদন্ত কমিটি গঠন করতে হবে।

● দেওয়ানি মামলার জন্য সর্বোচ্চ ৫ বছর এবং ফৌজদারি মামলাসমূহ সর্বোচ্চ ৩ বছরের মধ্যে নিষ্পত্তি করার বিধান করতে হবে।

২. সংসদ বিষয়ক সংস্কার

● সংসদের প্রধান বিরোধীদল থেকে একজন ডেপুটি স্পিকার মনোনীত করতে হবে।

● সংসদীয় বিরোধী দলীয় নেতার নেতৃত্বে ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

● সংসদে বিরোধী দলীয় সদস্যদের পর্যাপ্ত সময় দিতে হবে।

৩. নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার

● জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বমূলক ব্যবস্থা (Proportional Representation-PR) চালু করতে হবে।

● সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ নির্বাচন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কেয়ারটেকার সরকার ব্যবস্থা সংবিধানে স্থায়ীভাবে সন্নিবেশিত করতে হবে।

● নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য বিভিন্ন দেশে প্রত্যাখ্যাত ইভিএম ভোটিং ব্যবস্থা বাতিল করতে হবে।

● কোনো সরকারি চাকরিজীবী তাদের চাকরি ছাড়ার কমপক্ষে ৩ বছরের মধ্যে কোনো ধরনের নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না।

● স্থানীয় সরকার নির্বাচন নির্দলীয়ভাবে সম্পন্ন করার ব্যবস্থা করতে হবে।

● অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করার জন্য সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক ২০০৮ সালে প্রবর্তিত রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন প্রথা বাতিল করতে হবে।

● নির্বাচন কমিশনারসহ অন্যান্য কমিশনার নিয়োগের জন্য প্রধানমন্ত্রী, বিরোধীদলীয় নেতা ও প্রধান বিচারপতির সমন্বয়ে সার্চ কমিটি গঠিত হবে।

● জাতীয় সংসদ নির্বাচন একাধিক দিনে অনুষ্ঠিত করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

● ঘওউ- ব্যবস্থাপনা নির্বাচন কমিশনের অধীনে আনতে হবে।

৪. আইনশৃঙ্খলা সংস্কার

ক) পুলিশ বাহিনীর সংস্কার

● ১৮৬১ সালে ব্রিটিশ সরকার প্রণীত পুলিশ আইন পরিবর্তন এবং পুলিশের জন্য একটি পলিসি গাইডলাইন তৈরি করতে হবে।

● পুলিশ সদস্যদের নিয়োগ, বদলি, পদোন্নতি এবং চাকরিচ্যুতির জন্য স্বাধীন পুলিশ কমিশন গঠন করতে হবে।

● নিয়োগ, বদলি, পদোন্নতি এবং চাকরিচ্যুতির ক্ষেত্রে কোনো রাজনৈতিক-অরাজনৈতিক ব্যক্তির সুপারিশের সুযোগ রাখা যাবে না তথা সর্বপ্রকার দলীয় ও ব্যক্তিগত প্রভাব বা হস্তক্ষেপ বন্ধ করতে হবে।

● পুলিশ ট্রেনিং ম্যানুয়ালের মধ্যে ধর্মীয়  শিক্ষা ও নৈতিক অনুশাসন অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

● পুলিশের মধ্যে মারণাস্ত্রের ব্যবহার বাতিল করতে হবে।

● রিমান্ড চলাকালে জিজ্ঞাসাবাদের ক্ষেত্রে আসামি পক্ষের আইনজীবীর উপস্থিতি এবং মহিলা আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের সময় তাদের অভিভাবকের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে।

● বিচার বিভাগীয় সদস্যদের দ্বারা পুলিশ ট্রাইব্যুনাল গঠনের বিধান থাকতে হবে।

● পুলিশের ডিউটি ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা উন্নত করতে হবে।

● ‘পুলিশ আইন পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও পরিমার্জনের মাধ্যমে আধুনিকায়ন করতে হবে।

খ) র‌্যাব বিষয়ক সংস্কার

● র‌্যাব ও অন্যান্য বিশেষায়িত বাহিনীর প্রতি জনসাধারণের আস্থা ফিরিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় সংস্কার সম্পন্ন করতে হবে।

● গত সাড়ে ১৫ বছর যারা র‌্যাবে কাজ করেছে তাদেরকে স্ব স্ব বাহিনীতে ফিরিয়ে আনতে হবে এবং তাদেরকে পুনরায় র‌্যাবে নিয়োগ দেয়া যাবে না।

● বিচারবহির্ভূত সকল প্রকার হত্যাকাণ্ড- বন্ধ করতে হবে।

● র‌্যাবের সামগ্রিক কার্যক্রম মনিটরিং-এর জন্য সেল গঠন করতে হবে। কোনো র‌্যাব সদস্য আইনবহির্ভূত কোনো কাজে জড়িত হলে এই সেল তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করবে।

● মিডিয়ার ক্ষেত্রে নীতিমালা প্রণয়ন ও অনুসরণ নিশ্চিত করতে হবে।

৫. জনপ্রশাসন সংস্কার

● জনবল নিয়োগ, বদলি, পদায়নে তদবির, সুপারিশ ও দলীয় আনুগত্যের পরিবর্তে যোগ্যতা, দক্ষতা ও সততাকে প্রাধান্য দিতে হবে।

● যে কোনো চাকরির নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি থেকে শুরু করে নিয়োগ পর্যন্ত সময়ক্ষেপণ না করে যৌক্তিক সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে।

● সরকারি চাকরিতে আবেদন বিনামূল্যে করতে হবে।

● চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা আগামী ২ বছরের জন্য ৩৫ বছর ও পরবর্তী বয়সসীমা স্থায়ীভাবে ৩৩ বছর এবং অবসরের বয়সসীমা ৬২ বছর নির্ধারণ করতে হবে।

● চাকরির আবেদনে সকল ক্ষেত্রে বয়সসীমার বৈষম্য নিরসন করতে হবে।

● সকল সরকারি দপ্তরে দুর্নীতি নিরোধকল্পে বিশেষ ব্যবস্থা তৈরি করা যাতে করে কেউ দুর্নীতি করার সুযোগ না পায়। এ জন্য প্রয়োজনীয় মনিটরিং-এর ব্যবস্থা করতে হবে।

● চাকরিতে বিরাজমান আন্তঃক্যাডার বৈষম্য দূর করতে হবে।

● বিগত আওয়ামী সরকারের আমলে সরকারি চাকরিতে যারা প্রশ্নপত্র ফাঁস, দুর্নীতি, জালিয়াতি ও দলীয় বিবেচনায় চাকরি পেয়েছে তাদের নিয়োগ বাতিল করতে হবে।

৬. দুর্নীতি

● দুর্নীতি দমন কমিশনে পরীক্ষিত সৎ, ন্যায়পরায়ণ, দক্ষ ও যোগ্য লোক নিয়োগ দিতে হবে।

● রাষ্ট্রের সকল সেক্টরে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে।

● দুর্নীতি দমন কমিশনকে শক্তিশালী করে নিরপেক্ষভাবে কাজ করার স্বাধীনতা দিতে হবে।

● বিগত সরকারের আমলে দেশ থেকে পাচারকৃত অর্থ ফেরত আনার উপযুক্ত বিধান প্রণয়ন ও তা কার্যকর করার পদক্ষেপ নিতে হবে।

● মন্ত্রণালয় ভিত্তিক দুর্নীতি দমন কমিশন গঠন করতে হবে।

● দুর্নীতি দমন কমিশনের আইন সংস্কার, জনবল ও পরিধি বৃদ্ধি করতে হবে।

● রাষ্ট্রীয় ও জনগণের সম্পদ অবৈধভাবে ভোগ দখলকারীদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সুস্পষ্ট আইন প্রণয়ন করতে হবে।

৭. সংবিধান সংস্কার

● রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য রাখার বিধান সংযুক্ত করতে হবে।

● একই ব্যক্তি পরপর দুই মেয়াদের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন না।

৮. শিক্ষা ও সংস্কৃতি সংস্কার

ক) বিরাজমান সমস্যার আলোকে শিক্ষা সংস্কার প্রস্তাব

● ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত মাধ্যমিক এবং একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণিকে উচ্চমাধ্যমিক হিসেবে বলবৎ রাখতে হবে। অষ্টম শ্রেণির পাবলিক পরীক্ষা বাতিল করে পূর্বের পরীক্ষা পদ্ধতি ফিরিয়ে আনতে হবে।

● পাঠ্যপুস্তকে ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের বস্তুনিষ্ঠ ইতিহাস গুরুত্বের সাথে তুলে ধরতে হবে।

● সকল শ্রেণির পাঠ্যপুস্তকে ধর্মীয় মূল্যবোধবিরোধী উপাদান বাদ দিতে হবে।

● সকল শ্রেণিতে নবী করিম সা. এর জীবনীসহ মহামানবদের জীবনী সংবলিত প্রবন্ধ সংযোজন করতে হবে।

● স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করতে হবে। বিদ্যমান স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসাগুলোকে সরকারীকরণ করতে হবে।

● প্রতিটি জেলায় কমপক্ষে একটি করে কামিল মাদরাসাকে সরকারীকরণ করতে হবে।

● কারিগরি ও ভোকেশনাল শিক্ষাকে সাধারণ শিক্ষার মূলধারায় যুক্ত করতে হবে।

● Department of Higher Education নামে একটি স্থায়ী  শিক্ষা কমিশন গঠন করতে হবে।

● শিক্ষা সংস্কারের লক্ষ্যে গঠিত শিক্ষা কমিশনের সকল ধারা তথা সাধারণ, আলিয়া, কওমীর প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে হবে।

খ) সংস্কৃতি সংস্কার

● জাতির ঐতিহাসিক আন্দোলন-সংগ্রাম ও মূল্যবোধের আলোকে বিভিন্ন ধরনের চলচ্চিত্র নির্মাণ করতে হবে।

● জাতির ঐতিহাসিক দিনগুলোকে স্মরণীয় করার লক্ষ্যে বিশেষ দিবস হিসেবে ঘোষণা করে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় তা পালনের ব্যবস্থা করতে হবে।

● নাটক, সিনেমাসহ বিভিন্ন বিনোদনমূলক অনুষ্ঠানগুলো অশ্লীলতামুক্ত করতে হবে। নাটক, সিনেমা ও বিভিন্ন কন্টেন্টে বিভিন্ন ধর্ম, বিশেষ করে ইসলামকে হেয় করা থেকে বিরত থাকার বিধান প্রণয়ন করতে হবে।

● প্রাণীর মূর্তিনির্ভর ভাস্কর্য নির্মাণ না করে দেশীয় প্রকৃতি, ঐতিহ্যকে বিভিন্ন চিত্রাঙ্কন-ভাস্কর্যে তুলে আনতে হবে।

● সকল গণমাধ্যমে শিক্ষামূলক প্রোগ্রাম প্রচার নিশ্চিত করতে হবে।

৯. পররাষ্ট্র বিষয়ক সংস্কার

● পররাষ্ট্রীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে সকল গণতান্ত্রিক দেশের সাথে সাম্য ও ন্যায্যতার ভিত্তিতে পারস্পরিক সম্পর্ক বজায় রাখতে হবে।

● জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় চীন, নেপাল, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার আন্তর্জাতিক নদীসমূহের পানিবণ্টন চুক্তির উদ্যোগ নিতে হবে।

● আসিয়ানভুক্ত দেশসমূহের সাথে বাণিজ্যিক সম্পর্ক বৃদ্ধি করতে হবে।

● অন্যান্য রাষ্ট্রের সাথে বিগত সরকারের আমলে সম্পাদিত সকল চুক্তি রিভিউ করতে হবে। এক্ষেত্রে একটি রিভিউ কমিশন গঠন করতে হবে।

● বাংলাদেশকে আসিয়ান জোটভুক্ত করার উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।

● শক্তিশালী SAARC পুনর্গঠনের উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।

● কোনো দেশের সাথে চুক্তি অথবা সমঝোতা চুক্তি হলে পরবর্তী সংসদ অধিবেশনে সেসব চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক উত্থাপন করে বিস্তারিত আলোচনা পূর্বক তা অনুমোদন করতে হবে।

১০. ধর্ম মন্ত্রণালয় সংস্কার

● ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশকে (ইফাবা) রাষ্ট্রের কল্যাণে অর্থবহ প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

● ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমিকে স্বতন্ত্র সংস্থা বা দপ্তরে রূপান্তর করতে হবে, যাতে তারা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে।

● ইসলামিক মিশনকে সরাসরি মন্ত্রণালয়ের অধীনে স্বতন্ত্র সংস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

● হজ ব্যবস্থাপনার জন্য স্বতন্ত্র অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

● হজ্জ ও উমরার খরচ কমানোর জন্য কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।

● ইসলামিক ফাউন্ডেশনে একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করতে হবে, যেখানে দেশের বরণ্যে আলেমগণ সম্পৃক্ত থাকবেন।

● বিতর্কিত সকল বই বাতিল ও প্রকাশনা বন্ধ করতে হবে।

● সকল ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় কার্যক্রম পরিচালনার অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।

অনুষ্ঠানে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নেতা অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, আ ন ম শামসুল ইসলাম, এটিএম মাছুম, সাইফুল আলম খান মিলন, মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, হামিদুর রহমান আযাদ, মাওলানা আবদুল হালিম, এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, নূরুল ইসলাম বুলবুল, মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন সহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের দায়ে ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড

কারাগারে সংঘর্ষে নিহত ২৫, আহত শতাধিক

স্টুডেন্ট অ্যাকাউন্টের তথ্য নিয়ে ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত, ব্যাংক কর্মকর্তাকে বদলি

চট্টগ্রামে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে মাইকিং

কুমিল্লায় ইংরেজি ১ম পত্রের পরীক্ষায় অনুপস্থিত ২৩৩৬, বহিষ্কার ৮

কুমিল্লায় ফুটপাতে হকার বসিয়ে ভাড়া, ৮ প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স স্থগিত

ব্রাজিল হারায় নিজেকে শেষ করলেন এক সমর্থক

ব্রাজিলের খেলা শেষে অসুস্থ দুই সমর্থক, হাসপাতালে ভর্তি

বসতঘরের ওপর উল্টে পড়ল পাথরবোঝাই ট্রাক, ঘুমন্ত স্কুলছাত্রী নিহত

দেশের ৪ বিভাগের জন্য আবহাওয়া অধিদপ্তরের সতর্কবার্তা

১০

মায়ের ধর্ষককে গলা কেটে হত্যা করল ৪ ভাই

১১

৫ বছরের শিশু আসমা ধর্ষণ-হত্যায় একজনের মৃত্যুদণ্ড

১২

নিরাপত্তা কৌশলে সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে না রাখতে পিজিআরের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

১৩

কুমিল্লায় ধর্ষণ মামলার আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

১৪

রাতের মধ্যে ১৮ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস

১৫

১৬ জুলাই ‘শহীদ দিবস’ পালনের সিদ্ধান্ত

১৬

রাকিব হত্যার দুই আসামি গ্রেপ্তার

১৭

তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে ফুফাতো ভাই গ্রেপ্তার

১৮

ব্রাজিল-নরওয়ে ম্যাচ জিতবে কে, জানাল ‘জ্যোতিষী’ বিড়াল

১৯

ব্রাজিলের জয়ে থ্রি-পিস পরে নাচলেন বিএনপি নেতা, দল থেকে বহিষ্কার

২০

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে এসএফও প্রতিনিধিদলের বৈঠক

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে এসএফও প্রতিনিধিদলের বৈঠক
সংগৃহীত

সাউথ এশিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর রিজিওনাল কোঅপারেশন অনকোলজির (এসএফও) প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

আজ বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) ঢাকায় প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বৈঠকে যুক্ত হন তিনি। এ সময় তিনি সার্ক ফেডারেশন অব অনকোলজিস্টসের (এসএফও) প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক ডা. এবিএমএফ করিমের প্রতি শ্রদ্ধা জানান এবং তাঁর সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে যোগাযোগের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করেন।

এ সময় নিজের ছোটভাই বিশিষ্ট লেখক, সাংবাদিক, সমালোচক ও খ্যাতনামা টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব মুহাম্মদ জাহাঙ্গীরকে স্মরণ করেন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ভাইয়ের ক্যান্সার শনাক্ত ও চিকিৎসার সময় তাঁর পুরো পরিবারকে কী ভোগান্তির মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছিল সেসব অভিজ্ঞতার কথা জানান তিনি। সেসময় ডা. করিম কীভাবে তাঁর চিকিৎসায় সাহায্য করেছিলেন সে কথা উল্লেখ করেন প্রধান উপদেষ্টা।

তিনি বলেন, ক্যানসার চিকিৎসায় যে প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রয়োজন, তা এখনো আমরা পাচ্ছি না। সার্ক যে ক্যান্সার চিকিৎসাকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দিচ্ছে এটা অত্যন্ত জরুরি ও অনুপ্রেরণামূলক।

দক্ষিণ-এশিয়ার দেশগুলো সার্ককে সক্রিয় করে তোলার মধ্য দিয়ে লাভবান হবে উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘সার্ক আমার কাছে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। আমি প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে শপথ গ্রহণের পরপরই সার্ককে সক্রিয় করার বিষয়ে বলেছি। ভারত-পাকিস্তানের মধ্যকার কিছু ইস্যুর জন্য সার্ক সক্রিয় হচ্ছে না।

তিনি বলেন, আমি মনে করি, দুটি দেশের মধ্যেকার সমস্যা অন্য দেশগুলোকে প্রভাবিত করা উচিত না। প্রতি বছর দক্ষিণ এশিয়ার নেতারা যদি সাক্ষাৎ করেন, একসঙ্গে দাঁড়িয়ে ছবি তোলেন তাহলে গোটা বিশ্বের কাছে বার্তা যায় যে আমরা একসঙ্গে আছি। এটা দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোকে বিশ্বের কাছে ইতিবাচকভাবে উপস্থাপন করবে এবং এগিয়ে যেতে সাহায্য করবে।

অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস আজকের কনফারেন্সের মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোকে সার্ক সক্রিয় করতে আবারও আহ্বান জানান।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের দায়ে ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড

কারাগারে সংঘর্ষে নিহত ২৫, আহত শতাধিক

স্টুডেন্ট অ্যাকাউন্টের তথ্য নিয়ে ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত, ব্যাংক কর্মকর্তাকে বদলি

চট্টগ্রামে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে মাইকিং

কুমিল্লায় ইংরেজি ১ম পত্রের পরীক্ষায় অনুপস্থিত ২৩৩৬, বহিষ্কার ৮

কুমিল্লায় ফুটপাতে হকার বসিয়ে ভাড়া, ৮ প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স স্থগিত

ব্রাজিল হারায় নিজেকে শেষ করলেন এক সমর্থক

ব্রাজিলের খেলা শেষে অসুস্থ দুই সমর্থক, হাসপাতালে ভর্তি

বসতঘরের ওপর উল্টে পড়ল পাথরবোঝাই ট্রাক, ঘুমন্ত স্কুলছাত্রী নিহত

দেশের ৪ বিভাগের জন্য আবহাওয়া অধিদপ্তরের সতর্কবার্তা

১০

মায়ের ধর্ষককে গলা কেটে হত্যা করল ৪ ভাই

১১

৫ বছরের শিশু আসমা ধর্ষণ-হত্যায় একজনের মৃত্যুদণ্ড

১২

নিরাপত্তা কৌশলে সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে না রাখতে পিজিআরের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

১৩

কুমিল্লায় ধর্ষণ মামলার আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

১৪

রাতের মধ্যে ১৮ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস

১৫

১৬ জুলাই ‘শহীদ দিবস’ পালনের সিদ্ধান্ত

১৬

রাকিব হত্যার দুই আসামি গ্রেপ্তার

১৭

তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে ফুফাতো ভাই গ্রেপ্তার

১৮

ব্রাজিল-নরওয়ে ম্যাচ জিতবে কে, জানাল ‘জ্যোতিষী’ বিড়াল

১৯

ব্রাজিলের জয়ে থ্রি-পিস পরে নাচলেন বিএনপি নেতা, দল থেকে বহিষ্কার

২০

বাড়ল এলপি গ্যাসের দাম

বাড়ল এলপি গ্যাসের দাম
ফাইল ছবি

ভোক্তা পর্যায়ে প্রতি ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৩৭৭ টাকা থেকে ৪৪ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৪২১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সোমবার (২ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন নতুন এ দাম ঘোষণা করে। সিলিন্ডারের নতুন দাম সন্ধ্যা থেকেই কার্যকর হবে।

এর আগে ভোক্তাপর্যায়ে আগস্ট মাসের জন্য ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম জুলাই মাসের তুলনায় ১১ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৩৭৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। এর আগের মাসে এ দাম বাড়ানো হয়েছিল ৩ টাকা। সে সময় ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম নির্ধারণ করা হয় ১ হাজার ৩৬৬ টাকা।

প্রতি মাসে এলপি গ্যাসের দাম বাজার অনুযায়ী নির্ধারণ করা হয়। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন এ দাম নির্ধারণ করে। 

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের দায়ে ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড

কারাগারে সংঘর্ষে নিহত ২৫, আহত শতাধিক

স্টুডেন্ট অ্যাকাউন্টের তথ্য নিয়ে ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত, ব্যাংক কর্মকর্তাকে বদলি

চট্টগ্রামে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে মাইকিং

কুমিল্লায় ইংরেজি ১ম পত্রের পরীক্ষায় অনুপস্থিত ২৩৩৬, বহিষ্কার ৮

কুমিল্লায় ফুটপাতে হকার বসিয়ে ভাড়া, ৮ প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স স্থগিত

ব্রাজিল হারায় নিজেকে শেষ করলেন এক সমর্থক

ব্রাজিলের খেলা শেষে অসুস্থ দুই সমর্থক, হাসপাতালে ভর্তি

বসতঘরের ওপর উল্টে পড়ল পাথরবোঝাই ট্রাক, ঘুমন্ত স্কুলছাত্রী নিহত

দেশের ৪ বিভাগের জন্য আবহাওয়া অধিদপ্তরের সতর্কবার্তা

১০

মায়ের ধর্ষককে গলা কেটে হত্যা করল ৪ ভাই

১১

৫ বছরের শিশু আসমা ধর্ষণ-হত্যায় একজনের মৃত্যুদণ্ড

১২

নিরাপত্তা কৌশলে সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে না রাখতে পিজিআরের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

১৩

কুমিল্লায় ধর্ষণ মামলার আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

১৪

রাতের মধ্যে ১৮ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস

১৫

১৬ জুলাই ‘শহীদ দিবস’ পালনের সিদ্ধান্ত

১৬

রাকিব হত্যার দুই আসামি গ্রেপ্তার

১৭

তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে ফুফাতো ভাই গ্রেপ্তার

১৮

ব্রাজিল-নরওয়ে ম্যাচ জিতবে কে, জানাল ‘জ্যোতিষী’ বিড়াল

১৯

ব্রাজিলের জয়ে থ্রি-পিস পরে নাচলেন বিএনপি নেতা, দল থেকে বহিষ্কার

২০

গণমাধ্যমের ওপর সরকারের কোনো চাপ নেই: তথ্য উপদেষ্টা

গণমাধ্যমের ওপর সরকারের কোনো চাপ নেই: তথ্য উপদেষ্টা
সংগৃহীত

তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো: নাহিদ ইসলাম বলেছেন, গণমাধ্যমের ওপর সরকারের কোনো চাপ নেই। এই স্বাধীনতাকে কাজে লাগিয়ে গণমাধ্যমকে সাহসের সঙ্গে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করতে হবে।

আজ  মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে দৈনিক সংবাদপত্রের সম্পাদকদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন তিনি।

উপদেষ্টা মো: নাহিদ ইসলাম বলেন, সঠিক তথ্য ব্যাপকভাবে প্রচার না হওয়ায় গুজব ও অপতথ্যের দ্বারা মানুষ প্রতিনিয়ত বিভ্রান্ত হচ্ছে। গুজব ও অপতথ্য প্রতিরোধে গণমাধ্যমকেই অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে যারা শহিদ ও আহত হয়েছেন, তাদের আত্মত্যাগের গল্প গণমাধ্যমে প্রচার করতে হবে। আন্দোলনে শহিদ ও আহতদের জনস্মৃতিতে রাখতে গণমাধ্যমকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের সমালোচনা করে উপদেষ্টা মো: নাহিদ ইসলাম বলেন, ওই সময় অনেক গণমাধ্যমকর্মী ভয়ে সত্য ঘটনা প্রকাশ করতে পারেননি। এখন সেই সময় কেটে গেছে।

উপদেষ্টা ফ্যাসিবাদী সরকারের গুম ও দুর্নীতিসহ সকল অপকর্মের তথ্য গণমাধ্যমে প্রচারের জন্য সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে। জনগণের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছানোর ক্ষেত্রে সরকার গণমাধ্যমের কার্যকর ভূমিকা প্রত্যাশা করে।

গণমাধ্যমের সংস্কার প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, সরকার গণমাধ্যমের সংস্কারের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে কমিশন গঠন করেছে। কমিশনের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে গণমাধ্যমের সংস্কার করা হবে।

মতবিনিময় সভায় পত্রিকার সম্পাদকগণ বলেন, বর্তমান সময়ে গণমাধ্যমের ওপর সরকারের কোনো হস্তক্ষেপ নেই, যা স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য আশীর্বাদ। দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় গণমাধ্যমের কার্যকর ভূমিকা রয়েছে।

তারা বলেন, গত ১৬ বছর গণমাধ্যম সঠিক ভূমিকা পালন করলে দেশে ফ্যাসিবাদের উত্থান হতো না।

মতবিনিময় সভায় ইংরেজি পত্রিকার জন্য আলাদা নীতিমালা প্রণয়নেরও দাবি জানানো হয়।

মতবিনিময় সভায় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা, চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল কালাম মোহাম্মদ শামসুদ্দিন, বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহাম্মদ আবদুল্লাহ এবং দৈনিক পত্রিকার সম্পাদক ও প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের দায়ে ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড

কারাগারে সংঘর্ষে নিহত ২৫, আহত শতাধিক

স্টুডেন্ট অ্যাকাউন্টের তথ্য নিয়ে ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত, ব্যাংক কর্মকর্তাকে বদলি

চট্টগ্রামে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে মাইকিং

কুমিল্লায় ইংরেজি ১ম পত্রের পরীক্ষায় অনুপস্থিত ২৩৩৬, বহিষ্কার ৮

কুমিল্লায় ফুটপাতে হকার বসিয়ে ভাড়া, ৮ প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স স্থগিত

ব্রাজিল হারায় নিজেকে শেষ করলেন এক সমর্থক

ব্রাজিলের খেলা শেষে অসুস্থ দুই সমর্থক, হাসপাতালে ভর্তি

বসতঘরের ওপর উল্টে পড়ল পাথরবোঝাই ট্রাক, ঘুমন্ত স্কুলছাত্রী নিহত

দেশের ৪ বিভাগের জন্য আবহাওয়া অধিদপ্তরের সতর্কবার্তা

১০

মায়ের ধর্ষককে গলা কেটে হত্যা করল ৪ ভাই

১১

৫ বছরের শিশু আসমা ধর্ষণ-হত্যায় একজনের মৃত্যুদণ্ড

১২

নিরাপত্তা কৌশলে সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে না রাখতে পিজিআরের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

১৩

কুমিল্লায় ধর্ষণ মামলার আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

১৪

রাতের মধ্যে ১৮ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস

১৫

১৬ জুলাই ‘শহীদ দিবস’ পালনের সিদ্ধান্ত

১৬

রাকিব হত্যার দুই আসামি গ্রেপ্তার

১৭

তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে ফুফাতো ভাই গ্রেপ্তার

১৮

ব্রাজিল-নরওয়ে ম্যাচ জিতবে কে, জানাল ‘জ্যোতিষী’ বিড়াল

১৯

ব্রাজিলের জয়ে থ্রি-পিস পরে নাচলেন বিএনপি নেতা, দল থেকে বহিষ্কার

২০

বিয়ের অতিথি ১০০ ছাড়ালেই ট্যাক্স, প্রস্তাব বিএনপি সংসদ সদস্যের

বিয়ের অতিথি ১০০ ছাড়ালেই ট্যাক্স, প্রস্তাব বিএনপি সংসদ সদস্যের
ফাইল ছবি

দেশে বিয়ে, গায়েহলুদসহ সামাজিক ও পারিবারিক অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত অপচয় রোধ এবং খাদ্যসংকট মোকাবিলায় ১৯৮৪ সালে জারি করা ‘অতিথি নিয়ন্ত্রণ আদেশ (দ্য গেস্ট কন্ট্রোল অর্ডার, ১৯৮৪) আবারও আলোচনায় এসেছে।

সম্প্রতি জাতীয় সংসদে বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে বিএনপির সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম বিয়ে ও গায়েহলুদের অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জাঁকজমক ও অপচয় কমাতে এ আদেশ কার্যকরের আহ্বান জানান। এরপর থেকেই বহু বছর ধরে কার্যত অপ্রয়োগে থাকা এই আইনটি নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে।

১৯৮৪ সালের ৩ জুলাই খাদ্য মন্ত্রণালয় ‘দ্য কন্ট্রোল অব এসেনশিয়াল কমোডিটিজ অ্যাক্ট, ১৯৫৬-এর আওতায় এ আদেশ জারি করে। এতে বিয়ে, জন্মদিন, আকিকা কিংবা সামাজিক, ধর্মীয় ও পারিবারিক অনুষ্ঠানে আয়োজক পরিবারের বাইরে সর্বোচ্চ ১০০ জন অতিথিকে চাল বা গম দিয়ে তৈরি খাবার পরিবেশনের অনুমতি দেওয়া হয়।

বিশেষ প্রয়োজনে ১০০ জনের বেশি অতিথিকে আপ্যায়ন করতে হলে জেলা প্রশাসক বা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছ থেকে পূর্বানুমতি নিতে হতো। পাশাপাশি অতিরিক্ত প্রতিটি অতিথির জন্য সরকারি কোষাগারে নির্ধারিত ফি জমা দেওয়ার বিধানও ছিল। শুরুতে এ ফি ১০ টাকা হলেও পরে তা বাড়িয়ে ২৫ টাকা করা হয়।

আদেশ বাস্তবায়নে খাদ্য অধিদপ্তরের পরিদর্শক, পুলিশের গেজেটেড কর্মকর্তা এবং জেলা প্রশাসন মনোনীত কর্মকর্তাদের অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশ ও তল্লাশির ক্ষমতা দেওয়া হয়েছিল। আইন লঙ্ঘন করলে আয়োজক ও অনুষ্ঠানস্থলের মালিকের বিরুদ্ধে জরিমানা এবং প্রয়োজনে কারাদণ্ডের বিধানও রাখা হয়।

তবে ২০০৩ সালের সংশোধনীতে মিলাদ মাহফিল, ইফতার, কুলখানি, চেহলাম, ওরস ও শ্রাদ্ধের মতো ধর্মীয় অনুষ্ঠানকে এই বিধিনিষেধের বাইরে রাখা হয়।

যদিও আদেশটি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল হয়নি, দীর্ঘদিন ধরে এর কোনো কার্যকর প্রয়োগ বা নজরদারি নেই। বর্তমানে রেস্তোরাঁ, কমিউনিটি সেন্টার কিংবা কনভেনশন হলে শত শত বা হাজারো অতিথির উপস্থিতিতে অনুষ্ঠান হলেও অনুমতি নেওয়া বা অতিরিক্ত ফি দেওয়ার বিধান বাস্তবে আর অনুসরণ করা হয় না।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের দায়ে ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড

কারাগারে সংঘর্ষে নিহত ২৫, আহত শতাধিক

স্টুডেন্ট অ্যাকাউন্টের তথ্য নিয়ে ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত, ব্যাংক কর্মকর্তাকে বদলি

চট্টগ্রামে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে মাইকিং

কুমিল্লায় ইংরেজি ১ম পত্রের পরীক্ষায় অনুপস্থিত ২৩৩৬, বহিষ্কার ৮

কুমিল্লায় ফুটপাতে হকার বসিয়ে ভাড়া, ৮ প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স স্থগিত

ব্রাজিল হারায় নিজেকে শেষ করলেন এক সমর্থক

ব্রাজিলের খেলা শেষে অসুস্থ দুই সমর্থক, হাসপাতালে ভর্তি

বসতঘরের ওপর উল্টে পড়ল পাথরবোঝাই ট্রাক, ঘুমন্ত স্কুলছাত্রী নিহত

দেশের ৪ বিভাগের জন্য আবহাওয়া অধিদপ্তরের সতর্কবার্তা

১০

মায়ের ধর্ষককে গলা কেটে হত্যা করল ৪ ভাই

১১

৫ বছরের শিশু আসমা ধর্ষণ-হত্যায় একজনের মৃত্যুদণ্ড

১২

নিরাপত্তা কৌশলে সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে না রাখতে পিজিআরের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

১৩

কুমিল্লায় ধর্ষণ মামলার আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

১৪

রাতের মধ্যে ১৮ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস

১৫

১৬ জুলাই ‘শহীদ দিবস’ পালনের সিদ্ধান্ত

১৬

রাকিব হত্যার দুই আসামি গ্রেপ্তার

১৭

তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে ফুফাতো ভাই গ্রেপ্তার

১৮

ব্রাজিল-নরওয়ে ম্যাচ জিতবে কে, জানাল ‘জ্যোতিষী’ বিড়াল

১৯

ব্রাজিলের জয়ে থ্রি-পিস পরে নাচলেন বিএনপি নেতা, দল থেকে বহিষ্কার

২০

বিশ্বকাপে টানা সাত ম্যাচে গোল করা একমাত্র ফুটবলার মেসি

বিশ্বকাপে টানা সাত ম্যাচে গোল করা একমাত্র ফুটবলার মেসি
ফাইল ছবি

ফুটবল ইতিহাসের সেই চিরপরিচিত দৃশ্য, আরও একবার জাদুকরী ফ্রি-কিকে লিওনেল মেসির ট্রেডমার্ক গোল।   ২০২৬ ফিফা বিশ্বমঞ্চে আজ জর্ডানের বিপক্ষে মাঠে নেমে স্রেফ ইতিহাস ওলটপালট করে দিলেন লিওনেল মেসি।

রোববার (২৮ জুন) ম্যাচের ৬০তম মিনিটে লাওতারো মার্তিনেজকে তুলে নিয়ে ৩৯ বছর বয়সী এই মহাতারকাকে যখন আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি মাঠে নামান। মাঠে নামার কিছুক্ষণের মধ্যেই সেই মাহেন্দ্রক্ষণ ধরা দিল। এক দুর্দান্ত ফ্রি-কিক থেকে জর্ডানের জাল কাঁপিয়ে আর্জেন্টিনাকে ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি ফুটবল ইতিহাসের অমরত্বের পাতায় সম্পূর্ণ এককভাবে নিজের নাম লিখিয়েছেন মেসি। বিশ্বকাপের সুদীর্ঘ ইতিহাসে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে টানা ৭টি ম্যাচে গোল করার এক অবিশ্বাস্য ও অনন্য বিশ্বরেকর্ড গড়লেন এলএমটেন।

এই গোলের আগে বিশ্বকাপের টানা ৬ ম্যাচে গোল করার কীর্তি নিয়ে ফ্রান্সের কিংবদন্তি জাস্ট ফন্টেইন (১৯৫৮) এবং ব্রাজিলের জেয়াজিনহোর (১৯৭০) সঙ্গে যৌথভাবে শীর্ষাসনে বসা ছিলেন মেসি। জর্ডানের প্রাচীর ভেঙে সেই সাত দশকের পুরনো রেকর্ডকে একাই নিজের করে নিলেন এই আর্জেন্টাইন জাদুকর।

এর আগে, ম্যাচের এক ঘণ্টা পার হওয়ার পর দলের রণকৌশলে বড় ট্রিপল পরিবর্তন এনেছিলেন স্কালোনি। গোলদাতা জিওভানি লো সেলসো এবং তরুণ নিকো পাজকে তুলে নিয়ে মাঝমাঠ ও আক্রমণের ধার বাড়াতে থিয়াগো আলমাদা ও আলেক্সিস ম্যাক আলিস্টারকে মাঠে নামানো হয়। তবে সব আলো কেড়ে নিলেন বেঞ্চ থেকে উঠে আসা অধিনায়ক মেসি। জর্ডানের বক্সের বাইরে ফ্রি-কিক পেতেই পুরো মেটলাইফ স্টেডিয়ামে পিনপতন নীরবতা নেমে আসে, আর পরের মুহূর্তেই মেসির চেনা জাদুতে বল যখন জালের ঠিকানা খুঁজে নেয়, তখন রেকর্ড বুক নতুন করে লেখার আনন্দে মেতে ওঠে আলবিসেলেস্তেরা।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের দায়ে ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড

কারাগারে সংঘর্ষে নিহত ২৫, আহত শতাধিক

স্টুডেন্ট অ্যাকাউন্টের তথ্য নিয়ে ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত, ব্যাংক কর্মকর্তাকে বদলি

চট্টগ্রামে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে মাইকিং

কুমিল্লায় ইংরেজি ১ম পত্রের পরীক্ষায় অনুপস্থিত ২৩৩৬, বহিষ্কার ৮

কুমিল্লায় ফুটপাতে হকার বসিয়ে ভাড়া, ৮ প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স স্থগিত

ব্রাজিল হারায় নিজেকে শেষ করলেন এক সমর্থক

ব্রাজিলের খেলা শেষে অসুস্থ দুই সমর্থক, হাসপাতালে ভর্তি

বসতঘরের ওপর উল্টে পড়ল পাথরবোঝাই ট্রাক, ঘুমন্ত স্কুলছাত্রী নিহত

দেশের ৪ বিভাগের জন্য আবহাওয়া অধিদপ্তরের সতর্কবার্তা

১০

মায়ের ধর্ষককে গলা কেটে হত্যা করল ৪ ভাই

১১

৫ বছরের শিশু আসমা ধর্ষণ-হত্যায় একজনের মৃত্যুদণ্ড

১২

নিরাপত্তা কৌশলে সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে না রাখতে পিজিআরের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

১৩

কুমিল্লায় ধর্ষণ মামলার আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

১৪

রাতের মধ্যে ১৮ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস

১৫

১৬ জুলাই ‘শহীদ দিবস’ পালনের সিদ্ধান্ত

১৬

রাকিব হত্যার দুই আসামি গ্রেপ্তার

১৭

তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে ফুফাতো ভাই গ্রেপ্তার

১৮

ব্রাজিল-নরওয়ে ম্যাচ জিতবে কে, জানাল ‘জ্যোতিষী’ বিড়াল

১৯

ব্রাজিলের জয়ে থ্রি-পিস পরে নাচলেন বিএনপি নেতা, দল থেকে বহিষ্কার

২০

কুমিল্লায় ৬৮ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ি জব্দ

কুমিল্লায় ৬৮ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ি জব্দ
ছবি

নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি:

কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) সীমান্ত এলাকায় পরিচালিত বিশেষ অভিযানে প্রায় ৬৮ লাখ টাকা মূল্যের ভারতীয় শাড়ি জব্দ করেছে।

বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান ও আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে বুধবার (১৭ জুন) ভোর রাতে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার শিবেরবাজার বিওপির টহল দল মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে।

অভিযান চলাকালে সীমান্ত থেকে প্রায় ৮ কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে নিমসার বাজার এলাকায় মালিকবিহীন অবস্থায় বিপুল পরিমাণ ভারতীয় শাড়ি উদ্ধার করা হয়। জব্দকৃত শাড়িগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য ৬৮ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে বিজিবি।

বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, উদ্ধারকৃত শাড়িগুলো প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হবে। একই সঙ্গে সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের দায়ে ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড

কারাগারে সংঘর্ষে নিহত ২৫, আহত শতাধিক

স্টুডেন্ট অ্যাকাউন্টের তথ্য নিয়ে ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত, ব্যাংক কর্মকর্তাকে বদলি

চট্টগ্রামে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে মাইকিং

কুমিল্লায় ইংরেজি ১ম পত্রের পরীক্ষায় অনুপস্থিত ২৩৩৬, বহিষ্কার ৮

কুমিল্লায় ফুটপাতে হকার বসিয়ে ভাড়া, ৮ প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স স্থগিত

ব্রাজিল হারায় নিজেকে শেষ করলেন এক সমর্থক

ব্রাজিলের খেলা শেষে অসুস্থ দুই সমর্থক, হাসপাতালে ভর্তি

বসতঘরের ওপর উল্টে পড়ল পাথরবোঝাই ট্রাক, ঘুমন্ত স্কুলছাত্রী নিহত

দেশের ৪ বিভাগের জন্য আবহাওয়া অধিদপ্তরের সতর্কবার্তা

১০

মায়ের ধর্ষককে গলা কেটে হত্যা করল ৪ ভাই

১১

৫ বছরের শিশু আসমা ধর্ষণ-হত্যায় একজনের মৃত্যুদণ্ড

১২

নিরাপত্তা কৌশলে সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে না রাখতে পিজিআরের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

১৩

কুমিল্লায় ধর্ষণ মামলার আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

১৪

রাতের মধ্যে ১৮ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস

১৫

১৬ জুলাই ‘শহীদ দিবস’ পালনের সিদ্ধান্ত

১৬

রাকিব হত্যার দুই আসামি গ্রেপ্তার

১৭

তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে ফুফাতো ভাই গ্রেপ্তার

১৮

ব্রাজিল-নরওয়ে ম্যাচ জিতবে কে, জানাল ‘জ্যোতিষী’ বিড়াল

১৯

ব্রাজিলের জয়ে থ্রি-পিস পরে নাচলেন বিএনপি নেতা, দল থেকে বহিষ্কার

২০

কুমিল্লায় উন্নয়নের অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে: মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন

কুমিল্লায় উন্নয়নের অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে: মন্ত্রী  জাকারিয়া তাহের সুমন
ছবি

নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি।

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন বলেছেন, বিএনপি যতবার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেছে, ততবারই কুমিল্লার উন্নয়নে কাজ করেছে। বর্তমানেও কুমিল্লাকে একটি আধুনিক, পরিকল্পিত ও উন্নত নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

তিনি বলেন, সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী সদর দক্ষিণকে উন্নয়নের জোয়ারে ভাসিয়ে দিয়েছেন। আমার পক্ষ থেকেও কুমিল্লার উন্নয়নে যা যা করা সম্ভব, আমি করে যাব। কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)-এর আইন আমার হাত দিয়েই সংসদে পাস হয়েছে।

শনিবার সন্ধ্যায় টাউনহল মাঠে নাগরিক সমাবেশের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জাকারিয়া তাহের সুমন বলেন, কুমিল্লাকে একটি পরিকল্পিত নগরীতে রূপ দিতে সরকার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের অংশ হিসেবে কুমিল্লা থেকে সরাসরি কক্সবাজার পর্যন্ত রেল যোগাযোগ চালুর বিষয়ে রেল উপদেষ্টার সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, এই সরকারের আমলেই কুমিল্লা বিভাগ বাস্তবায়ন হবে বলে আমরা আশাবাদী। পাশাপাশি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে একটি কৃষি কোর্স চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যা এ অঞ্চলের উচ্চশিক্ষা ও কৃষি গবেষণায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।

স্বাস্থ্যসেবা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বর্তমানে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৫০০ শয্যা রয়েছে। এ হাসপাতালকে আরও সম্প্রসারণ করে অতিরিক্ত ৫০০ থেকে এক হাজার শয্যার সুবিধা নিশ্চিত করার জন্য কাজ করা হবে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের অন্যান্য জেলার তুলনায় কুমিল্লায় সবচেয়ে বেশি উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নের লক্ষ্য নিয়ে আমরা কাজ করছি। সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন এবং সাধারণ মানুষের সম্মিলিত সহযোগিতা প্রয়োজন। সকলের অংশগ্রহণেই দেশ আরও এগিয়ে যাবে।

কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আমীরুজ্জামান আমীরে সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা-০৬ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুল হক চৌধুরী, কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান উদবাতুল বারী আবু।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, প্রশাসনের কর্মকর্তা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের দায়ে ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড

কারাগারে সংঘর্ষে নিহত ২৫, আহত শতাধিক

স্টুডেন্ট অ্যাকাউন্টের তথ্য নিয়ে ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত, ব্যাংক কর্মকর্তাকে বদলি

চট্টগ্রামে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে মাইকিং

কুমিল্লায় ইংরেজি ১ম পত্রের পরীক্ষায় অনুপস্থিত ২৩৩৬, বহিষ্কার ৮

কুমিল্লায় ফুটপাতে হকার বসিয়ে ভাড়া, ৮ প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স স্থগিত

ব্রাজিল হারায় নিজেকে শেষ করলেন এক সমর্থক

ব্রাজিলের খেলা শেষে অসুস্থ দুই সমর্থক, হাসপাতালে ভর্তি

বসতঘরের ওপর উল্টে পড়ল পাথরবোঝাই ট্রাক, ঘুমন্ত স্কুলছাত্রী নিহত

দেশের ৪ বিভাগের জন্য আবহাওয়া অধিদপ্তরের সতর্কবার্তা

১০

মায়ের ধর্ষককে গলা কেটে হত্যা করল ৪ ভাই

১১

৫ বছরের শিশু আসমা ধর্ষণ-হত্যায় একজনের মৃত্যুদণ্ড

১২

নিরাপত্তা কৌশলে সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে না রাখতে পিজিআরের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

১৩

কুমিল্লায় ধর্ষণ মামলার আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

১৪

রাতের মধ্যে ১৮ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস

১৫

১৬ জুলাই ‘শহীদ দিবস’ পালনের সিদ্ধান্ত

১৬

রাকিব হত্যার দুই আসামি গ্রেপ্তার

১৭

তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে ফুফাতো ভাই গ্রেপ্তার

১৮

ব্রাজিল-নরওয়ে ম্যাচ জিতবে কে, জানাল ‘জ্যোতিষী’ বিড়াল

১৯

ব্রাজিলের জয়ে থ্রি-পিস পরে নাচলেন বিএনপি নেতা, দল থেকে বহিষ্কার

২০