

সম্পত্তি পেতে নিজের বাবাকে ৮ দিন ধরে
কক্ষে তালাবদ্ধ করে রাখার অভিযোগ পাওয়া গেছে মেয়েদের বিরুদ্ধে। ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলায়
ঘটনাটি ঘটেছে।
বিষয়টি জানতে পেরে ঘরবন্দি ওই বাবাকে
উদ্ধার করেন নলছিটি উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. নজরুল ইসলাম। এ সময় তার
সঙ্গে ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) সমাপ্তি রায়।
গতকাল বুধবার (২৭ নভেম্বর) রাত সাড়ে
১০টার দিকে উপজেলার কুলকাঠি ইউনিয়নের সরই গ্রাম থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। ভুক্তভোগী
বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা মোশাররফ হোসেন তালুকদার ওই এলাকার বাসিন্দা।
বীর মুক্তিযোদ্ধা মোশাররফ হোসেন তালুকদার
বলেন, আমার প্রথম স্ত্রী মারা যাওয়ার পরে আমি আমার মেয়েদের অনুমতিতে দ্বিতীয় বিয়ে করি।
এরপর থেকে স্ত্রীকে নিয়ে নলছিটিতে ভাড়াবাসায় থাকি। গত ১৯ নভেম্বর আমাকে ধরে এনে মেয়ের
বাড়িতে তালাবদ্ধ করে রেখেছে। জোর করে জায়গা-জমি দলিল করিয়ে নিতে চেয়েছে। পরে আমার স্ত্রী
জানতে পেরে ইউএনও স্যারকে জানায়। তিনি এসে আমাকে উদ্ধার করেন।
এ বিষয়ে মোশাররফ হোসেনের মেয়ে রেবা
আক্তার, লাকি আক্তার বলেন, তিনি আমাদের জন্মদাতা পিতা। তিনি আমাদের সবকিছু থেকে বঞ্চিত
করছেন। তাই তাকে আটকে রাখা হয়েছে। আমাদের সবকিছু দিতে হবে।
ইউএনও নজরুল ইসলাম বলেন, মোশাররফ হোসেন
তালুকদারের স্ত্রীর অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে যাই। ভুক্তভোগী নিজেই আমাদের লিখিত দিয়েছেন
যে, তাকে আটকে রেখেছেন মেয়েরা। পরে তাকে উদ্ধার করা হয় এবং মোশাররফ হোসেনকে বলা হয়েছে
তার মেয়েরা যাতে বঞ্চিত না হন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ২৮.৫ কেজি গাঁজাসহ তিনজন
মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
আজ (১৪ নভেম্বর) সকালে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি মডেল থানাধীন বলদাখাল এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে আসামী ১। মোঃ সুয়েল রানা (২৭); ২। মোঃ সোহেল রানা (২০) এবং ৩। মোঃ সোহেল রানা (২৬) নামের তিনজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীদের কাছ থেকে ২৮.৫ কেজি গাঁজা ও মাদকদ্রব্য পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি মিনি ট্রাক উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী ১। মোঃ সুয়েল রানা (২৭) পঞ্চগড় জেলার বোদা থানার উত্তর বগুড়া পাড়া গ্রামের মোঃ জমিনুল ইসলাম টুটুল এর ছেলে, ২। মোঃ সোহেল রানা (২০) একই জেলার তেতুলিয়া থানার আজিজ নগর গ্রামের মোঃ মানিক মিয়া এর ছেলে এবং ৩। মোঃ সোহেল রানা (২৬) একই জেলার বোদা থানার বৈরাতি গ্রামের মৃত সোলাইমান আলী এর ছেলে।
র্যাব জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে জব্দকৃত মিনি ট্রাক ব্যবহার করে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা
ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর বিশেষ টহলদল মাদক ও চোরাচালান বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে
৪৮৭ পিস ভারতীয় শাড়ি জব্দ করেছে।
আজ
বৃহস্পতিবার (১৪ নভেম্বর) কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর অধীনস্থ শিবের বাজার
বিওপি এর বিশেষ টহলদল সীমান্ত পিলার ২১০২ থেকে ৫০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সোনাপুর
এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় ভারত থেকে বাংলাদেশে পাচারের জন্য প্রস্তুত বিভিন্ন প্রকার
৪৮৭ পিস ভারতীয় শাড়ি আটক করা হয়।
আটককৃত
শাড়িগুলোর আনুমানিক বাজার মূল্য ৩৭ লক্ষ ৬১ হাজার টাকা বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা, কচুয়া:
চাঁদপুরের কচুয়ায় পানিকচুতে ভাগ্য বদলের স্বপ্ন দেখছেন কৃষক বশির উল্যাহ। কন্দাল ফসল উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ৪৮ শতাংশ জমিতে চাষাবাদ করেছেন পানিকচু। সাধারণত স্বল্প পানিতে যে কচু চাষ করা যায় তাকে পানিকচু বলা হয়। বর্ষার শেষে বাজারে যখন সবজির ঘাটতি দেখা দেয় তখন পানি কচুর লতি ও কান্ড বেশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।
কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, যথাযথ গবেষণা, সরকারি প্রণোদনা প্রদান, সর্বোপরি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সার্বিক সহযোগিতায় বর্তমানে কচুয়া উপজেলায় বাড়ছে পরিবেশবান্ধব ও ভিটামিনযুক্ত বারি-২ জাতের লতিরাজ পানিকচুর চাষ। এ কচু চাষে নেই পোকার আক্রমণ ও রোগবালাই, সম্ভাবনা নেই আর্থিক ক্ষতির। সেই সঙ্গে বর্তমান বাজারে, স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী এ সবজির চাহিদা বাড়ায় লতিরাজ চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন এ উপজেলার কৃষকরা।
কচু চাষী বশির উল্যাহ বলেন, প্রায় ৪ বছর ধরে কচু চাষ করে আসছেন তিনি। প্রতি বছরে আমি কচু বিক্রি করে লাভবান হয়েছি। চলতি মৌসুমে এবার প্রায় ৪৮ শতাংশ জমিতে পানিকচুর চাষাবাদ করি। তাছাড়া কৃষি অফিসের পরামর্শে এবার লতিরাজ জাতের কচুর চারা রোপণ করি। কৃষি প্রণোদনা প্রকল্পের আওতায় কৃষি অফিস থেকে প্রদর্শনী পাই। ২০হাজার টাকা ব্যয় হলেও প্রথমে বিক্রি করেছেন লতি ১০ হাজার টাকা। লতি আসতে শুরু করেছে মাত্র। তিনি আরো প্রায় ৫০ হাজার টাকার লতি বিক্রি করতে পারবেন বলেও জানান। তার এ পানিকচু ও লতিরাজ কচু উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বিক্রি করে থাকেন।
কচুয়া উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আবু সুফিয়ান শাওন বলেন, কচুয়া উত্তর ইউনিয়নের সিংআড্ডা ব্লকে কৃষক বশির উল্যাহকে পানিকচু চাষে উৎসাহী করা হয়েছে। ফলে তিনি কৃষি অফিসের পরামর্শে তার জমিতে ভালো পানি কচুর আবাদ হয়েছে। আশা করছি আবহাওয়া ভালো থাকলে অনেক মুনাফা অর্জন করতে পারবে কৃষক বশির উল্যাহ।
কচুয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মেজবাহ উদ্দিন জানান, সবজি হিসেবে কচু স্বাস্থ্যের জন্য উপকারি। কচু উৎপাদনে খরচ ও রোগবালাই কম, দামও ভালো পাওয়া যায়। কচুয়া উপজেলায় ইতোমধ্যে উত্তর ইউনিয়নের লতিফুর গ্রামের কৃষক বশির উল্যাহ লতিরাজ কচুর চাষাবাদ শুরু করেছে। এ ব্যাপারে কৃষকদের সার্বক্ষণিক সহায়তা ও কৃষি পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি আজ বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪) ৩৩ পদাতিক ডিভিশন ও কুমিল্লা এরিয়া পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকালে সেনাবাহিনী প্রধান কুমিল্লা সেনানিবাসে কর্মরত সকল পদবির সেনাসদস্যদের উদ্দেশ্যে দরবার নেন এবং তাঁর দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন। পরে তিনি সকল পদবির সেনা কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে 'অফিসার্স অ্যাড্রেস' গ্রহণ করেন।
এসময় তিনি তাঁর মূল্যবান বক্তব্যের শুরুতেই শহিদ লেফটেন্যান্ট তানজিম ছারোয়ার নির্জন এর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।
তিনি বলেন, দেশমাতৃকার সেবায় তরুণ সাহসী এই সেনা কর্মকর্তার আত্মত্যাগ বাংলাদেশ সেনাবাহিনী গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনী তাঁর জন্য গর্বিত। এরপর সকলের উদ্দেশ্যে দেশের চলমান নিরাপত্তা পরিস্থিতির উপর আলোকপাত করে সেনাবাহিনীর কার্যক্রম সম্পর্কে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। পাশাপাশি তিনি আর্মি মেডিকেল কলেজ কুমিল্লা এবং ইস্পাহানী পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ এর কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।
এসময় জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) ৩৩ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার কুমিল্লা এরিয়া, সেনাসদরের চিফ কনসালটেন্ট জেনারেল, অ্যাডহক সিএসসি'সহ সেনাসদর ও কুমিল্লা এরিয়ার উর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তাগণ, জুনিয়র কমিশন্ড অফিসার ও অন্যান্য পদবির সৈনিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


দেশের
সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে চুয়াডাঙ্গা ও সিরাজগঞ্জে। এই ২ জেলায় আজ তাপমাত্রা
৬ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ২ জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ।
মঙ্গলবার
(২৩ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিস চুয়াডাঙ্গার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা
৬ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করেছে।
আজ
মঙ্গলবার শৈত্যপ্রবাহের কারণে চুয়াডাঙ্গা জেলার সব প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক ও
উচ্চ বিদ্যালয়গুলোতে শ্রেণি কার্যক্রম, ক্লাস, পরীক্ষা বন্ধ রয়েছে।
জেলা
প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা তবিবুর রহমান জানান, তীব্র শীতের কারণে সারা দেশে প্রাথমিক
বিদ্যালয়ের ক্লাসের সময়সূচিতে পরিবর্তন এনেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। নতুন
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী চলমান শৈত্যপ্রবাহের কারণে সারা দেশে সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে
ক্লাস শুরু হবে সকাল ১০টায়। যেসব জেলায় তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নামবে,
সেসব জেলার বিদ্যালয় বন্ধ রাখার নির্দেশনাও বহাল রয়েছে।
চুয়াডাঙ্গার
আজকের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস অর্থাৎ ১০ ডিগ্রির কম। সে অনুযায়ী
প্রাথমিকের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ রাখতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এখন থেকে যেদিন এ জেলার তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির কম থাকবে সেদিনই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ
রাখতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
চুয়াডাঙ্গা
আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান জানান, চুয়াডাঙ্গার ওপর দিয়ে
বয়ে যাওয়া মৃদু শৈত্যপ্রবাহ দ্বিতীয় দিনে মাঝারি শৈত্য প্রবাহে রূপ নিয়েছে। মঙ্গলবার
(২৪ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় চুয়াডাঙ্গার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৬ দশমিক ৬
ডিগ্রি সেলসিয়াস।
এদিকে
সিরাজগঞ্জের তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নামায় সোমবার দুপুরের দিকে জেলার
মোট ৩৮৮টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ১৯২টি মাদরাসা ও ১৬৭১টি প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা
করা হয়েছে।
জেলা
প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এস এম আব্দুর রহমান বলেন, এ জেলার ১৬৭১টি প্রাথমিক বিদ্যালয়
বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


রফিকুল ইসলাম বাবু, চাঁদপুর:
চাঁদপুর মাদ্রাসা রোড লঞ্চ টার্মিনাল থেকে তিনটি যাত্রীবাহী লঞ্চ সিডিউল অমান্য করে দেরিতে ছাড়ার অভিযোগ উঠেছে। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতা থাকাকালীন সময়ে দীর্ঘ এক বছর যাবত ঢাকার লঞ্চ মালিকরা এই অনিয়ম করে আসছে।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অমান্য করে সঠিক সময়ে লঞ্চ না ছাড়ার কারণে এতে করে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেছে অন্যান্য লঞ্চ মালিকরা।
চাঁদপুর বিআইডব্লিউটি এর বন্দর কর্মকর্ত বশির আলী খানের নির্দেশে টি আই মাহাতাব যাত্রীবাহী লঞ্চ রায়হান ,রহমত ও জামাল ৮ প্রতিদিন চাঁদপুর থেকে ১১টা ৫ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়ার নির্দেশ দেয়।
এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ রায়হানের কর্তৃপক্ষ সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে সঠিক সময়ে না ছেড়ে দেরিতে লঞ্চ ছাড়ার চেষ্টা করে। টার্মিনালে অন্যান্য লঞ্চের সুপারভাইজার ও কর্তৃপক্ষের সাথে রায়হান লঞ্চের লোকজনের হট্টগোলের সৃষ্টি হয়।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের চিঠির আলোকে দেখা যায় ঢাকা থেকে যে সকল লঞ্চ রাত সাড়ে বারোটায় ছাড়বে সেই লঞ্চগুলো চাঁদপুর থেকে সকাল ১১ টা ৫ মিনিটে ছাড়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়।
কিন্তু ঢাকার মালিকানা রায়হান ,রহমত ও জামাল ৮ লঞ্চের কর্তৃপক্ষ আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতা থাকাকালীন সময় পেশি শক্তির ব্যবহার করে দীর্ঘ এক বছর যাবত অনিয়মের মধ্য দিয়ে আধা ঘন্টা দেরিতে টার্মিনাল থেকে তাদের লঞ্চ ছেড়েছে।
এই অনিয়ম ও দুর্নীতি সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে দেওয়ার উদ্যোগ নেয় চাঁদপুর বন্দর কর্মকর্তা বসির আলী খান। অবশেষে তার নির্দেশনা অনুযায়ী সঠিক সময় লঞ্চগুলো ছেড়ে যাওয়ার অনুরোধ করেন বিআইডব্লিউটি এর টি আই মাহাতাব।
এই বিষয়ে বন্দর কর্মকর্তা বসির আলী খান জানায়, পূর্বের যত অনিয়ম হয়েছে তা বর্তমান সময়ে হতে দেওয়া হবে না। সিডিউল অনুযায়ী লঞ্চ ছাড়তে হবে যারা সরকারের নিয়ম-নীতি উপেক্ষা করে দেরিতে লঞ্চ ছাড়বে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানায়।
এদিকে চাঁদপুরের অন্যান্য লঞ্চ কর্তৃপক্ষরা জানায়, দীর্ঘ এক বছর যাবত ঢাকার মালিকানাধীন রায়হান বরকত ও জামাল লঞ্চ ছাড়ার আধাঘন্টা দেরি করে চাঁদপুর থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। এ সকল লঞ্চ কর্তৃপক্ষ বহিরাগত সন্ত্রাসী বাহিনীদের ব্যবহার করে দীর্ঘদিন অনিয়ম করেছে।তাদের বিরুদ্ধে মুখ খুললেও তাদের সন্ত্রাসী বাহিনীরা হামলা ও হুমকি দিত। তাই এ সকল অনিয়ম ঠেকাতে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া কর্তৃপক্ষ।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা,কচুয়া :
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চাঁদপুর জেলা শাখার সেক্রেটারী অ্যাডভোকেট মাসুদুল ইসলাম বুলবুল বলেছেন, এদেশের মানুষ দূর্নীতিমুক্ত একটি স্বাধীন বাংলাদেশ চায়। যে দেশে কোনো চাঁদাবাজ,টেহুারবাজ ও দূর্নীতিবাজ কোনো সরকারি কর্মকর্তা থাকবে না। যারা এখনো সরকারি অফিসে বসে বসে দূর্নীতি করছেন আপনি ইস্তেফা দিয়ে চলে যান। এদেশের মানুষ সরকারি টেবিলে আপনাকে আর চায় না। এদেশকে দুর্নীতিমুক্ত করার জন্য সোনার মানুষ তৈরি করতে হবে। বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী সেই সোনার মানুষ গুলো তৈরি করার জন্য কাজ করছে। তিনি শনিবার বিকালে চাঁদপুরের কচুয়ার পালাখাল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে পালাখাল মডেল ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আয়োজনে কর্মী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, ফ্যাসিবাদী আওয়ামী সরকার আমাদের অনেক নেতাকর্মীদের হত্যা ও গুম করেছে, তাদের বাড়িঘরে বুল্ডাজার দিয়ে উড়িয়ে দিয়েছেন। তারপরও আমাদের কোনো নেতাকর্মী এদেশ থেকে পালিয়ে যায়নি। স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা তাদের নেতাকর্মীদের এতিম রেখে এদেশ থেকে পালিয়ে গিয়েছে। শেখ হাসিনা এদেশের প্রত্যেক ঘরে ঘরে চাকরি দেয়ার নাম করে একটি করে লাশ উপহার দিয়েছেন। সেই স্বৈরাচারী ফ্যাসিবাদী সরকারের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতা আন্দোলন করতে গিয়ে গুলি খেয়ে প্রান হারিয়েছেন। নির্বিচারে শেখ হাসিনা সরকার ছাত্র-জনতার উপর গুলি চালিয়েছে। তারা চেয়েছিল এ হত্যা চালিয়ে ক্ষমতা আরো পাকাপক্ত করবে কিন্তু ছাত্র-জনতার আন্দোলন বিপ্লবের মাধ্যমে নতুন বিজয় হয়েছে।
জামায়াতে ইসলামী পালাখাল মডেল ইউনিয়ন শাখার সভাপতি মাওলানা জসীম উদ্দীনের সভাপতিত্বে ও জামায়াত নেতা এবায়েদ উল্যাহ’র পরিচালনায় প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ মাজলিসুল মুফাসসিরীনের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারী ও হাজীগঞ্জ কামিল মাদ্রাসার প্রধান মুহাদ্দিস আবু নছর আশরাফী।
বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী কচুয়া শাখার আমীর এডভোকেট আবু তাহের মেসবাহ,নায়েবে আমীর মাষ্টার সিরাজুল ইসলাম,সেক্রেটারী মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী প্রমুখ। এসময় ওই ইউনিয়নের জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন ওয়ার্ডের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


কণ্ঠশিল্পী
আসিফ আকবর সম্প্রতি নতুন ফ্ল্যাটে উঠেছেন। তবে নতুন বাসায় উঠেই তার আদরের বিড়াল পুম্বাকে
হারিয়ে ফেলেছেন। পোষ্য প্রাণীটিকে খুঁজে পেতে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।
নতুন ফ্ল্যাটের আশপাশে খোঁজার পাশাপাশি সিসি ফুটেজও দেখছেন বলে জানিয়েছিলেন তিনি।
কিন্তু
সেই ঘটনার ২ সপ্তাহেও বিড়ালটির খোঁজ পাচ্ছেন না আসিফ। ছোট ছেলে রুদ্রর আগ্রহে বাড়িতে
আনা হয়েছিল পুম্বাকে।
বিড়ালটি
হারানোর পর থানায় জিডিও করেছিলেন, প্রতিদিন খোঁজ করছেন আশপাশে। না পেয়ে অবশেষে ঘোষণা
করলেন পুরস্কার, কেউ পুম্বার হদিস দিতে পারলে দেবেন ৫০ হাজার টাকা।
আসিফ
ফেসবুকে লেখেন, বিড়ালটা বেঁচে আছে, হয়তো কারো বাসায় আছে। তিনি হয়তো মালিক খুঁজে পাচ্ছেন
না। অথবা কেউ নিজের মনে করে লুকিয়ে রেখেছেন এই সম্ভাবনাও নাকচ করছি না। পুম্বা খুব
সুন্দর দেশি ক্যাট, জানি সে ভালো যত্ন-আত্তিতেই আছে। ওকে ইনজেকশন দেওয়ার সময় হয়ে এসেছে।
প্লিজ, পুম্বার সন্ধান দিন, ৫০ হাজার টাকা গিফট পৌঁছে যাবে।
মন্তব্য করুন


চাঁদপুরের চরভৈরবী থেকে ষাটনল পর্যন্ত ৭০ কিলোমিটার নদী এলাকায় বসবাস করেন প্রায় অর্ধলক্ষাধিক জেলে। দেশের ৬টি অভয়াশ্রমে ইলিশ সহ সব ধরনের মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা শেষ হয়েছে গত মধ্যরাতে।মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকে ভোলা, চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর সহ নদী অঞ্চলে জেলেদের ইলিশ ধরতে দেখা গেছে।
যৌথ
অভিযানে জাটকা সংরক্ষণ অভিযান সফল হওয়ায় এবার ইলিশ উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছয় লাখ মেট্রিক
টন ছাড়িয়ে যাবে বলে জানিয়েছে জেলা মৎস্য অফিস।
এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকেই জেলেরা জাল, নৌকা ও ট্রলার নিয়ে ইলিশসহ অন্য মাছ শিকারে প্রস্তুতি নেন।
জেলা
মৎস্য অফিস জানিয়েছে, এবার ৫৭৫টি অভিযান, ১২৮টি মোবাইল কোর্ট, ৩৩৪ জন জেলেকে আটক করে
বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, প্রায় ৫৩ দশমিক ৯১০ লাখ মিটার কারেন্ট
জাল জব্দ করা হয়েছে। এদিকে, ৩ দশমিক ৪১৬ মেট্রিক টন জাটকা আটক করে দুস্থ ও এতিমদের
মাঝে বিতরণ করে দেওয়া হয়েছে। আর জরিমানা আদায় করা হয়েছে ছয় লাখ ৫০৫ টাকা।
নিষেধাজ্ঞা
শেষে মাছ শিকার নিয়ে নৌ পুলিশ জানিয়েছে, নিষেধাজ্ঞার সময় ১ মার্চ থেকে ২৭ এপ্রিল
পর্যন্ত ইলিশ অভয়াশ্রমে অভিযান চালিয়ে ১৯ কোটি ১৩ লাখ মিটার অবৈধ জাল, ১৭ হাজার ৮১৯
কেজি মাছ, ২৪৪টি নৌকাসহ এক হাজার ১১৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে চাঁদপুর জেলার নৌ থানা পুলিশ।
তাদের বিরুদ্ধে ১৭০টি নিয়মিত মামলা করা হয়েছে। এছাড়া ২২৬ আসামিকে ৪৮টি মোবাইল কোর্টের
মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে। ২১৩ জনকে ছয় লাখ ২৭ হাজার টাকা জরিমানা
করা হয়েছে। ১৫২ জন অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় অভিভাবকের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।
জেলা
মৎস্য কর্মকর্তা গোলাম মেহেদী হাসান বলেন, জেলেদের খাদ্য সহায়তা হিসেবে জনপ্রতি ৪০
কেজি করে চার কিস্তিতে মোট ১৬০ কেজি চাল সহায়তা দেওয়া হয়েছে। ফলে জেলা প্রশাসন,
পুলিশ প্রশাসন, কোস্টগার্ড ও জেলা টাস্কফোর্সের যৌথ অভিযানে জাটকা সংরক্ষণ অভিযান সফল
হওয়ায় ইলিশ উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছয় লাখ মেট্রিক টন ছাড়িয়ে যাবে। তাছাড়া অসাধু
জেলেদের আটক করে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ও জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
দেশের
ইলিশ সম্পদ রক্ষায় সরকার প্রতি বছর ১ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল দুই মাসের কর্মসূচি ঘোষণা
করে। এই নির্দিষ্ট সময়ে মাছ ধরা, পরিবহন, বিক্রি ও মজুত সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকে ।
মন্তব্য করুন