স্বামী-স্ত্রী নিঃসন্তান দম্পতির কাছ থেকে অর্ডার নিয়ে করতো শিশু অপহরণ

স্বামী-স্ত্রী নিঃসন্তান দম্পতির কাছ থেকে অর্ডার নিয়ে করতো শিশু অপহরণ
সংগৃহীত

অপহরণের জগতে এ যেন এক নতুন মোড়।


রাজধানীর হাজারীবাগের নিউ মডেল টাউন এলাকায় থাকেন নুরুল ইসলাম। পেশায় রিকশাচালক। দুই সন্তান ও স্ত্রীকে নিয়ে বসবাস করেন। ২১ মার্চ বিকেলে বাসার সামনে তার ছয় বছর বয়সী মেয়ে তাবাসসুম ও আড়াই বছর বয়সী ছেলে তাওসীন খেলতে যায়।এসময় শিশুদের সঙ্গে যায় তাদের নানী। কিছুক্ষণ পর একজন বোরকা পরা নারী বাসার সামনে এসে শিশুদের নানীর সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তোলার চেষ্টা করেন।এর কিছু সময় পর বাচ্চাদের রেখে বাসার ভেতরে যান নানী। এই সুযোগে বোরকা পরা ওই নারী শিশুদের ডেকে নিয়ে দুজনকে চিপস কিনে দেন। চিপস নিয়ে তাবাসসুম বাসায় ফিরে গেলেও তাওসীনকে নিজের কাছে রেখে দেন ওই নারী। একপর্যায়ে শিশুটিকে কোলে নিয়ে ঝাউচর মেইন রোডের দিকে চলে যান তিনি। এভাবেই নিখোঁজ হয়ে যায় শিশু তাওসীন।


বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডে নিজ কার্যালয়ে শিশু অপহরণ চক্রের বিষয়ে সাংবাদিকদের এসব তথ্য দেন ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (গোয়েন্দা) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।


তিনি জানান, স্বামী-স্ত্রীর এই চক্রটি নিঃসন্তান কোনো দম্পতির কাছে বাচ্চার অর্ডার পেয়ে শিশু অপহরণ করতো। এরপর শিশুটিকে বিক্রি করে দিতো তারা। তারা হলেন অপহরণকারী সুলতানা আক্তার ওরফে নেহা (২২) ও তার স্বামী শিশু বিক্রেতা সাইফুল ইসলাম (২৭) এবং ক্রেতা মো. শাহজাহান (৩৪)। বুধবার (২৭ মার্চ) কুমিল্লার লালমাই ও বরুড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।



তাওসীন অপহরণের মামলার তদন্ত করতে গিয়ে এমন তথ্য পায় ডিবি পুলিশ। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়। একই সঙ্গে শাহজাহানের বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয় শিশুটিকে। শাহজাহান ৫০ হাজার টাকায় সাইফুল-নেহা দম্পতির কাছ থেকে ওই শিশুকে কিনে নিয়েছিলেন।


ডিবি জানায়, চক্রটি নিঃসন্তান দম্পতির কাছ থেকে শিশু বিক্রির অর্ডার নিয়ে অপহরণের জন্য মাঠে নামতো। পরে চাহিদামতো শিশু পেলে কৌশলে অপহরণ করে বিক্রি করে দিতো নিঃসন্তান দম্পতির কাছে। এই চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে বিয়ের ঘটকদের মতো নিঃসন্তান দম্পতির কাছ থেকে অর্ডার নিয়ে শিশু চুরি করে বিক্রি করতো। অপহরণের কাজটি করতেন সাইফুলের স্ত্রী নেহা। তিনি বোরকা পরে বিভিন্ন এলাকায় শিশুদের টার্গেট করতেন। এরপর কৌশলে তাদের চকলেট, চিপসসহ নানা প্রলোভন দেখিয়ে কোলে করে নিয়ে সটকে পড়তেন। 


ভুক্তভোগী শিশু তাওসীনকে তারা অপহরণ করে কুমিল্লার শাহজাহানের কাছে ৫০ হাজার টাকায় বিক্রি করেছিলেন।


ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ঝিনাইদহে সড়ক দুর্ঘটনায় চার সেনাসদস্য আহত

সাবেক ডিএমপির কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ ৩ পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড

আদালতের নির্দেশ— বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানির সংযোগ বিচ্ছিন্নে নিষেধাজ্ঞা

জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের অফিস সহকারীকে ‘হত্যার হুমকি’, যুবক আটক

ট্রাকচাপায় দুই কিশোরের মর্মান্তিক মৃত্যু

চাঁদপুরে হাঁস বিক্রিতে ওজনে প্রতারণা, পুলিশ সুপারের উপস্থিতিতে ২ ব্যবসায়ীকে জেল-জরিমানা

পাঁচ পুলিশ সদস্যকে কুপিয়ে হাতকড়াসহ আসামি ছিনতাই

চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন বাঞ্ছারামপুরের ইউএনও ফেরদৌস আরা

মোবাইল ফোন আমদানিতে ট্যাক্স কমানোর ঘোষণা দিলেন প্রেস সচিব

পাবলিক প্লেসে ধূমপান ও তামাক সেবনে ২ হাজার টাকা জরিমানা কার্যকর

১০

এনসিপি নেতাকে গুলিবর্ষণকারী ডিকে শামীম গ্রেপ্তার

১১

বিএনপির মনোনয়ন পেলেন অ্যাটর্নি জেনারেল আসাদুজ্জামান

১২

নতুন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী

১৩

ক্ষমতায় এলে ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের জন্য ‘বিশেষ ভাতা’র ঘোষণা বিএনপির

১৪

মাদক কারবারির বাড়ির সামনেই বিক্ষোভ: গ্রেপ্তারের দাবী এলাকাবাসীর

১৫

উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে দুইটি অধ্যাদেশ অনুমোদন

১৬

এনসিপি নেত্রী জান্নাত আরা রুমীর মরদেহ উদ্ধার

১৭

আবাসিক হোটেল থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার , স্বামী আটক

১৮

এখন থেকে টাক বলে অপমান করলেই হবে যৌন হয়রানির শাস্তি

১৯

সুপ্রিম কোর্টসহ দেশের সব আদালতের নিরাপত্তা চেয়ে আইজিপিকে চিঠি

২০

ইলিশের কেজি ৭০০ টাকা নির্ধারণ করতে আইনি নোটিশ

ইলিশের কেজি ৭০০ টাকা নির্ধারণ করতে আইনি নোটিশ
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের জনগণের জন্য প্রতি কেজি ইলিশ মাছের খুচরা বিক্রয় মূল্য সর্বোচ্চ ৭০০ টাকা নির্ধারণ চেয়ে আইনি নোটিশ দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের এক আইনজীবী।

রোববার (২৯ সেপ্টেম্বর) ডাকযোগে ও ই-মেইলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব, জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের চেয়ারম্যান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং আমদানি ও রপ্তানি প্রধান নিয়ন্ত্রকের দপ্তরের প্রধান নিয়ন্ত্রকের কাছে এ নোটিশ পাঠান আইনজীবী খন্দকার হাসান শাহরিয়ার।

নোটিশে আগামী ৭ দিনের মধ্যে ইলিশ মাছের পাইকারি ও খুচরা বাজার মনিটরিং করা, ইলিশ মাছ সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে পাচাররোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ, সাগরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি বা জলবায়ু পরিবর্তনের মতো বিষয়গুলোর বাস্তবতা মেনে ভারত ও বাংলাদেশ মিলিয়ে একটি অভিন্ন সময়ে বা কাছাকাছি সময়ে ইলিশ মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখার বিষয়ে লিখিতভাবে ভারতকে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দেওয়া। এছাড়া ভবিষ্যতে যেকোনো দেশে ইলিশ মাছ রপ্তানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের বাজারমূল্যের চেয়ে কম দামে যেন ইলিশ মাছ রপ্তানি করা না হয় সেই বিষয়টি নিশ্চিত করার কথাও বলা হয়েছে। অন্যথায় উচ্চ আদালতে রিট দায়ের করা হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

নোটিশে বলা হয়, বাংলাদেশের জাতীয় মাছ ইলিশ মূলত বঙ্গোপসাগরের মাছ। মহান আল্লাহ প্রদত্ত এই ইলিশ মাছ বাংলাদেশ, ভারত, মিয়ানমারসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পাওয়া যায়। বাংলাদেশের চেয়ে ভারত ও মিয়ানমারের সমুদ্রসীমা অনেক বেশি বিস্তৃত। ভারত ও মিয়ানমারের সমুদ্রসীমায় প্রচুর ইলিশ মাছ উৎপাদন হয়। এছাড়া ভারতের বিভিন্ন নদীতেও ইলিশ মাছ পাওয়া যায়। এই ইলিশ মাছ সাগরের মাছ হলেও ডিম পাড়ার জন্য যখন ইলিশ পদ্মা নদীতে আসে, তখন ইলিশ মাছ পদ্মার বিভিন্ন প্রাকৃতিক খাবার খেয়ে পরিপুষ্ট হয় এবং প্রাকৃতিকভাবে অত্যন্ত সুস্বাদু হয়ে উঠে। মূলত পদ্মা নদীর ইলিশ মাছই স্বাদে ও গন্ধে উৎকৃষ্ট। ফলে পদ্মা নদীর ইলিশ মাছ যখন রান্না করা হয় তখন এর সুঘ্রাণ চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। যেহেতু ইলিশ মাছ সাগরের মাছ তাই এই মাছ পুকুরে বা অন্য কোনো স্থানে চাষ করতে হয় না। ফলে ইলিশের কোনো ধরনের উৎপাদন খরচ নেই। এটি শতভাগ প্রাকৃতিকভাবে উৎপাদিত মাছ। বাংলাদেশে রুই, কাতলাসহ যেসব মাছ চাষ করা হয় তা বাজারে কেজি প্রতি সর্বোচ্চ ৫শ টাকাতে খুচরা বিক্রয় করা হয়। বাংলাদেশে ভারতীয় এজেন্টরা ও মাছ রপ্তানিকারকরা সারা বছর পদ্মা নদীর ইলিশ মাছ মজুদ করে রাখে। বাংলাদেশ সরকারের অনুমতি সাপেক্ষে পদ্মা নদীর সব ইলিশ মাছ ভারতে রপ্তানি করে এবং ক্ষেত্রবিশেষে সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে পাচার করে। বাংলাদেশের পদ্মা নদীর সব ইলিশ মাছ ভারতে রপ্তানি ও পাচার হওয়ার কারণে বাংলাদেশের জনগণ জাতীয় মাছ হওয়া সত্ত্বে বাজারে গিয়ে পদ্মা নদীর ইলিশ পায় না। ফলে বাংলাদেশের জনগণকে সামুদ্রিক ইলিশ খেতে হয়, যা পদ্মার ইলিশ মাছের মতো সুস্বাদু নয়।

বাংলাদেশে ইলিশ সুরক্ষায় তিন মেয়াদে নিষেধাজ্ঞা থাকে। এর মধ্যে অক্টোবরে ২২ দিন। এ সময় মা মাছের ডিম ছাড়ার সুযোগ দেওয়া হয়। এরপর বাচ্চা হলে তার সুরক্ষায় ১ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল দুই মাস নিষেধাজ্ঞা থাকে। মাছের বাড়ানোর জন্য ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই আবার এক দফায় সাগরে নিষেধাজ্ঞা থাকে। অন্যদিকে ভারতে নিষেধাজ্ঞা থাকে ১৫ এপ্রিল থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত। ১৫ জুন শুরু হয় তাদের মাছ ধরা। বাংলাদেশে ইলিশ মাছ ধরার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞার সুবিধা পাচ্ছেন ভারতের মৎস্যজীবীরা। এক মাসের বেশি সময় ধরে বাংলাদেশে চলা নিষেধাজ্ঞার সময় ভারতে ব্যাপকভাবে ইলিশ মাছ ধরা হয়। এতে বিশেষ করে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উপকূলে বেশি ইলিশ মাছ ধরা পড়ে। সাগরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি বা জলবায়ু পরিবর্তনের মতো বিষয়গুলোর বাস্তবতা মেনে ভারত ও বাংলাদেশ মিলিয়ে একটি অভিন্ন সময়ে বা কাছাকাছি সময়ে ইলিশ মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখা তাই অত্যন্ত জরুরি। কিন্তু এই বিষয় নিয়ে এখনো ভারতকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি বাংলাদেশ। নোটিশ প্রাপকদের দায়িত্বে অবহেলার ফলে বাংলাদেশের জনগণ কম দামে বড় আকারের সুস্বাদু পদ্মার ইলিশ মাছ তথা জাতীয় মাছ খাওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়।

নোটিশে আরও বলা হয়েছে, বাংলাদেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমগুলোতে জাতীয় মাছ ইলিশের দাম বাংলাদেশের জনগণের ক্রয়সীমার বাইরে সংবাদ প্রকাশ ও প্রচারিত হওয়ার পর ২৫ সেপ্টেম্বর ঢাকার কারওয়ান বাজারে এবং ২৬ সেপ্টেম্বর ফরিদপুরে জাতীয় ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তর থেকে অভিযান পরিচালনা করে। সেই সময় হঠাৎ করেই অভিযান পরিচালনার স্থানে দাম কমে যায় ইলিশ মাছের। অথচ জাতীয় মাছ ইলিশ নিয়ে ষড়যন্ত্রমূলক যোগসাজশ করে এক শ্রেণির মৎস্য ব্যবসায়ীরা দীর্ঘদিন ধরে মনোপলি কর্মকাণ্ড করলেও নোটিশ প্রাপকরা প্রতি কেজি ইলিশের সর্বোচ্চ খুচরা বিক্রয় মূল্য নির্ধারণ করে বাংলাদেশের জনগণকে সুলভে জাতীয় মাছ ইলিশ খাওয়ানোর ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপ নেননি।  

নোটিশে আইনজীবী খন্দকার হাসান শাহরিয়ার আরও বলেছেন, বিভিন্ন জাতীয় গণমাধ্যমগুলোতে প্রকাশিত সংবাদ অনুসারে, শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারতে প্রতি কেজি ইলিশ ১০ মার্কিন ডলার বা ১ হাজার ১৮০ টাকা দরে রপ্তানি শুরু হয়েছে। ভারতে যেই দামে ইলিশ মাছ রপ্তানি হচ্ছে, তার চেয়ে প্রতি কেজিতে কমপক্ষে ৯শ টাকা বেশি খরচ করতে হচ্ছে বাংলাদেশের ভোক্তাদের। ইলিশ রপ্তানির পরিপত্রটি কয়েক বছর আগে তৈরি করা। এছাড়া বাংলাদেশের রপ্তানি নীতি ২০২১-২৪ অনুযায়ী, ইলিশ মাছ মুক্তভাবে রপ্তানিযোগ্য কোনো পণ্য নয়। এই মাছ রপ্তানি করতে চাইলে যথাযথ শর্ত পূরণ করতে হবে। তাই ইলিশ মাছ রপ্তানির ক্ষেত্রে দেশীয় বাজারদরের চেয়ে বেশি মূল্যে রপ্তানি মূল্য নির্ধারণ করা উচিত ছিল। বাংলাদেশের জনগণ যেখানে প্রতি কেজি ইলিশ মাছ ১৯০০-২৪০০ টাকায় খুচরা বাজারে কিনছে সেখানে ভারতে রপ্তানি মূল্য কীভাবে ১১৮০ টাকা হতে পারে? এর ফলে বাংলাদেশ বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন থেকে বঞ্চিত হয়েছে। এই ক্ষেত্রেও নোটিশ প্রাপকরা চরম দায়িত্ব জ্ঞানহীনতার পরিচয় দিয়ে রাষ্ট্র ও জনগণের ক্ষতিসাধন করেছেন।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ঝিনাইদহে সড়ক দুর্ঘটনায় চার সেনাসদস্য আহত

সাবেক ডিএমপির কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ ৩ পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড

আদালতের নির্দেশ— বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানির সংযোগ বিচ্ছিন্নে নিষেধাজ্ঞা

জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের অফিস সহকারীকে ‘হত্যার হুমকি’, যুবক আটক

ট্রাকচাপায় দুই কিশোরের মর্মান্তিক মৃত্যু

চাঁদপুরে হাঁস বিক্রিতে ওজনে প্রতারণা, পুলিশ সুপারের উপস্থিতিতে ২ ব্যবসায়ীকে জেল-জরিমানা

পাঁচ পুলিশ সদস্যকে কুপিয়ে হাতকড়াসহ আসামি ছিনতাই

চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন বাঞ্ছারামপুরের ইউএনও ফেরদৌস আরা

মোবাইল ফোন আমদানিতে ট্যাক্স কমানোর ঘোষণা দিলেন প্রেস সচিব

পাবলিক প্লেসে ধূমপান ও তামাক সেবনে ২ হাজার টাকা জরিমানা কার্যকর

১০

এনসিপি নেতাকে গুলিবর্ষণকারী ডিকে শামীম গ্রেপ্তার

১১

বিএনপির মনোনয়ন পেলেন অ্যাটর্নি জেনারেল আসাদুজ্জামান

১২

নতুন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী

১৩

ক্ষমতায় এলে ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের জন্য ‘বিশেষ ভাতা’র ঘোষণা বিএনপির

১৪

মাদক কারবারির বাড়ির সামনেই বিক্ষোভ: গ্রেপ্তারের দাবী এলাকাবাসীর

১৫

উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে দুইটি অধ্যাদেশ অনুমোদন

১৬

এনসিপি নেত্রী জান্নাত আরা রুমীর মরদেহ উদ্ধার

১৭

আবাসিক হোটেল থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার , স্বামী আটক

১৮

এখন থেকে টাক বলে অপমান করলেই হবে যৌন হয়রানির শাস্তি

১৯

সুপ্রিম কোর্টসহ দেশের সব আদালতের নিরাপত্তা চেয়ে আইজিপিকে চিঠি

২০

৩৬ কেজি গাঁজাসহ ২ জন গ্রেফতার

৩৬ কেজি গাঁজাসহ ২ জন গ্রেফতার
ছবি

আজ মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) সকালে আখাউড়া-আগরতলা সড়কের পৌর শহরের বাইপাস এলাকা থেকে বিপুল পরিমাণ গাঁজাসহ কামরুল ইসলাম (৪০) ও গোলাম রাব্বি (২৫) নামে ২ জনকে গ্রেফতার করে আখাউড়া থানা পুলিশ। 

পুলিশ জানায়, আখাউড়া-ব্রাহ্মণবাড়িয়া সড়কের পৌর শহরের বাইপাস এলাকায় সকালে পুলিশ অভিযান চালায়। এ সময় একটি প্রাইভেটকার আটক করা হয়। এ সময়, তল্লাশি চালিয়ে স্কচটেপ দিয়ে মোড়ানো অবস্থায় ৩৬ কেজি গাঁজাসহ আখাউড়া উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক কামরুল ইসলাম এবং তার গাড়ি চালক রাব্বিকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

আখাউড়া থানা (ওসি) মোহাম্মদ ছমিউদ্দিন বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সকালে পৌরশহরের বাইপাসের কোড্ডা সড়ক এলাকা থেকে ৩৬ কেজি গাঁজাসহ কামরুল ইসলাম ও তার সহযোগী রাব্বিকে গ্রেফতার করা হয়। জব্দ করা হয় মাদক চোরাচালানি কাজে ব্যবহৃত তার প্রাইভেটকারটি। ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য থেকে গাঁজার চালান এক মাদক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে গ্রহণ করে সে ঢাকায় নিয়ে যাচ্ছিলেন। আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতের মাধ্যমে তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া কারাগারে পাঠানো হবে বলেও জানান তিনি। 

অপরদিকে, মাদকসহ যুবদল নেতা কামরুল ইসলাম গ্রেফতারের বিষয়টি দলীয় ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করায় তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান উপজেলা বিএনপির সিনিয়র নেতারা।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ঝিনাইদহে সড়ক দুর্ঘটনায় চার সেনাসদস্য আহত

সাবেক ডিএমপির কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ ৩ পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড

আদালতের নির্দেশ— বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানির সংযোগ বিচ্ছিন্নে নিষেধাজ্ঞা

জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের অফিস সহকারীকে ‘হত্যার হুমকি’, যুবক আটক

ট্রাকচাপায় দুই কিশোরের মর্মান্তিক মৃত্যু

চাঁদপুরে হাঁস বিক্রিতে ওজনে প্রতারণা, পুলিশ সুপারের উপস্থিতিতে ২ ব্যবসায়ীকে জেল-জরিমানা

পাঁচ পুলিশ সদস্যকে কুপিয়ে হাতকড়াসহ আসামি ছিনতাই

চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন বাঞ্ছারামপুরের ইউএনও ফেরদৌস আরা

মোবাইল ফোন আমদানিতে ট্যাক্স কমানোর ঘোষণা দিলেন প্রেস সচিব

পাবলিক প্লেসে ধূমপান ও তামাক সেবনে ২ হাজার টাকা জরিমানা কার্যকর

১০

এনসিপি নেতাকে গুলিবর্ষণকারী ডিকে শামীম গ্রেপ্তার

১১

বিএনপির মনোনয়ন পেলেন অ্যাটর্নি জেনারেল আসাদুজ্জামান

১২

নতুন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী

১৩

ক্ষমতায় এলে ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের জন্য ‘বিশেষ ভাতা’র ঘোষণা বিএনপির

১৪

মাদক কারবারির বাড়ির সামনেই বিক্ষোভ: গ্রেপ্তারের দাবী এলাকাবাসীর

১৫

উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে দুইটি অধ্যাদেশ অনুমোদন

১৬

এনসিপি নেত্রী জান্নাত আরা রুমীর মরদেহ উদ্ধার

১৭

আবাসিক হোটেল থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার , স্বামী আটক

১৮

এখন থেকে টাক বলে অপমান করলেই হবে যৌন হয়রানির শাস্তি

১৯

সুপ্রিম কোর্টসহ দেশের সব আদালতের নিরাপত্তা চেয়ে আইজিপিকে চিঠি

২০

কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত

কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত
সংগৃহীত

সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ১০টিতে সাদা প্যানেল আর এনরোলমেন্ট সেক্রেটারি ও ট্রেজারারসহ ৫টিতে নীল প্যানেল বিজয়ী হয়েছেন ।


বৃহস্পতিবার (৭ মার্চ) কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির ২০২৪-২৫ সেশনের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত।

 

বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা হতে বিকেল ৫টা পর্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এ বছর ১৩৫৯ জন ভোটারের মধ্যে ১২৮০জন ভোটার গোপন ব্যালটের মাধ্যমে তাদের সুশ্চিন্তিত মতামত প্রকাশ করেন। এরপর রাত সাড়ে ৯টায় ভোট গণনা শুরু হয় আর শেষ হয় পরদিন সকাল ১১টায়।


জেলা আইনজীবী সমিতির অফিস সূত্রে জানা যায়- এ নির্বাচনে ১৫টি পদে দুটি প্যানেলে ৩০জন প্রার্থী লড়াই করেন। এরমধ্যে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ১০টিতে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ সমর্থিত সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদ মনোনীত "লিটন-জাহাঙ্গীর" পরিষদ সাদা প্যানেল এবং এনরোলমেন্ট সেক্রেটারি ও ট্রেজারারসহ ৫টিতে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য প্যানেল মনোনীত "কামরুল হায়াত খান-খন্দকার মিজানুর রহমান" নীল প্যানেল বিজয়ী হয়েছেন।


ওই নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ সমর্থিত সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদ মনোনীত "লিটন-জাহাঙ্গীর" প্যানেল থেকে সভাপতি পদে এডভোকেট মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান লিটন পেয়েছেন ৬৭৫ ভোট ও তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী  এডভোকেট কামরুল হায়াত খান পেয়েছেন ৫৯১ ভোট এবং সাধারণ সম্পাদক পদে এডভোকেট মোঃ জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া পেয়েছেন ৬৬৮ ভোট ও তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এডভোকেট খন্দকার মিজানুর রহমান পেয়েছেন ৫৯০ ভোট এবং  সহ-সভাপতি পদে এডভোকেট মোঃ মুজিবুর রহমান বাহার পেয়েছেন ৬৬৭ ভোট ও এডভোকেট মোঃ মাহবুব আলী পেয়েছেন ৬২৭ ভোট এবং তাদের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এডভোকেট মোঃ নুরুল ইসলাম পেয়েছেন ৬০৬ ভোট ও এডভোকেট মোঃ এরশাদুর রহমান পেয়েছেন ৫৭২ ভোট এবং সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে মোঃ জাকির হোসেন পেয়েছেন ৬৮৪ ভোট ও তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এডভোকেট গাজী মোঃ নজরুল ইসলাম (মানিক) পেয়েছেন ৫৮৫ ভোট এবং লাইব্রেরি সেক্রেটারি পদে এডভোকেট ফয়েজ আহমেদ পেয়েছেন ৭০১ ভোট ও তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোঃ মোশারফ হোসেন (পাখী) পেয়েছেন ৫৫৬ ভোট এবং আইটি পদে এডভোকেট মোঃ মহসিন ভূইয়া পেয়েছেন ৬৯৬ ভোট ও তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এডভোকেট এস, এম সাইফুল ইসলাম পেয়েছেন ৫৬৬ ভোট এবং আমোদ-প্রমোদ সম্পাদক পদে এডভোকেট আছিয়া মাহজাবিন খান নিশু পেয়েছেন ৬৪২ ভোট ও তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এডভোকেট মোঃ সাইফুর রহমান সায়েম পেয়েছেন ৬১৪ ভোট এবং মেম্বার অব দি ম্যানেজিং কমিটির সদস্য পদে এডভোকেট মাহবুবুল আলম রিমন ৬৯০ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় ও এডভোকেট মোঃ জাহাঙ্গীর আলম ৬৭৯ ভোট পেয়ে চতুর্থ হয়েছেন। 


অপরদিকে, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য প্যানেল মনোনীত "কামরুল হায়াত খান-খন্দকার মিজানুর রহমান প্যানেল থেকে ট্রেজারার পদে এডভোকেট কাজী মফিজুল ইসলাম পেয়েছেন ৬৯৯ ভোট ও তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এডভোকেট মোঃ আমিনুল ইসলাম পেয়েছেন ৫৪১ ভোট এবং এনরোলমেন্ট সেক্রেটারি পদে এডভোকেট মোহাম্মদ মনির হোসেন পাটোয়ারী পেয়েছেন ৭২২ ভোট ও তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এডভোকেট কৌশিক সরকার পেয়েছেন ৫৩৬ ভোট এবং সদস্য পদে এডভোকেট কামরুন নাহার ৭৩০ ভোট পেয়ে প্রথম, এডভোকেট মোঃ আবু জাফর ৬৮৯ ভোট পেয়ে তৃতীয় ও এডভোকেট মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক ৬৪৪ ভোট পেয়ে পঞ্চম হয়েছেন।


নির্বাচন পরিচালনা সাব কমিটির আহবায়ক কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মোঃ আবু তাহের ভোট গণনা শেষে শুক্রবার সকাল ১২টার দিকে এ ফলাফল ঘোষণা করেন। তাঁকে সহযোগিতা করে নির্বাচন সাব কমিটির সদস্য ও জেলা আইনজীবী সমিতির সহ-সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মোঃ এয়াকুব আলী চৌধুরী ও এনরোলমেন্ট সেক্রেটারি এডভোকেট সৈয়দ শাহিদুল আহসান টিপু। এরপর আদালত চত্বরে অবস্থিত বঙ্গবন্ধুর মূর‍্যালে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে কুমিল্লা মহানগর আওয়ামীলীগের কার্যালয়ে কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী আ. ক. ম বাহাউদ্দীন বাহারকে ফুলেল শুভেচছা জানান বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ সমর্থিত সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদ মনোনীত "লিটন-জাহাঙ্গীর" প্যানেল থেকে বিজয়ী সকল নেতৃবৃন্দসহ আওয়ামী পন্থী প্রায় দুই শতাধিক আইনজীবী।


ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ঝিনাইদহে সড়ক দুর্ঘটনায় চার সেনাসদস্য আহত

সাবেক ডিএমপির কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ ৩ পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড

আদালতের নির্দেশ— বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানির সংযোগ বিচ্ছিন্নে নিষেধাজ্ঞা

জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের অফিস সহকারীকে ‘হত্যার হুমকি’, যুবক আটক

ট্রাকচাপায় দুই কিশোরের মর্মান্তিক মৃত্যু

চাঁদপুরে হাঁস বিক্রিতে ওজনে প্রতারণা, পুলিশ সুপারের উপস্থিতিতে ২ ব্যবসায়ীকে জেল-জরিমানা

পাঁচ পুলিশ সদস্যকে কুপিয়ে হাতকড়াসহ আসামি ছিনতাই

চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন বাঞ্ছারামপুরের ইউএনও ফেরদৌস আরা

মোবাইল ফোন আমদানিতে ট্যাক্স কমানোর ঘোষণা দিলেন প্রেস সচিব

পাবলিক প্লেসে ধূমপান ও তামাক সেবনে ২ হাজার টাকা জরিমানা কার্যকর

১০

এনসিপি নেতাকে গুলিবর্ষণকারী ডিকে শামীম গ্রেপ্তার

১১

বিএনপির মনোনয়ন পেলেন অ্যাটর্নি জেনারেল আসাদুজ্জামান

১২

নতুন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী

১৩

ক্ষমতায় এলে ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের জন্য ‘বিশেষ ভাতা’র ঘোষণা বিএনপির

১৪

মাদক কারবারির বাড়ির সামনেই বিক্ষোভ: গ্রেপ্তারের দাবী এলাকাবাসীর

১৫

উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে দুইটি অধ্যাদেশ অনুমোদন

১৬

এনসিপি নেত্রী জান্নাত আরা রুমীর মরদেহ উদ্ধার

১৭

আবাসিক হোটেল থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার , স্বামী আটক

১৮

এখন থেকে টাক বলে অপমান করলেই হবে যৌন হয়রানির শাস্তি

১৯

সুপ্রিম কোর্টসহ দেশের সব আদালতের নিরাপত্তা চেয়ে আইজিপিকে চিঠি

২০

কুমিল্লায় ৩৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার

কুমিল্লায় ৩৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার
৩৪ কেজি গাঁজা

ব্রাহ্মণপাড়া থানায় কর্মরত এসআই (নিরস্ত্র)শফিক উল্লাহ, এএসআই (নিরস্ত্র) মোঃ হেলাল উদ্দিন ও সঙ্গীয় ফোর্সসহ ব্রাহ্মণপাড়া থানা এলাকা থেকে ৩৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয় ।

শুক্রবার দিনে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য উদ্ধার ও গ্রেফতারী পরোয়ানা তামিল ডিউটি করাকালে ব্রাহ্মণপাড়া থানাধীন ৪নং শশীদল ইউনিয়নের পশ্চিম বাগড়া সাকিনে আছমত আলী বেপারী বাড়ির পুকুরের দক্ষিণ পাড়ে পৌঁছামাত্রই পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকজন লোক দৌঁড়ে পালিয়ে যায়। 

পরবর্তীতে উপস্থিত সাক্ষীদের মোকাবেলায় আসামীদের ফেলে যাওয়া ১টি সাদা রংয়ের বিশেষ কায়দায় তৈরী মাছ রাখার ড্রাম তল্লাশী করে ড্রামের ভিতর লুকিয়ে রাখা ১ টি পাটের বস্তার ভিতর থেকে খাকী রংয়ের কসটেপ দিয়ে মোড়ানো ১০টি বান্ডেল গাঁজা উদ্ধার করা হয় যারে মোট পরিমাণ ২০ কেজি গাঁজা ।

আরেকটি সাদা রংয়ের প্লাস্টিকের বস্তার ভিতর থেকে খাকী রংয়ের কসটেপ দ্বারা মোড়ানো উদ্ধারকৃত ৭টি বান্ডেল গাঁজার ওজন হয় ১৪ কেজি গাঁজা ।

 সর্বমোট ৩৪কেজি উদ্ধারপূর্বক জব্দ তালিকা মূলে জব্দ করে উক্ত ঘটনায় ব্রাহ্মণপাড়া থানায় এজাহার দায়ের করা হয়।

এদিকে ব্রাহ্মণপাড়া থানার মামলা নং- ২০/১০৫ তারিখ- ২৭/০৪/২০২৪খ্রিঃ ধারা ৩৬(১) সারনির ১৯(গ) মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ তে রুজু করা হয়।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ঝিনাইদহে সড়ক দুর্ঘটনায় চার সেনাসদস্য আহত

সাবেক ডিএমপির কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ ৩ পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড

আদালতের নির্দেশ— বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানির সংযোগ বিচ্ছিন্নে নিষেধাজ্ঞা

জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের অফিস সহকারীকে ‘হত্যার হুমকি’, যুবক আটক

ট্রাকচাপায় দুই কিশোরের মর্মান্তিক মৃত্যু

চাঁদপুরে হাঁস বিক্রিতে ওজনে প্রতারণা, পুলিশ সুপারের উপস্থিতিতে ২ ব্যবসায়ীকে জেল-জরিমানা

পাঁচ পুলিশ সদস্যকে কুপিয়ে হাতকড়াসহ আসামি ছিনতাই

চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন বাঞ্ছারামপুরের ইউএনও ফেরদৌস আরা

মোবাইল ফোন আমদানিতে ট্যাক্স কমানোর ঘোষণা দিলেন প্রেস সচিব

পাবলিক প্লেসে ধূমপান ও তামাক সেবনে ২ হাজার টাকা জরিমানা কার্যকর

১০

এনসিপি নেতাকে গুলিবর্ষণকারী ডিকে শামীম গ্রেপ্তার

১১

বিএনপির মনোনয়ন পেলেন অ্যাটর্নি জেনারেল আসাদুজ্জামান

১২

নতুন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী

১৩

ক্ষমতায় এলে ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের জন্য ‘বিশেষ ভাতা’র ঘোষণা বিএনপির

১৪

মাদক কারবারির বাড়ির সামনেই বিক্ষোভ: গ্রেপ্তারের দাবী এলাকাবাসীর

১৫

উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে দুইটি অধ্যাদেশ অনুমোদন

১৬

এনসিপি নেত্রী জান্নাত আরা রুমীর মরদেহ উদ্ধার

১৭

আবাসিক হোটেল থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার , স্বামী আটক

১৮

এখন থেকে টাক বলে অপমান করলেই হবে যৌন হয়রানির শাস্তি

১৯

সুপ্রিম কোর্টসহ দেশের সব আদালতের নিরাপত্তা চেয়ে আইজিপিকে চিঠি

২০

পুলিশ সেজে ছিনতাই, ৯৯৯ ফোনে তৎক্ষণাৎ ধরা

পুলিশ সেজে ছিনতাই, ৯৯৯ ফোনে তৎক্ষণাৎ ধরা
সংগৃহীত

বিদেশগামী এক ব্যক্তির টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগে দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। 


গ্রেফতাররা হলেন-মো. রাজু (৫২) ও মো. নাজমুল (৫০)। গ্রেফতার দুইজন পুলিশ পরিচয়ে বিদেশগামী যাত্রীদের কাছ থেকে ছিনতাই করেন।


বুধবার (২৭ মার্চ) রাজধানীর তেজগাঁওয়ের কলমিলতা মার্কেটের সামনে থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।


দুপুরে তেজগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহসীন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গ্রেফতার দুজনই পেশাদার ছিনতাইকারী। তাদের বিরুদ্ধেই একাধিক মামলা রয়েছে। তারা মূলত নিম্নবিত্ত বিদেশগামী যাত্রীদের টার্গেট করেন। যারা শ্রমিক হিসেবে কাজের জন্য মধ্যপ্রাচ্যে যান তারাই এদের মূল টার্গেট। এসব মানুষ সাধারণত সহজ-সরল। তাই এসব মানুষ আসার সঙ্গে সঙ্গেই প্রথমে তাদের পুলিশ পরিচয়ে ধরেন তারা।


এরপর ভয়ভীতি দেখিয়ে তাদের কাছে থাকা নগদ টাকা, মোবাইল ছিনিয়ে নেন। সাধারণত তারা অল্প টাকা যেমন ৫০০, ১০০০ টাকা ছিনতাই করেন। কারণ অল্প টাকা ছিনতাই করলে ভুক্তভোগী আর অভিযোগ করেন না।


ওসি মহসীন আরো বলেন, বুধবার (২৭ মার্চ) সকালে আল আমিন নামের একজন সৌদি আরবগামী ব্যক্তি মেডিকেল পরীক্ষার জন্য ঢাকায় আসেন। এসময় পুলিশ পরিচয়ে তাকে একটি সিএনজি চালিত অটোরিকশায় তোলেন রাজু ও নাজমুল। পরে তার কাছে থাকা ১২ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে তাকে গাড়ি থেকে নামিয়ে দেন। এসময় আল আমিন চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন এসে তাদের আটক করে। 


পরে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করলে তেজগাঁও থানা পুলিশ তাদের আটক করে।


ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ঝিনাইদহে সড়ক দুর্ঘটনায় চার সেনাসদস্য আহত

সাবেক ডিএমপির কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ ৩ পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড

আদালতের নির্দেশ— বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানির সংযোগ বিচ্ছিন্নে নিষেধাজ্ঞা

জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের অফিস সহকারীকে ‘হত্যার হুমকি’, যুবক আটক

ট্রাকচাপায় দুই কিশোরের মর্মান্তিক মৃত্যু

চাঁদপুরে হাঁস বিক্রিতে ওজনে প্রতারণা, পুলিশ সুপারের উপস্থিতিতে ২ ব্যবসায়ীকে জেল-জরিমানা

পাঁচ পুলিশ সদস্যকে কুপিয়ে হাতকড়াসহ আসামি ছিনতাই

চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন বাঞ্ছারামপুরের ইউএনও ফেরদৌস আরা

মোবাইল ফোন আমদানিতে ট্যাক্স কমানোর ঘোষণা দিলেন প্রেস সচিব

পাবলিক প্লেসে ধূমপান ও তামাক সেবনে ২ হাজার টাকা জরিমানা কার্যকর

১০

এনসিপি নেতাকে গুলিবর্ষণকারী ডিকে শামীম গ্রেপ্তার

১১

বিএনপির মনোনয়ন পেলেন অ্যাটর্নি জেনারেল আসাদুজ্জামান

১২

নতুন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী

১৩

ক্ষমতায় এলে ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের জন্য ‘বিশেষ ভাতা’র ঘোষণা বিএনপির

১৪

মাদক কারবারির বাড়ির সামনেই বিক্ষোভ: গ্রেপ্তারের দাবী এলাকাবাসীর

১৫

উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে দুইটি অধ্যাদেশ অনুমোদন

১৬

এনসিপি নেত্রী জান্নাত আরা রুমীর মরদেহ উদ্ধার

১৭

আবাসিক হোটেল থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার , স্বামী আটক

১৮

এখন থেকে টাক বলে অপমান করলেই হবে যৌন হয়রানির শাস্তি

১৯

সুপ্রিম কোর্টসহ দেশের সব আদালতের নিরাপত্তা চেয়ে আইজিপিকে চিঠি

২০

ওসমান হাদিকে গুলি করা সন্দেহভাজনের ছবি প্রকাশ, তথ্য চাইলো পুলিশ

ওসমান হাদিকে গুলি করা সন্দেহভাজনের ছবি প্রকাশ, তথ্য চাইলো পুলিশ
ছবি

হাদির হত্যাচেষ্টাকারীকে ধরিয়ে দিলে ৫০ লক্ষ টাকা পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোঃ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী

এর আগে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদির ওপর হামলার ঘটনায় সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে সাধারণ মানুষের সহযোগিতা চেয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ।

ডিএমপি'র মুখপাত্র ও মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান জানান, শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) রাজধানীর বিজয়নগর বক্স কালভার্ট এলাকায় মোটরসাইকেল আরোহী দুর্বৃত্তদের হামলায় ওসমান হাদি গুরুতর আহত হন।

পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থলের আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করে হামলায় জড়িত এক সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে প্রাথমিকভাবে শনাক্ত করা হয়েছে।

 সন্দেহভাজন ব্যক্তি সম্পর্কে কারও কাছে কোনো তথ্য থাকলে বা তার অবস্থান/সন্ধান পাওয়া গেলে দ্রুত পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

ডিএমপি জানিয়েছে, তথ্য প্রদানকারীর পরিচয় সম্পূর্ণ গোপন রাখা হবে এবং কার্যকর তথ্যের ক্ষেত্রে উপযুক্ত পুরস্কারের ব্যবস্থাও রয়েছে।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ঝিনাইদহে সড়ক দুর্ঘটনায় চার সেনাসদস্য আহত

সাবেক ডিএমপির কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ ৩ পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড

আদালতের নির্দেশ— বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানির সংযোগ বিচ্ছিন্নে নিষেধাজ্ঞা

জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের অফিস সহকারীকে ‘হত্যার হুমকি’, যুবক আটক

ট্রাকচাপায় দুই কিশোরের মর্মান্তিক মৃত্যু

চাঁদপুরে হাঁস বিক্রিতে ওজনে প্রতারণা, পুলিশ সুপারের উপস্থিতিতে ২ ব্যবসায়ীকে জেল-জরিমানা

পাঁচ পুলিশ সদস্যকে কুপিয়ে হাতকড়াসহ আসামি ছিনতাই

চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন বাঞ্ছারামপুরের ইউএনও ফেরদৌস আরা

মোবাইল ফোন আমদানিতে ট্যাক্স কমানোর ঘোষণা দিলেন প্রেস সচিব

পাবলিক প্লেসে ধূমপান ও তামাক সেবনে ২ হাজার টাকা জরিমানা কার্যকর

১০

এনসিপি নেতাকে গুলিবর্ষণকারী ডিকে শামীম গ্রেপ্তার

১১

বিএনপির মনোনয়ন পেলেন অ্যাটর্নি জেনারেল আসাদুজ্জামান

১২

নতুন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী

১৩

ক্ষমতায় এলে ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের জন্য ‘বিশেষ ভাতা’র ঘোষণা বিএনপির

১৪

মাদক কারবারির বাড়ির সামনেই বিক্ষোভ: গ্রেপ্তারের দাবী এলাকাবাসীর

১৫

উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে দুইটি অধ্যাদেশ অনুমোদন

১৬

এনসিপি নেত্রী জান্নাত আরা রুমীর মরদেহ উদ্ধার

১৭

আবাসিক হোটেল থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার , স্বামী আটক

১৮

এখন থেকে টাক বলে অপমান করলেই হবে যৌন হয়রানির শাস্তি

১৯

সুপ্রিম কোর্টসহ দেশের সব আদালতের নিরাপত্তা চেয়ে আইজিপিকে চিঠি

২০

কিশোর গ্যাং গ্রুপের সদস্যরা

কিশোর গ্যাং গ্রুপের সদস্যরা
সংগৃহীত

কেউ গাড়ির হেলপার-ড্রাইভার, কেউ দোকানের কর্মচারী, নির্মাণ শ্রমিক, কেউবা পুরাতন মালামাল ক্রেতা কিংবা রাজমিস্ত্রী। আছে সবজি বিক্রেতাও। কিন্তু ভিন্ন পেশা হলেও সন্ধ্যা নামতেই বদলে যায় তাদের পেশা-পরিচয়। বেরিয়ে আসে ভয়ঙ্কর রূপ।


এসব ভিন্ন ভিন্ন পেশার আড়ালে রাজধানীর মোহাম্মদপুর ও তার আশপাশের এলাকায় তারা ডাকাতি, ছিনতাই ও চাঁদাবাজিতে জড়িত। প্রত্যেকের নামে রয়েছে একাধিক মামলা। প্রত্যেকেই জেল খেটেছেন। বেরিয়ে আবারো জড়িয়েছেন গ্যাং কালচারে।


পুলিশের এলিট ফোর্স র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) রাজধানীর মোহাম্মাদপুর, আদাবর, হাজারীবাগ এলাকায় কিশোর গ্যাং এর বিভিন্ন গ্রুপের ছিনতাই, চাঁদাবাজি, বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত অভিযোগে ৩৬ জনকে গ্রেফতারের পর এসব তথ্য জানিয়েছে ।


গ্রেফতারকৃত কিশোর গ্যাং পাটালি গ্রুপের অন্যতম মূলহোতা সুজন মিয়া ওরফে ফর্মা সজীব এবং লেভেল হাই এর অন্যতম মূলহোতা মো. শরিফ ওরফে মোহন ও চাঁন গ্রুপ,মাউরা ইমরান গ্রুপসহ বিভিন্ন গ্রুপের সদস্য। গ্রেফতারের সময় তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র। গ্রেফতারকৃতরা জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, গ্রেফতারদের মধ্যে ৫ জন পাটালি গ্রুপের, ৬ জন লেভেল হাই, ৬ জন চাঁন গ্রুপ, ৫ জন লও ঠ্যালা গ্রুপ, এবং ৭ জন মাউরা ইমরান গ্রুপের সদস্য। বাকি ৭ জন অন্য গ্রুপের সদস্য। এদের গ্রুপে প্রায় ২০-২৫ জন সদস্য থাকে।


র‌্যাব-২ অধিনায়ক বলেন, সম্প্রতি রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় বেশ কয়েকটি কিশোর গ্যাং গ্রুপের সদস্য ছিনতাই, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রম লক্ষ্য করা যায়। এসব সন্ত্রাসীদের হামলা ও ছিনতাইয়ের অভিযোগে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় একাধিক সাধারণ ডায়েরি ও মামলা হয়েছে। সম্প্রতি মোহাম্মদপুর, আদাবর, হাজারীবাগ ও তার আশপাশের এলাকায় বেশ কয়েকটি ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও অন্যান্য সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড সম্পর্কে তথ্য পেয়ে র‌্যাব টহল ও গোয়েন্দা কার্যক্রম বৃদ্ধি করে।


র‌্যাব-২ অধিনায়ক আরও বলেন, পাটালি গ্রুপটি সুজন মিয়া ওরফে ফর্মা সজীবের নেতৃত্বে দীর্ঘদিন ধরে পরিচালিত হয়ে আসছে। নিজেদের মধ্যে অন্তঃকোন্দলের কারণে তারা ২/৩টি গ্রুপে বিভক্ত হয়। লেভেল হাই গ্রুপটি গ্রেফতার শরিফ ওরফে মোহনের নেতৃত্বে দীর্ঘদিন ধরে পরিচালিত হয়ে আসছে। গ্রেফতাররা মোহাম্মদপুর, আদাবর, বেড়িবাঁধ ও ঢাকা উদ্যান এলাকায় চাঁদাবাজি, ছিনতাই, ডাকাতিসহ অন্যান্য সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করতো। এসব গ্রুপের গ্রেফতাররা একাকী পথচারীদের আকস্মিকভাবে ঘিরে ধরে চাপাতিসহ ধারালো অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে জোর করে অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী ছিনতাই করে দ্রুত পালিয়ে যায়। তারা বিভিন্ন সময় চাঁদাবাজিসহ আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ঢাকা উদ্যান, আদাবর, শ্যামলী, মোহাম্মদপুরসহ পার্শ্ববর্তী এলাকায় দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে মারামারিসহ বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করতো। মাদক সেবনসহ এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গেও জড়িত তারা। মূলত তারা মোহাম্মদপুর এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের জন্য বিভিন্ন অপরাধমূলক কার্যক্রমে জড়িত।


গ্রেফতারদের পেশা সম্পর্কে র‌্যাব-২ এর অধিনায়ক বলেন, বিভিন্ন গাড়ির হেলপার ও ড্রাইভার, দোকানের কর্মচারী, নির্মাণ শ্রমিক, পুরাতন মালামাল ক্রেতা, সবজি বিক্রেতা ইত্যাদি পেশার আড়ালে তারা মূলত মোহাম্মদপুর ও তার আশপাশের এলাকায় ডাকাতি, ছিনতাই ও চাঁদাবাজি করতো।


অতিরিক্ত ডিআইজি আনোয়ার হোসেন আরও বলেন, গ্রেফতার সুজন মিয়া ওরফে ফর্মা সজীব পাটালি গ্রুপ এর মূলহোতা। এলাকায় আধিপত্য বিস্তার, ডিস ব্যবসা, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য ১৫-২০ জনের একটি গ্রুপ তৈরি করে। সে এই সন্ত্রাসী গ্যাং এর মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক কারবারি, ডাকাতি, চাঁদাবাজি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন ধরণের সন্ত্রাসী কার্যক্রম করছিল।


গ্রেফতার রানা শিকদার, জুয়েল মিয়া ও সাগর গ্রেফতার ফর্মা সজীবের সহযোগী। তারা গ্রেফতার পাটালি গ্রুপ এর ফর্মা সজীবের নেতৃত্বে ছিনতাই, চাঁদাবাজি, ডাকাতি, মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন এলাকায় টাকার বিনিময়ে ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী হিসেবে বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রম করতো। সুজন মিয়া ওরফে ফর্মা সজীবের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় মাদক, ছিনতাই ও মারামারি সংক্রান্ত ১১টির বেশি মামলা রয়েছে এবং এ সকল মামলায় কারাভোগ করেছে।


র‌্যাব-২ এর সিও আরও বলেন, গ্রেফতার শরিফ ওরফে মোহন লেভেল হাই গ্রুপের মূলহোতা ও সন্ত্রাসী হায়াত ওরফে টাকলা হায়াত অন্যতম প্রধান সহযোগী। আগে সে মোহাম্মদপুর এলাকায় মাদকের ব্যবসা করতো। সে টাকলা হায়াতের অন্যতম সহযোগী হিসেবে মোহাম্মদপুর ও তার আশপাশের এলাকায় চাঁদাবাজি, ছিনতাই, ডাকাতি ও অপহরণসহ বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাসী কার্যকলাপ করে আসছিল।


টাকলা হায়াতের অবর্তমানে সে গ্যাংটি পরিচালনা করে আসছিল। গ্রেফতার দুলাল, সোহাগ ও তারেক তারা লেভেল হাই গ্রুপের সদস্য। তারা গ্রেফতার শরিফ ওরফে মোহনের নেতৃত্বে ছিনতাই, চাঁদাবাজি, ডাকাতি, মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রম করতো। শরিফের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় মাদক, ছিনতাই ও মারামারি সংক্রান্ত ৮টির বেশি মামলা রয়েছে। এসব মামলায় কারাভোগ করেছে।


গ্রেফতার সাকিব ওরফে প্রকাশ রিয়াম চাঁন গ্রুপের অন্যতম সহযোগী সদস্য। সে ২০১৮ সালে বরিশাল হতে ঢাকায় এসে ঢাকা উদ্যান এলাকায় বসবাস শুরু করে। সে বিভিন্ন সময়ে গার্মেন্টসে চাকরি করেছে।


২০২১ সালে একটি রিয়েল এস্টেট কোম্পানিতে চাকরির সময়ে চাঁন গ্রুপ নামে একটি কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে। পরে মাদক, ছিনতাই ও মারামারি সংক্রান্ত অপরাধে জড়িয়ে পড়ে। বর্তমানে সে চাঁন গ্রুপের অন্যতম সহযোগী। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় মাদক, ছিনতাই ও মারামারি সংক্রান্ত ৩টির বেশি মামলা রয়েছে এবং এসব মামলায় কারাভোগ করেছে।


ডিস ব্যবসা, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, মাদকের কারবারে গ্রেফতার ইমরান ওরফে মাউরা ইমরান মাউরা ইমরান গ্রুপের সদস্য। এলাকায় আধিপত্য বিস্তার, ডিস ব্যবসা, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য ১৫-২০ জনের একটি গ্রুপ তৈরি করে। আগে সে মোহাম্মদপুর এলাকায় রাজমিস্ত্রীর কাজ করতো।


২০২১ সালে একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরির সময়ে নিজেই একটি কিশোর গ্যাং মাউরা ইমরান গ্রুপ গঠন করে। মাউরা ইমরান মোহাম্মদপুর এলাকায় চাঁদাবাজি, ডাকাতি ও অপহরণের সঙ্গে জড়িত। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় মাদক, ছিনতাই ও মারামারি সংক্রান্ত ৪টির বেশি মামলা রয়েছে এবং এসব মামলায় কারাভোগ করেছে।


মুরগী রাকিব লও ঠ্যালা গ্রুপের সদস্য । র‌্যাব-২ এর সিও অতিরিক্ত ডিআইজি আনোয়ার হোসেন খান আরও বলেন, রাকিব ওরফে মুরগী রাকিবের জন্ম বরিশাল এলাকায়। সে বিভিন্ন সময়ে গার্মেন্টসে চাকরি ও ডিসের লাইনে চাকরি করতো। ২০২০ সালে একটি প্রতিষ্ঠানে পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে চাকরির সময় লও ঠ্যালা গ্রুপে যোগ দেয়। সে বিভিন্ন স্থান থেকে মাদক সংগ্রহ ও মাদক পৌঁছে দেয়ার কাজ করতো। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় মাদক, ছিনতাই ও মারামারি সংক্রান্ত দুটির অধিক মামলায় কারাভোগ করেছে। 


গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ঝিনাইদহে সড়ক দুর্ঘটনায় চার সেনাসদস্য আহত

সাবেক ডিএমপির কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ ৩ পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড

আদালতের নির্দেশ— বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানির সংযোগ বিচ্ছিন্নে নিষেধাজ্ঞা

জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের অফিস সহকারীকে ‘হত্যার হুমকি’, যুবক আটক

ট্রাকচাপায় দুই কিশোরের মর্মান্তিক মৃত্যু

চাঁদপুরে হাঁস বিক্রিতে ওজনে প্রতারণা, পুলিশ সুপারের উপস্থিতিতে ২ ব্যবসায়ীকে জেল-জরিমানা

পাঁচ পুলিশ সদস্যকে কুপিয়ে হাতকড়াসহ আসামি ছিনতাই

চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন বাঞ্ছারামপুরের ইউএনও ফেরদৌস আরা

মোবাইল ফোন আমদানিতে ট্যাক্স কমানোর ঘোষণা দিলেন প্রেস সচিব

পাবলিক প্লেসে ধূমপান ও তামাক সেবনে ২ হাজার টাকা জরিমানা কার্যকর

১০

এনসিপি নেতাকে গুলিবর্ষণকারী ডিকে শামীম গ্রেপ্তার

১১

বিএনপির মনোনয়ন পেলেন অ্যাটর্নি জেনারেল আসাদুজ্জামান

১২

নতুন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী

১৩

ক্ষমতায় এলে ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের জন্য ‘বিশেষ ভাতা’র ঘোষণা বিএনপির

১৪

মাদক কারবারির বাড়ির সামনেই বিক্ষোভ: গ্রেপ্তারের দাবী এলাকাবাসীর

১৫

উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে দুইটি অধ্যাদেশ অনুমোদন

১৬

এনসিপি নেত্রী জান্নাত আরা রুমীর মরদেহ উদ্ধার

১৭

আবাসিক হোটেল থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার , স্বামী আটক

১৮

এখন থেকে টাক বলে অপমান করলেই হবে যৌন হয়রানির শাস্তি

১৯

সুপ্রিম কোর্টসহ দেশের সব আদালতের নিরাপত্তা চেয়ে আইজিপিকে চিঠি

২০

আইনজীবী তালিকাভুক্তির লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ

আইনজীবী তালিকাভুক্তির লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ
সংগৃহীত

বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আইনজীবী তালিকাভুক্তির (এনরোলমেন্ট) লিখিত পরীক্ষায় ২ হাজার ৫৩৯ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন।


বার কাউন্সিলের ওয়েবসাইটে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে এই ফল প্রকাশ করে বলা হয়, আইনজীবী তালিকাভুক্তির (এনরোলমেন্ট) লিখিত পরীক্ষা গত ২৩ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হয়। এতে মোট ২ হাজার ৫৩৯ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন। এছাড়াও তৃতীয় পরীক্ষকের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রাখা হয়েছে ৩৪৫ জনকে।


উত্তীর্ণ প্রার্থীদের এখন মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। মৌখিক পরীক্ষার বিস্তারিত সময়সূচি পরে জানানো হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়।


বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে আইনজীবী হিসেবে সনদ পেতে তিন ধাপে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হয়। 


প্রথমত, আইনের উপর স্নাতক উত্তীর্ণের পরপরই আইনজীবী হিসেবে ন্যূনতম ১০ বছর পেশায় রয়েছেন এমন একজন সিনিয়রের অধীনে ইন্টিমেশন জমা দিতে হয়। 


দ্বিতীয়ত, ইন্টিমেশন জমা দেওয়ার পর ছয় মাস অতিক্রম হলে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পূর্ণ করে এমসিকিউ পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়। 


এমসিকিউ পরীক্ষায় উত্তীর্ণরা লিখিত পরীক্ষা দেয়ার সুযোগ পান। 


আর লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণরা মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর আইনজীবী হিসেবে সনদ লাভ করেন। 


সবশেষে সনদ লাভের পর সংশ্লিষ্ট জেলা বার এ যোগদানের মধ্য দিয়ে আইন পেশা শুরু করতে পারেন।


আইনজীবী হিসেবে সনদ লাভের পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আইনজীবীদের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ বার কাউন্সিল।


ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ঝিনাইদহে সড়ক দুর্ঘটনায় চার সেনাসদস্য আহত

সাবেক ডিএমপির কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ ৩ পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড

আদালতের নির্দেশ— বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানির সংযোগ বিচ্ছিন্নে নিষেধাজ্ঞা

জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের অফিস সহকারীকে ‘হত্যার হুমকি’, যুবক আটক

ট্রাকচাপায় দুই কিশোরের মর্মান্তিক মৃত্যু

চাঁদপুরে হাঁস বিক্রিতে ওজনে প্রতারণা, পুলিশ সুপারের উপস্থিতিতে ২ ব্যবসায়ীকে জেল-জরিমানা

পাঁচ পুলিশ সদস্যকে কুপিয়ে হাতকড়াসহ আসামি ছিনতাই

চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন বাঞ্ছারামপুরের ইউএনও ফেরদৌস আরা

মোবাইল ফোন আমদানিতে ট্যাক্স কমানোর ঘোষণা দিলেন প্রেস সচিব

পাবলিক প্লেসে ধূমপান ও তামাক সেবনে ২ হাজার টাকা জরিমানা কার্যকর

১০

এনসিপি নেতাকে গুলিবর্ষণকারী ডিকে শামীম গ্রেপ্তার

১১

বিএনপির মনোনয়ন পেলেন অ্যাটর্নি জেনারেল আসাদুজ্জামান

১২

নতুন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী

১৩

ক্ষমতায় এলে ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের জন্য ‘বিশেষ ভাতা’র ঘোষণা বিএনপির

১৪

মাদক কারবারির বাড়ির সামনেই বিক্ষোভ: গ্রেপ্তারের দাবী এলাকাবাসীর

১৫

উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে দুইটি অধ্যাদেশ অনুমোদন

১৬

এনসিপি নেত্রী জান্নাত আরা রুমীর মরদেহ উদ্ধার

১৭

আবাসিক হোটেল থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার , স্বামী আটক

১৮

এখন থেকে টাক বলে অপমান করলেই হবে যৌন হয়রানির শাস্তি

১৯

সুপ্রিম কোর্টসহ দেশের সব আদালতের নিরাপত্তা চেয়ে আইজিপিকে চিঠি

২০

সাবেক ডিএমপির কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ ৩ পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড

সাবেক ডিএমপির কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ ৩ পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড
সংগৃহীত

চব্বিশের জুলাই-আগস্টে ছাত্র জনতার গণ-অভ্যুত্থান চলাকালে রাজধানীর চানখাঁরপুলে ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধে ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ তিন পুলিশ কর্মকর্তাকে মৃত্যুদণ্ড এবং অপর পাঁচ পুলিশ সদস্যকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক তিন আসামী হলেন ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, সাবেক যুগ্ম কমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী ও রমনা অঞ্চলের সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) শাহ আলম মো. আখতারুল ইসলাম। এছাড়া আজকের রায়ে পলাতক আসামী সাবেক সহকারী কমিশনার (এসি) মোহাম্মদ ইমরুলকে ছয় বছরের কারাদণ্ড, শাহবাগ থানার সাবেক ওসি (অপারেশন) মো. আরশেদ হোসেনকে চার বছরের কারাদণ্ড, কনস্টেবল মো. সুজন মিয়া, মো. ইমাজ হোসেন ইমন ও মো. নাসিরুল ইসলামকে তিন বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।

বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ আজ সোমবার ( ২৬ জানুয়ারি ) এই রায় ঘোষণা করেন। বাংলাদেশ টেলিভিশন রায় ঘোষণা সরাসরি সম্প্রচার করে।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে এই মামলায় শুনানি করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম ও প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম। সেই সাথে ছিলেন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামীম, সহিদুল ইসলাম ও আবদুল্লাহ আল নোমানসহ অপর প্রসিকিউটররা। অন্যদিকে আসামি ইমাজ হোসেন ইমনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. জিয়াউর রশিদ এবং পলাতক চার আসামির পক্ষে রাষ্ট্র নিযুক্ত আইনজীবী হিসেবে ছিলেন কুতুবউদ্দিন আহমেদ।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট চানখারপুল এলাকায় শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে পুলিশ গুলি চালায়। এতে শাহরিয়ার খান আনাস, শেখ মাহদী হাসান জুনায়েদ, মো. ইয়াকুব, মো. রাকিব হাওলাদার, মো. ইসমামুল হক ও মানিক মিয়া শাহরিক শহীদ হন। এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করা হয়।

গত ১১ আগস্ট চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলামের সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন শেষে এই মামলার প্রথম সাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দেন শহীদ আনাসের বাবা সাহরিয়ার খান পলাশ। এরপর শহীদ আনাসের মা ও নানাসহ মোট ২৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ ও জেরা সম্পন্ন করা হয়। এই মামলায় সাক্ষ্য দেন সাবেক স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

এই মামলায় গ্রেপ্তার চার আসামী হলেন শাহবাগ থানার সাবেক ওসি (অপারেশন) মো. আরশেদ হোসেন, কনস্টেবল মো. সুজন মিয়া, মো. ইমাজ হোসেন ইমন ও মো. নাসিরুল ইসলাম। অন্যদিকে পলাতক রয়েছেন- ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, সাবেক যুগ্ম কমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী এবং রমনা অঞ্চলের সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) শাহ আলম মো. আখতারুল ইসলাম ও সাবেক সহকারী কমিশনার (এসি) মোহাম্মদ ইমরুল।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ঝিনাইদহে সড়ক দুর্ঘটনায় চার সেনাসদস্য আহত

সাবেক ডিএমপির কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ ৩ পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড

আদালতের নির্দেশ— বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানির সংযোগ বিচ্ছিন্নে নিষেধাজ্ঞা

জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের অফিস সহকারীকে ‘হত্যার হুমকি’, যুবক আটক

ট্রাকচাপায় দুই কিশোরের মর্মান্তিক মৃত্যু

চাঁদপুরে হাঁস বিক্রিতে ওজনে প্রতারণা, পুলিশ সুপারের উপস্থিতিতে ২ ব্যবসায়ীকে জেল-জরিমানা

পাঁচ পুলিশ সদস্যকে কুপিয়ে হাতকড়াসহ আসামি ছিনতাই

চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন বাঞ্ছারামপুরের ইউএনও ফেরদৌস আরা

মোবাইল ফোন আমদানিতে ট্যাক্স কমানোর ঘোষণা দিলেন প্রেস সচিব

পাবলিক প্লেসে ধূমপান ও তামাক সেবনে ২ হাজার টাকা জরিমানা কার্যকর

১০

এনসিপি নেতাকে গুলিবর্ষণকারী ডিকে শামীম গ্রেপ্তার

১১

বিএনপির মনোনয়ন পেলেন অ্যাটর্নি জেনারেল আসাদুজ্জামান

১২

নতুন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী

১৩

ক্ষমতায় এলে ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের জন্য ‘বিশেষ ভাতা’র ঘোষণা বিএনপির

১৪

মাদক কারবারির বাড়ির সামনেই বিক্ষোভ: গ্রেপ্তারের দাবী এলাকাবাসীর

১৫

উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে দুইটি অধ্যাদেশ অনুমোদন

১৬

এনসিপি নেত্রী জান্নাত আরা রুমীর মরদেহ উদ্ধার

১৭

আবাসিক হোটেল থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার , স্বামী আটক

১৮

এখন থেকে টাক বলে অপমান করলেই হবে যৌন হয়রানির শাস্তি

১৯

সুপ্রিম কোর্টসহ দেশের সব আদালতের নিরাপত্তা চেয়ে আইজিপিকে চিঠি

২০

প্রতারণা করে যেভাবে ফাঁদে ফেলতেন এহসান

প্রতারণা করে যেভাবে ফাঁদে ফেলতেন এহসান
সংগৃহীত

এহসান আহমেদ (৩০) নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার নারান্দিয়া এলাকার আব্দুর রবের ছেলে যিনি নিজেকে কানাডায় স্থায়ী বসবাসের গ্রিনকার্ড হোল্ডার ও পিএইচডিধারী এবং দেশের একটি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মালিকের সন্তান হিসেবে পরিচয় দিতেন।


এহসান টার্গেট করতেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উচ্চবিত্ত পরিবারের তরুণীদের । বিশেষত যারা বিদেশে উচ্চশিক্ষায় যেতে ইচ্ছুক এমন তরুণীদের সঙ্গে পরিচিত হতেন। এরপর সরাসরি দেখা করতেন। দেখা করার সময় নিজের পরিচয় বিশ্বাসযোগ্য করতে ভালো বেশভূষা ও নামিদামি গাড়ি ভাড়া করে নিয়ে যেতেন।


ভিকারুননিসা নূন স্কুলের সাবেক শিক্ষার্থী এবং বর্তমানে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি সাহিত্যে অধ্যয়নরত এক তরুণীকে টার্গেট করেন এহসান। কানাডায় স্ত্রী হিসেবে নিয়ে যাওয়ার প্রলোভনে গড়ে তোলেন প্রেমের সম্পর্ক। নানা কৌশলে হাতিয়ে নেন ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও। এরপরই শুরু হয় ব্ল্যাকমেইল। সেসব ছবি-ভিডিও সামাজিক মাধ্যম ও পরিচিতদের কাছে প্রকাশ করে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ওই তরুণীর সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিলেন এহসান।


এ ঘটনায় সম্প্রতি রাজধানীর মুগদা থানায় মামলা করেন ভুক্তভোগী তরুণী। এরপর বুধবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর রমনা এলাকায় অভিযান চালিয়ে এহসানকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (উত্তর) ওয়েব বেইজড ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন টিম।


বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (গোয়েন্দা) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের জানান,তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিকারুননিসা নূন স্কুলের সাবেক এক ছাত্রীর সঙ্গে পরিচয় হয় প্রতারক এহসানের। তিনি নিজেকে কানাডা প্রবাসী, পিএইচডি ডিগ্রিধারী ও বড় শিল্পপতি পরিবারের সন্তান পরিচয় দেন। তাদের গুলশানে বাড়ি ও বিলাসবহুল গাড়ি রয়েছে এমন তথ্য দেন। এসব পরিচয় ব্যবহার করে প্রথমে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। প্রেমের সুযোগে ভুক্তভোগী তরুণীর কাছ থেকে হাতিয়ে নেন ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও। পরে সেগুলো সামাজিক মাধ্যম ও স্বজনদের কাছে প্রকাশ করার হুমকি দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছিলেন।

      

ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার বলেন, এর আগেও ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ ফারদিন ও সাকিবের মতো এ ধরনের অনেক প্রতারককে গ্রেফতার করেছে। এসব প্রতারক নিজেদের মন্ত্রী, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সচিব, বড় ব্যবসায়ীর সন্তান দাবি করে মেয়েদের প্রতারণার ফাঁদে ফেলে নামিদামি বাড়ি-গাড়ির প্রলোভন দেখিয়ে শারীরিক ও আর্থিকভাবে প্রতারণা করে আসছিলেন , গ্রেফতার এহসান পড়াশোনা না করেও নিজেকে পিএইচডিধারী পরিচয় দিতেন। এমনকি কোনোদিন বিদেশে না যাওয়া এহসান বলতেন তার কানাডায় গ্রিনকার্ড রয়েছে। বিভিন্ন তরুণীকে কানাডায় নিয়ে যাওয়ার প্রলোভন দেখাতেন। গোয়েন্দা পুলিশের হাতে গ্রেফতারের পর আমরা এখন পর্যন্ত তার শতাধিক নারীকে ফাঁদে ফেলার তথ্য পেয়েছি।


সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বন্ধুত্ব গড়ার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার অনুরোধ জানিয়ে ডিবিপ্রধান বলেন, ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কেউ বড়লোক, ব্যবসায়ী বা সরকারি চাকরিজীবী পরিচয় দিলে যাচাই করা উচিত। এছাড়া অনলাইনে বন্ধুত্বের নামে ব্যক্তিগত ছবি আদান-প্রদানে সতর্ক হতে হবে। তবে কেউ যদি কারও মাধ্যমে প্রতারিত হন তাহলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে অভিযোগ দিতে হবে।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ঝিনাইদহে সড়ক দুর্ঘটনায় চার সেনাসদস্য আহত

সাবেক ডিএমপির কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ ৩ পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড

আদালতের নির্দেশ— বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানির সংযোগ বিচ্ছিন্নে নিষেধাজ্ঞা

জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের অফিস সহকারীকে ‘হত্যার হুমকি’, যুবক আটক

ট্রাকচাপায় দুই কিশোরের মর্মান্তিক মৃত্যু

চাঁদপুরে হাঁস বিক্রিতে ওজনে প্রতারণা, পুলিশ সুপারের উপস্থিতিতে ২ ব্যবসায়ীকে জেল-জরিমানা

পাঁচ পুলিশ সদস্যকে কুপিয়ে হাতকড়াসহ আসামি ছিনতাই

চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন বাঞ্ছারামপুরের ইউএনও ফেরদৌস আরা

মোবাইল ফোন আমদানিতে ট্যাক্স কমানোর ঘোষণা দিলেন প্রেস সচিব

পাবলিক প্লেসে ধূমপান ও তামাক সেবনে ২ হাজার টাকা জরিমানা কার্যকর

১০

এনসিপি নেতাকে গুলিবর্ষণকারী ডিকে শামীম গ্রেপ্তার

১১

বিএনপির মনোনয়ন পেলেন অ্যাটর্নি জেনারেল আসাদুজ্জামান

১২

নতুন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী

১৩

ক্ষমতায় এলে ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের জন্য ‘বিশেষ ভাতা’র ঘোষণা বিএনপির

১৪

মাদক কারবারির বাড়ির সামনেই বিক্ষোভ: গ্রেপ্তারের দাবী এলাকাবাসীর

১৫

উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে দুইটি অধ্যাদেশ অনুমোদন

১৬

এনসিপি নেত্রী জান্নাত আরা রুমীর মরদেহ উদ্ধার

১৭

আবাসিক হোটেল থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার , স্বামী আটক

১৮

এখন থেকে টাক বলে অপমান করলেই হবে যৌন হয়রানির শাস্তি

১৯

সুপ্রিম কোর্টসহ দেশের সব আদালতের নিরাপত্তা চেয়ে আইজিপিকে চিঠি

২০