

আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিশেষ অবদান রাখায় অভিন্ন মানদণ্ডে হবিগঞ্জ জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন নবীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: মাসুক আলী।
মঙ্গলবার (১১জুন ) সকালে জেলা পুলিশ লাইন্সের ড্রিল শেডে মাসিক কল্যাণ সভায় পুলিশ সুপার মো: আক্তার হোসেন কর্মক্ষেত্রের কৃতিত্ব স্বরূপ তাঁহাকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন।
নবীগঞ্জ থানায় যোগদানের পর থেকে অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: মাসুক আলী পেশাদার অপরাধী ও সাজাপ্রাপ্ত আসামি, চোর, ডাকাত ও মাদক মামলার আসামি গ্রেফতার, জুয়াড়ি, দেশীয় অস্ত্র, বিভিন্ন প্রকারের মাদকদ্রব্য উদ্ধার, চাঞ্চল্যকর মামলার আসামি গ্রেফতার, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখা, কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রমসহ নানা ধরণের কাজের মাধ্যমে পেশাদারিত্ব, আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সাথে সার্বিক বিষয়ে অবদান রাখায় ১১ জুন মাসে হবিগঞ্জ জেলার শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেন। স্বীকৃতি স্বরূপ পুলিশ সুপারের পক্ষ থেকে তাঁকে পুরস্কৃত করা হয়।
উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বানিয়াচং সার্কেল) পলাশ রঞ্জন দে,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর (সার্কেল) মো: খলিলুর রহমান, সহকারী পুলিশ সুপার (নবীগঞ্জ -বাহুবল সার্কেল) আবুল খায়ের,সহকারি পুলিশ সুপার (মাধবপুর সার্কেল)নির্মেলেন্দু চক্রবতী। এছাড়াও হবিগঞ্জ জেলার অফিসার ইনচার্জগণ, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ও অন্যান্য অফিসার ফোর্স উপস্থিত ছিলেন।
নবীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: মাসুক আলী, পুলিশ সুপার মো: আক্তার হোসেন প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, স্যারের কাছ থেকে সম্মাননা স্মারক পেয়ে আমি খুবই আনন্দিত ও গর্বিত। এ পুরস্কার আমাদেরকে কাজের স্পিহা ও দায়িত্ববোধ বাড়িয়ে তুলেছে। থানার সংশ্লিষ্ট সকলের দায়িত্বশীলতায় ও ভালোবাসায় আমি পুরস্কৃত হয়েছি। আমরা চেষ্টা করবো অর্পিত দায়িত্ব এবং কর্তব্য যেন সততার সহিত পালন করতে পারি।
মন্তব্য করুন


শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সদরঘাট নগরীর পশ্চিম মাদারবাড়ি এলাকা থেকে ১টি দেশি অস্ত্র, ৪টি ছুরি, ২টি তালা কাটার যন্ত্র ও ২টি রেঞ্চসহ ডাকাতি প্রস্তুতিকালে দলের ৬ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে সদরঘাট থানা পুলিশ।
পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃত আরিফ হাসান মেহেদী নামে ডাকাত দলের ১ সদস্য স্বীকার করেছে- কয়েকদিন আগে মেহেদীবাগস্থ আমিরবাগ আবাসিকের এক বাসা থেকে চুরি করা স্বর্ণ তার কাছে রয়েছে।
পরে তাকে নিয়ে অভিযান চালিয়ে ডবলমুরিং থানাধীন বারেক বিল্ডিং এলাকার সানাই সিনেমা হলের খালি জায়গার ঝোপের ভিতরে মাটির নিচে লুকানো অবস্থায় ৫১ ভরি ১২ আনা ৩ রত্তি স্বর্ণ উদ্ধার করা হয় বলে জানায় পুলিশ।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা রিপোর্টার্স ইউনিটির ২০২৫-২৬ কমিটি গঠন করা হয়েছে। নতুন কমিটিতে জিটিভির কুমিল্লা প্রতিনিধি সেলিম রেজা মুন্সী কে সভাপতি এবং দৈনিক কুমিল্লার ডাকের সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী কে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে সর্ব সম্মতিক্রমে এ কমিটি ঘোষণা করা হয়।
নতুন কমিটিতে বিভিন্ন পদে নিম্নলিখিত সাংবাদিকরা দায়িত্ব পেয়েছেন : সহ-সভাপতি: আনোয়ার হোসেন (বৈশাখী টিভি), জাকারিয়া মানিক (দৈনিক পূর্বাশা), নেকবর হোসেন (দৈনিক আজকের জীবন)।
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: আসিফ মান্না (সাপ্তাহিক মেগোতি), রাসেল সোহেল (ডেইলি বাংলাদেশ মিরর)
সাংগঠনিক সম্পাদক : রেজাউল করিম রাসেল (দৈনিক সংগ্রাম)। কোষাধ্যক্ষ : মাসুদ আলম (এখন টিভি)। দপ্তর সম্পাদক : মহসিন কবির (ঢাকা ট্রিবিউন)। পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক : জসিম উদ্দিন চৌধুরী। প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক : ম্যাক রানা (দৈনিক পূর্বাশা)। প্রশিক্ষণ ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক : মাহফুজ আনোয়ার সৌরভ (এশিয়ান টিভি)। সমাজকল্যাণ সম্পাদক : আব্দুল মোতালেব নিখিল (মোহনা টিভি)। ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক : হাবিবুর রহমান মুন্না (ডেইলি প্রেজেন্ট টাইমস)। আইটি বিষয়ক সম্পাদক : উজ্জ্বল হোসেন বিল্লাল (দৈনিক আজকের কুমিল্লা)। নির্বাহী সদস্য পদে রয়েছেন : জহিরুল হক বাবু (কুমিল্লা নিউজ), আশিকুর রহমান আশিক (জাগরণ টিভি), আরিফ মজুমদার (বাংলা টিভি), আবু সুফিয়ান (এনটিভি), রবিউল বাশার খান (দৈনিক আজকের দর্পণ), তৌহিদ হোসেন সরকার (ডেইলি প্রেজেন্ট টাইমস), আব্দুল্লাহ আল মারুফ (বাংলা ট্রিবিউন), মহিউদ্দিন আকাশ (আকাশ টিভি)
এই কমিটির প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে রয়েছেন কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি : মাসুক আলতাফ চৌধুরী। উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য হিসেবে রয়েছেন : হুমায়ুন কবির রনি (একুশে টিভি), মোঃ মোবারক হোসেন (গোমেতি সংবাদ), ইমতিয়াজ আহমেদ জিতু (দৈনিক আজকের কুমিল্লা), দেলোয়ার হোসাইন আকাইদ (নাগরিক টিভি, আজকের পত্রিকা ও বাসস)
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, কুমিল্লা :
কুমিল্লা শাসনগাছা এলাকায় সেনাবাহিনী চেকপোস্ট স্থাপন করে অভিযান পরিচালনাকালে চারটি মোটরবাইক চালককে মামলা দেওয়া হয়। এ সময় তাদের ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এছাড়াও ১৫ টি মোটরসাইকেল,
একটি মারুতি এবং একটি প্রাইভেট কারের কাগজপত্র না থাকার কারণে জব্দ করে পুলিশ হেফাজতে
নেওয়া হয়েছে।
সমাজসেবা (ব্যাটালিয়ন সদর) সেনাবাহিনী ক্যাম্প শাসনগাছা এলাকায় আজ মঙ্গলবার দুপুর ২ টা থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত একটি চেকপোস্ট স্থাপন করে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
সেনাবাহিনী ক্যাম্প সূত্র এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
কুমিল্লা
আদর্শ সদর উপজেলায় বিভিন্ন বেকারি ও খাদ্য সামগ্রী উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানে বিএসটিআই-এর
অভিযানকালে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে ৩৭ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
আজ
বুধবার দুপুর থেকে বিকাল চারটা পর্যন্ত পরিচালিত এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন কুমিল্লা জেলা
প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহীন আক্তার শিফা, সালমান ফার্সি
এবং মো. আনিসুল হক।
এ
সময় বিএসটিআই কুমিল্লার মাঠ কর্মকর্তা ইকবাল আহাম্মদ, পরিদর্শক (মেট) আরিফ উদ্দিন প্রিয়,
পরীক্ষক (রসায়ন) মো. শহিদুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
কুমিল্লায়
বিএসটিআই-এর উপ-পরিচালক কে এম হানিফ জানান, মানসনদ গ্রহণ ব্যতীত পণ্যের মোড়কে স্ট্যান্ডার্ড
মার্ক (মান চিহ্ন) ব্যবহার, বিস্কুট, পাউরুটি ও কেক পণ্য উৎপাদন এবং মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর
তথ্য প্রদানসহ নানা অনিয়মের অভিযোগে নগরীর দেশয়ালিপট্টির মেসার্স বিক্রমপুর শশী ভান্ডারকে
২৫ হাজার টাকা, বিক্রমপুর ঘি স্টোরকে দুই হাজার টাকা এবং রাজগঞ্জ বাজার এলাকার মেসার্স
নিউ প্রিমিয়াম সুইটসকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন ২১নং ওয়ার্ড শাকতলা উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে বিনামূল্যে বই বিতরণ উৎসব উদ্বোধন করা হয়েছে।
বুধবার (১ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় শাকতলা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে প্রধান অতিথি ছিলেন, কুমিল্লা মহানগর কৃষকদল এর আহ্বায়ক কে.এম শাহীনুর হোসাইন শাহীন। তিনি বই বিতরণ উৎসবটি উদ্বোধন করেন।
এ সময় শাকতলা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ নুরুল আমিন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের ২১নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর কাজী মাহবুবুর রহমান এবং ২১নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারন সম্পাদক মোঃ শোয়েব আহমেদ জুয়েল, মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আক্তার হোসেন ও প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক মন্ডলী। এ সময় শিক্ষার্থী ও অভিভাবক সহ এলাকার স্বনামধন্য আরও ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা
বিসিক শিল্প নগরীতে ‘মর্ডান ড্রাগ’ নামক একটি কারখানায় মাঝরাতে ঝটিকা
অভিযান চালিয়েছে জেলা প্রশাসন। অভিযানে সরকারি লাইসেন্স ও অনুমোদন ছাড়া সম্পূর্ণ অবৈধ
ও মানবদেহের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর ২১ পদের ভেজাল ওষুধ জব্দ করা হয়েছে। এ সময় কোনো
বৈধ টেকনিশিয়ান ছাড়া নিজেই এসব ক্ষতিকর ওষুধ তৈরির অপরাধে কারখানার মালিক জুবায়ের ইসলামকে
হাতেনাতে আটক করেছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
শনিবার
(২০ জুন) গভীর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা প্রশাসনের একটি চৌকস দল বিসিক এলাকার
ওই কারখানায় এই বিশেষ টাস্কফোর্স অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফাইয়াজ খান।
জেলা
প্রশাসন ও ঔষধ প্রশাসন সূত্র জানায়, মর্ডান ড্রাগ নামের ওই প্রতিষ্ঠানটির সরকারিভাবে
মাত্র দুটি সাধারণ ওষুধ তৈরির বৈধ অনুমোদন ছিল। কিন্তু কারখানার ভেতরে তল্লাশি চালিয়ে
দেখা যায়, সেখানে সম্পূর্ণ অবৈধভাবে শিশুখাদ্য ও শিশুদের সিরাপসহ ২১ ধরনের জটিল রোগের
ভেজাল ওষুধ তৈরি ও বোতলজাত করা হচ্ছিল। আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য হলো, কারখানায় ওষুধ তৈরির
জন্য স্বীকৃত কোনো ফার্মাসিস্ট বা ল্যাব টেকনিশিয়ান ছিল না। মালিক জুবায়ের ইসলাম নিজেই
ইচ্ছেমতো উপাদান মিশিয়ে এসব ক্ষতিকর ওষুধ তৈরি করতেন। অভিযানে সেখানে কেবল একজন নামমাত্র
শিক্ষানবিশ কেমিস্টের উপস্থিতি পাওয়া যায়। তৈরি করা এসব ভেজাল ওষুধ ডিলারের মাধ্যমে
দেশের বিভিন্ন প্রত্যন্ত অঞ্চলের ফার্মেসিতে সরবরাহ করা হতো।
অভিযানে
অংশ নেওয়া কুমিল্লা ঔষধ প্রশাসনের অফিস সহকারী শাহ আলম সরকার বলেন, "জব্দ করা
ওষুধের তালিকায় বেশ কয়েকটি নামী বিদেশি ব্র্যান্ডের নকল ওষুধও রয়েছে। ল্যাবে পরীক্ষা
ছাড়া অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি এই ওষুধগুলো অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এবং মানবদেহের জন্য
রীতিমতো বিষসদৃশ। এ ঘটনায় ওষুধ আইন অনুযায়ী কঠোর নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।"
আটকের
পর অপরাধের কথা স্বীকার করে কারখানার মালিক জুবায়ের ইসলাম বলেন, "২১টির মধ্যে
১৫টিরও বেশি ওষুধ তৈরির কোনো বৈধ কাগজপত্র বা অনুমতি আমাদের ছিল না। আমরা মূলত বিভিন্ন
সাধারণ হারবাল কাঁচামাল এবং কেমিক্যাল ব্যবহার করে নিজেদের মতো করে এসব ওষুধ তৈরি করে
আসছিলাম।"
ভেজাল
ও নকল ওষুধের এই বড় আস্তানায় অভিযান পরিচালনার সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক
কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুলতানা হাসান মাহমুদ এবং কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ারসহ পুলিশের একটি দল। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায়
বিসিকসহ কুমিল্লার সর্বত্র এই ধরনের ভেজালবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করা হবে বলে জানিয়েছে
জেলা প্রশাসন।
মন্তব্য করুন


বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় বরগুনা জেলায় অনেকেই অংশগ্রহণ করেছিল তাদের মধ্যে অন্যতম ছাত্র সমন্বয়ক মীর রিজন মাহমুদ নিলয় ও ফৌজিয়া তাসনীন আনিকার অংশগ্রহণ করেছিলেন। আন্দোলনের শুরু থেকেই দুজনের সাথে দুজনের পরিচয় হাতে হাত রেখে একসাথে মিছিলে তারা অংশগ্রহণ করেছিল। আন্দোলন থেকে শুরু হয়েছে প্রেম, তারা গতকাল শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর) একে অপরের সঙ্গী হিসেবে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন।
জানা গেছে, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে একসঙ্গে হাতে হাত রেখে লড়াই চালিয়ে যেতে যেতেই ভালো লাগা থেকে শুরু হয় তাদের প্রেম। এরপর প্রায় ৫ মাস পর বিয়ের পিঁড়িতে বসে প্রেমকে পূর্ণতা দিলেন তারা।
আনিকা ও নিলয় জানান,
আন্দোলন চলাকালীন সময়ে সবার সঙ্গে একত্রে থাকলেও গত ৫ আগস্ট
থেকে দু’জনার ভালো লাগা শুরু হয়। পরবর্তীতে ৭ আগস্ট ভালোবাসা
প্রকাশের পর ২৫ আগস্ট
দুজনের সম্পর্কের বিষয়টি তাদের পরিবারকে জানান। পরে উভয় পরিবারের সম্মতিতে প্রণয়ে রূপ নেয় তাদের প্রেম।একদিকে আন্দোলনের ফলে অনেকেই তাদের স্বজন হারিয়েছেন, অপরদিকে নতুন একটি পরিবারও গঠন হয়েছে।
মীর রিজন মাহমুদ নিলয় বরগুনা পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের আমতলারপাড় এলাকার মরহুম মীর মোয়াজ্জেম হোসেন নিপুর ছেলে। নিলয় বর্তমানে আনোয়ার খান মর্ডান ইউনিভার্সিটিতে বিবিএ ৬ষ্ঠ সেমিস্টারের শিক্ষার্থী। অন্যদিকে বরগুনা পৌরসভার কলেজ রোড এলাকার মনোয়ারুল ইসলাম শামীমের মেয়ে ফৌজিয়া তাসনীন আনিকা। সে বরিশালের সরকারি ব্রজমোহন কলেজের রসায়ন বিভাগের অনার্স প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী।
ফৌজিয়া তাসনীন আনিকা বলেন, আন্দোলনের সময় নিলয়ের সঙ্গে আমার পরিচয় হয়। ওই সময় আন্দোলন নিয়ে বিভিন্ন বিষয়ে কথা হতো। তখন সাহস এবং সততা দেখে নিলয়ের ওপর আমি দুর্বল হই।
এ বিষয়ে মীর রিজন মাহমুদ নিলয় বলেন, আনিকার সঙ্গে আন্দোলনের মাধ্যমেই পরিচয় হয়। এমনিতে ওকে আগে দূর থেকে চিনলেও কখনও কথা হয়নি। আন্দোলন চলাকালে সবার সঙ্গেই আমার কথা হতো। সবাইকে সাহস দিয়ে আন্দোলন বেগবান করার জন্য বলতাম। এই কারণেই ওর সঙ্গে আমার কথা বলা শুরু হয়। তবে সেই সময়ে আমাদের কোনো প্রেমের সম্পর্ক ছিল না। গত ৫ আগস্ট যখন একত্রে বিজয় মিছিলে আনন্দ উল্লাস করছিলাম তখন আমাদের মধ্যে ভালো লাগা শুরু হয়।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা,কচুয়া:
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী তেগুরিয়া ওবায়েদুল হক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বার্ষিক ক্রীড়া সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার বিদ্যালয়ের আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য ও পুরস্কার বিতরণ করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও বিদ্যালয়ের সভাপতি মুহাম্মদ হেলাল চৌধুরী।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আবু তাহের পাটওয়ারীর সভাপতিত্বে ও সহকারী শিক্ষক ইব্রাহিম খলিল স্বপনের পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন,উপজেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহীন পাটওয়ারী,উপজেলা ছাত্রদলের সাধারন সম্পাদক সাইফুল পাটোয়ারী,বিতারা ইউনিয়ন পশ্চিম ছাত্রদলের আহ্বায়ক দেলোয়ার পাটোয়ারী,যুগ্ন আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর সরকারসহ আরো অনেকে।
এসময় বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মামুনুর রশিদ,সহকারী শিক্ষক সাইফুল ইসলাম পাটোয়ারী,আব্দুল মালেক,আমেনা আক্তার,রামকৃষ্ণ,যুবদল নেতা কাদির পাটোয়ারী,সোহেল পাটোয়ারীসহ বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষক,অভিভাবক ও এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
বিদ্যালয়ের বার্ষিক অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীরা সাহিত্য, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক পর্বের মধ্যে বক্তৃতা, দৌড় প্রতিযোগিতা,দেশাত্মবোধ, পল্লীগীতি, রবিন্দ্রসংগীত, নজরুলগীতি, আধুনিক গাণ প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহন করে। অনুষ্ঠান শেষে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
মন্তব্য করুন


মুরাদুল ইসলাম মুরাদ, কুড়িগ্রাম:
শুল্ক ফাঁকি দিয়ে অবৈধ পথে আসা ভারতীয় প্রসাধনী ও হরিণের কস্তুরী সহ যুবককে আটক করেছে বিজিবি।
জামালপুরে ব্যাটেলিয়ান ৩৫ বিজিবি অধিনায়ক লেঃ কর্নেল হাসানুর রহমান, পিএসসি এর সার্বিক দীক নির্দেশনায় ৫ই মে সোমবার সকাল ৯ ঘটিকার দিকে নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে চোরাচালান বিরোধী অভিযান পরিচালনাকালে জামালপুর ব্যাটালিয়নের ৩৫ বিজিবি অধীনস্থ বাঘারচর টহল দল কর্তৃক সীমান্ত পিলার ১০৭৪ /৯ হতে আনুমানিক ২০ গজ বাংলাদেশে অভ্যন্তরে দক্ষিণ মাখনেরচর নামক স্থান হইতে ভারতীয় হরিণের কস্তুরী, ৬ পিস (২৫৪ গ্রাম) ভারতীয় বিভিন্ন প্রকার প্রসাধনী-৮ পিস, বিভিন্ন প্রকার ওষুধ -২৮ পিস, মোবাইল -০১ টি, মোবাইলের চার্জার -০১টি, সিম কার্ড -০১টি,পাওয়ার ব্যাংক-০১টি এবং হেট ফোন ০১ টি সহ মোঃ আঃ মতিন ৩৫, পিতাঃ মোঃ আবুল কাশেম, গ্রামঃ রমনা নতুন বেপারীপাড়া, পোস্ট রমনা, থানাঃ চিলমারী জেলাঃ কুড়িগ্রামকে আটক করতে সক্ষম হয়।
সিজার মূল্য ১,৬৫,৫৮,১০০(এক কোটি পয়ষট্রি লক্ষ আটান্ন হাজার একশত টাকা।
ধৃত আসামীসহ জব্দকৃত চোরাচালানী মালামাল দেওয়ানগঞ্জ থানায় সোপর্দ করেন।
দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, বিজিবি মহাপরিচালক কর্তৃক ঘোষিত চোরাচালানের বিরুদ্ধে জিরো টলারেস নীতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সীমান্তে মাদক ও সকল ধরেনর চোরাচালান পাচাররোধ কল্পে এবং সীমান্ত সুরক্ষার দৃঢ়তার সাথে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে জামালপুর ব্যাটালিয়ন (৩৫ বিজিবি)।
আটক ভারতীয় এসব প্রসাধনী সামগ্রী ও পণ্যের আনুমানিক মূল্য ১ কোটি ৬৬ লক্ষ টাকা। আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে মামলা করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


পানের প্রায় ১০০ বিঘার বরজ
আগুনে পুড়ে গেছে। এতে নিঃস্ব হয়েছেন ৯০ জন পানচাষি। পানের বরজ পুড়ে প্রায় কোটি টাকার
ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে।
শুক্রবার (৩ মে ) দুপুরে
রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার গনিপুর ইউনিয়নের পোড়াকয়া গ্রামের পান বরজে এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে।
অগ্নিকাণ্ড নিয়ে পানচাষিরা
বলছেন, সিগারেটের আগুন থেকে এ ঘটনা ঘটতে পারে।
স্থানীয়রা জানান, পোড়াকয়া
গ্রামের ইসাহাকের পান বরজ থেকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। আগুন মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে
আশপাশের পান বরজে। খবর পেয়ে রাজশাহী, বাগমারা, মোহনপুর ও আত্রাইয়ের ফায়ার সার্ভিসের
চারটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নেভায়।
গনিপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান
মনিরুজ্জামান রঞ্জু বলেন, শতাধিক কৃষকের প্রায়
এক থেকে দেড়শ বিঘা জমির পান বরজ পুড়ে গেছে। কয়েক মিনিটের মধ্যে চাষিদের কোটি টাকার
ক্ষতি হয়ে গেছে। আমরা চাষিদের তালিকা তৈরি করে উপজেলায় জমা দিব।
তিনি বলেন, তালিকা হওয়ার
পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে তা জেলা প্রশাসকের কাছে পাঠানো হবে। সরকারিভাবে
কিছু টাকা পেলে চাষিদের উপকার হবে। এ ঘটনায় অনেক চাষি একবারে নিঃস্ব হয়ে গেছে।
এক পানচাষি বলেন, বছরের এ
সময়ে পানের দাম সবচেয়ে বেশি থাকে। এখন বাজারে নতুন পান বিক্রি হচ্ছে চার থেকে সাড়ে
চার হাজার টাকা পোয়া। আর পুরোনো পান বিক্রি হচ্ছে পাঁচ থেকে সাড়ে পাঁচ হাজার টাকা পোয়া।
এ সময় পানের বরজ পুড়ে যাওয়া মানে চোখের সামনে টাকা পুড়ে ছাই হয়ে যাওয়া আর পানের বরজ
এমনভাবে পুড়েছে তাতে কিছু অবশিষ্ট নেই। সব বরজ নতুন করে তৈরি করতে হবে। আমার আড়াই বিঘা
জমির পান বরজ পুড়ে গেছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা
(ইউএনও) মাহবুবুল ইসলাম বলেন, কৃষি অফিসের কর্মকর্তাদের নিয়ে পুড়ে যাওয়া পানের বরজ
পরিদর্শন করেছি। ক্ষতিগ্রস্থ কৃষক ও ক্ষতির পরিমাণের তালিকা করতে কৃষি কর্মকর্তাদের
নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তালিকা তৈরির পর তা জেলা প্রশাসকের কাছে পাঠানো হবে।
মন্তব্য করুন