

কুড়িগ্রামের চিলমারী মডেল থানায় কর্মরত এক পুলিশ কর্মকর্তা হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন।গত শনিবার (২২ নভেম্বর) দিবাগত রাত ১টার দিকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন তিনি।
মৃত্যুবরণকারী পুলিশ সদস্যের নাম আসাদুজ্জামান আসাদ। তিনি চিলমারী মডেল থানার (এসআই) ছিলেন। তিনি নীলফামারী জেলাধীন সৈয়দপুর উপজেলার খোদ্দ জুম্মাপাড়া এলাকার মো. হামিদুল হকের ছেলে বলে জানা গেছে।
মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চিলমারী মডেল থানার (ওসি) আশরাফুল ইসলাম। জানা গেছে, শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে আসাদুজ্জামান হঠাৎ করে বুকে ব্যথা অনুভব করেন। এ সময় পাশে থাকা সহকর্মীদের বিষয়টি জানালে তাৎক্ষণিক চিলমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান তারা। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসক তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে আসাদকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। পরবর্তীতে পুলিশ সদস্যের মরদেহ রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে কুড়িগ্রাম পুলিশ লাইনে নিয়ে আসে।
চিলমারী মডেল থানার (ওসি ) আশরাফুল ইসলাম জানান, পুলিশ সদস্য এসআই আসাদের এমন মৃত্যু আমরা মেনে নিতে পারছি না। তার পরিবারকে সান্ত্বনা দেওয়ার ভাষা আমার নেই। আমরা সবাই তার রুহের মাগফিরাত কামনা করছি।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর শেরেবাংলা নগর এলাকার সোহরাওয়ার্দী
মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এক রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে একাধিক চিকিৎসকের
ওপর হামলা করে দুষ্কৃতকারীরা। এ সময় হামলাকারীদের সেনাবাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।
রোববার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার
দিকে এমন দুর্ঘটনা ঘটেছে। সোহরাওয়ার্দী মেডিকেলের একাধিক চিকিৎসক ও ইন্টার্ন চিকিৎসক
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ইন্টার্ন চিকিৎসকরা
জানান, মাল্টি অর্গাম ফেইলিউর একজন রোগী আইসিইউতে ভর্তি ছিল। তার অ্যাজমার সমস্যা ছিল।
সেখানে তাকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। যা ক্লিনিক্যালি আমাদের চিকিৎসকরা প্রুভ
করেছেন। মারা যাওয়ার পর কয়েকজন ব্যক্তি চিকিৎসকদের ওপর হামলা করে। আমাদের মনে হয় উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে
কোনো একটি গোষ্ঠী এ ধরনের হামলা চালাচ্ছে।
জানা যায়, পরে পুলিশ এবং চিকিৎসকদের
উপস্থিতিতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। হামলাকারীদের সেনাবাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূস বিনিয়োগ, মৎস্য, রোহিঙ্গাদের জন্য মানবিক সহায়তা এবং যুব উন্নয়ন - বিশেষ করে
শিক্ষা ও খেলাধুলা ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও জোরদার করতে জাপানের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
আজ বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) ঢাকায় রাষ্ট্রীয়
অতিথি ভবন যমুনায় জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সির (জাইকা) নির্বাহী সিনিয়র
ভাইস প্রেসিডেন্ট মিয়াজাকি কাতসুরার সঙ্গে এক বৈঠকে এ কথা বলেন তিনি ।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ইউনূস বলেন,
জাপান সব সময়ই একটি বিশ্বস্ত বন্ধু। আমি সম্প্রতি আপনার দেশ সফর করেছি এবং আমি ও আমার
প্রতিনিধিদলের প্রতি যেভাবে আন্তরিকতা ও আতিথেয়তা দেখানো হয়েছে, তা আমাকে গভীরভাবে
স্পর্শ করেছে।
মিয়াজাকি জানান, এশিয়ায় বাংলাদেশ জাপানের
অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার এবং তিনি বাংলাদেশের উন্নয়ন যাত্রায় জাপানের অব্যাহত সহযোগিতার
প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।
তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলনে যারা মৃত্যুবরণ
করেছেন ও আহত হয়েছেন, আমরা তাদের জন্য গভীরভাবে শোকাহত।
বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা মাতারবাড়ি প্রকল্পের
গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং এটিকে ‘বাংলাদেশের ভবিষ্যতের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল’
হিসেবে অভিহিত করেন।
বাংলাদেশের সামুদ্রিক সম্ভাবনার গুরুত্ব
তুলে ধরে তিনি বলেন, আমি জাপানে জাইকার প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কথা বলেছি এবং তাঁকে জানিয়েছি
আমরা একটি সমুদ্রভিত্তিক অর্থনীতিতে পরিণত হতে চাই।’
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ইউনূস বাংলাদেশের
তরুণদের জন্য জাপানে পড়াশোনার বৃত্তি বাড়ানো এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণের
অনুরোধ জানান।
তিনি বলেন, অনেক তরুণ জাপানে কাজ করতে
যেতে চায়। সমস্যা হচ্ছে ভাষা। আমরা প্রস্তাব দিয়েছি যে, জাপানি শিক্ষকরা এখানে এসে
বা দূরশিক্ষণের মাধ্যমে ভাষা ও কর্মস্থলের আচরণ শেখাতে পারেন।
প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস রোহিঙ্গা
শরণার্থীদের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, এটি একটি দুঃখজনক অবস্থা। হাজার
হাজার তরুণ ক্যাম্পে বেড়ে উঠছে কোনো আশা ছাড়াই। তারা হতাশ ও ক্ষুব্ধ হয়ে উঠছে।’
মিয়াজাকি জানান, ২০২৬ সালে বাংলাদেশের
স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে জাইকা বাংলাদেশের
বিচারব্যবস্থা, জনপ্রশাসন, স্থানীয় সরকার ও স্বাস্থ্য খাতে সংস্কারে সহায়তা দিচ্ছে।
তিনি আরও জানান, আইসিটি মানবসম্পদ বিষয়ক
প্রশিক্ষণ চালু করতে জাইকা বাংলাদেশকে কেন্দ্র করে একটি প্রকল্প গ্রহণ করেছে—যা উভয়
দেশের স্থানীয় সরকার, কোম্পানি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতায় পরিচালিত হবে।
যুব উন্নয়ন প্রসঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা
বাংলাদেশের নারীদের খেলাধুলায় সাফল্যের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, আমাদের মেয়েরা
সবখানে জয়লাভ করছে। গতকাল তারা আরেকটি ম্যাচ জিতে চূড়ান্ত পর্বে উঠেছে। আমরা হোস্টেল
সুবিধা বাড়াচ্ছি, তবে তাদের স্বাস্থ্য ও প্রশিক্ষণে সহায়তা দরকার।’
এর জবাবে মিয়াজাকি ইতিবাচক সাড়া দিয়ে
জানান, জাপান ইতোমধ্যে অনেক দেশে শিক্ষাক্ষেত্রে স্বেচ্ছাসেবক পাঠাচ্ছে এবং নারীদের
খেলাধুলায় আরও সহযোগিতার কথা বিবেচনা করবে।
বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস অর্থনৈতিক
সংস্কার, রেলপথ নির্মাণ এবং মানবসম্পদ উন্নয়নের জন্য ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি
মূল্যের ঋণ ও অনুদান চুক্তি স্বাক্ষরের জন্য জাপানকে ধন্যবাদ জানান এবং আরও বেশিসংখ্যক
উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে বৈদেশিক উন্নয়ন সহায়তার (ওডিএ) সীমা ৩০০ বিলিয়ন ইয়েন থেকে
৪৫০ বিলিয়ন ইয়েনে বাড়ানোর অনুরোধ জানান।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ইউনূস বলেন,
‘বাংলাদেশ সব সময় জাপানের বন্ধুত্ব ও অবদানের কথা মনে রাখবে।’
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৪ (কাহালু–নন্দীগ্রাম) আসন থেকে প্রার্থী হচ্ছেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল আলম, পরিচিত হিরো আলম। তিনি আমজনতা দলের মনোনয়নপত্র সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টায় জেলা প্রশাসক কার্যালয় থেকে সংগ্রহ করেছেন। জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমানের কাছে থেকে তিনি নিজে মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেন। হিরো আলম জানিয়েছেন, বিকেল ৫টার মধ্যে মনোনয়নপত্র পূরণ করে জমা দেবেন।মনোনয়ন উত্তোলনের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে হিরো আলম বলেন, “আমি সবসময় হামলা এবং মামলার শিকার হয়ে আসছি। তাই আমার নিরাপত্তার জন্য গানম্যান প্রয়োজন। অনেক প্রার্থীই নিরাপত্তার অভাবের কারণে গানম্যান চাইছেন।” তিনি আরও যোগ করেন, “নির্বাচন সুষ্ঠু হবে কিনা, তা এখনই বলা যাচ্ছে না। তবে আমরা সবাই চাই একটি সুষ্ঠু নির্বাচন হোক, যা বিগত কয়েকটি নির্বাচনে হয়নি।”তিনি বলেন, “অনেকে আমাকে বগুড়া-৬ (সদর) আসন থেকে নির্বাচন করতে বলেছিলেন। তবে ওই আসনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের অংশগ্রহণ থাকায় তার প্রতি সম্মান রেখে আমি বগুড়া-৪ আসন থেকেই নির্বাচন করছি।” হিরো আলম আরও জানিয়েছেন, আগেও বগুড়া-৪ আসনে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন এবং এবারও একই আসন থেকেই ভোটের মাঠে থাকবেন।উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে হিরো আলম বগুড়া-৪ আসন থেকে এবং ২০২৩ সালে বগুড়া-৪ ও বগুড়া-৬ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছিলেন।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী
সরকার আজ বৃহস্পতিবার ( ২৭ নভেম্বর )উপদেষ্টা পরিষদের সাপ্তাহিক বৈঠকে রাজধনী উন্নয়ন
কর্তৃপক্ষ (রাজউক) অধ্যাদেশ ২০২৫-এর খসড়া অনুমোদন করেছে। বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক
মুহাম্মদ ইউনূস সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দেশের সব ভবন ও নির্মাণ কাজের অনুমোদনের জন্য
একটি পৃথক কর্তৃপক্ষ গঠনের নির্দেশ দেন।
বৈঠকের
পর প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম সাংবাদিকদের জানান, প্রধান উপদেষ্টা গৃহায়ন
ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছেন, যাতে একটি পৃথক কর্তৃপক্ষ গঠন করা যায়, যা
দেশের সব স্থাপনা ও নির্মাণ কাজের অনুমোদন দেবে। বর্তমানে রাজউক শুধুমাত্র নিজস্ব এলাকায়
অনুমোদন দিতে পারে।
বৈঠকে
প্রধান উপদেষ্টা নিরাপদ নির্মাণ বিধি মানা হচ্ছে কি না তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
প্রেস সচিব বলেন, গ্রামাঞ্চলসহ দেশজুড়ে চার থেকে পাঁচ তলা ভবন নির্মাণ হচ্ছে, তবে প্রশ্ন
হলো এগুলো জাতীয় ভবন নির্মাণ কোড মেনে তৈরি হচ্ছে কিনা। এছাড়া ভূমিকম্প ও অগ্নি ঝুঁকির
বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে কিনা, তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নতুন
রাজউক অধ্যাদেশে পুনর্বিকাশ, জমি পুনর্বিন্যাস, খেলার মাঠ, জলাশয় ও প্রাকৃতিক জলাধারের
সুরক্ষা সংক্রান্ত বিধান অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। শফিকুল আলম বলেন, ‘জমির মালিক ৬০ শতাংশের
সম্মতিতে পুনর্বিকাশ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা যাবে।’
প্রধান
উপদেষ্টা নির্দেশ দিয়েছেন, নতুন অধ্যাদেশে নির্মাণ, জলাশয় খনন, নিচু জমি ভরাট, প্রাকৃতিক
জলপ্রবাহ বাধা, খেলার মাঠ ও উদ্যানের শ্রেণী পরিবর্তন নিয়ন্ত্রণের বিধান রাখা হয়েছে।
এছাড়া অনুমোদিত নকশা ব্যতীত নির্মাণ, ঝুঁকিপূর্ণ ও ব্যত্যয়ী স্থাপনা অপসারণের শাস্তি
এবং রাজউকের চেয়ারম্যান, সদস্য বা কর্মচারীদের রাজউকের সঙ্গে সংযুক্ত কোনো চুক্তি বা
শেয়ারে অংশগ্রহণে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


প্রায় ১১ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসা সেবা শুরু হয়েছে। চিকিৎসকদের কর্মবিরতির জেরে এ দীর্ঘসময় সেবা বন্ধ ছিলো ।
চিকিৎসকদের নিরাপত্তায় তাই হাসপাতালে সেনাবাহিনী ও বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।
রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে জরুরি বিভাগে চিকিৎসা কার্যক্রম শুরু হয়।
চিকিৎসকদের নিরাপত্তায় হাসপাতালে ২ প্লাটুন বিজিবি ও সেনাবাহিনী মোতায়েন রয়েছে। হাসপাতালে আসা রোগীদের সঙ্গে দুইজন প্রবেশ করতে পারবেন। নিরাপত্তার স্বার্থে হাসপাতালে আসা রোগীর স্বজন ও দর্শনার্থীদের তল্লাশি করে ভেতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে। লাঠি, ধারালো অস্ত্র বা জীবনহানি হয় এমন কোনো জিনিস নিয়ে হাসপাতালে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না।
রাতে ঢামেকের জরুরি বিভাগের সামনে গিয়ে দেখা যায়, চিকিৎসকরা হাসপাতালে আসা রোগীদের সেবা দেওয়া শুরু করেছেন। হাসপাতালে আসা রোগীরা টিকিট কেটে জরুরি বিভাগে গিয়ে ডাক্তার দেখাতে পারছেন।
জরুরি বিভাগের এক চিকিৎসক জানান, শর্ত সাপেক্ষে আমাদের দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাসে সেবা দেওয়া শুরু করেছি। আমাদের পক্ষ থেকে বেশ কয়েকটি দাবি জানানো হয়েছে এবং মূল দাবি আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে চিকিৎসকদের মারপিট করা দোষী ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করতে হবে। আমরা এখন দেখতে পাচ্ছি আমাদের নিরাপত্তায় হাসপাতালে সেনাবাহিনী এবং বিজিবি মোতায়েন রয়েছে। আশা করব, এ ঘটনার পুনরাবৃত্তি যেন আর না ঘটে।
প্রসঙ্গত
যে, গতকাল শনিবার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসকদের অবহেলায় বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি
অব বিজনেস টেকনোলজির (বিইউবিটি) শিক্ষার্থী আহসানুল হক দীপ্তর মৃত্যুর অভিযোগ ওঠে।
পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউরো সার্জারি বিভাগের তিন চিকিৎসককে মারধরের ঘটনা
ঘটে। এ ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজ দেখে দোষীদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের আল্টিমেটাম দেন চিকিৎসকরা।
এরই জেরে আজ দিনভর জরুরি বিভাগে চিকিৎসা সেবা দেওয়া থেকে বিরত ছিলেন ঢামেকের চিকিৎসকরা।
মন্তব্য করুন


আগামীকাল (২৬ নভেম্বর) রবিবার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে ।
এদিন সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে ফলাফল হস্তান্তরের পর বেলা ১১টায় স্ব স্ব কলেজ ও শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে একযোগে পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে আর এবার শিক্ষার্থীরা কলেজে না গিয়ে ঘরে বসেই ফল দেখতে পারবে।
আন্তঃশিক্ষাবোর্ড জানিয়েছে, পরীক্ষার্থীরা কলেজ নোটিশ বোর্ড ছাড়াও বোর্ডের নির্ধারিত ওয়েবসাইটে ও এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানতে পারবে ।
ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ফল জানতে শিক্ষার্থীকে প্রথমে www.educationboardresults.gov.bd এ ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে।সেখানে থাকা ফলাফল অপশনে ক্লিক করে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে সাবমিট করলেই শিক্ষার্থী তার রেজাল্ট শিট দেখতে পারবে।
ঢাকা বোর্ডের ওয়েবসাইটে www.dhakaeducationboard.gov.bd রেজাল্ট ক্লিক করে প্রতিষ্ঠানের ইআইআইএন এন্ট্রি করে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক রেজাল্ট শিট ডাউনলোড করা যাবে।
এছাড়াও পরীক্ষার্থীরা এসএমএসের মাধ্যমে ফল পেতে মোবাইল ফোনের মেসেজ অপশনে গিয়ে ইংরেজি অক্ষরে এইচএসসি (HSC) লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে আবার স্পেস দিয়ে পাসের বছর লিখতে হবে। এরপর ১৬২২২ নম্বরে সেন্ড করতে হবে। যেমন ঢাকা বোর্ডের একজন পরীক্ষার্থীকে- HSC DHA 123456 2023 লিখে পাঠাতে হবে 16222 নম্বরে। সঙ্গে সঙ্গেই ফিরতি এসএমএসে ফল জানিয়ে দেওয়া হবে।
উল্লেখ্য,দেশের আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসি পরীক্ষা গত ১৭ আগস্ট শুরু হয়। প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে পিছিয়ে যাওয়া চট্টগ্রাম, মাদরাসা ও বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা শুরু হয় ২৭ আগস্ট।
এ বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষায় অংশ নেন ১৩ লাখ ৫৯ হাজার ৩৪২ পরীক্ষার্থী।
মন্তব্য করুন


বিশ্বব্যাপী আলোচিত এবং সমাদৃত প্রধান
উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ‘থ্রি-জিরো তত্ত্ব’ এবং ‘সামাজিক ব্যবসায়’ ধারণাটি
বাস্তবায়নে সমবায় অধিদপ্তর অগ্রণী ভূমিকা রাখবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী
উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব
ভুঁইয়া।
আজ রোববার (৫ জানুয়ারি) ঢাকায় সমবায়
অধিদপ্তর পরিদর্শন এবং পায়রা সম্মেলন কক্ষে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে মতবিনিময় সভায়
প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্যকালে তিনি এ কথা জানান। উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘বিশ্বব্যাপী
গৃহীত ‘থ্রি জিরো তত্ত্ব’ একটি সামাজিক ও অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি, যার ভিত্তি হচ্ছে
শূন্য দারিদ্র্য, শূন্য বেকারত্ব এবং শূন্য কার্বন নিঃসরণ। এ সময় ‘থ্রি-জিরো তত্ত্ব’
এবং ‘সামাজিক ব্যবসায়’ ধারণাটি বাস্তবায়নে কাজ করতে সমবায় অধিদপ্তরের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের
নির্দেশ দেন উপদেষ্টা।
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেন, সমবায় অধিদপ্তরের
প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম এবং পারফরম্যান্স নিম্নমুখী বলে মনে হচ্ছে, কিন্তু তা ঊর্ধ্বমুখী
করার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সমবায় আইন সংশোধন এবং যুগোপযোগী করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের
নির্দেশনা দেন তিনি। দ্রুত সময়ের মধ্যে শূন্যপদ পূরণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার
বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন উপদেষ্টা। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে সমবায় অধিদপ্তরের সদস্যদের
নেটওয়ার্ক কাজে লাগিয়ে পাইলটিং প্রকল্প গ্রহণ এবং দ্রুত বাস্তবায়ন করার নির্দেশনা দেন
স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা। এছাড়াও দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়ন এবং সুষম সম্পদের বণ্টনের
জন্য সমবায় অধিদপ্তর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
মতবিনিময় সভার শুরুতে সমবায় অধিদপ্তরের
নিবন্ধক ও মহাপরিচালকের সভাপতিত্বে সমবায় কার্যক্রম সম্পর্কে মাল্টিমিডিয়া প্রেজেন্টেশন
দেন যুগ্ম নিবন্ধক মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়
বিভাগের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) মো. মোখলেছুর রহমান। সভায় পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের
ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ও সমবায় অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা (এনএসআই) ও র্যাব-১ এর যৌথ অভিযানে রাজধানীর বিমানবন্দর রেলস্টেশনে নাশকতার অভিযোগে নয়জন আটক করা হয়েছে। তবে রেলের ঠিক কোন কোন ঘটনায় তারা জড়িত সে সম্পর্কে বিস্তারিত এখনো জানায়নি র্যাব।
বিমানবন্দর রেলস্টেশনে বৃহস্পতিবার (২১ ডিসেম্বর) রাত পৌনে ১২টায় এক সংবাদ সম্মেলনে র্যাব-১ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মুহাম্মদ মোসতাক আহমদ বলেন, বিমানবন্দর রেলস্টেশন এলাকায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
সম্প্রতি নেত্রকোনা থেকে তেজগাঁও রেলস্টেশনে আগত একটি ট্রেনের বগিতে অগ্নিসংযোগ করে। এ ঘটনায় একজন মা-শিশুসহ ৪ জন নিহত হোন। তারই ধারাবাহিকতায় র্যাব ও গোয়েন্দা সংস্থা এনএসআইয়ের সহযোগিতায় সন্ধ্যা থেকে অভিযান চালিয়ে নয়জনকে আটক করা হয়েছে।
র্যাব-১ এর অধিনায়ক বলেন, আটকরা সামান্য কিছু উৎকোচের বিনিময়ে চলমান হরতাল অবরোধকে কেন্দ্র রেললাইন ও ট্রেনে নাশকতা করতো। প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি- এরা কোন কুচক্রী মহলের হয়ে স্বল্প টাকার বিনিময়ে এজেন্ডা বাস্তবায়ন করে থাকে। তারা বিভিন্ন জায়গাতে অগ্নিসংযোগ-ভাঙচুর করে থাকে। তাদের বিরুদ্ধে ইতোপূর্বেও বিভিন্ন ধরনের মামলা রয়েছে। তাদের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করবো। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাদের কাছ থেকে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।
র্যাব-১ এর অধিনায়ক আরো বলেন, রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী, অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থার সমন্বয়ে আমরা রেলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে যাবো। যতক্ষণ পর্যন্ত ট্রেনের যাত্রীরা নিরাপত্তা নিশ্চিত অনুভব না করবে ততক্ষণ পর্যন্ত আমাদের চলমান অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ভবিষ্যৎতে ট্রেনে অগ্নিকাণ্ডের আশঙ্কা আছে কি না এবং বাড়তি কী ধরনের নিরাপত্তা দেওয়া হবে এমন প্রশ্নের জবাবে মোসতাক আহমদ বলেন, প্রথমে বাস-ট্রাকের ওপরে অগ্নি-সন্ত্রাস ছিল। কিন্তু অতি সম্প্রতি সময়ে তা রেলের ওপরেও এসেছে। যার কারণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে।নাশকতাকারীরা এ ধরনের কাজ করে কখনো রেহাই পাবে না। বিভিন্ন রেলস্টেশনে আমাদের সাদা পোশাকে গোয়েন্দা সংস্থার লোকজন রয়েছে। ট্রেন আসা ও যাওয়ার সময় নজরদারি করা হচ্ছে।
ট্রেনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় সরাসরি জড়িত কাউকে গ্রেফতার বা শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে র্যাব-১ এর অধিনায়ক বলেন, আমরা আটকদের জিজ্ঞাসাবাদ করবো। সেই সঙ্গে আমাদের অভিযান অব্যাহত। আমরা মূলহোতা কিংবা অগ্নিকাণ্ডে জড়িত কাউকে গ্রেফতার করলে আপনাদের জানবো।
উল্লেখ্য,গত মঙ্গলবার (১৯ ডিসেম্বর) রাজধানীর তেজগাঁও স্টেশনে ঢাকাগামী মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনে দুর্বৃত্তের দেওয়া আগুন চারজন নিহত হয়েছেন। নিহতরা সবাই রেলের যাত্রী ছিলেন। মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনটি নেত্রকোনা থেকে ছেড়ে আসে।
মন্তব্য করুন


গ্রেপ্তার অভিযান
আরো জোরদার করা হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় এবং যুব
ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া। এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা
কমিটির সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে বলেও তিনি জানান।
আজ রোববার (১৫ ডিসেম্বর)
আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটির সভা শেষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে স্থানীয় সরকার
উপদেষ্টা এ কথা জানান। সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আইনশৃঙ্খলা
সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটির এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা
আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া বলেন, কমিটিতে সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে এবং
আমাদের সামনের যে ইভেন্ট আছে এই ইভেন্ট গুলোকে কিভাবে সুষ্ঠুভাবে শৃঙ্খলা বজায় রেখে
শেষ করা যায় সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে এবং আশা করি সামনের ইভেন্টগুলো শান্তিপূর্ণভাবেই পালন করা যাবে। এর
বাইরেও কিছু বিষয় নিয়ে যেমন গ্রেপ্তার অভিযান বৃদ্ধি করার জন্য, আমরা কিছু এক্টিভিটি
গত কিছুদিন লক্ষ্য করেছি। তার ভিত্তিতে গ্রেপ্তার অভিযান আরো জোরদার করার ব্যাপারে
সিদ্ধান্ত হয়েছে তার ফলাফল হয়তো আপনারা দেখতে পাবেন।
মন্তব্য করুন


তথ্য
ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলম বলেছেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের আত্মত্যাগ
এবং তাদের স্বপ্নের প্রতি আমরা দায়বদ্ধ। সেই স্মৃতি জাতির সামনে তুলে ধরা আমাদের কর্তব্য।
আমরা চেষ্টা করছি তাদের আকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ গড়ে তুলতে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে কেন্দ্র
করে বই প্রকাশ ও চলচ্চিত্র নির্মাণে সরকারি পর্যায়ে বহুমাত্রিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এই উদ্যোগের মাধ্যমে ঐতিহাসিক ঘটনাটি নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে প্রামাণ্যচিত্র,
বিশ্লেষণধর্মী প্রকাশনা ও সৃজনশীল কাজ চলছে।
আজ সোমবার (৪ আগস্ট) রাজধানীর তথ্য ভবনে চলচ্চিত্র
ও প্রকাশনা অধিদপ্তর (ডিএফপি) আয়োজিত প্রকাশনা উৎসব ২০২৫-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান
অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মোড়ক
উন্মোচনের পর উপদেষ্টা প্রকাশনা উৎসবের বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন।
সরকারি
সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানের যৌথ প্রচেষ্টায় মানসম্পন্ন প্রকাশনা ও চলচ্চিত্র নির্মাণ
সম্ভব হবে-আশা প্রকাশ করে তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা বলেন, এ উদ্যোগের মাধ্যমে জুলাই
গণ-অভ্যুত্থান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে এবং শহীদদের আত্মত্যাগ নতুন প্রজন্মের কাছে জীবন্ত
হয়ে উঠবে।
তথ্য
ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মাহফুজ আলম জানান, ডিএফপির নিজস্ব বাজেট এবং চলতি অর্থবছরের বিশেষ
বরাদ্দ থেকে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান বিষয়ক চলচ্চিত্র নির্মাণ ও গবেষণাধর্মী বই প্রকাশের
কাজ শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে ‘গ্রাফিতিতে বাংলাদেশ’শীর্ষক
বইয়ের দ্বিতীয় খণ্ড প্রকাশিত হয়েছে এবং আরও কয়েকটি গ্রন্থ প্রকাশের কাজ চলছে। এখন পর্যন্ত
প্রকাশিত বইগুলো মূলত বর্ণনামূলক হলেও এবার আমরা বিষয়গুলো বিশ্লেষণধর্মীভাবে উপস্থাপন
করব। গত এক বছরের অগ্রগতি, স্বপ্ন পূরণ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে পর্যালোচনামূলক প্রকাশনা
আনা হবে। পিআইবি, পিআইডি, বিটিভি, বাংলাদেশ বেতারসহ সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের
ইতিহাস সংগ্রহ, ডকুমেন্টেশন ও প্রচারে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। পাশাপাশি, বেসরকারি উদ্যোগেও
এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হয়েছে।
ডিএফপি
মহাপরিচালক খালেদা বেগমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের
সচিব মাহবুবা ফারজানা, প্রধান তথ্য অফিসার মো. নিজামূল কবীর, গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের
মহাপরিচালক ফায়জুল হক, পিআইবি মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফ, বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের মহাপরিচালক
মো. আবদুল জলিল এবং জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক মুহম্মদ হিরুজ্জামান এনডিসি।
মন্তব্য করুন