

কুড়িগ্রামের চিলমারী মডেল থানায় কর্মরত এক পুলিশ কর্মকর্তা হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন।গত শনিবার (২২ নভেম্বর) দিবাগত রাত ১টার দিকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন তিনি।
মৃত্যুবরণকারী পুলিশ সদস্যের নাম আসাদুজ্জামান আসাদ। তিনি চিলমারী মডেল থানার (এসআই) ছিলেন। তিনি নীলফামারী জেলাধীন সৈয়দপুর উপজেলার খোদ্দ জুম্মাপাড়া এলাকার মো. হামিদুল হকের ছেলে বলে জানা গেছে।
মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চিলমারী মডেল থানার (ওসি) আশরাফুল ইসলাম। জানা গেছে, শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে আসাদুজ্জামান হঠাৎ করে বুকে ব্যথা অনুভব করেন। এ সময় পাশে থাকা সহকর্মীদের বিষয়টি জানালে তাৎক্ষণিক চিলমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান তারা। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসক তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে আসাদকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। পরবর্তীতে পুলিশ সদস্যের মরদেহ রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে কুড়িগ্রাম পুলিশ লাইনে নিয়ে আসে।
চিলমারী মডেল থানার (ওসি ) আশরাফুল ইসলাম জানান, পুলিশ সদস্য এসআই আসাদের এমন মৃত্যু আমরা মেনে নিতে পারছি না। তার পরিবারকে সান্ত্বনা দেওয়ার ভাষা আমার নেই। আমরা সবাই তার রুহের মাগফিরাত কামনা করছি।
মন্তব্য করুন


দক্ষিণ
আফ্রিকার জোহানেসবার্গে নিজ প্রতিষ্ঠানের সামনে নোয়াখালীর প্রবাসী ব্যবসায়ী আবু নাছের
শামীমকে (৫০) গুলি করে হত্যা করেছে একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) স্থানীয়
সময় বিকেল ৫টায় জোহানেসবার্গের পার্শ্ববর্তী বারা এলাকায় এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা
ঘটে।
নিহত
শামীম নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের মৃত আবদুর রশিদ মিয়ার ছেলে।
নিহতের
স্বজনদের দাবি, একটি বড় দোকান বিক্রি নিয়ে এক ব্যবসায়িক অংশীদারের সঙ্গে শামীমের বিরোধ
চলছিল। নিরাপত্তা শঙ্কার কারণে তিনি দোকানে বুলেটপ্রুফ গ্লাস স্থাপন এবং ব্যক্তিগত
নিরাপত্তাকর্মীও নিয়োগ দিয়েছিলেন। ঘটনার দিন দোকানের সামনে নিরাপত্তাকর্মীর সঙ্গে কথা
বলার সময় সন্ত্রাসীরা তাকে লক্ষ্য করে পরপর ৬-৭ রাউন্ড গুলি করলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু
হয়।
শামীম
২০০৭ সাল থেকে দক্ষিণ আফ্রিকায় ব্যবসা করে আসছিলেন। বর্তমানে সেখানে তার ৪-৫টি ব্যবসা
প্রতিষ্ঠান রয়েছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং মরদেহ দ্রুত দেশে
ফিরিয়ে আনার দাবি জানানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মঙ্গলবার (৭ নভেম্বর) সচিবালয়ে মজুরি ঘোষণা করেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মন্নুজান সুফিয়ান।
পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ১২ হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সর্বশেষ ২০১৮ সালে পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ করা হয়েছিল। সেই অনুযায়ী, আট হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরি পাচ্ছিলেন পোশাকশ্রমিকরা। আগের তুলনায় ন্যূনতম মজুরি বেড়েছে সাড়ে ৪ হাজার টাকা।
আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে নতুন মজুরি কার্যকর হবে বলেও জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।
মন্নুজান সুফিয়ান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে মালিক ও শ্রমিক পক্ষ এবং নিরপক্ষ প্রতিনিধিদের নিয়ে দ্রুত নতুন মজুরি নির্ধারণ করা হয়েছে। দীর্ঘদিন শ্রমজীবী মানুষ আন্দোলন করে আসছেন মজুরি বাড়ানোর জন্য। মালিক ও শ্রমিকপক্ষকে নিয়ে মজুরি বোর্ডের চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে আলাপ-আলোচনার মধ্যদিয়ে একটি সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন।মজুরির যদি কোনো তারতম্য হয়ে যায় আমরা শেষ সম্বল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দ্বারস্থ হই সবসময়। উনার মৌখিক নির্দেশে আজকে পোশাক কারখানার শ্রমিকদের সর্বনিম্ন মজুরি ঘোষণা করছি।
তিনি আরও বলেন, শ্রমিকদের রেশনের দাবি আছে। সেখানে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, একটি পরিবারের জন্য একটি ফ্যামিলি কার্ডের মধ্যেই নির্ধারিত থাকবে যতগুলো সদস্য কার্ডটি ব্যবস্থা করতে পারবে। পরবর্তীতে এ কার্ডের মাধ্যমে রেশনিং ব্যবস্থা চালুর কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী।এখানে শ্রমজীবী মানুষ ও রাষ্ট্রের স্বার্থ আছে। শিল্প বাঁচলে শ্রমিক বাঁচবে। শ্রমিকের সঙ্গে শিল্পও ওতপ্রোতভাবে জড়িত। উভয়দিক লক্ষ্য রেখেই মজুরি ঘোষণা করা হচ্ছে।
মজুরি ৫৬ দশমিক ২৫ শতাংশ বাড়বে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আট হাজার থেকে সাড়ে ১২ হাজার টাকা করা হয়েছে। ৫ শতাংশ ইনক্রিমেন্ট বহাল আছে।
আন্দোলন-অবরোধের কারণে শিল্পাঞ্চলের বাড়িভাড়া মওকুফের জন্য মালিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী।
তিনি আরও বলেন, ডিসেম্বরের বেতন নতুন বেতনের আলোকে হবে। গেজেট এখনই করতে দেবে, কোনো সংশোধন থাকলে ১৪ দিনের মধ্যে করবে।
মজুরি ঘোষণার সময় নিম্নতম মজুরি বোর্ডের চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী মোল্লা, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব তৌফিকুল আরিফ, বিকেএমইএ'র সভাপতি সেলিম ওসমান, বিজিএমইএ'র সাবেক সভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন, শ্রমিক প্রতিনিধি সিরাজুল ইসলাম রনি উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের চলমান সংস্কার কার্যক্রমে সমর্থন দেওয়ার পাশাপাশি অর্থনৈতিক উন্নয়নে জাপানি বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে তাদের অবস্থান অব্যাহত রাখবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইওয়ামা কিমিনোরি।
বুধবার (১১ ডিসেম্বর) ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎকালে জাপানি রাষ্ট্রদূত এসব কথা বলেন।
রাষ্ট্রদূত কিমিনোরি অধ্যাপক ইউনূসের নেতৃত্বের প্রশংসা করে বলেন, জাপান সরকার শান্তি ও স্থিতিশীলতা, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং জনগণের মধ্যে সম্পর্ক— এই তিনটি স্তম্ভের ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও মজবুত করবে।
কিমিনোরি বলেন, ‘আমরা এই তিনটি স্তম্ভের জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করব।’
তিনি বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নির্বাচনী ব্যবস্থাসহ অন্যান্য সংস্কার কার্যক্রমে টোকিওর ‘দৃঢ় সমর্থনের’ কথাও পুনর্ব্যক্ত করেন।
অধ্যাপক ড. ইউনূস উভয় দেশের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নে অবদান রাখায় জাপানের বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের প্রশংসা করে বলেন, ‘এই সম্পর্ক সবসময় খুব শক্তিশালী ছিল।’
সরকার বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার কার্যক্রম পরিচালনা করছে উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বাংলাদেশে আরও জাপানি বিনিয়োগের আহ্বান জানান। বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগকারীদের উপস্থিতি আমাদের জন্য ইতিবাচক বার্তা দেয় বলে তিনি উল্লেখ করেন।
জাপানি রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশ থেকে জাপানি কোন কোম্পানিও চলে যায়নি। তারা এখানে থাকতে আগ্রহী।’
তিনি নিক্কেইয়ের বার্ষিক সম্মেলনে অংশগ্রহণের জন্য প্রধান উপদেষ্টাকে আমন্ত্রণ জানান। সেখানে জাপানের প্রধানমন্ত্রী বক্তব্য রাখবেন। রাষ্ট্রদূত বলেন, ওই সম্মেলনে অধ্যাপক ইউনূস জাপানের শীর্ষ কোম্পানিগুলোর প্রধান নির্বাহীদের সঙ্গে দেখা করতে পারেন এবং তাদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানাতে পারবেন।
রোহিঙ্গা ইস্যুতে আন্তর্জাতিক সম্মেলন আয়োজনে প্রধান উপদেষ্টার পদক্ষেপের প্রশংসা করে জাপানি রাষ্ট্রদূত বলেন, টোকিও এই বৈঠককে দৃঢ়ভাবে সমর্থন করে।
অধ্যাপক ইউনূস মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে জাতিসংঘের গ্যারান্টিযুক্ত একটি নিরাপদ এলাকা তৈরির আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেন, যেখানে সংঘাত শেষ হওয়ার পর বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীকে তাদের বাড়িতে ফেরার পূর্বে সাময়িকভাবে পুনর্বাসিত করা যেতে পারে।
সাক্ষাৎকালে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক ও সিনিয়র সচিব লামিয়া মোরশেদ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


ঢাক-ঢোল ও বাঁশি বাজিয়ে বাংলা নববর্ষ বরণে অনুষ্ঠিত হলো আজ শোভাযাত্রা। সকাল বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ থেকে শোভাযাত্রা শুরু হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড এ এস এম মাকসুদ কামালের নেতৃত্বে চারুকলা অনুষদ থেকে মঙ্গল শোভাযাত্রাটি শুরু হয়। সমাজকল্যাণ মন্ত্রী দীপু মনি, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম ও ডিএমপি কমিশনার শোভাযাত্রায় অংশ নিয়েছেন।
এর
আগে সকালে মঙ্গল শোভাযাত্রায়
প্রদর্শনীর জন্য বিভিন্ন মুখোশ, পেঁচা, ঘোড়া, মূর্তি, ট্যাপা পুতুল, নকশি পাখি, বিভিন্ন প্রাণীর প্রতিকৃতি শোভাযাত্রার জন্য প্রস্তুত করা হয়।
আজ
মঙ্গল শোভাযাত্রার প্রতিপাদ্য ছিল ‘আমরা তো তিমিরবিনাশী।তার সাথে বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখের মঙ্গল শোভাযাত্রার ৩৫ বছর পূর্তি হলো ।
চারুকলা অনুষদের
উদ্যোগে প্রথমবারের মতো বের হয় মঙ্গল শোভাযাত্রা
১৯৮৯ সালে । বাঙালি এ উৎসব
সাধারণ মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণে সক্ষম হয়। এরপর থেকে বাংলা বর্ষবরণের অপরিহার্য অনুষঙ্গ হয়ে ওঠে ।
ইউনেস্কোর
বিশ্ব ঐতিহ্যের স্বীকৃতি লাভ করে ২০১৬
সালের ৩০ নভেম্বর এ
শোভাযাত্রা।
মন্তব্য করুন


নারায়ণগঞ্জে
গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে আল আমিন (১০) ও ইব্রাহিম (৮) নামে দুই ভাইয়ের মৃত্যু হয়েছে।
শুক্রবার
(১৭ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১২টার দিকে শহরের জল্লারপাড় এলাকার সিটি পার্ক লেক থেকে তাদের
মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত
আল আমিন ও ইব্রাহিম সিরাজগঞ্জ জেলার দত্তকান্দি গ্রামের রিকশাচালক শাহ আলমের ছেলে ও
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার কাশিপুর খিলমার্কেট এলাকার আলমাস মিয়ার বাড়ির ভাড়াটিয়া ছিলো।
স্বজনরা
জানান, বিকেলে দুই ভাই লেকের সামনে মেলায় যাওয়ার কথা বলে বাসা থেকে বের হয়ে আর বাড়ি
ফেরেনি। রাতে অনেক খোঁজাখুজির পর লেকের পাশে পাঞ্জাবি ও জুতা পড়ে থাকতে দেখে পরিবারের
সদস্যরা চিৎকার করেন। এ সময় স্থানীয়রা দ্রুত পানিতে নেমে খোঁজাখুজি করে প্রথমে আল আমিন
ও পরে ইব্রাহিমের নিথর দেহ উদ্ধার করে সদর জেনারেল হাসপাতালে নিলে কতর্ব্যরত চিকিৎসক
তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
এ
বিষয়ে সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মান্নান বলেন, খবর পেয়ে সদর
মডেল থানা পুলিশ মরদেহ দুটি উদ্ধার করেছে। লেকের পানিতে গোসল করতে গিয়ে দুই শিশুর মৃত্যু
হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) দেশে ফিরে বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস
বলেন, আমার ওপর ভরসা রাখুন, দেশের কোথাও কারও ওপর হামলা হবে না ।
দুপুর ২টার পর ড. ইউনূসকে বহনকারী বিমানটি শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
দেশে ফেরার পর তাকে স্বাগত জানান সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামানসহ তিন বাহিনীর প্রধান ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়করা। এ ছাড়াও সেখানে উচ্চপদস্থ অনেক কর্মকর্তারা ছিলেন।
এ সময় শুরুতেই কোটা সংস্কার আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে শহীদ হওয়া রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবু সাঈদকে স্বরণ করেন ড. ইউনূস।
তিনি বলেন, নতুন এই বাংলাদেশ যাতে দ্রুত গতিতে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে পারে সেদিকে আমাদের কাজ করতে হবে।
নোবেলবিজয়ী আরো বলেন, এই স্বাধীনতাটা আমাদের রক্ষা করতেই হবে। শুধু রক্ষা না এর সুফল প্রতিটি ঘরে পৌঁছে দিতে হবে। তা নাহলে এই স্বাধীনতার কোনো দাম নেই।
তিনি আরও বলেন, আজকের এই দেশ তরুণ প্রজন্মের হাতে। তোমরা যেভাবে এটা স্বাধীন করেছো, তোমরাই এটা গড়ে তুলবে।
এর আগে বুধবার (৭ আগস্ট) তিনি ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের চার্লস দ্য গল বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা করেন তিনি। বিমানবন্দরে তাকে কড়া নিরাপত্তা দেন ফ্রান্সের বিশেষ বাহিনীর সদস্যরা।
বুধবার ইউনূস সেন্টার থেকে বলা হয়েছিল, ড. মুহাম্মদ ইউনূস বৃহস্পতিবার দুপুরে বাংলাদেশে ফিরবেন। এমিরেটস এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে দুপুর ২টা ১০ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে তার।
অলিম্পিক কমিটির আমন্ত্রণে বিশেষ অতিথি হিসেবে প্যারিসে গিয়েছিলেন ড. ইউনূস। সেখানে তিনি চিকিৎসা নিয়েছেন, তার একটি ছোট অস্ত্রোপচার হয়েছে।
জানা গেছে, ড. ইউনূস সরকারপ্রধান হিসেবে আজ রাত ৮টায় বঙ্গভবনে শপথ নেবেন।
মন্তব্য করুন


গায়ের
রং ‘অতি ফর্সা’ হওয়ায় যে বাবাও স্বীকার করে নেয়নি নিজের সন্তান ছোট্ট
আফিয়াকে। সেই আফিয়ার জীবন যেন বদলে গেল। অ্যালবেনিজম রোগে আক্রান্ত অতি ফর্সা রঙের
কারণে অধিকার বঞ্চিত যশোরের সেই শিশু আফিয়াকে প্রতিশ্রুত নতুন ঘর উপহার দিয়েছেন বিএনপির
চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
সোমবার
(১৯ জানুয়ারি) ছোট্ট আফিয়া ও তার মায়ের জন্য নতুন ঘর হস্তান্তর অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি
যুক্ত ছিলেন তারেক রহমান।
এসময়
তিনি বলেন, দেশ গড়তে সংস্কারের পাশাপাশি মানুষের জন্য কাজ করতে চায় বিএনপি। রাজনীতিকে
শুধু স্লোগান, মিছিল মিটিং আর দোষারোপের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে চায় না। এজন্য আগামীর
রাজনীতি হবে মানুষের কল্যাণে।
অনুষ্ঠানে
তারেক রহমান আরো বলেন, ফ্যামিলি, কৃষক কার্ডের মাধ্যমে গ্রামীন মানুষকে শক্তিশালী করা
হবে। আগামীতে ফের খাল কাটা কর্মসূচি চালু হবে, পানির কষ্ট দূর করা হবে।
তিনি
বলেন, গ্রামীণ পর্যায়ে স্বাস্থ্য সুবিধা নিশ্চিত করতে কাজ করবে বিএনপি। মানষ যাতে
ঘরে বসে মৌলিক চিকিৎসা সেবা নিতে পারে সেজন্য তৃণমূলে এক লাখ স্বাস্থ্য কর্মী নিয়োগ
করা হবে।
তারেক
রহমান বলেন, বিএনপি জনগনের রায় নিয়ে সরকার গঠন করতে পারলে, দেশকে এগিয়ে নিতে শিক্ষিত
নারী সমাজকে অর্থনৈতিকভাবে সাবলম্বী হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করবে। পাশাপাশি একেবারে
অবহেলিত মসজিদের ইমাম খতিব সহ ধর্মীয় গুরুদের সম্মানী ভাতার আওতায় আনা হবে।
যশোর
সদর উপজেলার রামনগর ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক ডা. আব্দুল আজিজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক নার্গিস বেগম, খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য
ইসলাম অমিত, জেলা বিএনপি সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, সাধারণ সম্পাদক
দেলোয়ার হোসেন খোকনসহ বিএনপি নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে
নতুন ঘর পেয়ে আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েন শিশু আফিয়ার মা মনিরা খাতুন। তিনি বিএনপির চেয়ারপার্সনসহ
সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। একইভাবে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও তৃণমূল
বিএনপি নেতৃবৃন্দ।
মন্তব্য করুন


নারায়ণগঞ্জের
রূপগঞ্জের কাঞ্চনে দলীয় কর্মসূচিতে নাম আগে-পরে দেয়াকে কেন্দ্র করে বাগ্বিতণ্ডার একপর্যায়ে
যুবদল কর্মীর ঘুষিতে আজাহার (৪৫) নামে এক স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা নিহত হয়েছেন।
শুক্রবার
(৩০ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রূপগঞ্জের কাঞ্চন পৌরসভার ত্রিশকাহনীয়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
এ সময় আহত হয়েছেন আরো তিনজন।
নিহত
আজাহার কাঞ্চন পৌরসভার নরাবো এলাকার আব্দুল খালেকের ছেলে। তিনি কাঞ্চন পৌর স্বেচ্ছাসেবক
দলের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সিনিয়র সহ-সভাপতি ছিলেন।
স্থানীয়
প্রত্যক্ষদর্শী ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শনিবারের দলীয় কর্মসূচি উপলক্ষে
শুক্রবার সন্ধ্যায় কাঞ্চন পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির কার্যালয়ে অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা
আলোচনায় বসেন। আলোচনার একপর্যায়ে তালিকায় নাম আগে-পরে দেয়া নিয়ে স্বেচ্ছাসেবক দলের
সভাপতি সবুজের সাথে যুবদল কর্মী রাজিবের কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে রাজিবের সহযোগী
হাসানসহ বেশ কয়েকজন উত্তেজিত হয়ে সবুজ, আজাহার, রিপন ও এমরাতকে মারধর শুরু করেন। এ
সময় আজাহার ঘটনাস্থলেই মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে
নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
আজাহারের
মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে কাঞ্চন পৌর বিএনপির নেতারা তার বাড়িতে যান।
রূপগঞ্জ
থানার ওসি সবজেল হোসেন জানান, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ পাঠানো হয়েছে এবং এই ঘটনায় আইনগত
ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ
জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল জেলার কলমাকান্দায় কোমলমতি শিক্ষার্থীদের
বিদ্যুৎ বিভ্রাট জনিত ভোগান্তি দূর করতে অনন্য এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তিনি আজ
একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আইপিএস কেনার জন্য নিজের এক মাসের বেতনের সমপরিমাণ এক লাখ
টাকা অনুদান দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
শনিবার
( ৪ এপ্রিল ) সকালে কলমাকান্দা উপজেলার ‘মুক্তি প্রি-ক্যাডেট স্কুল’
আকস্মিক পরিদর্শনে গেলে অভিভাবকদের দাবির মুখে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে এই মানবিক সহায়তা
প্রদানের ঘোষণা দেন।
স্থানীয়
সূত্র জানায়, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল আকস্মিকভাবে
স্কুলটি পরিদর্শনে যান। এই সময় স্কুলের সহকারী পরিচালক এনামুল হক তালুকদার তাকে স্বাগত
জানান। প্লে-গ্রুপ থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত দুই শিফটে চার শতাধিক শিক্ষার্থী এখানে
পড়াশোনা করছে। কিন্তু সাম্প্রতিক প্রচণ্ড গরমে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে শিশুদের পাঠদান
ব্যাহত হচ্ছিল।
ডেপুটি
স্পিকারের উপস্থিতির খবর পেয়ে স্কুলের গেটে জড়ো হন অভিভাবকরা। রুমা আক্তার, মরিয়ম,
পিংকি সাহা ও রিমা আক্তারসহ বেশ কয়েকজন অভিভাবক বিদ্যুৎ সমস্যার কথা ডেপুটি স্পিকারের
নিকট তুলে ধরেন এবং শিশুদের নিরবচ্ছিন্ন পাঠদানের স্বার্থে একটি আইপিএস স্থাপনের অনুরোধ
জানান।
অভিভাবকদের
কথা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে শুনে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায়
বলেন, ‘স্কুল কর্তৃপক্ষ বা অন্য কারও অপেক্ষায় না থেকে আমি নিজেই এই সমস্যার সমাধান
করছি। আইপিএস কেনার জন্য আমি আমার এক মাসের বেতন এক লাখ টাকা দিয়ে দিলাম। আপনারা শিশুদের
জন্য দ্রুত একটি ভালো মানের আইপিএস কিনে নেবেন।’
ডেপুটি
স্পিকারের এই অভাবনীয় ও দ্রুত সিদ্ধান্তে উপস্থিত অভিভাবক ও স্থানীয়দের মধ্যে আনন্দঘন
পরিবেশের সৃষ্টি হয়। তারা হর্ষধ্বনি ও করতালির মাধ্যমে তাঁকে অভিনন্দন জানান।
স্কুল
পরিচালনা পর্ষদ ও শিক্ষক-শিক্ষিকাদের পক্ষ থেকে এই সময় ডেপুটি স্পিকারকে আন্তরিক ধন্যবাদ
ও কৃতজ্ঞতা জানানো হয়।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত রিপাবলিক অব কসোভোর রাষ্ট্রদূত মি. লুলজিম প্লানা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
আজ সোমবার সকাল ৯টায় রাজধানীর বসুন্ধরাস্থ আমিরে জামায়াতের কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
রাষ্ট্রদূত বৈঠকের শুরুতেই আমিরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানের স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নেন এবং তার পরিপূর্ণ সুস্থতা কামনা করেন।
বৈঠকে বাংলাদেশে বিরাজমান সার্বিক পরিস্থিতি এবং বাংলাদেশ ও কসোভোর দ্বিপক্ষীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে তারা খোলামেলা আলোচনা করেন। ভবিষ্যতে বাংলাদেশের প্রতি কসোভোর দৃঢ় সমর্থন থাকবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনের সেক্রেটারি জেনারেল, সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।
মন্তব্য করুন