

২০২৬
ফিফা বিশ্বকাপ ফাইনালের পর বিতর্ক যেন থামছেই না। স্পেনের কাছে অতিরিক্ত সময়ে ১-০ গোলে
হেরে শিরোপা হারানোর পর এবার ম্যাচটি পুনরায় আয়োজনের দাবিতে অনলাইন পিটিশন শুরু করেছেন
আর্জেন্টিনার সমর্থকরা। ইতোমধ্যে চেঞ্জডটওআরজি-এ প্রকাশিত সেই আবেদনে ৬১ হাজার ৫০০-এর
বেশি মানুষ সই করেছেন। তবে ফুটবলবিশ্বে আলোচনার জন্ম দিলেও এই উদ্যোগে ফাইনালের ফল
বদলে যাওয়ার সম্ভাবনা কার্যত নেই।
পিটিশনটি
শুরু করেছেন আর্জেন্টিনার সমর্থক গিসেলা সানচেজ। আবেদনে তিনি দাবি করেছেন, ১৯ জুলাই
নিউইয়র্কের মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে স্লোভেনিয়ার রেফারি স্লাভকো ভিনচিচ
বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে ভুল করেছেন, যা ম্যাচের ফলাফলে প্রভাব ফেলেছে।
এসব ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে ফিফার
প্রতি।
পিটিশনে
আরও অভিযোগ করা হয়েছে, ম্যাচে কিছু ‘অনিয়ম’ ছিল। তবে এসব দাবির পক্ষে কোনো স্বাধীন
বা যাচাইযোগ্য প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি।
বিভিন্ন
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, চেঞ্জডটওআরজি-এর মতো প্ল্যাটফর্মে করা কোনো
অনলাইন পিটিশনের আইনি বা ক্রীড়া নিয়ন্ত্রক কোনো ক্ষমতা নেই। তাই শুধু সই সংগ্রহের ভিত্তিতে
ফিফা কোনো ম্যাচের ফল পরিবর্তন বা পুনরায় ম্যাচ আয়োজন করতে পারে না।
ফিফার
নিয়ম অনুযায়ী, কোনো ম্যাচ পুনরায় আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় কেবল অত্যন্ত ব্যতিক্রমী
পরিস্থিতিতে-যেমন ম্যাচ পরিচালনায় ফুটবলের আইন ভুলভাবে প্রয়োগ হওয়া, কিংবা ফিফা বা
সংশ্লিষ্ট বিচারিক সংস্থার আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের মাধ্যমে। বিতর্কিত রেফারিং সিদ্ধান্ত
বা সমর্থকদের অসন্তোষ সাধারণত ম্যাচ পুনরায় খেলার ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হয় না।
২০২৬
বিশ্বকাপেই এটি প্রথম এমন ঘটনা নয়। স্পেন ও ফ্রান্সের সেমিফাইনালের পরও ফরাসি সমর্থকরা
একটি অনলাইন পিটিশন শুরু করেছিলেন। সেই পিটিশনে ৮২ হাজারের বেশি মানুষ সই করেন। তাদের
অভিযোগ ছিল, স্পেনের পক্ষে পাওয়া বিতর্কিত পেনাল্টির সিদ্ধান্ত ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে
দেয় এবং সেই ম্যাচও পুনরায় আয়োজন করা উচিত।
তবে
সেই পিটিশনেরও কোনো প্রভাব পড়েনি। ফিফা ফলাফল বহাল রাখে এবং স্পেন ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত
করে।
ফাইনালে
হারের হতাশা থাকলেও দেশের বিভিন্ন শহরে হাজারও সমর্থক জাতীয় দলকে বীরের সম্মান জানিয়েছেন।
বিশ্বকাপ শিরোপা ধরে রাখতে না পারলেও টানা দ্বিতীয়বারের মতো ফাইনালে পৌঁছানোর জন্য
লিওনেল স্কালোনির দলকে অভিনন্দন জানান তারা।
অন্যদিকে
স্পেন অতিরিক্ত সময়ে ফেরান তোরেসের একমাত্র গোলে ১-০ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে ইতিহাসের
দ্বিতীয় বিশ্বকাপ শিরোপা জিতে নেয়। যদিও অনলাইন পিটিশনটি সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার
জন্ম দিয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক ক্রীড়া আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, ফাইনাল পুনরায় আয়োজনের সম্ভাবনা
কার্যত নেই।
মন্তব্য করুন


ভারতের
কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেছেন। শনিবার (২৫ জুলাই) প্রধানমন্ত্রী
নরেন্দ্র মোদির কাছে তিনি পদত্যাগপত্র জমা দেন। বহুল আলোচিত ন্যাশনাল এলিজিবিলিটি কাম
এন্ট্রান্স টেস্ট (নিট) পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ, শিক্ষা ব্যবস্থায় অনিয়ম এবং
জবাবদিহির দাবিতে চলমান ছাত্র আন্দোলনের মুখে তিনি এ সিদ্ধান্ত নেন।
পদত্যাগপত্রে
ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, গত ১০ দিনের ঘটনাপ্রবাহ তাকে গভীরভাবে ব্যথিত করেছে। তার ভাষায়,
বিষয়টি ব্যক্তিগত সম্মান বা ভাবমূর্তির নয়; বরং দেশের শিক্ষার্থী ও তরুণদের স্বার্থ
রক্ষার প্রশ্ন।
সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত চিঠিতে তিনি লেখেন, দেশের গণতন্ত্রের শক্তি এবং তরুণদের
স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষার প্রতি তার অটল বিশ্বাস রয়েছে। তরুণরাই ভারতের ভবিষ্যৎ এবং একটি
উন্নত ভারতের নির্মাতা।
তিনি
আরও বলেন, দেশের তরুণদের শক্তি যেন বিভ্রান্তির জালে আটকে না পড়ে, সেই বিবেচনা থেকেই
তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। দিল্লির যন্তর-মন্তরসহ বিভিন্ন স্থানে চলমান আন্দোলনের
প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, পরিস্থিতির সুযোগ যেন কোনো রাষ্ট্রবিরোধী শক্তি নিতে না পারে,
দেশের ঐক্য অক্ষুণ্ন থাকতে হবে এবং কোনো শিক্ষার্থী যেন আইনি জটিলতায় না জড়ায়।
এসব বিষয় বিবেচনায় রেখেই তিনি প্রধানমন্ত্রীর কাছে
পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন বলে উল্লেখ করেন।
বিদায়ী
শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সহকর্মী, শিক্ষা
মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে তিনি বলেন,
দেশের সেবা করাই সবসময় তার জীবনের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার ছিল এবং ভবিষ্যতেও ওডিশার জনগণ
ও দেশের তরুণদের কল্যাণে কাজ করে যাবেন।
গত
জুনের শুরু থেকে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতৃত্বে আন্দোলন শুরু হয়। গত ২০ জুলাই
আন্দোলন বড় আকার ধারণ করে, যখন হাজারো শিক্ষার্থী ও তরুণ পেশাজীবী দিল্লির যন্তর মন্তরে
সমবেত হয়ে সংসদ অভিমুখে পদযাত্রার ঘোষণা দেন।
আয়োজকদের
দাবি, সাম্প্রতিক বছরগুলোর সবচেয়ে বড় ছাত্র-যুব আন্দোলনগুলোর একটি ছিল এটি। আন্দোলনের
মূল দাবিগুলোর মধ্যে ছিল শিক্ষা ব্যবস্থায় জবাবদিহি নিশ্চিত করা, নিট পরীক্ষায় অনিয়মের
সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের
পদত্যাগ।
পরবর্তী
সময়ে দিল্লির বাইরে মুম্বাইসহ ভারতের বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ ও সংহতি মিছিল ছড়িয়ে পড়ে।
আন্দোলনের সময় কয়েকটি স্থানে পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে সংঘর্ষ, আন্দোলনকারীদের
আটক এবং শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান সিজেপি নেতারা।
ভারতের
মেডিকেল কলেজে স্নাতক পর্যায়ের ভর্তি পরীক্ষার অন্যতম বড় পরীক্ষা নিটে প্রশ্নফাঁস ও
বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ ওঠার পর শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ
সৃষ্টি হয়। অভিযোগের তদন্তে কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলো একাধিক তদন্ত শুরু করে এবং বিষয়টি
আদালতেরও নজরে আসে।
গত
২১ জুলাই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, সরকারি পরীক্ষার পবিত্রতা নষ্টকারীদের
বিরুদ্ধে ‘সবচেয়ে কঠোর শাস্তি’ নিশ্চিত করা হবে। তিনি শিক্ষার্থীদের
আশ্বস্ত করে বলেন, দায়ীদের বিচারের আওতায় আনতে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে। জাতীয় গণতান্ত্রিক
জোট (এনডিএ) সংসদীয় দলের বৈঠকের পর কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু প্রধানমন্ত্রীর
এই বার্তা গণমাধ্যমে তুলে ধরেন।
আন্দোলনে
নতুন মাত্রা যোগ করেন শিক্ষা সংস্কারক সোনম ওয়াংচুক। শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে
শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে তিনি অনির্দিষ্টকালের অনশন শুরু করেন। পরবর্তীতে
তার শারীরিক অবস্থার অবনতি, হাসপাতালে ভর্তি হওয়া এবং অনশন ভাঙার আহ্বান দেশজুড়ে ব্যাপক
আলোচনার জন্ম দেয়।
এদিকে
আন্দোলন তীব্র হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন বিরোধী রাজনৈতিক দলও বিভিন্ন মাত্রায় সমর্থন
জানায়। তবে কেন্দ্রীয় সরকার জানায়, নিট পরীক্ষার অনিয়মের অভিযোগের তদন্ত এগিয়ে চলছে
এবং দোষী প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সিজেপির
দাবি, তাদের আন্দোলন শুধু নিট পরীক্ষার অনিয়মের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর
জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং দেশের তরুণদের বিভিন্ন সমস্যার কার্যকর সমাধানের বৃহত্তর
দাবির অংশ।
মন্তব্য করুন


শহীদ
রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে নিয়ে পর্যাপ্ত গবেষণা না হওয়ায় বাংলাদেশের ইতিহাসের প্রতি
অবিচার করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
জাতীয়
প্রেসক্লাবে আলোচনা সভায় কথা বলছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
জাতীয়
প্রেসক্লাবে আলোচনা সভায় কথা বলছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
রোববার
(১৪ জুন) জাতীয় প্রেসক্লাবে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে
এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
মির্জা
ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, জিয়াউর রহমানের ওপর গবেষণা এত অপ্রতুল যে ইতিহাসের প্রতি
অবিচার করা হচ্ছে।
বিএনপি
মহাসচিব বলেন, আমি যে পশ্চিম বাংলার নাগরিক নয়, এটা সে প্রতিষ্ঠা করেছেন তার জাতীয়তাবাদী
মনোভাব দিয়ে। তিনি গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে কাজ করেছিলেন।
‘গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল ছাড়া গণতন্ত্রকে
প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়া কঠিন। জিয়াউর রহমান সেই কাজটিই করার চেষ্টা করেছেন’,
যোগ করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
মির্জা
ফখরুল আরও বলেন, শুধু খাল খনন না, রিসার্চ ইনস্টিটিউট, সুগার কেন ইনস্টিটিউটের প্রতিটি
ক্ষেত্রে জিয়াউর রহমান কাজ করেছেন।
মন্তব্য করুন


ভোলার
চরফ্যাশনে পরীক্ষা দিতে যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় এক মাদরাসাছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার
(১ জুলাই) সকালে উপজেলার চেয়ারম্যান বাজার-শশীভূষণ সড়কের জলিল মাঝির বাড়ির সামনে এ
দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত
লিয়া বেগম (১৫) উপজেলার হাজারীগঞ্জ ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. সফিকুল
ইসলামের মেয়ে ও চেয়ারম্যান বাজার ইসলামিয়া আলিম মাদরাসার দশম শ্রেণির ছাত্রী ছিল।
প্রত্যক্ষদর্শী
ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকালে মাদরাসায় পরীক্ষা দিতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি
থেকে বের হয় লিয়া। পথে চেয়ারম্যান-শশীভূষণ সড়কের জলিল মাঝির বাড়ির সামনে পৌঁছালে একটি
দ্রুতগতির টমটম তাকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনার পর
টমটমটি ঘটনাস্থলে রেখে চালক পালিয়ে যায়।
স্থানীয়
বাসিন্দা আহসান হাবীব টিটু জানান, লিয়া বেগমের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে শিক্ষার্থী ও
স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা ঘটনার বিচার এবং দায়ী
চালকের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান।
ঘটনার
সত্যতা নিশ্চিত করে শশীভূষণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ আহমেদ বলেন, ঘটনাস্থলে
পুলিশ পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনায় জড়িত চালককে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায়
আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, জুলাই বিপ্লবের মূল কথাই ছিল সংস্কার। তার সরকার নির্বাচনের আগে সেই সংস্কার করতে বদ্ধপরিকর।
আজ সোমবার (২ ডিসেম্বর) ঢাকায় প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে সুইডেনের রাষ্ট্রদূত নিকোলাস উইকস প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশে আরও বেশি সুইডিশ বিনিয়োগকে স্বাগত জানাই’। তার সরকার দুর্নীতি দমন করেছে, রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলে বিনিয়োগ সহজ করেছে এবং শ্রম আইনের বিষয়ে আইএলও কনভেনশন অনুমোদনের উদ্যোগ নিয়েছে।
রাষ্ট্রদূত উইকস জানান, সুইডেনের সরকার ইউনূস-নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার এবং পুলিশের সংস্কার, বিচারব্যবস্থা, নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসন পুনর্গঠনের উদ্যোগকে সমর্থন করে।
নিকেলাসউ উইকস বলেন, 'আপনাকে আশ্বস্ত করতে চাই যে এই পরিবর্তনকালে আমাদের পূর্ণ সমর্থন আপনার সঙ্গে রয়েছে।'
বৈঠককালে তারা জুলাই-আগস্ট বিপ্লব, সরকারের সংস্কার উদ্যোগ, বাংলাদেশের সুইডিশ বিনিয়োগ এবং গণঅভ্যুত্থানে নারীদের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করেন। দেশের পরিস্থিতি স্থিতিশীল হয়েছে, তবে কিছু চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে, বিশেষ করে সমাজের বিভিন্ন গোষ্ঠীর উচ্চ প্রত্যাশা পূরণের ক্ষেত্রে। 'দাবিদাওয়া মেটানো একটি বড় কাজ। আমরা চেষ্টা করছি, তবে খুব সতর্কও রয়েছি,' তিনি বলেন।
এ সময় বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক ও সিনিয়র সচিব লামিয়া মোরশেদ এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক শাহীনা গাজী।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লায় হামে আক্রান্ত হয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মৃত শিশুর নাম সিমরান (৬ মাস)। সে কুমিল্লা নগরীর নুরপুর এলাকার বাসিন্দা মো. শিমুল মিয়ার কন্যা। এই সর্বশেষ মৃত্যুর ঘটনায় জেলায় হামের উপসর্গ নিয়ে এ পর্যন্ত মৃত শিশুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১ জনে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ জুন হামের উপসর্গ নিয়ে সিমরানকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটির মৃত্যু হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগের চিকিৎসক ডা. মিয়া মঞ্জুর আহমেদ।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, শিশুদের নিয়মিত ও সময়মতো টিকা গ্রহণ না করানো এবং অভিভাবকদের অসচেতনতার কারণেই মূলত হামে আক্রান্তের সংখ্যা ও মৃত্যুহার বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে আশার কথা হলো, আগের তুলনায় বর্তমানে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া নতুন রোগীর সংখ্যা কিছুটা কমতে শুরু করেছে।
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন করে আরও ৩০ জন শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় এ পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ২ হাজার ১৩৭ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে যথাযথ চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছেন ১ হাজার ৫৮৭ জন। বাকিরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
সিভিল সার্জন কার্যালয় ও চিকিৎসকরা শিশুদের সময়মতো হাম-রুবেলা (এমআর) টিকা নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়েছেন। পাশাপাশি শিশুদের শরীরে তীব্র জ্বর, ফুসকুড়ি বা র্যাশ, কাশি কিংবা চোখ লাল হওয়ার মতো উপসর্গ দেখা দিলে আতঙ্কিত না হয়ে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স বা চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


ধর্ম-বর্ণ ও মতের পার্থক্য থাকলেও বাংলাদেশের সব মানুষ একই পরিবারের সদস্য বলে উল্লেখ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
আজ বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও মুসলিমসহ বিভিন্ন ধর্মের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের সূচনা বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।
অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের আগে বিমানবন্দরে দেওয়া নিজের একটি বক্তব্যের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে ড. ইউনূস বলেন, তখন বলেছিলাম আমরা একটা পরিবার। আমাদের নানামত, নানা ধর্ম থাকবে, নানা রীতিনীতি থাকবে কিন্তু আমরা সবাই একই পরিবারের সদস্য। এটাতে জোর দিয়েছিলাম। আমাদের শত পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও আমরা পরস্পরের শত্রু নই। আমাদের জাতীয়তা, পরিচয়ের প্রশ্নে এক জায়গায় চলে আসি। আমরা বাংলাদেশি, এক পরিবারের সদস্য।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা বলেন, শপথ গ্রহণের পরে শুনতে আরম্ভ করলাম, সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন হচ্ছে। তখন মনটা খারাপ হয়ে গেল। এর পরপরই ঢাকেশ্বরী মন্দিরে গেলাম। সেখানেও বললাম, আমরা একই পরিবারের সদস্য।
তিনি বলেন, সব দাবিদাওয়া বাদ দিলেও একটা দাবি পরিষ্কার আমাদের সকলের সমান অধিকার, বলার অধিকার, ধর্মের অধিকার, কাজকর্মের অধিকার। সেটা এসেছে সংবিধান থেকে। নাগরিক হিসেবে প্রাপ্য, রাষ্ট্রের দায়িত্ব সেটা নিশ্চিত করা।
অধ্যাপক ড. ইউনূস বলেন, শুনলাম এখনো সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা হচ্ছে।
তাই আমি সবাইকে নিয়ে বসলাম, এটা থেকে কীভাবে উদ্ধার করা যায়।
দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় সরকারের উদ্যোগের কথা তুলে ধরে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, সেটা পুরো জাতীয় উৎসবে পরিণত হয়েছিল। তখন তৃপ্তি পেলাম, একটু তো কাজ করেছি।
ভুল তথ্যের বিষয়ে সবাইকে সজাগ ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এখন আবার নতুন কথা, হামলা হচ্ছে, অত্যাচার শুরু হচ্ছে। বিদেশি গণমাধ্যম বলব না প্রচারমাধ্যমে প্রচারিত হচ্ছে, এটা হচ্ছে। আমি খোঁজ নিচ্ছি, কী হচ্ছে? সবদিকে দেখলাম এটা হচ্ছে না। এক খবরে বলা হচ্ছে, আরেক খবরে বলা হচ্ছে হচ্ছে না, তথ্যের মধ্যে ফারাক আছে। এটা ঠিক না। এটার অবসান হতে হবে।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আমরা যে তথ্য পাচ্ছি তা ভুল হতে পারে। তথ্যের ওপর বসে থাকার কিছুই নাই, এটার অর্থ অন্ধের মতো বসে থাকা। ভেতরে গিয়ে দেখতে হবে। খোঁজ নিতে হবে তথ্যের গরমিল কেন? তাতে ওরা যা বলছে, তা কি মিথ্যা প্রচার? না আমরা যা বলছি তা মিথ্যা প্রচার। সত্যটা কোথায়।
তিনি বলেন, আমাদের লক্ষ্যের কোনো ফারাক নেই। সেখানে সঠিক তথ্য কীভাবে পাব, সেটা আমাদের জানার। প্রকৃত তথ্য, অনেক সময় সরকারি তথ্যের ওপর ভরসা করে লাভ নেই। কর্তা যা চায়, সেভাবে বলে। আসলটা মন খুলে বলতে চাই না। আমরা আসল খবরটা জানতে চাই। সেই প্রক্রিয়াটা প্রতিষ্ঠিত করতে চাই। এত বড় দেশে যেকোন ঘটনা ঘটতে পারে, কিন্তু প্রকৃত তথ্য জানতে চাই। তাৎক্ষণিক খবর পেলে যাতে সমাধান করা যায়। যেদিক থেকেই দোষী দোষীই। তাকে বিচারের আওতায় আনা সরকারের দায়িত্ব।
প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস বলেন, প্রথম কথাটা হলো না হওয়ার পরিবেশ সৃষ্টি করা। আর হয়ে গেলে তাৎক্ষণিক প্রতিকারের ব্যবস্থা করা। আমি যা বলছি, তা দেশের বেশির ভাগ মানুষ মনে করে। আমরা এক পরিবারের মানুষ হিসেবে সামগ্রিকভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারি। সেখানে তথ্য ও প্রতিকার হলো বড় বিষয়।
তিনি বলেন, আমি পেলাম তথ্য কিন্তু প্রতিকার পেলাম না। সমস্যা হয়ে গেলে সমাধান করতে হবে। আজকের আলোচনা খোলাখুলি, আমরা সবাই আলোচনা করব। আমাদের লক্ষ্যে কোনো গোলমাল নেই। তথ্য প্রবাহ কীভাবে পাব, দোষীকে কীভাবে ধরব, যাতে সবাই সঠিক তথ্যটা পেয়ে যায়।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, এমন বাংলাদেশ আমরা গড়ে তুলতে চাই, যার নাম দিয়েছি নতুন বাংলাদেশ। এটা আমাদের করতে হবে। আপনাদের কথা বলে সন্তুষ্ট করে আজকের মতো বিদায় দিলাম তা নয়। এটা দ্রুত করতে হবে। ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে দেখলে হবে না, আমাদের বর্তমানেই করতে যেতে হবে।
সংখ্যালঘু সমস্যার বিষয়ে অবাধ, সত্য তথ্য কীভাবে সংগ্রহ করা যায়, সে বিষয়ে ধর্মীয় নেতাদের পরামর্শ চান প্রধান উপদেষ্টা। তিনি বলেন, কীভাবে নিরাপদে সংগ্রহ করব, যে তথ্য দিচ্ছে সে যেন বিব্রত না করে তাও নিশ্চিত হতে হবে।
মন্তব্য করুন


আগামী ২১ মে (মঙ্গলবার) দেশের
১৫৭টি উপজেলায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এ সংক্রান্ত
প্রজ্ঞাপন থেকে বিষয়টি জানা গেছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনটি নির্বাচন
কমিশনে (ইসি) পাঠিয়েছে।
বুধবার (১৫ মে) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. কামরুজ্জামানের
সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, অ্যালোকেশন অব বিজনেস অ্যামঙ দি
ডিফারেন্ট মিনিস্ট্রিজ অ্যান্ড ডিভিশনস-এর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অংশে ৩৭ নম্বর ক্রমিকের
অনুবলে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের চাহিদা মোতাবেক ১৫৭টি উপজেলা পরিষদের সাধারণ
নির্বাচন উপলক্ষ্যে ভোট গ্রহণের দিন অর্থাৎ ২১ মে ২০২৪ তারিখ সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায়
সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হলো।
ছুটি ঘোষণা করা উপজেলার তালিকা দেখতে এখানে ক্লিক করুন।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের চলমান সংস্কার কার্যক্রমে সমর্থন দেওয়ার পাশাপাশি অর্থনৈতিক উন্নয়নে জাপানি বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে তাদের অবস্থান অব্যাহত রাখবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইওয়ামা কিমিনোরি।
বুধবার (১১ ডিসেম্বর) ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎকালে জাপানি রাষ্ট্রদূত এসব কথা বলেন।
রাষ্ট্রদূত কিমিনোরি অধ্যাপক ইউনূসের নেতৃত্বের প্রশংসা করে বলেন, জাপান সরকার শান্তি ও স্থিতিশীলতা, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং জনগণের মধ্যে সম্পর্ক— এই তিনটি স্তম্ভের ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও মজবুত করবে।
কিমিনোরি বলেন, ‘আমরা এই তিনটি স্তম্ভের জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করব।’
তিনি বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নির্বাচনী ব্যবস্থাসহ অন্যান্য সংস্কার কার্যক্রমে টোকিওর ‘দৃঢ় সমর্থনের’ কথাও পুনর্ব্যক্ত করেন।
অধ্যাপক ড. ইউনূস উভয় দেশের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নে অবদান রাখায় জাপানের বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের প্রশংসা করে বলেন, ‘এই সম্পর্ক সবসময় খুব শক্তিশালী ছিল।’
সরকার বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার কার্যক্রম পরিচালনা করছে উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বাংলাদেশে আরও জাপানি বিনিয়োগের আহ্বান জানান। বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগকারীদের উপস্থিতি আমাদের জন্য ইতিবাচক বার্তা দেয় বলে তিনি উল্লেখ করেন।
জাপানি রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশ থেকে জাপানি কোন কোম্পানিও চলে যায়নি। তারা এখানে থাকতে আগ্রহী।’
তিনি নিক্কেইয়ের বার্ষিক সম্মেলনে অংশগ্রহণের জন্য প্রধান উপদেষ্টাকে আমন্ত্রণ জানান। সেখানে জাপানের প্রধানমন্ত্রী বক্তব্য রাখবেন। রাষ্ট্রদূত বলেন, ওই সম্মেলনে অধ্যাপক ইউনূস জাপানের শীর্ষ কোম্পানিগুলোর প্রধান নির্বাহীদের সঙ্গে দেখা করতে পারেন এবং তাদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানাতে পারবেন।
রোহিঙ্গা ইস্যুতে আন্তর্জাতিক সম্মেলন আয়োজনে প্রধান উপদেষ্টার পদক্ষেপের প্রশংসা করে জাপানি রাষ্ট্রদূত বলেন, টোকিও এই বৈঠককে দৃঢ়ভাবে সমর্থন করে।
অধ্যাপক ইউনূস মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে জাতিসংঘের গ্যারান্টিযুক্ত একটি নিরাপদ এলাকা তৈরির আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেন, যেখানে সংঘাত শেষ হওয়ার পর বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীকে তাদের বাড়িতে ফেরার পূর্বে সাময়িকভাবে পুনর্বাসিত করা যেতে পারে।
সাক্ষাৎকালে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক ও সিনিয়র সচিব লামিয়া মোরশেদ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


নির্বাচন যত দেরি হবে, ষড়যন্ত্র তত
বাড়বে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
তিনি বলেছেন, সাবেক স্বৈরাচার দেশি-বিদেশি
প্রভুদের সঙ্গে মিলে ষড়যন্ত্র করেই চলেছে।
বিএনপির চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার সম্মেলন-২০২৪
এর উদ্বোধনী অধিবেশনে এ কথা বলেন তিনি।
আজ শনিবার (২৩ নভেম্বর) সকালে চুয়াডাঙ্গার
স্থানীয় টাউন ফুটবল ময়দানে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল
ইসলাম আলমগীর।
দীর্ঘ ২৫ বছর পর চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির
এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
সম্মেলনে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হন বিএনপির
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
শুধুমাত্র নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের
মাধ্যমেই সংস্কারের বাস্তবায়ন সম্ভব বলে এ সময় মন্তব্য করেন তারেক রহমান।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার যে সংস্কারের
কথা বলছে সেই সংস্কার বিএনপিও চায়। বেশি সংস্কার করতে গিয়ে নির্বাচন করতে দেরি হলে
ষড়যন্ত্রকারীরা সুযোগ নিতে পারে।
একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে
বিদ্যমান সমস্যা সমাধান সম্ভব বলেও মন্তব্য করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান।
চুয়াডাঙ্গায় জেলা বিএনপির দ্বিবার্ষিক
কাউন্সিলের আয়োজন করে স্থানীয় বিএনপি। সেখানে ভোটের মাধ্যমে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক
নির্বাচন করা হয়। রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের রূপরেখার ৩১ দফা ও জনসম্পৃক্তি বিষয়ক বিভাগীয়
প্রশিক্ষণ কর্মশালার ও আয়োজন করা হয়।
মন্তব্য করুন


চাল বিক্রি করার জন্য এখন থেকে বস্তায় ধানের জাত ও মিল গেটের মূল্য লিখতে হবে। সেই সঙ্গে লিখতে হবে উৎপাদনের তারিখ ও প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের নাম। এমনকি প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের অবস্থান (জেলা ও উপজেলা) উল্লেখ করতে হবে। থাকবে ওজনের তথ্যও। চালের উৎপাদনকারী মিল মালিকদের গুদাম থেকে বাণিজ্যিক কাজে চাল সরবরাহের প্রাক্কালে চালের বস্তার ওপর উৎপাদনকারী মিলের নাম, জেলা ও উপজেলার নাম, উৎপাদনের তারিখ, মিল গেট মূল্য এবং ধান/চালের জাত উল্লেখ করতে হবে। বস্তার ওপর এসব তথ্য কালি দিয়ে লিখতে হবে।
চাল উৎপাদনকারী মিল মালিকের সরবরাহ করা সব প্রকার চালের বস্তা ও প্যাকেটে ওজন (৫০/২৫/১০/৫/১) উল্লেখ থাকতে হবে। করপোরেট প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেও একই নির্দেশনা প্রতিপালন করতে হবে। এক্ষেত্রে মিল গেট দামের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠান চাইলে সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য উল্লেখ করতে পারবে।
এ বিষয়ে গত ২১ ফেব্রুয়ারি খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সংগ্রহ শাখা থেকে একটি নির্দেশনা জারি করা হয়।
এমন নির্দেশনা সোমবার (১৪ এপ্রিল) থেকে কার্যকর হবে।
ইতোমধ্যে নির্দেশনার কপি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব, অর্থ বিভাগের সচিব, সব বিভাগীয় কমিশনার, সব জেলা প্রশাসক, সব জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক, সব উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকসহ সংশ্লিষ্টদের পাঠানো হয়েছে।
খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ইসমাইল হোসেন স্বাক্ষর করা এই নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সম্প্রতি দেশের চাল উৎপাদনকারী কয়েকটি জেলায় পরিদর্শন করে নিশ্চিত হওয়া গেছে বাজারে একই জাতের ধান থেকে উৎপাদিত চাল ভিন্ন ভিন্ন নামে ও দামে বিক্রি হচ্ছে।
চালের দাম অযৌক্তিক পর্যায়ে গেলে বা হঠাৎ বৃদ্ধি পেলে মিলার, পাইকারি বিক্রেতা, খুচরা বিক্রেতা একে অপরকে দোষারোপ করছেন। এতে ভোক্তারা ন্যায্যমূল্যে পছন্দমতো জাতের ধানের চাল কিনতে অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছেন এবং অনেক ক্ষেত্রে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
এ অবস্থার উত্তরণের লক্ষ্যে চালের বাজারমূল্য সহনশীল ও যৌক্তিক পর্যায়ে রাখতে ধানের নামেই যাতে চাল বাজারজাতকরণ করা হয় তা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে এবং এ-সংক্রান্ত কার্যক্রম মনিটরিংয়ের সুবিধার্থে নির্দেশনায় কয়েকটি বিষয় নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।
এর ব্যত্যয় ঘটলে খাদ্যদ্রব্য উৎপাদন, মজুত, স্থানান্তর, পরিবহন, সরবরাহ, বিতরণ, বিপণন (ক্ষতিকর কার্যক্রম প্রতিরোধ) আইন, ২০২৩-এর ধারা ৬ ও ধারা ৭ মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আইনটির ধারা-৬-এর অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করার সুযোগ রয়েছে। আর ধারা-৭-এর শাস্তি হিসেবে রয়েছে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড অথবা ১৫ লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডের বিধান।
মন্তব্য করুন