

শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন উপলক্ষে কুমিল্লায়
প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার (২২ সেপ্টেম্বর) কুমিল্লা জেলা
প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে জেলার ১৭টি উপজেলার পূজা উদযাপন পরিষদ নেতৃবৃন্দের সঙ্গে প্রস্তুতিমূলক
সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত
ছিলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর
আলম।
কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মো.আমিরুল কায়ছার
এর সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক পঙ্কজ বড়ুয়া, সকল উপজেলার
নির্বাহী অফিসার, র্যাবের কর্মকর্তা, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক উদবাতুল বারী
আবু ও সদস্য সচিব ইউছুফ মোল্লা টিপু, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কুমিল্লা মহানগরীর
আমীর কাজী দ্বীন মোহাম্মদসহ পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দসহ আরও অনেকে।
মন্তব্য করুন


পাওনা
৩৬ হাজার টাকা না দেওয়ায় পরকীয়া প্রেমিকের হাতে খুন হয় কুমিল্লা হোমনা উপজেলার বড় ঘাগুটিয়া
ইউনিয়নের ঘাগুটিয়া গ্রামের শাহপরানের স্ত্রী মাহমুদা আক্তার (৩৫), তাদের ৯ বছরের ছেলে
সাহাত এবং প্রতিবেশী মামাতো ভাইয়ের মেয়ে তিশা (১৪)।
গত বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে কুমিল্লার হোমনার বড় ঘাগুটিয়া এলাকায় শাহপরানের ঘরে তিনজনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন স্থানীয়রা।
হত্যাকাণ্ডের
পরই রহস্য উদঘাটনে এবং খুনিকে গ্রেপ্তারে অভিযানে নামে পুলিশ।
এর একদিন পর তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে হোমনার শ্রীমদ্দি চরেরগাঁও এলাকায় অভিযান চালিয়ে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত মূলহোতা আক্তার হোসেনকে তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত আক্তার হোসেন (২৭) হোমনা শ্রীমদ্দি চরের গাঁও এলাকার হক মিয়ার ছেলে।
গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হোমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জয়নাল আবেদীন।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারের পর হত্যাকারী আক্তার হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, নিহত মাহমুদার সঙ্গে তার পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সম্পর্ক গড়ে ওঠার পর মাহমুদা তার পরকীয়া প্রেমিক আক্তার হোসেনের কাছ থেকে বিভিন্ন সময় টাকা ধার নিতো। সর্বশেষ আক্তার হোসেনের নিহত মাহমুদার কাছে ৩৬ হাজার টাকা পাওনা ছিল। আক্তার সেই টাকা মাহমুদার কাছে ফেরত চাইলে টাকা ফেরত দেব-দিচ্ছি করে আক্তারকে ঘোরাতে থাকেন। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে কয়েক দফা বাগবিতণ্ডা হয়।
বুধবার (৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় আক্তারকে তার পাওনা টাকা ফেরত দেবেন বলে বাড়িতে ডাকেন মাহমুদা। পরে রাতে একসঙ্গে খাওয়াদাওয়া করেন মাহমুদা, হত্যাকারী আক্তার, মাহমুদার ছেলে সাহাত এবং মাহমুদার ভাতিজি তিশা।
খাওয়া শেষে তিশা ও সাহাত ঘুমিয়ে পড়ে। তখন আক্তার তার পাওনা টাকা ফেরত চাইলে মাহমুদা রাগারাগি করেন। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে ফের বাকবিতণ্ডা হয়। পরে মাহমুদাকে মাথায় আঘাত করে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে হত্যা করেন আক্তার। আর ভাবতে থাকেন তিশা ও সাহাত তো সন্ধ্যায় তাকে দেখেছে। জিজ্ঞাসাবাদে তারা যদি আক্তারের কথা বলে দেয় সেই আশঙ্কা থেকে তাদের দুজনকেও গলায় ওড়না পেঁচিয়ে হত্যা করে মরদেহ তিনটি এক খাটের ওপর রেখে পালিয়ে যান তিনি।
হোমনা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জয়নাল আবেদীন বলেন, তিনজনকে হত্যার ঘটনায় নিহত মাহমুদার বাবা বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করার পর ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে নামে পুলিশ। তদন্তের মাধ্যমে পুলিশ হত্যাকারী আক্তারকে শনাক্ত করতে সক্ষম হয়।
তিনি আরও বলেন, শুক্রবার রাতে আক্তারকে তার নিজবাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ শনিবার বিকেলে আদালতে তোলা হলে ঘটনার দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন তিনি।
প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে কুমিল্লার হোমনার বড় ঘাগুটিয়া এলাকায় শাহপরানের ঘরে তিনজনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন স্থানীয়রা। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ তিনটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। এর আগে, বুধবার রাতের কোনো একসময় তিনজনকে হত্যা করে মরদেহ একটি খাটের ওপর ফেলে রাখা হয়।
নিহতরা হলেন বড় ঘাগুটিয়া এলাকার মো. শাহপরানের স্ত্রী মাহমুদা আক্তার (৩৫), তাদের ৯ বছরের ছেলে সাহাত এবং প্রতিবেশী মামাতো ভাইয়ের মেয়ে তিশা (১৪)।
এ
ঘটনায় গত বৃহস্পতিবার রাতেই নিহত মাহমুদার বাবা আবুল হোসেন বাদী হয়ে হোমনা থানায় একটি
হত্যা মামলা দায়ের করেন। ওই মামলার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ঘাতক আক্তারকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
পরে শনিবার বিকেলে তাকে আদালতে তোলা হয়।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল:
দীর্ঘ
পাঁচ বছর পর আবারও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) অনুষ্ঠিত হলো বাংলা নববর্ষের বর্ণাঢ্য
আয়োজন। সোমবার (১৪ এপ্রিল) দিনব্যাপী ‘বাংলা নববর্ষ ১৪৩২’ উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়
ক্যাম্পাস ছিল উৎসবমুখর, প্রাণবন্ত। শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের স্বতঃস্ফূর্ত
অংশগ্রহণে রঙিন হয়ে ওঠে পুরো ক্যাম্পাস।
উৎসবের সূচনা হয় সকাল সাড়ে ৯টায়, ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোঃ হায়দার আলীর নেতৃত্বে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মাধ্যমে। শোভাযাত্রাটি প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে শুরু হয়ে বৈশাখী চত্বরে গিয়ে শেষ হয়, যেখানে বর্ষবরণ মেলা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সোলায়মান, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোঃ আবদুল হাকিম, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেনসহ অন্যান্য শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীবৃন্দ।
সকাল
১০টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয় মাঠে শুরু হয় বিভিন্ন খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক আয়োজন। ছেলেদের
জন্য আয়োজন করা হয় মোরগ লড়াই আর মেয়েদের জন্য ছিল মিউজিক্যাল চেয়ার প্রতিযোগিতা, যা
শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও আনন্দ ছড়িয়ে দেয়।
সকাল
সাড়ে ১০টা থেকে শুরু হয় সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। শিক্ষার্থীরা পরিবেশন করেন লোকগান, নৃত্য,
কবিতা আবৃত্তি ও নাটিকা। এছাড়া, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি বিভাগ বাংলা নববর্ষকে ঘিরে
নিজ নিজ স্টলে পরিবেশন করে ঐতিহ্যবাহী পিঠাপুলি — পাটিসাপটা, চিতই, দুধচিটা, মালপোয়া
প্রভৃতি।
ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোঃ হায়দার আলী বলেন, “বাংলা নববর্ষ এদেশের সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষের মিলনমেলা। এটি আমাদের জাতীয় সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই আয়োজন নতুন প্রজন্মের মধ্যে দেশপ্রেম ও সংস্কৃতি চেতনা জাগ্রত করবে।”
প্রো-ভাইস
চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল বলেন, “বাঙালির ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে ধরে রাখার
দায়িত্ব আমাদের সকলের। এমন আয়োজন সেই দায়িত্ব পালনকে আরও বেগবান করে।”
ট্রেজারার
প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সোলায়মান বলেন, নতুন বছর আমাদের সামনে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে
দিয়েছে। অতীতের অন্যায়-অবিচার থেকে শিক্ষা নিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে হবে স্বচ্ছতা ও গণতন্ত্রের
পথে।
প্রায়
পাঁচ বছর পর কুবিতে এই আয়োজন হওয়ায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা
গেছে। দিনভর চলা নানা আয়োজনে মুখর ছিল গোটা ক্যাম্পাস।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে পৃথক স্থানে পুকুরে ডুবে ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
সোমবার (২৪ জুন) এ ঘটনা ঘটে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায়।
জানা যায়, শুভপুর ইউনিয়নের উনকোট গ্রামে দেড় বছর বয়সী মোহাম্মদ আবদুল্লাহ গতকাল সোমবার দুপুরে পুকুরপাড়ে খেলার সময় পুকুরে পড়ে যায়। কিছুক্ষণ পর পুকুরে ভাসতে দেখে তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।
এ ছাড়া সকালে চৌদ্দগ্রাম পৌর এলাকার পশ্চিম চান্দিশকরায় নানার বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে পুকুরের পানিতে পড়ে মারা গেছে দেড় বছর বয়সী আতিফা আবেদীন ইশরা।
অন্যদিকে চিওড়া ইউনিয়নের চাপিরতলা গ্রামে নানার বাড়ির পুকুরের পানিতে ডুবে সাইফুল ইসলাম নীরব নামে ৮ বছর বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
নিহত শিশুরা হলো: শুভপুর ইউনিয়নের উনকোট গ্রামের মো. ফারুকের ছেলে মোহাম্মদ আবদুল্লাহ, মুন্সিরহাট ইউনিয়নের বৈলপুর গ্রামের শিক্ষক শিপন আবেদীনের মেয়ে আতিফা আবেদীন ইশরা ও চিওড়া ইউনিয়নের ছোট সাতবাড়িয়া গ্রামের আবদুল কাদির সুফলের ছেলে সাইফুল ইসলাম নীরব।
ইদানীং পানিতে ডুবে অনেক শিশু মারা যাচ্ছে। এ মৃত্যু কমাতে ছোট শিশুদের প্রতি অভিভাবকদের বেশি খেয়াল রাখা উচিত বলে জানান চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সাঈদ আল মানসুর।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার লাকসাম উপজেলায় বৃহস্পতিবার (২৩ মে) সকালে আলাদা ঘটনায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুজনের মৃত্যু হয়েছে।
উপজেলার কান্দিরপাড় ইউনিয়নের ইরুয়াইন এবং পৌরসভার রাজঘাট এলাকায় ঘটনা দুটি ঘটে।
দুজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন লাকসাম
থানার ওসি মোহাম্মদ শাহাব উদ্দিন খান।
লাকসাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহাব উদ্দিন খান জানান, সকালে ইরুয়াইনের নাগরাপাড়া ব্রিজ সংলগ্ন নিজের মুদি দোকানের পেছনে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মারা যান সামসুর রহমান (৩৫) নামের ব্যবসায়ী। তিনি প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার সকাল পৌনে ৯টার দিকে অটোরিকশার ব্যাটারি চার্জ দিয়ে সংযোগ খোলার সময় সামসুর রহমান বিদ্যুতায়িত হন। পরে স্থানীয় লোকজন লাকসাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সামছুর রহমান কান্দিরপাড় ইউনিয়নের ছনগাঁও পশ্চিমপাড়ার প্রয়াত মফিজুর রহমানের ছেলে।
ওসি শাহাব উদ্দিন আরও জানান, সকালে ঘরের পাশে থাকা
বৈদ্যুতিক মোটরে হাত দিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয় রাজঘাটের মোহাম্মদ মাহি (৩)। বেশ
কিছুক্ষণ পর তার বড় বোন সায়মা (৭) এসে স্পর্শ করলে সেও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়। পরে
সায়মার চিৎকারে ঘরের লোকজন ছুটে এসে মাহিকে স্থানীয় স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে নিয়ে
গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত বলে জানান। মাহি রাজঘাট উত্তরপাড়ার ছাত্তার ভান্ডারীর
বাড়ির সাইফুল ইসলামের ছেলে।
মন্তব্য করুন


একটি শিশুর শৈশবের চিত্রাঙ্কন হচ্ছে অভিভাবক বা শিক্ষক।
আমরা যেভাবে চাইব সেভাবে তারা গড়ে উঠবে। আমাদের আকাঙ্ক্ষাকে রূপদান করবে। তাই বলে ভূল রূপদান যেন না হয় সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে। আমরা আমাদের ভালোবাসা তাদের দিতে পারি কিন্তু চিন্তাভাবনা নয়, কারণ তাদের নিজস্ব চিন্তাভাবনা আছে। আসলে কোমল শিশুরা তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে কিছু চাপিয়ে দিলে তাদের স্বপ্নগুলো ভেঙে যায়। নিজে থেকে কিছু করার বা চিন্তাভাবনা করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। হারিয়ে ফেলে তার সৃজনীশক্তি।
তাদের মানসিক বিকাশ হওয়াটা অত্যন্ত জরুরি। চিত্রাঙ্কন হতে পারে তার অন্যতম মাধ্যম।
শিশুরা
তার আশপাশের সুখ, দুঃখ, হাসি, কান্না, পরিবেশ তার ছবির ভাষায় তুলে ধরবে ।
মন্তব্য করুন


সোমবার (২২ এপ্রিল) রাত দেড়টায় এ ফলাফল প্রকাশ করা হয়।গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের
জনসংযোগ কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান জানায়, তৃতীয় ধাপের পরীক্ষায় ৪৬ হাজার ১৯৯ জন প্রার্থীকে
মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে।
সরকারি
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা তৃতীয় ধাপের সংশোধিত ফল প্রকাশ করা
হয়েছে।
এতে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে (তিন পার্বত্য জেলা বাদে ২১টি জেলা) লিখিত পরীক্ষার উত্তীর্ণ
হয়েছেন ৪৬ হাজার ১৯৯ জন।
গত ২৯ মার্চ এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ৩ লাখ
৪৯ হাজার ২৯৩ জন
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট www.mopme.gov.bd এবং প্রাথমিক
শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট www.dpe.gov.bd -তে ফলাফল পাওয়া যাবে। উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীরা
মোবাইলেও মেসেজ পাবেন।
মৌখিক পরীক্ষার তারিখ, সময় ও স্থান পরবর্তীতে জানানো হবে।
গত বছরের ১৪ জুন এ নিয়োগ সংক্রান্ত বিজ্ঞাপন প্রকাশিত হয়।
মন্তব্য করুন


তাপস চন্দ্র সরকার, কুমিল্লা:
প্রায় দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে একজন নিবেদিত প্রাণ রোটারিয়ান হিসাবে বিভিন্ন সমাজসেবামূলক ও জনকল্যাণমুখী কাজ করে চলেছেন বিশিষ্ট হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ও রোটারি ক্লাব অব কুমিল্লার প্রাক্তন সভাপতি প্রফেসর ডাঃ তৃপ্তীশ চন্দ্র ঘোষ। তাঁর এই নিঃস্বার্থ সেবামূলক কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ রোটারি ইন্টারন্যাশনাল তাঁকে "সার্ভিস এবাভ সেল্ফ অ্যাওয়ার্ড" এ ভূষিত করেছে। গেলো ১৯ এপ্রিল ঢাকায় কৃষিবিদ ইন্সটিটিউট বাংলাদেশ এ অনুষ্ঠিত হলো রোটারি বাংলাদেশের ইনকামিং লিডারস্ ট্রেনিং সেমিনার।
ওই অনুষ্ঠানে রোটারিয়ান প্রফেসর ডাঃ তৃপ্তীশ চন্দ্র ঘোষের কাছে সম্মাননা স্মারক হস্তান্তর করেন রোটারি ইন্টারন্যাশনালের পক্ষে রোটারি বাংলাদেশের কান্ট্রি কো-অর্ডিনেটর রোটারিয়ান পি.ডি.জি ডঃ ইশতিয়াক এ জামান।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় অভিনব কৌশলে পিকআপে করে মাদক পরিবহনকালে ৮৯ কেজি গাঁজাসহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১ সিপিসি-২।
আজ (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে র্যাব-১১,
সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল
থানাধীন ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে অভিনব কৌশলে পিকআপের
পিছনে মালামাল পরিবহণের ক্যারেটের মধ্যে লুকিয়ে গাঁজা পরিবহণের সময় আসামী ১। জুয়েল
রানা এবং ২। মোঃ আকাশ নামক দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামী’দ্বয়ের
কাছ থেকে ৮৯ কেজি গাঁজা ও মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি পিকআপ উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী ১। জুয়েল রানা (৩১) দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর থানার চন্ডীপুর গ্রামের জাহাঙ্গীর আলম এর ছেলে এবং ২। মোঃ আকাশ (৩২) একই থানার উত্তর বাসুদেরপুর গ্রামের মোঃ খোকন এর ছেলে।
র্যাব জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার
সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক দ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে দিনাজপুর সহ অন্যান্য জেলায় মাদক
ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। এছাড়াও আইন-শৃঙ্খলা
বাহিনীর চোখ এড়াতে তারা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন অভিনব কৌশল অবলম্বন করে মাদকদ্রব্য পরিবহণ
করতো। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা
করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত
আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা
জেলার সীমান্ত এলাকা হতে কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) কর্তৃক সর্বমোট ৮৫,৬৬,৮৮০/-
(পঁচাশি লক্ষ ছেষট্টি হাজার আটশত আশি) টাকা মূল্যের অবৈধ ভারতীয় বিভিন্ন প্রকার বাজি
জব্দ করা হয়েছে।
কুমিল্লা
ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) নিজস্ব দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধসহ আন্তঃসীমান্ত
অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় ২১ মে কুমিল্লা জেলার
সদর দক্ষিণ ও চৌদ্দগ্রাম উপজেলার আওতাধীন শিবের বাজার বিওপি এবং কটক বাজার পোস্টের
বিশেষ টহলদল দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান বিরোধী পৃথক পৃথক অভিযান
পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে সীমান্তের শূন্য লাইন হতে আনুমানিক ৪ কিঃ মিঃ এর মধ্যে
বিজিবি টহল দল কর্তৃক মালিক বিহীন অবস্থায় ৪,২৮,৩৪৪ পিস অবৈধ ভারতীয় বিভিন্ন প্রকার
বাজি আটক করা হয়। যার সর্বমোট মূল্য- ৮৫,৬৬,৮৮০/- (পঁচাশি লক্ষ ছেষট্টি হাজার আটশত
আশি) টাকা।
উল্লেখ্য,
জব্দকৃত মালামাল বিধি মোতাবেক কাস্টমস এ জমা করা হবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা
জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর, কুমিল্লা জেলা কার্যালয়ের উদ্যোগে শহরের টমছম ব্রিজ
ও ইপিজেড এলাকায় নিষিদ্ধ ঘোষিত পলিথিনের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করা
হয়েছে।
আজ
বুধবার (৬ নভেম্বর) অভিযানে ৪টি দোকানের বিরুদ্ধে ৪টি মামলায় মোট ২০,০০০ টাকা জরিমানা
আদায় করা হয় এবং এ সময় প্রায় ৩৪ কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন শপিং ব্যাগ জব্দ করা হয়।
মোবাইল
কোর্টে নেতৃত্ব দেন কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ
ম্যাজিস্ট্রেট শ্রী রতন কুমার দত্ত।
প্রসিকিউশন
প্রদান করেন পরিবেশ অধিদপ্তর, কুমিল্লা জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক জোবায়ের হোসেন। অভিযানে
সহযোগিতা করেন হিসাবরক্ষক তোফায়েল আহমেদ মজুমদার এবং জেলা পুলিশের সদস্যবৃন্দ।
এই
অভিযানের মাধ্যমে নিষিদ্ধ পলিথিনের ব্যবহারের বিরোধিতা করে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে
লিফলেট বিতরণ করা হয়। পরিবেশ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে চলমান থাকবে বলে জানিয়েছে
জেলা প্রশাসন।
মন্তব্য করুন