

মো:
মাসুদ রানা,কচুয়া:
শিক্ষার্থীদের উদ্ধুদ্ধ করা ও শিক্ষার মান উন্নয়নে চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার দহুলিয়া গ্রামে অবস্থিত জামিআ দারুত তাওহীদ মাদ্রাসায় অভিভাবক সমাবেশ,শিক্ষার্থীদের বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল ঘোষনা ও শীতকালীন পিঠা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। শুক্রবার সকালে তাওহীদ একাডেমি এন্ড ইসলামিক সেন্টারের আয়োজনে ওই মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন বাহারী রকমের পিঠা আনেন। পরে অভিভাবকদের নিয়ে সমাবেশ করেন মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ। একই দিনে মাদ্রাসার শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। মাদ্রাসায় আরবী শিক্ষার পাশাপাশি আধুনিক শিক্ষায় পাঠদান করাচ্ছেন শিক্ষকরা।
তাওহীদ একাডেমি এন্ড ইসলামিক সেন্টারের সভাপতি মো. আবু তাহেরের সভাপতিত্বে ও মাদ্রাসার সিনিয়র শিক্ষক আব্দুল মালেক মিয়াজীর সঞ্চালনায় অভিভাবক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, তাওহীদ একাডেমী এন্ড ইসলামিক সেন্টার ও জামিআ দারুত তাওহীদের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ও বিশিষ্ট সমাজসেবক মো. জামাল হোসেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন,ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি কামাল হোসেন বাবুল,ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামী আমীর মো. জসিম উদ্দিন,ইউপি সদস্য কামাল হোসেন,মাদ্রাসার অধ্যক্ষ শায়েখ আকরামুজ্জামান ও বিশিষ্ট সমাজসেবক শাহ আলম মিয়াজী সহ আরো অনেকে।
এসময় মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাজী মো. দুলাল মিয়া,সহ-সভাপতি মেহেদী হাসান,রাসেল হোসেন,গোলজার হোসেন,আব্দুল মালেক,জালাল মিয়া,সাইফুল ইসলাম,সাজেদুল ইসলাম, মাদ্রাসার শিক্ষক,অভিভাবক ও শিক্ষার্থীসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন। পরে বিভিন্ন প্রতিযোগি বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিবৃন্দ।
মন্তব্য করুন


সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার রতনকান্দি ইউনিয়নের একডালা গ্রামের ছোট্ট খালের ওপর পাশাপাশি ৩২ ও ৪৪ মিটার দীর্ঘ দুটি সেতু নির্মাণ হয়েছিল প্রায় আড়াই বছর আগে। নির্মাণে খরচ হয়েছিল প্রায় ৬ কোটি টাকা। কিন্তু দুঃখজনকভাবে, সংযোগ রাস্তা না থাকায় আজও সেতু দুটির ওপর দিয়ে একটি যানবাহনও চলাচল করে না। অব্যবহৃত ওই সেতু এখন স্থানীয়দের জন্য গোবরের ঘুঁটে, ধান ও খড় শুকানোর জায়গায় পরিণত হয়েছে।
এই দুটি সেতুকে ঘিরে থাকা কুড়ালিয়া দিয়ার–একডালা সড়কটি প্রায় সাড়ে তিন কিলোমিটার দীর্ঘ। রাস্তাটি দিয়ে রতনকান্দি ও কাজিপুর উপজেলার শুভগাছা ইউনিয়নের প্রায় ৫০ হাজার মানুষ নিয়মিত চলাচল করেন। কিন্তু তিন বছর আগে রাস্তাটির একটি বড় অংশ ভেঙে খালে তলিয়ে যাওয়ার পর থেকে চলাচল কার্যত বন্ধ। ভাঙা অংশের পুনর্নির্মাণ না হওয়ায় এলাকা দুটি যাতায়াত সংকটে পড়েছে।
২০২৩ সালে এলজিইডি সেতু দুটি নির্মাণ করলেও ভেঙে যাওয়া রাস্তা সংস্কার না হওয়ায় পুরো প্রকল্পই অকার্যকর হয়ে আছে। ফলে রোগী পরিবহন, কৃষিপণ্য আনা-নেওয়া, এমনকি শিক্ষার্থীদের নিয়মিত স্কুল–কলেজে যাতায়াত—সবকিছুতেই চরম ভোগান্তি তৈরি হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা সোহরাব আলী, বেবি খাতুন, আমিনুল ইসলাম ও জহুরা খাতুন জানালেন, ২৫ বছর আগে বন্যায় রাস্তাটি ভেঙে যাওয়ার পর আর কখনো তা ঠিক হয়নি। কর্মকর্তারা কয়েকবার এলেও কোনো উন্নয়ন হয়নি। সেতু হয়েছে, কিন্তু রাস্তা না থাকায় এখনো গাড়িতে চড়ার সুযোগ মেলেনি। অসুস্থ মানুষকে হাসপাতালে নিতে গেলেও বিপাকে পড়তে হয়।
কৃষক হাবিবুর রহমানসহ অন্যরা বলেন, রাস্তা না থাকায় সার–বীজ আনতে কষ্ট হয়, আবার নিজেদের উৎপাদিত ফসল হাটে নিতে গেলেও পথে ঘুরপথে যেতে হয়। এতে সময় ও খরচ দুটোই বেড়ে যায়, ন্যায্য দামও পাওয়া যায় না।
এলাকার কয়েকজন কলেজছাত্র শিহাব বাবু ও সাগর আলী বলেন, খারাপ রাস্তার কারণে সময়মতো ক্লাসে পৌঁছানোই বড় চ্যালেঞ্জ। বর্ষায় পরিস্থিতি আরও করুণ হয়ে যায়—তখন যাতায়াত প্রায় অসম্ভব।
শতবর্ষী হযরত আলী জানান, কুড়ালিয়া, চিলগাছা, একডালা, কুড়িপাড়া, মহিষামুরাসহ আশপাশের কয়েকটি গ্রামের মানুষ এই রাস্তাই ব্যবহার করতেন। এখন হাটে যেতে হলেও দীর্ঘ পথ ঘুরে যেতে হচ্ছে।
কৃষক মো. ভুট্ট আলী বলেন, যানবাহন চলাচল না করায় সেতুর ওপর ধান, খড় ও ঘুঁটে শুকানো ছাড়া তাদের আর উপায় নেই।
এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রেজাউর রহমান জানান, কুড়ালিয়া–একডালা সড়কের ৩৭৭৬ মিটার অংশের মধ্যে প্রায় ৭০০ মিটার তিন বছর আগে ভেঙে খালে পড়ে গেছে। ওই অংশে সরকারি রাস্তা না থাকায় সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। তিনি বলেন, এলাকাবাসী যদি যৌথভাবে প্রয়োজনীয় জায়গা দিতে রাজি হন, তাহলে রাস্তা পুনর্নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
কুমিল্লা:
প্রাকৃতিক
দুর্যোগের কারণে কুমিল্লা বোর্ডে গত ১০ জুলাই স্থগিত হওয়া এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা
আগামী ১২ আগস্ট অনুষ্ঠিত হবে।
আজ
রোববার (২০ জুলাই) শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক রুনা নাসরিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গত
৯ জুলাই কুমিল্লা বোর্ডের অধিনে থাকা জেলাগুলোতে হঠাৎ করে বন্যা পরিস্থিতি অবনতি হয়।
ফেনী, নোয়াখালীসহ বিভিন্ন জেলায় বন্যার পানি বৃদ্ধির কারণে শুধুমাত্র ১০ জুলাইয়ের পরীক্ষা
স্থগিত করা হয়। ওই দিনের স্থগিত পরীক্ষাগুলো হলো পদার্য়বিজ্ঞান প্রথম পত্র, হিসাববিজ্ঞান
প্রথম পত্র ও যুক্তিবিদ্যা প্রথম পত্র।
কুমিল্লা
শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক রুনা নাসরিন বলেন, কুমিল্লা বোর্ডের অধীনস্থ জেলা
সমূহে বন্যা পরিস্থিতি ও দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে ১০ জুলাই এসএসসি পরীক্ষা স্থগিত
করা হয়। স্থগিত পরীক্ষাটি আগামী ১২ আগস্ট সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হবে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
কুমিল্লার মুরাদনগরে ট্রাক-সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে মালু মিয়া(৫৫) নামের একজনের মৃত্যু হয়েছে। গুরুতর আহত অবস্থায় সিএনজি চালক সাগর মিয়া(২৭)কে মুরাদনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
আজ রবিবার (২৪ আগস্ট) ভোররাতে কোম্পানিগঞ্জ-নবীনগর সড়কের টনকি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে বাঙ্গরা বাজার থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। নিহত মালু মিয়া নবীনগর উপজেলার লাউরফতেপুর গ্রামের মৃত চান্দার আলীর ছেলে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিমসার বাজার থেকে নিয়ে আসা কাঁচামাল বোঝাই একটি সিএনজি নবীনগরের দিকে যাওয়ার সময় বিপরীত দিক থেকে আশা গরু বোঝাই একটি ট্রাকের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে সিএনজিটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এ সময় সিএনজির যাত্রী কাঁচা তরকারি ব্যবসায়ী মালু মিয়া ঘটনাস্থলেই মারা যান।
খবর পেয়ে স্থানীয়রা দ্রুত ছুটে এসে মরদেহ উদ্ধার করে এবং আহত সিএনজি চালককে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। দুর্ঘটনার পর ট্রাকের চালক গাড়ি ফেলে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা বাঙ্গরা বাজার থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে সিএনজি ও ট্রাক দুটি জব্দ করে এবং নিহতের লাশ থানায় নিয়ে যায়।
এ বিষয়ে বাঙ্গরা বাজার থানার ওসি (তদন্ত) আনোয়ার হোসেন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং দুর্ঘটনা কবলিত ট্রাক ও সিএনজিটি জব্দ করা হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ কুমেক মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় নিহত মালু মিয়ার স্ত্রী ফাতেমা বেগম বাদী হয়ে ২০১৮ সালের সড়ক ও পরিবহন আইনে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।
এদিকে হঠাৎ এ মৃত্যুর ঘটনায় নিহতের পরিবারে গভীর শোক নেমে এসেছে। সড়কে অতিরিক্ত গতির কারণে বারবার এ ধরনের দুর্ঘটনা ঘটছে বলে এলাকাবাসী জানান। তারা দ্রুত সড়কে গতি নিয়ন্ত্রণ ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর পৃথক অভিযানে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম
ও সদর দক্ষিন এলাকা হতে ইয়াবা ও গাঁজা সহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার।
৪ মে রাতে র্যাব-১১,
সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম
থানাধীন পূর্ব কাশিপুর এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে মোঃ সুমন
মিয়া (২৮) নামক একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে ৫ কেজি গাঁজা
উদ্ধার করা হয়।
পৃথক অন্য একটি অভিযানে
৪ মে রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা
জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন জগপুর (পশ্চিম পাড়া) এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা
করে। উক্ত অভিযানে আব্দুর রাজ্জাক (৪৮) নামক একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ
সময় আসামীর কাছ থেকে ৪২ পিস ইয়াবা ও ১২০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা
হলো, ১। মোঃ সুমন মিয়া (২৮) কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানার পূর্ব কাশিপুর গ্রামের
মোঃ আঃ মালেক এর ছেলে এবং ২। আব্দুর রাজ্জাক (৪৮) কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিন মডেল থানার
জগপুর (পশ্চিম পাড়া) গ্রামের মৃত সরাফত আলী এর ছেলে।
র্যাব জানান, গ্রেফতারকৃত
আসামীদ্বয়কে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা
হতে মাদকদ্রব্য গাঁজা ও ইয়াবা সংগ্রহ করে কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী
ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী
ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির
বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ
ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন ।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা, কচুয়া প্রতিনিধি:
চাঁদপুরের কচুয়ায় সবজি ক্ষেতে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা ফুটিয়ে তুললেন কৃষক মিজানুর রহমান। জাতীয় পতাকার আদলে তার সবজি ক্ষেত ফুটিয়ে তুলেছেন তিনি। কৃষক মিজানুর রহমান কচুয়া পৌরসভার কড়ইয়া এলাকায় রাস্তার পাশে সবুজ পালং শাক ও লাল শাকের চারা দিয়ে তৈরি করেছেন জাতীয় পতাকার প্রতিকৃতি। জাতীয় পতাকার আদলে করা এ সবজি ক্ষেত দেখতে প্রতিদিন ভিড় করছেন আশেপাশের মানুষজন। উপজেলা কৃষি বিভাগের সহায়তা তিনি সবজি ক্ষেতে ফুটিয়ে তুলেন জাতীয় পতাকা।
তাছাড়া কৃষক মিজানুর রহমান মনেপ্রাণে ভালোবাসেন কৃষিকাজ। তেমনি ভালোবাসেন লাল-সবুজের পতাকাকেও। তার কৃষিকর্মের মাধ্যমে ফসলি মাঠে ফুটিতে তুলেছেন জাতীয় পতাকা। সড়কের পাশে কৃষকের এমন শিল্পকর্ম দেখে থমকে দাঁড়ান পথিক। আগ্রহ নিয়ে জাতীয় পতাকার সৌন্দর্য দেখেন।
স্থানীয়রা বলছেন, কৃষক মিজানুর রহমান সবজি ক্ষেতে জাতীয় পতাকা তৈরি করে যেমন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি সম্মান দেখিয়েছেন, তেমনি দেশের প্রতিও দেখিয়েছেন অকৃত্রিম ভালোবাসা।
কৃষক মিজানুর রহমান বলেন, কৃষি অফিসের পরামর্শে জাতীয় পতাকার আদলে সবজি ক্ষেতটি রোপণ করতে বলা হয়। পরে কৃষি কর্মকর্তাদের সহযোগিতা ও উৎসাহে আমি সবজি ক্ষেতে জাতীয় পতাকা ফুটিয়ে তুলতে পালং ও শাল শাক দিয়ে এ চিত্রকর্মটি বানাতে সফল হই। দেশের প্রতি দেশপ্রেম উদ্ধুদ্ধ করতে আমি জাতীয় পতাকা ফুটিয়ে তুলেছি।
উপজেলা কৃষি অফিসার মো. মেজবাহ উদ্দিন বলেন, সবজি চাষ থেকে শুরু করে মিজানুর রহমানকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হয়েছে। উপজেলা কৃষি অফিসারের নির্দেশে সবজি ক্ষেত করার জন্য উদ্বুদ্ধ করা হয়। তার সবজি ক্ষেতে ফুটিয়ে তুলেছেন জাতীয় পতাকা। সড়কের পাশে এমন দৃশ্যে যে কারও চোখ আটকে যাবে। বাংলাদেশের মানচিত্র ও জাতীয় পতাকার প্রতিকৃতি তৈরি করে সাড়া ফেলেছিলেন তিনি। এতে করে যারা কৃষক রয়েছেন তাদের মাঝেও দেশপ্রেম জাগ্রত হবে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ইকবাল হাসান বলেন, মা, মাটি আর দেশকে মনেপ্রানে ভালেবাসেন সবাই। দেশের প্রতি ভালোবাসা রেখে সম্মান জানিয়ে পরীক্ষামূলক ভাবে সবজি ক্ষেতেই ফুটিয়ে তুলেছেন জাতীয় পতাকা। এভাবে দেশের প্রতি দেশপ্রেম জাগিয়ে তুলতে ভবিষতে আরো নিদর্শন বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন। বিশেষ করে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি ও মুর্যালসহ রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ন প্রতিকৃতি চিত্র ফুটিয়ে তুলতে কৃষকদের উদ্ধুদ্ধ করতে হবে।
মন্তব্য করুন


বৃহস্পতিবার (২১ মার্চ) দুপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের সুবিদপুর উত্তর পাড়া গ্রামের প্রধানীয়া বাড়িতে ঘটেছে একটি অন্যরকম ঘটনা।
চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে বিয়ের ১৫ দিনের মাথায় স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে ফিরতে শ্বশুরবাড়িতে আসেন যুবক মিলন মুন্সী (২৩)। কিন্তু স্বামীর সঙ্গে স্ত্রী যেতে রাজি না হওয়ায় অভিমানে শ্বশুরবাড়িতেই বিষপানে আত্মহত্যা করলেন ওই যুবক।
আত্মহননকারী মিলন মুন্সী উপজেলার ৪নং কালোচোঁ ইউনিয়নের উড়পুর মুন্সীর বাড়ির বাদল মুন্সীর ছেলে।
মিলন মুন্সীর বাবা বলেন, গত ৫ মার্চ পারিবারিকভাবে ছেলেকে বিয়ে করাই। বিয়ের আড়াই দিন পর বাবার বাড়িতে গিয়ে ফিরে আসতে আর রাজি হয়নি আমার ছেলের স্ত্রী। বৃহস্পতিবার আমার ছেলে তার স্ত্রীকে নিতে শ্বশুরবাড়ি যায়। সেখানে তার শাশুড়ি মেয়েকে দেবে না বলে ছেলের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। জানতে পারি এক পর্যায়ে অভিমানে আমার ছেলে পকেট থেকে বিষের বোতল নিয়ে খেয়ে ফেলে। স্থানীয় চিকিৎসা শেষে কুমিল্লায় নেওয়ার পথে মৃত্যু হয়।
তিনি আরও বলেন, আমার ছেলে রাগী স্বভাবের ছিল এবং মানসিক সমস্যাও ছিল তার। সে নেশাগ্রস্ত হয়ে আমাদের মারধর করতো। যার কারণে তাকে জেলেও দিয়েছিলাম একবার।
গৃহবধূর বড় বোন আয়শা আক্তার ও তার বাবা আব্দুর রহিম জানান, মেয়েকে বিয়ে দেওয়ার পর বুঝতে পারি ছেলের কয়েকটি সমস্যা রয়েছে। যে কারণে এর আগেও দুইবার তারা আমাদের মেয়েকে নিতে এলে ফেরত দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে হাজীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ আব্দুর রশিদ বলেন, মূলত এই ছেলে আগেও একবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। তিনি তার বাবাকেও মারধর করতেন। নেশাগ্রস্ত ও উত্তেজিত অবস্থায় থাকতেন। এই ঘটনায় মৃতের বাবা বাদল মুন্সী থানায় মামলা করেছেন। বাকিটা ময়নাতদন্ত শেষে বলা যাবে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
কুমিল্লার
দাউদকান্দির গৌরীপুর মুন্সি ফজলুর রহমান সরকারী ডিগ্রী কলেজের একটি ভবনের দেয়াল ধ্বসে
পড়েছে।
গতকাল
বুধবার রাতে বজ্রপাতের কম্পনে এ দেয়াল ধ্বসে পড়েছে। তবে কোন হতাহতের খবর পাওয়া যাযনি।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কলেজের চত্বরের পশ্চিম পাশে রাবেয়া কবির স্মৃতি হলের উত্তর সাইটের দেয়াল ধ্বসে পড়েছে। কলেজের সামনে পুকুরে মাছ চাষে ভবনের নিচ থেকে মাটি সরে যাওয়ায় ধ্বসে পড়েছে বলে জানান কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ শহিদুজ্জামান মিয়া।
তিনি
বলেন, কলেজের সামনের পুকুরে মাছ চাষের ফলে ভবনের নিচের অংশের মাটি ধীরে ধীরে সরে গেছে।
আর কয়েকদিন আগে পুকুরের পানি সেচের কারনে ফাটল দেখা দেয়। একারনে ভবনটিকে তালাবদ্ধ করে
রেখেছি। আর গত রাতে বজ্রপাতের প্রচন্ড কম্পনে ভবনের দেয়ালটি ধ্বসে পড়েছে। পুরো ভবনের
উত্তরাংশে গাইড ওয়াল করার বিষয়ে শিক্ষা প্রকৌশল বিভাগকে জানানো হয়েছে। অতি দ্রুত প্রোটেকশান
দেয়াল করা না হলে পুরো ভবনটি রক্ষা করা যাবে না।
এ
বিষয়ে দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাঈমা ইসলাম বলেন, উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের
সাথে আলোচনা করে কলেজের পুরো ভবনটি রক্ষা করতে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা, কচুয়া:
চাঁদপুরের কচুয়ায় অযত্ন ও অবহেলা পড়ে আছে রায় বাহাদুর শরৎ চন্দ্র সেন চৌধুরী জমিদার বাড়ি। এক সময়ের খ্যাত জমিদার বাড়িটি এখন পরিত্যক্ত ভূতুড়ে বাড়িতে পরিনত হয়েছে। বাড়িটির চারদিকে খসে পড়ছে পলেস্তরা, জমে আছে শ্যাওলা। ভিতরে ময়লা আবর্জনায় জমে এখন জরাজীর্ণ অবস্থায়।
জানা যায়, বাংলার আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে ইতিহাস আর ঐতিহ্য। তারই মধ্যে অন্যতম ঐতিহ্যে পরিপূর্ণ কচুয়া উপজেলা। কচুয়া সদর থেকে প্রায় ১৮ কি.মি. দূরে অবস্থিত এ জমিদার বাড়িটি। উপজেলার ২নং পাথৈর ইউনিয়নের পাথৈর গ্রামে প্রায় ২শ বছর আগে নির্মিত হয় এ জমিদার বাড়ি। জমিদার শরৎ চন্দ্র সেন চৌধুরী ছিলেন এই বাড়ির নির্মাতা। দোল মন্দির, শিব মন্দির, দুর্গা মন্দির সহ বিশাল এক দীঘি আছে জমিদার বাড়ির আঙ্গিনায়। স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় জমিজমা ও বিশাল সহায় সম্পত্তি রেখে ভারতে চলে যান জমিদার শরৎ চন্দ্র সেন চৌধুরী ও তার পরিবার। ওই সময়ের বাসিন্দাদের এমন কেউ ছিলো না যে তখনকার জমিদার রায় বাহাদুর শরৎ চন্দ্র চৌধুরীকে চিনতেন না।
রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে জমিদার বাড়ি এখন পরিত্যক্ত ভুতুড়ে বাড়িতে পরিণত হয়েছে। অথচ বাড়িটিকে ঘিরে রয়েছে পুরোনো ইতিহাস। এখানে রয়েছে দৃষ্টিনন্দন সুবিশাল দিঘি, মাঠ এবং কারুকার্য জমিদার বাড়ি। এই ঐতিহ্যবাহী জমিদার বাড়িটি অবহেলিত থাকলেও শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর আনাগোনা থাকে সব সময়। অথচ সংস্কারের মাধ্যমে এটা হতে পারে অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র। জমিদার বাড়ির শিলালিপি থেকে জানা গেছে, প্রায় ২শ বছর পূর্বে শরৎ চন্দ্র সেন চৌধুরীর হাত ধরে ইট, পাথর আর সুড়কির গাঁথুনিতে নির্মাণ করা হয় জমিদার বাড়িটি। বাড়ির মূল প্রবেশপথের পশ্চিম পাশেই রয়েছে একটি পুকুর। পুকুরটিতে রয়েছে সুন্দর একটি ঘাট। জমিদার বাড়িটি পুরানো হওয়ার কারণে বাড়ির চারদিকের পলেস্তরা খসে পড়ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা আমিন মিয়া, মোস্তাক মিয়া, বিষ্ণপদ আচার্য্য ও আবুল কাসেম বলেন, আমাদের জন্মের পরে থেকেই এই জমিদার বাড়িটি দেখছি। আমাদের পূর্ব পুরুষদের কাছে শুনেছি প্রজাকল্যাণ ও বিভিন্ন ধরনের জনহিতকর কাজে জমিদার পরিবারের সদস্যদের খ্যাতি ছিল। তবে আজ সেই জমিদার বাড়ির জমিদারি নেই, নেই কোনো উত্তরসূরিও। বর্তমানে প্রাসাদের অনেকাংশ প্রায় ধ্বংস হয়ে গেছে, ভবনগুলো শ্যাওলা পরে আছে।
এখানে এখন প্রতিদিন শত শত মানুষ ঘুরতে আসছে। কেউ কেউ পরিবার পরিজন নিয়ে ঘুরতে আসেন। স্থানটি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সংস্কারের ব্যবস্থা নিলে এটি রক্ষা করা সম্ভব হবে। আর না হয় একসময় হারিয়ে যাবে পাথৈর গ্রামের এই জমিদার বাড়িটি।
মন্তব্য করুন


সোমবার (২৯ জানুয়ারি) বিকেলে দাউ দাউ করে গাছটি পুড়তে দেখে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে পথচারীদের মধ্যে।
আর এ আগুন হেয়ার রোডের বড় একটি গাছে ধরেছে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে যাচ্ছে ।
সে এলাকার ফায়ার সার্ভিস নিয়ন্ত্রণ কক্ষের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাফি আল ফারুক বলেন, সোমবার বিকেল ৪টা ১৫ মিনিটে কাকরাইল মোড় থেকে ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলগামী সড়কের বাম পাশে একটি গাছে আগুন লেগেছে। আমাদের দুটি ইউনিট কাজ করছে।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে পাশে থাকা বিদ্যুতের খুঁটি থেকে গাছটিতে আগুন ধরেছে।
মন্তব্য করুন


যারা উদ্যমী এবং প্ররিশ্রমী কোন বাধা বিপত্তিই তাদের দমিয়ে রাখতে পারে না। তার এক উজ্জল দৃস্টান্ত শারীরিক প্রতিবন্ধী সজীব। লেখাপড়া শেষ করে নিজে স্বাবলম্বী হওয়ার মধ্য দিয়ে দেশের সেবা করতে চায় সে। কিন্তু তার এই স্বপ্নে বাধা হয়ে দাড়িয়েছে দরিদ্রতা। আদেও কি তার এই স্বপ্ন পূরণ হবে কিনা এবং শিক্ষা জীবন শেষ করে সমাজে মাথা উচু করে দাড়াতে পারবে কিনা এমন দু:শ্চিন্তায় দিন কাটছে তার।
সজীব মহম্মদপুর আমিনুর রহমান ডিগ্রী কলেজের স্নাতক বর্ষের ছাত্র। ২০২০ সালে মহম্মদপুর উপজেলার চৌবাড়িয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং ২০২২ সালে বিনোদপুর ডিগ্রী কলেজ থেকে এইসএসসি পাস করে এ বছর স্নাতক পাশ কোর্সে ভর্তি হয়েছেন। শিক্ষা জীবন শেষ করে সে শিক্ষক হয়েই শিক্ষার মানোউন্নয়ন এবং সমাজ গঠনে অবদান রাখতে চায়। এখনো প্রর্যন্তু পঙ্গুত্ব এবং অভাব তার শিক্ষার অগ্রযাত্রা কে বাধাগ্রস্থ করতে পারেনি। তবে আদৌকি তার এই স্বপ্ন পূরণ হবে কিনা এবং শিক্ষা জীবন শেষ করে সমাজে মাথা উচু করে দাড়াতে পারবে কিনা এমন দু:শ্চিন্তায় দিন কাটছে তার পরিবারের।
সজীব মাগুরা জেলার মহম্মদপুর উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের খাদুনা গ্রামের হতদরিদ্র কাঠমিস্ত্রী সুনীল মন্ডলের ছেলে। বাবা-মাসহ ৫ সদস্যের সংসারে দুই বোন এক ভাইয়ের মধ্যে সে মেজো। বড় বোন চন্দ্রিকা মন্ডলের বিয়ে হয়েছে গেছে। ছোট বোন অনিন্দিতা এ বছর এইসএসসি পাস করে অনার্সে ভর্তির অপেক্ষায় আছে। টাকার অভাবে এখনো সে ভর্তি হতে পারেনি। বাবা সুনীল মন্ডল মানুষের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে কাঠমিস্ত্রীর কাজ করে যা উপার্জন করে তা দিয়ে সংসার চালাতেই হিমসিম খেতে হয়ে। মা স্বপ্না রাণী মন্ডল গৃহীণি।
তিনি বলেন, আমার প্রতিবন্ধী ছেলে এবং মেয়ের লেখাপড়ার জন্য অনেকের কাছে গিয়েছি। অনেকেই সহযোগিতা করেছে। আমি আমার ছেলে এবং মেয়ের লেখা পড়ার জন্য মানুষের বাড়িতেও কাজ করেছি। এতদিন অনেক কষ্টো করে তাদের লেখাপড়ার খরচ চালিয়ে এসেছি কিন্তু এখন আর পারছি না। আমি আমার প্রতিবন্ধী ছেলের জন্য সমাজের সকলের সহযোগিতা চাই। কারন, কারন, সজীবের বাবারও আগের মত কাজ করার শক্তি এখন আর নাই।
বাবা সুনিল মন্ডল বলেন, ছেলের লেখাপড়ার করার ইচ্ছা আমাকে সাহস যোগায় কিন্তু সামর্থের কাছে বারবার হেরে যায় আমি। তবু তার তার ইচ্ছে পূরণে আমার চেষ্টা অব্যাহত থাকবে। তবে সরকারি সহায়তা পেলে আমার ছেলেটা তার শিক্ষা জীবন শেষ করে হয়ত কিছু একটা করতে পারতো। তারপর আবার মেয়েটা বড় হয়ে হয়ে গেছে তাকেও সময় মত বিয়ে দিতে হবে। নানান চিন্তায় মাঝেমধ্যে দিশেহারা হয়ে পড়ি আমি।
প্রতিবন্ধী সজীব মন্ডল বলেন, ছোট বেলায় মায়ের কোলে চড়ে স্কুলে গিয়েছি। বড় হয়ে ভ্যানে। কলেজে উঠলে ভগ্নিপতির সহযোগিতায় একটি ব্যাটারি চালিত হুইল চেয়ার কিনে আসাযাওয়া করতাম। এখনো হুইল চেয়ার চালিয়েই কলেজে আসা যাওয়া করি। নিজের নামে একটি প্রতিবন্ধী ভাতা আছে তা দিয়ে এবং বাবার সহযোগিতায় ডিগ্রীতে ভর্তি হয়েছে। আমার খুব ইচ্ছে লেখাপড়া শেষ করে একজন আদর্শবার শিক্ষক হওয়ার। তার ইচ্ছে পূরণে সে সমাজের মানবিক বিত্তবান এবং সরকারের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেছেন।
এ বিষয়ে আমিনুর রহমান ডিগ্রী কলেজের অফিস সহকারি তরুণ কুমার গুহ পিকিং বলেন, উদ্যমি সজীবের আগ্রহের কথা জেনে আমরা সীমিত খরচে তাকে ডিগ্রীতে ভর্তি করে নিয়েছি। অধ্যক্ষ শওকত বিপ্লব রেজা বিকো বলেন, প্রাথমিকভাবে তাকে ভর্তি করে নেওয়া হয়েছে। তাকে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে। ইউএনও পলাশ মন্ডল বলেন, আমি তার খবর পেয়ে অফিসে আসতে বলেছে। তার লেখা পড়া চালিয়ে যেতে সর্বচ্চো সহায়তা দেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন