

ঘূর্ণিঝড়
মিধিলির প্রভাবে কক্সবাজারে গতকাল (১৬ নভেম্বর) থেকে
গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি হচ্ছে।
উত্তাল হয়ে আছে সমুদ্র উপকূল
। জাহাজ চলাচল বন্ধ থাকায় সেন্টমার্টিনে
দুই শতাধিক পর্যটক আটকা পড়েছেন। ঘূর্ণিঝড় পরবর্তী
ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় কক্সবাজারের জেলা প্রশাসন ব্যাপক
প্রস্তুতি নিয়েছে।
কক্সবাজার
ও চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরকে ৬ নম্বর এবং
মোংলা ও পায়রা বন্দরকে
৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে
যেতে বলেছে আবহাওয়া অফিস।
শুক্রবার
(১৭ নভেম্বর) সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে
জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির এক জরুরি সভায়
এই প্রস্তুতির কথা জানান জেলা
প্রশাসক মুহাম্মদ শাহীন ইমরান।
জেলা
প্রশাসক মুহাম্মদ শাহীন ইমরান জানান, জেলার ৫৭৬টি সাইক্লোন শেল্টার প্রস্তুত রাখা হয়েছে। উপকূলে
মাইকিং করা হয়েছে। সাগরে
মাছ ধরার ট্রলারগুলোকে উপকূলে
নিরাপদ স্থানে সরে যেতে বলা
হয়েছে। এছাড়া দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় কক্সবাজারের টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌরুটে পর্যটকবাহী জাহাজসহ সব ধরনের নৌযান
চলাচল বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জাহাজ
মালিকদের সংগঠন স্কোয়াব এর সাধারণ সম্পাদক
হোসাইনুল ইসলাম বাহাদুর জানান, বুধবার ৩টি জাহাজে করে
৫১৯ জন পর্যটক সেন্টমার্টিন
ভ্রমণে যান। তার মধ্যে
২ শতাধিক পর্যটক সেন্টমার্টিনে অবস্থান করছেন। আবহাওয়া পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে জাহাজ চলাচল
শুরু হবে। তখন সেন্টমার্টিনে
থাকা পর্যটকদের ফিরিয়ে আনা হবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি:
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর (এআই) ক্যামেরার মাধ্যমে ২৪ ঘণ্টায় ৪৪৯টি মামলা করা হয়েছে। এসব মামলায় মোট ১৫ লাখ ৫১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বুধবার (১৯ আগস্ট) বেলা ১১টায় স্টার নিউজকে বিষয়টি জানিয়েছেন হাইওয়ে কুমিল্লা রিজিওনের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাহিনুর আলম।
হাইওয়ে পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, মহাসড়কে যানবাহনের গতি, ভুল পথে চলাচল, অবৈধ পার্কিংসহ বিভিন্ন ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের ঘটনা শনাক্ত করতে এআই ক্যামেরা ব্যবহার করা হচ্ছে। ক্যামেরায় শনাক্ত হওয়া অপরাধের ভিত্তিতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মামলা ও জরিমানার প্রক্রিয়া এগিয়ে নেয়া হচ্ছে।
পুলিশ সুপার শাহিনুর আলম বলেন, ‘মহাসড়কে এআই ক্যামেরার কার্যক্রম আরও বাড়ানো হলে ট্রাফিক আইন ভঙ্গের প্রবণতা কমার পাশাপাশি সড়কে নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা আরও জোরদার হবে। ইতোমধ্যে সেটির প্রভাব পড়তে শুরু করেছে।’
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার বেলা ১১টায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই ক্যামেরার যাত্রা শুরু হয়। এতে মহাসড়কের ২৫০ কিলোমিটারে লাগানো হয়েছে ১৪২৭টি ক্যামেরা।
মন্তব্য করুন


রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন কুয়েতে বাংলাদেশের
নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল সৈয়দ তারেক হোসেন ।
বুধবার বঙ্গভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূতকে গুরত্বপূর্ণ কিছু বিষয় নিয়ে
নির্দেশনা প্রদান করেছেন।
রাষ্ট্রপতি কুয়েতে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশীদের সার্বিক কল্যাণের পাশাপাশি নতুন
করে জনশক্তি রপ্তানির বিষয়ে বাংলাদেশের নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূতকে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন।
আজকের এ সৌজন্য সাক্ষাৎ নিয়ে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন জানান, সাক্ষাৎকালে
কুয়েতে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশীদের সার্বিক কল্যাণের পাশাপাশি নতুন করে জনশক্তি রপ্তানির
বিষয়ে রাষ্ট্রদূতকে কাজ করার নির্দেশ দেন রাষ্ট্রপ্রধান।
রাষ্ট্রপতি আরো বলেন, কুয়েতের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে
বিদ্যমান সম্ভাবনাগুলোকেও কাজে লাগাতে হবে।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিবগণ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


ভেনেজুয়েলায়
আঘাত হানা পরপর দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে মানবিক বিপর্যয় চরমে পৌঁছেছে। জাতিসংঘের
ত্রাণ প্রধান টম ফ্লেচারের তথ্যমতে, প্রলয়ংকরী এই ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত ৫০ হাজারের
বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। মৃতের সংখ্যাও উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে; দেশটির অন্তর্বর্তীকালীন
প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগেজ নিশ্চিত করেছেন যে, ভূমিকম্পে এ পর্যন্ত ৯২০ জনের মৃত্যু
হয়েছে।
ভূমিকম্পে
সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে রাজধানী কারাকাসের উত্তরাঞ্চল। ধ্বংসস্তূপের নিচে
এখনো বহু মানুষ আটকা পড়ে আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। দেশটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে,
অন্তত ২০০ জনের বেশি জীবিত আটকা পড়ার খবর পাওয়া গেছে। ভারী যন্ত্রপাতির তীব্র সংকট
থাকায় ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে জীবিতদের উদ্ধারের কাজ অত্যন্ত ধীরগতিতে চলছে, যা স্বজনদের
মাঝে চরম হতাশা ও ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।
পরিস্থিতি
সামাল দিতে জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা সংস্থা মাঠে নেমেছে। স্প্যানিশ, সালভাদরীয়, সুইস,
কলম্বীয় এবং মেক্সিকানসহ মোট ১৭টি দেশের বিশেষায়িত উদ্ধারকারী দল বর্তমানে ঘটনাস্থলে
কাজ করছে। ত্রাণ তৎপরতা সমন্বয় করতে মার্কিন সামরিক বাহিনীর একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা
ইতিমধ্যে কারাকাসে পৌঁছেছেন।
মার্কিন
ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, গত বুধবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যায়
মাত্র কয়েক সেকেন্ডের ব্যবধানে দেশটিতে ৭.২ এবং ৭.৫ মাত্রার দুটি ভূমিকম্প আঘাত হানে।
প্রথমটির কেন্দ্রস্থল ছিল ভূ-পৃষ্ঠের ২০.৩ কিলোমিটার এবং দ্বিতীয়টির কেন্দ্র ছিল ১০
কিলোমিটার গভীরে। ভূতাত্ত্বিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, ভেনেজুয়েলার উত্তর উপকূল ক্যারিবিয়ান
ও দক্ষিণ আমেরিকান টেকটোনিক প্লেটের সীমানায় অবস্থিত হওয়ায় এটি ভূমিকম্পপ্রবণ। এর
আগে ১৯০০ সালে দেশটিতে ৭.৭ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছিল।
মন্তব্য করুন


খাগড়াছড়ির
দীঘিনালা উপজেলায় ৮ ফুট লম্বা একটি বার্মিজ প্রজাতির অজগর উদ্ধার করা হয়েছে।
সোমবার
(২৯ জুন) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার কবাখালী ইউনিয়নের উত্তর হাচিনসনপুর এলাকার একটি নালায়
মাছ ধরার জালে সাপটি আটকা পড়ে।
স্থানীয়
বাসিন্দা জামাল উদ্দিন বলেন, জমির পানি নামার একটি নালায় মাছ ধরার জন্য তিনি জাল পেতেছিলেন।
পরে জাল তুলতে গিয়ে দেখতে পান, একটি বড় অজগর সাপ তাতে আটকা পড়েছে। বিষয়টি জানাজানি
হলে স্থানীয় লোকজন সেখানে ভিড় করেন।
খবর
পেয়ে ঘটনাস্থলে যান স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘ন্যাচার কনজারভেশন অ্যালায়েন্স’-এর
সংগঠক হৃদয় বড়ুয়া। স্থানীয়দের সহযোগিতায় তিনি সাপটি নিরাপদে উদ্ধার করেন। পরে অজগরটি
মেরুং রেঞ্জের বন বিভাগের কর্মকর্তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
মেরুং
রেঞ্জের উপবন সংরক্ষক কর্মকর্তা মো. জাফরুল্লাহ বলেন, উদ্ধার হওয়া বার্মিজ প্রজাতির
অজগরটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৮ ফুট এবং ওজন ৭ কেজি ৮০০ গ্রাম। প্রয়োজনীয় পর্যবেক্ষণ শেষে
সাপটিকে সংরক্ষিত বনাঞ্চলে অবমুক্ত করা হবে।
বন
বিভাগ ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণকর্মীরা জানান, বার্মিজ অজগর বিষধর নয়। এটি পরিবেশের ভারসাম্য
রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই এমন বন্যপ্রাণী দেখা গেলে আতঙ্কিত না হয়ে
বন বিভাগ বা সংশ্লিষ্ট উদ্ধারকারী দলের সঙ্গে যোগাযোগ করার আহ্বান জানান তারা।
মন্তব্য করুন


ঢাকা
শিক্ষা বোর্ডে আগে টাকার বিনিময়ে জিপিএ ফাইভ বিক্রির অভিযোগ ছিল উল্লেখ করে শিক্ষা
এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, এখন আর এমন কথা শোনা
যাবে না।
বৃহস্পতিবার
(২ জুলাই) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
এইচএসসি
পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীরা এখন
অনেক সচেতন। অভিভাবকরাও সচেতন। এখন আর শুনবেন না, ঢাকা বোর্ডে ৫ লাখ টাকায় জিপিএ ফাইভ
বিক্রি হয়। এগুলো আর হবে না। যারা এসব করত, তারা চলে গেছে। ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট থেকে
শুরু করে সব ক্ষেত্রেই শৃঙ্খলা এসেছে। আমরা ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে তদারকি করছি।
বডি ক্যামেরাও ব্যবহার করা হচ্ছে।
এইচএসসি
পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কমে যাওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, সাধারণত এসএসসি পাসের পর এইচএসসিতে
একটি নির্দিষ্ট হারে শিক্ষার্থী ঝরে পড়ে। যেমন—অনেক মেয়ের বিয়ে হয়ে যায়, আবার কেউ
কেউ পরিবারের সহায়তার জন্য কাজে যোগ দেয়। কিন্তু এবার দেখা গেছে, মাদরাসা শিক্ষায় ৪৪
শতাংশ, কারিগরি শিক্ষায় ৫৪ শতাংশ এবং সাধারণ শিক্ষায় ৩৩ শতাংশ শিক্ষার্থী ঝরে পড়েছে।
এটি একটি বড় সংখ্যা।
মন্ত্রী
বলেন, প্রশাসন নকল ও অসদুপায় (আনফেয়ার মিনস) বন্ধ করেছে এবং পরীক্ষার মান বাড়িয়েছে।
ফলে অনেক শিক্ষার্থী হয়তো মনে করেছে তাদের প্রস্তুতি যথেষ্ট নয়। তবে এটি একটি উদ্বেগজনক
বিষয়, যা আমাদের সমাধান করতে হবে। এ কারণে আমরা শিক্ষক প্রশিক্ষণ কর্মসূচিকে আরও গুরুত্ব
দিচ্ছি।
তিনি
আরও বলেন, আমরা সমস্যার মূল কারণ নিয়ে কাজ করছি। গণমাধ্যমে প্রকাশিত আপনাদের প্রতিবেদনগুলোও
আমাদের কাজে সহায়ক হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


২৮
বছর পর বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় জায়গা করে নিয়েছে নরওয়ে। সোমবার (৩০ জুন) আইভরি কোস্টকে
২-১ গোলে হারিয়ে নকআউট পর্ব নিশ্চিত করে ইউরোপের দলটি। এর আগের দিন একই ব্যবধানে জাপানকে
হারিয়ে শেষ ১৬ নিশ্চিত করে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল।
কোয়ার্টার
ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে নরওয়ের মতো প্রতিপক্ষকে পেয়ে স্বস্তিতে থাকার কথা ব্রাজিলের। তবে
পরিসংখ্যান বলছে ভিন্ন কথা। ফুটবল ইতিহাসে নরওয়েই একমাত্র দল, যাদের বিপক্ষে একাধিক
ম্যাচ খেলেও এখন পর্যন্ত কোনো জয় পায়নি ব্রাজিল।
বর্তমান
নরওয়ে দলে রয়েছেন আর্লিং হলান্ড, মার্টিন ওডেগার্ড, আলেক্সান্ডার শরলথ ও আন্তোনিও নুসার
মতো তারকা ফুটবলার। শক্তিশালী এই স্কোয়াডের কারণেই এবারের বিশ্বকাপে ডার্ক হর্স হিসেবে
বিবেচিত হচ্ছে দলটি। অন্যদিকে ব্রাজিল বরাবরের মতোই শিরোপার অন্যতম দাবিদার। তবে ইতিহাসের
বিচারে নরওয়ের বিপক্ষে তাদের রেকর্ড মোটেও আশাব্যঞ্জক নয়।
দুই
দলের মধ্যে এখন পর্যন্ত চারবার মুখোমুখি হয়েছে। এর মধ্যে নরওয়ে জিতেছে দুটি ম্যাচ এবং
বাকি দুটি ড্র হয়েছে। অর্থাৎ চার ম্যাচে একবারও জয় পায়নি ব্রাজিল।
ব্রাজিল-নরওয়ে
মুখোমুখি পরিসংখ্যান:
২৭
জুলাই ১৯৮৮ (প্রীতি ম্যাচ): নরওয়ে ১-১ ব্রাজিল
২৯
মে ১৯৯৭ (প্রীতি ম্যাচ): নরওয়ে ৪-২ ব্রাজিল
২৩
জুন ১৯৯৮ (বিশ্বকাপ): ব্রাজিল ১-২ নরওয়ে
১৬
আগস্ট ২০০৬ (প্রীতি ম্যাচ): নরওয়ে ১-১ ব্রাজিল
দুই
দলের সবচেয়ে স্মরণীয় লড়াইটি হয়েছিল ১৯৯৮ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে। বেবেতোর গোলে এগিয়ে
গিয়েও শেষ পর্যন্ত ২-১ ব্যবধানে হেরে যায় ব্রাজিল। নরওয়ের হয়ে গোল করেছিলেন তোরে আন্দ্রে
ফ্লো ও শেতিল রেকথাল। যদিও সেই পরাজয়ের পরও গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবেই নকআউট পর্বে উঠেছিল
সেলেসাওরা।
এর
আগে ব্রাজিলের বিপক্ষে অপরাজিত থাকার তালিকায় ছিল সেনেগালও। তবে গত বছরের নভেম্বরে
প্রীতি ম্যাচে ২-০ ব্যবধানে জিতে সেই অপেক্ষার অবসান ঘটায় ব্রাজিল। এখন ইতিহাসের সেই
অনন্য রেকর্ড ধরে রেখেছে শুধু নরওয়ে।
তাই
এবার শেষ ষোলোর ম্যাচটি শুধুই কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াই নয়, ব্রাজিলের জন্য এটি
ইতিহাস বদলেরও মঞ্চ। প্রথমবারের মতো নরওয়েকে হারিয়ে দীর্ঘদিনের হতাশার ইতি টানতে চাইবে
কার্লো আনচেলত্তির শিষ্যরা। অন্যদিকে ব্রাজিলের বিপক্ষে নিজেদের অপরাজিত থাকার রেকর্ড
আরও দীর্ঘ করতে মাঠে নামবে নরওয়ে।
আগামী
রোববার (৫ জুলাই) বাংলাদেশ সময় রাত ২টায় নিউজার্সি স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে ব্রাজিল
ও নরওয়ে। এখন দেখার বিষয়, ইতিহাস বদলাবে ব্রাজিল, নাকি নিজেদের 'অভিশাপ' আরও দীর্ঘ
করবে নরওয়ে।
মন্তব্য করুন


বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ঢাকার মিরপুরে গুলিবিদ্ধ তাহের মোক্তার হোসেন এর ছেলে মোঃ রাফি হোসেন (১৪) এর ঢাকা সিএমএইচে সফল অস্ত্রপ্রচার করা হয়।
রাফি হোসেন গত ১৯ জুলাই ডান কাঁধে গুলিবদ্ধ হন এবং তার ডান কাঁধের হাড় ও ধমনী ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এপ্রেক্ষিতে, তাকে জরুরি ভিত্তিতে ঢাকার হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে অপারেশন করা হয়। পরবর্তীতে কিছু জটিলতা দেখা দিলে হৃদরোগ ইনিস্টিউট ও ঢাকা সিএমএইচ এর চিকিৎসকগণের আলোচনার ভিত্তিতে তাকে গতকাল (২৫ আগস্ট ২০২৪) দিবাগত রাতে ঢাকা সিএমএইচ এ আনা হয় এবং দ্রুততার সাথে দীর্ঘ ৬ ঘন্টা সময় ধরে সিএমএইচের ভাস্কুলার টিম কর্তৃক সফলভাবে কৃত্রিম রক্তনালী সংযোজনের মাধ্যমে অস্ত্র প্রচার করা হয়। বর্তমানে মোঃ রাফি হোসেন আশঙ্কা মুক্ত।
অপরজন মিরপুর কলেজের ছাত্র হারুন মিয়া এর ছেলে মোঃ মমিন হোসেন (২৩) গত ১৯ জুলাই ২০২৪ তারিখে গুলিবিদ্ধ হয় এবং গুলিটি তার মেরুদণ্ডের পিছনে আটকে যায়। পরবর্তীতে ২০ আগস্ট ২০২৪ তারিখে তাকে ঢাকা সিএমএইচে ভর্তি করা হয় এবং ল্যাপারস্কপির মাধ্যমে ২৫ আগস্ট ২০২৪ তারিখে অপারেশন করে গুলি বের করা হয়। বর্তমানে মোঃ মমিন হোসেন ভালো আছে।
মন্তব্য করুন


‘এসো দেশ বদলাই, পৃথিবী বদলাই’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে এবং প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সার্বিক তত্ত্বাবধানে আয়োজিত ‘তারুণ্যের উৎসব ২০২৫’এর উদ্বোধনী খামে স্বাক্ষর করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
আজ সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) বিকাল ৫টায় রাষ্ট্রীয় বাসভবন যমুনায় এই স্বাক্ষর করেন তিনি। এ সময় যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এবং তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা নাহিদ ইসলামসহ আরও অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় কর্তৃক ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে ৩০ ডিসেম্বর থেকে তারুণ্যের উৎসবের কর্মসূচি শুরু হয়েছে। এ কর্মসূচি আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ পর্যন্ত চলমান থাকবে।
তারুণ্যের উৎসব বিপিএল ২০২৫-এর সহযোগিতায় বিভিন্ন কমিউনিটি এনগেজমেন্টের মাধ্যমে তরুণদের মধ্যে খেলাধুলার প্রসারে কাজ করবে। এর মধ্যে থাকবে তরুণদের জন্য স্থানীয় ক্রীড়া টুর্নামেন্ট এবং কমিউনিটি ক্রিকেট ক্লিনিক, যা তাদের অংশগ্রহণ ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে। বিভিন্ন ফ্যান জোনে ঐতিহ্যবাহী খাবারের স্টল থাকবে। এর মাধ্যমে আঞ্চলিক রান্নার পরিচিতি ও স্থানীয় ব্যবসার প্রচার করা হবে, যা দেশীয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে তুলে ধরবে। তরুণদের মধ্যে খেলাধুলার প্রসারে কাজ করবে। এর মধ্যে থাকবে তরুণদের জন্য স্থানীয় ক্রীড়া টুর্নামেন্ট কমিউনিটি ক্রিকেট ক্লিনিক, যা তাদের অংশগ্রহণ ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে। ফ্যান জোনগুলোতে দেশি শিল্পীদের সৃষ্টিশীলতা প্রদর্শনের জন্য শিল্প প্রদর্শনীর আয়োজন করা হবে। এটি অনেক শিল্পীকে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সুযোগ করে দেবে এবং একই সঙ্গে ঐতিহ্যবাহী ও আধুনিক শিল্পের উদযাপন হবে।
মন্তব্য করুন


সারা
দেশের ভূমি মালিকদের জন্য জরুরি নির্দেশনা জারি করেছে ভূমি মন্ত্রণালয়। আগামী ৩০ জুনের
মধ্যে বকেয়াসহ চলতি অর্থবছরের ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) পরিশোধ করতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে
জমি সুরক্ষিত রাখতে ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহারের ওপর জোর দিয়েছে সরকার।
মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বার্তায় জানানো হয়েছে,
কোনো রকম ঝামেলা ছাড়াই নাগরিকরা এখন ঘরে বসে land.gov.bd ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে
তাদের ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করতে পারবেন। সরকার ভূমি ব্যবস্থাপনাকে সম্পূর্ণ স্মার্ট
ও স্বচ্ছ করার লক্ষ্যে এই ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেম চালু করেছে।
ভূমি
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধের জন্য নাগরিককে প্রথমে নির্ধারিত পোর্টালে
(land.gov.bd) গিয়ে নিবন্ধন করতে হবে। নিবন্ধিত হওয়ার পর পর্যায়ক্রমে খতিয়ান ও জোত
সংক্রান্ত তথ্য প্রদান করে করের পরিমাণ জানা যাবে এবং মোবাইল ব্যাংকিং বা কার্ডের মাধ্যমে
তা পরিশোধ করা যাবে।
মন্ত্রণালয়ের
বার্তায় বলা হয়েছে, ৩০ জুনের মধ্যে অনলাইনে ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করুন এবং নিজের জমি
সুরক্ষিত রাখুন।
নির্ধারিত
সময়ের মধ্যে কর পরিশোধ না করলে পরবর্তী সময়ে আইন অনুযায়ী বকেয়ার ওপর সুদ যুক্ত হওয়ার
সম্ভাবনা থাকে।
সাধারণত
সরকারি অর্থবছর শেষ হয় ৩০ জুন। তাই বছরের হিসাব চুকিয়ে দিতে এবং আইনি জটিলতা এড়াতে
এই সময়ের মধ্যেই খাজনা পরিশোধ করা বাঞ্ছনীয়। অনলাইন পদ্ধতি চালুর ফলে এখন আর ইউনিয়ন
ভূমি অফিসে সশরীরে গিয়ে লাইনে দাঁড়ানোর প্রয়োজন পড়ছে না, যা সাধারণ মানুষের সময় ও অর্থ
দুটোই সাশ্রয় করছে।
ভূমি
মন্ত্রণালয় আশা করছে, এই ডিজিটাল রূপান্তরের ফলে ভূমি কর আদায়ে স্বচ্ছতা আসবে এবং
মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য বন্ধ হবে।
মন্তব্য করুন


কোরবানির
পশুর মাংসের পাশাপাশি চামড়া ও অন্যান্য উপজাত সঠিকভাবে সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা করা গেলে
জাতীয় অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখা সম্ভব বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ
এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।
বৃহস্পতিবার
(২১ মে) কৃষিবিদ ইন্সটিটিউশন বাংলাদেশে ‘কোরবানি বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় (মাংস প্রক্রিয়াজাতকারী,
চামড়া সংরক্ষণকারী এবং ভেটেরিনারি মেডিকেল টিম) প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা
বলেন। কর্মশালা আয়োজন করে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর।
ভেটেরিনারি
মেডিকেল টিম, প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বশীল ভূমিকার প্রশংসা
করে মন্ত্রী বলেন, কোরবানির পশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং বাজার ব্যবস্থাপনায় আপনাদের
সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রশংসনীয়।
মোহাম্মদ
আমিন উর রশিদ বলেন, কোরবানিকে কেন্দ্র করে বিপুলসংখ্যক মানুষ পশু জবাই, চামড়া ছাড়ানো,
মাংস প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বণ্টনের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকে। এ বাস্তবতায় দক্ষ জনবল তৈরির
বিকল্প নেই। বিশেষ করে চামড়া ছাড়ানোর মতো সংবেদনশীল কাজে প্রশিক্ষিত জনবল না থাকলে
চামড়ার গুণগত মান ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং এর বাজারমূল্য কমে যায়।
প্রাণিসম্পদ
মন্ত্রী বলেন, দেশের মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট তরুণদের প্রশিক্ষণের আওতায় এনে
কোরবানির সময় দক্ষ জনবল তৈরি করা যেতে পারে। এতে একদিকে চামড়ার গুণগত মান উন্নত হবে,
অন্যদিকে শিক্ষার্থীদের কর্মদক্ষতা ও স্বল্পমেয়াদি আয়ের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
তিনি
বলেন, সরকার প্রয়োজনে সারা বছরব্যাপী প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়টি বিবেচনা
করবে, যাতে কোরবানির সময় দক্ষতার অভাব না থাকে। মন্ত্রী আরও বলেন, কোরবানির চামড়া অধিকাংশ
ক্ষেত্রেই মাদ্রাসায় দান করা হয়। এ বাস্তবতায় চামড়া সংরক্ষণে প্রয়োজনীয় লবণ সরবরাহসহ
সরকারি সহায়তা অব্যাহত রয়েছে। সঠিকভাবে চর্বি পরিষ্কার, লবণ প্রয়োগ ও সংরক্ষণ নিশ্চিত
করা গেলে চামড়ার গুণগত মান বৃদ্ধি পাবে এবং বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের ক্ষেত্র আরও সম্প্রসারিত
হবে।
তিনি
বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে কোরবানিযোগ্য পশু উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং দেশীয় উৎপাদন
দেশের চাহিদা পূরণে সক্ষম। দেশীয় খামারিদের সুরক্ষা ও জাতীয় স্বার্থে অবৈধভাবে পাচার
বা চোরাই পথে আসা পশু ক্রয়ের বিষয়ে সচেতনতা প্রয়োজন উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের খামারিদের
স্বার্থ রক্ষায় সবাইকে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, জনগণের
সচেতনতা, প্রশিক্ষণ ও সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে কোরবানির ব্যবস্থাপনা আরও উন্নত হবে
এবং জাতীয় অর্থনীতিতে প্রাণিসম্পদ খাতের অবদান আরও বাড়বে।
প্রাণিসম্পদ
অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে
উপস্থিত ছিলেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। অনুষ্ঠানে
আরও বক্তব্য রাখেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন। স্বাগত
বক্তব্য দেন অধিদপ্তরের পরিচালক ডা. মো. বয়জার রহমান এবং মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন
পরিচালক ডা. বেগম শামছুননাহার আহম্মদ, পরিচালক ড. এ. বি. এম. খালেদুজ্জামান। কর্মশালায়
মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, মাংস প্রক্রিয়াজাতকারী, চামড়া সংরক্ষণকারী
এবং ভেটেরিনারি মেডিকেল টিমের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন