

কুমিল্লার দেবিদ্বারে সর্বসাধারণের
গাড়ি ভেবে পুলিশের টহল গাড়িতে ডাকাতির করতে গিয়ে অস্ত্রসহ এক ডাকাতকে গ্রেফতার করা
হয়েছে।
শুক্রবার (১৪ জুন) ভোর রাতে দেবিদ্বার-চান্দিনা
সড়কের উপজেলার নবিয়াবাদ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
এ সময় তার কাছে থাকা দুই রাউন্ড কার্তুজ ভর্তি ১টি
দেশীয় এলজি বন্দুক ও দুটি রামদা উদ্ধার করা হয়। আটককৃত আসামী মোশারফ হোসেন (৩৫) বুড়িচং
উপজেলার হালগাঁও গ্রামের আবদুল মতিন মিয়ার ছেলে।
দেবিদ্বার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)
মো. নয়ন মিয়া এসব তথ্য জানিয়েছেন।
থানাসূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার
দিবাগত রাতদেড়টার দিকে দেবিদ্বার-চান্দিনা সড়কের নবিয়াবাদ এলাকার ভূইয়া বাড়ির সামনে
সর্বসাধারণের গাড়ি ভেবে থানার একটি টহল গাড়ি থামিয়ে ডাকাতির চেষ্টা করে একটি সংঘবদ্ধ
ডাকাত চক্র। পরে টহল গাড়িতে থাকা এএসআই আবদুল কাদের ও এসআই মিশন বিশ্বাস ডাকাত মোশারফকে
অস্ত্রসহ হাতেনাতে আটক করেন। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আরও অন্তত ১০/১২জন ডাকাত
পালিয়ে যায়।
দেবিদ্বার থানার ওসি মো: নয়ন মিয়া জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার মোশারফ অর্ধশতাধিক ডাকাতি করেছে
বলে জানিয়েছে। ডাকাতিকালে তার সঙ্গে আরও ১০/১২ ছিল, তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে ডাকাতির
অভিযোগে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলাও রয়েছে। মোশারফের বিরুদ্ধে জেলার বিভিন্ন থানায়
অস্ত্র ও ডাকাতির ১০টি মামলা রয়েছে। তার কাছ থেকে কার্তুজ ভর্তি দেশীয় বন্দুক উদ্ধার
করা হয়েছে। মোশারফসহ ৫ জনের নাম উল্লেখপূর্বক অজ্ঞাত১ ০/১২ জনের বিরুদ্ধে দেবিদ্বার
থানায় অস্ত্র ও ডাকাতির দুটি মামলা হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে তাকে কুমিল্লা জেলহাজতে
পাঠানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় আইজিপি কাপ ও চট্ট্রগ্রাম রেঞ্জ কাবাডি প্রতিযোগিতার উদ্বোধন হয়েছে।
কুমিল্লা জেলা পুলিশের আয়োজনে ও কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহযোগিতায় কুমিল্লা জিমনেসিয়ামে কাবাডি প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন, অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি কুমিল্লা পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান বিপিএম (বার)।
কাবাডি প্রতিযোগিতায় চট্ট্রগ্রাম বিভাগের ৮টি জেলা পুলিশ দল অংশ নিচ্ছে। দুটি গ্রুপে লীগ পর্যায়ে খেলবে।
গ্রুপ-ক দলে কুমিল্লা জেলা, চাঁদপুর খাগড়াছড়ি ও লক্ষীপুর জেলা দল। গ্রুপ-খ দলে বান্দরবান জেলা, কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি ও আর আর এফ চট্ট্রগ্রাম।
১৫ ফেব্রুয়ারি দুপুর ৩ টায় কাবাডি প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরন করা হবে।
উদ্বোধনী খেলায় ৫০/১৫ পয়েন্টে চাঁদপুর জেলাকে হারায় কুমিল্লা জেলা।
কুমিল্লায় আইজিপি কাপ ও চট্ট্রগ্রাম রেঞ্জ কাবাডি প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারন সম্পাদক নাজমুল আহসান ফারুক রোমেন।
স্বাগত বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্তি পুলিশ সুপার মংনে খোয়াই মারমা।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্তি পুলিশ সুপার নাজমুল হাসান, মতিউল ইসলাম, কামরান হোসেন, কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফিরোজ হোসেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সাংবাদিক দেলোয়ার হোসেন জাকির।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ২০ কেজি গাঁজাসহ ২ জন মাদক
ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
২০ ফেব্রুয়ারী রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২
একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ থানাধীন রামপুর
এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসামী মোঃ তুহিন (৩৫) এবং মোঃ জুয়েল নামক ২
জন মাদক ব্যবসায়ীদ্বয়কে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীদের কাছ থেকে ২০ কেজি গাঁজা এবং মাদক
পরিবহন কাজে ব্যবহৃত ১ টি ট্রাক উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত ১নং আসামী মোঃ তুহিন (৩৫)
ভোলা জেলার বোরহানউদ্দিন থানার দৌলা গ্রামের আজাহার উদ্দিন এর ছেলে এবং ২নং আসামী মোঃ
জুয়েল (২৮) কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানার পাচরা গ্রামের আব্দুল করিমের ছেলে।
র্যাব জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার
সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক দ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী
ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী
ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির
বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ
ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


মো মিজানুর রহমান মিনু :
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২৫ কেজি গাঁজাসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেন থানার সেকেন্ড অফিসার উপ-পরিদর্শক আলমগীর হোসেন।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার গভীর রাতে চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে উপজেলার চিওড়া ইউনিয়নের পাতড্ডা, কালিকসার মাদরাসা রাস্তার মাথা এলাকায় ২৫ কেজি গাঁজাসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করে।
এ সময় মাদক পরিবহনকাজে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেট কার জব্দ করা হয়।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল:
দীর্ঘ
পাঁচ বছর পর আবারও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) অনুষ্ঠিত হলো বাংলা নববর্ষের বর্ণাঢ্য
আয়োজন। সোমবার (১৪ এপ্রিল) দিনব্যাপী ‘বাংলা নববর্ষ ১৪৩২’ উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়
ক্যাম্পাস ছিল উৎসবমুখর, প্রাণবন্ত। শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের স্বতঃস্ফূর্ত
অংশগ্রহণে রঙিন হয়ে ওঠে পুরো ক্যাম্পাস।
উৎসবের সূচনা হয় সকাল সাড়ে ৯টায়, ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোঃ হায়দার আলীর নেতৃত্বে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মাধ্যমে। শোভাযাত্রাটি প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে শুরু হয়ে বৈশাখী চত্বরে গিয়ে শেষ হয়, যেখানে বর্ষবরণ মেলা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সোলায়মান, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোঃ আবদুল হাকিম, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেনসহ অন্যান্য শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীবৃন্দ।
সকাল
১০টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয় মাঠে শুরু হয় বিভিন্ন খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক আয়োজন। ছেলেদের
জন্য আয়োজন করা হয় মোরগ লড়াই আর মেয়েদের জন্য ছিল মিউজিক্যাল চেয়ার প্রতিযোগিতা, যা
শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও আনন্দ ছড়িয়ে দেয়।
সকাল
সাড়ে ১০টা থেকে শুরু হয় সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। শিক্ষার্থীরা পরিবেশন করেন লোকগান, নৃত্য,
কবিতা আবৃত্তি ও নাটিকা। এছাড়া, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি বিভাগ বাংলা নববর্ষকে ঘিরে
নিজ নিজ স্টলে পরিবেশন করে ঐতিহ্যবাহী পিঠাপুলি — পাটিসাপটা, চিতই, দুধচিটা, মালপোয়া
প্রভৃতি।
ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোঃ হায়দার আলী বলেন, “বাংলা নববর্ষ এদেশের সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষের মিলনমেলা। এটি আমাদের জাতীয় সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই আয়োজন নতুন প্রজন্মের মধ্যে দেশপ্রেম ও সংস্কৃতি চেতনা জাগ্রত করবে।”
প্রো-ভাইস
চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল বলেন, “বাঙালির ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে ধরে রাখার
দায়িত্ব আমাদের সকলের। এমন আয়োজন সেই দায়িত্ব পালনকে আরও বেগবান করে।”
ট্রেজারার
প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সোলায়মান বলেন, নতুন বছর আমাদের সামনে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে
দিয়েছে। অতীতের অন্যায়-অবিচার থেকে শিক্ষা নিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে হবে স্বচ্ছতা ও গণতন্ত্রের
পথে।
প্রায়
পাঁচ বছর পর কুবিতে এই আয়োজন হওয়ায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা
গেছে। দিনভর চলা নানা আয়োজনে মুখর ছিল গোটা ক্যাম্পাস।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ২
টি পাইপগান ও
৫ রাউন্ড গুলিসহ ০১
জন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করেছে
র্যাব- ১১,
সিপিসি-২।
র্যাব জানায়,
আজ সকালে
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার
সদর দক্ষিণ মডেল
থানাধীন উলুরচর এলাকায় বিশেষ
অভিযান পরিচালনা করে
মোঃ আরমান
হোসেন (২৬)
নামক ০১
জন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করে।
এ সময়
আসামীর হেফাজত হতে
০২ টি
পাইপ গান
ও ০৫
রাউন্ড গুলি
উদ্ধার করা
হয়। গ্রেফতারকৃত মোঃ
আরমান হোসেন
(২৬) কুমিল্লা জেলার
সদর দক্ষিণ মডেল
থানার উলুরচর গ্রামের মৃত
মোবারক হোসেন
এর ছেলে।
র্যাব-১১,সিপিসি-২, কুমিল্লার কোম্পানী অধিনায়ক লেঃ কমান্ডার মাহমুদুল হাসান জানান, আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, সে দীর্ঘদিন যাবৎ কুমিল্লার বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে অস্ত্র প্রদর্শন করে সন্ত্রাসী কার্যক্রম সহ বিভিন্ন ধর্তব্য অপরাধ সংগঠিত করে আসছিল। এ বিষয়ে জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ১০০ বোতল ফেন্সিডিলসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে
গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), কুমিল্লা।
আজ (১১ জুন) সকালে জেলা গোয়েন্দা শাখা, কুমিল্লার একটা চৌকস টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে
কোতয়ালী মডেল থানাধীন টিক্কারচর ব্রীজ -টু-পালপাড়া গামী রোডের উত্তর পাশ হতে ১০০ বোতল ফেন্সিডিলসহ একজন মাদক ব্যবসায়ী মোঃ ইকবাল
হোসেন ওরফে শুক্কুর আলীকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী হলো- কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী
মডেল থানাধীন রাজমঙ্গলপু এলাকার আবুল মিয়ার
ছেলে মোঃ ইকবাল হোসেন ওরফে শুক্কুর আলী (৪০)।
উক্ত ঘটনায় মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে কোতয়ালী মডেল
থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার মুরাদনগরে ফুটবল খেলতে গিয়ে বজ্রপাতের শব্দে অজ্ঞান হয়ে এক শিক্ষার্থী
প্রাণ হারিয়েছে। তার নাম সিয়াম । বয়স হয়েছিলো ১৪ বছর ।
শনিবার (১১ মে) সকাল সাড়ে নয়টার দিকে উত্তর ত্রিশ এলাকার বালুর মাঠে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত সিয়াম মুরাদনগর উপজেলার নবীপুর পশ্চিম ইউনিয়নের উত্তর ত্রিশ গ্রামের প্রবাসী
হুমায়ুন কবিরের ছেলে।
জানা যায়, সকালে সিয়াম বন্ধুদের সাথে নিয়ে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ খেলতে ত্রিশ গ্রামের
বালুর মাঠে গিয়েছিলো। তাদের খেলা চলাকালিন সময়ে মাঠে বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে। এতে সিয়াম
মাঠেই অজ্ঞান হয়ে পড়ে। তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনার পর কর্তব্যরত
চিকিৎসক মৃত ঘোষনা করেন।
মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এনামুল হক বলেন,
‘সকালে বাড়ির পাশের মাঠে বন্ধুদের সঙ্গে ফুটবল খেলতে যায় সিয়াম। এ সময় আচমকা ঝড়-বৃষ্টি
ও বজ্রপাত শুরু হয়। বজ্রপাতে কিশোর সিয়াম গুরুতর আহত হয়। সহপাঠীরা তাকে উদ্ধার করে
মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে। সিয়ামের শরীরে পুড়ে যাওয়ার মতো কোনো
চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ইলেক্ট্রোকার্ডিওগ্রাম (ইসিজি) করার পর তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত
হয়েছি।’
১৫ নম্বর নবীপুর পশ্চিম ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান মো.জাকির হোসেন বলেন,
‘সিয়াম কোম্পানীগঞ্জ বদিউল আলম উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র ছিল। বজ্রপাতের শব্দে
ঘটনাস্থলেই সে জ্ঞান হাড়িয়ে ফেলে। পরে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা
করেন।’
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার দেবিদ্বারে সর্বসাধারণের
গাড়ি ভেবে পুলিশের টহল গাড়িতে ডাকাতির করতে গিয়ে অস্ত্রসহ এক ডাকাতকে গ্রেফতার করা
হয়েছে।
শুক্রবার (১৪ জুন) ভোর রাতে দেবিদ্বার-চান্দিনা
সড়কের উপজেলার নবিয়াবাদ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
এ সময় তার কাছে থাকা দুই রাউন্ড কার্তুজ ভর্তি ১টি
দেশীয় এলজি বন্দুক ও দুটি রামদা উদ্ধার করা হয়। আটককৃত আসামী মোশারফ হোসেন (৩৫) বুড়িচং
উপজেলার হালগাঁও গ্রামের আবদুল মতিন মিয়ার ছেলে।
দেবিদ্বার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)
মো. নয়ন মিয়া এসব তথ্য জানিয়েছেন।
থানাসূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার
দিবাগত রাতদেড়টার দিকে দেবিদ্বার-চান্দিনা সড়কের নবিয়াবাদ এলাকার ভূইয়া বাড়ির সামনে
সর্বসাধারণের গাড়ি ভেবে থানার একটি টহল গাড়ি থামিয়ে ডাকাতির চেষ্টা করে একটি সংঘবদ্ধ
ডাকাত চক্র। পরে টহল গাড়িতে থাকা এএসআই আবদুল কাদের ও এসআই মিশন বিশ্বাস ডাকাত মোশারফকে
অস্ত্রসহ হাতেনাতে আটক করেন। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আরও অন্তত ১০/১২জন ডাকাত
পালিয়ে যায়।
দেবিদ্বার থানার ওসি মো: নয়ন মিয়া জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার মোশারফ অর্ধশতাধিক ডাকাতি করেছে
বলে জানিয়েছে। ডাকাতিকালে তার সঙ্গে আরও ১০/১২ ছিল, তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে ডাকাতির
অভিযোগে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলাও রয়েছে। মোশারফের বিরুদ্ধে জেলার বিভিন্ন থানায়
অস্ত্র ও ডাকাতির ১০টি মামলা রয়েছে। তার কাছ থেকে কার্তুজ ভর্তি দেশীয় বন্দুক উদ্ধার
করা হয়েছে। মোশারফসহ ৫ জনের নাম উল্লেখপূর্বক অজ্ঞাত১ ০/১২ জনের বিরুদ্ধে দেবিদ্বার
থানায় অস্ত্র ও ডাকাতির দুটি মামলা হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে তাকে কুমিল্লা জেলহাজতে
পাঠানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


আজ মঙ্গলবার (১৩ মে) আদর্শ সদর আর্মি ক্যাম্প থেকে গোপন সংবাদের
ভিত্তিতে কুমিল্লা শাসনগাছা এলাকায় একটি সফল মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে সুন্দর আলি ও মো: ইউসুফ নামক দুইজন মাদক কারবারিকে আটক করা হয়।
এসময় তাদের কাছ থেকে ৮ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ৫ প্যাকেট গাঁজা,
১ রোল অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল পেপার উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য ও আটককৃত ব্যক্তিদের প্রয়োজনীয় আইনগত
ব্যবস্থার জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও চলমান থাকবে বলে জানিয়েছে সেনাবাহিনী
কর্তৃপক্ষ।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি উপজেলার
চাঞ্চল্যকর ৩য় শ্রেণীর পড়ুয়া ৮ বছরের শিশু ধর্ষণ এর ঘটনায় জড়িত প্রধান আসামী মাওলানা
নাছির পাটোয়ারীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
গত ৪ জুলাই
কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি থানাধীন খালিশা এলাকায় ৮ বছরের এক মাদ্রাসা পড়ুয়া শিশুকে
ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। ভিকটিমের মা বাদী হয়ে কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দিাদ থানায় নারী ও
শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। ধর্ষণের ঘটনাটি গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ
মাধ্যমে গুরুত্ব সহকারে প্রচারিত হলে স্থানীয়ভাবে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে। উক্ত
ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিকে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় র্যাব-১১ ও র্যাব-১০
এর যৌথ অভিযানে গত ১১ জুলাই রাতে ঢাকা জেলার হাজারীবাগ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা
করে ধর্ষক মাওলানা নাছির পাটোয়ারী কে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত
আসামী হলো- কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি থানাধীন খালিশা এলাকার মৃত আব্দুস সামাদ পাটোয়ারীর
ছেলে মাওলানা নাছির পাটোয়ারী (৪২)।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে
গ্রেফতারকৃত আসামী ধর্ষণের ঘটনার সাথে তার সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে তথ্য প্রদান করে।
স্থানীয় সূত্রে
জানা যায়, ভিকটিমের পিতা মালেশিয়া প্রবাসী এবং তার মা একজন গৃহিনী। ভিকটিম এবং তার
ভাই স্থানীয় খালিশা মোহাম্মাদিয়া মিসবাউল উলুম মাদ্রাসায় তৃতীয় শ্রেণীতে অধ্যায়নরত
রয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামী মাওলানা নাছির পাটোয়ারী উক্ত মাদ্রাসার শিক্ষক ও পরিচালক।
প্রতিদিনের মতো ঘটনার দিন গত ৪ জুলাই ২০২৪ইং তারিখে ভিকটিম ও তার ভাই মাদ্রাসায় যায়।
ঘটনার দিন প্রবল বর্ষণের কারণে মাদ্রাসার অধিকাংশ ছাত্র-ছাত্রী অনুপস্থিত ছিল। গ্রেফতারকৃত
আসামী নাছির পরিবারসহ মাদ্রাসার পিছনের একটি বাড়িতে বসবাস করতো এবং ঘটনার দিন আসামীর
পরিবারের সদস্যরা বাড়িতে অনুপস্থিত ছিল। মাদ্রাসায় ছাত্র-ছাত্রীদের কম উপস্থিতি এবং
গ্রেফতারকৃত আসামীর পরিবারের অনুপস্থিতির সুযোগ কাজে লাগিয়ে আসামী নাছির মাদ্রাসার
পিছনে অবস্থিত তার বাসা ঝাড়ু দেয়ার জন্য ভিকটিমকে ডেকে নিয়ে যায়। ভিকটিম বাসায় প্রবেশ
করলে গ্রেফতারকৃত আসামী তার বাসার দরজা লাগিয়ে দেয় এবং ভিকটিমকে তার খাটের উপর নিয়ে
ভিকটিমের ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ধর্ষণের একপর্যায়ে ভিকটিম চিৎকার করলে
গ্রেফতারকৃত আসামী ভিকটিমকে উক্ত ঘটনা গোপন রাখতে বলে এবং প্রকাশ করলে তাকে মেরে ফেলার
হুমকি দেয়। বাড়িতে আসার পর ভিকটিমের কান্নাকাটির কারণ ভিকটিমের পরিবার জানতে চাইলে
একপর্যায়ে ভিকটিম মাদ্রাসায় ঘটে যাওয়া ঘটনার কথা বর্ণনা করে। ঘটনার পর গ্রেফতারকৃত
আসামী নিজ এলাকা ছেড়ে ঢাকায় পালিয়ে যায় এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর গ্রেফতার এড়াতে সেখানে
আত্মগোপন করে।
উক্ত বিষয়ে
গ্রেফতারকৃত আসামীকে কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি থানায় হস্তান্তর প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন