

২০২৬
বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পর নিজের চেহারায় পরিবর্তন এনেছেন ব্রাজিল তারকা ভিনিসিউস জুনিয়র।
চিবুকের আকৃতি আরও সুগঠিত করতে ‘চিন হারমোনাইজেশন’ করিয়েছেন রিয়াল মাদ্রিদ ফরোয়ার্ড।
অস্ত্রোপচারের পর তার নতুন লুক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
বিশ্ব
ফুটবলের অন্যতম পরিচিত মুখ ভিনিসিউস জুনিয়রকে এখন প্রথম দেখায় চিনতে কষ্ট হতে পারে।
কারণ, বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পর তিনি চিবুকের গঠন পরিবর্তনের জন্য একটি কসমেটিক সার্জারির
মধ্য দিয়ে গেছেন।
সোমবার
(২০ জুলাই) ব্রাজিলিয়ান সংবাদমাধ্যম টিএমসি জানিয়েছে, ব্রাজিলের গোইয়ানিয়ায় চর্মরোগ
বিশেষজ্ঞ ডা. আলেসান্দ্রো আলারকাওয়ের তত্ত্বাবধানে এই ‘চিন হারমোনাইজেশন’
করান রিয়াল মাদ্রিদের এই উইঙ্গার।
এই
প্রক্রিয়ায় বিশেষ ফিলার ব্যবহার করে মুখের নিচের অংশ, বিশেষ করে চিবুকের আকৃতি আরও
সুস্পষ্ট ও ভারসাম্যপূর্ণ করা হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বকাপ চলাকালে ভিনিসিউসের
চিবুকের গঠন নিয়ে বিভিন্ন আলোচনা ও সমালোচনার পরই তিনি এই সিদ্ধান্ত নেন।
অস্ত্রোপচারের
পর প্রকাশিত বিভিন্ন ছবি দেখে অনেক ভক্তই বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। নতুন চেহারায় তাকে
আগের তুলনায় বেশ ভিন্ন দেখাচ্ছে।
বিশেষ
করে, ভিনিসিউসের সাবেক প্রেমিকা ভার্জিনিয়া ফনসেকার ইনস্টাগ্রাম পোস্টে তাদের একসঙ্গে
তোলা ছবি নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশ্বকাপের আগে বিচ্ছেদের খবর এলেও, সাম্প্রতিক
ছবিতে দুজনকে একসঙ্গে দেখা যাওয়ায় তাদের সম্পর্ক জোড়া লাগার গুঞ্জনও জোরালো হয়েছে।
এছাড়া,
ভিনিসিউসের ঘনিষ্ঠ বন্ধু বলে পরিচিত দানিলো নসিমেন্তোর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে
পোস্ট করা একটি ছবিতে রিয়াল মাদ্রিদের জার্সিতে স্বাক্ষর দিতে দেখা যায় ব্রাজিলিয়ান
তারকাকে। পাশ থেকে তোলা সেই ছবিতে তার নতুন চিবুকের গঠন স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।
যদিও
ভিনিসিউস জুনিয়র নিজে এখনও এই কসমেটিক সার্জারি নিয়ে প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি,
তবে তার নতুন লুক ইতোমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।
মন্তব্য করুন


ভোক্তা
পর্যায়ে কমানো হয়েছে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম। জুন মাসের জন্য ১২
কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৫৫ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৮৮৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার
(২ জুন) দাম কমানোর নতুন ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।
এদিন সন্ধ্যা ৬টা থেকেই নতুন সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
এক
বিজ্ঞপ্তিতে বিইআরসি জানিয়েছে, জুন মাসের জন্য ১২ কেজি এলপিজির দাম ১ হাজার ৯৪০ টাকা
থেকে ৫৫ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৮৮৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এর
আগে গত মে মাসে দেশের বাজারে অপরিবর্তিত রাখা হয়েছিল এলপি গ্যাসের দাম। তবে এপ্রিলে
দুইবার সমন্বয় করা হয় এলপি গ্যাসের দাম। ২ এপ্রিল ৩৮৭ টাকা বাড়িয়ে ১২ কেজির সিলিন্ডারের
দাম নির্ধারণ করা হয় ১ হাজার ৭২৮ টাকা। এরপর গত ১৯ এপ্রিল ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম
২১২ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৯৪০ টাকা নির্ধারণ করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন।
এদিকে,
মঙ্গলবার জুন মাসের জন্য ভোক্তা পর্যায়ে ২ টাকা ৫৯ পয়সা কমিয়ে অটোগ্যাসের মূসকসহ
দাম প্রতি লিটার ৮৬ টাকা ৯৩ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এর
আগে গত ৩ মে সবশেষ সমন্বয় করা হয় অটোগ্যাসের দাম। সে সময় ভোক্তা পর্যায়ে ২ পয়সা
বাড়িয়ে অটোগ্যাসের মূসকসহ দাম প্রতি লিটার ৮৯ টাকা ৫২ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
মন্তব্য করুন


নাটোরের
বড়াইগ্রাম উপজেলার নাটোর-ঢাকা মহাসড়কের শ্রীরামপুর তরমুজ পেট্রোল পাম্প এলাকায় তরলীকৃত
প্রাকৃতিক গ্যাস (নাইট্রোজেন) বহনকারী একটি ট্রাক উল্টে গিয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি
হয়েছে। দুর্ঘটনার পর ট্রাকে থাকা নাইট্রোজেন সংরক্ষণ ট্যাংকার থেকে দ্রুত গ্যাস ছড়িয়ে
পড়ায় প্রায় ৩০০ থেকে ৪০০ মিটার এলাকা সাদা ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে যায়। এতে স্থানীয়
বাসিন্দা ও মহাসড়কের পথচারীদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয়
সূত্রে জানা যায়, শনিবার (২৫ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে নাটোর-ঢাকা মহাসড়কের শ্রীরামপুর
তরমুজ পাম্পসংলগ্ন এলাকায় নাইট্রোজেনবাহী ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের ওপর উল্টে
যায়। ট্রাকটি উল্টে যাওয়ার পর বিকট শব্দে এতে থাকা সিলিন্ডার ক্ষতিগ্রস্ত হলে গ্যাস
লিক হতে শুরু করে। মুহূর্তের মধ্যেই গ্যাস বায়ুমণ্ডলে ছড়িয়ে পড়ে এবং সাদা ঘন কুয়াশার
মতো ধোঁয়ায় প্রায় ৩০০ থেকে ৪০০ মিটার এলাকা ঢেকে যায়।
বনপাড়া
হাইওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শফিউল আলম জানান, ঘটনার পর নিরাপত্তার স্বার্থে স্থানীয়রা
নিরাপদ দূরত্বে সরে যান। পরে হাইওয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস দ্রুত উদ্ধার কার্যক্রম
শুরু করে এবং যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করে।
তিনি
আরও জানান, ট্রাকটিতে গরু, ছাগল ও মহিষের প্রজননের বীজ নাইট্রোজেন গ্যাসের মাধ্যমে
সংরক্ষণ করা ছিল। তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি বলেও পুলিশ জানিয়েছে।
মন্তব্য করুন


সেনাকুঞ্জে সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে
আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে ধন্যবাদ জানিয়ে
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়াকে আনতে পেরে আমরা
গর্বিত।
আজ বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) বিকেলে
ঢাকা সেনানিবাসের সেনাকুঞ্জে আয়োজিত এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা এ কথা বলেন।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূস বলেন, আজকে আমরা বিশেষভাবে সৌভাগ্যবান এবং সম্মানিত যে, বাংলাদেশের তিনবারের
নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্ত্রী
বেগম খালেদা জিয়া আজ এখানে আমাদের মাঝে উপস্থিত আছেন। এক যুগ ধরে তিনি এই মহাসম্মেলনে
অংশগ্রহণের সুযোগ পান নাই। আজকে সুযোগ পেয়েছেন, আমরা সবাই আনন্দিত এবং গর্বিত। আমরা
এই সুযোগ দিতে পেরেছি আপনাকে। শারীরিক অসুস্থতা সত্ত্বেও এই বিশেষ দিবসে সবার সঙ্গে
শরিক হওয়ার জন্য আপনাকে আবারও ধন্যবাদ। আমরা তার আশু রোগ মুক্তি কামনা করছি। এবং এই
অনুষ্ঠানে বিশেষভাবে স্বাগত জানাচ্ছি।
দীর্ঘ এক যুগ পর সশস্ত্র বাহিনী দিবস
উপলক্ষে সেনাকুঞ্জের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশ নেন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী
বেগম খালেদা জিয়া। এর আগে সর্বশেষ ২০১২ সালে সেনাকুঞ্জে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন
তিনি।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অধ্যাপক মুহাম্মদ
ইউনূস এবং খালেদা জিয়া পাশাপাশি বসেন। এ সময় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে খালেদা জিয়া কুশল
বিনিময় করেন। খালেদা জিয়াকে বেশ উৎফুল্ল দেখা যায় এবং তাদের হাস্যোজ্জ্বল কথাবার্তা
বলতে দেখা যায়।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস
সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ঘুরে ঘুরে আমন্ত্রিত অতিথিদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।
জানা গেছে, এবার সশস্ত্র বাহিনী দিবস
উপলক্ষে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, মহাসচিব
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলটির ২৬ নেতাকে সেনাকুঞ্জে আমন্ত্রণ জানানো হয়।
মন্তব্য করুন


তীব্র তাপদাহের মধ্যে আগামীকাল রবিবার
(২৮ এপ্রিল) খুলছে সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। সব প্রাক-প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ
থাকবে।
শনিবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়
জনসংযোগ কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান তুহিন এ তথ্য জানিয়েছেন।
এতে বলা হয়, চলমান তাপপ্রবাহের কারণে
কোমলমতি শিশুদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বিবেচনায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শিশু কল্যাণ ট্রাস্ট
পরিচালিত প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহ ও উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর লার্নিং সেন্টারগুলোতে
শ্রেণি কার্যক্রম চালুর বিষয়ে নিম্নোক্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
১. আগামী ২৮ এপ্রিল রবিবার থেকে সরকারি
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণিকার্যক্রম চলমান থাকবে।
২. এক শিফটে পরিচালিত বিদ্যালয়সমূহ
প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত চলবে।
৩. দুই শিফটে পরিচালিত বিদ্যালয়সমূহ
প্রথম শিফট সকাল ৮টা থেকে সাড়ে ৯টা এবং দ্বিতীয় শিফট ৯টা ৪৫ মিনিট থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত
চলমান থাকবে।
৪. তাপদাহ সহনীয় পর্যায়ে না আসা পর্যন্ত
অ্যাসেম্বলি বন্ধ থাকবে।
৫. উপজেলা শিক্ষা অফিসার, সংশ্লিষ্টদের
নিয়ে শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে পাঠানো রুটিন
বিবেচনায় নিয়ে উপজেলা ভিত্তিক শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সাপ্তাহিক রুটিন প্রণয়ন
করবেন।
৫. প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণির কার্যক্রম
পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।
তাপদাহ স্বাভাবিক পর্যায়ে আসার পূর্ব-পর্যন্ত
এবং পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত উল্লিখিত সিদ্ধান্ত বলবৎ থাকবে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা
গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে নির্দেশ দেওয়া হয়।
মন্তব্য করুন


রাষ্ট্রপতি
মো. সাহাবুদ্দিনের সম্ভাব্য পদত্যাগ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা শুরুর পর আবারও আলোচনায়
উঠে এসেছে খাইরুল দেওয়ানের নাম। ফেসবুক ও ইউটিউবে রাষ্ট্রপতি
পদ নিয়ে বিভিন্ন পোস্টের মন্তব্যে অনেক ব্যবহারকারী তাকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে দেখতে চাওয়ার কথা লিখছেন। এভাবেই নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছেন তিনি।
খাইরুল
দেওয়ানকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার শুরু ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে। সে সময় রাষ্ট্রপতি
নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন তিনি। তবে নির্বাচন কমিশন তার কাছে মনোনয়নপত্র বিক্রি না করায় আগারগাঁওয়ে
নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ের সামনে আরও কয়েকজনের সঙ্গে মানববন্ধন করেন এবং আইনি লড়াইয়ের ঘোষণা দেন।
মনোনয়ন
না পেলেও তিনি রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার দাবিতে বিভিন্ন সময়ে সংবাদ সম্মেলন করেন এবং জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ব্যানার নিয়ে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। তার এসব কর্মসূচি এবং বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। অনেক ব্যবহারকারী বিষয়টিকে ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ বা ট্রলের উপাদান
হিসেবে গ্রহণ করেন। একই সময়ে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তার ওপর হামলার অভিযোগও বিভিন্ন আলোচনায় উঠে আসে।
পরবর্তীতে
খাইরুল দেওয়ান ‘জনকল্যাণ পার্টি’ নামে একটি রাজনৈতিক দল গঠনের ঘোষণা
দেন। এরপর রাজধানীর পল্টন, তোপখানা রোড, হাইকোর্ট এলাকা ও গুলিস্তানসহ বিভিন্ন
স্থানে নিজেকে রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হিসেবে তুলে ধরে বক্তব্য দিতে দেখা যায় তাকে।
রাষ্ট্রপতির
পদ শূন্য না থাকায় চলতি
বছরের ফেব্রুয়ারিতে তিনি গণমাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী পদে নির্বাচন করার আগ্রহের কথাও জানান। তার ধারাবাহিক কর্মকাণ্ডের কারণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই তাকে রসিকতার ছলে ‘রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী নেতা’ এবং পরে ‘প্রিয় নেতা’ নামে উল্লেখ করতে শুরু করেন। বর্তমানে রাষ্ট্রপতির পদ নিয়ে আলোচনা
শুরু হলেই বিভিন্ন পোস্টের মন্তব্যে তার নাম উল্লেখ করে রসাত্মক মন্তব্য করতে দেখা যায়।
ভাইরাল
হওয়া এক ভিডিওতে খাইরুল
দেওয়ান জানান, তার পৈতৃক বাড়ি মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলায়। মুক্তিযুদ্ধের পর তাদের বাড়িটি
ধ্বংস হয়ে যায়। তার বাবা সরকারি চাকরিজীবী হওয়ায় শৈশব দেশের বিভিন্ন জেলা ও থানার সরকারি
কোয়ার্টারে কেটেছে। বর্তমানে তিনি ঢাকার কেরানীগঞ্জ দক্ষিণের আব্দুল্লাহপুর কুচিয়ামোড়া এলাকায় বসবাস করেন।
মন্তব্য করুন


দেশের
আরও ১০ জেলা রেল যোগাযোগের আওতায় আসছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, নৌপরিবহন
এবং রেলপথমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। মঙ্গলবার (১৬ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি)
সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এ কথা জানান।
ঢাকার
পার্শ্ববর্তী ও দেশের দক্ষিণাঞ্চলের ১০ জেলায় রেল সেবা সম্প্রসারিত হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন
মন্ত্রী।
তবে
রেলপথ মন্ত্রণালয়ের থেকে জানা গেছে- শেরপুর, মেহেরপুর, মাগুরা, সাতক্ষীরা, বরিশাল,
বরগুনা, পটুয়াখালী, ঝালকাঠি, পিরোজপুর ও লক্ষ্মীপুর জেলা রেল যোগাযোগের আওতায় আসছে।
রেলমন্ত্রী
বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে এবং সভাপতিত্বে আজ রেল মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ কার্যক্রম
এবং সামগ্রিক কানেক্টিভিটি, সামগ্রিক সেবা কি পর্যায়ে আছে এবং উত্তরণের জন্য কি পদক্ষেপ
নেওয়া হয়েছে, কি কার্যক্রম চলমান এবং আগামীতে কি কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে- সে
বিষয়ে একটা মিটিং ছিল। প্রধানমন্ত্রী সেটা জেনেছেন, দেখেছেন, বুঝেছেন এবং তার মতামতও
যুক্ত করেছেন। সেই সামগ্রিক যোগাযোগ কানেক্টিভিটি এবং সেবার মান নিয়ে পর্যালোচনাপূর্বক
বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।’
তিনি
বলেন, ‘এরই মধ্যে আমরা বড় কয়েকটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে চলেছি। যেমন- আখাউড়া-সিলেট,
সিরাজগঞ্জ-বগুড়া সেটা তো আছেই, অ্যাট দ্য সেম টাইম আমাদের ধীরাশ্রমে একটা আইসিডি কনটেইনারের
প্রকল্প এরই মধ্যে পাস হয়েছে এবং ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে যাওয়ার যে রাস্তা সেটা কিছু
মিটারগেজ কিছু হচ্ছে আপনার ব্রডগেজ।’
মিটারগেজ
যেখানে আছে বিশেষ করে টঙ্গী থেকে আখাউড়া এবং লাকসাম থেকে সিলেট এতটুকু মিসিং লিংক
আছে, সেটা ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন হবে। সেই ব্যাপারে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে, অ্যাট দ্য
সেম টাইম ঢাকা থেকে কুমিল্লা একটা কর্ড লাইন এটাও খুব জরুরি সে ব্যাপারেও নীতিগত সিদ্ধান্ত
হয়েছে। এটা বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ এবং প্রয়োজনীয় প্রকল্প গ্রহণ
করার তাগাদা এসেছে।
বর্তমানে
দেশের ৪৯টি জেলার সঙ্গে রেল যোগাযোগ রয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, আমাদের নির্বাচনি
ইশতেহারে ছিল ৬৪ জেলাকেই আমরা রেল যোগাযোগের সঙ্গে যুক্ত করতে চাই। সেই লক্ষ্যে নতুন
আরও ১০টি জেলাকে কীভাবে রেল সংযোগ বা রেল যোগাযোগ বা রেল সেবা নিশ্চিত করা যায় সে
ব্যাপারে রেললাইন এবং তার সার্ভিস প্রসারিত করার জন্য প্রকল্প গ্রহণের তাগাদা এসেছে।
সেটা বাস্তবায়ন করার জন্য আগামী দিনের সম্ভাব্য প্রেজেন্টেশন, সম্ভাব্য রেললাইন আমরা
উপস্থাপন করেছি। তার মানে আরও ১০টা জেলা যুক্ত করতে চাইবো।
শেখ
রবিউল আলম বলেন, সরকার বাস্তবায়ন করার জন্য প্রকল্প গ্রহণ করবে। এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা
হয়েছে। যেগুলো আছে সেটা তো আছেই। যেখানে একেবারেই নেই, যেমন- মানিকগঞ্জ, ঢাকার কাছে,
নেই। তো আমরা চাচ্ছি যে যেহেতু কমিউটার ট্রেন চালুর একটা ব্যবস্থা আমাদের অঙ্গীকার
আছে; যেমন- ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ, ঢাকা-টঙ্গী, জয়দেবপুর, অ্যাট দ্য সেম ঢাকা-মানিকগঞ্জ,
ঢাকা-নরসিংদী, তো মানিকগঞ্জে ট্রেন যোগাযোগ নেই। তো আমরা ঢাকা-মানিকগঞ্জ এটা করার একটা
সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে কমিউটার ট্রেন, মানে ঢাকা থেকে মানুষ তার ব্যবসা, কর্ম সবকিছু
ছেড়ে পাশের জেলাগুলোতে দ্রুত আসতে পারে এবং যেতে পারে কাজ সেরে। এ ধরনের একটা কানেক্টিভিটি
করার চিন্তা আছে।
ঢাকা
থেকে কুমিল্লা কর্ড লাইন নিয়ে নতুন করে কি সিদ্ধান্ত হয়েছে- জানতে চাইলে মন্ত্রী
বলেন, এটা ভাবনা ছিল আর আমরা বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছি। এটা হলো পার্থক্য। কর্ড লাইনটা
দরকার, প্রায় ৮০ থেকে ৮২ কিলোমিটার পথ কমে যায় এটা আমরা সবসময় শুনছি। কিন্তু এটা
বাস্তবায়নের জন্য প্রকল্প গ্রহণের তাগাদা এসেছে, দিস ইজ দ্য ডিফারেন্স।
তিনি
বলেন, বিগত আমলে যে কাজগুলো হয়েছে, সেখানে রেললাইন হয়েছে ক্যারেজ বা লোকোমোটিভের
কোনো সন্ধানই নেই। আমরা এবার সেখান থেকে বেরিয়ে এসেছি সম্পূর্ণভাবে। ডিপিপি পাস হওয়ার
সময়ই ট্রেন লাইন হবে, অ্যাট দ্য সেম টাইম লোকোমোটিভ এবং ক্যারেজ আয়োজন ওই ডিপিপির
মধ্যেই থাকবে, এজন্য আলাদা প্রকল্প নয়, সমন্বিত প্রকল্প হবে। যাতে ট্রেন লাইনটা নির্মাণ
শেষ হলো, একই সঙ্গে ট্রেন চলাচল শুরু করল এরকমভাবে হবে প্রজেক্ট। যেগুলো আসবে সবগুলো
প্রজেক্টই ওই বিবেচনায় হবে, বিচ্ছিন্নভাবে হবে না। লাইন, ক্যারেজ (বগি) আর লোকোমোটিভ
(রেল ইঞ্জিন) ভিন্ন ভিন্ন প্রকল্প, ভিন্নভাবে বাস্তবায়িত হবে না, সমন্বিতভাবে হবে।
মন্তব্য করুন


শহুরে
ব্যস্ত জীবনে এখন সম্পর্কের নতুন ঠিকানা হয়ে উঠছে কর্মক্ষেত্র। সকালের তাড়াহুড়া, একসঙ্গে
ডেডলাইন সামলানো, সাফল্যের মুহূর্ত ভাগ করে নেয়া, খারাপ দিনে পাশে থাকা, দুপুরের ছোট্ট
কফি বিরতি কিংবা দিনের শেষে ক্লান্ত মুখে ‘আজ অনেক চাপ গেল’,
এভাবেই অজান্তে কাছাকাছি চলে আসেন অনেক সহকর্মী।
একই
অফিসে প্রতিদিন ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটাতে কাটাতে কখন যে পেশাদার কথাবার্তার ভেতর একটু
আলাদা যত্ন, অপেক্ষা কিংবা ভালো লাগা জন্ম নেয়, তা অনেকেই বুঝতে পারেন না শুরুতে। এসব
থেকেই অনেক সময় তৈরি হয় নির্ভরতা এবং প্রেম। এখন কর্মক্ষেত্রে সম্পর্ক বা ‘ওয়ার্কপ্লেস
রোমান্স’ আগের চেয়ে অনেক বেশি সাধারণ হয়ে উঠছে।
তবে
অফিসের সম্পর্ক শুধু সিনেমার মতো রোমান্টিক গল্প নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে পেশাদারিত্ব,
ব্যক্তিগত সীমারেখা, সহকর্মীদের দৃষ্টিভঙ্গি এবং কর্মপরিবেশের ভারসাম্যও।
সাম্প্রতিক
‘ওয়ার্কপ্লেস রোমান্স স্ট্যাটিস্টিকস’ শীর্ষক এক প্রতিবেদন বলছে, ৬০ শতাংশেরও
বেশি কর্মজীবী মানুষ জীবনের কোনো না কোনো সময়ে সহকর্মীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছেন।
এর মধ্যে প্রায় ৪৩ শতাংশ সম্পর্ক পরিণয়ে গড়িয়েছে। অর্থাৎ, অফিসে শুরু হওয়া সম্পর্কের
অনেকগুলোই শেষ পর্যন্ত স্থায়ী হয়েছে। ফোর্বস ম্যাগাজিনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ
করা হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা
বলছেন, এর বড় কারণ হলো সময়ের পরিবর্তন। এখন মানুষের জীবনের বড় একটা অংশ কাটে কর্মস্থলে।
সকালে বের হয়ে সন্ধ্যা পর্যন্ত অফিসেই সময় যায়। ফলে বাইরের সামাজিক যোগাযোগ কমে যাচ্ছে।
নতুন মানুষের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগও আগের মতো নেই। তাই স্বাভাবিকভাবেই সহকর্মীদের
মধ্যেই তৈরি হচ্ছে কাছাকাছি আসার সুযোগ।
ফোর্বসের
প্রতিবেদন অনুযায়ী, কর্মক্ষেত্রে সম্পর্ক তৈরির পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ ‘স্বাচ্ছন্দ্যবোধ’।
প্রায় ৬৫ শতাংশ মানুষ বলেছেন, সহকর্মীর সঙ্গে দীর্ঘদিন কাজ করতে করতে একটা বিশ্বাস
ও মানসিক নিরাপত্তা তৈরি হয়। এছাড়া ৬১ শতাংশ জানিয়েছেন, কাজের বাইরে নতুন মানুষের সঙ্গে
পরিচিত হওয়ার সময় না থাকাও একটি বড় কারণ। তবে অফিসের সম্পর্ক সবসময় সহজ বা সুন্দর অভিজ্ঞতা
হয় না। এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে নানা ধরনের জটিলতাও।
সমীক্ষায়
দেখা গেছে, প্রায় ৫৭ শতাংশ কর্মী মনে করেন, অফিসের সম্পর্ক তাদের কাজের পারফরম্যান্সে
প্রভাব ফেলেছে। কেউ কেউ কাজের প্রতি বেশি মনোযোগী হয়েছেন, আবার অনেকের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত
টানাপোড়েন কাজের পরিবেশকেও অস্বস্তিকর করে তুলেছে।
এছাড়া
৫২ শতাংশ মানুষ জানিয়েছেন, সম্পর্কের কারণে সহকর্মীদের আচরণ বদলে গেছে। অফিসে গুজব,
ঈর্ষা বা পক্ষপাতিত্বের অভিযোগও বেড়েছে অনেক ক্ষেত্রে। প্রায় অর্ধেক কর্মী বলেছেন,
সহকর্মীদের মধ্যে তাদের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা বা কানাঘুষা চলেছে।
আরও
একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হলো, প্রায় ৩৫ শতাংশ কর্মী তাদের সম্পর্কের বিষয়টি অফিস কর্তৃপক্ষকে
জানান না। কারণ হিসেবে তারা ব্যক্তিগত গোপনীয়তা, অস্বস্তি কিংবা চাকরিগত ঝুঁকির কথা
উল্লেখ করেছেন।
বিশেষজ্ঞদের
মতে, কর্মক্ষেত্রে সম্পর্ক হওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়। মানুষ যেখানে বেশি সময় কাটায়,
সেখানেই আবেগ তৈরি হওয়াটা স্বাভাবিক। তবে সম্পর্কের কারণে যেন কর্মপরিবেশ, পেশাদারিত্ব
বা অন্য সহকর্মীদের স্বস্তি নষ্ট না হয়, সেই বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ।
কারণ
অফিসের সম্পর্ক শুধু দুজন মানুষের ব্যক্তিগত বিষয় হয় না, অনেক সময় সেটি পুরো কর্মপরিবেশের
ওপরও প্রভাব ফেলে।
এ
ব্যাপারে সাদমিনা নামের এক তরুণী বলেন, ‘অফিসে একজনকে ভালো লাগে। একসঙ্গে কাজ করতে
করতে কখন যে তার প্রেমে পড়ে গেলাম টেরই পেলাম না। আমরা একসঙ্গে লাঞ্চে যাই, চা খেতে
যাই, কাজের বাইরেও অনেক গল্প হয়। তবে ভালোলাগার কথাগুলো এখনও আদান-প্রদান হয়নি।’
এদিকে
সহকর্মীকে বিয়ে করা শাহরিয়ার নীরব নামের এক যুবক বলেন, ‘আমরা একই অফিসে চাকরি করি।
৫ বছর আগে যখন আমাদের প্রেম হয় তখন আশেপাশের সহকর্মীরা আমাদের দেখে হাসতো, মজা নিতো।
ব্যাপারটা আমরাও বেশ উপভোগ করতাম।’
নীরব
হেসে হেসে আরও বলেন, ‘আমরা যখন প্রেম করতাম তখন অফিসের কাজের চাপ থাকলেও চাপ মনে হতো
না। প্রেয়সীর চোখের দিকে তাকালেই সব ক্লান্তি দূর হয়ে যেত, অফিস ঘণ্টা পার হয়ে গেলেও
টের পেতাম না।’
সহকর্মীর
সঙ্গে সংসার কেমন কাটছে এমন প্রশ্নের জবাবে নীরব বলেন, ‘আমরা ভালো আছি। সংসার জীবনের
এত বছরেও প্রেমের প্রথম দিনের মতোই মনে হয় এখনও। আর সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে আমরা এখনও
সহকর্মী।’
মন্তব্য করুন


সরকার
যদি ভালো কাজের উদ্যোগ নেয়, তাহলে আমরা সহযোগিতা করব। কিন্তু দেশের কোনো ক্ষতি হলে
আমরা নীরবে বসে থাকব না বলে জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর
আমির ডা. শফিকুর রহমান।
শনিবার
(৯ মে) সকালে জাপান সফর শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
ডা.
শফিকুর রহমান বলেন, সরকারের কোনো ভুল হলে তাদের তা ধরিয়ে দেওয়া আমাদের দায়িত্ব। সরকার
যদি ভালো কাজের উদ্যোগ নেয় তাহলে আমরা সহযোগিতা করব। কিন্তু যদি দেশের ক্ষতি হয়, আমরা
নীরবে বসে থাকব না। আমরা আওয়াজ তুলব, প্রতিবাদ করব, প্রয়োজনে আমরা প্রতিরোধ গড়ে তুলব।
এটাই হবে দায়িত্বশীল বিরোধী দল হিসেবে আমাদের কাজ।
জাপান
বাংলাদেশকে নিয়ে অনেক চিন্তা করে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বর্তমান সংসদ বিগত সংসদের থেকে
ব্যতিক্রম বলে তাদের কাছে মনে হচ্ছে। বিরোধী দল যেমন সরকারের সমালোচনা করছে তেমনই তাদের
সহযোগিতাও করছে। এভাবে যদি সবাই দেশকে ভালোবাসে তাহলে জাপানও বাংলাদেশের প্রতি সোহার্দ্য
আরও বাড়িয়ে দেবে।
জামায়াত
আমির বলেন, আমাদের দেশে বিপুল সংখ্যক ক্যান্সারের রোগী আছে, বাংলাদেশে তাদের ভালো চিকিৎসার
ব্যবস্থা আমরা করতে পারিনি। আমাদের যে দুই একটি ডেডিকেটেড ক্যান্সার হাসপাতাল রয়েছে,
সেগুলো যথেষ্ঠ স্কিল্ড না হওয়ায় সঠিক চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। যার ফলে অধিকাংশ
রোগীকে অনেক কষ্ট শিকার করে চিকিৎসার জন্য বিদেশে যেতে হয়। আর যাদের বিদেশ যাওয়ার সামর্থ
নেই, ধীরে ধীরে তারা মৃত্যুর দিকে ঢলে পড়ে। ফলে জাপানকে আমরা আহ্বান জানিয়েছি তারা
যেন আমাদের দেশে একটি ক্যান্সার ইন্সটিটিউট ও হাসপাতাল গড়ে তোলে।
তিনি
আরও বলেন, শুধু যদি হাসপাতাল হয় তাহলে আমদের দেশের মানুষেরা জানার সুযোগ পাবেনা। তবে
যদি ইন্সটিটিউট হয় তাহলে উচ্চ শিক্ষার দরজা খুলে যাবে এবং স্কিল্ড হয়ে গড়ে উঠবে। জাপান
এই বিষয়টিকে সক্রিয় বিবেচনায় নিয়েছে। আমরা আশা করছি এই বিষয়ে তারা (জাপান) ইতিবাচক
ভাবেই আগাবেন।
জুলাই
যোদ্ধাদের প্রসঙ্গে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, থাইল্যান্ডে এখন জুলাই যোদ্ধাদের ৬৪ জন অবস্থান
করছেন, আগে অনেক বেশি ছিলেন। তাদের মধ্যে কেউ এক বছর, কেউ দশ মাস, কেউ এগারো মাস সময়ব্যাপী
তারা সেখানে অবস্থান করছেন। আমাদের নৈতিক দ্বায়বদ্ধতা, নাগরিক দায়িত্ব ও রাজনৈতিক অঙ্গীকার
ও মানবিকতার জায়গা থেকে তাদের দেখতে গিয়েছিলাম।
এ
সময় তিনি সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ও দায়িত্বশীলদের সঙ্গে কথা বলেন এবং আহতদের সর্বোচ্চ চিকিৎসাসেবা
নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। বিরোধীদলীয় নেতা আহত জুলাই যোদ্ধাদের সাহস ও আত্মত্যাগের
ভূয়সী প্রশংসা করেন। পাশাপাশি তাদের দ্রুত ও পূর্ণ সুস্থতা কামনা করে মহান আল্লাহর
দরবারে বিশেষ দোয়া করেন।
মন্তব্য করুন


নিজস্ব প্রতিবেদক:
ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের (ইউসিবি) কুমিল্লা শাখায় এক ব্যতিক্রমী ‘চা চক্র’ আয়োজন করা হয়েছে। প্রচলিত ব্যাংকিং কার্যক্রমের বাইরে গিয়ে গ্রাহকদের সাথে সরাসরি সম্পর্ক দৃঢ় করা এবং তাদের প্রকৃত প্রয়োজন ও সম্ভাবনা অনুধাবন করাই ছিল এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। গত ১০ জুন বিকেলে নগরীর ছাতিপট্টী এলাকায় অবস্থিত ব্যাংকটিতে এই প্রাণবন্ত চা চক্রের আয়োজন করা হয়। ‘চা চক্র’ ও এসএমই খাতে ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে অনুষ্ঠিত ওই আলোচনায় প্রায় ৩০ জন উদ্যমী ও সাহসী এসএমই উদ্যোক্তা অংশগ্রহণ করেন। আলোচনায় তাঁদের ব্যবসার বর্তমান অবস্থা, সাফল্যের গল্প, সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার নানা বিষয় ফুটে ওঠে।
অনুষ্ঠানে গ্রাহকদের বিভিন্ন চাহিদা ও দাবিগুলো গুরুত্বের সাথে লিপিবদ্ধ করা হয় এবং সেগুলোর সমাধানের বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
ইউসিবি ব্যাংকের কুমিল্লা শাখা প্রধান সালেহ আহমেদ মজুমদার জানান, এই আয়োজনের মাধ্যমে আমরা মাঠপর্যায় থেকে সরাসরি গ্রাহক ফিডব্যাক সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়েছি, যা ঝুঁকি মূল্যায়ন, পণ্য উন্নয়ন এবং সেবার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে, গ্রাহকদের সমস্যা ও সীমাবদ্ধতা চিহ্নিত করে তাৎক্ষণিক ও কার্যকর সমাধান খোঁজার চেষ্টা করা হয়। সীমিত পরিসরে আয়োজিত এই চা চক্রটি কেবল একটি সাধারণ আলোচনা ছিল না, বরং এটি ছিল একটি প্রাণবন্ত আড্ডা। এ ধরনের আয়োজন ভবিষ্যতে আরো সময় নিয়ে ও বড় পরিসরে করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে তিনি ব্যক্ত করেন।
মন্তব্য করুন


শেরপুরের
নালিতাবাড়ীতে গলায় বাদাম আটকে মানহা মনি নামে তিন বছর বয়সী এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু
হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে এই দুর্ঘটনা ঘটে। পরিবারের সঙ্গে নানা বাড়িতে বেড়াতে
এসে নানার কর্মস্থল বিদ্যালয়ে গিয়ে শিশুটি এই দুর্ঘটনার শিকার হয়।
নিহত
মানহা মনি সিলেটের বাসিন্দা ও ব্যাংক কর্মকর্তা মো. রুবেলের মেয়ে। তার নানা মোস্তফা
আহমেদ নালিতাবাড়ী পৌর শহরের আড়াইআনী বাজার ব্যাপারীপাড়ার বাসিন্দা এবং মোস্তফা তন্তর
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।
পরিবার
ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকালে নানার সঙ্গে তার বিদ্যালয়ে যায় শিশু মানহা
মনি। দুপুরের দিকে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে তাকে বাদাম খেতে দেয়া হয়। বাদাম খাওয়ার একপর্যায়ে
একটি বাদাম তার শ্বাসনালীতে আটকে যায়। এতে সে হঠাৎ তীব্র শ্বাসকষ্টে ছটফট করতে শুরু
করে।
অবস্থা
গুরুতর দেখে স্বজনরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে নালিতাবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে
নিয়ে রওনা হন। তবে দুর্ভাগ্যবশত হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই পথিমধ্যে শিশুটির মৃত্যু
হয়।
ঘটনার
সত্যতা নিশ্চিত করে নালিতাবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক তানভীর
ইবনে কাদের জানান, হাসপাতালে আনার আগেই শিশুটির মৃত্যু হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা
হচ্ছে, শ্বাসনালীতে বাদাম আটকে শ্বাসরোধ হওয়ার কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে।
মন্তব্য করুন