

কক্সবাজারের টেকনাফের বাহারছড়া উপকূলে সাগরপথে মালয়েশিয়া পাঠানোর প্রস্তুতিকালে নারী ও শিশুসহ ২৮ জনকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড ও পুলিশ। মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেন কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক। তার আগে সোমবার গভীর রাতে বাহারছড়ার কচ্ছপিয়া ঘাটের বিচ এলাকা থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়।
কোস্টগার্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়, গোপনে খবর পাওয়া যায়—একদল পাচারকারী মালয়েশিয়া পাঠানোর উদ্দেশ্যে কয়েকজন নারী, শিশু ও পুরুষকে নিয়ে কচ্ছপিয়া ঘাটের কাছে অবস্থান করছে। তথ্যের ভিত্তিতে বাহারছড়া আউটপোস্ট ও পুলিশের সমন্বয়ে রাতেই অভিযান চালানো হয়। অভিযানে ২৮ জনকে উদ্ধার করা হলেও পাচারকারীরা পালিয়ে যায়।
উদ্ধার ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, কয়েকটি সংঘবদ্ধ মানবপাচারকারী চক্র উন্নত জীবনের স্বপ্ন দেখিয়ে, অল্প খরচে বিদেশে নেওয়ার লোভ দেখিয়ে তাদের সাগরপথে মালয়েশিয়া পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিল। টেকনাফসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা নাগরিকদের তারা এই প্রচেষ্টায় জড়ো করেছিল।
লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক জানান, মানবপাচার রোধে কোস্টগার্ডের অভিযান চলমান থাকবে। উদ্ধার হওয়া ২৮ জনকে সুরক্ষা ও আইনি প্রক্রিয়ায় নেওয়া হয়েছে, পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট পাচারকারীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
মন্তব্য করুন


হাসপাতালের সাদা অ্যাপ্রন গায়ে, গলায় ঝোলা স্টেথোস্কোপ—দেখলে সাধারণ চিকিৎসকের মতোই মনে হয় তাঁকে। কিন্তু তাঁর চলাফেরা, চোখেমুখের উত্তেজনা এবং রোগীদের প্রতি আলাদা দায়িত্ববোধ তাঁকে বাকিদের থেকে খানিকটা আলাদা করে দেয়। গুজরাতের ভাবনগর জেলায় স্যার টি জেনারেল হাসপাতালের ট্রমা সেন্টারে নতুন রোগী আনা মাত্রই ছোট্ট শরীরে দ্রুত পদক্ষেপে এগিয়ে গেলেন তিনি। স্ট্রেচারের পাশে দাঁড়িয়ে নিজে দেখার বদলে দুই ইন্টার্ন ডাক্তারকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়ে দিলেন, তারপর ধীরগতিতে নিজের চেম্বারের দিকে রওনা হলেন।এই সময় রোগীর স্বজনদের মধ্যে কৌতূহল ছড়িয়ে পড়ে। কারণ সবার চোখে একই বিস্ময়—ডাক্তারটির উচ্চতা স্ট্রেচারের উচ্চতার চেয়েও কম! কিন্তু তাঁদের বিস্ময় বা সংশয়কে গুরুত্ব দেওয়ার ফুরসত না নিয়েই তিনি নিজের কাজে ফিরে যান। তিনি গণেশ বরইয়া—মাত্র ২৫ বছর বয়সী, উচ্চতা তিন ফুট, তবু নামের পাশে গর্বের সঙ্গে লেখা ‘এমবিবিএস’। জন্মগতভাবে শারীরিকভাবে ৭২ শতাংশ অক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও সম্প্রতি চিকিৎসা বিজ্ঞানে ডিগ্রি অর্জন করেছেন। নিরক্ষর কৃষক বাবার দীর্ঘদিনের স্বপ্ন তিনি পূরণ করেছেন নিজের অধ্যবসায় ও মনোবলের জোরে।ভাবনগরের গোরখি গ্রামের দরিদ্র পরিবারে জন্ম গণেশের। বাবা-মায়ের অষ্টম সন্তান এবং পরিবারের প্রথম ছেলে হওয়ায় জন্মের পর থেকেই তাকে ঘিরে নানা আশা ছিল। কিন্তু জন্ম থেকেই তিনি বামনত্বে (dwarfism) ভুগছিলেন; গ্রোথ হরমোনের ঘাটতিতে হাঁটাচলাতেও ছিল সমস্যা। রোগ ধরা পড়ার পর অনেকে মনে করেছিলেন—গণেশের ভবিষ্যৎ হয়তো খুব সীমিত। তবু পরিবার তাঁকে কখনো ছাড়েনি, ভালোবাসায় আচ্ছন্ন রেখেছিল সবসময়।শৈশবের এক ভয়ংকর ঘটনাও আজও তাঁর মনে গেঁথে আছে। যখন তাঁর বয়স মাত্র ১০, কয়েকজন সার্কাসকর্মী এসে পরিবারের কাছে পাঁচ লাখ টাকা দিয়ে তাঁকে কিনে নিতে চেয়েছিল। যুক্তি ছিল—গণেশের ভবিষ্যৎ সার্কাসেই সীমাবদ্ধ, অন্য কোথাও তার জায়গা নেই। কিন্তু তাঁর বাবা দৃঢ়ভাবে তা প্রত্যাখ্যান করেন। ছেলে যেন পৃথিবীর আলো ছায়ায় নিজের পথ তৈরি করতে পারে—এই বিশ্বাসেই তিনি সার্কাসদলকে তাড়িয়ে দেন। এরপর গণেশকে আরও বেশি আগলে রাখেন পরিবার। দিদিরা কোলে করে স্কুলে নিয়ে যেত, বাবা মাঝে মাঝে কাঁধে বসিয়ে পথ চলতেন। ছোট বয়সেই গণেশ বুঝে যায়—অক্ষমতা তার জীবনের অংশ হলেও তা তাকে থামাতে পারবে না। উচ্চতা না বাড়লেও তাকে ‘বড়’ হতেই হবে।তিনি নিজেই বলেন, “জীবনের পথে এগোতে অনেকের সহায়তা আমার প্রয়োজন ছিল, তা ছোটবেলাতেই বুঝেছিলাম। অনেকেই আমাকে হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। তাঁদের স্নেহ ও সাহায্য ছাড়া আমি এতটা দূর আসতে পারতাম না।”
আজ গণেশ বরইয়া সেই প্রমাণ যে শারীরিক সীমাবদ্ধতা নয়, মানুষের মনোবলই নির্ধারণ করে তার সাফল্যের পথ। তাঁর তিন ফুট শরীর হলেও স্বপ্নের বিস্তার আকাশছোঁয়া।
মন্তব্য করুন


পবিত্র
শবে কদরের সরকারি ছুটির দিনেও সচিবালয়ে অফিস করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার
(১৭ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে তিনি সচিবালয়ে যান। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একটি সূত্র বিষয়টি
নিশ্চিত করেছে। জানা গেছে, ছুটির দিন হওয়া সত্ত্বেও আজ দুপুরে মন্ত্রিসভার বৈঠক ডেকেছেন
প্রধানমন্ত্রী।
দুপুর
২টায় সচিবালয়ের ১ নম্বর ভবনে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলনকক্ষে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
এতে সভাপতিত্ব করবেন তিনি।
মন্ত্রিসভার
এ বৈঠকের আগে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) একটি প্রতিনিধিদলের
সঙ্গে আলোচনা করবেন। এ সময় আবর্জনা পরিষ্কারে দেশীয় পদ্ধতিতে আধুনিক ভ্যাকুয়াম তৈরির
বিষয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।
এরপর
‘কৃষক কার্ড’ কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আরও একটি
বৈঠক করবেন তিনি।
সংশ্লিষ্ট
সূত্র জানায়, দুপুরে মন্ত্রিসভার বৈঠকে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ পরিস্থিতি, দেশের সার্বিক
আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং আসন্ন ঈদুল ফিতর উদযাপন সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ
আলোচনা হতে পারে।
উল্লেখ্য,
আজ পবিত্র শবে কদরের সরকারি ছুটি। এ ছাড়া আগামীকাল বুধবার (১৮ মার্চ) নির্বাহী আদেশে
সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
এর
ফলে মঙ্গলবার থেকেই মূলত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের টানা সাতদিনের ছুটি শুরু হয়েছে।
তবে ছুটির এই আমেজের মধ্যেও দাপ্তরিক কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের বন্যার্তদের পাশে দাঁড়িয়েছে চীন।
রোববার (২৫ আগস্ট) সকালে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে বন্যাদুর্গতদের সহায়তার লক্ষ্যে প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ তহবিলে ২০ হাজার মার্কিন ডলার অনুদানের চেক তুলেন দেন চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।
পাশাপাশি চীনা রেড ক্রসও বাংলাদেশের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য এক লাখ মার্কিন ডলারের মানবিক সহায়তা প্রদান করবে বলে জানান রাষ্ট্রদূত।
বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব গ্রহণ করায় চীনা নেতা এবং জনগণের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে অভিনন্দন জানান।
সাক্ষাৎকালে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস সবুজ অর্থনীতি গড়ে তোলার লক্ষ্যে চীনের কিছু সোলার প্যানেল কারখানা বাংলাদেশে স্থানান্তরের আহ্বান জানান।
রাষ্ট্রদূত বলেন, বেইজিং ঢাকার সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত এবং আমি আশাবাদী যে ড. ইউনূসের নেতৃত্বে দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্নপূরণ সফল হবে।
তিনি প্রধান উপদেষ্টার উদ্দেশে বলেন, আপনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ আরও উজ্জ্বল এবং সমৃদ্ধ হবে।
রাষ্ট্রদূত বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে চীন ও বাংলাদেশের কৌশলগত এবং সহযোগিতামূলক অংশীদারত্বের সম্পর্ক উচ্চ শিখরে রয়েছে এবং উভয় দেশ আগামী বছর তাদের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০তম বছর উদযাপন করবে।
এ সময় প্রধান উপদেষ্টা বেইজিং ও ঢাকার মধ্যে ঘনিষ্ঠ অর্থনৈতিক সহযোগিতার সম্পর্ক গড়ে তোলার ওপর জোর দেন এবং চীনা বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে কারখানা স্থানান্তরের আহ্বান জানিয়ে বলেন, চীন সোলার প্যানেলের অন্যতম বৃহৎ উৎপাদনকারী দেশ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে, তবে রপ্তানি বাজারে ক্রমবর্ধমান বাধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে।
তিনি উভয় দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানোর অংশ হিসেবে চীনে বাংলাদেশি পণ্যের আমদানি সম্প্রসারণের আহ্বান জানান। তিনি উভয় দেশের মধ্যে প্রযুক্তি স্থানান্তর, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, শিক্ষা ও কৃষিখাতে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বানও জানান।
ইয়াও ওয়েন বলেন, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সহিংসতা কবলিত অঞ্চলে অস্ত্রবিরতির মাধ্যমে রোহিঙ্গা সংকটের একটি টেকসই সমাধান খুঁজে পেতে চীনা সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকবে।
বৈঠকে ড. ইউনূস আশাবাদ ব্যক্ত করেন, বাংলাদেশে বসবাসরত ১০ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে রাজনৈতিক, আর্থিক ও মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখবে চীন।
প্রধান উপদেষ্টা চীনে তার স্মৃতি স্মরণ বলেন, চীনের বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইউনূস সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে এবং অনেক তরুণ ত্রি-জিরো ক্লাব গঠন করেছে। এসব ক্লাবের সদস্যরা দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামিয়ে আনতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তিনি দুই দেশের তরুণ সম্প্রদায় এবং জনগণের মধ্যে সরাসরি সম্পর্ক স্থাপনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বৈঠকে চীনা রাষ্ট্রদূত ড. ইউনূসকে তার সুবিধাজনক সময়মতো চীন সফরের আমন্ত্রণ জানান। তিনি বলেন, বাংলাদেশ এখন একটা সন্ধিক্ষণ পার করছে, তবে বাংলাদেশের জনগণ এই চ্যলেঞ্জ অতিক্রম করতে সক্ষম হবে।
মন্তব্য করুন


ঢাকা
সেনানিবাসের কেন্দ্রীয় মসজিদে তিন বাহিনী প্রধানের উপস্থিতিতে সুদানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা
মিশনে নিহত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ছয় সেনা সদস্যের জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। তাদের দাফনের
জন্য নেয়া হবে গ্রামের বাড়িতে।
আরবিবার
(২১ ডিসেম্বর) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতরের (আইএসপিআর) পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে
এ তথ্য জানানো হয়।
নিহত
সেনাসদস্যরা হলেন, কর্পোরাল মোঃ মাসুদ রানা: এএসসি (নাটোর), সৈনিক শামীম রেজা: বীর
(রাজবাড়ি), সৈনিক মোঃ মমিনুল ইসলাম: বীর (কুড়িগ্রাম), সৈনিক শান্ত মন্ডল: বীর (কুড়িগ্রাম),
মেস ওয়েটার মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম (কিশোরগঞ্জ) এবং লন্ড্রি কর্মচারী মোঃ সবুজ মিয়া
(গাইবান্ধা)।
আইএসপিআর
জানায়, জানাজার আগে নিহত সেনাসদস্যদের জীবন বৃত্তান্ত পড়ে শোনানো হয়। জানাজার পর
তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়। এরপর প্রথমে রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টার
পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানানো হয়। পরে তিন বাহিনীর প্রধান নিহত ৬ সেনার প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
এর আগে, গতকাল শনিবার বেলা ১১টা ৫ মিনিটে নিহত ৬ সেনার মরদেহ ঢাকায় পৌঁছে। বাংলাদেশ
সেনাবাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল মিজানুর রহমান শামীম বিমানবন্দরে
শান্তিরক্ষীদের মরদেহ গ্রহণ করেন। এ সময় সবাই দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন
ও সম্মান জানিয়ে স্যালুট দেন।
গত
১৩ ডিসেম্বর সুদানের আবেই এলাকায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের একটি ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা
চালায় বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র গোষ্ঠী। শাহাদাৎ বরণ করেন ৬ শান্তিরক্ষী। আহত ৯ জনের
সবাই শঙ্কামুক্ত। এদের মধ্যে কেনিয়ার হাসপাতালে ৮ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
মন্তব্য করুন


পবিত্র
শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখার তথ্য পর্যালোচনা ও মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব
পবিত্র ঈদ-উল ফিতরের তারিখ নির্ধারণ করতে আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বৈঠকে বসছে জাতীয়
চাঁদ দেখা কমিটি।
আজ বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) ইসলামিক ফাউন্ডেশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বায়তুল মোকাররম
জাতীয় মসজিদে অবস্থিত ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ-এর সম্মেলন কক্ষে সন্ধ্যা ৬টায় বৈঠকটি
অনুষ্ঠিত হবে।
এতে
আরও বলা হয়, এ বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন ধর্ম মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ।
বাংলাদেশের
আকাশে কোথাও শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা গেলে ০২-৪১০৫৩২৯৪, ০২-২২৬৬৪০৫১০ এবং ০২-২২৩৩৮৩৩৯৭-
এই ফোন নম্বরগুলোতে অথবা সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক অথবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে
(ইউএনও) জানানোর জন্য অনুরোধ জানিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।
মন্তব্য করুন


শনিবার
(১০ আগস্ট) বিকেলে সেনাবাহিনীর ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল মোহাম্মদ
জাহাঙ্গীর আলম কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানা পরিদর্শন করেন।
এ
সময় কুমিল্লা সেনানিবাসের সিনিয়র কর্মকর্তারা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক
খন্দকার মু: মুশফিকুর রহমান, কুমিল্লা পুলিশ সুপার মো: সাইদুল ইসলাম ।
থানা পরিদর্শন শেষে সেনাবাহিনীর ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও থানার ভারপ্রাপ্ত
কর্মকর্তা ফিরোজ হোসেনের সাথে কথা বলেন।
উল্লেখ্য যে, সরকার পতনের পর সারাদেশে হামলা-সহিংসতায় থানাগুলোতে
লুটপাট-ভাংচুর হয়। এর ফলে স্বাভাবিক কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটে। সম্প্রতি সেনাবাহিনীর
পাহারা ও সহযোগিতায় থানায় আবার স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরে আসতে শুরু করেছে।
মন্তব্য করুন


জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় সদস্য সৈয়দা নীলিমা দোলা দল থেকে পদত্যাগ করেছেন। শনিবার বিকেলে নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক পোস্টের মাধ্যমে তিনি এ ঘোষণা দেন। একই সঙ্গে তিনি তার পদত্যাগপত্রও প্রকাশ করেন।
পদত্যাগপত্রে সৈয়দা নীলিমা দোলা এনসিপির রাজনৈতিক অবস্থান ও সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তের কঠোর সমালোচনা করেন। তিনি লেখেন, দলের সব দায়িত্ব ও পদ থেকে তিনি সরে দাঁড়াচ্ছেন, কারণ এনসিপির মাধ্যমে আর মধ্যপন্থী রাজনীতির নতুন কোনো ধারা তৈরি সম্ভব নয় বলে তিনি মনে করেন।
তিনি উল্লেখ করেন, জুলাই পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্রীয় সংস্কারের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করবে—এই প্রত্যাশা থেকেই তিনি এনসিপির সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলেন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে দলটির একাধিক সিদ্ধান্ত তার কাছে স্পষ্ট করে দিয়েছে যে এনসিপি ক্রমশ ডানপন্থী রাজনীতির দিকে ঝুঁকে পড়ছে এবং সেই ধারাকেই পৃষ্ঠপোষকতা দিচ্ছে।
জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে এনসিপির নির্বাচনকেন্দ্রিক জোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটি কোনো কৌশলগত জোট নয়। তার মতে, যদি সত্যিই এটি কৌশলগত হতো, তাহলে একের পর এক নেতাকর্মীর পদত্যাগ দেখা যেত না। তিনি অভিযোগ করেন, নেতাকর্মীদের না জানিয়ে এবং বিভ্রান্ত করে এই জোট গঠন করা হয়েছে। মনোনয়নের নামে প্রতারণা করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
পদত্যাগপত্রে সৈয়দা নীলিমা দোলা আরও বলেন, দলে থেকে যাওয়া অনেকেই প্রশ্ন তুলতে পারেন—ক্ষমতা বা গুরুত্ব পাওয়ার পরও কেন তিনি চলে গেলেন। এর জবাবে তিনি স্পষ্ট করে জানান, তাকে কোনো ধরনের ক্ষমতা দেওয়া হয়নি। বরং তার প্রগতিশীল মানসিকতা ও ব্যক্তিগত ক্যারিয়ারের পরিচয়ই এতদিন এনসিপিকে শক্তি জুগিয়েছে।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, যারা দল ছাড়ছেন তাদের ‘বামপন্থী’ হিসেবে চিহ্নিত করাও একটি পরিকল্পিত কৌশলের অংশ। তার প্রশ্ন—যদি বামপন্থীরা বেরিয়ে যায়, তবে যারা থেকে গেলেন তারা কি সবাই ডানপন্থী? এনসিপি কি আদৌ একটি সেন্ট্রিস্ট দল?
পদত্যাগপত্রের শেষাংশে তিনি উল্লেখ করেন, এনসিপিতে যোগ দেওয়ার আগেও তিনি রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে সক্রিয় ছিলেন এবং দলটিতে যুক্ত হওয়ার পরও সেই কাজ অব্যাহত রেখেছেন।
উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে ঐক্য গঠনের পর থেকেই এনসিপির একাধিক নেত্রী দল ছাড়ছেন। সৈয়দা নীলিমা দোলার পদত্যাগ সেই ধারাবাহিকতারই সর্বশেষ ঘটনা।
মন্তব্য করুন


আজ
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) দুপুর দেড়টায় চট্টগ্রাম ও নোয়াখালীর মধ্যকার ম্যাচটা মাঠে
গড়ানোর কথা ছিল। কিন্তু ক্রিকেটাররা ম্যাচ বয়কট করলে টসই হয়নি। এমনকি ক্রিকেটাররা মাঠেই
যাননি। যার ফলশ্রুতিতে স্টেডিয়ামের ভেতরে থাকা দর্শক ও স্টেডিয়ামের বাহিরে থাকা দর্শক-জনতার
মধ্যে দেখা যায় চরম উত্তেজনা। তবে শুধু উত্তেজনার মধ্যেই বিষয়টি সীমাবদ্ধ থাকেনি।
একটা
সময় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের গেট ভেঙে ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করে কিছু মানুষ। পরে স্টেডিয়ামের
সামনে বিসিবির বিভিন্ন স্থাপনায় ভাঙচুর চালানো হয়। বিপিএলের বিলবোর্ড, ব্যানার ছিড়া
এবং স্টেডিয়ামের ভেতরে ইট-পাটকেল নিক্ষেপের ঘটনাও ঘটেছে। পরে সেনাবানিহীর সদস্যরা পরিস্থিতি
নিয়ন্ত্রণে আনেন।
এদিকে
যার বিপক্ষে ক্রিকেটাররা সোচ্চার, তাকে বোর্ড পরিচালক পদ থেকে অব্যাহতি না দিলেও তার
বিপক্ষে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে শুরু করেছে বিসিবি। প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে শোকজ করা
হয়েছে নাজমুল ইসলামকে। পাশাপাশি তাকে বিসিবির অর্থ কমিটি থেকেও অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।
কিন্তু
জানা গেছে এতেও সন্তুষ্ট নয় ক্রিকেটারদের সংগঠন কোয়াব। বিসিবি ও বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের
দায়িত্বশীল এক কর্তার বরাতে জানা গেছে যে, ক্রিকেটাররা আরও একটি আল্টিমেটাম দিয়েছে।
যদি নাজমুল ইস্যুতে বিপিএল সত্যিই বন্ধ করে দেয়া হয়, তাহলে ক্রিকেটার, কোচ, সাপোর্টিং
স্টাফসহ সংশ্লিষ্ট সবার পারিশ্রমিক বিসিবিকে দিতে হবে। যার পরিমাণ প্রায় ৪০ কোটি টাকা।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূস বিনিয়োগ, মৎস্য, রোহিঙ্গাদের জন্য মানবিক সহায়তা এবং যুব উন্নয়ন - বিশেষ করে
শিক্ষা ও খেলাধুলা ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও জোরদার করতে জাপানের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
আজ বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) ঢাকায় রাষ্ট্রীয়
অতিথি ভবন যমুনায় জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সির (জাইকা) নির্বাহী সিনিয়র
ভাইস প্রেসিডেন্ট মিয়াজাকি কাতসুরার সঙ্গে এক বৈঠকে এ কথা বলেন তিনি ।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ইউনূস বলেন,
জাপান সব সময়ই একটি বিশ্বস্ত বন্ধু। আমি সম্প্রতি আপনার দেশ সফর করেছি এবং আমি ও আমার
প্রতিনিধিদলের প্রতি যেভাবে আন্তরিকতা ও আতিথেয়তা দেখানো হয়েছে, তা আমাকে গভীরভাবে
স্পর্শ করেছে।
মিয়াজাকি জানান, এশিয়ায় বাংলাদেশ জাপানের
অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার এবং তিনি বাংলাদেশের উন্নয়ন যাত্রায় জাপানের অব্যাহত সহযোগিতার
প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।
তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলনে যারা মৃত্যুবরণ
করেছেন ও আহত হয়েছেন, আমরা তাদের জন্য গভীরভাবে শোকাহত।
বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা মাতারবাড়ি প্রকল্পের
গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং এটিকে ‘বাংলাদেশের ভবিষ্যতের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল’
হিসেবে অভিহিত করেন।
বাংলাদেশের সামুদ্রিক সম্ভাবনার গুরুত্ব
তুলে ধরে তিনি বলেন, আমি জাপানে জাইকার প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কথা বলেছি এবং তাঁকে জানিয়েছি
আমরা একটি সমুদ্রভিত্তিক অর্থনীতিতে পরিণত হতে চাই।’
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ইউনূস বাংলাদেশের
তরুণদের জন্য জাপানে পড়াশোনার বৃত্তি বাড়ানো এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণের
অনুরোধ জানান।
তিনি বলেন, অনেক তরুণ জাপানে কাজ করতে
যেতে চায়। সমস্যা হচ্ছে ভাষা। আমরা প্রস্তাব দিয়েছি যে, জাপানি শিক্ষকরা এখানে এসে
বা দূরশিক্ষণের মাধ্যমে ভাষা ও কর্মস্থলের আচরণ শেখাতে পারেন।
প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস রোহিঙ্গা
শরণার্থীদের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, এটি একটি দুঃখজনক অবস্থা। হাজার
হাজার তরুণ ক্যাম্পে বেড়ে উঠছে কোনো আশা ছাড়াই। তারা হতাশ ও ক্ষুব্ধ হয়ে উঠছে।’
মিয়াজাকি জানান, ২০২৬ সালে বাংলাদেশের
স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে জাইকা বাংলাদেশের
বিচারব্যবস্থা, জনপ্রশাসন, স্থানীয় সরকার ও স্বাস্থ্য খাতে সংস্কারে সহায়তা দিচ্ছে।
তিনি আরও জানান, আইসিটি মানবসম্পদ বিষয়ক
প্রশিক্ষণ চালু করতে জাইকা বাংলাদেশকে কেন্দ্র করে একটি প্রকল্প গ্রহণ করেছে—যা উভয়
দেশের স্থানীয় সরকার, কোম্পানি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতায় পরিচালিত হবে।
যুব উন্নয়ন প্রসঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা
বাংলাদেশের নারীদের খেলাধুলায় সাফল্যের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, আমাদের মেয়েরা
সবখানে জয়লাভ করছে। গতকাল তারা আরেকটি ম্যাচ জিতে চূড়ান্ত পর্বে উঠেছে। আমরা হোস্টেল
সুবিধা বাড়াচ্ছি, তবে তাদের স্বাস্থ্য ও প্রশিক্ষণে সহায়তা দরকার।’
এর জবাবে মিয়াজাকি ইতিবাচক সাড়া দিয়ে
জানান, জাপান ইতোমধ্যে অনেক দেশে শিক্ষাক্ষেত্রে স্বেচ্ছাসেবক পাঠাচ্ছে এবং নারীদের
খেলাধুলায় আরও সহযোগিতার কথা বিবেচনা করবে।
বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস অর্থনৈতিক
সংস্কার, রেলপথ নির্মাণ এবং মানবসম্পদ উন্নয়নের জন্য ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি
মূল্যের ঋণ ও অনুদান চুক্তি স্বাক্ষরের জন্য জাপানকে ধন্যবাদ জানান এবং আরও বেশিসংখ্যক
উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে বৈদেশিক উন্নয়ন সহায়তার (ওডিএ) সীমা ৩০০ বিলিয়ন ইয়েন থেকে
৪৫০ বিলিয়ন ইয়েনে বাড়ানোর অনুরোধ জানান।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ইউনূস বলেন,
‘বাংলাদেশ সব সময় জাপানের বন্ধুত্ব ও অবদানের কথা মনে রাখবে।’
মন্তব্য করুন


আসন্ন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করতে কমনওয়েলথ নির্বাচন পর্যবেক্ষক দলের প্রধান
ও ঘানার সাবেক রাষ্ট্রপতি নানা আকুফো-আদো ঢাকায় এসেছেন।
রবিবার
(৮ ফেব্রুয়ারি) এক ফেসবুক পোস্টে ঢাকায় পৌঁছানোর বিষয়টি নিজেই নিশ্চিত করেন নানা আকুফো-আদো।
এক
বার্তায় তিনি বলেন, গণতন্ত্র কমনওয়েলথের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ, যা এর সনদে অন্তর্ভুক্ত
একটি মৌলিক বৈশ্বিক মূল্যবোধ। কমনওয়েলথের নীতিতে জনগণের স্বাধীনভাবে নিজেদের ইচ্ছা
প্রকাশ এবং তাদের নিজস্ব রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ব্যবস্থা নির্ধারণের
অধিকার নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে।
জনগণের
কল্যাণ ও সমৃদ্ধির স্বার্থে এসব গুরুত্বপূর্ণ মূল্যবোধ সমুন্নত রাখার আহ্বান জানান
তিনি।
এর
আগে গত ৪ ফেব্রুয়ারি কমনওয়েলথ নির্বাচন পর্যবেক্ষক দল বাংলাদেশে আসে। দলটি আগামী ১৮
ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশের নির্বাচন ও গণভোটের প্রস্তুতি এবং সার্বিক পরিবেশ মূল্যায়ন
করবে।
বাংলাদেশে
নির্বাচন পর্যবেক্ষণে আসা এই বিশেষ দলটি আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি একটি প্রাথমিক প্রতিবেদন
প্রকাশ করার কথা রয়েছে।
মন্তব্য করুন