

শুক্রবার (১৫ ডিসেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় কুমিল্লা জেলার পুলিশ সুপার মো. আবদুল মান্নান এক সংবাদ সম্মেলনে জানান,মহাসড়কে চলন্ত গাড়িতে রড ছুঁড়ে ডাকাতি করতে ওত পেতে থাকা আন্তজেলা ডাকাতদলের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তার করার বিষয়ে পুলিশ সুপার জানান, গতকাল শুক্রবার দিনগত রাত আড়াইটায় ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের চান্দিনা উপজেলার তীরচর এলাকা থেকে আন্তজেলা ডাকাতদলের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। এসময় তাদের সাথে থাকা বাকি ১০ ডাকাত পালিয়ে যায়।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মংনেথোয়াই মারমা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মো. আশফাকুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক ও ডিবি) নাজমুল হাসানসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
গ্রেপ্তারকৃত আন্ত:জেলা ডাকাতদলের সদস্যরা হলেন কুমিল্লার তিতাস উপজেলার রঘুনাথপুর এলাকার হযরত আলী , একই গ্রামের মো. হাসান , চান্দিনা উপজেলার বাগমারা গ্রামের রুহুল আমিন , একই উপজেলার পরচঙ্গা গ্রামের মো. কাউছার ও ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার পূর্ব পোমকাড়া গ্রামের মো. জহির। বিভিন্ন অপরাধে জহিরের বিরুদ্ধে ১৩টি, হযরত আলীর বিরুদ্ধে আটটি ও কাউছারের বিরুদ্ধে ছয়টি মামলা রয়েছে।
ডাকাতি করার কৌশল নিয়ে পুলিশ সুপার আবদুল মান্নান বলেন, গ্রেপ্তারকৃতরা মহাসড়কে লোহার রড নিয়ে ওত পেতে থাকে। তারা দুটি গ্রুপে থাকে। এক দল চলন্ত গাড়িতে রড ছুড়ে মারে। গাড়িটি থামলে অন্য গ্রুপ যাত্রীদের আতংকিত করে ডাকাতি করে ।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) বাংলাদেশ ইতিহাস সমিতি ও প্রত্নতত্ত্ব
বিভাগের যৌথ উদ্যোগে প্রত্নতত্ত্ব বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন শুরু হয়েছে।
আজ শুক্রবার (১৬ মে) সকাল ১০ টায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই সম্মেলন শুরু হয়। সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের হল রুমে দুই দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠান চলবে।
সম্মেলনের উদ্বোধনী পর্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য
অধ্যাপক ড. মোঃ হায়দার আলী এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ট্রেজারার প্রফেসর
ড. মোহাম্মদ সোলায়মান। আরও উপস্থিত ছিলেন অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সোহরাব
উদ্দিন এবং বাংলাদেশ ইতিহাস সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. সুরমা জাকারিয়া চৌধুরী।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ইতিহাস সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. আবুল কাশেম।
সম্মেলনে উপস্থিত গুণী ও পণ্ডিত ব্যক্তিদের স্বাগত জানিয়ে প্রধান অতিথির
বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ হায়দার আলী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় কেবল শিক্ষাদানের
জায়গা নয়। এখানে দুটি কাজ হয়, একটি জ্ঞান সৃষ্টি, আরেকটি জ্ঞান ছড়িয়ে দেওয়া। আজকের
আয়োজন জ্ঞান সৃষ্টি ও ছড়িয়ে দেওয়া। এর মাধ্যমে উপকৃত হবে আমাদের ছাত্র ও উপস্থিত সকলেই।
তিনি আরও বলেন, প্রত্নতত্ত্ব কেবলমাত্র অতীতের উপাত্ত সংগ্রহের একটি
পন্থা নয়, বরং এটি আমাদের সভ্যতার ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং সামাজিক বিকাশের এক অমূল্য
দৃষ্টান্ত। আমাদের দেশের সমৃদ্ধ প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্যকে চিহ্নিত করা এবং তা বিশ্বমঞ্চে
তুলে ধরা আমাদের সকলের একান্ত দায়িত্ব।
ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সোলায়মান বলেন, পুরনোকে নতুনভাবে উপস্থাপন
না করে, পুরনোকে পুরনোভাবে রেখে ইতিহাসকে খোঁজা, সহযাত্রী হওয়া, শিক্ষা নেওয়া, উপস্থাপন
করা, লালন করা এবং আত্মস্থ করা প্রত্নতত্ত্বের জ্ঞান। আমরা ছাত্রজীবনে এই পাঠগুলো পাইনি,
যার ফলে একটা বড় গোষ্ঠী এগুলো নিয়ে সচেতন নয়। আমরা জাতি হিসাবে পিছিয়ে আছি, কেননা আমাদের
এই জিনিসগুলো নিয়ে আমরা সচেতন নই।
তিনি আরও বলেন, প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের এক যুগ পূর্তিতে এই আয়োজন আন্তর্জাতিক
মানসম্পন্ন জ্ঞান বিনিময় প্লাটফর্ম তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে। এই সম্মেলনের মাধ্যমে শুধু
গবেষণার গুণগত মানই বৃদ্ধি পাবে না, বরং আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে দেশি এবং বিদেশি
গবেষকদের আন্তঃসম্পর্ক তৈরি করবে।
অনুষ্ঠানের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. আবুল কাশেম বলেন, আমার কাছে মনে হয়,
ইতিহাস চর্চার ক্ষেত্রে কষ্টিপাথরে যাচাই করা জ্ঞান সৃষ্টি করে প্রত্নতত্ত্ব। আমরা
যদি ইতিহাসকে বিভিন্ন লেয়ারে ভাগ করি, প্রাচীণ, মধ্য, আধুনিক, তাহলে ফাউন্ডেশন লেয়ারে
আমরা প্রত্নতত্ত্বকে পাবো।
তিনি আরও বলেন,বাংলাদেশে ময়নামতি সংক্রান্ত বিষয় জানতে পারার জন্য ময়নামতির
কাছে এসে এই সম্মেলন হওয়ায় আমরা কৃতার্থ। এই যে
ল্যান্ড অফ ভ্যারাইটিজ যেখানে বিভিন্ন ঐতিহাসিক বিষয় আছে, সেখানে আসতে পেরে
আমরা আসলেই গর্বিত।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন সহকারী অধ্যাপক মুতাসিম বিল্লাহ এবং অনুষ্ঠানে
স্বাগত বক্ত্য রাখেন বাংলাদেশ ইতিহাস সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. সুরমা জাকারিয়া
চৌধুরী।
উল্লেখ্য, সম্মেলনে দেশি-বিদেশি শিক্ষক, প্রত্ন-গবেষক ও শিক্ষার্থীদের
শতাধিক প্রবন্ধ উপস্থাপিত হবে।
মন্তব্য করুন


চট্টগ্রামে এক যুবককে দুটি খুঁটির সঙ্গে
বেঁধে গান গেয়ে পিটিয়ে মারার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। বিশ
সেকেন্ডের সে ভিডিওতে দেখা গেছে, এক যুবককে উড়ালসড়কের নিচে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখা
হয়েছে। এ সময় গান গেয়ে তাকে মারধর করতে দেখা যায় কয়েকজন তরুণকে।
তবে ঘটনাটি গত ১৪ আগস্টের হলেও সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যমে দেখা যায় গত শনিবার (২১ সেপ্টেম্বর) থেকে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, যে যুবককে মারধর
করা হয়, সে যুবকের নাম মো: শাহাদাত হোসেন (২৪)। তিনি নোয়াখালীর সোনাইমুড়ি উপজেলার পাঁচবাড়িয়া
গ্রামের ২নং নদনা ইউনিয়নের মিয়া জান ভুঁইয়া বাড়ির মৃত মোহাম্মদ হারুনের ছেলে। শাহাদাত
থাকতেন চট্টগ্রাম নগরীর কোতোয়ালি থানাধীন বিআরটিসি এলাকার বয়লার কলোনিতে। তিনি নগরের
ফলমণ্ডির একটি দোকানে চাকরি করতেন।
তবে যে স্থানে তাকে বেঁধে রাখা হয়েছিল
সেটি চট্টগ্রাম নগরীর আখতারুজ্জামান উড়াল সড়কের নিচে ২নং গেট মোড় এলাকায়। গত ১৪ আগস্ট
রাতে নগরে প্রবর্তক এলাকা থেকে পুলিশ শাহাদাতের লাশ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় পরদিন শাহাদাতের
চাচা মো: হারুন বাদী হয়ে পাঁচলাইশ থানায় মামলা করেন। এতে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি
করা হয়। কিন্তু কেন এ হত্যাকাণ্ড কিংবা কার সঙ্গে বিরোধ, তা এজাহারে উল্লেখ নেই।
পুলিশ জানায়, গত ১৪ আগস্ট রাতে প্রবর্তক
এলাকা থেকে ক্ষতবিক্ষত ও অচেতন অবস্থায় এক ব্যক্তিকে উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে
ওই ব্যক্তিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে সেখানে চিকিৎসকরা
তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তার চাচা ফেসবুকে লাশের ছবি দেখে থানায় এসে মামলা করেন। তবে মারধরের
শিকার ব্যক্তি যে শাহাদাত, সেটি জানা গেছে তার স্ত্রীর ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও দেখে
শনাক্ত করার পর।
মামলার এজাহারে নিহত শাহাদাতের চাচা
মো: হারুন উল্লেখ করেছেন, ১৩ আগস্ট দুপুর ২টার দিকে কর্মস্থলের উদ্দেশে বাসা থেকে বের
হন শাহাদাত। সন্ধ্যা ৭টার দিকে ফোন করলে কিছুক্ষণের মধ্যে বাসায় চলে আসবেন বলে তার
স্ত্রীকে জানান শাহাদাত। গভীর রাত পর্যন্ত স্বামী বাসায় ফিরে না আসায় খোঁজাখুঁজি করেন
স্ত্রী শারমিন। সে সময় শাহাদাতের মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।
গেল ১৪ আগস্ট রাত সাড়ে ৯টার দিকে ফেসবুকে
বাদী দেখতে পান, নগরের প্রবর্তক মোড়ের অদূরে বদনা শাহর মাজারের বিপরীতে সড়কের পাশে
তার ভাতিজা শাহাদাত হোসেনের মৃতদেহ পড়ে আছে। পরে এদিন রাতেই চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ
হাসপাতালে গিয়ে পুলিশের উপস্থিতিতে শাহাদাতের লাশ শনাক্ত করেন তার স্ত্রী শারমিন আক্তার
ও বাদী।
এ বিষয়ে চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ থানার
ওসি মোহাম্মদ সোলাইমান বলেন, ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর শাহাদাতের স্ত্রী মারধরের শিকার ব্যক্তি
শাহাদাত বলে নিশ্চিত করেছেন। তবে যারা মারধর করছেন, তাদের পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন,কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার মুরাদনগরের কড়ইবাড়িতে মা, ছেলে ও মেয়েসহ তিনজনকে প্রকাশ্যে পিটিয়ে হত্যার দুই দিন পর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় রাতে যৌথবাহিনী অভিযান চালিয়ে দুই জনকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তাররা হলেন— কড়ইবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা মো. সবির আহমেদ (৪৮) ও মো. নাজিমউদ্দীন বাবুল (৫৬)।
শুক্রবার (৪ জুলাই) দিবাগত রাতে নিহতের মেয়ে রিক্তা আক্তার বাদি হয়ে ৬৩ জনকে আসামি করে এই মামলা দায়ের করেন। বাঙ্গরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহফুজুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে পুলিশ শুক্রবার বিকেল ৫টার পর কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গ থেকে লাশ তিনটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে। এরপর রাত সাড়ে ৮টার পর পুলিশি পাহারায় নিহতদের বাড়ির পশ্চিম পাশে কড়ইবাড়ি কবরস্থানে লাশগুলো দাফন করা হয়। তবে এই সময় হাতেগোনা কয়েকজন ছাড়া তাদের জানাজায় এলাকাবাসী কিংবা আত্মীয়-স্বজন কাউকে অংশগ্রহণ করতে দেখা যায়নি। পরে রাতে নিহত রুবির মেয়ে রিক্তা আক্তার বাদী হয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
বাঙ্গরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহফুজুর রহমান বলেন, নিহত তিনজনের লাশ দাফনের পর রাতে রুবির মেয়ে রিক্তা আক্তার বাদী হয়ে ৩৮ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো ২৫ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনায় রাতে দুই জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে যৌথবাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মুরাদনগরের কড়ইবাড়ি গ্রামে এলাকাবাসী একটি মোবাইল ফোন চুরি ও মাদক ‘ব্যবসার’ অভিযোগ তুলে একই পরিবারের তিনজনকে পিটিয়ে হত্যা করে।
নিহতদের মধ্যে রয়েছেন- কড়ইবাড়ি গ্রামের খলিলুর রহমানের স্ত্রী রোকসানা আক্তার রুবি (৫৮), তার ছেলে রাসেল মিয়া (৩৫) এবং মেয়ে জোনাকি আক্তার (৩২)। ওই সময় হামলায় আহত হন রুবির আরেক মেয়ে রুমা আক্তার (২৫)। তিনি বর্তমানে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
মন্তব্য করুন


স্ত্রীকে ভরণপোষণ না দেওয়াকে কেন্দ্র
করে বাগ-বিতণ্ডায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে নারীসহ আহত হয়েছেন ১৫ জন।
রোববার (১৬ জুন) রাত সাড়ে ১০টার দিকে
মাদারীপুরে সদর উপজেলার ঘটমাঝি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, সদর উপজেলার ঘটমাঝি গ্রামের
সাবেদ আলী খালাসির সাথে একই উপজেলার মোস্তফাপুর ইউনিয়নের খাকছাড়া গ্রামের খবির মাতুব্বরের
মেয়ে শাহনুরের সাথে বিয়ে হয়। ২ মাস ধরে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন ভরণপোষণ না দেওয়ায়
শাহানুর তার বাবার কাছে অভিযোগ করেন।
এ বিষয়টি শাহানুরের বাবা তার লোকজন
নিয়ে রাতে শাহানুরের শ্বশুরবাড়ি আসেন। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমে কথা কাটাকাটি
ও হাতাহাতি হয়। পরে একপর্যায়ে দুই পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।
এতে নারীসহ দুই পক্ষের ১৫ জন আহত হয়েছেন। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে
ভর্তি করা হয়েছে।
মাদারীপুর সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের
চিকিৎসক ডা. অখিল সরকার জানান, আহতদের মধ্যে দুইজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেলে
পাঠানো হয়েছে। বাকিদের ভর্তি করে দেওয়া হয়েছে।
মাদারীপুর সদর থানার ওসি এএইচএম সালাউদ্দিন
জানান, শাহানুরকে ভরণ-পোষণ না দেওয়ায় তার শ্বশুরবাড়ি ও বাবার বাড়ির দুই পক্ষের লোকজনের
মধ্যে মারামারি হয়। এতে কয়েকজন আহত হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
অসহায় মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করে চলা মানবিক ও সমাজসেবামূলক সংগঠন “দুর্বার বাংলাদেশ” এবার তাদের বিশেষ কর্মসূচি “প্রজেক্ট স্বাবলম্বী”-এর আওতায় এক অসচ্ছল ব্যক্তিকে রিকশা প্রদান করেছে। সমাজে স্বাবলম্বী মানুষ তৈরির লক্ষ্যে এই প্রকল্পের এটি একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ, যা স্থানীয়ভাবে প্রশংসিত হয়েছে।
এই আয়োজনটি সম্প্রতি কুমিল্লায় অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দুর্বার বাংলাদেশের উপদেষ্টা সাদমান সারার, প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান রাকিবুল আলম রিফাত, পরিচালক আকিব হাসান, ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আলম মহিউদ্দিন আজম, সাধারণ সম্পাদক মইন নাসের খান রাফি, এবং সংগঠনের অন্যান্য সদস্য অহনা, মিলি, শতাব্দী, রাত্রি, মেহজাবীন, বিপুল, আবির ও ওমর সহ আরও অনেকে। সংগঠনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো অসহায় মানুষদের স্বনির্ভর করে তোলা।
দুর্বার বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান রাকিবুল আলম রিফাত বলেন, “আমরা চাই মানুষ শুধু সাহায্যের উপর নির্ভরশীল না থেকে নিজে উপার্জনের সুযোগ পাক। প্রজেক্ট স্বাবলম্বী শুরু থেকেই সেই চিন্তা থেকে পরিচালিত হচ্ছে। আজ যে মানুষটিকে রিকশা দেওয়া হলো, তিনি এখন নিজে উপার্জন করে পরিবারকে সহায়তা করতে পারবেন এটা আমাদের জন্য গর্বের।”
উপদেষ্টা সাদমান সারার বলেন, “দুর্বার বাংলাদেশ শুধু আর্থিক সহায়তা নয়, মানুষের জীবনে স্থায়ী পরিবর্তন আনতেই কাজ করে যাচ্ছে। প্রজেক্ট স্বাবলম্বী আমাদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি কর্মসূচি। আজকের এই রিকশা প্রদানের মাধ্যমে একজন মানুষ তার জীবনে নতুন আশার আলো খুঁজে পেয়েছেন।”
তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে, যাতে বেশি সংখ্যক মানুষ উপকৃত হতে পারেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলে একমত হন যে, সমাজে পরিবর্তন আনতে হলে শুধু দান নয়, আত্মকর্মসংস্থান ও সুযোগ তৈরির মতো কার্যক্রমই বেশি কার্যকর। দুর্বার বাংলাদেশ ঠিক সেই জায়গাটিতেই কাজ করছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড কেবল ব্যক্তি নয়, একটি পরিবারের ভবিষ্যৎও বদলে দিতে পারে।
সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, “প্রজেক্ট স্বাবলম্বী” আগামীতে সেলাই মেশিন, ক্ষুদ্র ব্যবসার পুঁজি এবং অন্যান্য স্বনির্ভর উপকরণ প্রদান কর্মসূচিও চালু করতে যাচ্ছে। এই ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদে অসহায় মানুষের ভাগ্যোন্নয়ন সম্ভব বলে মনে করছেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মইন নাসের খাঁন রাফি বলেন,“আমাদের লক্ষ্য সমাজে একটি ইতিবাচক পরিবর্তন আনা। দুর্বার বাংলাদেশ সে লক্ষ্যেই কাজ করছে। আমরা শুধু সমস্যার কথা বলি না, তার সমাধানেও এগিয়ে যাই।”
সচেতন ও মানবিক সমাজ গঠনে এ ধরনের উদ্যোগ নিঃসন্দেহে অনুকরণীয়। দুর্বার বাংলাদেশ-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়, সহযোগিতা পেলে ভবিষ্যতে এই উদ্যোগকে সারাদেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে
চলমান এসএসসি পরীক্ষায় ছাদ বেয়ে নকল সরবরাহের দায়ে ইমরান হোসেন (১৯) নামের এক যুবককে
ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
আজ বৃহস্পতিবার (১৭
এপ্রিল) সকাল ১১টার দিকে পেরিয়া ইউনিয়নের ডা. যোবায়েদা হান্নান হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ
কেন্দ্র থেকে তাকে আটক করা হয়। পরে বিকেলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
রাফিদ খান এ দণ্ডাদেশ দেন।
এ সময় উপজেলার আরও
চারটি কেন্দ্র থেকে নকলের অভিযোগে ১৫ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়। পাশাপাশি দায়িত্বে
অবহেলার অভিযোগে মৌকারা মাদ্রাসার চারজন শিক্ষককে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা
যায়, ইংরেজি ২য় পত্র চলাকালে ডা. যোবায়েদা হান্নান হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্র
পরিদর্শনে যান ট্যাগ অফিসার শহীদুল ইসলাম।
এদিকে ইমরান হোসেন
ভবনের তৃতীয় তলা চাদ বেয়ে নকল দিতে যান আত্মীয়কে। যা নজরে আসে ট্যাগ অফিসার শহীদুল
ইসলামের। সঙ্গে সঙ্গে তাকে একই ভবনের তৃতীয় তলা থেকে আটক করা হয়। ইমরানকে উপজেলা নির্বাহী
অফিসে আনা হয় এবং তাৎক্ষণিকভাবে তাকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
অন্যদিকে নাঙ্গলকোট
দারুল আফসারুল উলুম কামিল মাদ্রাসা ৪ জন, ধাতিশ্বর স্কুল অ্যান্ড কলেজ ২ জন, জোড্ডা
আলিম মাদ্রাসা ৫ জন ও জোড্ডা উচ্চ বিদ্যালয় ৪ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়।
জেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
রাফিদ খান বলেন, নকল সরবরাহের সময় ইমরান হোসেনকে হাতে-নাতে ধরা হয়। পরে নিয়ম অনুযায়ী
পরীক্ষা আইন ১৯৮০ (১১-ক) ধারায় ৬ মাসের মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। পরীক্ষা সুষ্ঠু রাখতে
প্রশাসন কঠোর অবস্থানে আছে।
মন্তব্য করুন


পাওনা
৩৬ হাজার টাকা না দেওয়ায় পরকীয়া প্রেমিকের হাতে খুন হয় কুমিল্লা হোমনা উপজেলার বড় ঘাগুটিয়া
ইউনিয়নের ঘাগুটিয়া গ্রামের শাহপরানের স্ত্রী মাহমুদা আক্তার (৩৫), তাদের ৯ বছরের ছেলে
সাহাত এবং প্রতিবেশী মামাতো ভাইয়ের মেয়ে তিশা (১৪)।
গত বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে কুমিল্লার হোমনার বড় ঘাগুটিয়া এলাকায় শাহপরানের ঘরে তিনজনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন স্থানীয়রা।
হত্যাকাণ্ডের
পরই রহস্য উদঘাটনে এবং খুনিকে গ্রেপ্তারে অভিযানে নামে পুলিশ।
এর একদিন পর তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে হোমনার শ্রীমদ্দি চরেরগাঁও এলাকায় অভিযান চালিয়ে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত মূলহোতা আক্তার হোসেনকে তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত আক্তার হোসেন (২৭) হোমনা শ্রীমদ্দি চরের গাঁও এলাকার হক মিয়ার ছেলে।
গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হোমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জয়নাল আবেদীন।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারের পর হত্যাকারী আক্তার হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, নিহত মাহমুদার সঙ্গে তার পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সম্পর্ক গড়ে ওঠার পর মাহমুদা তার পরকীয়া প্রেমিক আক্তার হোসেনের কাছ থেকে বিভিন্ন সময় টাকা ধার নিতো। সর্বশেষ আক্তার হোসেনের নিহত মাহমুদার কাছে ৩৬ হাজার টাকা পাওনা ছিল। আক্তার সেই টাকা মাহমুদার কাছে ফেরত চাইলে টাকা ফেরত দেব-দিচ্ছি করে আক্তারকে ঘোরাতে থাকেন। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে কয়েক দফা বাগবিতণ্ডা হয়।
বুধবার (৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় আক্তারকে তার পাওনা টাকা ফেরত দেবেন বলে বাড়িতে ডাকেন মাহমুদা। পরে রাতে একসঙ্গে খাওয়াদাওয়া করেন মাহমুদা, হত্যাকারী আক্তার, মাহমুদার ছেলে সাহাত এবং মাহমুদার ভাতিজি তিশা।
খাওয়া শেষে তিশা ও সাহাত ঘুমিয়ে পড়ে। তখন আক্তার তার পাওনা টাকা ফেরত চাইলে মাহমুদা রাগারাগি করেন। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে ফের বাকবিতণ্ডা হয়। পরে মাহমুদাকে মাথায় আঘাত করে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে হত্যা করেন আক্তার। আর ভাবতে থাকেন তিশা ও সাহাত তো সন্ধ্যায় তাকে দেখেছে। জিজ্ঞাসাবাদে তারা যদি আক্তারের কথা বলে দেয় সেই আশঙ্কা থেকে তাদের দুজনকেও গলায় ওড়না পেঁচিয়ে হত্যা করে মরদেহ তিনটি এক খাটের ওপর রেখে পালিয়ে যান তিনি।
হোমনা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জয়নাল আবেদীন বলেন, তিনজনকে হত্যার ঘটনায় নিহত মাহমুদার বাবা বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করার পর ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে নামে পুলিশ। তদন্তের মাধ্যমে পুলিশ হত্যাকারী আক্তারকে শনাক্ত করতে সক্ষম হয়।
তিনি আরও বলেন, শুক্রবার রাতে আক্তারকে তার নিজবাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ শনিবার বিকেলে আদালতে তোলা হলে ঘটনার দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন তিনি।
প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে কুমিল্লার হোমনার বড় ঘাগুটিয়া এলাকায় শাহপরানের ঘরে তিনজনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন স্থানীয়রা। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ তিনটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। এর আগে, বুধবার রাতের কোনো একসময় তিনজনকে হত্যা করে মরদেহ একটি খাটের ওপর ফেলে রাখা হয়।
নিহতরা হলেন বড় ঘাগুটিয়া এলাকার মো. শাহপরানের স্ত্রী মাহমুদা আক্তার (৩৫), তাদের ৯ বছরের ছেলে সাহাত এবং প্রতিবেশী মামাতো ভাইয়ের মেয়ে তিশা (১৪)।
এ
ঘটনায় গত বৃহস্পতিবার রাতেই নিহত মাহমুদার বাবা আবুল হোসেন বাদী হয়ে হোমনা থানায় একটি
হত্যা মামলা দায়ের করেন। ওই মামলার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ঘাতক আক্তারকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
পরে শনিবার বিকেলে তাকে আদালতে তোলা হয়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার সীমান্ত এলাকা হতে কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) কর্তৃক সর্বমোট ১,৭৪,৬৫০/- (এক লক্ষ চুয়াত্তর হাজার ছয়শত পঞ্চাশ) টাকা মূল্যের ভারতীয় গাঁজা জব্দ।
কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) নিজস্ব দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধসহ আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমনে নিয়মিত চোরাচালানী ও মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় অদ্য ১৫ এপ্রিল ২০২৫ তারিখ আনুমানিক ১২: ৪৫ ঘটিকায় যশপুর বিওপি’র আওতাধীন লক্ষীপুর পোষ্টের বিশেষ টহলদল সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে বিজিবি টহল দল কর্তৃক সীমান্ত শূন্য লাইন হতে আনুমানিক ২৫০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বলের ডেবা নামক স্থান হতে মালিক বিহীন অবস্থায় অবৈধ ৪৯.৯০০ কেজি ভারতীয় গাঁজা জব্দ করা হয়। যার সর্বমোট মূল্য- ১,৭৪,৬৫০/- (এক লক্ষ চুয়াত্তর হাজার ছয়শত পঞ্চাশ) টাকা।
মন্তব্য করুন


পারিবারিক গেট-টুগেদার অনুষ্ঠানে মদ
পান করে অসুস্থ হয়ে ঈশিতা রানী মন্ডল (২৪) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে।
বুধবার (২০ জুন) দিবাগত রাত দেড়টার
দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গুলশানের এভার কেয়ার হাসপাতালে তিনি মারা যান।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিএমপির গুলশান
থানার এসআই রোজিনা আক্তার।
তিনি বলেন, ঘটনাটি গাজীপুরের গাছা থানা
এলাকার। তিনি মারা গেছেন এভার কেয়ার হাসপাতালের আইসিইউতে। ওই থানার নারী পুলিশ কর্মকর্তা
ছুটিতে থাকায় আমরা ডিসি স্যারের কথা মতো থানাটির পুলিশের সহযোগিতায় আইনি প্রক্রিয়া
শেষে মরদেহটি উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করি।
পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি বৃহস্পতিবার
সকালে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে। তবে পুরো বিষয়টি গাজীপুরের গাছা থানা
তদন্ত করছে বলে জানান এসআই।
গাছা থানা সূত্রে জানা গেছে, গত ১৭
জুন পরিবারিক গেট-টুগেদার অনুষ্ঠানে মদ্য পান করে অসুস্থ হয়ে পড়েন ঈশিতা। পরে স্বজনরা
১৮ জুন বিকালে তাকে উত্তরার ক্রিসেন্ট হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে
চিকিৎসকের পরামর্শে রাত ৯টার দিকে তাকে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার এভার কেয়ার হাসপাতালে
ভর্তি করানো হয়। সেখানে তার মৃত্যু হয়।
গাজীপুরের গাছা উপজেলার জামর মল্লিক
গ্রামের স্টেশনারি ব্যবসায়ী বিপ্লব মল্লিকের স্ত্রী ঈশিতা রানী মন্ডল। তার বাবার নাম
প্রদীপ চন্দ্র মন্ডল। দুই মেয়ের জননী ছিলেন তিনি।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার
বিশেষ অভিযানে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন অশোকতলা এলাকা হতে ১০ কেজি গাঁজাসহ
একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিসি-২
এর একটি আভিযানিক দল গত ২১ ডিসেম্বর রাতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন অশোকতলা
এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ১০ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত
মাদক ব্যবসায়ী হলোঃ কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার দক্ষিণ চরথা গ্রামের আব্দুল
মোতালেব এর ছেলে মোঃ কামরুল হাসান (৩০)।
র্যাব
জানান, সে দীর্ঘদিন যাবৎ কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গাঁজাসহ বিভিন্ন ধরনের অবৈধ
মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল বলে স্বীকার করে। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত
আসামীর বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন