

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, রাজধানী কলম্বো থেকে প্রায় ৩০০ কিলোমিটার দূরে মধ্য প্রদেশের চা–উৎপাদনকারী পাহাড়ি এলাকায় বন্যা ও ভূমিধসের ঘটনায় ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার একই অঞ্চলে আরেকটি ভূমিধসে আরও ১৪ জন নিখোঁজ আছেন বলে জানা গেছে।
গত সপ্তাহ থেকে শ্রীলঙ্কা কঠোর আবহাওয়ার কবলে পড়েছে। টানা ভারী বৃষ্টিতে বহু বাড়িঘর, কৃষিজমি ও সড়কপথ ডুবে যায়। নদী এবং জলাধারগুলোর পানি উপচে পড়ায় যাতায়াতব্যবস্থায় ব্যাপক বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিভিন্ন প্রদেশকে যুক্ত করে এমন গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি সড়ক সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে হয়েছে। কিছু অঞ্চলে রেললাইনও প্লাবিত হয়েছে, ফলে ট্রেন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।
স্থানীয় টেলিভিশন চ্যানেলগুলোতে দেখানো ফুটেজে দেখা যায়, কলম্বো থেকে প্রায় ৪১২ কিলোমিটার পূর্বে অবস্থিত আমপাড়া শহরের কাছে নৌবাহিনী উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে। আবহাওয়ার এই বিপর্যয়ে এখন পর্যন্ত প্রায় চার হাজার পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
মন্তব্য করুন


জাতীয়
নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রাম মহানগরের প্রধান সমন্বয়ক
মীর আরশাদুল হক বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। বুধবার (৭ জানুয়ারি) দুপুর ২টায় গুলশানের চেয়ারপারসন
কার্যালয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে মহাসচিব
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের হাতে দলটির প্রাথমিক সদস্যপদ গ্রহণ করেন তিনি। বিএনপির
মিডিয়া সেল এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। এর আগে এনসিপি থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেন মীর আরশাদুল
হক।
গত
২৫ ডিসেম্বর সকালে নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি জানান, এনসিপির সব দায়িত্ব ও পদ থেকে নিজেকে
প্রত্যাহার করছেন এবং চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসনে এনসিপির প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে
অংশ নিচ্ছেন না।
মীর
আরশাদুল হক এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্যসচিব, নির্বাহী কাউন্সিলের সদস্য, মিডিয়া
সেল ও শৃঙ্খলা কমিটির সদস্য ছিলেন। পাশাপাশি তিনি পরিবেশ সেলের প্রধান এবং চট্টগ্রাম
মহানগরের প্রধান সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করছিলেন।
পদত্যাগপত্রে
তিনি উল্লেখ করেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা নিয়ে এনসিপির যাত্রা শুরু হলেও গত
১০ মাসে দলটি সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষায় ব্যর্থ হয়েছে।
দল
ও নেতৃত্ব ভুল পথে রয়েছে বলে মনে করেন তিনি। তাই এনসিপির সঙ্গে আর কোনো রাজনৈতিক সম্পর্ক
রাখছেন না বলেও জানান।
পোস্টে
তিনি আরো লেখেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট স্বৈরাচারের পতনের পর নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখলেও
বাস্তবে তা পূরণ হয়নি। গণ-অভ্যুত্থানে বিপুল আত্মত্যাগের পরও দেশে শান্তি ও ন্যায্যতা
প্রতিষ্ঠিত হয়নি বলে মন্তব্য করেন তিনি।
মন্তব্য করুন


পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে সরকারি জমি বরাদ্দ সংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগে দায়ের হওয়া তিন পৃথক মামলায় শেখ হাসিনা, সজীব ওয়াজেদ জয়, সায়মা ওয়াজেদ পুতুলসহ মোট ৪৭ আসামির বিরুদ্ধে রায় ঘোষণার তারিখ ২৭ নভেম্বর নির্ধারণ করেছে আদালত।
রোববার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষ করে এই দিন ঠিক করেন বলে জানিয়েছেন দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর মীর আহম্মেদ সালাম।
প্রথম মামলাটি করা হয় গত ১৪ জানুয়ারি। অভিযোগ অনুযায়ী, ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে পূর্বাচল এলাকায় ১০ কাঠার সরকারি প্লট বরাদ্দ নেওয়ার ঘটনায় দুদকের উপপরিচালক সালাহউদ্দিন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আটজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। পরে তদন্ত শেষে সহকারী পরিচালক আফনান জান্নাত কেয়া ১২ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
শেখ হাসিনার পাশাপাশি এই মামলার আসামিদের মধ্যে রয়েছেন—পুরবী গোলদার, আনিছুর রহমান মিঞা, শফি উল হক, খুরশীদ আলম, মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন, অবসরপ্রাপ্ত মেজর (ইঞ্জিনিয়ার) সামসুদ্দীন আহমদ চৌধুরী, নায়েব আলী শরীফ, সাইফুল ইসলাম সরকার, কাজী ওয়াছি উদ্দিন, শহিদ উল্লাহ খন্দকার এবং সাবেক প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ।
একই ধরনের অভিযোগে দ্বিতীয় মামলাটি দায়ের করেন দুদকের সহকারী পরিচালক এস এম রাশেদুল হাসান। ১৪ জানুয়ারির ওই মামলায় সজীব ওয়াজেদ জয় ও শেখ হাসিনাসহ ১৫ জনকে অভিযুক্ত করা হয়। তদন্ত শেষে মোট ১৭ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করা হয়। এ মামলাতেও বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও রাজউকের একাধিক কর্মকর্তা এবং সাবেক প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদকে আসামি করা হয়েছে।
তৃতীয় মামলাটি করা হয় ১২ জানুয়ারি। পূর্বাচল প্রকল্পে ১০ কাঠার প্লট বরাদ্দে জালিয়াতির অভিযোগে শেখ হাসিনা ও সায়মা ওয়াজেদ পুতুলসহ মোট ১৬ জনকে অভিযুক্ত করা হয়। তদন্ত শেষে আসামির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১৮ জনে। এখানে বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তার পাশাপাশি সাবেক প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-১ মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদও চার্জশিটভুক্ত।
গত ৩১ জুলাই বিশেষ জজ আদালত-৫ তিন মামলার সব আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দিয়েছিল। এখন ২৭ নভেম্বর এসব মামলার রায় ঘোষণা করা হবে।
মন্তব্য করুন


বুধবার (১০ ডিসেম্বর) সকালে যাদুরচর ইউনিয়নের দিগলা পাড়া গ্রামে ঘটে এক মর্মান্তিক ঘটনা। স্থানীয় দুই শিশু পুকুরে পড়ে ডুবে মারা যান।
নিহত শিশুগুলো হলেন শাহাজাহান মন্ডলের ছেলে সাভার (২) এবং আবু তালেবের ছেলে আবু তোহা (২)। তারা মামা-ভাগনের সম্পর্কের।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে তারা পরিবারের অজান্তে বাড়ির পাশে পুকুরের ধারে খেলছিল। পা পিছলে দুজনেই পুকুরে পড়ে যান। কিছুক্ষণ পরে পরিবার তাদের অচেতন অবস্থায় পানিতে ভাসতে দেখতে পায়। উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান সরবেশ আলী ঘটনাটি মর্মাহত মনে প্রকাশ করেছেন এবং নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।
রৌমারী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শাহনেওয়াজ জানিয়েছেন, এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হবে।
মন্তব্য করুন


নোয়াখালীর
চাটখিলে তাহাজ্জুদের নামাজরত অবস্থায় আকরাম হোসেন (১২) নামে এক মাদ্রাসাশিক্ষার্থী
মৃত্যুবরণ করেছে। শনিবার (২৯ নভেম্বর) লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার চর কাদিরা ইউনিয়নের
নিজ বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
এর
আগে ভোর রাতে উপজেলার বিষ্ণুরামপুর এলাকার নুরানি হাফিজিয়া মাদ্রাসায় নামাজের সময় এ
ঘটনা ঘটে। আকরাম লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার চর কাদিরা ইউনিয়নের ফারুক হোসেনের বড়
ছেলে।
জানা
যায়, ভোরে মাদ্রাসার অন্যান্য শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তাহাজ্জুদের নামাজে অংশ নেয় আকরাম।
সালাম ফেরানোর আগ মুহূর্তে হঠাৎ অস্বাভাবিকভাবে শ্বাস নিতে শুরু করে সে। পরে সহপাঠী
ও শিক্ষকরা তাকে চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে
মৃত ঘোষণা করেন। এ সময় মাদ্রাসার পাশের মসজিদের মুয়াজ্জিন ও আকরামের মামা মাওলানা বোরহান
উদ্দীনও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। আকরামের সহপাঠী আব্দুল হান্নান গণমাধ্যমকে বলেন, আমরা
এক সঙ্গে খেলাধুলা করতাম। তাকে হারানোর পর আমাদের মধ্যে এক ধরনের শূন্যতা বিরাজ করছে।
মাদ্রাসা
শিক্ষক হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ ইয়াসিন আরাফাত গণমাধ্যমকে বলেন, আকরাম খুবই ভালো শিক্ষার্থী
ছিল। কখনো তার নামে কোনো অভিযোগ পাওয়া যেত না। খুবই নম্র এবং ভদ্র ছিল।
আকরামের
মামা মাওলানা বোরহান উদ্দীন বলেন, আকরামকে বিকেল সাড়ে ৪টায় লক্ষীপুরের কমলনগরে তার
পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। তাকে হারিয়ে তার বাবা-মা বাকরুদ্ধ হয়ে গেছেন।
মাদ্রাসার
মুহতামিম হাফেজ মাওলানা মহিউদ্দিন বলেন, আকরাম ১৫ পারা শেষ করে ১৬ পারায় ছিল। খুব শিগ্গির
তার হিফজ সম্পূর্ণ হয়ে যাওয়ার কথা ছিল। আমরা একজন মেধাবী শিক্ষার্থীকে হারালাম। আল্লাহ
তাকে জান্নাতুল ফেরদৌসের মেহমান হিসেবে কবুল করুক। তার পরিবারকে ধৈর্য ধরার তাওফীক
দিক।
মন্তব্য করুন


শ্রীলংকায়
ঘূর্ণিঝড় ও বন্যা কবলিত জনগণের জন্য বাংলাদেশ জরুরী ত্রাণ সহায়তা পাঠিয়েছে।
বন্ধুপ্রতীম
দেশ শ্রীলঙ্কায় সম্প্রতি ঘূর্ণিঝড় ডিটওয়া'র প্রভাবে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসের
মতো মানবিক বিপর্যয়ে বাংলাদেশ অত্যন্ত মর্মাহত। এ পরিস্থিতিতে শ্রীলংকা সরকার জরুরী
অবস্থ জারী করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মহলের কাছে সহায়তার আবেদন জানিয়েছে।
শ্রীলংকার
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কলম্বোস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনকে জরুরী ভিত্তিতে খাদ্য, ঔষধ সামগ্রী
ও অন্যান্য ত্রাণসামগ্রী প্রেরণের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানায়।
আন্ত:বাহিনী
জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, প্রধান উপদেষ্টার নির্দেশে
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ের মাধ্যমে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের সার্বিক তত্ত্বাবধানে
বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি সি ১৩০জে পরিবহন বিমান ক্ষতিগ্রস্থদের মানবিক সহায়তা প্রদানের
লক্ষ্যে আজ বুধবার বাংলাদেশ বিনান বাহিনীর ১৫ জন ক্রুর একটি দল, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের
একজন ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন প্রতিনিধি প্রয়োজনীয় ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে কলম্বো
উদ্দেশ্যে যাত্রা করে।
বিমান
বাহিনীর এয়ার কমডোর মোহাম্মদ সহিদুল ইসলাম মিশন কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেন। আজ প্রেরণকৃত
সর্বমোট প্রায় ১০ টন ত্রাণ সহায়তার মধ্যে রয়েছে তাঁবু, শুকনো খাবার, মশারী, টর্চ লাইট,
গাম বুট, ভেস্ট, হ্যান্ড স্লোভস, রেসকিউ হেলমেট এবং বিপুল পরিমান ঔষধ।
উল্লেখ্য,
মানবিক সহায়তা প্রদান শেষে সি ১৩০জে পরিবহন বিমানটি একই দিন বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন
করবে।
বাংলাদেশ
সশস্ত্র বাহিনী বিশ্বাস করে যে, বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রেরিত এই মানবিক সহায়তা শ্রীলংকায়
সৃষ্ট আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের দুর্ভোগ কমিয়ে আনতে সহায়ক ভূমিকা
পালন করবে।
আগামী
দিনগুলোতে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী বৈশ্বিক যে কোন প্রয়োজনে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী
আত্মনিয়োগের জন্য সদা অঙ্গীকারবদ্ধ।
উল্লেখ্য,
শ্রীলংকায় সম্প্রতি ঘূর্ণিঝড় ডিটওয়া'র প্রভাবে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসের ফলে
এখন পর্যন্ত ৩৩৪ জন নিহত এবং কমপক্ষে ২ শতাধিক জন নিখোঁজ রয়েছে। শ্রীলংকার দুর্যোগ
ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রের তথ্য মোতাবেক উক্ত বন্যায় ২০ হাজারের বেশি বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্থ
হয়েছে এবং ১ লাখ ২৩ হাজার মানুষকে সরকার পরিচালিত অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেয়া
হয়েছে।
মন্তব্য করুন


ডিএনসিসি প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ জানিয়েছেন, ঢাকার মূল সড়কে কোনো রিকশা চলাচল করতে পারবে না।
তিনি বলেন, রিকশা চলাচল করবে অভ্যন্তরের সড়কে। ব্যাটারিচালিত
অবৈধ রিকশার বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। ডেসকোর সহায়তায় এসব রিকশা চার্জিং
পয়েন্ট ও উৎপাদনের ওয়ার্কশপ বন্ধ করা হবে।
আজ মঙ্গলবার (১৩ মে) রাজধানীর আসাদগেট এলাকায় ব্যাটারিচালিত
অবৈধ রিকশা চলাচল বন্ধে পরিচালিত অভিযানে এসব কথা বলেন তিনি।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন
(ডিএনসিসি) যৌথভাবে এই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে মূল সড়কে চলাচলরত প্রায়
৩০টি ব্যাটারিচালিত রিকশা জব্দ করা হয়।
ডিএনসিসি প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ বলেন, এক সমীক্ষায় দেখা গেছে
২০ শতাংশ দুর্ঘটনা এই ব্যাটারিচালিত রিকশার কারণে হচ্ছে। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত
হচ্ছে শহরের নারী ও শিশুরা। এগুলো কোনো নীতিমালা বা যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা মাথায়
রেখে তৈরি করা হয়নি। প্রায়ই দেখা যায় পথচারীদের ওপর উঠে যাচ্ছে, অনিয়ন্ত্রিত গতির কারণে
প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে।
তিনি বলেন, দুর্ঘটনা প্রতিরোধে ও সড়কে গণপরিবহন চলাচলে শৃঙ্খলা
ফেরাতে সরকার ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। বুয়েটের সহায়তায় এরই মধ্যে ব্যাটারিচালিত নিরাপদ
রিকশার নকশা করে কয়েকটি কোম্পানিকে প্রস্তুতের জন্য অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এই মাসের মধ্যে
ডিএনসিসি রিকশা চালকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করবে। প্রশিক্ষণ শেষে উত্তীর্ণরাই বৈধ
লাইসেন্স পাবে এবং অনুমোদিত কোম্পানির তৈরি রিকশা শহরের নির্দিষ্ট এলাকায় চালাতে পারবে।
এক এলাকার বৈধ রিকশা অন্য এলাকায় যেতে পারবে না। যাত্রী ভোগান্তি কমাতে ভাড়াও নির্ধারিত
থাকবে। একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের জন্য লাইসেন্স দেওয়া হবে। চলমান রিকশা নিয়ে যে বাণিজ্য
রয়েছে তা বন্ধ করা হবে।
উক্ত অভিযানে আরও উপস্থিত ছিলেন, ডিএনসিসির অঞ্চল-৫ এর আঞ্চলিক
নির্বাহী কর্মকর্তা আ ন ম বদরুদ্দোজা, ট্রাফিক ইঞ্জিনিয়ারিং সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক
প্রকৌশলী খন্দকার মাহবুব আলম, ডিএমপির ও ডিএনসিসির অঞ্চল-৫ এর কর্মকর্তারা।
মন্তব্য করুন


প্রশাসনের কেন্দ্রবিন্দু বাংলাদেশ সচিবালয়ে আগুনের ঘটনা নাশকতা
কিনা তা তদন্তের পর বলা যাবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল
মো: জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.)।
সচিবালয়ের ৭ নম্বর ভবনের ৬ তলায় সড়ক পরিবহন, ডাক ও টেলিযোগাযোগ এবং
এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের এই আগুন লাগে।
আজ সকাল ৯ টায় উপদেষ্টা ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর সচিবালয়ে এক সংবাদ
সম্মেলনে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, সচিবালয়ে আগুনের ঘটনায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ
থেকে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন তদন্ত কমিটি গঠন করা হচ্ছে। কমিটির সদস্য সংখ্যা ৫ থেকে ১১
পর্যন্ত হতে পারে। কি হয়েছে তা আমরা দেখবো। পুরোটা সার্চ করার পরে কিছু পাওয়া য়ায় কিনা
আমরা জানাবো। সচিবালয়ের ৭ নম্বর ভবনের ৬ তলায় আগুন লেগে তা উপরে ছড়িয়ে পড়েছে। আনুমানিক
রাত ১টা ৫০ মিনিটে ৭ নম্বর ভবনের ছয়তলায় আগুন
ধরে। ১টা ৫২ মিনিটে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হয়। ১টা ৫৪ মিনিট থেকে তারা তাদের কাজ
শুরু করে। সকাল ৮টা ৫ মিনিটে আগুন সর্ম্পূণ নিয়ন্ত্রণে আসে। আগুন নিয়ন্ত্রণের জন্য
পাইপ নিয়ে সচিবালয়ের সামনের রাস্তা পার হওয়ার সময় একজন ফায়ার ফাইটারের ট্রাকচাপায় মৃত্যু
হয়।
সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে গৃহায়ন ও গণপূর্ত এবং শিল্প মন্ত্রণালয়ের
উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ
সহকারী মো. খোদা বখস চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


দেশজুড়ে বিরাজমান শীতল পরিস্থিতি আগামী শুক্রবার (২ জানুয়ারি) পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন আবহাওয়া ও জলবায়ু বিষয়ক গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ। এ বিষয়ে তিনি সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি বিশ্লেষণমূলক পোস্ট প্রকাশ করেন।পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, সোমবার রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের কয়েকটি জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি আগামী চার দিন সারাদেশে একই ধরনের কুয়াশা ও ঠান্ডা আবহাওয়া বিরাজ করতে পারে বলে তিনি ধারণা দেন।পলাশ জানান, সোমবার দুপুর ২টায় ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের কৃত্রিম উপগ্রহ থেকে পাওয়া কুয়াশার চিত্র পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, দেশের ৬১টি জেলার আকাশে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশার উপস্থিতি রয়েছে। তবে চট্টগ্রাম বিভাগের দক্ষিণাংশ, কক্সবাজার ও পার্বত্য চট্টগ্রামের কয়েকটি এলাকায় তুলনামূলকভাবে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা লক্ষ্য করা গেছে। অধিকাংশ জেলায় দুপুর ৩টার আগে সূর্যের দেখা পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম এবং অনেক জায়গায় সারাদিন সূর্য আড়ালেই থাকতে পারে। এছাড়া মঙ্গলবার দেশের বেশিরভাগ অঞ্চলের ওপর দিয়ে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।এ অবস্থায় নৌযান চলাচলে বিশেষ সতর্কতার আহ্বান জানান তিনি। তার মতে, সন্ধ্যার পর থেকে সারাদেশের নদ-নদীর ওপর মাঝারি থেকে অত্যন্ত ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। ফলে সব ধরনের নৌযানকে ধীরগতিতে এবং বাড়তি সতর্কতার সঙ্গে চলাচলের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে পদ্মা, যমুনা, তিস্তা ও মেঘনা নদীর ওপর কুয়াশার ঘনত্ব বেশি থাকার আশঙ্কা রয়েছে।এছাড়া সন্ধ্যা ৭টার পর রাজশাহী, রংপুর, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও ময়মনসিংহ বিভাগের বিভিন্ন জেলায় ঘন থেকে খুব ঘন কুয়াশা পড়তে পারে বলে জানান তিনি। এসব অঞ্চলের সড়ক ও মহাসড়কে চলাচলকারী যানবাহনগুলোকে গতি নিয়ন্ত্রণ করে চলার অনুরোধ জানানো হয়েছে। বিশেষ করে পঞ্চগড়–রংপুর–বগুড়া–সিরাজগঞ্জ–টাঙ্গাইল–ঢাকা মহাসড়কে কুয়াশার প্রভাব বেশি পড়তে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট সিরিজ জয় তো বটেই, সব সংস্করণের ক্রিকেট মিলিয়েই পাকিস্তানের মাটিতে এটি বাংলাদেশের প্রথম সিরিজ জয়।
অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত যেন নতুন এক ইতিহাস গড়ারই অগ্রপথিক হলেন। এমন বর্ণিল সাফল্যের দিনে ঢাকা থেকে নিশ্চয়ই অভিনন্দনসিক্ত অনেক ফোন পেয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। তার মধ্যে একটি ফোনকল নিশ্চিতভাবেই আলাদা।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসও যে ফোনে অভিনন্দন জানিয়েছেন তাঁকে। মাঠে দাঁড়িয়েই প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে কথা বলেছেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।
পাকিস্তানের বিপক্ষে ঐতিহাসিক টেস্ট সিরিজ জয়ের জন্য ম্যাচের পরই নাজমুল ও তাঁর ক্রিকেট দলকে অভিনন্দন জানিয়ে মুঠোফোনে প্রধান উপদেষ্টা অধিনায়ককে বলেছেন, ‘আমার ও সরকারের পক্ষ থেকে আন্তরিক অভিনন্দন। পুরো জাতি তোমাদের নিয়ে গর্বিত।’
দেশে ফেরার পর বাংলাদেশ দলকে সংবর্ধনা দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন ড. ইউনূস।
বাংলাদেশ দলকে অভিনন্দন জানিয়ে একই পোস্ট দেওয়া হয়েছে প্রধান উপদেষ্টার ফেসবুক পেজেও।
রাওয়ালপিন্ডিতে প্রথম টেস্টে ১০ উইকেটে জয়। এরপর আজ একই মাঠে পাকিস্তানকে ৬ উইকেটে হারিয়ে ২–০ তে সিরিজও জিতে নিয়েছে বাংলাদেশ দল।
মন্তব্য করুন


বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জন্য নির্ধারিত তিনটি সংসদীয় আসনে আগে থেকেই মনোনীত বিকল্প প্রার্থীরাই আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলের হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এসব আসনে আর কোনো পরিবর্তনের সুযোগ নেই।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ তথ্য জানান দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ।
তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়ায় সংশ্লিষ্ট আসনগুলোতে বিকল্প প্রার্থীদের মনোনয়ন স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যকর হয়েছে। ফলে তারাই বিএনপির চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেবেন।
সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, আসন্ন নির্বাচনে খালেদা জিয়ার ফেনী-১, বগুড়া-৭ ও দিনাজপুর-৩ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার কথা ছিল। তবে তার শারীরিক অসুস্থতার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে আগেই এসব আসনে বিকল্প প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়া হয়। এর মধ্যে ফেনী-১ আসনে রফিকুল আলম মজনু, বগুড়া-৭ আসনে মোরশেদ আলম এবং দিনাজপুর-৩ আসনে সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলমকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।
নির্বাচন স্থগিতের কোনো সম্ভাবনা নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, আইন অনুযায়ী খালেদা জিয়ার মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। তবে বিকল্প প্রার্থীদের মনোনয়ন বৈধ থাকায় নির্বাচন স্থগিত বা বাতিলের কোনো সুযোগ নেই।
এ সময় দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মানসিক অবস্থার বিষয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, তারেক রহমান একজন দায়িত্বশীল রাজনৈতিক নেতা। শোকের মধ্যেও তাকে দৃঢ় মনোবল নিয়ে দেশের ও দলের স্বার্থে সামনে এগিয়ে যেতে হবে।
মন্তব্য করুন