

পবিত্র
রমজান মাসের ছুটির কারণে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় যে ঘাটতি তৈরি হয়েছে, তা পুষিয়ে
নিতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এখন থেকে আগামী ১০টি শনিবার দেশের সকল সরকারি প্রাথমিক
বিদ্যালয় খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।
মঙ্গলবার
(২৪ মার্চ) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উপপরিচালক জয়নাল আবেদীন স্বাক্ষরিত এক পরিপত্রে
এই নির্দেশনার কথা জানানো হয়। সাধারণত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সপ্তাহে দুই দিন
শুক্রবার ও শনিবার ছুটি থাকলেও নতুন এই সিদ্ধান্তের ফলে পরবর্তী আড়াই মাস শনিবারও
ক্লাস চলবে।
পরিপত্রে
উল্লেখ করা হয়, রমজান মাসজুড়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের
পাঠদানে যে সাময়িক বিরতি ছিল, তাতে শিখন ঘাটতি তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই ঘাটতি
পূরণে এবং শিক্ষাবর্ষের নির্ধারিত সিলেবাস যথাসময়ে শেষ করতে বিদ্যালয় খোলার পরবর্তী
১০টি শনিবার পাঠদান কার্যক্রম চালু রাখার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে।
প্রাথমিক
ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এই নির্দেশনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে দেশের সকল জেলা
প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে সংশ্লিষ্ট সকল বিদ্যালয়কে
এই আদেশ মেনে পাঠদান সূচি সাজানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য,
স্বাভাবিক নিয়ম অনুযায়ী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সাপ্তাহিক ছুটি দুই দিন কার্যকর থাকলেও
বিশেষ পরিস্থিতিতে এর আগেও বিভিন্ন সময় ছুটির দিনে ক্লাস নেওয়ার নজির রয়েছে। এবার
মূলত শিক্ষার্থীদের অ্যাকাডেমিক ক্ষতি কাটিয়ে উঠতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হলো।
মন্তব্য করুন


বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান “তারেক রহমানের” জন্মদিন আগামী ২০ নভেম্বর।
দিনটি নিয়ে দলের পক্ষ থেকে নেতাকর্মীদের বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছে বিএনপি।
আজ মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভীর সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জন্মদিন উপলক্ষে কেক কাটা, পোস্টার-ব্যানার লাগানো ও আলোচনাসভাসহ কোনো ধরনের আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠান বা উৎসব পালন করা যাবে না। ঢাকাসহ দেশব্যাপী বিএনপির সব ইউনিটের নেতাকর্মীদের উল্লিখিত দলীয় নির্দেশনাটি লঙ্ঘন না করার জন্য বিজ্ঞপ্তিতে জোর আহ্বান জানানো হয়।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে বিশেষভাবে বলা হয়েছে যাতে সীমান্ত হত্যা
শুনতে না হয়। আজ রোববার (১ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের
সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এ কথা জানান।
ভারতীয়
হাইকমিশনারের সঙ্গে বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন,
ভারতের হাইকমিশনারকে সীমান্ত নিয়ে কথা বলেছি। বিশেষ করে সীমান্ত হত্যা যেন আর শুনতে
না হয়, সেজন্য বিজিবি ও বিএসফকে সব সময় এ বিষয়ে বৈঠক করতে থাকে। যতটুকু সম্ভব এড়িয়ে
চলার জন্য বলা হয়েছে।
এ
বিষয়ে ভারত বলেছে, তারাও আন্তরিক এবং তাদের সব সংস্থাকে এ বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হবে।
ভারতীয়
ট্যুরিস্ট ভিসার কার্যক্রমের বিষয়ে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, বিগত এক দেড় বছরে ভারতের
কনসুলেট ও ভিসা অফিসগুলো আক্রমণের শিকার হয়েছে। যার জন্য তারা পুরোদমে সেই ভিসা কার্যক্রম
চালু করতে পারেনি। তবে তারা নিশ্চিত করেছে ধারাবাহিকভাবে চালু করবে।
সালাহউদ্দিন
আহমদ আরও বলেন, ভারতীয় হাইকমিশনার সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এসেছিলেন। নতুন একটি সরকার প্রতিষ্ঠিত
হলে তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে থাকে এটি তারই অংশ। এছাড়া প্রতিবেশী হিসেবে ভারতের সঙ্গে
আমাদের লেনদেন ও ব্যবসা-বাণিজ্য আছে। এছাড়া সিকিউরিটি অ্যাস্পেক্ট নিয়ে ভারতীয় হাইকমিশনার
কথা বলতে এসেছিলেন।
তিনি
আরও বলেন, ভারতের কাছে আমরা একটি সহযোগিতা চেয়েছি, অন দ্যা বেসিস অফ মিউচুয়াল ইন্টারেস্ট
অ্যান্ড ডিগনিটি অ্যান্ড মিউচুয়াল বেনিফিট। উভয় দেশ আমাদের সম্পর্ক বজায় রাখবো। ব্যবসা-বাণিজ্যসহ
কূটনীতিক সব ক্ষেত্রে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় থাকবে।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানিয়েছেন, এখন প্রধান
চ্যালেঞ্জ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি করা।
সোমবার
(১৯ আগস্ট) সচিবালয় নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
এ কথা জানান।
এর
আগে তিনি জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক গোয়েন লুইসের সঙ্গে বৈঠক করেন।
স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে
আমাদের প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো আইনশৃঙ্খলা, যত দ্রুত সম্ভব আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি
করা যায়। আমি কৃষি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব রয়েছি, সেখানে আমার লক্ষ্য কীভাবে উৎপাদন
বাড়িয়ে লোকজনকে খাওয়াতে পারি বেশি।
স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা আরও বলেন, জাতিসংঘ থেকে যে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশন আসার কথা, সেটা তারা পাঠাবে।
সেক্ষেত্রে তারা আমাদেরকে কোন ধরনের সহযোগিতা করবে, আমরা কোন ধরনের সহযোগিতা চাই-
এসব নিয়ে আলোচনা হয়েছে। জাতিসংঘের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মেশিন আগামী সপ্তাহে বাংলাদেশে
আসতে পারে।
মন্তব্য করুন


সাভার
মডেল থানার অদূরে, সাভার প্রেসক্লাবের পাশেই অবস্থিত একটি পরিত্যক্ত পৌর কমিউনিটি সেন্টারে
গত সাত মাসে সংঘটিত হয়েছে একের পর এক ভয়াবহ হত্যাকাণ্ড।
দীর্ঘদিন
অজ্ঞাত থাকা এসব ঘটনার রহস্যের পর্দা নেমে আসে গত রোববার (১৮ জানুয়ারি) জোড়া মরদেহ
উদ্ধারের পর। তদন্তে উঠে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য-খুনি কোনো পেশাদার অপরাধী নয়, বরং থানার
আশপাশে ভবঘুরের ছদ্মবেশে ঘোরাফেরা করা এক পরিচিত মুখ।
রোববার
দুপুরে পরিত্যক্ত কমিউনিটি সেন্টারের দ্বিতীয় তলা থেকে আগুনে পোড়া দুটি মরদেহ উদ্ধার
করে পুলিশ। এ ঘটনার পর তদন্ত জোরদার করা হয়। আগের হত্যাকাণ্ডের সময় সংগৃহীত সিসিটিভি
ফুটেজ এবং সাংবাদিকের ধারণ করা ভিডিও বিশ্লেষণ করে তদন্তকারীরা গুরুত্বপূর্ণ সূত্র
পান। ফুটেজে দেখা যায়, এক ব্যক্তি কাঁধে করে মরদেহ বহন করছে-যাকে স্থানীয়রা দীর্ঘদিন
ধরে ভবঘুরে হিসেবেই চিনত।
পরবর্তীতে
অভিযান চালিয়ে পুলিশ আটক করে মশিউর রহমান খান সম্রাটকে। জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে আসে তার
ভয়ংকর অপরাধের ধারাবাহিকতা।
দৈনিক
মানবজমিন-এর প্রতিনিধি সোহেল রানা গত শুক্রবার ওই পরিত্যক্ত ভবনে একটি ভিডিও ধারণ করেন।
সেখানে এক নারী নিজেকে ‘সোনিয়া’ বলে পরিচয় দেন এবং তার সঙ্গে সম্রাটকেও
দেখা যায়। মাত্র দুদিন পরই ওই নারীর আগুনে পোড়া মরদেহ উদ্ধার হয়। সিসিটিভি ফুটেজ ও
ভিডিওর দৃশ্য মিলিয়ে পুলিশ নিশ্চিত হয়-সম্রাটই এসব হত্যাকাণ্ডের মূল হোতা।
সাভার
মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরমান আলি জানান, সম্রাট একজন মানসিক বিকৃত
বা সাইকোপ্যাথিক সিরিয়াল কিলার। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে স্বীকার করেছে, গত সাত মাসে
একই স্থানে ছয়জনকে হত্যা করেছে। তার টার্গেট ছিল মূলত ভবঘুরে ও অসহায় মানুষজন। প্রতিটি
হত্যাকাণ্ডই ছিল একই ধরনের নৃশংস ও পরিকল্পিত।
ওসি
আরও বলেন, “সে ছদ্মবেশে সাভার ব্যাংক কলোনি ও লালটেক এলাকায় ঘোরাফেরা করত এবং দীর্ঘদিন
পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিতে সক্ষম হয়েছিল।”
থানা
থেকে মাত্র শত গজ দূরে, সেনাক্যাম্প ও সরকারি কলেজের কাছাকাছি এলাকায় এমন সিরিয়াল হত্যাকাণ্ডের
ঘটনায় পুরো সাভারজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা হতবাক হয়ে জানান, “যাকে
প্রতিদিন চুপচাপ বসে থাকতে দেখতাম, কখনো বিড়বিড় করতে দেখতাম-সে যে এমন ভয়ংকর খুনি,
তা কল্পনাও করা যায় না।”
ঢাকা
জেলার পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান জানান, নিহতরা সবাই ভবঘুরে শ্রেণির মানুষ। কেন সম্রাট
এ ধরনের নৃশংস হত্যাকাণ্ডে জড়িয়েছিল, তার প্রকৃত উদ্দেশ্য ও মানসিক অবস্থার পেছনের
কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তিনি বলেন, “১৬৪ ধারায় জবানবন্দি গ্রহণের জন্য সোমবার তাকে
আদালতে তোলা হবে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হবে।”এই
ঘটনায় এলাকায় চরম নিরাপত্তা উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা
রোধে ওই এলাকা বিশেষ নজরদারির আওতায় আনা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন


হামলাকারীদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতারের
আশ্বাসে সোমবার (২ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টা পর্যন্ত কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি চিকিৎসকরা
স্থগিত করেছেন বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার
জেনারেল নাজমুল।
রোববার (১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ঢাকা
মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
ঢামেক পরিচালক জানান, কমপ্লিট শাটডাউন
থেকে সরে এসেছেন চিকিৎসকরা। হাসপাতালের জরুরি বিভাগসহ ইনডোরের গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ চালু
থাকবে। এখন থেকে ঢামেক হাসপাতালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। অভিযুক্তদের গ্রেফতারের
পর সবাই কাজে ফিরবেন।
এদিকে, চিকিৎসকদের দাবি যৌক্তিক জানিয়ে সন্ধ্যায়
সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নুরজাহান বেগন বলেন, তাদের সঙ্গে ন্যক্কারজনক ঘটনা
ঘটেছে। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বিইউবিটির উপচার্যের কাছে জানতে চাওয়া হবে, হামলায় কারা
ছিল।
চিকিৎসকদের সুরক্ষা দেয়ার কথা জানিয়েছে
উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে
হামলাকারীদের গ্রেফতার করতে হবে।
তবে স্বাস্থ্য পুলিশ নিয়োগ করতে সময়
লাগবে বলেও জানিয়েছেন নুরজাহান বেগম।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসকদের
মারধরের প্রতিবাদে সারাদেশে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতির ডাক দেয়া হয়। চিকিৎসকদের
সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত ও দোষীদের চিহ্নিত করে দ্রুত সময়ের মধ্যে আইনের আওতায়
আনার দাবি তোলেন চিকিৎসকরা। ঘটনার পর চিকিৎসকদের নিরাপত্তায় রোববার বিকেলে দুই প্লাটুন
বিজিবি মোতায়েন করা হয়।
মন্তব্য করুন


জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ‘বি’ ইউনিট ভর্তি পরীক্ষায় মোবাইল ব্যবহার করে চ্যাটজিপিটি থেকে উত্তর নেওয়ার সময় এক পরীক্ষার্থীকে হাতেনাতে আটক করা হয়েছে।
সোমবার (২২ ডিসেম্বর) বেলা ১১টায় দ্বিতীয় শিফটের পরীক্ষা চলাকালীন বিশ্ববিদ্যালয়ের জহির রায়হান অডিটোরিয়ামের দুই নম্বর কক্ষে ওই শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়। পরে তাকে প্রক্টর অফিসে হস্তান্তর করা হয়।
নকলের অভিযোগে আটক পরীক্ষার্থীর নাম সাদিয়া আমির মাহি। তিনি কক্সবাজার চকরিয়ার আমির হোসেন জুয়েলের মেয়ে।
হলের দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক জানান, প্রথমে সন্দেহজনক আচরণের কারণে তাকে পিছনের সিট থেকে সামনের সিটে স্থানান্তর করা হয়। তবে সেখানে বসেও তিনি মোবাইলের মাধ্যমে চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করে পরীক্ষা চালানোর চেষ্টা করেন। পরে শিক্ষকরা তাকে হাতেনাতে ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডির কাছে হস্তান্তর করেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক রাশেদুল আলম বলেন, “আমরা সংশ্লিষ্ট অনুষদের ইউনিট প্রধানকে জানিয়েছি যাতে এই পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা বাতিল করা হয় এবং ভবিষ্যতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে আর কোনো পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ না থাকে।”
উল্লেখ্য, রবিবার (২১ ডিসেম্বর) আরও এক পরীক্ষার্থীকে মোবাইলসহ নকলের সময় হাতেনাতে আটক করা হয়েছিল।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কুমিল্লা মহানগরীর উদ্যোগে যাকাত শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার(৬ মার্চ) বিকাল ৪ টায় নগরীর গোল্ডেন স্পুন অডিটরিয়ামে মহানগর জামায়াতের আমীর কাজী দ্বীন মোহাম্মদ এর সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিশিষ্ট ইসলামি চিন্তাবিদ ড.আবরার আহমেদ।বিশেষ আলোচক হিসাবে আলোচনা করেন ড.মাসুদুল হক চৌধুরী,আড়াইবাড়ী কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মুফতী আমিনুল ইসলাম।
কুমিল্লা মহানগরী জামায়াতে সেক্রেটারী মু.মাহবুবর রহমান এর সঞ্চালনায় এসময় উপস্থিত ছিলেন,মহানগর জামায়াতে নায়েবে আমীর যথাক্রমে মোহাম্মদ মোছলেহ উদ্দিন,অধ্যাপক এ কে এম এমদাদুল হক মামুন,মহানগর জামায়াতে কর্মপরিষদ সদস্য এড এয়াকুব আলী চৌধুরী,অধ্যাপক মজিবুর রহমান,কাজী নজীর আহম্মেদ,অধ্যাপক জাকির হোসেন,কাজী মোতাহের আলী দিলাল প্রমুখ।
সেমিনারে বক্তারা বলেন, ইসলামী রাষ্ট্র কায়েম করতে হবে। আল্লাহতাআলার আইন দিয়ে দেশ না চললে কেউ সুখ শান্তি পাবে না। এখানে চুরি, হত্যা রাহাজানিসহ যতধরনের অপকর্ম চলতে থাকবে। ইসলাম মানেই সুবিচার, ইসলাম মানলেই সুবিচার হবে। ইসলাম যতদিন না থাকবে কোথাও সুবিচার কায়েম হবে না। আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে ইসলাম কায়েমের মাধ্যমেই সমাজের সকল স্তরে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করতে হবে। যারা আল্লাহর বিধান অনুযায়ী সমাজ, রাষ্ট্র ও বিচার বিভাগ চালাবে না তারা কাফের, ফাসেক ও জালেম।
সেমিনার সম্মিলিত সকলের অংশগ্রহণে ইফতার করার মধ্য দিয়ে শেষ হয়।
মন্তব্য করুন


জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দলের ক্ষমতায় আসার পর দেশের নেতৃত্ব এককভাবে নয়, বরং জাতীয় ঐক্যের মাধ্যমে পরিচালিত হবে। তিনি বলেন, বিভেদের রাজনীতি নয়, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও অংশগ্রহণমূলক রাজনীতি হবে ভবিষ্যতের বাংলাদেশের ভিত্তি।
আজ শনিবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে বগুড়া শহরের আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে ১০ দলের সমন্বয়ে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে জামায়াতের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন।
বিগত সরকারগুলোর কর্মকাণ্ডকে সমালোচনা করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, একসময় একদল বলেছিল, ১০ টাকা দরে চাল দেবেন। কিন্তু সাধারণ মানুষ কি তা পেয়েছে? তিনি বলেন, জনগণ আর এমন রাজনৈতিক প্রতারণা দেখতে চায় না। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, জামায়াত ক্ষমতায় এলে নারীদের নিরাপদ চলাচল ও কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। নারীদের যোগ্যতা অনুযায়ী সম্মানজনক চাকরি এবং যুবকদের জন্য কার্যকর কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে।
স্থানীয় উন্নয়ন নিয়ে তিনি বলেন, বগুড়াবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি অনুযায়ী শহীদ চাঁন্দু স্টেডিয়ামে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ফিরিয়ে আনা হবে। এছাড়া বগুড়া সিটি করপোরেশন বাস্তবায়ন ও একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। উত্তরের মানুষের যাতায়াত সহজ করতে দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেয়ার কথাও জানান তিনি।
বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, শহীদদের স্বপ্ন ছিল বৈষম্যহীন ও ন্যায়সঙ্গত সমাজ প্রতিষ্ঠা করা। সেই লক্ষ্যেই নতুন বাংলাদেশে চাঁদাবাজি ও সিন্ডিকেটের কোনো স্থান থাকবে না।
জনসভায় সভাপতিত্ব করেন বগুড়া জেলা জামায়াতের আমির অধ্যক্ষ আব্দুল হক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম, মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, জাগপার সহসভাপতি রাশেদ প্রধান ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ সিবগা।
সঙ্গে বক্তব্য রাখেন—বগুড়া-১ আসনের প্রার্থী অধ্যক্ষ শাহাবুদ্দিন, বগুড়া-২ আসনের প্রার্থী মাওলানা শাহাদাতুজ্জামান, বগুড়া-৩ আসনের প্রার্থী নূর মোহাম্মদ আবু তাহের, বগুড়া-৪ আসনের প্রার্থী ড. মোস্তফা ফয়সাল পারভেজ, বগুড়া-৫ আসনের প্রার্থী দবিবুর রহমান, বগুড়া-৬ আসনের প্রার্থী আবিদুর রহমান সোহেল, বগুড়া-৭ আসনের প্রার্থী গোলাম রব্বানী এবং বগুড়া অঞ্চলের টিম সদস্য অধ্যাপক নজরুল ইসলাম।
মন্তব্য করুন


শুক্রবার
(১৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রংপুরের মডার্ন মোড় থেকে অজ্ঞান অবস্থায় সংসদ সদস্য প্রার্থী
আজিজার রহমানকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।
তাজহাট
থানা পুলিশ সময় সংবাদকে জানায়, বিকেলে পিংকি এন্টারপ্রাইজের একটি বাসে ঢাকা থেকে গাইবান্ধায়
ফিরছিলেন গাইবান্ধা-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আজিজার রহমান। পথে বাসের মধ্যে অজ্ঞানপার্টির
সদস্যরা কৌশলে তাকে ডিম খাওয়ায়। এরপর তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন।
পরে
অজ্ঞানপার্টির লোকজন তাকে বাস থেকে রংপুর মডার্ন মোড়ে নামিয়ে নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন
নিয়ে ফেলে রেখে চলে যান। স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে তাজহাট থানা পুলিশ তাকে উদ্ধার
করেছে।
মন্তব্য করুন