

মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
শহীদ লিয়াকত স্মৃতি সংসদ, কুমিল্লা জোনের আয়োজিত মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান উদবাতুল বারি আবু। উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মীর মোহাম্মদ আবু বক্কর এবং প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোঃ মনির হুসাইন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ফয়সাল রহমান পাভেল, বাইজিদ হোসেন বাবু, ব্যাংকার মহিউদ্দিন, মাওলানা শাহাদাত হোসেন আবিদী, মাওলানা মহিউদ্দিন, মাওলানা মনসুর আহমদ রাজাপুরি, মাওলানা মহিউদ্দিন আজমী, মিসেস ইয়াসমিন বেগম, মোঃ হেলাল উদ্দিনসহ আরও অনেক সম্মানিত অতিথিবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মোহাম্মদ মাইনুদ্দিন। সঞ্চালনায় ছিলেন তোফাজ্জল হোসেন তুহিন এবং সার্বিক পরিচালনায় ছিলেন মোহাম্মদ ইব্রাহিম খলিল পিয়াস।
এ অনুষ্ঠানে ৯০ জন মেধাবী শিক্ষার্থীর হাতে বৃত্তি ও সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়। পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, ইসলামিক গজল ও আবৃত্তি অনুষ্ঠানে এক মনোমুগ্ধকর পরিবেশ সৃষ্টি করে, যা উপস্থিত সকলের হৃদয় স্পর্শ করে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লায় হামের উপসর্গ নিয়ে ১৮ মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর জেলায় হাম সন্দেহ ও হাম আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪ জনে।
মারা যাওয়া রায়হান বরুড়া উপজেলার ইমাম হোসেনের ছেলে। হামের উপসর্গ নিয়ে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, ২৪ ঘণ্টায় ১৫ জন সন্দেহজনক হাম রোগী পাওয়া গেছে। তাদের মধ্যে পরীক্ষায় ১২ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ১৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এবং চিকিৎসা শেষে ১৮ জন ছাড়পত্র পেয়েছেন।
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ১৯ জুলাই পর্যন্ত কুমিল্লায় মোট তিন হাজার ১৯ জন সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এর মধ্যে পরীক্ষায় ৪৮২ জনের হাম নিশ্চিত হয়েছে। এ সময়ে হাম সন্দেহে ১৩ জন ও হাম আক্রান্ত হয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে।
এ ছাড়া দুই হাজার ৫৬৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন এবং দুই হাজার ৫০২ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগের প্রধান অধ্যাপক মিয়া মনজুর আহমেদ জানান, হামের লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। একই সঙ্গে শিশুদের নির্ধারিত সময়ে হাম-রুবেলার টিকা দেওয়ার জন্য অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
কুমিল্লার সিভিল সার্জন আলী নূর মোহাম্মদ বশীর আহমেদ জানান, মারা যাওয়া শিশুরা আগে হাম-রুবেলার টিকা পেয়েছিল কি-না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে আগের তুলনায় জেলায় হামে আক্রান্তের হার কমেছে বলে দাবি করেন তিনি।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ৩২ কেজি গাঁজা ও একটি প্রাইভেটকারসহ
একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে হোমনা থানা পুলিশ ।
আজ (১২ জুলাই) সকালে হোমনা থানার এসআই
মোজাফফর হোসেন সঙ্গীয় ফোর্সসহ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হোমনা থানার ছয়ফুল্লাকান্দি মাথাভাঙ্গা
এলাকায় ছিনাইয়া-টু-মেঘনাগামী পাকা রাস্তার উপর চেকপোস্টে একটি প্রাইভেটকার তল্লাশী
করে ৩২ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী মোঃ সেলিম কে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী হলো- হবিগঞ্জ জেলার
মাধবপুর থানার গজনগর গ্রামের মোরশেদ এর ছেলে মোঃ সেলিম (৩৭)।
উক্ত ঘটনায় হোমনা থানার মামলা দায়ের
করা হয়।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
১০ম
প্রাইম ব্যাংক জাতীয় স্কুল ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ২০২৪-২৫-এর চূড়ান্ত পর্বে চ্যাম্পিয়ন
হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে কুমিল্লা মডার্ন হাই স্কুল। বৃষ্টি-বিঘ্নিত ফাইনালে টস জিতে
শিরোপা নিশ্চিত করে তারা।
বসুন্ধরা
ক্রিকেট গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত এই ফাইনালে কুমিল্লা মডার্ন হাই স্কুলের প্রতিপক্ষ ছিল
বগুড়া পুলিশ লাইন হাই স্কুল। তবে প্রবল বৃষ্টির কারণে খেলা পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট নিয়ম অনুযায়ী, টস জয়ী দলকেই বিজয়ী ঘোষণা করা হয় — সে হিসেবে
চ্যাম্পিয়নের মুকুট যায় কুমিল্লার ঘরে।
পুরস্কার
বিতরণী অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে ট্রফি তুলে দেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক হাবিবুল
বাশার সুমন, হাসিবুল হোসেন শান্ত, মেহরাব হোসেন অপি, দিপু রায় চৌধুরী, গেম ডেভেলপমেন্ট
ম্যানেজার আবু ইমাম কাওসার, গেম ডেভেলপমেন্টের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ কামরুল হাসান এবং
জাতীয় দলের তারকা পেসার তাসকিন আহমেদ।
এই
আসরে কুমিল্লা মডার্ন হাই স্কুল দুর্দান্ত পারফর্ম করে জেলা পর্যায়ে ৪টি, বিভাগীয় রাউন্ডে
৩টি এবং ন্যাশনাল রাউন্ডে আরও ৩টি ম্যাচ জিতে ফাইনালে জায়গা করে নেয়। সেমিফাইনালে তারা
পিরোজপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়কে ১০২ রানে হারায়। ঐ ম্যাচে ব্যাট হাতে আফনান ইন্তেহাদ
১২০ বলে করেন দারুণ ১৪৪ রান। বল হাতে সেরা ছিলেন প্রান্ত দেবনাথ, যিনি ২৫ রান দিয়ে
শিকার করেন ৫টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট।
আসরের
সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের পুরস্কারও গেছে কুমিল্লা মডার্ন হাই স্কুলের আফনান ইন্তেহাদের
হাতে।
চ্যাম্পিয়ন
দলের কোচের দায়িত্ব পালন করেন আইয়ুব হোসেন ইমন এবং ম্যানেজারের দায়িত্বে ছিলেন মোঃ
নেওয়াজ খান। দলের সার্বিক সাফল্যের পেছনে কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থা এবং জেলা ক্রিকেট
কোচ হাবীব মোহাম্মদ মোবাল্লেগ জেমসের অবদানও ছিল অনস্বীকার্য।
উল্লেখ্য,
এর আগেও ২০১৯ সালে জাতীয় স্কুল ক্রিকেটে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল কুমিল্লা হাই স্কুল। সেই
ধারাবাহিকতায় আবারও দেশের সেরা হওয়ার কৃতিত্ব দেখাল কুমিল্লার স্কুল ক্রিকেট।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, কুমিল্লা:
লক্ষ্মীপুরকে ৩-০ গোলে হারিয়ে চট্টগ্রাম বিভাগীয়
কমিশনার গোল্ডকাপে কুমিল্লা ভ্যানুর (জোন) ফাইনাল নিশ্চিত করলো কুমিল্লা।
সোমবার কুমিল্লা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সাথে মুখোমুখি হবে।
শনিবার শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে স্বাগতিক কুমিল্লা ৩-০গোলে লক্ষ্মীপুরকে হারায়। শুরু থেকেই আক্রমনাত্মক খেলে কুমিল্লা দল। দলের মেহেদী ২ ও আরিফ ১ গোল দিয়ে নিজেদের সক্ষমতা জানান দেয়।
ফাইনালে কুমিল্লা দল ভালো করবে এমনটাই আশাবাদ
ব্যক্ত করেন দলের কোচ জামাল হোসেন ও সহকারি কোচ শাহীন। সংক্ষিপ্ত সময়ের
প্রস্তুতিতে কুমিল্লা দল প্রত্যাশা অনুযায়ী ভালো করায় খেলোয়ার ও ক্রীড়ামোদীদের
প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান এবং দলের জন্য দোয়া প্রার্থনা করেন তারা।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা নগরীর অশোকতলায় এক অসহায় ভিক্ষুককে কুপিয়ে আহত ও তার কাছ থেকে ১৬০ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত কিশোর গ্যাং লিডারকে আটক করে পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়েছে।
জানা গেছে, ৩১ মে (রোববার) সন্ধ্যায় অশোকতলা এলাকায় ওত পেতে থাকা একটি কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা এক ভিক্ষুকের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করে এবং সারাদিনের ভিক্ষায় পাওয়া ১৬০ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও ক্ষোভের সৃষ্টি করে।
বিষয়টি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপুর নজরে আসে। তিনি তাৎক্ষণিকভাবে ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আশিকসহ যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের অভিযুক্তদের শনাক্ত করার নির্দেশ দেন। পরে অশোকতলা জামে মসজিদের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা ও স্থানীয়দের তথ্যের ভিত্তিতে কিশোর গ্যাং লিডার ‘টোকাই সামির’কে শনাক্ত করা হয়।
বুধবার (৩ জুন) তাকে আটক করার পর বিষয়টি প্রশাসককে জানানো হলে তিনি দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।
এ দিন বিকেলে সিটি প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামানের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ারের নির্দেশে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আটককৃতকে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নিজেদের হেফাজতে নেয়।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করে প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু বলেন, নগরীতে সন্ত্রাস, ছিনতাই ও কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যক্রম কঠোরভাবে অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় চৌদ্দগ্রাম থানা কর্তৃক ২৫ কেজি গাঁজা উদ্ধারসহ ১ জন আসামীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
গত ০৭/০২/২০২৪খ্রিঃ তারিখ রাতে চৌদ্দগ্রাম থানায় কর্মরত এসআই(নিঃ)/মেহেদী হাসান, এসআই(নিঃ) ছাইদুল ইসলাম, এএসআই(নিঃ) মোঃ নাজমুল হাসান ও সঙ্গীয় ফোর্স সহ চৌদ্দগ্রাম থানা এলাকায় মাদকদ্রব্য উদ্ধার ও গ্রেফতারী পরোয়ানা চালানো হয়।
তামিল ডিউটি করাকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চৌদ্দগ্রাম থানাধীন ১০নং বাতিসা ইউনিয়নের নানকরা সাকিনে চট্টগ্রাম-ঢাকাগামী মহাসড়কের পাশে নানকরা রাস্তার মাথা হতে ২৫ কেজি গাঁজা উদ্ধারসহ মাদক ব্যবসায়ী মোঃ বশর প্রকাশ বছির(৩৮), পিতা-মৃত আবু রশিদ, মাতা-আনোয়ারা বেগম, সাং-মাসকরা (চন্দ্রপুর), পোঃ মরকটা, ০৯নং কনকাপৈত ইউনিয়ন, থানা-চৌদ্দগ্রাম, জেলা- কুমিল্লাকে গ্রেফতার করা হয়।
উক্ত ঘটনায় চৌদ্দগ্রাম থানায় এজাহার দায়ের করলে চৌদ্দগ্রাম থানার মামলা নং-১৬, তারিখ-০৭/০২/২০২৪, ধারা-২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(১) সারণির ১৯(গ)/৪১ রুজু করা হয়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ২০ কেজি গাঁজাসহ দুইজন মাদক
ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব -১১, সিপিসি-২।
সোমবার রাতে র্যাব -১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক
দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন ধর্মপুর এলাকায় মাদক
বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসামী ১। মোঃ জনি (২৬) ও ২। মোঃ ইমন হোসেন রিয়াদ (১৯) নামক
দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীদ্বয়ের কাছ থেকে ২০ কেজি গাঁজা উদ্ধার
করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো: ১। মোঃ জনি (২৬) কুমিল্লা জেলার
কোতয়ালী মডেল থানার ধর্মপুর গ্রামের মৃত আব্দুল রহিম এর ছেলে এবং ২। মোঃ ইমন হোসেন
রিয়াদ (১৯) একই গ্রামের বজল আহমেদ এর ছেলে।
র্যাব জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক দ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব -১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
গ্রেফতারকৃত ১ নং আসামী মোঃ জনি (২৬)
এর বিরুদ্ধে মাদক মামলাসহ মোট ২ টি মামলা রয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের রশিদ দিয়ে বিভিন্ন যানবাহন থেকে অবৈধভাবে চাঁদা আদায়ের অভিযোগে একজনকে গ্রেফতার করেছে সেনাবাহিনী। এসময় তার কাছ থেকে নগদ টাকা, সিটি কর্পোরেশন অনুমোদিত অবৈধ ভুয়া রসিদ বহি জব্দ করা হয়।
শনিবার (২৬ অক্টোবর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ২৩ বীর সেনাবাহিনী ক্যাপ্টেন রাকিন।
সেনাবাহিনী জানায়, কুমিল্লা নগরীর চকবাজার থেকে তেলিকোনা ও জাঙ্গালিয়া বাসট্যান্ড থেকে টমছমব্রীজ সড়কের উপর অবস্থান করে বাস, মিনিবাস, মিনি ট্রাক, ইজিবাইক, মিশুকসহ যাত্রীবাহী বিভিন্ন যানবাহন চালকদের হত্যার ভয়ভীতি দেখিয়ে গতিরোধ করে অবৈধ রশিদের মাধ্যমে চাঁদা আদায় করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার (২৬ অক্টোবর) দুপুর ২টায় জাঙ্গালিয়া বাসট্যান্ড সড়কে চাঁদা নেয়ার সময় একজন চাঁদাবাজকে গ্রেফতার করে সেনাবাহিনী টহল দল।
গ্রেফতারকৃত আসামী হলো কুমিল্লা সদর দৌলতপুর গ্রামের মান্নান এর ছেলে মোঃ জুলহাস (২৪)।
এসময় সেনাবাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে ২/৩ জন চাঁদাবাজ ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। সেনাবাহিনী গ্রেফতারকৃত আসামীর কাছ থেকে নগদ টাকা, মোবাইল ফোন ৩টি,সীল প্যাড ২টি, গোলাপি ও হলুদ রঙের চাঁদা আদায়ের ভুয়া ৩৫ টি রসিদ বই জব্দ করে।
গ্রেফতারকৃত আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা দীর্ঘদিন যাবৎ পরস্পর যোগসাজশে কুমিল্লা মহানগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে সিটি কর্পোরেশনের নাম ব্যবহার করে অবৈধ চাঁদা উত্তোলন করে আসছে।
পরে গ্রেফতারকৃত আসামীকে সদর দক্ষিণ পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়।
মন্তব্য করুন


র্যাব-১১,
সিপিসি-২ এর অভিযানে ৩০ কেজি গাঁজাসহ দুইজন মাদক
ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার।
আজ রবিবার (১১ মে)
সকালে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা
জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন শালধর সামারচর এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে।
উক্ত অভিযানে ১। মোঃ শাহাদাত হোসেন রবিউল (২৩) এবং ২। মোঃ রবিউল হাসান (২১) নামক দুইজন
মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় আসামীদ্বয়ের কাছ থেকে ৩০ কেজি গাঁজা ও মাদক
পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত ১ টি সিএনজি উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী ১। মোঃ শাহাদাত হোসেন রবিউল (২৩) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার বড় আলমপুর গ্রামের মোঃ রফিকুল ইসলাম এর ছেলে এবং ২। মোঃ রবিউল হাসান (২১) একই গ্রামের টিপু সুলতান এর ছেলে।
র্যাব জানান, গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়কে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লার বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, কুমিল্লা:
কুমিল্লা
নগরীর চকবাজার ডিজেল ও অকটেন কম দিয়ে ক্রেতাদের ঠকানোর অভিযোগে দুই তেলের পাম্পকে সিলগালা
করে দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে তেল পরিমাপের ৪টি ডিসপেন্সিং ইউনিট বন্ধ করে দেওয়া হয়।
আজ
মঙ্গলবার (৬ মে) কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন এলাকায় সার্ভিল্যান্স অভিযান পরিচালনা করেন
বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)।
বিএসটিআই
কুমিল্লা কার্যালয় প্রধান কে এম হানিফ বলেন, নগরীর চকবাজার এলাকায় সার্ভিল্যান্স অভিযানে
মেসার্স শরীফ এন্টারপ্রাইজের দুটি অকটেন ডিসপেন্সিং ইউনিটে প্রতি ১০ লিটারে যথাক্রমে
১৯০ মিলি ও ২০০ মিলি তেল কম দেওয়ার প্রমাণ পাওয়া যায়। একই পাম্পের দুটি ডিজেল ডিসপেন্সিং
ইউনিটেও প্রতি ১০ লিটারে যথাক্রমে ১৯০ মিলি ও ২২০ মিলি তেল কম দেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত
হয়। এই গুরুতর অপরাধে পাম্পের চারটি ইউনিট বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অপরদিকে,
একই এলাকার মেসার্স এম এ হাকিম এন্ড ব্রাদার্সের দুটি ডিজেল ডিসপেন্সিং ইউনিটেও তেলের
মাপে কারচুপির চিত্র দেখা যায়। পাম্পটির এই দুটি ইউনিটে প্রতি ১০ লিটারে গ্রাহকদের
যথাক্রমে ৩৪০ মিলি ও ৩৯০ মিলি তেল কম দেওয়া হচ্ছিল। তাৎক্ষণিকভাবে এই দুটি ইউনিটও সিলগালা
করে দিয়েছে বিএসটিআই।
বিএসটিআই
কুমিল্লা অফিসের পরিদর্শক (মেট্রোলজি) মো: লুৎফর রহমান এবং মো: হাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে
এই সার্ভিল্যান্স অভিযান পরিচালিত হয়।
মন্তব্য করুন