

নেত্রকোনার ধনু নদে স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজদের সবার লাশ উদ্ধার হয়েছে। রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
খালিয়াজুরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মকবুল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
নেত্রকোণার হাওরাঞ্চলের খালিয়াজুরি উপজেলার ধনু নদে বিয়েবাড়ির স্পিডবোট ডুবির ঘটনায় নিখোঁজ থাকা তিনজনের মরদেহ পাওয়া গেছে। এতে দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে চারজন হলো।
এর মধ্যে রোববার সকাল পৌনে ১০টার দিকে ধনু নদের চরপাড়া এলাকায় দুজনের মরদেহ এবং বেলা আড়াইটার দিকে আরেক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয় বলে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এম এ কাদের জানান।
তিনি বলেন, রোববার সকাল থেকেই ময়মনসিংহ ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল পুলিশ ও স্থানীয় জনগণের সহায়তায় দুর্ঘটনাস্থলের আশপাশে উদ্ধার তৎপরতা চালাচ্ছিল। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত পাঁচহাটের দক্ষিণের বালুচর এলাকা থেকে একে একে নিখোঁজ তিন জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
তারা হলেন- স্বপন মিয়ার মেয়ে লায়লা আক্তার (৭), নবাব মিয়ার মেয়ে শিরিন আক্তার (১৮) ও সামসু মিয়ার মেয়ে সামিয়া (১১)। এর আগে শনিবার দুপুরে উষা মনি (৪) নামের এক শিশুর ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তারা সবাই একই উপজেলার আন্ধাইর গ্রামের বাসিন্দা।
আন্ধাইর গ্রামের নবাব মিয়ার ছেলে রানা মিয়ার বিয়ের বরযাত্রী যেতে স্পিডবোটটি আনা হয়েছিল। বোটে বিয়েবাড়ির ১৫ জন স্বজন মিলে ঘুরতে বের হওয়ার পর এ ঘটনা ঘটে। পণ্যবাহী বাল্কহেডের ধাক্কা থেকে বাঁচতে গিয়ে ডিঙি নৌকার সঙ্গে ধাক্কা লেগে উল্টে যায় স্পিডবোটটি। এ সময় তিন শিশুসহ ৪ জন নিখোঁজ হন। অন্যদের আহত অবস্থায় উদ্ধার করে কিশোরগঞ্জ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এম এ কাদের জানান, দুর্ঘটনার প্রায় ৪৮ ঘণ্টা পর রোববার বেলা আড়াইটার দিকে ঘটনাস্থল থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে সামিয়ার মরদেহ ভেসে উঠতে দেখে স্থানীয়রা উদ্ধার করেন।
এর আগে সকাল পৌনে ১০টার দিকে দুর্ঘটনাস্থল থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে ভাসমান অবস্থায় লায়লা আক্তার ও শিরিন আক্তারের লাশ উদ্ধার করা হয়।
এ ছাড়া শনিবার দুপুরে ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ৫০০ মিটার দূর থেকে ঊষামণির লাশ উদ্ধার করেছিলেন স্থানীয়রা।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এম এ কাদের জানান, ঘটনার পরপর পুলিশ, ফায়ার সার্ভিসের কর্মী ও স্থানীয়রা উদ্ধার তৎপরতায় নামেন। সর্বশেষ নিখোঁজ শিশু সামিয়ার লাশ উদ্ধারের মধ্য দিয়ে উদ্ধার তৎপরতা শেষ হয়েছে।
পরে লাশ মৃতদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছেও বলে জানান এই কর্মকর্তা।
মন্তব্য করুন


ভাঙ্গা পৌরসভার নওপাড়া এলাকায় রেললাইনে ট্রেন ও প্রাইভেটকারের সংঘর্ষে চালকসহ চারজন গুরুতর আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন সিটি ব্যাংক ঢাকার শ্যামল শাখার কর্মকর্তা সঞ্জীব ঘোষ, ঢাকার ব্যবসায়ী মেহেদী আল আমিন, ভাঙ্গার ব্যবসায়ী আলম মিয়া এবং প্রাইভেটকারের চালক রুবেল হোসেন। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দা ও ভাঙ্গা ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভাঙ্গা থেকে খুলনাগামী ‘নকশীকাঁথা’ ট্রেনটি রেললাইন পার হওয়ার সময় একটি প্রাইভেটকারের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। সংঘর্ষের ফলে গাড়িটি পাশের পানিভরা খাদে ছিটকে পড়ে যায়। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় গাড়ির ভেতরে থাকা চারজনকে উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, এই রেলক্রসিং এলাকায় বারবার দুর্ঘটনা ঘটছে। প্রায় ছয় মাস আগে একই স্থানে একটি নসিমনের চার যাত্রী প্রাণ হারান। নওপাড়া–সদরপুর সড়কটি অত্যন্ত ব্যস্ত হওয়ায় প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক মানুষ ও যানবাহন চলাচল করে। তাই এখানে দ্রুত একটি রেলগেট স্থাপনের দাবি জানান তারা।
এ বিষয়ে ভাঙ্গা রেলস্টেশনের স্টেশন মাস্টার স্বপন সরকার জানান, মঙ্গলবার দুপুরে খুলনাগামী নকশীকাঁথা ট্রেনের সঙ্গে একটি প্রাইভেটকারের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে গাড়ির যাত্রীরা আহত হন। বিষয়টি রেল পুলিশ ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি:
নোয়াখালীতে বন্যার ভয়াবহতা কাটিয়ে ১৮৩টি মন্ডপে ষষ্ঠী পুজার মাধ্যমে সাদামাটা ভাবে পূজা উদযাপন শুরু হয়েছে , প্রশাসনের পক্ষ থেকে দূর্গাপূজা নির্বিঘ্নে ও নিরাপদে পালন করতে নেয়া হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি। সনাতন ধর্মলম্বীদের নির্ভয়ে পূজা উদযাপনে প্রশাসনের পাশা পাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দদের প্রতিটি মন্দিরে সার্বিক পাহারা সহ নিরাপত্তা সহযোগিতায় নেতা কর্মীদের প্রস্তুতি রয়েছে।
বুধবার দিনব্যাপী ষষ্ঠী পুজায় বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্যা বুলু শারদীয় দূর্গা পূজা উপলক্ষ্যে নোয়াখালীর চৌমুহনী শ্রী শ্রী রাম চন্দ্র দেবের সমাধি ক্ষেত্রে বেগমগঞ্জ ও চৌমুহনী পৌরসভার ২৫টি পূজা মন্ডপে আর্থিক অনুদান, খাদ্য ঔষধ সামগ্রী বিতরন এবং বিভিন্ন পূজা মন্ডপ পরির্দশন করেন।
নোয়াখালীতে সৃষ্ট বন্যার পানি এখনো না শুকানোর কারন ও অন্যান্য কারনে এবারের পূঁজা অতি সাধারন ভাবে উদযাপিত হচ্ছে বলে জানান, সনাতনী ধর্মালম্বীরা।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন-১০ বিজিবির অভিযানে অবৈধ অনুপ্রবেশকারী
দুই ভারতীয় নাগরিককে মাদকসহ আটক করা হয়েছে।
শনিবার (২ নভেম্বর) কুমিল্লা সীমান্তে বিজিবির শাহাপুর
পোস্ট এর বিশেষ টহলদল এ অভিযান পরিচালনা করে শাহাপুর সীমান্ত পিলার ২০৮৪/৭-এস থেকে
২০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ৪টি বিয়ার ক্যানসহ অবৈধভাবে অনুপ্রবেশকারী ২ জন ভারতীয় নাগরিককে আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলেন: ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সোনামুরা
থানার শুভাপুর গ্রামের মৃত দেলোয়ারের ছেলে
মো. রনি (২১) এবং একই এলাকার মৃত আইয়ূব আলীর ছেলে মো. দেলোয়ার হোসেন (১৮)। আটককৃতদের কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশের কাছে
হস্তান্তর করা হয়েছে।
রবিবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে গণমাধ্যমকে প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন-১০ বিজিবি।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ব্রাহ্মণপাড়া থানায় মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে পুলিশ বৃহৎ পরিমাণ গাঁজা উদ্ধার করেছে।
এই অভিযানে চার জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
বুধবার রাত ৩.২৫ ঘটিকায় ব্রাহ্মণপাড়া থানায় কর্মরত এসআই মোঃ শাহাবুর আলম ও সঙ্গীয় ফোর্স সহ ব্রাহ্মণপাড়া থানা এলাকায় রাত্রীকালীন মাদকদ্রব্য উদ্ধার ও গ্রেফতারী পরোয়ানা তামিল ডিউটি করাকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মণপাড়া থানাধীন ০৪নং শশীদল ইউনিয়নের বাল্লক রামচন্দ্রপুর সাকিনে ভারত সীমান্ত হতে রামচন্দ্রপুরগামী রাস্তায় চেকপোস্ট ডিউটি করাকালে একটি মাইক্রোবাস থেকে ৬০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেন। এই সময় মাইক্রোবাসে যাত্রা করছিলেন চার জন মাদক ব্যবসায়ী, যাদের পুলিশ গ্রেফতার করেন।
গ্রেফতারকৃত আসামীদের মধ্যে তিন জনের বিরুদ্ধে আগে থেকেই মাদক মামলা রয়েছে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন, মোঃ জাহাঙ্গীর (৩৪), মোঃ আলমগীর হোসেন (২৮), মোঃ জুয়েল মিয়া (২৯) ও মোঃ শাহপরান (২০)। তারা সবাই ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার রামচন্দ্রপুর গ্রামের বাসিন্দা। পুলিশের তদন্তে জানা গেছে যে, তিন জনের বিরুদ্ধে আগে থেকেই মাদক মামলা রয়েছে।
এ সম্পর্কে ব্রাহ্মণপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এসএম আতিক উল্লা বলেন, গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ধারা অনুযায়ী মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


জমে উঠেছে দেশের সর্ববৃহৎ পাইকারী ফুলের বাজার যশোরের গদখালী,
দেশের ফুলের চাহিদার ৭০ থেকে ৮০ ভাগ ফুল সরবরাহ হয় এই গদখালী থেকে। ফুলের ভালো দাম
পেয়ে খুশি ফুল চাষীরা।
গত বছরের তুলনায় এ বছর ফুলের দাম অনেক বেশি। প্রাকৃতিক
দূর্যোগ আর বৃষ্টির কারণে ফুলের দাম বেশি বলে জানান গদখালী ফুল চাষী ও ব্যবসায়ীরা।
ব্যবসায়ীরা জানান, বর্তমানে তারা সবচেয়ে কঠিন সময় পার করছেন। দাম
বেশি হওয়ায় ফুলের চাহিদা কমে গেছে, বিশেষ করে এই সময়ে ফুলের দাম বেশি হওয়ায়
দোকানদারেরা ফুলের অর্ডার দিচ্ছেন অনেক কম।
হিন্দু ধর্মাবলম্বীদেরর সবচেয়ে বড় ধর্মীয় অনুষ্ঠান উপলক্ষে ফুলের বিক্রি বাড়ার
প্রত্যাশা থাকলেও বাস্তবে তা ঘটছে না। ফুলের দাম বেশি হওয়ায় ক্রেতারাও ফুল
কিনছেন অনেক কম। বিশেষ করে আগে রাজনৈতিক নেতাদের জন্য ফুলের চাহিদা থাকলেও, এখন
সেই চাহিদাও কমে গেছে।
আর দেড় মাস পরে বিজয় দিবস, সামনে শীত, বাগানে নতুন ফুল ফুটবে, আর রাজনৈতিক
স্থিতিশীলতা ফিরলে ফুলের চাহিদা আরও বাড়বে। তখন ফুলের বাজারে আবার প্রাণচাঞ্চল্য
ফিরে আসব।
গদখালীর সৈয়দপাড়া, নীলকন্ঠ নগর, পটুয়াপাড়া, নিমতলা, হাড়িয়া,
পানিসারা ও টাওরা গ্রামে বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে ফুলের চাষ হয়। মোহর আলী বলেন আমি দুই
বিঘা জমিতে গোলাপ চাষ করেছি, দাম বেশি হলেও চাষের খরচের টাকা উঠবে না, কারন হিসেবে
জানান অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে ফুল পঁচে নষ্ট হয়ে গেছে।
মিনারুল ইসলাম বলেন, এ বছর এক বিঘা জমিতে গোলাপ চাষ করেছি
দামে আমি অনেক খুশি।
মিলন হোসেন বলেন, বৃষ্টির কারণে আমার গোলাপ ফুল, গাধা ফুল প্রায়
নষ্ট হয়ে গিয়েছে।
গদখালী বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রকারভেদে প্রতি পিছ গোলাপ
বিক্রি হচ্ছে ৮ টাকা থেকে ১৪ টাকা পর্যন্ত, প্রতি পিছ রজনীগন্ধা বিক্রি
হচ্ছে ১১ টাকা থেকে ১৬ টাকা পর্যন্ত। এক হাজার গাধা ফুল বিক্রি হচ্ছে হচ্ছে ৩০০ থেকে
৬০০ টাকা পর্যন্ত।
চাষীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, অতি মাত্রায় বৃষ্টি হওয়ার কারণে
বেশিরভাগ ফুলের ডাল পঁচে গেছে। তাদের আশা সামনে ফুলের দাম আরও বেশি হবে।
যশোর ফুল উৎপাদক ও বিপণন সমবায় সমিতির সভাপতি আব্দুর রহিম বলেন, গাছে ফুল না থাকলেও দামে চাষীরা খুশি। চাষীরা চেষ্টা করে যাচ্ছেন খরচের টাকা তোলার জন্য।
উল্লেখ্য যশোরের গদখালী এলাকায় প্রায় ১২০০ হেক্টর জমিতে প্রায় এগারো রকমের ফুলের চাষ হয়। এ এলাকার ৬ হাজার পরিবারের প্রায় দেড় লাখ মানুষ ফুল চাষের সাথে জড়িত। প্রতি বছর তিনশো কোটি টাকার বেশি ফুল উৎপাদন হয় এই অঞ্চলে।
মন্তব্য করুন


ঢাকার মোহাম্মদপুর থানাধীন সিটি হাউজিং এলাকা থেকে ৯৫৮ বোতল ফেনিসিডিলসহ মাদক সম্রাট মো. সজীব ওরফে ফেন্সি সজীবকে (৩০) আটক করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-২)।
আজ মঙ্গলবার (১৯ মার্চ) গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।
র্যাব-২ এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার শিহাব করিম জানিয়েছেন, জব্দ করা ৯৫৮ বোতল ফেনসিডিলের আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ২৮ লাখ ৭৪ হাজার টাকা। আটক সজীব আন্তঃজেলা মাদক কারবারি এবং মাদকের ডিলার। তার বাড়ি সীমান্তবর্তী জেলা কুমিল্লায় হওয়ায় পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে তিনি স্বল্প মূল্যে ফেনসিডিল কিনে এনে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করে আসছিলেন।
সজীব মোহাম্মদপুর সিটি হাউসিং এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে এসব মাদক মজুদ করতেন। তার সঙ্গে আরও যারা জড়িত তাদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় নিতে গোয়েন্দা কার্যক্রম চলছে। সজিবের বিষয়ে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলেও জানিয়েছেন র্যাবের এই কর্মকর্তা।
মন্তব্য করুন


ময়মনসিংহে
বাস-সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে ৭জন নিহত হয়েছেন।
শুক্রবার
(১৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে
সদর উপজেলার আলালপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
সদর
থানার এসআই হারুনুর রশিদ
জানান, ঢাকা থেকে শেরপুরগামী
আদিল পরিবহনের একটি বাস আলালপুর
এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা
সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলে
চালকসহ ৭জন নিহত হন।
এখনো নিহতের নাম পরিচয় জানা
যায়নি।
এ
বিষয়ে থানার ওসি (তদন্ত) আনোয়ার
হোসেন জানান, ক্ষতিগ্রস্ত বাস ও অটোরিকশা
জব্দ করা হয়েছে। যান
চলাচল স্বাভাবিক করতে পুলিশ ঘটনাস্থলে
কাজ করছে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
কুমিল্লা নগরীর
রাজগঞ্জ বাজার এলাকায় "সাহা মেডিকেল হলে" রোগীর কাছে ৯ টাকার (MRP)
একটি ওষুধ ৮০ টাকায় বিক্রি করায় প্রতিষ্ঠানটিকে
৫০ হাজার টাকা জরিমানা
করেছে ভোক্তা অধিকার।
আজ
রবিবার (১৩ জুলাই) সকালে
অভিযান চালিয়ে সাহা মেডিকেল হলকে একাধিক অনিয়মের অভিযোগে এ জরিমানা করে
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর,
কুমিল্লা।
অভিযানে
নেতৃত্বদেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লার সহকারী পরিচালক মো: কাউছার
মিয়া।
এই
অভিযানে সহযোগিতা করেন জেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মো: আবুল কালাম আজাদ, অফিস সহকারী
ফরিদা ইয়াসমিন এবং কুমিল্লা জেলা পুলিশের একটি টিম।
মন্তব্য করুন


মুকুল বসু, বোয়ালমারী প্রতিনিধি:
দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ পত্রিকার গাজীপুরস্থ স্টাফ রিপোর্টার আসাদুজ্জামান তুহিনকে নৃশংসভাবে হত্যার প্রতিবাদে ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন করেছে ফরিদপুরের বোয়ালমারী প্রেসক্লাব।
শনিবার (৯ আগস্ট) সকালে বোয়ালমারী চৌরাস্তায় এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে বোয়ালমারী প্রেসক্লাবের সভাপতি এডভোকেট কোরবান আলীর সভাপতিত্বে এবং আমীর চারু বাবলুর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. আনোয়ার হোসেন, সহ-সভাপতি কাজী আমিনুল ইসলাম, স্থানীয় সাপ্তাহিক চন্দনা পত্রিকার সম্পাদক ও বোয়ালমারী প্রেসক্লাবের নির্বাহী সদস্য কাজী হাসান ফিরোজ প্রমুখ। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বোয়ালমারী প্রেসক্লাবের নির্বাহী সদস্য অধ্যক্ষ লিয়াকত হোসেন লিটন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুমন খান, কোষাধ্যক্ষ জাকির হোসেন, নির্বাহী সদস্য এ কে এম রেজাউল করিম, ঢাকার ডাক প্রতিনিধি ও প্রচার সম্পাদক এম জামান, সমাজ সেবক সুমন রাফি, যায়যায়দিন প্রতিনিধি দীপঙ্কর অপু, খবর পত্র প্রতিনিধি হাসান মাহমুদ মিলু, খোলা কাগজ প্রতিনিধি আল মামুন রনি, আমার দেশ প্রতিনিধি এস এম রুবেল, আমাদের সময় ডট কমের প্রতিনিধি সনৎ চক্রবর্তী, নয়া দিগন্ত প্রতিনিধি ইকবাল হোসেন, স্থানীয় মানব দর্পণ সম্পাদক মো. তারিকুল ইসলাম, প্রতিদিনের খবর প্রতিনিধি মুকুল বসু, কালের খেয়া প্রতিনিধি টুটুল বসু, সাংবাদিক নাগর মিয়া, আহমেদ সোহেল, রবিউল ইসলাম খান, ইমরান হোসেন প্রমুখ।সভাপতি এডভোকেট কোরবান আলী বলেন, সাংবাদিক তুহিনের হত্যাকাণ্ড শুধু একজন সাংবাদিকের কণ্ঠরোধ নয়, এটি গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার ওপর ভয়াবহ হুমকি। আমরা এই বর্বরতার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি এবং দ্রুত অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানাই। সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বলেন, রাষ্ট্রের প্রধান দায়িত্ব নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। কিন্তু বারবার এমন ঘটনা ঘটায় আমরা প্রশ্নবিদ্ধ হই। সাংবাদিকরা রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে সমাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অপরাধের বিচার না হলে সমাজে অশান্তি ছড়িয়ে পড়বে। তিনি আরো বলেন, সাংবাদিকদের উপর হামলা ও হত্যাকাণ্ড মানে গণতন্ত্র ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত। মানববন্ধনে বক্তারা দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। এসময় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। পরে বোয়ালমারী বার্তা কার্যালয়ে বোয়ালমারী প্রেসক্লাবের সদস্যদের অংশগ্রহণে হত্যাকান্ডের প্রতিবাদে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
মন্তব্য করুন


চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে রেললাইন পার হওয়ার সময় ট্রেনের ধাক্কায় একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা প্রায় ১০০ ফুট দূরে গিয়ে পড়েছে। মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনায় মা-মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া আহত হয়েছে আরও দুজন।
আজ বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) দুপুর ১টা দিকে পৌরসভার মৌলভীপাড়া এলাকায় রেললাইনে এই ঘটনা ঘটে।
নিহত মসুদা আক্তার (৫০) ও সানজিদা আক্তার চুমকি (২৮) সম্পর্কে মা-মেয়ে। আহত বদিউল আলম ও তার নাতি সাফওয়ান চট্টগ্রাম মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তারা পৌর সদরের মৌলভীপাড়ার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বদিউল আলম তার পরিবার নিয়ে মেয়ের নানা শ্বশুর মারা যাওয়ার সংবাদে মুরাদপুর ইউনিয়নের গুপ্তাখালীতে জানাজায় অংশগ্রহণ করতে যায়। তার সঙ্গে ছিল স্ত্রী, মেয়ে, ছেলে ও নাতি। জানাজা শেষে সিএনজিচালিত অটোরিকশাযোগে বাড়ি ফেরার পথে নিহতের বাড়ির সামনেই রেললাইন পার হতে গিয়ে রেললাইনের উপরে হঠাৎ সিএনজিচালিত অটোরিকশার ইঞ্জিন বিকল হয়ে বন্ধ হয়ে যায়। অনেক ধাক্কাধাক্কি করার পরও সিএনজিটি ওঠাতে পারেনি।
এ সময় রেললাইন দিয়ে ঢাকামুখী মহানগর এক্সপ্রেস আসছিল। এই বুঝে সিএনজির চালক গাড়ি থেকে নেমে যায়। ওই সময় ট্রেন কাছাকাছি চলে আসাতে বদিউল আলম ও তার ছেলে হাসান অটোরিকশা থেকে তড়িঘড়ি করে নেমে গিয়ে গাড়িটিকে ধাক্কা দিয়ে রেললাইন থেকে তোলার চেষ্টা করেন। তখন অটোরিকশার মধ্যে বসা ছিল বদিউল আলমের স্ত্রী মসুদা আক্তার, মেয়ে সানজিদা আক্তার চুমকি (২৮) ও এক বছরের নাতি সাফোয়ান। এক পর্যায়ে মহানগরে এক্সপ্রেস ট্রেনটি সিএনজিটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে সিএনজিটি প্রায় ১০০ ফুট দূরে রেললাইনের বাইরে গিয়ে পড়ে। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল হাসপাতালে পাঠায়। ঘটনাস্থলে মাসুদা আক্তারের রক্তাক্ত বোরকা পরে থাকতে দেখা যায়।
স্থানীয় একজন যুবক বলেন, দুর্ঘটনার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে এসে দেখি দুর্ঘটনার স্থান থেকে প্রায় ১০০ ফুট দূরে রেললাইনের পশ্চিম পাশে একজন নারী ও পূর্ব পাশে আরেকজন পড়ে আছে। আর দুই রেললাইনের মাঝখানে পড়ে ছিল বাকি দুজন। তাৎক্ষণিক তাদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। তাদের মধ্যে দুজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। বাকি বদি আলম ও তার নাতি এখন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন।
এ বিষয়ে রেলওয়ে পুলিশ আশরাফ সিদ্দিকী বলেন, দুর্ঘটনা খবর পেয়ে রেল পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে যায়। কিন্তু ওই সময় ঘটনাস্থলে কাউকে পাওয়া যায়নি। স্থানীয়দের তথ্য বরাতে দুপুর ১টার দিকে দুর্ঘটনা ঘটে। ওই সময় মহানগর এক্সপ্রেস যাওয়ার সময়। ধারণা করা হচ্ছে, মহানগর এক্সপ্রেসের সঙ্গে এ ঘটনা ঘটে কিন্তু মারা যাওয়ার বিষয়ে এখনো নিশ্চিত হয়নি।
মন্তব্য করুন