

নেত্রকোনার ধনু নদে স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজদের সবার লাশ উদ্ধার হয়েছে। রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
খালিয়াজুরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মকবুল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
নেত্রকোণার হাওরাঞ্চলের খালিয়াজুরি উপজেলার ধনু নদে বিয়েবাড়ির স্পিডবোট ডুবির ঘটনায় নিখোঁজ থাকা তিনজনের মরদেহ পাওয়া গেছে। এতে দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে চারজন হলো।
এর মধ্যে রোববার সকাল পৌনে ১০টার দিকে ধনু নদের চরপাড়া এলাকায় দুজনের মরদেহ এবং বেলা আড়াইটার দিকে আরেক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয় বলে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এম এ কাদের জানান।
তিনি বলেন, রোববার সকাল থেকেই ময়মনসিংহ ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল পুলিশ ও স্থানীয় জনগণের সহায়তায় দুর্ঘটনাস্থলের আশপাশে উদ্ধার তৎপরতা চালাচ্ছিল। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত পাঁচহাটের দক্ষিণের বালুচর এলাকা থেকে একে একে নিখোঁজ তিন জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
তারা হলেন- স্বপন মিয়ার মেয়ে লায়লা আক্তার (৭), নবাব মিয়ার মেয়ে শিরিন আক্তার (১৮) ও সামসু মিয়ার মেয়ে সামিয়া (১১)। এর আগে শনিবার দুপুরে উষা মনি (৪) নামের এক শিশুর ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তারা সবাই একই উপজেলার আন্ধাইর গ্রামের বাসিন্দা।
আন্ধাইর গ্রামের নবাব মিয়ার ছেলে রানা মিয়ার বিয়ের বরযাত্রী যেতে স্পিডবোটটি আনা হয়েছিল। বোটে বিয়েবাড়ির ১৫ জন স্বজন মিলে ঘুরতে বের হওয়ার পর এ ঘটনা ঘটে। পণ্যবাহী বাল্কহেডের ধাক্কা থেকে বাঁচতে গিয়ে ডিঙি নৌকার সঙ্গে ধাক্কা লেগে উল্টে যায় স্পিডবোটটি। এ সময় তিন শিশুসহ ৪ জন নিখোঁজ হন। অন্যদের আহত অবস্থায় উদ্ধার করে কিশোরগঞ্জ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এম এ কাদের জানান, দুর্ঘটনার প্রায় ৪৮ ঘণ্টা পর রোববার বেলা আড়াইটার দিকে ঘটনাস্থল থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে সামিয়ার মরদেহ ভেসে উঠতে দেখে স্থানীয়রা উদ্ধার করেন।
এর আগে সকাল পৌনে ১০টার দিকে দুর্ঘটনাস্থল থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে ভাসমান অবস্থায় লায়লা আক্তার ও শিরিন আক্তারের লাশ উদ্ধার করা হয়।
এ ছাড়া শনিবার দুপুরে ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ৫০০ মিটার দূর থেকে ঊষামণির লাশ উদ্ধার করেছিলেন স্থানীয়রা।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এম এ কাদের জানান, ঘটনার পরপর পুলিশ, ফায়ার সার্ভিসের কর্মী ও স্থানীয়রা উদ্ধার তৎপরতায় নামেন। সর্বশেষ নিখোঁজ শিশু সামিয়ার লাশ উদ্ধারের মধ্য দিয়ে উদ্ধার তৎপরতা শেষ হয়েছে।
পরে লাশ মৃতদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছেও বলে জানান এই কর্মকর্তা।
মন্তব্য করুন


গাজীপুরের কোনাবাড়ীতে একতা টাওয়ারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘঠেছে।আজ শনিবার (১ নভেম্বর) বিকেল ৫ টার সময় মহানগরীর কোনাবাড়ী আমবাগ রোডে একতা টাওয়ারে নিচতলায় টেস্টি টং ফাস্টফুডের দোকানে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। হঠাৎ একতা টাওয়ারে নিচতলায় একটি ফাস্টফুডের দোকানে ধোঁয়া দেখতে পাওয়া যায়, খবর দেয়া হয় ফায়ার সার্ভিসকে। খবর পেয়ে কোনাবাড়ী মর্ডান ফায়ার সার্ভিসের ২ টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। পরে গাজীপুর চৌরাস্তা মর্ডান ফায়ার সার্ভিসের আরও ২ টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজে যোগ দেয়।
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিসের সূত্রে জানা যায়, শনিবার মার্কেট সাপ্তাহিক বন্ধ ছিলো। বিকেল ৫ টার দিকে হঠাৎ একতা টাওয়ারে নিচতলায় একটি ফাস্টফুডের দোকানে ধোঁয়া দেখতে পাওয়া যায়। পরে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে।
কোনাবাড়ী মর্ডান ফায়ার সার্ভিসের টিম লিডার “মো. আশরাফুজ্জামান” জানান, আমরা মার্কেটের ভেতর আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছি। তাৎক্ষণিক ভাবে আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার চান্দিনায় পৃথক অভিযানে আওয়ামী লীগের পাঁচ নেতাকর্মীকে আটক করেছে থানা পুলিশ। তাদেরকে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে দায়ের করা একটি মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।
শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) রাতের বিভিন্ন সময় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
আজ রবিবার (২১ সেপ্টেম্বর) তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে কুমিল্লা কারাগারে প্রেরণ করা হয়।
সন্ত্রাস বিরোধী আইনে গ্রেফতারকৃতরা হলো- চান্দিয়ারা ভূইয়া বাড়ির মৃত তৈয়ব আলী ভূইয়ার ছেলে ফারুকুল ইসলাম ভূইয়া, সে চান্দিনা পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি। বেলাশ্বর কচুয়ারপাড় গ্রামের মৃত জলফু মিয়ার ছেলে চান্দিনা পৌর তাঁতী লীগ সভাপতি মো. মাহাবুব আলম, হাসিমপুর গ্রামের মৃত আবুল কাশেম এর ছেলে বাতাঘাসি ইউনিয়নের যুবলীগ নেতা নজরুল ইসলাম লিটন। এদিকে মাধাইয়া ইউনিয়নের যুবলীগ নেতা নাওতলা গ্রামের নূরুল ইসলামের ছেলে কামরুল হাসান (কুট্টি) এর বিরুদ্ধে পূর্বের ২টি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। অপরদিকে বেলাশ্বর গ্রামের কুটু মিয়ার ছেলে আওয়ামী লীগ নেতা জহিরুল ইসলাম কে বিস্ফোরক আইনে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। চান্দিনা থানার অফিসার ইন-চার্জ মো. জাবেদ উল ইসলাম জানান, আটককৃতদের মধ্যে ২ জনের বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে। অপর ৩ জনকে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে গ্রেফতার করা হয়েছে।
রোববার তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লায় প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, খুব সুন্দর একটা ইলেকশন দেখতে পাবেন । যেটা ফ্রি হবে এবং ফেয়ার হবে। ইক্সক্লুসিভ হবে। সমস্ত জনগণ যেখানে অংশগ্রহণ করবে । খুবই উৎসবমুখর পরিবেশে ইলেকশন হবে । আপনারা যখন বিদেশে কোনো ইলেকশন দেখবেন টেরই পাবেন না যে নির্বাচন হচ্ছে । বাংলাদেশের যখন খুবই ভালো ইলেকশন হয়েছে বিশেষ করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলের কয়েকটি নির্বাচন । ছেলে-মেয়ে, বাবা-মা সবাই একসাথে ভোটকেন্দ্রে ভোট দিয়েছে । গ্রামের সমস্ত লোকজন ভোটকেন্দ্রের বাইরে অবস্থান করে আড্ডা দেয়। ইলেকশনে কে জিতবে এ দলের আলাপ আলোচনা করে। প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস প্রমিস করেছে বাংলাদেশের ইতিহাসের বেস্ট ইলেকশন হবে।
মঙ্গলবার সকাল ১১টায় কুমিল্লা চৌদ্দগ্রাম উপজেলার কুলিয়ারা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন ।
রাজনৈতিক দলদের মতবিরোধের বিষয়ে তিনি আরো বলেন, পলিটিক্যাল পার্টি থাকলে মতভেদ থাকবেই। এটাকে আমরা সিরিয়াস কিছু নিচ্ছি না। যারা পলিটিক্যাল পার্টি যারা ঐক্যমত কমিশনের সাথে কথা বলেছেন তারা নয় মাস ধরে খুব সুন্দর ভাবে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে ইতিহাসের সবচেয়ে বৃহত্তম আলোচনা করেছে। আমরা আশা করছি তাদের মধ্যে কিছু কিছু বিষয়ে যে মতবিরোধ সেটা কিছু সময়ের মত ঐক্য হবে। সবাই কিন্তু নির্বাচনের জন্য প্রিপারেশন নিয়েছে। অলরেডি বিএনপি ২৩৭টা আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছেন পাশাপাশি জামায়াতও বিভিন্ন জায়গায় প্রার্থী ঘোষণা করেছে। বড় বড় দলগুলো নির্বাচনমুখী। আমরা ভালো একটা নির্বাচন দেখব । ইলেকশনের জোয়ার বইছে । একজন হেভিওয়েট ক্যানডিডেট এখানে আছেন । আমরা দেখলাম প্রচুর পোস্টার ব্যানার ।
শফিকুল আলম বলেনে, ১৩ নভেম্বরকে সামনে রেখে আওয়ামী লীগ এক ধরনের বিশৃঙ্খলা এবং সন্ত্রাসী কার্যক্রম করার চেষ্টা করছে । পুলিশ এ বিষয়ে খুবই সতর্ক অবস্থানে আছে । এখন পর্যন্ত সারাদেশে ৭টি বাসে আগুন দিয়েছে । আমাদের ধারণা এটা আওয়ামী লীগের লোকজন করেছে । একজনকে হাতেনাতে ধরা হয়েছে ডেমরা এলাকা । তার বাড়ি গোপালগঞ্জে । এছাড়াও ময়মনসিংহে একজন বাস চালককে ঘুমন্ত অবস্থায় আগুনে পুড়িয়ে মেরেছে । সবগুলো নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের কাজ । এই কার্যক্রমের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ প্রমাণ করেছে কেনো তাদের নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আওয়ামী লীগ টেরোরিস্ট দল ।
নির্বাচনের কাউন্টডাউন শুরু হয়েছে এ বিষয়ে তিনি বলেন তিন মাসের মধ্যেই ইলেকশন এবং তিন মাসের কমের মধ্যেও নির্বাচন হতে পারে । ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে নির্বাচন । আমাদের কথা হচ্ছে নিশ্চিত থাকেন খুব সুন্দর একটা নির্বাচন হবে । চারটা ছাত্র নির্বাচনে দেখেছেন আশি শতাংশ পর্যন্ত ভোট করেছে ।
কুলিয়ারা উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন মজুমদারের সভাপতিত্বে ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী অফিসার জামাল হোসেন, অফিসার ইনচার্জ মো. হিলাল উদ্দিন । এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সহকারী শিক্ষক ও ছাত্রছাত্রীবৃন্দ ।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ‘চলো একসাথে গড়ি বাংলাদেশ’ স্লোগানকে সামনে রেখে নিজেদের নির্বাচনি ‘ইশতেহার’ ঘোষণা করেছে কুমিল্লা-৬ আসনে ১১ দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থী, কুমিল্লা মহানগরীর আমীর ও জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য কাজী দ্বীন মোহাম্মদ।
ইশতেহারে একটি ‘সমৃদ্ধ কুমিল্লা বিনির্মাণের অঙ্গিকার’ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য কুমিল্লা বিভাগ বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন বিষয়কে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ইশতেহার প্রকাশ করেন কুমিল্লা-৬ আসনের এগার দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থী। রাষ্ট্র পরিচালনায় যুবকদের প্রাধান্য, নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত, প্রযুক্তি নির্ভর সমাজ গঠন জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপসহ বিভিন্ন বিষয় প্রাধান্য পেয়েছে কাজী দ্বীন মোহাম্মদের নির্বাচনী ইশতেহারে।
যে সব বিষয় অগ্রাধিকার পেল ইশতেহারে:
বিভাগ বাস্তবায়ন-
ক. কুমিল্লাকে কুমিল্লা নামেই আমরা বিভাগ করার যাবতীয় কার্যক্রম গ্রহণ করবো।
খ. বৃহত্তর কুমিল্লার বিভিন্ন জেলাগুলোর সহজতর যোগাযোগ সুবিধা বিবেচনায় রেখে বিভাগীয় দপ্তর স্থাপন করা।
আধুনিক নগরায়ন-
নগরীর উল্লেখযোগ্য স্থাপনা সংস্কার করে আধুনিক, নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব কুমিল্লা প্রতিষ্ঠা করা।
বিমান বন্দর-
কুমিল্লায় আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
জলাবদ্ধতা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা-
ক. পরিকল্পিত ড্রেনেজ সিস্টেম প্রতিষ্ঠা। খ. খাল ও জলাধারগুলো পর্যাপ্ত খনন ও পরিচ্ছন্ন রাখার ব্যবস্থা করা। গ. ইপিজেডের বিষাক্ত বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আন্তর্জাতিক মানের বর্জ্য পরিশোধনাগার স্থাপন।
যানজট নিরসন-
ক. ফুটপাথ দখলমুক্ত করে পথচারীদের চলাচল নির্বিঘ্ন করা। খ. ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাকে আধুনিকায়ন করা।গ. পর্যাপ্ত ফ্লাইওভার, আন্ডারপাস, ফুটওভারব্রীজ নির্মাণ করা। ঘ. সড়কে অবৈধ পার্কিং বন্ধের উদ্যোগ গ্রহণ।
রেললাইন-
কুমিল্লা-ঢাকা সরাসরি রেললাইন নির্মাণ করা হবে কুমিল্লাবাসী যাতে স্বল্প সময়ে ট্রেনে চলাচল করে কুমিল্লা-ঢাকা নির্বিঘ্নে যাতায়াত করতে পারে।
শিক্ষা-
ক. প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন।খ. কুমিল্লা জিলা স্কুল ও ফয়জুন্নেছা সরকারি স্কুলের অবকাঠামো উন্নয়ন করে ভর্তির কোটা বৃদ্ধি করা হবে।গ. সদর দক্ষিণে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও কামিল মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ। ঘ. তরুণ সমাজকে দক্ষ করে তুলতে কয়েকটি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ।
স্বাস্থ্য-
ক. কুমিল্লা সদর হাসপাতালকে ২৫০ বেডে উন্নীতকরণ।খ. শিশু ও মায়েদের সুচিকিৎসার লক্ষ্যে বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণ।
গ. ক্যান্সার ও হৃদরোগীদের চিকিৎসায় আধুনিক হাসপাতাল গড়ে তোলার পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে।
যোগাযোগ ব্যবস্থা-
ক. গোমতী নদীতে বিদ্যমান চাঁনপুর ব্রীজকে প্রশস্থ করে পাকা করা এবং নদীর দু’পাড় রক্ষায় বাঁধ উঁচু করে নির্মাণ করা। খ. সকল ধরণের সড়ক প্রশস্থ করে সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহণ।
মাদকমুক্ত কুমিল্লা গড়া-
ক. সর্বগ্রাসী মাদককে নির্মূলের লক্ষ্যে মোটিভেশন কার্যক্রম জোরদার করা।
খ. মাদক নিষিদ্ধে সামাজিক ও প্রশাসনিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা।গ. প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মনিটরিং সেল গঠন করা।
বেকারত্ব নিরসন-
ক. কুমিল্লায় ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইকোনমিক জোন গঠন। খ. ফ্রিল্যান্সিং আইটি পার্ক প্রতিষ্ঠা।
গ. নতুন উদ্যোক্তাদের জন্যে বিনিয়োগ লোন স্কিম চালুর উদ্যোগ গ্রহণ।
কৃষক ও শ্রমিকের জীবনোন্নয়ণ-
ক. বিনা সুদে ঋণ বিতরণ। খ. কৃষি পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকরণ। গ. কীটনাশক, সার ও বীজ স্বল্প মূল্যে প্রপ্তির ব্যবস্থাকরণ।ঘ. শ্রমিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় উদ্যোগী ভূমিকা পালন।
ঘ. শ্রমিকদের জন্য সেফটি নেট, স্বাস্থ্য কার্ডের ব্যবস্থাকরণ।
ধর্মীয় সম্প্রীতি ও শান্তিপূর্ণ সহবস্থান-
ক. সকল ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন-বাজেট তৈরী করণ। খ. ধর্মীয় উৎসবের নিরাপত্তা নিশ্চিতে ব্যবস্থা গ্রহণ। গ. সকল ধর্মের লোকদের সমান নাগরিক অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ।
সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত কুমিল্লা প্রতিষ্ঠা-
ক. সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে সামাজিক ও প্রশাসনিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা। খ. ব্যবসা কেন্দ্র ও সমাজের সর্বস্তর থেকে চাঁদাবাজি ব্যবস্থা নির্মূলে চূড়ান্ত পদক্ষেপ গ্রহণ।
নারী ও শিশু উন্নয়ন
ক. নারীদের সামাজিক মর্যাদা রক্ষায় ইভটিজিং বিরোধী নারী বান্ধব সমাজ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ। খ. নারীর কর্মসংস্থান ও নারী উদ্যোক্তা তৈরীতে উদ্যোগ গ্রহণ। গ. শিশুদের মানসিক ও শারীরিক বিকাশে প্রতি ওয়ার্ড ও ইউনিয়নে পর্যাপ্ত খেলার মাঠ তৈরীর ব্যবস্থা করা।
প্রবাসীদের জন্য কল্যাণমুখী উদ্যোগ গ্রহণ-
ক. দক্ষতা অর্জনের জন্য আর্থিক সহায়তা ও ঋণ সুবিধা প্রদান। খ. রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের সন্তানদের অধিক হারে শিক্ষাবৃত্তি প্রদান।
গ. প্রবাসীদের পরিবারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
গণমাধ্যম-
ক. গণমাধ্যম কর্মীদের দক্ষ করে তুলতে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ।
খ. গণমাধ্যম কর্মীদের জন্য স্বতন্ত্র বেতন কাঠামো নির্ধারণ। গ. কুমিল্লা প্রেসক্লাব ভবন আধুনিক কমপ্লেক্সে রূপান্তর করণ।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে দালালমুক্ত করার অভিযানে গিয়ে দালালের হাতে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত হয়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মহিবুস সালাম খান।
ঘটনার পরপরই ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযুক্ত আক্তার হোসেনকে (৩০) তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন এবং পুলিশ তাকে জেলহাজতে পাঠায়।
ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের সামনে। দণ্ডপ্রাপ্ত আক্তার দেবীদ্বার পৌর এলাকার ছোট আলমপুর গ্রামের নুরুল আলমের ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্যমতে, দেবীদ্বার উপজেলায় প্রায় ৩৭টি প্রাইভেট হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সঙ্গে যুক্ত দালালচক্র দীর্ঘদিন ধরে সরকারি হাসপাতালের রোগীদের টার্গেট করে প্রতারণা চালিয়ে আসছে।
বিভিন্ন সময়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর অভিযানে এসব দালাল আটক হলেও জামিনে বেরিয়ে আবারও একই কাজে জড়িয়ে পড়ে।
সকালে নিয়মিত পরিদর্শনের সময় জরুরি বিভাগে দালাল আক্তারকে দেখে ডা. মহিবুস সালাম তাকে সরে যেতে বলেন। কিন্তু তিনি উল্টো তর্কে জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে তাকে আটকাতে গেলে আক্তার হোসেন স্বাস্থ্য কর্মকর্তার ওপর হামলা করে শার্ট ছিঁড়ে ফেলে এবং শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন। পরে স্থানীয়রা তাকে ধরে একটি কক্ষে আটকে রাখে।
খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রাকিবুল ইসলাম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তাৎক্ষণিক বিচার পরিচালনা করেন।
তিনি সরকারি কাজে বাধা সৃষ্টি ও সরকারি কর্মকর্তাকে লাঞ্ছিত করার অপরাধে আক্তারকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আক্তার হোসেনের বিরুদ্ধে আগে থেকেই হাসপাতালের ভেতরে রোগী ও স্বজনদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার, ডাক্তারদের হুমকি দেওয়া এবং ভর্তি রোগীদের কাছ থেকে টাকা-পয়সা হাতিয়ে নেওয়ার একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এমনকি তিনি পকেটে ব্লেড রেখে চিকিৎসকদের ভয় দেখাতেন বলেও জানা গেছে।
ঘটনা প্রসঙ্গে ডা. মহিবুস সালাম খান বলেন, দালালকে বের হতে বললে সে অবাধ্য আচরণ করে। পরে জোর করে বের করতে গেলে আমাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে ও আমার পোশাক ছিঁড়ে ফেলে।
অন্যদিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রাকিবুল ইসলাম জানান, দেবীদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে দালালমুক্ত করা এখন বড় চ্যালেঞ্জ। সরকারি কর্মকর্তাকে লাঞ্ছিত করা ও রোগীদের হয়রানির ঘটনায় অভিযুক্তকে তিন মাসের সাজা দেওয়া হয়েছে। এ ধরনের অভিযান নিয়মিত চলবে।
মন্তব্য করুন


কিশোরগঞ্জের হাওরের মিঠামইন জিরোপয়েন্ট থেকে অষ্টগ্রাম জিরোপয়েন্ট পর্যন্ত ১৪
কিলোমিটার অলওয়েদার সড়কে একটি আলপনা আঁকা হয়েছে।
এশিয়াটিক এক্সপেরিয়েনশিয়াল মার্কেটিং লিমিটেড, বাংলালিংক ডিজিটাল কমিউনিকেশনস
লিমিটেড ও বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেডের যৌথ উদ্যোগের এই আয়োজনের নাম দেওয়া হয়েছে
‘আল্পনায় বৈশাখ ১৪৩১’।
গত শুক্রবার (১২ এপ্রিল) শুরু হওয়া এই বৈশাখী আলপনা অঙ্কন শেষ হয় রোববার (১৪
এপ্রিল)।
আর এই বৈশাখী আলপনা অঙ্কন করেছেন প্রায় ৭০০ জন শিল্পী।
কিশোরগঞ্জের হাওরের মিঠামইনে ১৪ কিলোমিটার সড়কে বৈশাখী আলপনা ঘুরে দেখলেন ডাক,
টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এবং রোববার
(১৪ এপ্রিল) সকালে মিঠামইন উপজেলার অলওয়েদার সড়কের জিরো পয়েন্টে প্রধান অতিথি হিসেবে
উপস্থিত থেকে তুলির আঁচড়ের মাধ্যমে বৈশাখী আলপনার সমাপ্তি করেন।
একটি মোটরসাইকেল নিজেই চালিয়ে মিঠামইন অলওয়েদার সড়কের জিরো পয়েন্টে থেকে ঘুরতে
বের হন প্রতিমন্ত্রী। এসময় তার পেছনে বসা ছিলেন কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম
উপজেলা) আসনের সংসদ সদস্য রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক।
জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, কোভিড-১৯ পরবর্তী পহেলা বৈশাখের আলপনার উৎসব আবার
ফিরে আসায় বাঙালি চেতনার উদযাপন তার চেনা রূপ লাভ করেছে। আয়োজকদের প্রতি আমি শুভকামনা
জানাচ্ছি । এ আয়োজন ইতিহাসের পাতায় নাম লেখাবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা
অ্যাডভোকেট মো. জিল্লুর রহমান, বাংলালিংকের চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স
অফিসার তাইমুর রহমান প্রমুখসহ সংশ্লিষ্ট আরো অনেকেই।
এই সড়কের আলপনা আঁকার পর বিশ্বরেকর্ড হিসেবে গিনেস বুকে নথিভুক্ত করার উদ্যোগ
নেবেন আয়োজকরা।
মন্তব্য করুন


কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক মসজিদ হচ্ছে পাগলা মসজিদ। কিশোরগঞ্জ পৌর শহরের নরসুন্দা নদীর তীরে অবস্থিত এ মসজিদটির ৯টি লোহার দানবাক্স রয়েছে।
প্রতি ৩মাস পর পর দানবাক্সগুলো খোলা হয়। এবার ৩ মাস ২০ দিন পর দানবাক্সগুলো খুলে ২৩ বস্তা টাকা পাওয়া গেছে।
শনিবার ( ৯ ডিসেম্বর) সকাল পৌনে ৮টার দিকে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্টেট ও দানবাক্স খোলা কমিটির আহ্বায়ক কাজী মহুয়া মমতাজের তত্ত্বাবধানে দানবাক্সগুলো খোলা হয়। এ সময় ২৩ বস্তা টাকাসহ বৈদেশিক মুদ্রা ও সোনার গয়না পাওয়া গেছে। এখন গণনার কাজ চলছে।
এ সময় জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ ও পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রাসেল শেখ উপস্থিত ছিলেন।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ জানান, টাকা গণনা কাজে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) এ.টি.এম ফরহাদ চৌধুরী, রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর (এনডিসি) শেখ জাবের আহমেদ, সহকারী কমিশনার রওশন কবীর, মাহমুদুল হাসান, সামিউল ইসলাম, আজিজা বেগম, মসজিদের পেশ ইমাম মুফতি খলিলুর রহমান, রূপালী ব্যাংকের সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) রফিকুল ইসলাম, ব্যাংকের ৫০ জন স্টাফ, মাদরাসার ১১২ জন ছাত্র, মসজিদ কমিটির ৩৪ জন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ১০ জন সদস্য অংশ নিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


জেলা তথ্য অফিস, কুমিল্লার আয়োজনে লাকসাম উপজেলার দৌলতগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ)’র আওতায় স্মার্ট বাংলাদেশ ও ভিশন: ২০৪১, সরকারের অর্জিত সাফল্য ও উন্নয়ন পরিকল্পনা, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ১০টি বিশেষ উদ্যোগ, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের গুরুত্ব এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধ, মাদক, গুজব, সাম্প্রদায়িকতা, অপপ্রচার, অপরাজনীতি এবং সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ প্রতিরোধ বিষয়ে বুধবার (২৪ জানুয়ারি) নারী সমাবেশ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সহকারী তথ্য অফিসার মোহাম্মদ রাশেদুল হক এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, লাকসাম উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: আব্দুল হাই সিদ্দিকী। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো: মাজহারুল ইসলাম, সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার সুমন চন্দ্র দেবনাথ ও দৌলতগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্কুল কমিটির সভাপতি মো: আবুল কাশেম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন দৌলতগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিশ্ব জিত চন্দ্র সাহা। নারী সমাবেশের পূর্বে চলচ্চিত্র প্রদর্শন অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে বক্তাগন বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মান করতে সক্ষম হয়েছেন। ডিজিটাল বাংলাদেশের সুফল আপনারা পাচ্ছেন। এখন স্কুল-কলেজে ভর্তির জন্য ঢাকা, চট্টগ্রাম যেতে হয় না। বাড়িতে বসে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করা যায়। মোবাইল এ্যাপসের মাধ্যমে বিদেশ থেকে টাকা চলে আসে, স্কুলে উপবৃত্তির টাকা মোবাইলে চলে আসে। স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে নারী সমাজের ভূমিকা অপরিসীম, শিক্ষার ক্ষেত্রেও নারীর ভূমিকা অপরিসীম। অগ্রগতির ধারা অব্যাহত রাখতে গুজব, সাম্প্রদায়িকতা, অপরাজনীতি, অপপ্রচারকে প্রতিরোধ করতে হবে। উন্নত রাষ্ট্রের শিক্ষা ব্যবস্থা প্রচলন ও বিনা মূল্যে বই বিতরণসহ শিক্ষা ক্ষেত্রে বিভিন্ন কার্যক্রমের কথা উল্লেখ করে সমৃদ্ধ বাংলাদেশের উপযোগী মানুষ হিসেবে সন্তানদের গড়ে তোলার জন্য সকলের প্রতি আহবান জানান। বক্তাগন মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ এর প্রতি জিরো টলারেন্সের কথা উল্লেখ করে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি সম্মান দেখিয়ে মানুষকে এই অপারাধ গুলির বিরুদ্ধে জোরালো ভূমিকা রাখার অনুরোধ করেন।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের
সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় শহরের দেশপ্রিয় রেস্টুরেন্টে কুমিল্লা বাঁচাও মঞ্চের উদ্যোগে এ সভার আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শ্রী যুবরাজ ভৌমিক এবং
সঞ্চালনা করেন কুমিল্লা মহানগর কুমিল্লা বাঁচাও মঞ্চের সদস্য সচিব নাসির উদ্দিন। সভার
শুরুতে পবিত্র গীতা পাঠ করেন শ্রী মধুসূদন রায়। স্বাগত বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা বাঁচাও
মঞ্চের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ও নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর অতিরিক্ত
পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আব্দুল মোতালেব মজুমদার।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জননেতা,
বীর মুক্তিযোদ্ধা, সাবেক সংসদ সদস্য ও হুইপ মনিরুল হক চৌধুরী। এছাড়া বক্তব্য রাখেন
শ্রী শ্যামা প্রসাদ ভট্টাচার্য, জহিরুল হক দুলাল, হাজী সিদ্দিকুর রহমান, অমল চন্দ্র
দত্ত (সভাপতি, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, কুমিল্লা মহানগর), শ্রী যুগেশ সরকার (সভাপতি,
বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, আদর্শ সদর), নিহাদ দত্ত সিং (২২ নং ওয়ার্ড), শ্রী চন্দন
চক্রবর্তী (সভাপতি, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, সদর দক্ষিণ), শ্রী সম্পদ পাল (সাধারণ
সম্পাদক, সদর দক্ষিণ), শ্রী মধুসূদন রায় (সাধারণ সম্পাদক, আদর্শ সদর), সজল পাল (সভাপতি,
বারোপাড়া), সুশীল মজুমদার (সভাপতি, শিব মন্দির, সদর দক্ষিণ) প্রমুখ।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ড. এম এম শরিফুল করিম (চেয়ারম্যান,
ইংরেজি বিভাগ, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়), অ্যাডভোকেট আক্তার হোসেন (সভাপতি, বিএনপি
সদর দক্ষিণ উপজেলা), আমানুল্লাহ আমান (সাবেক চেয়ারম্যান), ওমর ফারুক চৌধুরী (সাধারণ
সম্পাদক, বিএনপি সদর দক্ষিণ উপজেলা), মোহাম্মদ আলী ফারুক (সহ-সভাপতি, কুমিল্লা বাঁচাও
মঞ্চ কেন্দ্রীয় কমিটি), খলিলুর রহমান মজুমদার (সাবেক কাউন্সিলর), সোহেল মজুমদার (যুগ্ম
সাধারণ সম্পাদক), সাজেদা আক্তার লাভলী এবং ফর মাইনুল হোসেন রিপন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণভাবে
উদযাপনের জন্য সব ধর্মের মানুষের পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ
করেন।
মন্তব্য করুন


মো: বাকী অনিক, প্রতিবেদক:
কুমিল্লা নগরীর চকবাজার কাশারী পট্টি চুন্নি বাবা মাজার সংলগ্ন এলাকায় রাতভর তাণ্ডব চালাচ্ছে একটি প্রভাবশালী মহল। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আওয়ামী লীগের কিছু দোসর এবং তাদের সহযোগী সংগঠন ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও কৃষকলীগের একাংশ রাস্তায় প্রকাশ্যে চেয়ার বসিয়ে গভীর রাত পর্যন্ত আড্ডা, মাদকসেবন ও মাদক বিক্রিসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রতিদিন রাত ২টা পর্যন্ত তারা বহিরাগতদের সঙ্গে নিয়ে মাদকসেবন ও বাণিজ্যে লিপ্ত থাকে। এতে এলাকার সাধারণ মানুষ আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে।
অভিযোগ রয়েছে, এই চক্রের সঙ্গে চকবাজার পুলিশ ফাঁড়ির কিছু সদস্যের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। নিয়মিত লেনদেনের পাশাপাশি ফাঁড়ির কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাদের রাতের খাবার ও পার্টি আয়োজনেরও প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
জানা যায়, এই বাহিনীর অনেক সদস্যের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের নাম ব্যবহার করে ফ্যাসিবাদী কর্মকাণ্ডসহ একাধিক মামলা রয়েছে। তবুও তাদের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি স্থানীয় প্রশাসন।
কুমিল্লা টোয়েন্টিফোর টেলিভিশনের অনুসন্ধানী সাংবাদিক গত এক সপ্তাহ ধরে এই বিষয়টি নিয়ে মাঠ পর্যায়ে অনুসন্ধান চালিয়ে আসছেন। কিন্তু এ কারণে তাকে নানা রকম হুমকির মুখে পড়তে হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এই বিষয়ে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি), চকবাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সার্কেল)কে একাধিকবার অবগত করা হলেও এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।
এই ঘটনাকে ঘিরে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সচেতন মহল। স্থানীয়রা বলছেন, “পুলিশ যদি অপরাধীদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দেয়, তবে সাধারণ মানুষ কোথায় যাবে?”
জানা গেছে, বিষয়টির তথ্য-প্রমাণসহ লিখিতভাবে মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা, মাননীয় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা এবং মাননীয় ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশের (আইজিপি) কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিলের প্রস্তুতি নিচ্ছেন কুমিল্লা টোয়েন্টিফোর টেলিভিশনের সংশ্লিষ্ট রিপোর্টার।
মন্তব্য করুন