

বাগেরহাটের
মোরেলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সরকারি ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রী সংরক্ষণ নিয়ে
গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ সামনে এসেছে। হাসপাতালের পরিত্যক্ত ভবন এবং বাথরুমে বিপুল পরিমাণ
সরকারি ওষুধ, স্যালাইন ও চিকিৎসাসামগ্রী পড়ে থাকার ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর স্বাস্থ্য
বিভাগ তদন্তে নেমেছে। একইসঙ্গে সংশ্লিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার পরিচালিত একটি
বেসরকারি ক্লিনিক বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রোববার
দুপুরে হাসপাতালটি পরিদর্শন করেন খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. শেখ মো. মোশাররফ
হোসেন। তার সঙ্গে ছিলেন বিভাগীয় প্রশাসনিক কর্মকর্তা (স্বাস্থ্য) শফিউর রহমান এবং
বাগেরহাটের সিভিল সার্জন আ স ম মাহবুবুর রহমান।
পরিদর্শনের
সময় স্বাস্থ্য পরিচালক হাসপাতালের নারী ও পুরুষ ওয়ার্ড ঘুরে দেখেন। তিনি ভর্তি রোগীদের
সঙ্গে কথা বলে চিকিৎসাসেবার মান, ওষুধ সরবরাহ এবং খাবারের গুণগত মান সম্পর্কে সরাসরি
তথ্য নেন। পাশাপাশি হাসপাতালের সার্বিক ব্যবস্থাপনাও মূল্যায়ন করা হয়।
পরিদর্শন
শেষে হাসপাতালের পরিত্যক্ত ভবনে সংরক্ষিত প্রায় ৩০ ধরনের মেয়াদোত্তীর্ণ সরকারি ওষুধ
দ্রুত অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়। স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, এসব ওষুধের আনুমানিক
মূল্য প্রায় ২৯ লাখ টাকা।
এ
বিষয়ে জেলা সিভিল সার্জনকে যথাযথ নিয়ম মেনে ওষুধ অপসারণ করে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে
প্রতিবেদন পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে এসব ওষুধ পরিত্যক্ত
অবস্থায় পড়ে থাকার কারণ জানতে সংশ্লিষ্ট সময়ে দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের কারণ
দর্শানোর নোটিশ দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
হাসপাতাল
পরিদর্শনের পর বিকেলে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা কামাল হোসেন মুফতির পরিচালিত ‘ফ্যামিলি
হেলথ ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার’ বন্ধ করার নির্দেশ দেন বিভাগীয় স্বাস্থ্য
পরিচালক। বিষয়টি নিয়ে স্বাস্থ্য বিভাগ পরবর্তী প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি
নিচ্ছে।
এর
আগে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন আকস্মিকভাবে মোরেলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য
কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন। দীর্ঘ সময় ধরে হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখার সময়
তিনি পরিত্যক্ত ভবনের কক্ষে বিপুল সরকারি ওষুধ, স্যালাইন, সিরিঞ্জ এবং চিকিৎসাসামগ্রী
সংরক্ষিত অবস্থায় দেখতে পান। এমনকি হাসপাতালের বাথরুমেও ওষুধ ও স্যালাইনের স্তূপ পাওয়া
যায়।
ঘটনাটি
নজরে আসার পরই সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। সেই
নির্দেশনার ধারাবাহিকতায় বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তদন্ত
ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন।
স্বাস্থ্য
বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সরকারি ওষুধ সংরক্ষণে অনিয়ম, মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ
অপসারণে অবহেলা এবং হাসপাতাল ব্যবস্থাপনায় দায়িত্বে গাফিলতির বিষয়গুলো তদন্তের মাধ্যমে
পর্যালোচনা করা হবে। তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয়
প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লায় পৃথক অভিযানে যানবাহনসহ ৯২ লাখ ৯০ হাজার ৫০০ টাকার অবৈধ ভারতীয় বিভিন্ন ধরনের শাড়ি ও থ্রিপিস উদ্ধার করেছে কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি)। রোববার ভোরে কুমিল্লা সীমান্তবর্তী চৌদ্দগ্রাম উপজেলা ও সদর উপজেলা থেকে এসব মালামাল উদ্ধার করা হয়। রোববার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে বিজিবি।
বিজিবি জানায়, কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) নিজস্ব দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধসহ আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় রোববার ভোরে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার আওতাধীন শিবেরবাজার বিওপি'র বিশেষ টহলদল এবং আদর্শ সদর উপজেলার আওতাধীন কটকবাজার পোস্টের বিশেষ টহল দল দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান বিরোধী পৃথক পৃথক অভিযান পরিচালনা করে।
উক্ত অভিযানে সীমান্তের ৬ কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে চৌয়ারা বাজার এবং ৫ কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পালপাড়া নামক স্থানে বিজিবি টহল দল কর্তৃক মালিকবিহীন অবস্থায় যানবাহনসহ অবৈধ ভারতীয় শাড়ি, থ্রিপিস, রেডবুল এবং মুভ মলম আটক করে। আটককৃত মালামালের সর্বমোট মূল্য ৯২ লাখ ৯০ হাজার ৫০০ টাকা। জব্দকৃত মালামাল বিধি মোতাবেক কাস্টমসে জমা করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


সরকারি
এবং বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে ২০২৪ শিক্ষাবর্ষে ১ম শ্রেণি থেকে ৯ম শ্রেণি পর্যন্ত
ভর্তির লক্ষ্যে টেলিটকের কারিগরি সহায়তায় ডিজিটাল অনলাইন লটারির মাধ্যমে প্রস্তুতকৃত
ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে আজ।
২৮
নভেম্বর বেলা সাড়ে ১১টায় বোতাম টিপে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এই ফল প্রকাশ করেন।
এই
সময় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক
ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব সোলেমান খান, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি)
মহাপরিচালক অধ্যাপক নেহাল আহমেদ, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার
সরকার সহ আরো অনেকে ।
ডিজিটাল
লটারির ভর্তির ফলাফল এসএমএসের মাধ্যমে জানার জন্য মোবাইলে GSA লিখে স্পেস দিয়ে
Result লিখে স্পেস দিয়ে User ID লিখে পাঠিয়ে দিতে হবে ১৬২২২ নাম্বারে।
মন্তব্য করুন


বিশ্বকাপের উত্তেজনার মধ্যেই নতুন বিতর্কে জড়িয়েছে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ)। যুক্তরাষ্ট্রে সংস্থাটির আর্থিক লেনদেন, স্পন্সরশিপ আয় এবং বাণিজ্যিক কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেছে মার্কিন কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই) ও বিচার বিভাগ। তদন্তে অর্থ পাচার, ওয়্যার জালিয়াতি এবং সম্ভাব্য কর ফাঁকির অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যম লা নাসিওন।
প্রতিবেদন
অনুযায়ী, ওয়াশিংটন ডিসি ও মায়ামির ফেডারেল প্রসিকিউটররা তদন্তে অংশ নিয়েছেন। তারা খতিয়ে
দেখছেন, এএফএর আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক ও স্পন্সরশিপ চুক্তি থেকে আসা শত শত মিলিয়ন মার্কিন
ডলার কীভাবে যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক ব্যবস্থার মাধ্যমে স্থানান্তর হয়েছে এবং এসব লেনদেনে
যুক্তরাষ্ট্রের আইন লঙ্ঘনের কোনো ঘটনা ঘটেছে কি না।
এফবিআইয়ের
এ তদন্তের কেন্দ্রে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডাভিত্তিক ট্যুরপ্রডএন্টার এলএলসির
বিরুদ্ধে। আন্তর্জাতিক স্পোর্টস মার্কেটিং ও ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের এ প্রতিষ্ঠানটি
বিদেশে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের বাণিজ্যিক আয় ও বিপণন-সংক্রান্ত আর্থিক কার্যক্রম
পরিচালনা করতো।
গোপন
ব্যাংকিং নথির তথ্যের ভিত্তিতে লা নাসিওন দাবি করেছে, এএফএর অন্তত ৪ কোটি ২০ লাখ মার্কিন
ডলার কয়েকটি শেল কোম্পানির মাধ্যমে স্থানান্তর করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, এসব প্রতিষ্ঠানের
কোনো কর্মচারী বা দৃশ্যমান বাণিজ্যিক কার্যক্রম ছিলো না।
তদন্তকারীরা
বর্তমানে ক্রীড়া ব্যবসার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীদের জিজ্ঞাসাবাদ
করছেন। এর অংশ হিসেবে গত সপ্তাহে আর্জেন্টাইন ফুটবলভিত্তিক ব্যবসায়ী গিয়ের্মো তোফোনির
সঙ্গে প্রায় তিন ঘণ্টার একটি ভার্চুয়াল বৈঠকও হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
যদিও তিনি বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত বা অস্বীকার করেননি।
এ
ছাড়া তদন্তে আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই সরকারের কয়েকজন সাবেক কর্মকর্তাকেও
সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য ডাকার বিষয়টি বিবেচনা করছে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ। তদন্তকারীদের
ধারণা, এসব কর্মকর্তা এএফএর কার্যক্রম সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের নাগাল পেয়েছিলেন।
লা
নাসিওন জানিয়েছে, গত বছরই যুক্তরাষ্ট্রে এই তদন্তের প্রস্তুতি শুরু হয়। তদন্ত পরিচালনা
করছেন ওয়াশিংটন ডিসি ও ফ্লোরিডার অন্তত তিনজন ফেডারেল প্রসিকিউটর। তাদের মধ্যে রয়েছেন
ব্যাংকিং ও আর্থিক অপরাধ তদন্তে অভিজ্ঞ কর্মকর্তারাও।
প্রতিবেদন
অনুযায়ী, ট্যুরপ্রডএন্টার এলএলসির মালিক হাভিয়ের ফারোনি ও তার স্ত্রী এরিকা জিলেট যুক্তরাষ্ট্রের
পাঁচটি ব্যাংকের মাধ্যমে শত শত মিলিয়ন ডলারের লেনদেন পরিচালনা করেছেন। ব্যাংকগুলো হলো
সিটিব্যাংক, সিনোভাস, ব্যাংক অব আমেরিকা, জেপি মরগ্যান এবং পিএনসি ব্যাংক। এসব হিসাবের
মাধ্যমে এএফএর অন্তত ২৬ কোটি মার্কিন ডলারের আয় পরিচালিত হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
তবে অর্থের একটি বড় অংশের অর্থনৈতিক যৌক্তিকতার স্পষ্ট ব্যাখ্যা তদন্তকারীরা এখনো পাননি।
প্রতিবেদনে
আরও বলা হয়েছে, অ্যাডিডাস ও ওয়ার্নারের মতো বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এএফএর আন্তর্জাতিক
চুক্তি থেকে পাওয়া অর্থও ট্যুরপ্রডএন্টার এলএলসির মাধ্যমে পরিচালিত হয়েছে।
চুক্তি
অনুযায়ী, কর পরিশোধের পর আন্তর্জাতিক আয়ের ৩০ শতাংশ এবং অতিরিক্ত ১০ শতাংশ লজিস্টিক
কমিশন পেয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। এসব আর্থিক নথিই বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ ও
এফবিআই বিশ্লেষণ করছে।
অন্যদিকে
সব অভিযোগ অস্বীকার করেছে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন। সংস্থাটি বলেছে, ট্যুরপ্রডএন্টার
এলএলসির সঙ্গে তাদের বৈধ ও কার্যকর চুক্তি রয়েছে এবং সেটি আর্জেন্টিনা ও যুক্তরাষ্ট্রের
আদালতে উপস্থাপন করা হয়েছে। কোথাও কোনো অনিয়ম পাওয়া যায়নি।
এএফএর
দাবি, তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ এবং প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলো দেশের ফুটবল প্রশাসনকে
অস্থিতিশীল করার উদ্দেশ্যে পরিচালিত একটি রাজনৈতিক প্রচারণার অংশ।
বিশ্বকাপ
চলাকালীন এই তদন্ত আর্জেন্টিনা ফুটবলকে নতুন বিতর্কের মুখে ফেলেছে। তবে এখন পর্যন্ত
এটি প্রাথমিক তদন্ত পর্যায়ে রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ এখনো এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক
কোনো অভিযোগ দায়ের করেনি বা তদন্তের ফলাফল প্রকাশ করেনি।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি :
সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ও চাষিদের সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সরকার। শনিবার সকালে কুমিল্লায় এক অনুষ্ঠানে এ কথা জানিয়েছেন কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ ইয়াছিন।
তিনি বলেন, দেশের যেসব এলাকায় সাম্প্রতিক বন্যায় কৃষক ও চাষিরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সেসব এলাকার ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। সরকার তাদের প্রয়োজনীয় সকল সহায়তা করবে।
কুমিল্লা টাউন হল মাঠে সপ্তাহব্যাপী বৃক্ষমেলার উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। এর আগে তিনি মেলার উদ্বোধনী উপলক্ষে একটি র্যালিতে অংশ নেন। মেলায় ফলজ ও বনজ স্টল পরিদর্শন করেন তিনি।
বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অনিয়ম নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর অসন্তোষ প্রসঙ্গে কৃষিমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিনের লুটপাটের অভ্যাস অনেকের এখনও যায়নি। তবে সবাইকে মনে রাখতে হবে, সরকার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ঘোষণা করার পর প্রধানমন্ত্রী নিজেই এর অগ্রগতি নিয়মিত তদারকি করছেন। তাই এ কর্মসূচিতে অনিয়মের কোনো সুযোগ নেই।
কুমিল্লা সামাজিক বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন বলেছেন, কুমিল্লার পরিবেশ সংরক্ষণ রক্ষা এবং সবুজায়ন বৃদ্ধির লক্ষ্যে আয়োজিত বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলার এ কর্মসূচিতে সবার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ জরুরি। আমরা আশা করব, মেলায় সর্বস্তরের মানুষ আসবেন। তাদের পছন্দের বৃক্ষ কিনবেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু, জেলা প্রশাসক রোজী আকতার, পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামানসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা এবং সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


জাতীয়
নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠনক (দক্ষিণ) হাসনাত আব্দুল্লাহ এমপি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, পালিয়ে যাব না বলে যে
পালিয়ে যায়, সে আসি আসি
বলে কখনও আসবে না। ওখান থেকে আসার কথা বলে নেতাকর্মীদেরকে বের করবে আর তারা গণপিটুনি
খাবে।
সোমবার
(২৭ জুলাই) রাতে মেহেরপুরের গাংনী বাস স্ট্যান্ডে এনসিপির জুলাই পদযাত্রা সমাবেশে বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রীকে
‘সাইকো’ উপাধি দিয়ে তিনি বলেন, সংসদে ক্ষমা চাইবেন আবার শিক্ষকদের বদলি করে প্রতিশোধও নেবেন। মন্ত্রনালয় ও প্রশাসনের ব্যর্থতা
কলেজের নিরীহ শিক্ষকদের উপর চাপিয়ে দিয়েছেন। বদলি করেছেন অন্যত্র।
তিনি
আরও বলেন, মিলন সাহেব আমরা আপনার অতীত জানি, আপনার পরিবারের দুর্নীতি সম্পর্কে জানি। আবার নিজেদের ছেলেকে বিদেশে পাড়লেখা করান, আর আমাদের উপদেশ
দেন নেতাদের পেছনে রাজনীতি করার।
সালাহউদ্দীন
আহমদকে উদ্দেশ্য করে বলেন, তার সম্পদ কমেনি। আগের চেয়ে ২৫ গুণ বৃদ্ধি
পেয়েছে। আসলে বিএনপি কোনো নিরপেক্ষতা চায় না। বরং তারা আওয়ামী লীগের মতো দখলদার রাজনীতি করতে চায়।
প্রধান
অতিথির বক্তব্যে আখতার হোসেন এমপি বলেন, আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে অতিষ্ঠ হয়ে দেশের মানুষ সংস্কার চেয়েছিল। অথচ ভোট হওয়ার পর বিএনপি ও
তার শরিক দল আর সংস্কার
চায় না। ঐক্যমত্য কমিশনের আলোচনায় বিএনপি কিছু কিছু বিষয়ে নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছিল।
আর গণঅধিকার পরিষদ, গণসংহতি আন্দোলন নোট অব ডিসেন্ট দেয়নি।
এখন বিএনপির সঙ্গে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব নিয়ে বিএনপির সুরেই কথা বলে।
তিনি
আরও বলেন, বাংলাদেশর ৭০ শতাংশ মানুষ
গণভোটের পক্ষে অবস্থান নিলেও এখন তারা তা মানে না।
জনগণের সিদ্ধান্ত অমান্য করে কেউ ক্ষমতায় থাকতে পারেনি। তাই ক্ষমতায় থাকতে হলে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করতে হবে। কোনো ধরনের দখলের রাজনীতি কেউ মেনে নেবে না।
সমাবেশে
আরও বক্তব্য রাখেন মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণ) ডা. মাহমুদা মিতু এমপি, যুগ্ম আহবায়ক নুসরাত তাবাসুম এমপি, আলী আহসান জুনায়েদ, সরওয়ার তুষার এবং কেন্দ্রীয় যুগ্ম মুখ্য সংগঠক অ্যাড. শাকিল আহমাদ।
সন্ধ্যা
সাড়ে ৭টায় চুয়াডাঙ্গার পদযাত্রা শেষে মেহেরপুরের গাংনীতে পৌঁছায় এনসিপির গাড়িবহর। পুলিশের কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শেষ করে কুষ্টিয়ার উদ্দেশে রওনা দেন তারা।
এর
আগে সকালে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতাদের পোস্টার সম্বলিত কুশপুত্তলিকা এবং দুপুরে মঞ্চের ১০ মিটারের মধ্য
থেকে বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধারের পর নানা শঙ্কা
সৃষ্টি হয়। তবে শেষ পর্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।
মন্তব্য করুন


কক্সবাজারের
চকরিয়ার ডুলাহাজারায় অভিযান চলাকালে ডাকাত দলের ছুরিকাঘাতে নিহত সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা
লেফটেন্যান্ট তানজিম সারোয়ার হত্যা মামলায় চারজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে
পাঁচজনকে যাবজ্জীবন, চারজনকে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড এবং পাঁচজনকে খালাস দেওয়া
হয়েছে।
বুধবার
(২০ মে) দুপুর ১২টার দিকে কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ আবুল মনসুর
সিদ্দিকী এই রায় ঘোষণা করেন। আদালতের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী খুরশেদ আলম চৌধুরী এ তথ্য জানান।
তিনি
বলেন, রাষ্ট্রপক্ষের ৫২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণের মধ্য দিয়ে মামলার বিচারকাজ সম্পন্ন
হয়। সাক্ষীরা নির্ভয়ে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। পরে উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে
আদালত আজ রায় ঘোষণা করেন।
বিগত
২০২৪ সালে কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের পূর্ব মাইজপাড়া গ্রামে
ডাকাতির খবর পেয়ে যৌথবাহিনী অভিযান চালায়। অভিযানের সময় ডাকাত দলের সদস্যরা লেফটেন্যান্ট
তানজিম সারোয়ারকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করে।
এ
ঘটনায় আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, ২৩ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ১২টার
দিকে চকরিয়ার ডুলাহাজারা এলাকায় একটি সন্দেহভাজন বাড়ি ঘিরে ফেলে যৌথ বাহিনী। এ সময়
লেফটেন্যান্ট তানজিম দুই সন্ত্রাসীকে চ্যালেঞ্জ করলে তারা তাকে ছুরিকাঘাত করে। গুরুতর
আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে চকরিয়া খ্রিস্টান হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে
রামু সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) স্থানান্তর করা হয়। সেখানে ভোর ৪টা ৫০ মিনিটে
কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
লেফটেন্যান্ট
তানজিম সারোয়ার হত্যা ঘটনায় দায়ের করা দুটি মামলায় মোট ১৮ জনকে অভিযুক্ত করে ইতোপূর্বে
আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।
মন্তব্য করুন


বিএনপি
চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবার জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে পবিত্র ঈদুল আজহার
নামাজ আদায় করবেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান।
এছাড়া
ঢাকায় ঈদের নামাজ আদায় করবেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন,
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন
আহমদ, বেগম সেলিমা রহমান, সমাজকল্যাণ ও মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড
এম জাহিদ হোসেন এবং জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ।
অন্যদিকে
বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
ঠাকুরগাঁওয়ে ঈদের নামাজ আদায় করবেন।
স্থায়ী
কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান নরসিংদীর পলাশে, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী
চট্টগ্রামে, বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু সিরাজগঞ্জে নামাজ আদায়
করবেন।
জাতীয়
সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম ভোলায় এবং ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার
কায়সার কামাল নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় ঈদের নামাজ আদায় করবেন।
প্রধানমন্ত্রীর
রাজনৈতিক সচিব ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী রাজধানীর ধানমন্ডিতে
ঈদের নামাজ আদায় করবেন বলে জানা গেছে।
এছাড়া
অধিকাংশ মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় ঈদের নামাজে অংশ নেবেন।
ঈদের
নামাজ শেষে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা
জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন এবং কোরআন তেলাওয়াতের কর্মসূচি রয়েছে।
মন্তব্য করুন


ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা
নাহিদ ইসলাম বলেছেন, সাইবার নিরাপত্তা আইনের বিতর্কিত ধারাগুলো পুনর্বিবেচনা করা হবে।
সোমবার (১২ আগস্ট) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে
আইসিটি বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে এ কথা বলেন তিনি।
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা
নাহিদ ইসলাম বলেন, আজকের বৈঠকে মৌলিকভাবে এই বিভাগের বর্তমান অবস্থা, চ্যালেঞ্জ এবং
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আমরা আলোচনা করেছি। আমরা বলতে চাই, সাইবার সিকিউরিটি আইনের
যে ধারাগুলো নিয়ে সমালোচনা রয়েছে সেগুলো পুনর্বিবেচনা করা হবে। এ সময় তিনি বলেন, কোটা
সংস্কার আন্দোলনের সময়ে যেসব স্টার্টআপ শিক্ষার্থীদের পক্ষ নেওয়ায় বিরূপ আচরণের শিকার
হয়েছে, তাদের বিনিয়োগ নিয়ে পুনর্বিবেচনা করা হবে। দেশের শীর্ষস্থানীয় অনলাইন শিক্ষামূলক
প্রতিষ্ঠান ‘টেন মিনিট স্কুল’-এর
জন্য পাঁচ কোটি টাকার বিনিয়োগ প্রস্তাব গত ১৬ জুলাই বাতিল করে আইসিটি বিভাগের আওতাধীন
সরকারি সংস্থা স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেড। টেন মিনিট স্কুলের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও সিইও
আয়মান সাদিক সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের পক্ষ নিয়ে নিজের ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছিলেন।
এর পরই বিনিয়োগ প্রস্তাব বাতিল করা হয়।
এদিকে আন্দোলনকালে ইন্টারনেট শাটডাউন
নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে রবিবারে। কমিটিকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার
কথা।
এর পেছনে যদি সাবেক প্রতিমন্ত্রী বা
কোনো সংস্থাপ্রধান জড়িত থাকেন, তাহলে তাদের বিচারের আওতায় আনা হবে কি না—তা জানতে চাওয়া হলে নাহিদ ইসলাম বলেন,
অবশ্যই পদক্ষেপ নেওয়া হবে। আজকের মধ্যে একটি প্রাথমিক প্রতিবেদন আসবে। এরপর যদি মূল্যায়ন
করে আরও তদন্ত প্রয়োজন হয়, সেটি করা হবে। এতে যদি সরকারের কোনো লোক, সংস্থা বা মন্ত্রী
কেউ জড়িত থাকেন, অবশ্যই বিচার করা হবে। ইন্টারনেটে অবাধে তথ্যপ্রবাহ হয়, এটি মানবাধিকার।
কিন্তু এই ইন্টারনেট বন্ধ করে মানবাধিকার লঙ্ঘন করা হয়েছে, শত শত মানুষকে মেরে ফেলা
হয়েছে। এ বিভাগের প্রকল্পে দুর্নীতি ও অবহেলার সুযোগ নেই।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগে বাংলাদেশে উদ্ভুত বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় সহায়তার লক্ষ্যে ‘দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সহায়তা সমন্বয় সেল’ গঠন করা হয়েছে।
শুক্রবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়ে আরো বলা হয়, জননিরাপত্তা বিভাগের যুগ্মসচিব মো. হারুন-অর-রশিদ সেলের দৈনন্দিন কার্যক্রম তত্ত্বাবধান করবেন।
‘দুযোর্গ ব্যবস্থাপনা
সহায়তা সমন্বয় সেল’-এ জরুরি যোগাযোগের জন্য ০২-৪৭১১৮৭০০, ০২- ৪৭১১৮৭০১, ০২-৪৭১১৮৭০২, ০২-৪৭১১৮৭০৩, ০২-৪৭১১৮৭০৪ ও ০২-৪৭১১৮৭০৫ এবং ০১৩১৭৭৪৯৯৮০ ও ০১৮২০১১৭৭৪৪ নম্বরে ফোন করা যাবে।
সমন্বয় সেল দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সংশ্লিষ্ট সকলের সাথে সার্বক্ষণিক
যোগাযোগ রক্ষাসহ প্রাপ্ত তথ্যাদি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করবেন এবং সার্বক্ষণিক ফলোআপ করবেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে
উল্লেখ করা হয় ।
মন্তব্য করুন


ভারতের
বিহারের জেহানাবাদ জেলায় খাবার পরিবেশন করতে দেরি হওয়াকে কেন্দ্র করে এক গৃহবধূকে নৃশংসভাবে
হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার দেবরের বিরুদ্ধে। হত্যার পর ওই নারীর মাথা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন
করে বাড়ির সামনের একটি গাছে ঝুলিয়েও রাখেন। খবর এনডিটিভির।
নৃশংস
এ ঘটনাটি বিহারের জেহানাবাদের পার্স বিঘা থানা এলাকার ইমাদপুর গ্রামে ঘটেছে। নিহত ওই
নারীর নাম অংশু দেবী (২৫)। তিনি ইমাদপুর গ্রামের
বাসিন্দা ধর্মেন্দ্র কুমারের স্ত্রী।
পুলিশের
প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ঘটনার সময় পরিবারের অন্য সদস্যরা মাঠে কাজ করতে গিয়েছিলেন।
বাড়িতে একা ছিলেন অংশু দেবী। এ সময় তার দেবর কুনাল কুমার বাড়িতে এসে খাবার চান। অভিযোগ,
খাবার দিতে কিছুটা সময় লাগায় ক্ষিপ্ত হয়ে কুনাল একটি কুড়াল দিয়ে তার ওপর হামলা চালান।
হামলার
ফলে ঘটনাস্থলেই অংশু দেবীর মৃত্যু হয়। এরপর অভিযুক্ত তার মাথা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন
করে বাড়ির সামনে একটি গাছে ঝুলিয়ে রাখেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ঘটনার পর পালিয়ে না গিয়ে
তিনি বাড়ির কাছেই বসে ছিলেন।
স্থানীয়দের
দাবি, কুনাল কুমার মাদকাসক্ত। তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য
করেনি পুলিশ।
খবর
পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে এবং হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত কুড়াল জব্দ করে।
অভিযুক্ত কুনাল কুমারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার প্রকৃত কারণ ও
অন্যান্য দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন