

সিলেটের
বিয়ানীবাজারে পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে ক্রেতার ঘুষিতে প্রাণ হারিয়েছেন এক ব্যবসায়ী।
শনিবার (১১ জুলাই) রাত ৮টার উপজেলার বিবিরাই বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত
আলী হোসেন (৩৮) বিবিরাই পশ্চিম পাড়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি বিবিরাই বাজারে ব্যবসা
করতেন। অভিযুক্ত ক্রেতার নাম শাহিনুর রহমান (৩৩)। তিনি একই এলাকার বাসিন্দা।
স্থানীয়
ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাতে ডিজেল কিনতে আলী হোসেনের দোকানে যান শাহিনুর
রহমান। এ সময় আলী হোসেন তার কাছে আগের বকেয়া টাকা চান। এ নিয়ে প্রথমে দুজনের মধ্যে
কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে বিষয়টি হাতাহাতিতে গড়ায়। শাহিনুর ঘুষি দিলে আলী হোসেনের
নাকে লাগে। তার নাক দিয়ে রক্ত পড়তে থাকে। পরে স্থানীয় মানুষেরা আহত আলী হোসেনকে উদ্ধার
করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ
ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিকে ধরতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে জানিয়ে বিয়ানীবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত
কর্মকর্তা (ওসি) আবু জাফর মোহাম্মদ মাহফুজুল করিম গণমাধ্যমকে বলেন, নিহত ব্যক্তির লাশ
ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।
মন্তব্য করুন


স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সেভ দ্য সোসাইটি
অ্যান্ড থান্ডারস্টর্ম অ্যাওয়ারনেস ফোরাম (এসএসটিএফ) জানিয়েছে, গত ৩৮ দিনে দেশে বজ্রপাতে
৩৫ জন কৃষকসহ অন্তত ৭৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।
সংগঠনটির প্রতিবেদন অনুযায়ী, এপ্রিল
মাসে বজ্রপাতে ৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে। যার মধ্যে নারী ১১ জন এবং পুরুষ ২০ জন। চলতি
মাসের ১ থেকে ৮ মে পর্যন্ত বজ্রপাতে ৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে ৯ জন নারী
এবং ৩৪ জন পুরুষ।
বৃহস্পতিবার (৯ মে) প্রকাশিত এসএসটিএফের
গবেষণা সেলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি মাসে একদিনে বজ্রপাতে ১১ জন নিহত ও ৯ জন
আহত হয়েছে। বজ্রপাতের ক্ষেত্রে কৃষকরা কীভাবে নিজেদের নিরাপদ রাখতে পারেন- সে বিষয়েও
আলোকপাত করা হয়েছে।
সম্প্রতি মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান,
মানিকগঞ্জের সিংগাইর, ঢাকার নবাবগঞ্জ ও কেরানীগঞ্জ উপজেলা পরিদর্শন করেছেন সংগঠনটির
সদস্যরা। এ সময় ৫০০ জন করে কৃষক নিয়ে দল তৈরি করে বজ্রপাত সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা
করেছেন।
এসএসটিএফের সাধারণ সম্পাদক রাশিম মোল্লা
বজ্রপাতের হাত থেকে কৃষকদের বাঁচাতে মাঠে আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণের জন্য সরকারের প্রতি
অনুরোধ জানান।
এ ছাড়াও মার্চ থেকে জুন পর্যন্ত ৪ মাস
বজ্রপাত সচেতনতামূলক কর্মসূচি পরিচালনার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।
সংগঠনটি কিছু পরামর্শও দিয়েছে কৃষকদের
জন্য। সেগুলো হলো:
*মাঠে কাজ করার সময় আকাশে কালো মেঘ
দেখে যত দ্রুত সম্ভব নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়া।
*বৃষ্টির সময় গাছের নিচে আশ্রয় নেওয়া
থেকে বিরত থাকা।
*খোলা আকাশের নিচে কাজ করার সময় জুতা
পরতে হবে।
*বজ্রপাতের সময় মাঠে কাজ করার সময়
শুয়ে পড়ুন।
ফোরামের সভাপতি ড. কবিরুল বাশার জানান,
বজ্রপাত বাড়ার পেছনে দুটি কারণ চিহ্নিত করা হয়েছে। বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ক্রমবর্ধমান
প্রভাব এবং বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলে গাছ কাটা, বিশেষ করে মাঠের উঁচু গাছ কাটা। গাছপালা
না থাকলে খোলা স্থানে বা মাঠে মানুষের ওপর আঘাত হানে বজ্রপাত। অধিকাংশ মানুষ মনে করেন
ঝড়ের সময় গাছের নিচে আশ্রয় নেওয়াই ভালো। কিন্তু এটা ঠিক না। ঘরবাড়ি বা স্থাপনায়
আশ্রয় নিতে হবে মানুষকে।
মন্তব্য করুন


গত ৭৬ বছরের
রেকর্ড ভেঙেছে এবারের তাপপ্রবাহ। তীব্র তাপপ্রবাহে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। এক ঝলক বৃষ্টি
দেখতে কখনো সাধারণ মানুষ করছেন বিশেষ দোয়া ও পড়ছেন নামাজ,
কেউবা করছেন মন্দিরে বিশেষ প্রাথর্না আবার কেউ করছে হাহাকার।
দাবদাহ কমবে এবং দু-তিন দিনের
মধ্যে দেশজুড়ে হতে পারে বৃষ্টি; এমনি এক সুখবর দিলেন
আবহাওয়া অধিদপ্তর। তাপমাত্রা সম্পর্কে বলা হয়েছে- সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে এবং লীয় বাষ্পের আধিক্যের কারণে অস্বস্তিভাব বিরাজমান থাকবে।
আবহাওয়াবিদ আবুল কালাম মল্লিক বলেন, মে মাসের প্রথম সপ্তাহ দেশজুড়ে টানা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে সিলেট, চট্টগ্রাম, বরিশাল, ময়মনসিংহ ও ঢাকা বিভাগে এই বৃষ্টির প্রকোপ বেশি থাকবে। এপ্রিলের বাকি দুদিনও থাকবে তাপপ্রবাহের দাপট। তবে মে মাসের প্রথম সপ্তাহ দেশজুড়ে টানা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের
দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে
দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া সহ বৃষ্টি অথবা
বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে এবং কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশ সহ আবহাওয়া প্রধানত
শুষ্ক থাকতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার
পূর্বাভাস ।
তাপপ্রবাহ নিয়ে আবহাওয়ার বার্তায় বলা হয়েছে, যশোর, চুয়াডাঙ্গা, পাবনা ও রাজশাহী জেলা সমূহের ওপর দিয়ে অতি তীব্র তাপপ্রবাহ এবং খুলনা ও রাজশাহী বিভাগের অবশিষ্টাংশ এবং ঢাকা বিভাগের ওপর দিয়ে তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। ময়মনসিংহ জেলাসহ বরিশাল, রংপুর ও চট্টগ্রাম বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে।
মন্তব্য করুন


মাত্র
তিন টাকায় কেনা একটি বাইসাইকেল। পেরিয়ে গেছে প্রায় ৮০ বছর, অথচ এখনো সচল রয়েছে সেটি।
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জের চাপালী গ্রামের ওয়াহেদ আলী শেখ এখনো ব্যবহার করছেন ইংল্যান্ডের
‘র্যালি’ ব্র্যান্ডের সেই পুরোনো সাইকেলটি। তিন প্রজন্ম ধরে সাইকেলটি
হয়ে উঠেছে পরিবারের স্মৃতি, আবেগ ও ভালোবাসার প্রতীক।
১৯৪৬
সালে যশোর শহর থেকে মাত্র তিন টাকা দিয়ে সাইকেলটি কিনেছিলেন ইউসুফ আলী শেখ। সে সময়
তিনি তহশিল অফিসে চাকরি করতেন এবং কর্মস্থলে যাতায়াতের জন্য সাইকেলটি ব্যবহার করতেন।
ইউসুফ
আলী ও পাচু শেখ ছিলেন দুই ভাই। পাচু শেখের ছেলে আনসার আলী শেখ ছিলেন ইউসুফ আলীর ভাতিজা।
ইউসুফ আলী অসুস্থ হয়ে পড়ার কয়েক বছর পর তার প্রিয় ভাইঝি জাহারন নেছাকে সাইকেলটি উপহার
দেন। তবে জাহারন নেছা সাইকেল চালাতে না পারায় তার ভাই আনসার আলী সেটি নিজের বাড়িতে
নিয়ে আসেন।
পেশায়
সাইকেল মিস্ত্রি আনসার আলী দীর্ঘদিন কালীগঞ্জ শহরের বিভিন্ন স্থানে সাইকেল মেরামতের
দোকান চালিয়েছেন। বাড়ি থেকে দোকানে যাতায়াতসহ নানা কাজে তিনি ওই সাইকেল ব্যবহার করতেন।
সাইকেলটির প্রতি ছিল তার বিশেষ যত্ন। সামান্য ত্রুটি দেখা দিলেই নিজেই মেরামত করতেন।
সময়ের
সঙ্গে সাইকেলটির কিছু যন্ত্রাংশ পরিবর্তন করা হলেও এর মূল কাঠামো এখনো অনেকটাই আগের
মতো রয়েছে।
আনসার
আলী শেখ মারা যাওয়ার পর সাইকেলটি তার বড় ছেলে ওয়াহেদ আলী শেখের হাতে আসে। বাবার মতো
সাইকেল মেরামতের কাজ না জানলেও তিনিও অত্যন্ত যত্নের সঙ্গে এটি ব্যবহার করছেন। জরুরি
প্রয়োজনে কিংবা কাছাকাছি কোথাও যেতে এখনো তার অন্যতম ভরসা এই সাইকেল।
ওয়াহেদ
আলী বলেন, বাবার কাছ থেকেই তিনি সাইকেলটি পেয়েছেন। যত্ন করে ব্যবহার করছেন এবং আশা
করছেন আরও অনেক বছর এটি চালাতে পারবেন।
তার
ভাই আবদুস সামাদ জানান, তাদের বাবা শুধু যাতায়াতের জন্য নয়, বিভিন্ন পণ্য পরিবহনের
কাজেও সাইকেলটি ব্যবহার করতেন। প্রয়োজনের সময় এলাকার মানুষও তার বাবার কাছ থেকে সাইকেলটি
ধার নিয়ে ব্যবহার করতেন।
স্থানীয়
বাসিন্দা গোলাম সরোয়ার জানান, ছোটবেলা থেকেই তিনি আনসার আলীকে এই সাইকেল চালিয়ে চলাফেরা
করতে দেখেছেন। তার মতে, ভালোবাসা ও যত্ন থাকলে পুরোনো জিনিসও দীর্ঘদিন টিকিয়ে রাখা
সম্ভব।
প্রায়
আট দশক পেরিয়ে যাওয়া এই সাইকেলটি এখন পরিবারের কাছে নিছক একটি পুরোনো বাহন নয়। এটি
হয়ে উঠেছে তিন প্রজন্মের স্মৃতি, পারিবারিক বন্ধন ও ভালোবাসার এক অনন্য নিদর্শন। স্থানীয়দের
কাছেও এমন দীর্ঘদিন সচল থাকা সাইকেলটি বেশ কৌতূহল ও বিস্ময়ের বিষয়।
মন্তব্য করুন


দিনাজপুর জেলার হিলি স্থলবন্দরের সিপি মোড়ে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৩ টাকায়। ভারত থেকে আমদানি করা পেঁয়াজ আসার পথে বৃষ্টিতে ভিজে পচে গেছে। এসব নিম্ন মানের পেঁয়াজ বন্দর থেকে আড়তে নিয়ে এসে বাছাই করে ৩ টাকা থেকে ৪০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।
অন্যদিকে হিলি স্থলবন্দরে ভারত থেকে আমদানিকৃত ভালো মানের পেঁয়াজের দাম কমেছে কেজিতে ১০ টাকা পর্যন্ত।
শনিবার বন্দর এলাকায় ৯৫ থেকে ১০০ টাকায় পেঁয়াজ বিক্রি হলেও আজ বিক্রি হচ্ছে ৮৫ থেকে ৯০ টাকার মধ্যে।
মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) দুপুরে সিপি মোড়ে অবস্থিত একটি পেঁয়াজের আড়তে গিয়ে এই দৃশ্য দেখা যায়।
পেঁয়াজ কিনতে আসা রফিক নামের একজন ক্রেতা জানান, আমি ১৫০ টাকায় ১ বস্তা পেঁয়াজ কিনলাম। একটু পঁচা তবে বাড়িতে গিয়ে বাছাই করে ব্যবহার উপযোগী কিছু বের করা যাবে।
সফিকুল নামের আরও একজন জানান, আড়ত থেকে ৪০ টাকা কেজি দরে নিম্ন মানের কিছু পেঁয়াজ কিনলাম। এসব বাছাই করে বাজারে বিক্রি করবো। বন্দরে তো পেঁয়াজের দাম অনেক বেশি।
আড়তদার হেলাল হোসেন জানান, ভারতের বিভিন্ন রাজ্য থেকে পেঁয়াজ আমদানি হয় হিলি স্থলবন্দর
দিয়ে। এসব পেঁয়াজ বাংলাদেশে আসতে প্রায় ৭ থেকে ৮
দিন সময় লাগে আর এ সময়ের
ভিতরে রৌদ, ঝড়, বৃষ্টির কবলে পড়তে হয় পেঁয়াজ বোঝাই
ট্রাকগুলোকে। এবার কিছু পেঁয়াজের ট্রাক বৃষ্টিতে ভিজে যাওয়ায় সেই পেঁয়াজগুলো পচে গেছে। বন্দর থেকে এসব পেঁয়াজ আড়তে এনে শ্রমিক দিয়ে বাছাই করা হয়। নিম্ন মানের ৫০ কেজি ওজনের
পেঁয়াজের বস্তা ১৫০ টাকা আর তার থেকে
একটু ভালো মানেরটা ৪০ টাকা কেজি
দরে বিক্রি করতেছি।
মন্তব্য করুন


লক্ষ্মীপুরের
রায়পুরে ভাড়া বাসায় ঢুকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী, তার মা ও ছোট বোনকে কুপিয়ে
হত্যা করা হয়েছে। একই ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন পরিবারের আরেক সদস্য। বৃহস্পতিবার (২৫
জুন) সকালে রায়পুর পৌরসভার গোডাউন রোড এলাকায় ঘটে যাওয়া এই নৃশংস ঘটনায় এলাকায় চরম
উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে সন্দেহভাজন হামলাকারীকে স্থানীয়রা ধরে গণপিটুনি দিলে তারও
মৃত্যু হয়।
নিহতরা
হলেন শাহিনুর বেগম (৩৮), তার বড় মেয়ে সায়মা আক্তার (২১) এবং ছোট মেয়ে শিফা আক্তার
(৯)। গুরুতর আহত মেজো মেয়ে ইকরা আক্তারকে (১৭) আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
নিহত সায়মা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন এবং ইকরা রায়পুর কাজী ফারুকী কলেজের
দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী।
পুলিশ
ও স্থানীয় সূত্র জানায়, কয়েক বছর আগে পরিবারের কর্তা মো. কামাল বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে
মারা যান। এরপর শাহিনুর বেগম তিন মেয়ে ও এক ছেলেকে নিয়ে রায়পুরের ওই ভাড়া বাসায় বসবাস
করছিলেন। তাদের গ্রামের বাড়ি কুমিল্লা জেলায় হলেও দীর্ঘদিন ধরে তারা লক্ষ্মীপুরে থাকতেন।
ঘটনার
সময় ধারালো অস্ত্র নিয়ে এক যুবক বাসায় প্রবেশ করে মা ও তিন মেয়ের ওপর এলোপাতাড়ি হামলা
চালায় বলে জানিয়েছে পুলিশ। পরিবারের সদস্যদের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এলে হামলাকারী
পালানোর চেষ্টা করেন। পরে স্থানীয়রা তাকে ধাওয়া করে আটক করে গণপিটুনি দেয়। হাসপাতালে
নেওয়ার পর তার মৃত্যু হয়। নিহত যুবকের নাম অন্তর মজুমদার (৩৫) বলে জানিয়েছে পুলিশ।
তার বাড়ি নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায়।
নিহতদের
প্রতিবেশী এবং রায়পুর স্টেশন মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মারিয়া
মুন্নী জানান, সায়মা সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছিলেন। তবে তিনি কোন বিভাগে
অধ্যয়ন করছিলেন, তা নিশ্চিত করতে পারেননি।
রায়পুর
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা বাহারুল আলম বলেন, “হাসপাতালে মোট পাঁচজনকে
আহত অবস্থায় আনা হয়েছিল। এর মধ্যে দুই মেয়ে ও তাদের মা মারা গেছেন। এক মেয়েকে আশঙ্কাজনক
অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। তাদের সবার শরীরের বিভিন্ন অংশে ধারালো
অস্ত্রের আঘাত রয়েছে।”
রায়পুর
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা মামুনুর রশিদ জানান, হাসপাতালে
আনার আগেই দুই মেয়ের মৃত্যু হয়েছিল। চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তাদের মা। নিহতদের
শরীরে ধারালো অস্ত্রের গভীর ক্ষতচিহ্ন পাওয়া গেছে। ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে
পড়লে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশকে হস্তক্ষেপ করতে হয়। এ সময় বিক্ষুব্ধ জনতার
ছোড়া ইটপাটকেলে কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হন।
লক্ষ্মীপুরের
পুলিশ সুপার মো. আবু তারেক বলেন, “পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে।
স্থানীয়দের হামলায় আমাদের ছয় থেকে সাতজন সদস্য আহত হয়েছেন।”
তিনি জানান, হত্যাকাণ্ডের কারণ এবং এর সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা
হচ্ছে। সহকারী পুলিশ সুপার (রায়পুর সার্কেল) মো. আব্দুর রাশেদ বলেন, নিহত তিনজনের মরদেহ
হাসপাতালে রাখা হয়েছে। আহত এক কিশোরীকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। পুরো ঘটনার তদন্ত চলছে।
চাঞ্চল্যকর
এ হত্যাকাণ্ডে পুরো রায়পুরজুড়ে শোক ও উদ্বেগের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের
এক শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু স্থানীয়দের মধ্যে গভীর বেদনার জন্ম দিয়েছে। হত্যার
পেছনের কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
মন্তব্য করুন


রাজধানীতে
চালু হওয়ার প্রথম দিনেই দুর্ঘটনার শিকার হলো ‘পিংক বাস’। মঙ্গলবার (১৮
আগস্ট) নারীদের জন্য চালু করা বাসটিতে ধাক্কা দেয় বলাকা পরিবহনের একটি বাস। এ ঘটনায় বলাকা
বাসটিকে জরিমানা করেছে পুলিশ।
জানা
গেছে, পিংক বাসটি সড়কে চলাচল শুরু করার পরপরই বলাকা পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে ধাক্কার ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর ট্রাফিক পুলিশ
ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং বলাকা বাসের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা হিসেবে জরিমানা করে।
নারীদের
নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ যাতায়াত নিশ্চিত
করার লক্ষ্যেই পিংক বাস সার্ভিস চালু করা হয়েছে। চালক ও কন্ডাক্টর হিসেবে
নারী কর্মীদের দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টিও এই উদ্যোগের অন্যতম
বৈশিষ্ট্য।
মন্তব্য করুন


দেশজুড়ে
ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের প্রভাবে আগামী ৩ দিনে ৬ জেলার নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদী
বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে এই সময়ে কয়েকটি জেলার নদ-নদীর পানি সতর্কসীমায়
প্রবাহিত হতে পারে। সোমবার (২২ জুন) এক বিজ্ঞপ্তিতে এমন আশঙ্কার কথা জানিয়েছে পানি
উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।
এতে
বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের অভ্যন্তরে ময়মনসিংহ ও চট্টগ্রাম বিভাগে ভারী থেকে অতি
ভারী এবং রংপুর, সিলেট ও ঢাকা বিভাগে মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বৃষ্টিপাত পরিলক্ষিত
হয়েছে। সেই সঙ্গে এই সময়ে ভারতের মেঘালয়, ত্রিপুরা ও অরুণাচল প্রদেশেও ভারী থেকে
অতি ভারী বৃষ্টিপাত পরিলক্ষিত হয়েছে। আবহাওয়া সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, আগামী ২ দিনও
দেশের অভ্যন্তরে রংপুর, সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগ এবং তৎসংলগ্ন উজানে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ,
আসাম, মেঘালয় ও ত্রিপুরা প্রদেশে ভারী থেকে অতি ভারী এবং পরবর্তী ৩ দিন মাঝারি ধরনের
ভারী থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে।
বন্যা
পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র-যমুনা ও গঙ্গা-পদ্মা
নদীর পানি সমতল বৃদ্ধি পেয়েছে। আগামী ৫ দিনও এসব নদ-নদীর পানি সমতল বৃদ্ধি অব্যাহত
থাকতে পারে। তবে তা বিপৎসীমার নিচ দিয়েই প্রবাহিত হতে পারে। এছাড়া আগামী ৩ দিনে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের
সুরমা-কুশিয়ারা নদীর পানি সমতল বৃদ্ধি পেতে পারে। ফলে এই সময়ে এসব নদীর পানি সিলেট
ও সুনামগঞ্জ জেলায় বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে এবং নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে
স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে।
এদিকে
গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তরাঞ্চলীয় রংপুর বিভাগের ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি সমতল বৃদ্ধি
পেয়েছে। তবে এই সময়ে তিস্তা নদীর পানি সমতল হ্রাস পেয়েছে। আগামী ২ দিন এসব নদীর পানি
বৃদ্ধি পেয়ে তৃতীয় দিনে স্থিতিশীল থাকতে পারে। এই অবস্থায় আগামী ৭২ ঘণ্টায় এসব নদীর
পানি নীলফামারী, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম ও রংপুর জেলায় বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত
হতে পারে এবং নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে।
অন্যদিকে
গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় ময়মনসিংহ বিভাগের সোমেশ্বরী, জিঞ্জিরাম, ভুলাই
ও কংস নদীর পানি সমতল বৃদ্ধি পেয়েছে। আগামী ৩ দিনও এসব নদীর পানি বৃদ্ধি পেতে পারে
এবং নেত্রকোণা, ময়মনসিংহ ও শেরপুর জেলায় এসব নদীর পানি সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে
পারে ও নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল কোথাও কোথাও সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে।
বন্যা
পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র আরও জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় সিলেট
বিভাগের সারিগোয়াইন, মনু ও যাদুকাটা নদীর পানি সমতল হ্রাস পেয়েছে। তবে খলাই ও খোয়াই
নদীর পানি সমতল বৃদ্ধি পেয়েছে, যা আগামী ৩ দিনও বৃদ্ধি পেতে পারে। অন্যদিকে গত ২৪
ঘণ্টায় পূর্বাঞ্চলীয় ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় চট্টগ্রাম বিভাগের সাঙ্গু নদীর পানি
সমতল বৃদ্ধি পেয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে গোমতী, মুহুরী, সেলোনিয়া, ফেনী, হালদা ও মাতামুহুরী
নদীর পানি সমতল হ্রাস পেয়েছে। তবে এসব নদীর পানি আগামী ৩ দিন দ্রুত বৃদ্ধি পেতে পারে।
মন্তব্য করুন




যেসব শিক্ষার্থী রাস্তায় ট্রাফিকের কাজ করছে তাদের তালিকা করে সবাইকে পুলিশের পক্ষ থেকে সার্টিফিকেট দেওয়া হবে।
রোববার (১১ আগস্ট) দুপুরে রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে আহত পুলিশ সদস্যদের দেখতে এসে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে অন্তর্বর্তী সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন এ কথা জানিয়ে আরো
বলেছেন, এই সার্টিফিকেট চাকরি ক্ষেত্রে যেন মূল্যায়ন করা হয়।
সাখাওয়াত হোসেন এটাও বলেন যে, আমি আইজিপিকে অনুরোধ করবো, এই যে শিক্ষার্থীরা রাস্তায় ট্রাফিকের কাজ করছে তাদের তালিকা করে সবাইকে পুলিশের পক্ষ থেকে সার্টিফিকেট দেবেন। শিক্ষার্থীরা নিজের টাকায় সড়কে কাজ করছে, সড়ক পরিষ্কার করছে, রং কিনে দেয়াল সুন্দর করছে। এটা যদি সরকারি প্রজেক্ট হতো তাহলে হাজার কোটি টাকা লাগতো। একটা দেশে এই চাইতে ভালো উদাহরণ হতে পারে না।
শিক্ষার্থীরা তাঁর গাড়িও চেক করেছে উল্লেখ করে তিনি জানান, পতাকাওয়ালা গাড়ি থামানো হয়েছে। তারপর তারা বলেছে পতাকা থাক আর যাই থাক গাড়ি চেক করবো। এরপর আমাকে দেখে বললো না স্যার আপনি চলে যান।
মন্তব্য করুন


নিখোঁজের দীর্ঘ ১৮ বছর পর নিজের ভিটেমাটিতে ফিরেছেন আলমগীর হাওলাদার। কিন্তু যে ঘরে ফেরার স্বপ্ন তিনি এতদিন বুকে লালন করেছেন, সেখানে নেই তার অপেক্ষায় থাকা বাবা-মা। নেই স্ত্রী, নেই সেই ছোট্ট মেয়েটিও যাকে কোলে নিয়ে তিনি একদিন জীবিকার সন্ধানে ঢাকায় পাড়ি জমিয়েছিলেন।
আলমগীর
হাওলাদারের বাড়ি পাথরঘাটা উপজেলার চরদুয়ানী ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ছোট টেংরা গ্রামে।
তার বাবার নাম মৃত সিকান্দার আলী হাওলাদার।
স্থানীয়
ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ২০০৮ সালে অভাবের তাড়নায় স্ত্রী আমেনা বেগম ও ছোট মেয়ে
খাদিজা কে নিয়ে ঢাকায় চলে যান আলমগীর। সেখানে তিনি দৈনিক শ্রমিকের কাজ করতেন, আর তার
স্ত্রী কাজ করতেন একটি গার্মেন্টেস-এ। সংসারের চাকা সচল রাখতে ব্যস্ত থাকা আলমগীরের
জীবনেই নেমে আসে এক অন্ধকার অধ্যায়।
২০০৮
সালের নভেম্বর মাসের একদিন ঢাকার পোস্তগোলা এলাকায় কাজের সন্ধানে বের হলে একটি অপহরণকারী
চক্র তাকে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যায়। গাড়িতে ওঠানোর পর তার হাত-পা ও চোখ বেঁধে ফেলা
হয়। এরপর তাকে নিয়ে যাওয়া হয় অজ্ঞাত একটি স্থানে উঁচু দেয়ালঘেরা একটি প্রতিষ্ঠানে।
আলমগীরের
দাবি, সেখানে তার মতো আরও প্রায় ৩০ জন মানুষ ছিলেন। তাদের দিয়ে প্রতিদিন কঠোর পরিশ্রম
করানো হতো, কিন্তু কোনো বেতন বা ভাতা দেওয়া হতো না। পর্যাপ্ত খাবারও দেওয়া হতো না।
ভালো খাবার বলতে মাঝে মাঝে ডাল (পাতলা ঝোল) ও আলু ভর্তাই ছিল তাদের ভরসা। এভাবেই কেটে
যায় তার জীবনের ১৮টি বছর।
এদিকে
দীর্ঘদিন খোঁজ করেও আলমগীরের সন্ধান না পেয়ে তার স্ত্রী আমেনা বেগম অন্যত্র বিয়ে করে
নতুন সংসার শুরু করেন। একমাত্র মেয়ে খাদিজা বেগম বাবার অনুপস্থিতিতে নানা মানুষের বাড়িতে
ঝি এর কাজ করে বড় হয়েছেন। পরে তারও বিয়ে হয়ে গেছে। কোথায় বিয়ে হয়েছে, তা-ও জানেন না
আলমগীর।
সন্তানের
অপেক্ষায় থাকতে থাকতে পাঁচ বছর আগে মারা যান আলমগীরের বাবা-মা। ছেলের ফিরে আসার খবর
তারা আর শুনতে পারেননি। বর্তমানে আলমগীরের সংসারে রয়েছেন শুধু এক ভাই, তিনিও নিজের
পরিবার নিয়ে ব্যস্ত। দীর্ঘ নির্যাতন ও মানসিক আঘাতে গ্রামের বাড়িতে ফেরার পর আলমগীর
বেশিরভাগ সময় নীরব থাকেন। তাকে দেখে মনে হয়, তিনি যেন হারিয়ে ফেলেছেন স্বাভাবিক জীবনের
অনেক কিছুই।
সদ্য
বাড়ি ফেরা আলমগীরের ভাষ্য, গত ২৮ জুলাই গভীর রাতে ঢাকার পোস্তগোলা ব্রিজের পাশে আলমগীরসহ
৩০ জনকে চোখ বাঁধা অবস্থায় ফেলে যায় দুর্বৃত্তরা। সকালে তারা যে যার মতো বিভিন্ন স্থানে
চলে যান। আলমগীরের পকেটে কোনো টাকা না থাকায় রাস্তায় ঘুরতে থাকা এক ব্যক্তি এক দিনের
জন্য বালুর জাহাজে ৫০০ টাকা মজুরিতে কাজ দেন। সেই টাকা দিয়েই কোনো রকমে তিনি ফিরে আসেন
নিজের জন্মভূমি পাথরঘাটায়।
২৯
জুলাই বাড়িতে পৌঁছালে স্বজন, প্রতিবেশী ও এলাকাবাসীর মধ্যে সৃষ্টি হয় আবেগঘন পরিস্থিতি।
দীর্ঘদিন পর হারিয়ে যাওয়া মানুষকে ফিরে পেয়ে অনেকে চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি।
কীভাবে
ছাড়া পেলেন প্রশ্নের জবাবে আলমগীর দাবি করেন, সরকার পরিবর্তনের পর সম্ভবত অপহরণকারীরা
নিজেদের বাঁচাতে ভয় পেয়ে আমাদের ছেড়ে দিয়েছে।
এদিকে
আলমগীরকে মৃত ভেবে তার পরিবার ও এলাকাবাসী বিভিন্ন সময় মিলাদ, দোয়া মাহফিল এবং মসজিদে
দোয়ার আয়োজন করেছিলেন। এমনকি তার স্মরণে কাঙালি ভোজেরও আয়োজন করা হয়েছিল বলে জানিয়েছে
এলাকাবাসী।
বিএনপির
সাবেক উপজেলা যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ বদিউজ্জামান সাহেদ জানান, প্রায় ১৮ বছর তিনি নিখোঁজ
ছিলেন। তাকে মৃত ভেবে বিভিন্ন সময় দোয়া মাহফিলের আয়োজনও করা হয়েছে। সম্প্রতি বাড়ি
ফিরে আসার খবরে সবাই খুশি হয়েছেন। তিনি দাবি করছেন তাকে আটকে রেখে জোরপূর্বক পরিশ্রমের
কাজ করানো হয়েছিল। তিনি ফিরে আসার পর আমরা তাকে পাথরঘাটা হাসপাতালে ভর্তি করিয়েছি।
চিকিৎসা শেষে তাকে আজ (শুক্রবার) বাড়ি পৌঁছে দিয়েছি।
মন্তব্য করুন