

‘টাইটানিক’
সিনেমায় নায়িকা কেট উইন্সলেট সমুদ্রে ভেসে ছিলেন বড় একটি কাঠের টুকরার সহায়তায়। এবার
সে কাঠের টুকরাটি নিলামে বিক্রি হয়েছে ৭ লাখ ১৮ হাজার ৭৫০ মার্কিন ডলারে।
যুক্তরাষ্ট্রের
টেক্সাসের ডালাসভিত্তিক নিলামকারী প্রতিষ্ঠান হেরিটেজ অকশন এ নিলামের আয়োজন করে। কাঠের
বড় এই টুকরোকে কেবল একটি দরজা বলা হলেও নিলামে এটিকে বাস্তবিকভাবে টাইটানিকের প্রথম
শ্রেণির লাউঞ্জের প্রবেশ দরজার ফ্রেমের একটি অংশ বলে উল্লেখ করা হয়েছিলো।
সিনেমাটিতে
উইন্সলেটের পরা পোশাকটিও নিলামে ১ লাখ ২৫ হাজার ডলারে বিক্রি হয়েছে।
মন্তব্য করুন


‘অ্যানিম্যাল’
সিনেমায় উগ্র পৌরুষ ও নারীবিদ্বেষ রয়েছে বলে সমালোচনা রয়েছে। এ নিয়ে বিতর্ক থাকলেও
কাজের জন্য দর্শক ও সমালোচকদের প্রশংসা অর্জন করেছেন অভিনেতা রণবীর। এ সিনেমায় তার
সোথে জুটি বেঁধেছিলেন অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানা। দক্ষিণী বিনোদন জগতের পাশাপাশি এখন
বলিউডেরও জনপ্রিয় নায়িকা রাশমিকা মান্দানা।
‘অ্যানিম্যাল’-এর
সাফল্যের পর অভিনেত্রী রাশমিকা জানান, সিনেমাতে তার চরিত্র গীতাঞ্জলির কিছু কাজকর্ম
ও কথাবার্তা নিয়ে প্রশ্ন জেগেছিল তার মনে। তবে পরিচালক তাকে বোঝান, চরিত্রের প্রয়োজনে
গীতাঞ্জলির মতো করে ভাবতে।
সিনেমার
প্রযোজক জানালেন, ‘অ্যানিম্যাল’-এর সেটে নাকি রণবীরের গায়েও হাত তুলেছিলেন নায়িকা!
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে প্রযোজক প্রণয় রেড্ডি বঙ্গা জানান, একটি দৃশ্যের মহড়ার সময় নাকি একাধিকবার অভিনেতা রণবীরের গায়ে হাত তুলেছিলেন অভিনেত্রী রাশমিকা। ওই দৃশ্যকে নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলতে কোনো কমতি রাখেননি অভিনেত্রী রাশমিকা। রণবীরকে কমপক্ষে ২০-২৫ বার মেরেছিলেন তিনি। তারপর ওই দৃশ্য চূড়ান্ত করা হয়েছিল।
মন্তব্য করুন


পর্দার
নায়িকারা সাধারণত নিজেদের গ্ল্যামারাস লুক উপস্থাপন করতেই পছন্দ করেন। তবে চরিত্রের
প্রয়োজনে সেই গ্ল্যামার ঝেড়ে ফেলে যখন তারা রাস্তায় নামেন ‘পাগল’
বা মানসিক ভারসাম্যহীন রূপে, তখন ভক্তদের চমকে যাওয়াটাই স্বাভাবিক। ছোট পর্দার দুই
জনপ্রিয় অভিনেত্রী সামিরা খান মাহি এবং কেয়া পায়েল— দুজনই সম্প্রতি নিজেদের ভেঙেচুরে এমন
এক লুকে হাজির করেছেন, যা নিয়ে নেটপাড়ায় এখন তুমুল চর্চা। প্রশ্ন উঠেছে, পাগল সাজে
অভিনয়ে কে কাকে টেক্কা দিলেন?
আলোচনার
কেন্দ্রবিন্দুতে এখন কেয়া পায়েল। সদ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে
তাকে দেখা গেছে উষ্কখুষ্ক চুল, গায়ে ময়লা পোশাক আর মুখভর্তি কালচে দাগ। অভিনেতা জোভান
তার পেজে ভিডিওটি শেয়ার করতেই নেটিজেনরা বিভ্রান্ত— ইনি কি আসলেই সেই গ্ল্যামারাস পায়েল?
ভিডিওতে
দেখা যায়, পায়েল জোভানকে শাসিয়ে বলছেন, “এককেরে খাইয়ালামু কিন্তু!” জোভানও মজা করে
ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘ছেমড়ি পাগল নাকি? আমারে কয় খাইয়া লাইবো!’ জানা গেছে, এটি একটি নাটকের
শুটিংয়ের দৃশ্য। ভক্তরা অবশ্য এই লুকে পায়েলের সাহসিকতার প্রশংসা করতে ভুলেননি। কেউ
লিখেছেন, ‘বাপরে বাপ, কী মারাত্মক অভিনয়!’, আবার কারও মতে, ‘একদম পারফেক্ট মেকআপ।’
অন্যদিকে,
এই ‘পাগল’ সাজের দৌড়ে পিছিয়ে নেই ‘সিলেটি ফুরি’
খ্যাত সামিরা খান মাহিও। কিছুদিন আগেই ‘বকুল ফুল’ নাটকের শুটিংয়ের ছবি প্রকাশ করে তিনি
হইচই ফেলে দিয়েছিলেন। জট ধরা চুল, হাতে খাবারের থালা আর শূন্য দৃষ্টি—মাহির
এই লুক দেখে তখন মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছিল। ভক্তরা লিখেছিলেন, ‘ওরে আল্লাহ একদমই
চেনা যাচ্ছে না, অসাধারণ হবে অভিনয়।’ আবার মুদ্রার উল্টো পিঠও দেখেছেন তিনি।
ট্রল করে কেউ কেউ বলেছিলেন, ‘আপনার আগের চেহারাটা এরকমই ছিল’
বা ‘এরে এমনেই ভালো মানায়।’ তবে মাহি সেসব নেতিবাচক মন্তব্য গায়ে
না মেখে নিজের কাজের মানের দিকেই নজর দিয়েছেন বেশি।
দুই
অভিনেত্রীর এই ‘ট্রান্সফর্মেশন’ বা ভোল পাল্টে ফেলা নিয়ে ভক্তদের মধ্যে
চলছে অঘোষিত প্রতিযোগিতা। একদিকে মাহির ‘বকুল ফুল’-এর বাস্তবতা, অন্যদিকে পায়েলের ‘খাইয়ালামু’র
তেজ। গ্ল্যামার জগতের বাইরে এসে অভিনয়ের এই দৌড়ে কে এগিয়ে—
মাহি নাকি পায়েল? উত্তরটা নাহয় দর্শকদের হাতেই তোলা থাকল। তবে এটা নিশ্চিত, চরিত্রের
প্রয়োজনে নায়িকাদের এই সাহসিকতা বাংলা নাটকের দর্শকদের জন্য নতুন এক চমক।
মন্তব্য করুন


বর্তমানে চিত্রনায়িকা পরীমণিকে নিয়ে
সিনেপাড়ায় আলোচনা না হলেও গণমাধ্যম ও সোশ্যাল মিডিয়ায় রয়েছেন আলোচনায়। তবে আলোচনা
তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে।
মঙ্গলবার (২৫ জুন) ব্যবসায়ী নাছির উদ্দিন
মাহমুদকে মারধর, ভাঙচুর ও ভয়ভীতি দেখানোর মামলায় আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন চিত্রনায়িকা
পরীমণি।
ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
এম সাইফুল ইসলামের আদালত শুনানি শেষে এক হাজার টাকা মুচলেকায় মঞ্জুর করেন।
এরপরই নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে একটি পোস্ট করেন চিত্রনায়িকা পরিমণি। যেখানে তিনি লেখেন ‘Bye bye Russells Viper Welcome পরীমণি’।
বলা যায় তার এই পোস্ট সামাজিকমাধ্যমে
চলমান ইস্যুকে ইঙ্গিত করেই দেওয়া।
মন্তব্য করুন


বিতর্কিত মন্তব্যের কারণে আলোচনায় থাকা ‘মুফতি’ কাভি এবার আরও চমকপ্রদ দাবি করেছেন। তিনি বলেছেন, বলিউড অভিনেত্রী কারিনা কাপুর একসময় তার স্ত্রী ছিলেন এবং তাদের মধ্যে নিকাহ সম্পন্ন হয়েছিল।
সম্প্রতি একটি পডকাস্টে অংশ নিয়ে কাভি ভারতীয় চলচ্চিত্রাঙ্গনের সঙ্গে নিজের সম্পর্ক নিয়ে নানা দাবি করেন। সেখানে তিনি বলেন, ১৯৯৬ সালে কারিনা কাপুরের সঙ্গে তার প্রথম যোগাযোগ হয় এবং ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। সে সময় করিনার বয়স ২১ থেকে ২৩ বছরের মধ্যে ছিল বলে দাবি করেন তিনি।
কাভির বক্তব্য অনুযায়ী, শরিয়ত অনুযায়ী মুসলমানদের হিন্দু নারীদের বিয়ে করার সুযোগ রয়েছে এবং সেই অনুযায়ী তিনি কারিনা কাপুরকে নিকাহ করেছিলেন। তিনি বলেন, “কারিনা কাপুর আমার স্ত্রী ছিলেন। তিনি পাকিস্তানের ভাবি ছিলেন।”
তিনি আরও দাবি করেন, ‘সেঠ শাহিদ’ নামটি কারিনাকে প্রভাবিত করেছিল এবং সে সময় তিনি বড় তারকা না হওয়ায় তাদের নিকাহ সম্ভব হয়েছিল।
মুফতি কাভির আরও বক্তব্য, কারিনা কাপুর ও সাইফ আলী খানের বিয়ের সময় ভারতের কিছু আলেম ওই বিয়েকে হারাম ঘোষণা করেছিলেন। তবে তিনি নিজে সেটিকে হালাল বলে ফতোয়া দেন। এর পেছনে কারণ হিসেবে তিনি দাবি করেন—কারিনা তার নিকাহে ছিলেন বলেই তিনি প্রকাশ্যে ওই বিয়ের পক্ষে অবস্থান নেন।
পডকাস্টে কাভি আরও বলেন, এখনো যদি অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাইয়ের পক্ষ থেকে নিকাহের প্রস্তাব আসে, তবে তিনি প্রস্তুত।
তবে কারিনা কাপুরকে স্ত্রী দাবি করলেও, তাদের মধ্যে কখন ও কীভাবে তালাক হয়েছে—সে বিষয়ে কোনো স্পষ্ট তথ্য দেননি কাভি।
মন্তব্য করুন


ছিনতাইকারীর কবলে পড়লেন চিত্রনায়িকা রাজ রিপা।
গত শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) একটি অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে যাচ্ছিলেন তিনি। সে সময় রাজধানীর বাংলামোটরে চলন্ত গাড়ি থেকে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ছিনতাই হয়।
রাজ রিপা গণমাধ্যমে জানান, তার ছিনতাই হওয়া ফোনটি আইফোন ১৩ প্রো ম্যাক্স মডেলের। তার কথায়, ‘এই ফোন আমার কাছে শুধু ফোন সেট নয়, আমার কাছে এটি খুব আবেগের একটি ব্যাপার। কারণ, মুক্তি সিনেমার এক সাহসী অ্যাকশন দৃশ্যে আমি অংশ নেই। তখন আমার পারফর্ম্যান্সে খুব খুশি হন পরিচালক ইফতেখার চৌধুরী। খুশি হয়ে আমাকে ফোন সেটটি উপহার দেন।’
ঘটনার দিনের ভয়াবহতা জানিয়ে রাজ রিপা বলেন, ‘আমি একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিতে বনানী থেকে পূর্বাণী হোটেলে যাচ্ছিলাম। সেদিন আমার গাড়ির এসি হঠাৎ কাজ করছিল না, তাই গাড়ির জানালা সামান্য খোলা রেখেছিলাম। মোবাইলে কথা বলার সময় ছিনতাইকারী সেকেন্ডের মধ্যে ফোনটি নিয়ে দৌঁড় দেয়। চিৎকার করলেও ছিনতাইকারীকে ধরার মতো কেউ ছিল না। ফোনটি হারানোয় আমি দুইদিন হাউমাউ করে কেঁদেছি।’
মন্তব্য করুন


আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম এবার বলিউডে কাজ করতে যাচ্ছেন! তার নায়িকা হিসেবে থাকবেন ড্রামা কুইন রাখি সাওয়ান্ত। আর এই সিনেমায় অর্থ বিনিয়োগ করবেন বহুল বিতর্কিত আরাভ খান।
বর্তমানে সংযুক্ত আরব আমিরাতে রয়েছেন। সেখানে আরাভ খানের একটি মোবাইল ফোনের শোরুম উদ্বোধন করেছেন। তারপরই হিরো আলমকে দেখা গেল রাখি সাওয়ান্তের সঙ্গে।
এ বিষয়ে হিরো আলম বলেন, আমি বলিউডে কাজ করতে যাচ্ছি। আমার সঙ্গে রাখি সাওয়ান্ত কাজ করবেন। সিনেমাটা প্রযোজনা করবেন আরাভ খান।
একটি ভিডিওতে রাখি সাওয়ান্ত ও হিরো আলমকে একসঙ্গে দেখা যায়। ভিডিওতে চিৎকার করে রাখি বলেন, দেখো সালমান ভাই, বলিউডে নতুন নায়ক নিয়ে আসছি। আবার সে ভিডিওতে আরাভ খান বলেন, আলমকে নিয়ে আমি বলিউডে সিনেমা বানাবো। যতটাকা লাগে আমি দেব। ভারত, দুবাই ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এর শুটিং হবে।
মন্তব্য করুন


অভিনেত্রী-সংগীতশিল্পী
কুইনজী চেং শুটিং সেটে মারা গেছেন। মৃত্যুর সময় মালয়েশিয়ান এ অভিনেত্রীর বয়স ছিল ৩৭
বছর।
গেল
২৮ নভেম্বর অভিনেত্রীর ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট থেকে এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো
হয়।
চায়না
প্রেসের বরাত দিয়ে মালয়েশিয়ান সংবাদমাধ্যম দ্য স্টার জানিয়েছে, চেং ব্রেন অ্যানিউরিজমে
ভুগছিলেন।
স্থানীয়
আর্টিস্ট চাই জি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, সকাল ৮টা সময়ে আমরা দামানসারাতে
উপস্থিত হই। সকালের নাস্তা শেষ করে সাড়ে ৮টার দিকে শুটিং শুরু করি। ওই সময়ে চেং পুরোপুরি
সুস্থ ছিলেন। বিরতি নিয়ে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ফের শুটিং শুরু করি। ওই সময়ে চেং জানান,
তার মাথা ঘুরাচ্ছে, মাথা ব্যথা করছে, বমিবমি লাগছে। এক পর্যায়ে চেং বমি করেন; দ্রুত
অ্যাম্বুলেন্স ডাকা হয়। চেংয়ের স্টাফরা তার প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। চেং যখন জ্ঞান হারান
তখন তার শ্বাস-প্রশ্বাস দ্রুত চলছিল। দ্রুত তার ঠোঁট, হাত-পা বেগুনি বর্ণ ধারণ করে।
কল করার পাঁচ মিনিটের মধ্যে অ্যাম্বেলেন্স ঘটনাস্থলে চলে আসে। মেডিক্যাল টিম এসে তার
জ্ঞান ফেরানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়; পরে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।
জানা
যায়, ১৮টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন কুইনজী চেং। ২০১৫ সালে ‘ব্যাড স্টুডেন্টস’ সিনেমার
মাধ্যমে বড় পর্দায় পা রাখেন কুইনজী চেং।
মন্তব্য করুন


২২ তম ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব ও বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করা হয়েছে।
শনিবার ঢাকার শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানটি করা হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডাউন সিনড্রোম সোসাইটি অব বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান জনাব সরদার এ রাজ্জাকের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জাপান বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশীপ হাসপাতালের চেয়ারম্যান ডাউন সিনড্রোম সোসাইটি অব বাংলাদেশের প্রধান পৃষ্ঠপোষক প্রফেসর ডাঃ সরদার এ নাঈম।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সুইড বাংলাদেশ এর মহাসচিব মাহবুবুল মনির। অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন, রেইনবো ফিল্ম সোসাইটির সেক্রেটারী জেনারেল বৈশাখী সমাদ্দার বানী।
উক্ত অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, ইন্টারন্যাশনাল ডিজ্যাবিলিটি অ্যালায়েন্স (IDA) এর বাংলাদেশ প্রতিনিধি জনাব অ্যাডভোকেট রেজাউল করিম সিদ্দিকী, জাতীয় তৃণমূল প্রতিবন্ধী সংস্থার প্রোগ্রাম ম্যানেজার বশির আল হোসাইন এনডিডি ট্রাস্টের ট্রেনিং কনসালট্যান্ট ডঃ মারুফ আহমেদ মৃদুল,ডাউন সিনড্রোম সোসাইটি অব বাংলাদেশের পরিচালক শাহানাজ পারভীন চৌধুরী প্রমুখ।
ডাউন সিনড্রোম সোসাইটি অব বাংলাদেশের প্রোগ্রাম অফিসার আহমাদ ইবনে সালেহ এর সঞ্চালনায় এতে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ডাউন সিনড্রোম সোসাইটি অব বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক উত্তম হাওলাদার। ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন মঙ্গোলিয়ান অভিনেতা কর্তৃক অভিনীত আন্তর্জাতিক পুরস্কার চলচ্চিত্র The TRIO Movie এই অনুষ্ঠানে প্রদর্শন করা হয়। এশিয়া প্যাসিফিক ডাউন সিনড্রোম ফেডারেশনের অন্যতম সদস্য দেশ মঙ্গোলিয়ার ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন অভিনেতার অভিনীত এই চলচ্চিত্রটি বিশ্বের বেশ কয়েকটি পুরস্কার লাভ করেছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ চলচ্চিত্রটি উপভোগ করেন। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়ন ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে। তিনি ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র উৎসবের উদ্বোধন করেন এবং প্রদর্শিত চলচ্চিত্রটি উপভোগ করেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সুইড বাংলাদেশ এর মহাসচিব মাহবুবুল মনির বলেন ডাউন সিনড্রোম সোসাইটি বাংলাদেশে সকল উদ্যোগে সাইটসেভার্স পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করছে। ২২ তম ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র অভিনেতা কর্তৃক অভিনীত সেরা চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিবৃন্দ ডাউন সিনড্রোম সোসাইটি অব বাংলাদেশকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে ডাউন সিনড্রোম সোসাইটি অব বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান জনাব সরদার এ রাজ্জাক ডাউন সিনড্রোম সোসাইটি অব বাংলাদেশের আমন্ত্রণে সাড়া দেয়ায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকল অতিথিবৃন্দকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, ডাউন সিনড্রোম সোসাইটি অব বাংলাদেশ এদেশে ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন জনগোষ্ঠীর বৃহত্তর কল্যাণে সমতার বাংলাদেশ গড়তে তার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন অভিনেতার অভিনীত এই চলচ্চিত্রটি জনসচেতনতা সৃষ্টিতে ইতিবাচক অবদান রাখবে বলে তিনি দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে চমৎকার নৃত্যশৈলী প্রদর্শন করে ডাউন সিনড্রোম ড্যান্স সেলিব্রিটি দল।
মন্তব্য করুন


পরিবার
গঠনে উৎসাহ দিতে আল হাবতুর গ্রুপে কর্মরত আমিরাতি নাগরিকদের জন্য ৫০ হাজার দিরহাম অনুদান
দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন দুবাইয়ের ধনকুবের ও আল হাবতুর গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান
খালাফ আল হাবতুর। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ১৬ লাখ টাকা।
ঘোষণা
অনুযায়ী, চলতি বছর আল হাবতুর গ্রুপে কর্মরত কোনো আমিরাতি নারী বা পুরুষ বিয়ের সিদ্ধান্ত
নিলে তিনি এই আর্থিক সহায়তা পাবেন। এছাড়া বিয়ের পরবর্তী দুই বছরের মধ্যে সন্তানের জন্ম
হলে এই অনুদান দ্বিগুণ করা হবে।
সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে খালাফ আল হাবতুর বলেন, বিবাহ ও পরিবার গঠন শুধু ব্যক্তিগত
বিষয় নয়, এটি সামাজিক ও জাতীয় দায়িত্ব। এর মাধ্যমেই জাতি গড়ে ওঠে এবং কমিউনিটি টিকে
থাকে।
তিনি
বলেন, সংযুক্ত আরব আমিরাতের সরকার তরুণদের পারিবারিক জীবন শুরু করতে নিয়মিত সহায়তা
দিয়ে আসছে। তবে নাগরিকদের বিয়ে ও পরিবার গঠনে উৎসাহ দিতে সবার পক্ষ থেকেই বাস্তব উদ্যোগ
প্রয়োজন।
এই
প্রেক্ষাপটেই নিজের উদ্যোগের কথা জানিয়ে আল হাবতুর বলেন, চলতি বছর আল হাবতুর গ্রুপে
কর্মরত যেকোনো আমিরাতি যুবক বা তরুণী বিয়ে করলে তাকে ৫০ হাজার দিরহাম অনুদান দেওয়া
হবে। পাশাপাশি বিয়ের দুই বছরের মধ্যে সন্তান জন্ম নিলে এই সহায়তা দ্বিগুণ করা হবে।
সর্বশেষ
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাতের জনসংখ্যা প্রায় ১ কোটি ১৫ লাখে
পৌঁছেছে। এর মধ্যে স্থানীয় নাগরিকদের হার আনুমানিক ১৫ শতাংশ।
ফেডারেল
ও স্থানীয় সরকার বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে আমিরাতি নাগরিকদের আর্থিক সহায়তা দিয়ে আসছে
এবং সরকারি ও বেসরকারি খাতে তাদের অংশগ্রহণ ও ভূমিকা বাড়াতে কাজ করছে।
মন্তব্য করুন


রিমানন্ড ও জামিনা না মঞ্জুর করে
টিকটকার মামুন মামুনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার (১১ জুন) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মামুনুর রশিদ এ আদেশ দেন।
টিকটকার আব্দুল্লাহ আল মামুন ওরফে প্রিন্স মামুনের
(২৫)
বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা
করেন বান্ধবী লায়লা আক্তার ফারহাদের (৪৮)।
এর আগে সোমবার (১০ জুন) রাত পৌনে ১০টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার দাউদকান্দি টোল প্লাজা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে দাউদকান্দি থানা পুলিশ। এরপর তাকে ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
আজ (মঙ্গলবার) তাকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন ক্যান্টনমেন্ট থানার উপ-পরিদর্শক মো: শাহজাহান। আসামিপক্ষে বেশ কয়েকজন আইনজীবী রিমান্ড বাতিলসহ জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক রিমান্ড ও জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
গত ৯ জুন প্রিন্স মামুনের বিরুদ্ধে রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানায় একটি মামলা করেন লায়লা।
মামলার অভিযোগে লায়লা উল্লেখ করেন, মামলার বিবাদী আব্দুল্লাহ আল মামুন ওরফে প্রিন্স মামুনের সঙ্গে তার গত তিন বছর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে পরিচয় হয়। পরিচয়ের একপর্যায়ে মামুন তাকে বিয়ে করবে মর্মে প্রলোভন দেখিয়ে প্রেমের সম্পর্ক স্থাপন করেন। তার ঢাকায় থাকার মতো নিজস্ব কোনো বাসা ছিল না। তাই প্রেমের সম্পর্ক সৃষ্টি হওয়ায় এবং মামুন লায়লাকে বিয়ে করবে জানালে তাকে নিজ বাসায় থাকার অনুমতি দেন তিনি (লায়লা)।
পরে ২০২২ সালের ৭ জানুয়ারি মামুন তার মাকে সঙ্গে নিয়ে ওই বাসায় বসবাস করতে থাকেন। সেখানে লায়লার বাসায় তার সঙ্গে একই রুমে থাকতে শুরু করেন মামুন। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার শারীরিক সর্ম্পক করেন তিনি। মামুন তার বাসায় থাকাকালে তার বাবা-মা মাঝেমধ্যেই ওই বাসায় গিয়ে থাকতেন। লায়লা মামুনকে একাধিকবার বিয়ের বিষয় বললে তিনি বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন। সর্বশেষ চলতি বছরের ১৪ মার্চ মামুন আবার তাকে ধর্ষণ করেন। পরবর্তী সময়ে তিনি মামুনকে বিয়ের বিষয়ে বললে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং তাকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন।
মন্তব্য করুন