

কুমিল্লায় ৩৪৮ বোতল ফেন্সিডিল ও ১,৯২৫
পিস ইয়াবাসহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
আজ রবিবার (৮ ডিসেম্বর) ভোরে র্যাব-১১,
সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ
মডেল থানাধীন সুয়াগাজী বাজার এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে
আসামী আশরাফ আলী শাহিন ও সবুর উল্লাহ নামের দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে।
এ সময় আসামীদ্বয়ের কাছ থেকে ৩৪৮ বোতল
ফেন্সিডিল, ১,৯২৫ পিস ইয়াবা ও মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেটকার উদ্ধার করা
হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী ১। আশরাফ আলী শাহিন
(২০) চট্টগ্রাম জেলার বোয়ালখালী থানার মাইজপাড়া গ্রামের জাফর আলম এর ছেলে এবং ২। সবুর
উল্লাহ (৪৫) একই জেলার সাতকানিয়া থানার আফজালনগর গ্রামের মৃত ইদ্রিস আলী এর ছেলে।
র্যাব জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে জব্দকৃত প্রাইভেটকার ব্যবহার করে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য ফেন্সিডিল ও ইয়াবা সংগ্রহ করে কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


তাপস চন্দ্র সরকার, কুমিল্লা:
কুমিল্লায় রান্না ঘরে ঢুকে গৃহবধূ শানু বেগম (৫০) কে গলাকেটে হত্যা দায়ে প্রতিবেশী মোঃ দেলোয়ার হোসেন নামের একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন কুমিল্লার আদালত। আজ রবিবার (৩১ আগস্ট) কুমিল্লার বিজ্ঞ জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী অপরাধ দমন ট্রাইবুনাল ও বিশেষ দায়রা জজ আদালতের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) মোহাম্মদ সাইফুর রহমান এ রায় দেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত একমাত্র আসামি মোঃ দেলোয়ার হোসেন হলেন কুমিল্লার সদর উপজেলাধীন ১নং কালীর বাজার ইউনিয়নের হাতিগাড়া গ্রামের মৃত আব্দুর রহমানের ছেলে। রায় ঘোষণাকালে আসামি দেলোয়ার হোসেন আদালত কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।
মামলার বিবরণে জানাযায়- গোয়াল ঘরের জায়গার সীমানা নিয়ে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ২০১৯ সালের ৫ নভেম্বর ভোরবেলা জেলার আদর্শ সদর উপজেলার কালিরবাজার ইউনিয়নের হাতিগাড়া গ্রামের শানু বেগম (৫০) তেলের পিঠা বানানোর সময় প্রতিবেশী দেলোয়ার হোসেন রান্না ঘরে প্রবেশ করার কারণ জানতে চাইলে দেলোয়ার হোসেন ক্ষিপ্ত হয়ে বটি দা দিয়ে শানু বেগমের গলার কন্ঠনালী কেটে কুপিয়ে হত্যা করে ঘর থেকে পালিয়ে যাওয়ার সময় প্রত্যক্ষদর্শী রেহেনা ও জুবায়ের শোর চিৎকারে স্থানীয় লোকজন আগাইয়া আসিলে তাহাদের সহযোগিতায় দেলোয়ার হোসেনকে আটক করে গাছের সাথে বেঁধে রেখে থানাপুলিশকে খবর দেয় এবং ভিকটিম শানু বেগমকে উদ্ধার করে কুমেক হসপিটালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় ২০১৯ সালের ৫ নভেম্বর মৃতা শানু বেগম এর স্বামী কুমিল্লা কোতয়ালী থানাধীন হাতিগাড়া গ্রামের মৃত বসত আলীর ছেলে মোঃ ফরিদ (৬০) বাদী হয়ে প্রতিবেশী মৃত আব্দুর রহমান এর ছেলে মোঃ দেলোয়ার হোসেন (৩৬) কে একমাত্র আসামি করে কোতয়ালী মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করিলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই শেখ মাহমুদুল হাসান রুবেল ঘটনার রহস্য উদঘাটন করেন এবং আসামির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় ২০২০ সালের ১৯ মে দঃ বিঃ আইনের ৩০২ ধারার বিধানমতে বিজ্ঞ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। তৎপর মামলাটি বিচারে আসিলে আসামি দেলোয়ার হোসেন এর বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় চার্জগঠনক্রমে রাষ্ট্রপক্ষে ১৭জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে যুক্তিতর্ক শুনানি অন্তে আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি পর্যালোচনাক্রমে আসামি মোঃ দেলোয়ার হোসেন এর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাঁকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেন বিজ্ঞ আদালত। সেই সাথে আরো ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরো ০৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।
এ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে সংশ্লিষ্ট আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট মোঃ ইউসুফ আলী বলেন- আমরা আশা করছি উচ্চ আদালত এ রায় বহাল রেখে দ্রুত বাস্তবায়ন করবেন।
এদিকে, আসামিপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট মোঃ মাসুদ সালাউদ্দিন। তিনি বলেন- এ রায়ে আসামিপক্ষ ক্ষুদ্ধ। আসামিপক্ষ রায়ের কপি হাতে পেলে উচ্চ আদালতে আপীল করবেন।
মন্তব্য করুন


আগামী ২৫ ও ২৬ শে অক্টোবর ২০২৪ এ "অল বাংলাদেশ উন্মুক্ত কারাতে
প্রতিযোগিতা ২০২৪" এবং "৫ম আন্তর্জাতিক কারাতে প্রতিযোগিতা ২০২৪" অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। উক্ত প্রতিযোগিতা অংশগ্রহণ
করবেন কুমিল্লা সরকারি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্র মোফাজ্জাল মাহিন চৌধুরী। টানা ৬বার
জাতীয় স্বর্ণপদক প্রাপ্ত এই খেলোয়াড়টি এবার -৫৫ ওজন শ্রেণীতে খেলবেন কুমিল্লা সরকারি
কলেজের হয়ে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
কুমিল্লা
সদর দক্ষিণ উপজেলার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড এলাকায় যৌথভাবে একটি চেকপোস্ট স্থাপন করেছে।
এ সময় ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের দায়ে দুটি মোটরসাইকেলের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।
এ
সময় মোট ৮ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয় এবং একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।
আজ
সোমবার (২ মে) বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে এত তদারকি অভিযান পরিচালিত হয়।
যৌথভাবে
পরিচালিত এই চেকপোস্টে সেনাবাহিনীর সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন। যান চলাচলে শৃঙ্খলা নিশ্চিত
ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনীর এই তৎপরতা স্থানীয়দের প্রশংসা কুড়িয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) কর্তৃক
মাদক ও চোরাচালান বিরোধী অভিযানের সময় ৪০,০০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করে।
আজ বুধবার (২৭ নভেম্বর) সন্ধ্যায় কুমিল্লা
ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর অধীনস্থ বৌয়ারা বাজার বিওপি এর বিশেষ টহলদল মাদক ও চোরাচালান
বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে বিজিবি টহলদল কর্তৃক সীমান্ত পিলার ২০৮৫/২-এস
হতে ২০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সূর্যনগর নামক স্থান হতে ৪০,০০০ (চল্লিশ হাজার) পিস
ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করে। জব্দকৃত মাদকদ্রব্যের সর্বমোট মূল্য ১,২০,০০,০০০/- (এক কোটি
বিশ লক্ষ) টাকা।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার ধর্মপুর রেলগেট এলাকায় মাদক মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি রবিনকে ধরতে গিয়ে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে।
শনিবার দুপুরে তল্লাশি চেকপোস্টে এ হামলার পর পুলিশের তিন সদস্য আহত হন এবং পুলিশের একটি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে শনিবার রাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যৌথ অভিযান চালিয়ে এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ১১ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, চেকপোস্টে তল্লাশির সময় রবিনের কাছ থেকে একটি ছুরি উদ্ধার করা হলে সে উত্তেজিত হয়ে এক পুলিশ সদস্যের হাতে কামড় দেয় এবং পালিয়ে যায়। ওই সময় স্থানীয় মাদক ব্যবসায়ী চক্র পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ, র্যাব ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।এ ঘটনায় যাদের আটক করা হয়েছে তারা হলেন—ধর্মপুর এলাকার ইমরান হোসেন ওরফে ইমু/ইমন (২৮) এবং সিয়াম (১৯); মন্দবাগ রেলস্টেশন, কসবা এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা ও ধর্মপুরে ভাড়াটিয়া পারভেজ (৩০); ধর্মপুর রেলগেট এলাকার দুই ভাই আবুল কাশেম ওরফে কাইশ্যা (৫৫) এবং আব্দুর রহমান (৩৮); পশ্চিম বাগিচাগাঁওয়ের মাহফুজ (২৪); ধর্মপুর মেম্বার বাড়ির চামেলী (২৮), রুজিনা (৩০) ও পাখি (৩২); পলাতক রবিনের স্ত্রী সুমি আক্তার (১৮); এবং বলরামপুর এলাকার মো. মাহবুব আলম ওরফে মাসুম (৪৫)।
কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুল মালিক বলেন, “চেকপোস্টে তল্লাশি চালানোর সময় রবিনের কাছে ছুরি পাওয়া গেলে সে পুলিশের ওপর হামলা করে পালিয়ে যায়। এতে স্থানীয় মাদক ব্যবসায়ীরা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। ঘটনার পর তদন্ত ও অভিযান চালিয়ে ১১ জনকে আটক করা হয়েছে।”
তিনি আরও জানান, হামলাকারীদের শনাক্তে কাজ চলছে এবং পলাতক রবিনকে গ্রেপ্তারের জন্য বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে
মন্তব্য করুন


ফাতেমাতুজ জোহরা তন্বী, প্রতিবেদক:
নিটোল
পায়ে রিনিক ঝিনিক,পায়েলখানি বাজে
মাদল
বাজে সেই সংকেতে
শ্যামা
মেয়ে নাচে...
এস
ডি বর্মণের কণ্ঠে সেই প্রখ্যাত গান। বলছিলাম উপমহাদেশের সংগীতের রাজপুত্র কুমার শচীন
দেববর্মণের কথা।
শচীন
দেববর্মণ (১ অক্টোবর, ১৯০৬-৩১ অক্টোবর, ১৯৭৫) বিংশ শতাব্দীতে ভারতীয় বাংলা ও হিন্দী
গানের কিংবদন্তীতুল্য ও জনপ্রিয় সঙ্গীত পরিচালক, সুরকার, গায়ক ও লোকসঙ্গীত। আগরতলার বাসিন্দা হলেও শচীন দেবের শৈশব কেটেছে কুমিল্লায়
এবং শেষ জীবন মুম্বাইতে। তাঁর সহধর্মিণী মীরা দেবী এবং একমাত্র পুত্র রাহুল দেববর্মনও
মুম্বাই চিত্রজগতের প্রতিষ্ঠিত কণ্ঠশিল্পী।প্রায়শ তাঁকে এস ডি বর্মণ হিসেবেই উল্লেখ
করা হয়। কিছুটা অনুনাসিক কণ্ঠস্বরের জন্য তিনি তার শ্রোতাদের কাছে বিশেষভাবে পরিচিত।
প্রায় একশো বছর পার করেও বাংলা গানের শ্রোতাদের কাছে তার কালোত্তীর্ণ গানের আবেদন
কিছুমাত্র লঘু হয়নি। কেবল সঙ্গীতশিল্পী হিসাবে নয়, গীতিকার হিসাবেও তিনি সার্থক।
তিনি বিভিন্ন চলচ্চিত্রে সঙ্গীত পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর পুত্র রাহুল
দেববর্মণ ভারতের বিখ্যাত সঙ্গীত পরিচালক, সুরকার ও গায়ক ছিলেন। তাঁর ছাত্রী এবং পরবর্তীতে
সহধর্মিনী মীরা দেববর্মণ গীতিকার হিসাবে খ্যাতি অর্জন করেন। তিনি রবি গুহ মজুমদার এর
অনেক গানে সুর দিয়েছেন এবং তা শিল্পে রূপান্তরিত করেছেন। তিনি ২ বার (১৯৫৫ ও ১৯৭৪)
সঙ্গীত পরিচালক হিসেবে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার এবং ১৯৭০ সালে শ্রেষ্ঠ নেপথ্য গায়ক হিসেবে
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (ভারত) লাভ করেন।
শচীন
দেব বর্মণ তার যুগের তুলনায় অনেকাংশে আধুনিক ছিলেন। তার অনেক গানই আজকাল রিমিক্স হচ্ছে
এবং জনপ্রিয়তাও পাচ্ছে। কিন্তু বর্তমান প্রজন্মের অনেকেই জানছেন না, গান গুলোর আসল
সুরকার এবং গায়ক শচীন দেববর্মণ। শচীন দেব অনেক বাংলা গানে সুর দিয়েছেন। ১৯৩৪ সালে
নিখিল ভারত সঙ্গীত সম্মিলনে গান গেয়ে তিনি স্বর্ণপদক লাভ করেন। ১৯৩৭ সাল থেকে পরপর
কয়েকটি বাংলা ছায়াছবিতে তিনি সঙ্গীত পরিচালনা করেন। এক্ষেত্রে কয়েকটি উল্লেখযোগ্য
ছায়াছবি হলো: রাজগী, ছদ্মবেশী, জীবন-সঙ্গিনী, মাটির ঘর ইত্যাদি। তার বিখ্যাত কিছু
গান যেমন-
শোনো
গো দখিন হাওয়া
হৃদয়ে
দিয়েছো দোলা
কে
যাসরে
ঝিল
মিল ঝিল মিল
তুমি
আর নেই সেই তুমি
রজ্গীলা
তুমি
এসেছিলে পরশু ইত্যাদি।
প্রতি
বছর দু-তিন দিন জুড়েই পালিত হয় 'শচীন মেলা'। স্নিগ্ধতা এবং ঐতিহাসিক স্থাপনা ব্যাখ্যা
দেয় সোনালী অতীতের। শচীন দেববর্মণের মতো মানুষরা অমর প্রজন্মের পর প্রজন্মে।
বাংলা ও হিন্দি গানের কিংবদন্তি সুরকার শচীন দেববর্মণ এর জন্মভিটা কুমিল্লার দক্ষিণ চর্থায়। একসময় রাজবাড়ি হলেও এখন সেটি ইতিহাসের কান্না বয়ে চলা এক পরিত্যক্ত ভবন।
সরকারি উদ্যোগে ‘সংস্কৃতি কমপ্লেক্স’ গড়ে তোলার কথা বলা হলেও বাস্তবে বাড়িটি পড়ে আছে অযত্নে-অবহেলায়।
আমরা কি তবে শচীন কর্তার সুরের স্মৃতি হারাতে বসেছি?
মন্তব্য করুন


তাপস চন্দ্র সরকার:
আজ মঙ্গলবার
লোকপ্রশাসন বিভাগ, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়োজনে "বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ ও বাংলাদেশের
বাস্তবতা" শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।
এতে
প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাজদার হোসেন মামলার বাদী ও বিচার বিভাগ সংস্কার
কমিটির অন্যতম সদস্য মাসদার হোসেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন- President, The Universal
Legal Aid to Foregn Prisorers (ULAFP) এডভোকেট আব্দুর রহমান।
এ
সময় বিচার বিভাগ সংস্কার কমিটির অন্যতম সদস্য মো: মাসদার হোসেন এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ
করেন বাংলাদেশ বিচার বিভাগীয় কর্মচারী এসোসিয়েশন এর কেন্দ্রীয় কমিটি সহ-সভাপতি ও বেঞ্চ
সহকারী মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন, কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী সদস্য ও কুমিল্লা জজকোর্টের
ভারপ্রাপ্ত নাজির বিল্লাল হোসেন, সেরেস্তাদার সোলাইমান হোসেন ও সদর সহকারী জজ আদালতের
বেঞ্চ সহকারী মোহাম্মদ হাসান।
এ
সময় প্রধান আলোচকের কাছে দাবীসমূহ তুলে ধরেন বাংলাদেশ বিচার বিভাগীয় কর্মচারী এসোসিয়েশন
কুমিল্লার নেতৃবৃন্দ।
দাবী
সমূহ:
১)
বিচার বিভাগের জন্য সুপ্রীম কোর্টের অধীনে পৃথক সচিবালয় করতঃ অধস্তন আদালত ও ট্রাইব্যুনালের
সহায়ক কর্মকর্তা-কর্মচারীগণকে বিচার বিভাগের সহায়ক কর্মকর্তা-কর্মচারী হিসেবে বাংলাদেশ
জুডিসিয়াল সার্ভিস বেতন স্কেলের আলোকে বেতন ভাতা প্রদান করা।
২)
বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশনের অধীনে অধস্তন আদালত ও ট্রাইব্যুনালের সহায়ক কর্মকর্তা-কর্মচারীগণের
নিয়োগ, বিদ্যমান ব্লক পদ বিলুপ্ত করে যুগোপযোগী পদ সৃজনপূর্বক যোগ্যতা ও জ্যেষ্ঠতার
ভিত্তিতে পদোন্নতির সুযোগ রেখে স্বতন্ত্র নিয়োগ বিধি প্রণয়ন করা।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার
বিজ্ঞ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সহকারী গভর্নমেন্ট প্লিডার (এজিপি) এডভোকেট মোঃ আবু
মুছা ভূঁঞা ১৯৭৯ সালের ২৫ নভেম্বর কুমিল্লা দেবীদ্বার উপজেলার বাগমারা গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত
মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
তিনি
বাগমারা দাখিল মাদ্রাসায় প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পঞ্চম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হয়ে মুরাদনগর
বাঁশ কাইট পীতাম্বর জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯৯৪ সালে ১ম বিভাগে মাধ্যমিক পাশ করেন।
তৎপর চান্দিনা রেদোয়ান আহমেদ ডিগ্রি কলেজ থেকে ১৯৯৬ সালে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ
হয়ে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে রাষ্ট্র বিজ্ঞান বিভাগে অর্নাস করেন।
পরে উক্ত বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী লাভ করেন। তিনি ভিক্টোরিয়া কলেজে পড়াকালীন সময়ে
বিএনসিসি ও স্কাউট এর সাথে জড়িত ছিলেন।
অ্যাড.
আবু মুছা ভূঁঞার দাদা মনিরুল ইসলাম মাষ্টার বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। তবে
দাদা মনিরুল ইসলাম মাষ্টার এর অনুপ্রেরণায় বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত হন তিনি। সেই
সুবাদে এডভোকেট মোঃ আবু মুছা ভূঁঞা ১৯৯৬-৯৭ সালে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ ছাত্র দলের
রাজনীতির সাথে জড়িত থেকে "ওয়াসিম-ছানাউল্লাহ পরিষদ" এর পাশের ক্ষেত্রে ভূমিকা
রাখেন এবং ১৯৯৯ সালে কুমিল্লা আইন কলেজে অধ্যয়নরতকালে ছাত্র সংসদ "নাজমূল-মহান
পরিষদ" এর নির্বাচনে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। পরবর্তীতে ২০০৫ সালের ২৯ অক্টোবর বাংলাদেশ
বার কাউন্সিল থেকে সনদ প্রাপ্ত হয়ে একই সালে ৩১ অক্টোবর কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতিতে
যোগদান করে পেশাগত জীবনে আত্ম প্রকাশ করেন। পরবর্তীতে তরুণ আইনজীবী হিসেবে জাতীয়তাবাদী
আইনজীবী ফোরামের রাজনীতিতে সক্রিয় হন এবং জেলা আইনজীবী সমিতির কার্যকরী কমিটির সদস্য
হিসেবে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হন। এছাড়াও তিনি কুমিল্লাস্থ দেবীদ্বার সমিতির নির্বাচন
কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে দেবীদ্বার সমিতির "ক্রীড়া সম্পাদক"
হিসেবে মনোনীত হয়ে দায়িত্ব পালন করেন। এড. আবু মুছা ভূঁঞা ২০১০ সালে সর্ব সম্মতিক্রমে
দেবীদ্বার উপজেলার বরকামতা ইউনিয়ন বিএনপির "সভাপতি" নির্বাচিত হয়ে বর্তমানেও
পুনরায় দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি দেবীদ্বার উপজেলা বিএনপি'র "মানবাধিকার বিষয়ক
সম্পাদক" হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন। পরে ২০২২ সালের ২৯ মে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল
(বিএনপি)'র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম এর স্বাক্ষরিত কুমিল্লা উত্তর জেলার আহবায়ক
কমিটির "সদস্য" মনোনীত হন। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম, কুমিল্লা
ইউনিটের "যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক" হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও জেলা
আইনজীবী সমিতির "লাইব্রেরী সেক্রেটারি" হিসেবে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হন।
তারই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এর চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার
আইনজীবী ও কুমিল্লা জেলা পিপি এডভোকেট কাইমুল হক রিংকু'র নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের
মামলা পরিচালনায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। অ্যাড. মুছা ভূঁঞা বিগত ফ্যাসিষ্ট সরকারের
সকল প্রকার দমন নিপীড়নের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন। সরকারের পতনের পর যখন দেশের ক্রান্তিলগ্নে
অতিক্রম করে তখন ১৫নং বরকামতা ইউনিয়ন পরিষদের সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাছাড়াও
তিনি জনতা ব্যাংক, সোনালী ব্যাংক ও আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের প্যানেল আইনজীবী
হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সর্বশেষ গেলো ৩রা জুন দেবীদ্বার উপজেলাধীন বাগমারা ইসলামিয়া
আলীম মাদ্রাসা'র গভর্ণিং বডির "সভাপতি" মনোনীত হয়েছেন। তিনি দীর্ঘ দেড় যুগেরও
বেশি সময় ধরে অত্যন্ত সততা ও নিষ্ঠার সাথে আইন পেশা পরিচালনা করে আসছেন।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
হাসনাত আবদুল্লাহ'র প্রতি হুমকি ও ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে কুমিল্লা দেবীদ্বারে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন জুলাই অভ্যুত্থানের আহত, শহীদ পরিবার ও ছাত্র-জনতা।
মঙ্গলবার (২০শে মে) দুপুরে দেবিদ্বার রেয়াজ উদ্দিন পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে পরে দেবীদ্বার পৌর মার্কেট গিয়ে মিছিলটি শেষ হয়।
সমাবেশে বক্তারা হাসনাত আবদুল্লাহ'র কে হত্যার হুমকির ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং আওয়ামীলীগ দোসরদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
এ সময় বক্তারা বলেন, গতকাল সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে হাসনাত আব্দুল্লাহ ভাইকে নিয়ে এই ধরনের কথা বলায় আমরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। তাদেরকে ভুলে গেলে চলবে না হাসানাত আব্দুল্লাহ কে ছিলেন, আজকে তারা স্বাধীনভাবে প্রেস ক্লাবে কথা বলতেছে কার জন্য।
তারা আরও বলেন, বিগত ১৭ বছরে তারা ১৭ সেকেন্ডের জন্য তাদের স্থান প্রেস ক্লাবে হয় নাই। কিন্তু আজকে তারা স্বাধীনভাবে সবকিছু করতেছে এসব বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ফলপ্রসু। তাদেরকে ভুলে গেলে চলবে না যে জাতি বিপ্লবীদের অমর্যাদা করে সে জাতি ভবিষ্যৎ অন্ধকার। তাদেরকে অনুরোধ করবো আপনারা আপনাদের সম্মান রক্ষা করুন।
মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন