

লালমনিরহাট জেলার আদিতমারীতে ছাত্রীকে
প্রাইভেট পড়াতে গিয়ে ছাত্রীর মাকে নিয়ে আলামিন নামে এক গৃহশিক্ষক পালিয়েছেন
বলে অভিযোগ উঠেছে।
গত চার দিন থেকে তাদের খোঁজ পাচ্ছেন
না পরিবারের লোকজন। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন ওই নারীর স্বামী অমল ভুইমালি।
শনিবার (৬ জুলাই) সন্ধ্যায় আদিতমারী
থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদ উন নবী অভিযোগ দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত
করেন।
এর আগে গত মঙ্গলবার (২ জুলাই) উপজেলার
পলাশী ইউনিয়নের নামুড়ী এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। অভিযুক্ত গৃহশিক্ষক আলামিন উপজেলার পলাশী
ইউনিয়নের মদনপুর সবজি বাজার এলাকার ওসমান আলীর ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অমল ভুইমালির
দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ুয়া শিশুকন্যা অপর্না রায় অনুরাধাকে প্রাইভেট পড়াতেন আলামিন।
একপর্যায়ে অমল ভুইমালির স্ত্রী কাকলি রানীর সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন ওই
শিক্ষক। বিষয়টি টের পেয়ে অমল ভুইমালি সপ্তাহ দুই আগে ওই শিক্ষককে তার মেয়েকে পড়াতে
নিষেধ করে দেন। পরে গত মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর কাকলি রানীকে নিয়ে পালিয়ে যান গৃহশিক্ষক
আলামিন।
অমল ভুইমালি জানান, আমার স্ত্রীকে নিয়ে
গৃহশিক্ষক আলামিন পালিয়েছে। আমি থানায় অভিযোগ দিয়েছি। আমি গরিব মানুষ। পুলিশ চার দিনেও
আমাকে কোনো সহযোগিতা করল না। শিশুটিকে নিয়ে বিপাকে আছি।
আদিতমারী থানার ওসি মাহমুদ উন নবী জানান,
এ বিষয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। ওই গৃহশিক্ষককে আটকের চেষ্টা করা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


তিস্তা নদীতে ভেসে আসা মেহেদি রাঙা হাত বাঁধা সেই কিশোরীর মরদেহের পরিচয় মিলেছে। সে মরদেহটি নববধূ জোসনা বেগমের (১৫)। সে নীলফামারীর ডিমলা থানার খড়িবাড়ী এলাকার জহর আলীর স্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্রী ছিল।
সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদিতমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদ উন নবী।
এরআগে রোববার (২২ সেপ্টেম্বর) সকালে লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার মহিষখোঁচা ইউনিয়নের কুটিরপাড় বালুর বাঁধ এলাকার চর থেকে ওই কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করেন পুলিশ।
মরদেহটি পেছনে হাত বাঁধা অবস্থায় ছিল। মেহেদি-রাঙা হাতে লেখা ছিল ‘আই লাভ ইউ’।
পুলিশ ও নিহতের পরিবার জানান, ২০ দিন
আগে জাহিদ হোসেনের সঙ্গে বিয়ে হয় স্কুলছাত্রী জোসনার। গত শুক্রবার চাচাতো বোনের বিয়ের
অনুষ্ঠানে যোগ দিতে স্বামীর বাড়ি থেকে বাবার বাড়ি আসেন তিনি। ওই দিন বিকেলে সেখান থেকে
নিখোঁজ হন নববধূ জোসনা বেগম। তখন পরিবারের সদস্যরা ধারণা করেন বিয়ের আগের প্রেমিকের
হাত ধরে চলে যেতে পারে জোসনা। সেই ধারণা থেকে ডিমলা থানায় মামলা দায়ের করেন তার পরিবার।
এদিকে গত রোববার (২২ সেপ্টেম্বর) সকালে
মহিষখোচা ইউনিয়নের চৌরাহা মাদরাসা এলাকায় তিস্তা নদীর চরাঞ্চলে ভেসে আসা তরুণীর মরদেহ
দেখতে পান স্থানীয় কৃষকরা। মেহেদি রাঙা হাতে আই লাভ ইউ লেখা এবং দু'হাত ওড়না দিয়ে পেছন
দিক থেকে বাঁধা। মুখ এসিড দিয়ে ঝলসে দেওয়া ছিল। পরে খবর পেয়ে সোমবার সকালে জোসনার পরিবারের
সদস্যরা এসে লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে মরদেহ শনাক্ত করেন। এরপর ডিমলা থানায় মামলা থাকায়
মরদেহ সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশের উপস্থিতিতে হস্তান্তর করা হয়।
এ বিষয়ে আদিতমারী
থানার ওসি মাহমুদ উন নবী বলেন,
মরদেহ হিমঘরে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এ ঘটনায় আদিতমারী
থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
৮৫ কেজি গাঁজাসহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
সোমবার
(১৯ আগস্ট) রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে
কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মণপাড়া থানাধীন মিরপুর এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে
আসামী ১। মোঃ মিনারুল ইসলাম (৩১) এবং ২। মোঃ সাফিরুল ইসলাম (৩৪) নামক দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে
গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীদ্বয়ের কাছ থেকে ৮৫ কেজি গাঁজা ও মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত
একটি প্রাইভেটকার গাড়ি উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো: ১। মোঃ মিনারুল
ইসলাম (৩১) জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি থানার রামচন্দ্রপুর গ্রামের তোফাজ্জল হোসেন এর
ছেলে এবং ২। মোঃ সাফিরুল ইসলাম (৩৪) জয়পুরহাট জেলার জয়পুরহাট থানার হিচমী দক্ষিণপাড়া
গ্রামের মৃত মোয়াজ্জেম হোসেন এর ছেলে।
র্যাব জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার
সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লাসহ অন্যান্য জেলায় মাদক
ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর
মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো
সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদের
বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
৫০ কেজি গাঁজাসহ ১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশ ।
আজ
(২৬ জানুয়ারী) সকালে কোতয়ালী মডেল থানায় কর্মরত এসআই(নিঃ) ছালাউদ্দিন ও সঙ্গীয় ফোর্স
সহ কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন ৪নং আমড়াতলী ইউপিধীন আমড়াতলী সাকিনস্থ কাইয়া
পুকুরের পূর্ব দক্ষিণ কোনের নাজিম উদ্দিনের বাড়ির সামনে রাস্তার উপর হতে ৫০ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী মোঃ বিল্লাল হোসেন কে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃত আসামী হলো: মোঃ বিল্লাল হোসেন(৩১), পিতা-মৃত আলী আকবর, মাতা-সাফিয়া খাতুন
,স্থায়ী: গ্রাম- বড়জালা (মন্টু মিয়ার বাড়ি, পোঃ বামইল ) , উপজেলা/থানা- কুমিল্লা কোতয়ালী,
জেলা –কুমিল্লা।
উক্ত
ঘটনায় কোতয়ালী মডেল থানার মামলা রুজু করা হয়।
মন্তব্য করুন


টেলিভিশন জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন, কুমিল্লার কমিটি (২০২৪-২০২৬) গঠন করা হয়েছে।
নতুন কমিটিতে একুশে টেলিভিশনের জেলা প্রতিনিধি হুমায়ুন কবির রনিকে পূনরায় সভাপতি, নাগরিক টিভির জেলা প্রতিনিধি দেলোয়ার হোসাইন আকাইদ কে সাধারন সম্পাদক ও বাংলা টিভির জেলা প্রতিনিধি মোঃ আরিফুর রহমান মজুমদারকে সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়েছে।
সংগঠনের এক সাধারণ সভায় টেলিভিশন জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সদস্যদের উপস্থিতিতে আগামী দুবছরের জন্য এ কমিটি গঠন করা হয়।
পূর্বের কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ায় ওই কমিটি বিলুপ্ত করা হয়। সভায় নতুন কমিটি গঠনকল্পে একটি নির্বাচনী কমিটি করা হয়। এ নির্বাচনে বিভিন্ন পদে একাধিক প্রার্থী না থাকায় সংগঠনটির প্রবীণ সদস্য এবং প্রতিষ্ঠাকালীন সহ-সভাপতি আরটিভির জেলা প্রতিনিধি গোলাম কিবরিয়া এ কমিটির নাম প্রস্তাব করেন। পরে সর্ব সম্মতি ক্রমে এ কমিটি গঠন করা হয়।
নবগঠিত কমিটিতে অন্যান্যদের মধ্যে আরটিভির জেলা প্রতিনিধি গোলাম কিবরিয়াকে সিনিয়র সহ-সভাপতি এবং যমুনা টেলিভিশনের রফিকুল ইসলাম চৌধুরী খোকনকে সহ-সভাপতি, বৈশাখী টেলিভিশনের আনোয়ার হোসেনকে সহ-সাধারন সম্পাদক, দীপ্ত টিভির শাকিল মোল্লাকে অর্থ সম্পাদক, মাছরাঙা টেলিভিশনের জাহাঙ্গীর আলম ইমরুলকে প্রচার-প্রকাশনা ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক, ডিবিসি নিউজের মোঃ নাসির উদ্দিন চৌধুরীকে দপ্তর সম্পাদক করা হয়েছে।
নির্বাহী কমিটির সদস্য হয়েছেন জিটিভির জেলা প্রতিনিধি সেলিম রেজা মুন্সী, এখন টিভির কুমিল্লা ব্যুারো চিফ খালেদ সাইফুল্লাহ, মোহনা টিভির জেলা প্রতিনিধি তাওহিদ হোসেন মিঠু ও মাইটিভির জেলা প্রতিনিধি আবু মুসা।
সাধারণ সদস্যরা হলেন, ইনডিপেনডেন্ট টিভির জেলা প্রতিনিধি তানভীর দিপু, এশিয়ান টিভির বিশেষ প্রতিনিধি আজিজুল হক, বাংলাদেশ টেলিভিশনের জেলা প্রতিনিধি রাবেয়া আক্তার, এসএ টিভির জেলা প্রতিনিধি রফিকুল ইসলাম, সময় টেলিভিশনের জেলা প্রতিনিধি ইশতিয়াক আহমেদ, এনটিভির জেলা প্রতিনিধি মাহফুজ নান্টু।
এছাড়া এটিএন বাংলা, এটিএন নিউজের স্টাফ রিপোর্টার খায়রুল আহসান মানিক ও বাংলা ভিশন টিভির জেলা প্রতিনিধি সাইয়িদ মাহমুদ পারভেজকে উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য করা হয়েছে। এ ছাড়া ওমর ফারুকী তাপস ও এম ফিরোজ মিয়াকে প্রতিষ্ঠাকালিন সদস্য হিসেবে লাইফ মেম্বার করা হয়েছে। এ কমিটি আগামী দুই বছর দায়িত্ব পালন করবে।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা,কচুয়া ॥
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার ৫নং পশ্চিম সহদেবপুর ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মহিন উদ্দিন বাপ্পি সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী সদস্য ড. আনম এহছানুল হক মিলনের প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার কারণে তাঁর ছবি সম্বলিত ছবি দিয়ে নিজ বাড়ির প্রধান গেইট সুসজ্জিত করেছেন। এর পাশাপাশি তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ছবি সম্বলিত ছবি একেছেন। তাঁর এমন ব্যতিক্রমী উদ্যোগকে স্বাগত জানান উপজেলা ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ। সোমবার সকালে উপজেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি তাজুল ইসলাম ও সাধারন সম্পাদক সাইফুল ইসলাম পাটোয়ারী সহ অন্যান্যরা যুবদল নেতা মহিন বাপ্পির বাড়ির গেইট পরিদর্শন করেন। এসময় তারা নেতার প্রতি এমন ভালোবাসায় মুগ্ধতা ও প্রশংসা করেন।
উপজেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি তাজুল ইসলাম ও সাধারন সম্পাদক সাইফুল ইসলাম পাটোয়ারী বলেন, মহিন বাপ্পি হামলা-মামলা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নির্যাতনের শিকার হয়েও দলকে ও তার নেতাকে ভুলে যায়নি। হামলা-মামলা ও নির্যাতনের শিকার হলেও তিনি কখনোই দলকে ভুলে যাননি এবং প্রিয় নেতা মিলন ও তার আদর্শ বুকে ধারণ করে আজও দলের সাথে মিশে আছেন তিনি। তার এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানাই।
মন্তব্য করুন


সিরাজগঞ্জ জেলার কাজিপুরে সোনামুখী
কাঠের আসবাবপত্রের মেলায় যাদু প্রদর্শনীর আড়ালে অশ্লীল নৃত্য প্রদর্শন করার দায়ে ১০
জনকে ১৫ দিন করে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
আজ মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) ভোর রাতে
কাজিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) সাবরিন আক্তারের ভ্রাম্যমাণ আদালত
এ দণ্ডাদেশ দেন।
এর আগে রাত ১২টার দিকে সেনাবাহিনী ও
এনএসআই সদস্যরা যৌথ অভিযান চালিয়ে দেড় শতাধিক অশ্লীল নৃত্য শিল্পী, যাদু প্রদর্শনীর
প্যান্ডেল পরিচালনা কমিটির সদস্য ও দর্শকদের আটক করে।
আটকদের মধ্যে থেকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে
১০ জনকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। বাকিদের থেকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্র জানিয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, শারদীয় দুর্গাপূজা
উপলক্ষে সোনামুখীতে প্রায় ৩০০ বছর ধরে কাঠের আসবাবপত্রের মেলা বসে। এই মেলা মাসব্যাপী
স্থায়ী হয়। এ বছরও যথারীতি মেলাটি শুরু হয়। কিন্তু গত এক সপ্তাহ ধরে বাইরে যাদু প্রদর্শনীর
সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে টিকিট বিক্রির করে ভেতরে অশ্লীল নৃত্য প্রদর্শন করা হচ্ছিল। এলাকার
কিছু স্থানীয় নেতার সহযোগিতায় মেলায় ৪টি প্যান্ডেল স্থাপন করে অশ্লীলতা চালানো হয়।
এ বিষয়টি জানতে পেরে এনএসআই ও সেনাবাহিনীর
সদস্যরা সেখানে যৌথ অভিযান চালায়। অভিযানের সময় অশ্লীল নৃত্যের প্যান্ডেলগুলো ভেঙে
ফেলা হয়।
কাজিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা
(ভারপ্রাপ্ত) সাবরিন আক্তার জানান, আমরা গোপন সংবাদে জানতে পারি সোনামুখী মেলায় অশ্লীল
নৃত্য প্রদর্শন করা হচ্ছে, পরে অশ্লীল নৃত্য পরিবেশনের সময় তাদের হাতেনাতে আটক করা
হয়। এদের মধ্যে অশ্লীলতার সঙ্গে সরাসরি জড়িত থাকায় ১০ জনকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া
হয়েছে।
উক্ত অভিযানে এনএসআইয়ের যুগ্ম পরিচালক
আব্দুল্লাহ আল মামুন ও সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ সেনাসদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় কলেজ শিক্ষার্থীকে রাস্তা
থেকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত প্রধান আসামী মোঃ সাকিব আহম্মেদকে গ্রেফতার করেছে
র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গত ২০ থেকে
২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখ পর্যন্ত বিভিন্ন সময় গাজীপুর জেলার কোনাবাড়ী থানাধীন মেম্বার
বাড়ীতে কলেজ শিক্ষার্থী ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। ওই শিক্ষার্থীর পিতা
বাদী হয়ে কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ১ টি মামলা
দায়ের করেন। (যার মামলা নং-২৪, তারিখ-৩০/০৯/২০২৪)।
উক্ত ঘটনায়
জড়িত ব্যক্তিকে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে র্যাব গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধি করে। এরই ধারাবাহিকতায়
তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় র্যাব-১১ এর অভিযানে
আজ (৫ অক্টোবর) ভোর রাতে নরসিংদী জেলার পলাশ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ধর্ষক
মোঃ সাকিব আহম্মেদকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃত
আসামী হলো- কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি থানার হাসনাবাদ এলাকার মোঃ রিপন মিয়ার ছেলে মোঃ
সাকিব আহম্মেদ (২৪)।
স্থানীয় সূত্রে
জানা যায়, শিক্ষার্থীর পিতা একজন ব্যবসায়ী। দাউদকান্দি উপজেলার
স্থানীয় একটি কলেজে একাদশ শ্রেণীতে অধ্যায়নরত ছিল ওই শিক্ষার্থী। কলেজে
যাওয়া আসার সময় গ্রেফতারকৃত আসামী সাকিবের সাথে পরিচয় হয়। এরই প্রেক্ষিতে সাকিব ওই
শিক্ষার্থীকে প্রেমের প্রস্তাবসহ বিবাহের প্রস্তাব
দেয়। উক্ত প্রস্তাব ফিরিয়ে দিলে আসামী সাকিব তাকে বিভিন্ন ধরণের হুমকি ধামকি সহ অপহরণের
ভয় দেখায় এবং গতিবিধি অনুসরণ করতে থাকে। পরবর্তীতে গত ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ইং তারিখ
আনুমানিক ৯ টায় ওই শিক্ষার্থী কিছু জিনিস কেনার জন্য কুমিল্লা জেলার
দাউদকান্দি থানাধীন হাসনাবাদ এলাকায় পৌছালে আগে থেকে ওত পেতে থাকা আসামী সাকিব ও তার
সহযোগীরা ওই শিক্ষার্থীকে অপহরণ করে মাইক্রোবাস যোগে গাজীপুর
জেলার কোনাবাড়ী থানাধীন মেম্বারবাড়ীতে নিয়ে যায়। সেখানে পূর্ব থেকে আসামী সাকিব একটি
রুম ভাড়া করে রাখে এবং গত ২০/০৯/২০২৪ তারিখ হতে ২৭/০৯/২০২৪ ইং তারিখ পর্যন্ত বিভিন্ন
সময় ওই শিক্ষার্থীকে ঐ ভাড়া বাসায় আটকে রেখে তার ইচ্ছার
বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। একপর্যায়ে আসামী সাকিব ঐ বাসা থেকে পলায়ন করে আত্নগোপনে
চলে যায় এবং ওই শিক্ষার্থী মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তার বাসায় যোগাযোগ
করলে পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে।
র্যাব জানান,
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামী ধর্ষণের ঘটনার সাথে তার সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে
তথ্য প্রদান করে। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীকে কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি থানায়
হস্তান্তর প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


মুরাদুল ইসলাম মুরাদ,কুড়িগ্রাম :
কুড়িগ্রামের রাজিবপুর উপজেলায় অটো রিক্সা চালক আকিদুল হত্যার আসামি সনাক্ত ও গ্রেফতারের দাবিতে উপজেলা রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের আয়োজনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার দুপুর ১২ টায় রাজিবপুর উপজেলা চত্বরে রাজিবপুর রাষ্ট্র সষ্কার আন্দোলনের সভাপতি আবু সাইদের সভাপতিত্বে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শিপন মাহমুদের সঞ্চালনায় বক্তব্যে নিহত আকিদুল ইসলামের মা ভানু বেগম (৪৭) বলেন, অটো রিক্সা চালিয়ে আমাদের সংসার চলত। হঠাৎ একদিন আমার ছেলে বাড়ি ফেরেনি। পরে নদী থেকে আমার ছেলের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। অটোরিকশাও ফিরে পাইনি। কেন আমার ছেলেটাকে হত্যা করা হলো, কি অপরাধ করেছিল আমার ছেলে। এক মাস হয়ে গেল আমার ছেলে হত্যার কোন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়নি। আমরা গরিব বলে কি ছেলে হত্যার বিচার পাব না? গ্রেফতার এবং আসামিদের সনাক্তর দাবিতে কান্নার জড়িত কন্ঠে ভানু বেগম বলেন ২০ দিনের মধ্যে আমার ছেলে হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও সনাক্ত করার জোর দাবি জানান।
আকিদুল ইসলামের স্ত্রী মরিয়ম খাতুন (২৩) বলেন এক মাস হয়ে গেল আমার স্বামীর হত্যার কোন বিচার পাইনি। কোন আসামিও গ্রেফতার হয়নি। পুলিশে মামলার কোন অগ্রগতি আমাদের জানায়নি। গরিব বলে কি আমরা বিচার পাব না। দয়া করে আমার স্বামীর হত্যাকারীদের শনাক্ত করুন।
এ সময় আরো বক্তব্য রাখেন রাষ্ট্রসংস্কার আন্দোলনের সদস্য সচিব সুজন মাহমুদ, রাজিবপুর বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক শহিদুল ইসলাম মুক্তির ডাক আহবায়ক বিদ্যুৎ সরকার প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ মিয়া,কচুয়া :
ঝড়ে পড়া শিক্ষার্থী হ্রাস ও স্কুলমুখী করতে কাজ করছেন পোভার্টি ইরাডিকেশন প্রোগ্রাম (পিইপি)। সুবিধাবঞ্চিত এলাকায় প্রান্তিক শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে পড়াশুনা ও শিক্ষাসামগ্রীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় অভিভাবকদের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সুষ্ঠু পরিচালনায় সুবিধাবঞ্চিত এলাকায় শিক্ষার্থী ঝরে পড়া কমাতে কাজ করছে পিইপি’র আওতাধীন কচুয়া সমন্বিত উন্নয়ন প্রকল্প (কেআইডিপি)। পিইপি প্রকল্পের অধীনে সুবিধাবঞ্চিত এলাকায় স্কুল থেকে শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার হার হ্রাস করার লক্ষ্যে এ প্রকল্পটি পরিচালিত হচ্ছে।
জানা যায়, ১৯৮৩ সালে কেআইডিপি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর ১০টি প্রকল্প নিয়ে কাজ শুরু করে। তন্মধ্যে শিক্ষা,গবাদিপশু,ঘর মেরামত, স্যানিটেশন,কৃষি কাজে সহায়তা,কাঠ ও ফলজ চারা বিতরণ,রাস্তা বনায়ন,ল্যাসিম কর্মসূচি,পোল্ট্রি ও ক্ষুদ্রঋন পরিচালিত হয়। যার মধ্যে শিক্ষা কর্মসূচি এ উপজেলায় ৭টি ও মতলব উপজেলা ১টি সহ মোট ৮টি শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র (সিডিসি) স্কুল রয়েছে। প্রতিটি স্কুলে ৩০ জন শিক্ষার্থী রয়েছেন। শিক্ষকদের প্রশিক্ষনের মাধ্যমে ৮জন শিক্ষক নিয়মিত ভাবে পাঠদান করাচ্ছেন। ওই প্রতিটি স্কুলে শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে বই থেকে শুরু করে শিক্ষা সামগ্রী প্রদান করা হয়। পাশাপাশি প্রতিটি শিক্ষার্থীকে টিফিন করা হয় ও যার গড় প্রতি শিক্ষার্থীদের ব্যয় ১৫ টাকা এবং সপ্তাহে ৫দিন টিফিনের ব্যবস্থা রয়েছে। শুধু তাই নয়, শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে নৃত্য,গান,কবিতা আবৃতি সহ নানামূখী উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। বর্তমানে কচুয়া উপজেলা ৭টি স্কুলে ২১০জন শিক্ষার্থী রয়েছেন। এ বিদ্যালয়ে শিশু শ্রেনি থেকে দ্বিতীয় শ্রেনি পর্যন্ত পড়াশুনা করা হয় এবং প্রতিদিন তাদের টিফিন করা হয় । এছাড়া প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত চলে এ বিদ্যালয়ের কার্যক্রম। দারিদ্র্য বিমোচনের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের স্কুলমুখী করতে এমন উদ্যোগ গ্রহন করা হয়েছে।
স্থানীয় অভিভাবকরা জানান, দক্ষ শিক্ষদের মাধ্যমে এ স্কুলে আমাদের সন্তানদের পাঠদান করানো হচ্ছে। তাছাড়া এখনো নানা ধরনের সুবিধা রয়েছে। বিনামূল্যে তাদের পড়াশুনা খরচ ও অন্যান্য সামগ্রী প্রদান করেন। এছাড়া বিদ্যালয় আঙ্গিনায় অভিভাবকদের বসার ব্যবস্থা রয়েছে। তাই আমাদের সন্তানদের সিডিসি স্কুলে পড়াশুনা ও ভর্তি করা হয়।
বিদ্যালয়ের শিক্ষক সাথী আক্তার,রাবেয়া আক্তার ও কোহিনুর সহ অন্যান্য শিক্ষকরা জানান, আমরা সবসময় চেষ্টা করি এসব কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পাঠদান করাতে। তাছাড়া এসব শিক্ষার্থীরা দুপুরের টিফিন পেয়ে খুশি। নিয়মিত ভাবে তাদের পাঠদান করানো হচ্ছে। ভবিষ্যতে কর্মকর্তাদের দিক নির্দেশনায় আমরা কোমলমতি শিক্ষার্থীদের শেনিকক্ষে আরো কিভাবে ভালো কিছু করা যায় সেই লক্ষে কাজ করব।
কেআইডিপি’র চাঁদপুর জেলা মাঠ সমন্বয়কারী মো. আলাউদ্দিন বলেন, কেআইডিপির অনেক ধরনের কর্মসূচি রয়েছে তার মধ্যে শিক্ষা কর্মসূচি অন্যতম। সুবিধা বঞ্চিত কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ঝড়ে পড়া থেকে রক্ষা ও তাদের স্কুলমূখী করার জন্য এমন উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। তাছাড়া প্রতি শিক্ষকদের প্রশিক্ষনের মাধ্যমে দক্ষ করে তারা শিক্ষার্থীদের পাঠদান করাচ্ছেন। দারিদ্র্য দূরীকরনের পাশাপাশি শিক্ষার হার অর্জনে কাজ করে যাচ্ছে এ সংস্থা।
মন্তব্য করুন


ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ফেসবুকে সহজে বিদেশে চাকরির প্রলোভনের ফাঁদ পাতা নারী ও শিশুপাচার চক্রের সন্ধান পেয়েছে । রাজধানীর হাজারীবাগ এলাকা থেকে দুই কিশোরী নিখোঁজের ঘটনা তদন্তে নেমে এ চক্রের সন্ধান পান গোয়েন্দারা।
চক্রের মাস্টারমাইন্ড আনারুল। আর তার অন্যতম সহযোগী তার আপন বড়ভাই কবির হোসেন। আনারুল এলাকায় গরুর খামারের আড়ালে এ চক্রটি চালিয়ে আসছিলেন। আর কবির গাড়িচালক বেশে চক্রের সংগ্রহ করা নারী ও শিশুদের পাচার করতেন। চক্রটি অন্তত শতাধিক নারীকে পাচার করেছে বলে দাবি করেছে ডিবি।
গোয়েন্দা পুলিশ বলছে, সাতক্ষীরার কলারোয়া থানার ভারতীয় সীমান্তের জিরোপয়েন্ট লাগোয়া গ্রাম কেরাগাছি এলাকার আব্দুল হামিদের দুই ছেলের নেতৃত্বে চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে কম বয়সী নারী ও শিশুদের বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে সীমান্ত দিয়ে পাচার করে আসছিল। কবির হোসেনকে গ্রেফতার করলেও চক্রের মাস্টারমাইন্ড আনারুল পলাতক।
পাচার হওয়া থেকে উদ্ধার হয়েছেন খুলনা জেলার দৌলতপুর থানার কালিবাড়ি এলাকার জনি হাওলাদারের স্ত্রী সিমা আক্তার ও তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নবাব শেখ। মা-ছেলেকে পাচার চক্রের সদস্যরা সীমান্ত এলাকায় নিয়ে গেলেও ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) রমনা বিভাগের ধানমন্ডি জোনের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) মোহাম্মদ ফজলে এলাহী ও তার টিমের দক্ষতায় বেঁচে যান তারা।
জানা গেছে, সিমাকে ফেলে স্বামী অন্যত্র চলে যাওয়ায় একমাত্র ছেলেকে নিয়ে শুরু করেন জীবন সংগ্রাম। তিনি ভোমর তৈরির কারখানায় কাজ করতেন। এই কাজ করে যা আয় হতো তা দিয়ে জীবন বাঁচলেও ছেলের পড়াশোনা করাতে পারছিলেন না। হঠাৎ একদিন ফেসবুকে পড়াশোনাসহ কোনো যোগ্যতা ছাড়াই ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকায় চাকরির একটি বিজ্ঞাপন দেখতে পান। যোগাযোগ করলেও জানানো হয় পাশের দেশ ভারতে তাকে বাসা বাড়িতে কাজ দেওয়া হবে পাশাপাশি তার ছেলেকে পড়াশোনাও করানো হবে।
আর এভাবেই আকর্ষণীয় বেতনের প্রলোভন দেখিয়ে তাকে সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলায় যেতে বলা হয়। আর ঘটনাক্রমে চাকরির প্রলোভনে মানবপাচার চক্রের ফাঁদে পড়েন সিমা ও তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নবাব শেখ।
উদ্ধার হওয়া সিমা আক্তার বলেন, তার স্বামী অনেক আগে ছেড়ে চলে গেছেন। হঠাৎ একটি চাকরির বিজ্ঞাপন দেখে যোগাযোগ করেন। পরে ভারতীয় একটি নম্বর থেকে একজন ফোন দিয়ে জানতে চায় চাকরি করবো কি না। কাজ সম্পর্কে জানতে চাইলে সেই ব্যক্তি সিমাকে বলেন, আপনাকে একটি বাসায় কাজ দেওয়া হবে। আর আপনার ছেলেকে মাদরাসায় ভর্তি করা হবে। মাসে ২০ হাজার টাকা বেতন দেওয়া হবে। পরে আমাকে সাতক্ষীরা থেকে ফোন দিয়ে একজন যেতে বলে। আমি গেলে তারা আমাকে সীমান্ত এলাকায় নিয়ে যায়। সেখান থেকে ডিবি আমাকে উদ্ধার করে ।
পাসপোর্ট, ভিসা ও কোনো ধরনের টাকা ছাড়াই পাচার চক্রের ফাঁদে পা দেওয়া সিমা আরো বলেন, ফোনে তাদের বলেছি আমি টাকা দিতে পারবো না। আমার পাসপোর্ট নেই। কীভাবে যাবো? তখন তারা বলেছে, আপনি আসেন। আমরা সব কিছুর ব্যবস্থা করবো। আপনি ভারত যাওয়ার পর চাকরি করে মাসে মাসে যা পারেন দিয়েন।
এ চক্রের বিষয়ে গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেন, রাজধানীর হাজারীবাগ এলাকা থেকে সম্প্রতি দুই কিশোরী নিখোঁজের ঘটনায় একটি মামলা হয়। মামলা তদন্তে নেমে আমরা একটি মানবপাচার চক্রের সন্ধান পাই। যারা ফেসবুকে সহজে টাকা-পয়সা ছাড়াই চাকরি দেওয়ার নামে নারী ও শিশুদের পাচার করে আসছে। এমনকি চক্রের পাতা ফাঁদে পা দিয়ে খুলনা থেকে এক নারী তার সন্তানকে নিয়ে সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া থানার সীমান্ত এলাকায় চলে গেছেন।
তিনি আরো বলেন, চক্রের সদস্যরা তাকে পাচারের উদ্দেশ্যে নোম্যান্স ল্যান্ড এলাকায় নিয়ে গিয়েছিল। সেখান থেকে তাদের উদ্ধার কার হয়। তবে যে মামলার তদন্তে নেমে এই চক্রের সন্ধান পাওয়া গেছে সেই দুই মেয়েকে আগেই পাচারকারীরা পাচার করে দিয়েছে। এছাড়া সীমান্ত এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় চক্রের অন্যতম হোতা সাতক্ষীরার কলারোয়া থানার কেরাগাছি এলাকার আব্দুল হামিদের ছেলে কবির হোসেনকে। এরপরই বেরিয়ে আসে চাকরির বিজ্ঞাপনের আড়ালে মানবপাচার চক্রের পরিচয়। দুই ভাই মিলে শতাধিক নারীকে পাচার করেছেন বলে আমরা জানতে পেরেছি।
ডিবি আরো জানিয়েছে, কবিরের বিরুদ্ধে তিনটি মানবপাচার মামলা রয়েছে ।
মন্তব্য করুন