

টানা
ভারী বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ওমানে ভয়াবহ বন্যার মধ্যে মানবতা ও সাহসিকতার
এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন এক পাকিস্তানি যুবক। নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ডুবে
যাওয়া একটি গাড়ি থেকে দুই ভারতীয় নাগরিককে উদ্ধার করেছেন তিনি।
স্থানীয়
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, টানা বৃষ্টিপাত ও বন্যায় ওমানে এখন পর্যন্ত অন্তত ১০ জনের মৃত্যু
হয়েছে এবং আহত হয়েছেন আরও অনেকে। বিভিন্ন উপত্যকা ও নিচু এলাকা প্লাবিত হওয়ায় দেশটির
বিভিন্ন অঞ্চলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
এই
দুর্যোগের মধ্যেই ওমানের স্থানীয় গণমাধ্যম মাসকট ডেইলি এক মানবিক ঘটনার খবর প্রকাশ
করেছে, যা ইতোমধ্যে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
উদ্ধারকারী
ওই যুবকের নাম শাহজাদ খান (২৫)। তিনি পাকিস্তানের পেশোয়ারের বাসিন্দা এবং বর্তমানে
ওমানের বারকা এলাকায় প্রবাসী শ্রমিক হিসেবে কাজ করছেন।
ঘটনাটি
ঘটে রোববার বিকেল ৪টার দিকে বারকা এলাকায়। টানা বৃষ্টিতে একটি উপত্যকা উপচে পড়লে সেখানে
প্রবল স্রোতের মধ্যে একটি গাড়ি আটকে যায়। গাড়ির ভেতরে থাকা দুজন ভারতীয় নাগরিক সাহায্যের
জন্য চিৎকার করছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের
ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনাস্থলে শতাধিক মানুষ জড়ো হলেও অনেকেই তখন ভিডিও ধারণে ব্যস্ত ছিলেন।
এমন পরিস্থিতিতে শাহজাদ খান কোনো দ্বিধা না করে স্রোতের মধ্যে ঝাঁপিয়ে পড়েন।
সামাজিক
মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, লাল কুর্তা পরিহিত শাহজাদ প্রথমে পা দিয়ে গাড়ির
জানালার কাঁচ ভাঙার চেষ্টা করেন। তাতে ব্যর্থ হলে পরে একটি পাথর ব্যবহার করে কাঁচ ভেঙে
গাড়ির ভেতরে আটকে পড়া দুজনকে বের করে আনেন। আমি শুধু দেখেছি মানুষ বিপদে আছে।
ঘটনার
বর্ণনা দিতে গিয়ে শাহজাদ খান বলেন, হঠাৎ দেখি একটি গাড়ি পার হওয়ার চেষ্টা করছে, কিন্তু
মাঝপথে আটকে যায়। ভেতরে থাকা লোকজন সাহায্যের জন্য চিৎকার করছিল।
তিনি
আরও বলেন, আমি কিছু ভাবিনি না জাতি, না ধর্ম। শুধু দেখেছি মানুষ বিপদে আছে। একজন প্রায়
ডুবে যাচ্ছিল, আরেকজন বের হওয়ার চেষ্টা করছিল।
তার
এই তাৎক্ষণিক সাহসিকতায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে স্থানীয়রা মনে করছেন।
পাকিস্তান
সোশ্যাল ক্লাবের সমাজকল্যাণ পরিচালক শানদার বুখারি বলেন, শাহজাদ খানের সাহসিকতা সামাজিক
মাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। ভিডিওটি দেখে বিষয়টি যাচাই করা হয়েছে।
তিনি
বলেন, তার এই সাহসিকতা সত্যিই প্রশংসনীয়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে দূতাবাস ও কমিউনিটির
পক্ষ থেকে তাকে সম্মানিত করা হবে।
দুর্যোগের
সময়ে যখন অনেকেই দর্শকের ভূমিকায় থাকেন, তখন শাহজাদ খানের এই উদ্যোগ মানবতার এক উজ্জ্বল
উদাহরণ হয়ে উঠেছে।
মন্তব্য করুন


আজ
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) দুপুর দেড়টায় চট্টগ্রাম ও নোয়াখালীর মধ্যকার ম্যাচটা মাঠে
গড়ানোর কথা ছিল। কিন্তু ক্রিকেটাররা ম্যাচ বয়কট করলে টসই হয়নি। এমনকি ক্রিকেটাররা মাঠেই
যাননি। যার ফলশ্রুতিতে স্টেডিয়ামের ভেতরে থাকা দর্শক ও স্টেডিয়ামের বাহিরে থাকা দর্শক-জনতার
মধ্যে দেখা যায় চরম উত্তেজনা। তবে শুধু উত্তেজনার মধ্যেই বিষয়টি সীমাবদ্ধ থাকেনি।
একটা
সময় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের গেট ভেঙে ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করে কিছু মানুষ। পরে স্টেডিয়ামের
সামনে বিসিবির বিভিন্ন স্থাপনায় ভাঙচুর চালানো হয়। বিপিএলের বিলবোর্ড, ব্যানার ছিড়া
এবং স্টেডিয়ামের ভেতরে ইট-পাটকেল নিক্ষেপের ঘটনাও ঘটেছে। পরে সেনাবানিহীর সদস্যরা পরিস্থিতি
নিয়ন্ত্রণে আনেন।
এদিকে
যার বিপক্ষে ক্রিকেটাররা সোচ্চার, তাকে বোর্ড পরিচালক পদ থেকে অব্যাহতি না দিলেও তার
বিপক্ষে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে শুরু করেছে বিসিবি। প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে শোকজ করা
হয়েছে নাজমুল ইসলামকে। পাশাপাশি তাকে বিসিবির অর্থ কমিটি থেকেও অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।
কিন্তু
জানা গেছে এতেও সন্তুষ্ট নয় ক্রিকেটারদের সংগঠন কোয়াব। বিসিবি ও বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের
দায়িত্বশীল এক কর্তার বরাতে জানা গেছে যে, ক্রিকেটাররা আরও একটি আল্টিমেটাম দিয়েছে।
যদি নাজমুল ইস্যুতে বিপিএল সত্যিই বন্ধ করে দেয়া হয়, তাহলে ক্রিকেটার, কোচ, সাপোর্টিং
স্টাফসহ সংশ্লিষ্ট সবার পারিশ্রমিক বিসিবিকে দিতে হবে। যার পরিমাণ প্রায় ৪০ কোটি টাকা।
মন্তব্য করুন


আসন্ন
জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট কেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধের
সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে নির্বাচন কমিশন। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভোটার মোবাইল ফোন
নিয়ে ভোটকেন্দ্রে যেতে পারবেন, তবে গোপন কক্ষে (মার্কিং প্লেসে) তা ব্যবহার করা যাবে
না।
আজ
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) ইসির সহকারী সিনিয়র সচিব শহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এ-সংক্রান্ত
নির্দেশনা রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
যারা
মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন
ক.
ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিজাইডিং অফিসার;
খ.
ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ ইনচার্জ
গ.
ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত অঙ্গীভূত আনসার বা সাধারণ আনসার-ভিডিপির ‘নির্বাচন সুরক্ষা
২০২৬’ অ্যাপ ব্যবহারকারী দুই আনসার সদস্য;
ঘ.
দেশি ও বিদেশি সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষক
ঙ.
প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও তার নির্বাচনী এজেন্ট এবং ভোটার। নির্বাচন কমিশনের তথ্যমতে,
ভোটের গোপনীয়তা রক্ষার স্বার্থে কোনো ব্যক্তিই—সে ভোটার হোক বা কর্মকর্তা—গোপন
কক্ষে (মার্কিং প্লেস) মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন না। ভোটের পবিত্রতা ও গোপনীয়তা
নিশ্চিত করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সবাইকে এই নির্দেশনা কঠোরভাবে মেনে
চলার জন্য অনুরোধ করা হলো।
এরইমধ্যে
এই নির্দেশনার অনুলিপি মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব, জননিরাপত্তা
বিভাগ এবং মহাপুলিশ পরিদর্শকসহ (আইজিপি) সংশ্লিষ্ট সব দফতরে পাঠানো হয়েছে। ১২ ফেব্রুয়ারির
নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার
নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।
এর
আগে রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে আসন্ন সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের কেন্দ্রে মোবাইল ফোন
নিয়ে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল নির্বাচন কমিশন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি :
কুমিল্লায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য ও রোগমুক্তি কামনায় কোরআন খতম ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও সাবেক সংসদ সদস্য, কুমিল্লা–৬ আসনের জননেতা হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিনের উদ্যোগে শনিবার বিকালে নগরীর কান্দিরপাড়স্থ দলীয় কার্যালয়ে এ দোয়ার আয়োজন করা হয়।
দোয়া মাহফিলে বিভিন্ন স্তরের রাজনৈতিক ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা উপস্থিত হয়ে দেশনেত্রীর দীর্ঘায়ু ও দ্রুত রোগমুক্তি কামনা করেন।
মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন বর্ষীয়ান বিএনপি নেতা ও সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এস এ বারী সেলিম, মাবুবুর রহমান, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক শহীদুল্লাহ রতন, মাহাবুবুর রহমান দুলাল ও আতাউর রহমান ছুটি। এছাড়াও মহানগর বিএনপির সাবেক সদস্য মুজিবুর রহমান কামাল, সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম রায়হান, সাংগঠনিক সম্পাদক ওমর ফারুক উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সৈয়দ মেরাজ, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আমিরুল পাসা সিদ্দিকী রাকিব, জেলা যুবদলের সদস্য সচিব ফরিদ উদ্দিন শিবলু, যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক খলিলুর রহমান বিপ্লব, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আনোয়ার হোসেন, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব এ কে এম শাহেদ পান্না, যুবদল নেতা মনছুর নিজামী, মশিউর রহমান সজিব, মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি নাহিদ রানা, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি কাজী জোবায়ের আলম জিলানী, সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল হক ধীমানসহ বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী।
দোয়া মাহফিলে বক্তারা বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া গণতন্ত্রের প্রতীক, যিনি জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সময় ব্যয় করেছেন বাংলাদেশের মানুষের অধিকার, ভোটের মর্যাদা ও স্বাধীন মতপ্রকাশের পক্ষে সংগ্রাম করে। বর্তমানে তিনি দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থতা ও শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন। তাঁর দ্রুত আরোগ্য লাভের জন্য সৃষ্টিকর্তার নিকট প্রতিটি ঘরে ঘরে দোয়ার আহবান জানানো হয়।
এসময় দলের কর্মী–সমর্থকরা আবেগাপ্লুত হয়ে প্রার্থনায় অংশ নেন। নেতৃবৃন্দ বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল মানুষকে দেশনেত্রীর সুস্থতার জন্য দোয়া করার আহ্বান জানান।
উল্লেখ্য, কুমিল্লা–৬ আসনে বিএনপি চেয়ারপারসন এর উপদেষ্টা হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন এর উদ্যোগে দেশনেত্রীর জন্য নানা স্থানে দোয়া মাহফিল, কোরআন খতম এবং স্বাস্থ্য কামনায় বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন অব্যাহত রয়েছে।
মন্তব্য করুন


লুট
হওয়া অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং ফ্যাসিস্ট টেরোরিস্টদের দমনের লক্ষ্যে অবিলম্বে ‘অপারেশন
ডেভিল হান্ট ফেইজ-টু’ শুরুর সিদ্ধান্ত সরকার নিয়েছে বলে
জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
এ সিদ্ধান্তের পরই রাজধানীতে ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেইজ-টু’
শুরু হয়েছে।
শনিবার
(১৩ ডিসেম্বর) দুপুরের পর থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় আইনশৃঙ্খলাবাহিনীকে তল্লাশি
করতে গেছে। এর আগে দুপুরে সচিবালয়ে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কোর কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের
ব্রিফিংকালে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, আজকের সভায় রুটিন আলোচনার পাশাপাশি আগামী নির্বাচনের
সার্বিক নিরাপত্তা প্রস্তুতি, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ
সদস্য প্রার্থী শরীফ ওসমান হাদিসহ জুলাইয়ের সম্মুখ সারির যোদ্ধাদের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা
ব্যবস্থা গ্রহণ এবং লুট হওয়া অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের বিষয়টি বিশেষভাবে আলোচনা হয়েছে।
অন্তর্বর্তী
সরকার জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সম্মুখ সারির যোদ্ধাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর
উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, তাদের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা
হচ্ছে। এ লক্ষ্যে একটি ছোট কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি বিষয়টি পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয়
নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। তিনি আরও বলেন, ওসমান হাদির ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের
অবিলম্বে গ্রেপ্তারের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আশা করা হচ্ছে,
খুব দ্রুত দুষ্কৃতিকারীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা যাবে। এ ঘটনায় জড়িত কাউকেই
কোনো ধরনের ছাড় দেয়া হবে না। এ ক্ষেত্রে জনগণের সার্বিক সহযোগিতা পাওয়া যাবে বলেও তিনি
আশা প্রকাশ করেন। হাদির ওপর হামলার আসামিদের ধরার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং দ্রুত
তাদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হবে বলে তিনি জানান।
স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা বলেন, হাদির ওপর হামলাটি আসন্ন নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করার একটি অপপ্রয়াস।
এ ধরনের যে কোনো চেষ্টা সরকার কঠোর হাতে দমন করবে। তিনি জানান, যারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ
করবেন, অর্থাৎ প্রার্থীরা, তারা ব্যক্তিগত আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স চাইলে অনুমতি দেয়া
হবে। যেসব প্রার্থী ইতোমধ্যে তাদের অস্ত্র জমা দিয়েছেন, তাদের অস্ত্র ফেরত দেয়া হবে।
মন্তব্য করুন


যথাযোগ্য মর্যাদা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে সারা দেশে পালিত হয়েছে পবিত্র জুমাতুল বিদা। মাহাত্ম্য ও তাৎপর্যপূর্ণ এদিনে জুমার নামাজের পর বিভিন্ন মসজিদে দেশ-জাতি এবং মুসলিম উম্মাহর ঐক্য ও শান্তি কামনা করে বিশেষ দোয়া-মোনাজাত করেন মুসল্লিরা।
মূলত আজকের দিনের মাধ্যমে (জুমাতুল বিদা) কার্যত বিদায় জানানো হয়েছে পবিত্র মাহে রমজানকে।
শুক্রবার (৫ এপ্রিল) সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, জুমাতুল বিদাকে কেন্দ্র করে মসজিদগুলোতে ঢল নেমেছে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের। উপচে পড়া ভিড়ের কারণে আজানের আগেই লোকে লোকারণ্য হয়ে যায় অধিকাংশ মসজিদ। এমনকি মসজিদে জায়গা না পেয়ে বাইরের সড়ক পর্যন্ত মানুষের উপস্থিতি ছড়িয়ে পড়ে। নামাজ শেষে বিশেষ দোয়া-মোনাজাত করা হয়।
রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমেও জুমাতুল বিদা উপলক্ষে নামাজের পর বিশেষ মোনাজাত করা হয়। নামাজের আগে বয়ানে খতিব মাওলানা মুফতি রুহুল আমীন পবিত্র মাহে রমজান, শবে কদর, জুমাতুল বিদার তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা করেন। যাকাত ও ফিতরা আদায়ের প্রয়োজনীয়তার ব্যাপারে উপস্থিত মুসল্লিদের গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনা দেন। নামাজ শেষে খতিব দেশ, জাতি এবং মুসলিম উম্মাহর ঐক্য ও শান্তি কামনা করে মোনাজাত করেন। এ সময় মুসল্লিদের আমিন আমিন ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে যায় পুরো মসজিদ। কান্নায় ভেঙে পড়েন অনেক মুসল্লি।
প্রসঙ্গত, রমজান মাসের শেষ জুমার দিন মুসলিম বিশ্বে ‘জুমাতুল বিদা’ হিসেবে পালন করা হয়। প্রতিবারের মতো এবারও বাংলাদেশে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে এ বিশেষ দিন পালিত হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে ঢাকা–মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের সার্ভিস লেনে মাইক্রোবাস ও অটোরিকশার মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনায় এক নারী নিহত হয়েছেন। এ দুর্ঘটনায় আরও তিনজন আহত হয়েছেন।
সোমবার সকালে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার ওমপাড়া বটতলা এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত নারীর পরিচয় পাওয়া গেছে; তিনি জোবায়দা বেগম (প্রায় ৫০ বছর), শ্রীনগরের বাড়ৈখালী এলাকার বাসিন্দা। তার স্বামীর নাম এখলাছ উদ্দিন।
দুর্ঘটনায় আহতরা হলেন আশুদা বেগম (৫৪), আব্দুর মহিম (৩০) এবং মহসিন (৪৫)। তাদের সবাইকে উদ্ধার করে শ্রীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
শ্রীনগর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা দেওয়ান আজাদ হোসেন জানান, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে। তিনি জানান, দুটি গাড়ির সরাসরি সংঘর্ষের কারণেই এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পর সাময়িকভাবে সড়কে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানার জন্য তদন্ত চলছে।
মন্তব্য করুন


যেকোনো
মূল্যে দেশে নির্বাচন হতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
আজ
শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজধানীর ফার্মগেটের কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি)
মিলনায়তনে বিএনপির ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ শীর্ষক কর্মসূচিতে লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি
যুক্ত হয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তারেক
রহমান বলেন, “ষড়যন্ত্র থেমে নেই। দেশের কল্যাণে আমরা যদি ঐকবদ্ধ না হই তাহলে দেশ ধ্বংস
হয়ে যাবে। ষড়যন্ত্র থামানো যাবে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হলে, তাই নির্বাচন যেকোনো মূল্য
নির্বাচন হতে হবে।”
ইনকিলাব
মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদির ওপর হামলার ঘটনাকে অত্যন্ত নিন্দনীয় উল্লেখ করে
তিনি বলেন, “গতকাল ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির ওপর যে দুষ্কৃতকারীদের
হামলা হয়েছে, গুলিবিদ্ধ সংকটাপন্ন অবস্থায় চিকিৎসাধীন আছেন তিনি, এই হামলার পেছনে কারও
কোনো অসৎ উদ্দেশ্য আছে কি না ভেবে দেখতে হবে।”এ সময় তিনি কিছুদিন আগে চট্টগ্রামে
বিএনপির এক কর্মীর ওপর হামলার ঘটনাও তুলে ধরেন এবং বলেন, এসব ঘটনা ঘটিয়ে কেউ হয়তো ফায়দা
লোটার চেষ্টা করছে। অতীতের শাসনব্যবস্থার সমালোচনা করে তারেক রহমান বলেন, “অতীতে আওয়ামী
স্বৈরাচার যেভাবে দেশ পরিচালিত করেছেন, আমরা সেভাবে দেশ পরিচালিত করবো না। আমরা তার
পরিবর্তন আনবো, কল্যাণ করবো। সেজন্য এই দেশ গড়ার পরিকল্পনা আমরা আপনাদের সামনে তুলে
ধরেছি। ইনশাআল্লাহ আমরা নির্বাচিত হলে বাস্তবায়ন করবো।”
দলীয়
নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, “মানুষের কাছে আমাদের যেতে হবে।
একজন রাজনীতিবিদ হিসেবে আপনারা মানুষের সঙ্গে মেশেন, তাদের সঙ্গে কথা বলেন। আমাদের
বসে থাকলে চলবে না।”বিএনপির দায়িত্ব ও করণীয় তুলে ধরে তারেক
রহমান বলেন, “আমাদের এখন বড় দায়িত্ব হলো বিএনপির প্রত্যেকটি পরিকল্পনা জনগণের কাছে
পৌঁছে দেওয়া। বিএনপির একজন নেতা হিসেবে, একজন কর্মী হিসেবে আমাদের পরিকল্পনাগুলো জনগণের
কাছে নিয়ে যেতে হবে। শুধু জনগণের দোরগোড়ায় নিলে হবে না, এই কাজের বাস্তবায়ন ঘটাতে হবে।”
মন্তব্য করুন


এমদাদুল হক সোহাগ, কুমিল্লা:
পাহাড় আর কাপ্তাই লেকের নীল জলরাশির মিতালীতে মুখর পার্বত্য জেলা রাঙামাটিতে বার্ষিক কর্পোরেট ট্যুর সম্পন্ন করেছে কুমিল্লার প্রথিতযশা সিসিএন শিক্ষা পরিবার। গত ৮ ও ৯ ফেব্রুয়ারি সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (সিসিএন ইউএসটি), সিসিএন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এবং সিসিএন মডেল কলেজের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে এই আনন্দভ্রমণ বা ‘কর্পোরেট রিট্রিট’ অনুষ্ঠিত হয়। দুই দিনব্যাপী এই ট্যুরে সিসিএন পরিবারের প্রায় ১২০ জন সদস্য রাঙামাটির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করেন। রাঙামাটির নীল জলরাশি ঘেরা অনন্য সুন্দর ‘দ্যা গ্র্যান্ড হিল তাজ রিসোর্ট’-এ অবস্থানকালে অংশগ্রহণকারীরা এক অনাবিল আনন্দে মেতে ওঠেন। তৈরি হয় প্রকৃতি ও আনন্দের অনন্য মেলবন্ধন।
নৌ-বিহারের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা উপভোগ করেন শুভলং ঝর্নার শীতল ধারা। পাহারি জীবন, বিভিন্ন ধরনের নৌকার আধিক্য, এছাড়াও আদিবাসী গ্রাম ও স্থানীয় বাজার ঘুরে দেখার পাশাপাশি কাপ্তাই লেকের সুস্বাদু মাছ ও ঐতিহ্যবাহী পাহাড়ি খাবারের স্বাদ নেন তারা। তাছাড়া আদিবাসীদের পোষাক কিনে, সেই পোষাক পড়ে আবার ঘুরে বেড়িয়েছেন অনেক নারী শিক্ষক-ছোট শিশুরা। এই দৃশ্য অংশগ্রহণকারীদের মাঝে ভিন্ন আনন্দ যোগ করেন। বিনোদনের অংশ হিসেবে ছিল ডার্ক বোর্ড, ব্যাডমিন্টন ও নারীদের জন্য বাস্কেটবল প্রতিযোগিতা। রাতের আবহে অনুষ্ঠিত হয় জমকালো বারবিকিউ পার্টি। আধুনিক ও বিলাসবহুল স্যুটের পাশাপাশি অ্যাডভেঞ্চার প্রিয় অনেকে রাত কাটিয়েছেন তাঁবুতে (ক্যাম্পিং), যা ট্যুরে ভিন্ন মাত্রা যোগ করে। তাবুতে আবার অনেকে মেতে ওঠেন গান-আড্ডা আর গানের কলি খেলায়। গ্র্যান্ড হিল তাজ রিসোর্ট-টিতে দোলনা হতে শুরু করে রিসোর্টের শৈল্পিক নির্মান বা স্ট্রাকচার অনেকটা ঐতিহাসিক তাজমহলের মতো। নীল জলরাশির কাছাকাছি পাহাড়ের বাজে ভাজে বসার জন্য বেঞ্চ, দোলনা, বাহারি সিড়ি, সবুজের সমারোহ বাড়তি আনন্দ যোগ করে। এর আগে কুমিল্লা থেকে রওনা হওয়া বাস, মাইক্রোবাস ও প্রাইভেটকারের বিশাল বহরটি যখন পাহাড়ের বুক চিরে আঁকাবাঁকা উঁচু-নিচু পিচঢালা পথে এগোচ্ছিল, তখন জানালার ওপাশে ধরা দিচ্ছিল প্রকৃতির ভিন্ন এক রূপ। একদিকে আকাশছোঁয়া সবুজ পাহাড় আর বিরল সব বৃক্ষরাজি, অন্যদিকে গভীর খাদের রোমাঞ্চকর সৌন্দর্য—সব মিলিয়ে এক রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতায় ভাসছিলেন সিসিএন পরিবারের সদস্যরা। যাত্রাপথে দুচোখ ভরে উপভোগ করেছেন পাহাড়ের ঢালে গড়ে ওঠা ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর বৈচিত্র্যময় জনবসতি আর তাদের সহজ-সরল জীবনধারা। পাহাড়ের বাঁকে বাঁকে প্রকৃতির এই আদিম ও অকৃত্রিম রূপ যেন সফরের ক্লান্তি ভুলিয়ে সবার মনে বুলিয়ে দিচ্ছিল এক প্রশান্তির পরশ।
আনন্দভ্রমণে উপস্থিত ছিলেন সিসিএন শিক্ষা পরিবারের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী ডক্টর তারিকুল ইসলাম চৌধুরী। অংশগ্রহণকারীদের উদ্দেশ্যে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, "কাজের একঘেয়েমি দূর করতে এবং সহকর্মীদের মধ্যে আন্তঃব্যক্তিক সম্পর্ক জোরদার করতে এ ধরণের ভ্রমণ অত্যন্ত জরুরি। সিসিএন পরিবার একটি ঐক্যবদ্ধ শক্তি, যা আজকের এই আনন্দঘন পরিবেশের মাধ্যমে আরও সুদৃঢ় হলো।" একটি সফল কনভোকেশন শেষে এমন ভ্রমণ আনন্দের মাত্রা বহুগুন বাড়িয়েছে। ভবিষ্যতে আরো বড়ো পরিসরে এমন আয়োজন করার ইচ্ছাও ব্যক্ত করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে আরও অংশ নেন সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মো: জামাল নাছের, লিবারেল আর্টস অনুষদের ডিন ডক্টর আলী হোসেন চৌধুরীসহ অন্যান্য বিভাগীয় প্রধান ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দ। ট্যুর কো-অর্ডিনেটর ছিলেন, আইন বিভাগের চেয়ারম্যান সহকারি অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান।
৯ ফেব্রুয়ারি বিকেলে কুমিল্লার উদ্দেশ্যে ফিরতি যাত্রা শুরু হয়। ফেরার আগে পাহাড় আর হ্রদের পটভূমিতে সবাই মিলে ফ্রেমবন্দি হন একটি গ্রুপ ছবিতে, যা এই ভ্রমণের স্মৃতিকে অমলিন করে রাখবে। অংশগ্রহণকারীরা জানান, পাহাড়-প্রকৃতির মাঝে এমন আয়োজন তাদের কর্মস্পৃহা বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।
মন্তব্য করুন


বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জন্য নির্ধারিত তিনটি সংসদীয় আসনে আগে থেকেই মনোনীত বিকল্প প্রার্থীরাই আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলের হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এসব আসনে আর কোনো পরিবর্তনের সুযোগ নেই।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ তথ্য জানান দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ।
তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়ায় সংশ্লিষ্ট আসনগুলোতে বিকল্প প্রার্থীদের মনোনয়ন স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যকর হয়েছে। ফলে তারাই বিএনপির চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেবেন।
সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, আসন্ন নির্বাচনে খালেদা জিয়ার ফেনী-১, বগুড়া-৭ ও দিনাজপুর-৩ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার কথা ছিল। তবে তার শারীরিক অসুস্থতার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে আগেই এসব আসনে বিকল্প প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়া হয়। এর মধ্যে ফেনী-১ আসনে রফিকুল আলম মজনু, বগুড়া-৭ আসনে মোরশেদ আলম এবং দিনাজপুর-৩ আসনে সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলমকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।
নির্বাচন স্থগিতের কোনো সম্ভাবনা নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, আইন অনুযায়ী খালেদা জিয়ার মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। তবে বিকল্প প্রার্থীদের মনোনয়ন বৈধ থাকায় নির্বাচন স্থগিত বা বাতিলের কোনো সুযোগ নেই।
এ সময় দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মানসিক অবস্থার বিষয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, তারেক রহমান একজন দায়িত্বশীল রাজনৈতিক নেতা। শোকের মধ্যেও তাকে দৃঢ় মনোবল নিয়ে দেশের ও দলের স্বার্থে সামনে এগিয়ে যেতে হবে।
মন্তব্য করুন


মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলায় গরু চুরির অভিযোগে দুই যুবককে গণপিটুনিতে হত্যা করার ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয়রা দাবি করছেন, নিহতরা গরুচোর চক্রের সক্রিয় সদস্য ছিলেন। পুলিশ জানায়, পুরো বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) দিবাগত রাত ১টার দিকে উপজেলার জয়মন্টপ ইউনিয়নের সজের মোড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন দশানী গ্রামের মজনু মিয়া (২৭) এবং ছয়আনি গ্রামের দীন ইসলাম (২২)।
স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, একই রাতে পাঁচ সদস্যের একটি চোরচক্র ইমামনগর গ্রামের ইউনুস মিয়ার বাড়ির গোয়ালঘরের তালা ভাঙার চেষ্টা করেছিল। বাড়ির মালিক বিষয়টি টের পেয়ে চিৎকার শুরু করলে গ্রামবাসীরা চারপাশ থেকে তাদের ঘেরাও করে। চক্রের তিন জন পালিয়ে গেলেও মজনু মিয়া ও দীন ইসলামকে ধরে বিক্ষুব্ধ জনতা গুরুতরভাবে পিটিয়ে আহত করে। খবর পেয়ে সিংগাইর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, গত তিন বছর ধরে এই চোরচক্র এলাকায় আতঙ্ক তৈরি করছিল। এর আগেও তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছিল, তবে জামিনে বেরিয়ে তারা পুনরায় অপরাধে জড়িয়েছিল।
সিংগাইর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) স্বপন কুমার সরকার জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটকরা তাদের অন্যান্য সহযোগীদের নাম প্রকাশ করেছে।
ওসি মাজহারুল ইসলাম বলেন, পুলিশ পুরো বিষয়টি তদন্ত করছে এবং হত্যাকাণ্ডসহ সংশ্লিষ্ট অপরাধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। নিহত দুই যুবকের নামে ইতোমধ্যে একাধিক চুরির মামলা দায়ের ছিল এবং তারা তালিকাভুক্ত অপরাধী ছিলেন।
মন্তব্য করুন