

চাঁদপুরের চরভৈরবী থেকে ষাটনল পর্যন্ত ৭০ কিলোমিটার নদী এলাকায় বসবাস করেন প্রায় অর্ধলক্ষাধিক জেলে। দেশের ৬টি অভয়াশ্রমে ইলিশ সহ সব ধরনের মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা শেষ হয়েছে গত মধ্যরাতে।মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকে ভোলা, চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর সহ নদী অঞ্চলে জেলেদের ইলিশ ধরতে দেখা গেছে।
যৌথ
অভিযানে জাটকা সংরক্ষণ অভিযান সফল হওয়ায় এবার ইলিশ উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছয় লাখ মেট্রিক
টন ছাড়িয়ে যাবে বলে জানিয়েছে জেলা মৎস্য অফিস।
এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকেই জেলেরা জাল, নৌকা ও ট্রলার নিয়ে ইলিশসহ অন্য মাছ শিকারে প্রস্তুতি নেন।
জেলা
মৎস্য অফিস জানিয়েছে, এবার ৫৭৫টি অভিযান, ১২৮টি মোবাইল কোর্ট, ৩৩৪ জন জেলেকে আটক করে
বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, প্রায় ৫৩ দশমিক ৯১০ লাখ মিটার কারেন্ট
জাল জব্দ করা হয়েছে। এদিকে, ৩ দশমিক ৪১৬ মেট্রিক টন জাটকা আটক করে দুস্থ ও এতিমদের
মাঝে বিতরণ করে দেওয়া হয়েছে। আর জরিমানা আদায় করা হয়েছে ছয় লাখ ৫০৫ টাকা।
নিষেধাজ্ঞা
শেষে মাছ শিকার নিয়ে নৌ পুলিশ জানিয়েছে, নিষেধাজ্ঞার সময় ১ মার্চ থেকে ২৭ এপ্রিল
পর্যন্ত ইলিশ অভয়াশ্রমে অভিযান চালিয়ে ১৯ কোটি ১৩ লাখ মিটার অবৈধ জাল, ১৭ হাজার ৮১৯
কেজি মাছ, ২৪৪টি নৌকাসহ এক হাজার ১১৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে চাঁদপুর জেলার নৌ থানা পুলিশ।
তাদের বিরুদ্ধে ১৭০টি নিয়মিত মামলা করা হয়েছে। এছাড়া ২২৬ আসামিকে ৪৮টি মোবাইল কোর্টের
মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে। ২১৩ জনকে ছয় লাখ ২৭ হাজার টাকা জরিমানা
করা হয়েছে। ১৫২ জন অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় অভিভাবকের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।
জেলা
মৎস্য কর্মকর্তা গোলাম মেহেদী হাসান বলেন, জেলেদের খাদ্য সহায়তা হিসেবে জনপ্রতি ৪০
কেজি করে চার কিস্তিতে মোট ১৬০ কেজি চাল সহায়তা দেওয়া হয়েছে। ফলে জেলা প্রশাসন,
পুলিশ প্রশাসন, কোস্টগার্ড ও জেলা টাস্কফোর্সের যৌথ অভিযানে জাটকা সংরক্ষণ অভিযান সফল
হওয়ায় ইলিশ উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছয় লাখ মেট্রিক টন ছাড়িয়ে যাবে। তাছাড়া অসাধু
জেলেদের আটক করে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ও জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
দেশের
ইলিশ সম্পদ রক্ষায় সরকার প্রতি বছর ১ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল দুই মাসের কর্মসূচি ঘোষণা
করে। এই নির্দিষ্ট সময়ে মাছ ধরা, পরিবহন, বিক্রি ও মজুত সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকে ।
মন্তব্য করুন


আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি (বিপিএম৬) অনুযায়ী বর্তমানে রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়াল দুই হাজার ১৯ কোটি ৬১ লাখ ৯০ হাজার ডলার বা ২০ দশমিক ১৯ বিলিয়ন ডলারে।
দুই সপ্তাহ ব্যবধানে বৈদেশিক মুদ্রার এ রিজার্ভ আবারো ২০ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল।
বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের সাপ্তাহিক নির্বাচিত অর্থনৈতিক সূচক থেকে এ তথ্য জানা গেছে। অন্যদিকে, গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়াল দুই হাজার ৫৩২ কোটি ৭১ লাখ ৪০ হাজার ডলারে।
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রধানত আমদানি ব্যয় মেটানো তথা বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনে ব্যবহার হয়। এ রিজার্ভ আর্থিক খাতের সক্ষমতার প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে। বৈদেশিক ঋণ, প্রবাসী আয়, বৈদেশিক ঋণ বা সহায়তা রিজার্ভের উৎস। আবার আমদানি ব্যয় মেটানো, বৈদেশিক ঋণ-সুদ পরিশোধ, বিদেশে চিকিৎসা, শিক্ষাসহ হাজারো খাত রয়েছে ব্যয়ের ক্ষেত্রে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, জানুয়ারির শেষে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ২১ বিলিয়ন ডলারের বেশি। ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুতে তা নেমে আসে ১৯ দশমিক ৯৪ বিলিয়ন ডলারে (বিপিএম৬)। আগের সপ্তাহেও রিজার্ভের পরিমাণ ছিল এক হাজার ৯৯৩ কোটি ৫১ লাখ ২০ হাজার ডলার। মাসের তৃতীয় সপ্তাহে এসে ১৬ কোটি ১০ লাখ ৫০ হাজার যোগ হয়ে আবারো তা ২০ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল।
করোনা মহামারির মধ্যে আমদানি কমে গিয়েছিল। তবে প্রবাসীরা দেশে ফেরার সময় সঞ্চিত অর্থ নিয়ে আসেন। অনেকে বিদেশে থেকেও বাড়িতে স্বজনদের কাছে অর্থ পাঠিয়ে দেন। এতে বাড়ে রিজার্ভ। ২০২১ সালের আগস্টে রিজার্ভ সর্বোচ্চ ৪৮ বিলিয়ন অতিক্রম করে। করোনার পর যখন দেশে দেশে অর্থনীতি পুনরুদ্ধার শুরু হয়, তখন উল্টো অবস্থা তৈরি হয়। আমদানি ব্যয় বাড়তে থাকে। মূল্যস্ফীতি বাড়ে। রাশিয়া-ইউক্রেইন যুদ্ধ পরিস্থিতিকে আরও নাজুক করে তোলে। পরিস্থিতি সামাল দিতে রিজার্ভ বিক্রি করে আমদানি ব্যয় সামাল দিতে হয়।
বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনের সঙ্গে যুক্ত ব্যাংকের একাধিক সূত্র বলছে, ওই সময়ে রিজার্ভ বেড়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ ছিল হুন্ডি বন্ধ হয়ে যাওয়া। তখন অধিকাংশ দেশ করোনা মহামারির বিস্তার রোধে অন্য দেশের সঙ্গে বিমান যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। এতে যেমন ডলার বাড়তে থাকে। আবার আমদানি কমে যাওয়ার কারণে খরচের খাতও ছোট হয়ে আসে।
মন্তব্য করুন


আজ সন্ধ্যায় বাড্ডা এলাকার প্রধান সড়কের পাশে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈদ্যুতিক ট্রান্সমিটার থেকে হঠাৎ আগুন লেগে যায়। প্রাথমিকভাবে শর্ট সার্কিট থেকে এই আগুন লেগেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ফায়ার সার্ভিসের পৌঁছানোর আগেই স্থানীয় বাসিন্দাদের দ্রুত ও সাহসিকতার ফলে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে, যার কারণে একটি বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
বিকেল আনুমানিক ৫:৩০ মিনিটের দিকে এই ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয়রা ট্রান্সমিটার থেকে তীব্র ধোঁয়া ও আগুনের শিখা দেখতে পান। মুহূর্তের মধ্যে আগুনের তীব্রতা বাড়তে থাকলে গোটা এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। আগুনের শিখা ট্রান্সমিটারের কাঠামোর বাইরে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করলে আশেপাশের দোকানপাট ও বাড়িঘরের দিকে বিপদ বাড়তে থাকে।
বর্তমানে এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকলেও, স্থানীয়দের সম্মিলিত প্রচেষ্টার কারণে একটি বড় বিপর্যয় থেকে এলাকার জনজীবন ও সম্পত্তি রক্ষা পেয়েছে।
মন্তব্য করুন


পৃথিবীকে জলবায়ু বিপর্যয় থেকে রক্ষা করার জন্য ‘শূন্য বর্জ্য ও শূন্য কার্বন’-এর ওপর ভিত্তি করে একটি নতুন জীবনধারা গড়ে তোলার পরামর্শ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
আজ
বুধবার (১৩
নভেম্বর) আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে কপ২৯-এর ওয়ার্ল্ড লিডারস ক্লাইমেট অ্যাকশন সামিটের উদ্বোধনী অধিবেশনে তিনি আহ্বান করেন।
একটি নতুন পৃথিবী গড়ার লক্ষে তিনটি শূন্যভিত্তিক তার দীর্ঘ দিনের স্বপ্নের কথাও উপস্থাপন করেন প্রধান উপদেষ্টা।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস
বলেন, বেঁচে থাকার জন্য, আমাদের আরেকটি সংস্কৃতি গঠন করতে হবে। একটি ভিন্ন জীবনধারার ওপর ভিত্তি করে আরেকটি পাল্টা সংস্কৃতি গড়তে হবে। এটি হবে শূন্য বর্জ্যের ওপর ভিত্তি করে। এ সংস্কৃতি নিত্য পণ্যের ব্যবহারকে সীমিত করবে, কোন বর্জ্য অবশিষ্ট রাখবে না। এ জীবনযাত্রাও হবে শূন্য কার্বনের ওপর ভিত্তি করে যেখানে কোনো জীবাশ্ম জ্বালানি থাকবে না, শুধুমাত্র পুনঃনবায়নযোগ্য শক্তি থাকবে। এতে এমন একটি অর্থনীতি হবে যা প্রাথমিকভাবে সামাজিক ব্যবসার মতো ব্যক্তিগত পর্যায়ে শূন্য মুনাফার ওপর ভিত্তি করে তৈরি হবে। সামাজিক ব্যবসার একটি বিশাল অংশ পরিবেশ ও মানবজাতির সুরক্ষায় মনোযোগ দেবে। সাশ্রয়ী স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষার মাধ্যমে মানুষের জীবন কেবল সুরক্ষিতই হবে না, গুণগতভাবে উন্নত হবে। এটি যুবকদের জন্য উদ্যোক্তা হওয়ার পথ সহজতর করবে। উদ্যোক্তা হওয়ার নতুন শিক্ষার মাধ্যমে তরুণরা প্রস্তুত হবে। চাকরিপ্রার্থী তৈরির শিক্ষা উদ্যোক্তা-কেন্দ্রিক শিক্ষা দ্বারা প্রতিস্থাপিত হবে।
পরিবেশের সুরক্ষার জন্য একটি নতুন জীবনধারার প্রয়োজন উল্লেখ করে ড. ইউনূস বলেন, নতুন জীবনধারা চাপিয়ে দেয়া হবে না, এটি হবে পছন্দ বেছে নেওয়া। তরুণরা সে জীবনধারাকে পছন্দ হিসেবে বেছে নেবে। প্রতিটি যুবক তিন শূন্য ভিত্তিক ব্যক্তি হিসেবে বেড়ে উঠবে। এগুলো হচ্ছে- শূন্য নেট কার্বন নির্গমন, শুধুমাত্র সামাজিক ব্যবসা গড়ে তোলার মাধ্যমে শূন্য সম্পদ কেন্দ্রীকরণ ও নিজেদের উদ্যোক্তা হিসেবে পরিণত করার মাধ্যমে শূন্য বেকারত্ব। প্রত্যেক মানুষ তিন শূন্য ভিত্তিক ব্যক্তি হিসেবে বেড়ে উঠবে এবং সারাজীবন তিন শূন্য ভিত্তিক ব্যক্তি হিসেবে থাকবে। এটি নতুন সভ্যতা গড়ে তুলবে। এটা করা যেতে পারে আমাদের যা করতে হবে তা হল এ গ্রহের নিরাপত্তার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি নতুন জীবনধারা গ্রহণ করা যেখানে সবাই বসবাস করে। আজকের তরুণ প্রজন্ম বাকিটা করবে। তারা তাদের আমাদের গ্রহকে ভালোবাসে। আমি আশা করি আপনারা এ স্বপ্ন দেখায় আমার সাথে যোগ দেবেন। আমরা যদি একসাথে স্বপ্ন দেখি তবে তা সম্ভব হবে। জলবায়ু সংকট তীব্রতর হচ্ছে এবং সে কারণে মানব সভ্যতা মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। মানুষ আত্ম-বিধ্বংসী মূল্যবোধের প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। আত্ম-রক্ষাত্মক ও আত্ম-শক্তিবর্ধক একটি নতুন সভ্যতার ভিত্তি স্থাপনের জন্য আমাদের বুদ্ধিবৃত্তিক, আর্থিক ও যুব শক্তিকে কাজে লাগাতে হবে। আমরা, এই গ্রহের মানব বাসিন্দারা এই গ্রহের ধ্বংসের কারণ। মানুষ ইচ্ছাকৃতভাবে এটি করছে এবং তারা এমন একটি জীবনধারা বেছে নিয়েছে যা পরিবেশের বিরুদ্ধে কাজ করে। তারা এটিকে একটি অর্থনৈতিক কাঠামো দিয়ে ন্যায্যতা দেয়, যা এ গ্রহ ব্যবস্থার মতো প্রাকৃতিক হিসেবে বিবেচিত হয়। এ অর্থনৈতিক কাঠামো সীমাহীন খরচের ওপর ভিত্তি করে চলছে। আপনি যত বেশি ব্যবহার করবেন তত বেশি প্রবৃদ্ধি পাবেন। যত বেশি প্রবৃদ্ধি অর্জন করবেন, তত বেশি অর্থ উপার্জন করবেন। সর্বাধিক মুনাফা অর্জনকে সিস্টেমের সবকিছুকে আমাদের ইচ্ছা অনুযায়ী ভূমিকা পালনের শক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
মন্তব্য করুন


ইন্দো-প্যাসিফিক
অঞ্চলে জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার, টেকসই সরবরাহ ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং জ্বালানি খাতে
আঞ্চলিক সহযোগিতা বাড়ানোর লক্ষ্যে জাপানের টোকিওতে শুরু হয়েছে দুই দিনব্যাপী ‘ইন্দো-প্যাসিফিক
এনার্জি সিকিউরিটি মিনিস্টেরিয়াল অ্যান্ড বিজনেস ফোরাম’।
১৪
থেকে ১৫ মার্চ অনুষ্ঠেয় এই উচ্চপর্যায়ের আন্তর্জাতিক ফোরামে অংশ নিতে বর্তমানে টোকিও
সফর করছেন বাংলাদেশের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।
ফোরামটি
যৌথভাবে আয়োজন করেছে ইউএস ন্যাশনাল এনার্জি ডমিনেন্স কাউন্সিল এবং জাপানের অর্থনীতি,
বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়। আয়োজকদের মধ্যে রয়েছেন কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ও মার্কিন
স্বরাষ্ট্র সচিব ডগ বারগাম, ভাইস চেয়ারম্যান ও মার্কিন জ্বালানি সচিব ক্রিস রাইট এবং
জাপানের অর্থনীতি, বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রী আকাজাওয়া রিওসেই।
গুরুত্বপূর্ণ
এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বাংলাদেশ ছাড়াও অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ কোরিয়া
এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশের জ্বালানি মন্ত্রীরা অংশ নিচ্ছেন। অংশগ্রহণকারী
দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে ব্রুনাই, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড,
তিমুর-লিস্তে ও ভিয়েতনাম।
ফোরামে
অংশগ্রহণকারী মন্ত্রীরা ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে একটি শক্তিশালী, নির্ভরযোগ্য ও স্থিতিশীল
জ্বালানি ব্যবস্থা গড়ে তোলার কৌশল নিয়ে আলোচনা করবেন। দ্রুত সরবরাহযোগ্য, সাশ্রয়ী,
নিরাপদ ও নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি নিশ্চিত করা, জ্বালানি অবকাঠামো উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক
সহযোগিতা জোরদার- এসব বিষয় আলোচনার মূল কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে।
সম্মেলনের
আনুষ্ঠানিক কর্মসূচির পাশাপাশি বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান
মাহমুদের যুক্তরাষ্ট্র, জাপান ও ব্রুনাইসহ সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর প্রতিনিধিদের সঙ্গে একাধিক
দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করার সম্ভাবনা রয়েছে।
এছাড়া
তিনি আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও বৈঠক করবেন বলে
জানা গেছে। এসব বৈঠকের প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে বিদেশি বিনিয়োগ
আকর্ষণ, প্রযুক্তিগত সহযোগিতা বাড়ানো এবং জ্বালানি খাতের টেকসই উন্নয়নে নতুন অংশীদারিত্বের
সুযোগ খুঁজে বের করা।
বিশ্লেষকদের
মতে, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আঞ্চলিক সহযোগিতা ক্রমেই
গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। এ প্রেক্ষাপটে এই ফোরামে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ দেশের জ্বালানি
খাতের উন্নয়ন, বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা
রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা জেলার সীমান্ত এলাকা থেকে কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) সর্বমোট ৪১,১৯,২৬০ টাকা (একচল্লিশ লক্ষ ঊনিশ হাজার দুইশত ষাট টাকা) মূল্যমানের অবৈধ ভারতীয় শাড়ি, কম্বল, বিভিন্ন ধরনের পোশাক ও কসমেটিক্স সামগ্রী জব্দ করেছে।
বিজিবি জানায়, চোরাচালান প্রতিরোধ এবং আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমনে কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে। এরই অংশ হিসেবে আজ ২৯ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে (২৪ ঘণ্টায়) চৌদ্দগ্রাম উপজেলার শিবের বাজার বিওপি এবং আদর্শ সদর উপজেলার বিবিরবাজার বিওপি–এর আওতাধীন কটকবাজার পোস্ট এবং গোলাবাড়ী পোস্টের বিশেষ টহলদল সীমান্ত এলাকায় পৃথক মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযান চালায়।
অভিযানকালে সীমান্তের ৮ কিলোমিটারের মধ্যে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে নোয়াপাড়া চাঁনপুর ব্রিজ এবং বিষ্ণুপুর এলাকা থেকে মালিকবিহীন অবস্থায় ভারতীয় শাড়ি, কম্বল, বিভিন্ন ধরনের পোশাক ও কসমেটিক্স সামগ্রী জব্দ করা হয়।
বিজিবি জানায়, আটককৃত পণ্যের সর্বমোট মূল্য ৪১ লাখ ১৯ হাজার ২৬০ টাকা। জব্দ করা সব মালামাল বিধি মোতাবেক পরবর্তী সময়ে কাস্টমসে জমা করা হবে।
মন্তব্য করুন


জামায়াত ক্ষমতায় গেলে আগামী তিন বছর শিল্পখাতে গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানির দাম বাড়াবে না বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী।
দলটি বলছে,
জামায়াত ক্ষমতায় বন্ধ কলকারখানা পাবলিক–প্রাইভেট পার্টনারশিপে চালু ও শ্রমিকদের ১০
শতাংশ মালিকানা দেওয়া হবে। এছাড়া কৃষকদের জন্য সুদবিহীন ঋণ সুবিধা হবে।
গত মঙ্গলবার
(২০ জানুয়ারি) রাজধানীর একটি হোটেলে জামায়াত আয়োজিত ‘পলিসি সামিট ২০২৬’ অনুষ্ঠানে এ
প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়।
ক্ষমতায় গেলে
মেধা ও প্রয়োজনের ভিত্তিতে ১ লাখ শিক্ষার্থীর জন্য মাসিক ১০ হাজার টাকা সুদমুক্ত শিক্ষাঋণ
দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছে জামায়াত।
এছাড়াও ক্ষমতায়
গেলে শিক্ষাজীবন শেষে চাকরি পাওয়া পর্যন্ত সময়ে পাঁচ লাখ বেকারকে সর্বোচ্চ দুই বছর
মেয়াদে মাসিক ১০ হাজার টাকা করে সুদমুক্ত ঋণ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে দলটি।
বক্তারা বলেন,
জামায়াত ক্ষমতায় গেলে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ রাখা হবে। ট্যাক্স ও ভ্যাট
(মূল্য সংযোজন কর) বর্তমান হার থেকে ক্রমান্বয়ে কমিয়ে দীর্ঘমেয়াদে ট্যাক্স ১৯ শতাংশ
ও ভ্যাট ১০ শতাংশে নামিয়ে আনা হবে। স্মার্ট সোশ্যাল সিকিউরিটি কার্ড চালু (এনআইডি,
টিআইএন, স্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা এক কার্ডে) করা হবে।
মন্তব্য করুন


প্রধানমন্ত্রী ২০২২ সালের
২৫ জুন প্রমত্তা পদ্মা নদীর উপর দেশের বৃহত্তম সেতু ৬.১৫ কিলোমিটার পদ্মা সেতু উদ্বোধন
করেছিলেন। নিজস্ব অর্থায়নে ৩২ হাজার ৬০৫.৫২ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয়েছে পদ্মা সেতু।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
পদ্মা সেতু নির্মাণে নেওয়া ঋণ পরিশোধের ৭ম ও ৮ম কিস্তি হিসেবে ৩১৪,৬৪,৮৬,৯৬৩ টাকার
বেশি গ্রহণ করেছেন।
বৃহস্পতিবার গণভবনে এক অনুষ্ঠানে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপি প্রধানমন্ত্রীর
কাছে পদ্মা সেতুর ঋণের সপ্তম ও অষ্টম কিস্তি হিসেবে ৩১৪ কোটি ৬৪ লাখ ৮৬ হাজার ৯৬৩ টাকার
চেক হস্তান্তর করেন।
প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এম. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব
মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব এম. নাঈমুল ইসলাম খান, অর্থ বিভাগের
সচিব ড. মো. খায়রুজ্জামান মজুমদারসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা গণভবনে উপস্থিত
ছিলেন।
অর্থ বিভাগ ও বাংলাদেশ সেতু
কর্তৃপক্ষের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে স্বল্প সুদে ঋণ নেওয়া
হয়।
২০২২ সালের ২৫ জুন সেতু চালু হওয়ার পর থেকে ২০২৪ সালের ২৬ জুন পর্যন্ত পদ্মা সেতু থেকে মোট ১৬৫৩,৭১,৬৫,৫৫০ টাকা টোল আদায় হয়েছে।
৫ এপ্রিল, সেতু বিভাগ প্রথম ও দ্বিতীয় কিস্তি হিসাবে সেতু থেকে টোল আদায় হিসাবে অর্জিত
রাজস্ব থেকে ৩১৬,৯০,৯৭,০৫০ টাকা দিয়ে ঋণ পরিশোধ শুরু করে।
সর্বশেষ কিস্তিসহ সেতু বিভাগ এই পর্যন্ত সরকারকে মোট
১২৬২,৬৬,০৬,৫৪৮ টাকা পরিশোধ করেছে।
মন্তব্য করুন


তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সাম্প্রতিক অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির পেছনে সিন্ডিকেট ও বাজার কারসাজি দায়ী বলে মন্তব্য করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় ও অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) এলপিজির দাম সামান্য সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। তবে সেই সিদ্ধান্ত কার্যকর হওয়ার আগেই কিছু অসাধু ব্যবসায়ী বিষয়টি কাজে লাগিয়ে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে বাজারে দাম বাড়িয়ে দেন।
উপদেষ্টা জানান, এলপিজির দামে এ ধরনের অস্বাভাবিক বৃদ্ধির পেছনে কোনো বাস্তব কারণ নেই। এটি সম্পূর্ণভাবে পরিকল্পিত কারসাজির ফল। ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষায় সরকার এ বিষয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে—দেশের প্রতিটি জেলায় এলপিজির বাজার তদারকিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার জন্য। জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যৌথভাবে এসব অভিযান পরিচালনা করবে।
বাসাবাড়িতে তিতাস গ্যাস সরবরাহ নিয়ে প্রশ্নের জবাবে ফাওজুল কবির খান বলেন, বর্তমানে গ্যাস সরবরাহে কোনো ঘাটতি নেই। শীত মৌসুমে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় সাময়িক চাপ তৈরি হয়েছে।
এদিকে, গত কয়েক দিন ধরে এলপিজির বাজারে চরম অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। এতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন সাধারণ ভোক্তারা।
এরই মধ্যে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) চলতি জানুয়ারি মাসের জন্য ভোক্তা পর্যায়ে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৫৩ টাকা বাড়িয়ে এক হাজার ৩০৬ টাকা নির্ধারণ করেছে। নতুন এই দাম গত ৪ জানুয়ারি (রবিবার) সন্ধ্যা থেকেই কার্যকর হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কক্সবাজারের
টেকনাফে বঙ্গোপসাগরে জেলেদের জালে ধরা পড়েছে এক বিরল প্রজাতির বিশাল মাছ, যার ওজন
প্রায় ২০০ কেজি। স্থানীয়ভাবে এটি ‘মাইট্যা’ মাছ নামে পরিচিত, তবে বৈজ্ঞানিকভাবে
এটি ‘সেইলফিশ’ বা মার্লিন প্রজাতির। সমুদ্রের অন্যতম দ্রুতগামী এই মাছের
বিশেষত্ব হলো পিঠের উপরের পাখনাটি, যা পাখির ডানার মতো প্রসারিত। এই কারণে স্থানীয়
জেলেরা এটিকে ‘পাখি মাছ’ বা ‘পাখি মাইট্যা’
নামে ডাকে।
রবিবার
(১৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় টেকনাফ মৎস্য বন্দরে আনা এই মাছটি দেখা ও ওজন করার পর লোকজনের
মধ্যে উৎসাহ এবং কৌতূহলের ঢেউ দেখা দেয়। মৎস্য বিশেষজ্ঞদের মতে, গভীর সমুদ্রের এই মাছ
সাধারণত উপকূল সংলগ্ন এলাকায় খুব একটা ধরা পড়ে না।
ট্রলার
মালিক সব্বির আহমেদ জানান, শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকালেই তিনি ১১ জন মাঝিমাল্লা ও
জেলের সঙ্গে সেন্টমার্টিন দ্বীপের পশ্চিমে মাছ ধরার উদ্দেশ্যে জাল ফেলেন। তখনই অন্যান্য
মাছের সঙ্গে এই বিশাল মাছটি ধরা পড়ে। মাছটি বাজারে আনার পর ওজন করে দেখা গেছে প্রায়
২০০ কেজি। স্থানীয় ব্যবসায়ী সৈয়দ আলমকে মাছটি ৪০ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়েছে।
সৈয়দ
আলম জানিয়েছেন, টেকনাফ পৌরসভার কায়ুকখালী ফিশারিতে বরফের মাধ্যমে মাছটি সংরক্ষণ করা
হয়েছে। বড় আকারের হওয়ায় স্থানীয় বাজারে এই মাছের জন্য উপযুক্ত দাম পাওয়া কঠিন।
তাই বিশেষ ব্যবস্থা নিয়ে অধিক লাভের আশায় এটি চট্টগ্রামের বাজারে পাঠানো হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


স্থানীয়
বাজারে তেজাবি সোনার (পাকা সোনা) দাম বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে দেশের বাজারে সোনার দাম
বাড়ানো হয়েছে। সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম)
সোনার দাম বাড়ানো হয়েছে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা। এতে এক ভরি সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ
৬২ হাজার ৯০ টাকা।
আজ
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ
জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। শনিবার বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড
প্রাইস মনিটরিং কমিটি বৈঠক করে এ দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পরে কমিটির চেয়ারম্যান
ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে গত
২৯ জানুয়ারি সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনায় ১৬ হাজার ২১৩ টাকা
বাড়িয়ে ২ লাখ ৮৬ হাজার ০১ টাকা নির্ধারণ করা হয়। যা দেশের ইতিহাসে রেকর্ড সৃষ্টি করে।
এটাই ছিল সোনার সর্বোচ্চ দাম।
নতুন
দাম অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ৭ হাজার ৬৪০ টাকা
বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি
সোনার দাম ৭ হাজার ২৯০ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৫০ হাজার ১৯৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এ
ছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ৬ হাজার ২৪১ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা
হয়েছে ২ লাখ ১৪ হাজার ৪৪৩ টাকা। সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ৫ হাজার ৭৪ টাকা
বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে এক লাখ ৭৫ হাজার ৪৮৫ টাকা। এর আগে শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি)
সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ৭ হাজার ৬৪০ টাকা কমিয়ে ২
লাখ ৫৪ হাজার ৪৫০ টাকা, ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ৭ হাজার ২৯০ টাকা কমিয়ে ২ লাখ
৪২ হাজার ৯০৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ৬ হাজার ২৪১ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৮
হাজার ২০২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ৫ হাজার ৭৪ টাকা কমিয়ে এক লাখ
৭০ হাজার ৪১১ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
এর
আগে গত ৩ ফেব্রুয়ারি রাতে সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনায় ১০ হাজার
৯০৬ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা, ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ১০ হাজার ৪৩৯ টাকা
বাড়িয়ে ২ লাখ ৫০ হাজার ১৯২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ৮ হাজার ৯২৩ টাকা বাড়িয়ে
২ লাখ ১৪ হাজার ৪৪৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনায় ৭ হাজার ২৯০ টাকা বাড়িয়ে
১ লাখ ৭৫ হাজার ৪৮৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
একই
দিন সকালে সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনায় ৫ হাজার ৪২৪ টাকা বাড়িয়ে
২ লাখ ৫১ হাজার ১৮৪ টাকা, ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ৫ হাজার ১৯০ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ
৩৯ হাজার ৭৫৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ৪ হাজার ৪৩৩ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৫ হাজার
৫২০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনায় ৩ হাজার ৬৭৪ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৬৮ হাজার
১৯৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়। তার আগে ২ ফেব্রুয়ারি রাতে ভালো মানের প্রতি ভরি সোনায় ৫
হাজার ৪২৪ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৪৫ হাজার ৮৭ টাকা, ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ৫ হাজার ১৯০
টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৫৬৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ৪ হাজার ৪৩৩ টাকা
কমিয়ে ২ লাখ ১ হাজার ৫২০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনায় ৩ হাজার ৬৭৪ টাকা
কমিয়ে ১ লাখ ৬৪ হাজার ৫২১ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
একইদিন
সকালে সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনায় ৬ হাজার ৫৯০ টাকা কমিয়ে ২
লাখ ৫১ হাজার ১৮৪ টাকা, ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ৬ হাজার ২৯০ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৩৯
হাজার ৭৫৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ৫ হাজার ৩৬৫ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ০৫ হাজার
৫২০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনায় ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৬৮ হাজার
১৯৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
তার
আগে ১ ফেব্রুয়ারি রাতে সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনায় এক হাজার
৯২৫ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৫৭ হাজার ৭৭৪ টাকা, ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় এক হাজার ৮৬৬ টাকা
কমিয়ে ২ লাখ ৪৬ হাজার ৫২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় এক হাজার ৬৩৩ টাকা কমিয়ে
২ লাখ ১০ হাজার ৮৮৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনায় এক হাজার ৩১৪ টাকা কমিয়ে
১ লাখ ৭১ হাজার ৫৬৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
একইদিন
সকালে সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনায় ৪ হাজার ৮২ টাকা বাড়িয়ে ২
লাখ ৫৯ হাজার ৬৯৯ টাকা, ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ৩ হাজার ৯০৭ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৪৭
হাজার ৯১৮ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ৩ হাজার ৩৮২ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ১২ হাজার
৫১৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনায় ২ হাজার ৪১ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৭৩ হাজার
৯১০ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
এদিকে
সোনার দাম বাড়ানো হলেও অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম
৬ হাজার ৩৫৭ টাকা, ২১ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৬ হাজার ৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক
ভরি রুপার দাম ৫ হাজার ১৯০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৯০৭ টাকা
নির্ধারণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন